

আজ
মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত
। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য
দিয়ে এদিন দিবাগত রাতে
সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত
হবে।
হিজরী
বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত
রাতটিকে মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন
করে থাকেন। পবিত্র শবে বরাত মাহে
রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়। গুনাহ থেকে
ক্ষমা প্রাপ্তির মহিমান্বিত এক রজনী পবিত্র
শবে বরাত। এই রাতকে ভাগ্য
নির্ধারণের রাতও বলা হয়।
তদ্রূপ মুক্তির রজনী নামেও পরিচিত
এই রাত।
এই
রাতে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা বান্দাকে ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকতে থাকেন।
রিযিক বৃদ্ধির জন্য আহ্বান করেন।
অসুস্থদের সুস্থতার সুসংবাদ দান করেন মহান
সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। ফজর
উদিত হওয়া পর্যন্ত এভাবেই
বান্দাকে ডাকতে থাকেন তিনি। এসব কারণে এ
রাতের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত অন্যান্য
সাধারণ রাতের তুলনায় অনেক বেশি।
রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত উপস্থিত হয়
তখন তোমরা এ রাত (ইবাদতের
মধ্যে) জাগরণ কর এবং দিনে
রোজা রাখ (আল হাদিস)।
অন্যত্র
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
এই রাতে আল্লাহ তায়ালা
প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং ফজর
উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বলতে
থাকেন গুনাহ থেকে ক্ষমা চাওয়ার
কে আছ ? আমি তাকে
ক্ষমা করে দিব। অসুস্থতা
থেকে সুস্থ চাওয়ার কে আছ আমি
তাকে সুস্থ করে দিব। রিযিক
অন্বেষণকারী কে আছ? আমি
তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দিব। কে
আছ তওবাকারী? আমি তার তওবা
কবুল করে নিব (আল
হাদিস)।
এই
রজনীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ
লাভের আশায় নফল নামাজ,
কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন। অনেকে
রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন।
অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা,
ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা ও বিভিন্ন মহামারি
থেকে মুক্তির জন্য মুসলমানরা মোনাজাতে
অংশ নেবেন। এছাড়া অনেকেই এ রাতে মা-বাবাসহ আত্মীয়দের কবর জিয়ারত ও
দোয়া করেন।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা পবিত্র শবে বরাতের মাহত্মে
উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও
দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ
করার জন্য সবার প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন,
সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার
করে আমরা শান্তির ধর্ম
ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয়
জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা
করি। পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে এক
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
শবে
বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান
শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিস্ফোরক দ্রব্য,
আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য
বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ
করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন
কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র
কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাতসহ অনুষ্ঠানমালা।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির তৃতীয় সভায় তিনি এ কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আগামী জানুয়ারি মাসে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারিখ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। বিশ্ব ইজতেমা কীভাবে ভালোভাবে হতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, বিশ্ব ইজতেমায় এখন দুটি গ্রুপ হয়ে গেছে। তাদের মধ্যে মতেরও পার্থক্য আছে। আমরা তাদের সঙ্গে বসব, যাতে তারা সবাই ঐকমত্যে এসে ভালোভাবে (ইজতেমা) করতে পারে। এটি খুবই ভালো একটা আয়োজন, আমাদের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য বিরাট অনুষ্ঠান। এখানে বহু হুজুর যান এবং বহু দিকনির্দেশনা আসে। আমরা তাদের অনুরোধ করব। আমরা তাদের বলব, আপনাদের নিজেদের মধ্যে যে সমস্যাটা রয়েছে, তা নিজেরা সমাধান করতে পারলে আমাদের জন্য ভালো। আর যদি নিজেরা সমাধান করতে না পারেন, তাহলে আমরা বসতে পারি, কীভাবে সমাধান করে আয়োজনটি ভালোভাবে করা যায়, সে বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
সভায় সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে করণীয়; বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়; সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, নির্মূল ও নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগ; অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সচেষ্ট হওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারী ও অপরাধীদের গ্রেপ্তার কার্যক্রম জোরদার করা, বিভিন্ন অপরাধী ও আন্দোলন-সমাবেশে উসকানিদাতাদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত হয়।
এ ছাড়াও রাস্তায় সমাবেশ না করে দাবি-দাওয়া সংশ্লিষ্ট সরকারি কমিটি বা কমিশনে পেশ করা, জনভোগান্তি দূর করতে শাহবাগের পরিবর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা ও সমাবেশ আয়োজন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের এ বিষয়ে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জনসাধারণকে জানানো, জামিনে মুক্তি পাওয়া শীর্ষ সন্ত্রাসীরা অপরাধে লিপ্ত হলে দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া ইত্যাদি সিদ্ধান্ত হয়।
স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা এবং কমিটির আহ্বায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সভায় সভাপতিত্ব করেন । আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা এতে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


রমজান মাসের পুরোটা জুড়েই রয়েছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত।
নবী রাসুলুল্লাহ (সা.) বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, রমজান মাসের প্রথম ১০ দিন হলো রহমত; তার দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত; এর শেষ ১০ দিন হলো নাজাত।
আজ রোববার (৩১ মার্চ) শেষ হচ্ছে মাগফিরাতের দ্বিতীয় দশক। সেই সাথে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে রমজান মাসের শেষ দশক ‘নাজাত’।
এই নাজাতের দশকে এমন একটি রাতের কথা বলা হয়েছে, যেই রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম। কারণ, এ রাতেই প্রথম পবিত্র মক্কার হেরা পর্বতের গুহায় মহান আল্লাহ মুহাম্মাদ (সা.)-এর কাছে পবিত্র কোরআন নাজিল করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আমি একে নাজিল করেছি কদরের রাতে। তুমি কি জানো, কদরের রাত কী? কদরের রাত হাজার মাসের চেয়েও উত্তম।’ (সুরা কদর: ১-৩)
তাই আজ রাত থেকে শুরু হচ্ছে শেষ দশকের বেজোড় রাত।
মূলত, ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ এই পাঁচ দিন যদি পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে কোন বান্দা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত করেন, তাহলে সেই বান্দার ইবাদত হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম হিসেবে মালিক আল্লাহ গ্রহণ করবেন।
‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। তবে মর্যাদার রাতটি পাওয়া এতো সহজ নয়। কঠিন কিন্তু ঈমানদারগণ যদি নেক দিলে ইবাদাত করে, মহান আল্লাহ অবশ্যই পুরস্কার দিবেন।
এ রাতটি রমাযানের শেষ দশকে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘‘রমজানের শেষ দশদিনে তোমরা কদরের রাত তালাশ কর।’’ (বুখারী : ২০২০; মুসলিম : ১১৬৯)
মহিমান্বিত এ রাতকে আল্লাহ তাআলা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে সুপ্ত রেখেছেন। তিনি এটাকে সুনির্দিষ্ট করে বলেননি।
তিনি বলেছেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে শবে কদর অনুসন্ধান করো।
মন্তব্য করুন


ছেড়ে গেল চলতি মৌসুমের হজের দুই ফ্লাইট।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৪টা ৫ মিনিটে
পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা দিলেন ৪১৩ বাংলাদেশি হজযাত্রী। এ বছরের
প্রথম ফ্লাইটটি ছিল সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের।
এরপর দ্বিতীয় ফ্লাইটে সকাল ৭টা ২০
মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের প্লেন সৌদি যায় ৪১৯ হজযাত্রী নিয়ে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো
হয়েছে।
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার
প্রথম দিনে ৭টি ফ্লাইট ঢাকা থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ
এয়ারলাইন্সের তিনটি ছাড়াও সৌদি এয়ারলাইন্স ও ফ্লাইনাসের দুটি করে ফ্লাইট রয়েছে।
প্রথম দিনের শিডিউল অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার
প্রথম দিনে ৭টি ফ্লাইটে সৌদি আরব যাওয়ার কথা রয়েছে মোট দুই হাজার ৭৮৫ জন হজযাত্রীর।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, চলতি
বছর হজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ৩১১ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায়
৪ হাজার ৪১৬ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধন করেছেন ৭৮ হাজার ৮৯৫ জন।
তবে, বুধবার পর্যন্ত হজে যেতে ভিসা
পেয়েছেন ৪২ হাজার ৮৪৬ হজযাত্রী। অর্থাৎ ৪০ হাজার ৪৬৫ জনের এখনও ভিসা হয়নি।
মন্তব্য করুন


হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্মরণে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে কুমিল্লায় সংবাদ সম্মেলন করেছে কেন্দ্রীয় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা'য়ালা আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপন কমিটি।
শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদ-ই মিলাদুন্নবী(সাঃ) উদযাপন কমিটির অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ আলমগীর খান।
তিনি বলেন, আগামী ১১ ও ১২ রবিউল আউয়াল শরীফ মোতাবেক ১৫ সেপ্টেম্বর প্রতিবছরের ন্যায় নাতে রাসুল, দরুদ সালামসহ নারায়ে রিসালাত শ্লোগানে মুখরিত হবে কুমিল্লা। কুমিল্লা টাউন হল মাঠ থেকে জশনে জুলুছ ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন বাদ আছরের পর টাউনহল মাঠ থেকে কেন্দ্রীয় জুলুছ নগরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। এতে সকলের উপস্থিতি কামনা করেন তিনি।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আরবের মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ গোত্রে মা আমিনার কোল আলো করে জন্ম নিয়েছিলেন বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। অন্ধকার যুগ থেকে মানবজাতির মুক্তিসহ তাদের আলোর পথ দেখাতে মহান আল্লাহতায়ালা রাসুলুল্লাহকে (সা.) প্রেরণ করেন এই ধরাধামে। পবিত্র কোরআন শরিফে বর্ণিত আছে, মহানবীকে (সা.) সৃষ্টি না করলে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পৃথিবীই সৃষ্টি করতেন না।
এর আগে হাফেজ আমিনুল ইসলাম আকবরীর কোরআন তেলায়তের মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়।
উপস্থিত ছিলেন, জুলুছ সম্পাদক খাদেম মোহাম্মদ ফিরোজ আল মাইজভান্ডারি, দপ্তর সম্পাদক আলহাজ্ব শাহ মোহাম্মদ ইউনুছ গাফ্ফারী বখশী, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মাওলানা অধ্যক্ষ মো.মাসুম বিল্লাহ,সহ জুলুছ সম্পাদক শাহ- ইত্তেহাদুর রশিদ বীপু বখশী, নবীনগর বিশ্ব এলাহী মন্জিল সাতমোড়া দরবার শরীফের গদ্দিনশীন পীরে তরকিত এডভোকেট শাহ.মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম চিশতী, মহানগর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা'ত এর সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, কুমিল্লা ইসলামিয়া আলীয়া কামিল মাদ্রাসার মুদারীস হাফেজ মাওলানা আমিনুল ইসলাম আকবরী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস ও প্রচার সম্পাদক রায়হান খানসহ অন্যান্যরা।
সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব কাজী এনামুল হক ফারুক। সংবাদ সম্মেলনে কুমিল্লায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজের নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ বুধবার(১৫নভেম্বর) থেকে ২০২৪ সালের সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনার (হজ এজেন্সি) হজযাত্রীরা ১৫ই নভেম্বর থেকে আগামী ১০ই ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে পারবেন।
আগামী ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রাক-নিবন্ধিত সব হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বশেষ নিবন্ধনের ক্রমিক হল ৯১০০৯৬।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী বছরের ১৬ই জুন (১৪৪৫ হিজরি সনের ৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এই চলতি বছরের মতো আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ করতে পারবেন। তার মধ্যে সরকারি মাধ্যমের কোটায় ১০ হাজার ১৯৮ জন ও বেসরকারি এজেন্সির কোটায় এক লাখ ১৭ হাজার জন হজ পালন করতে পারবেন বলে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে।
সরকারি ভাবে আগামী বছর হজে যেতে সাধারণ প্যাকেজে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বিশেষ হজ প্যাকেজের মধ্যমে হজ পালনে খরচ হবে ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকা।
অপরদিকে বেসরকারি ভাবে এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে সাধারণ প্যাকেজে হজ পালনে সর্বনিম্ন খরচ হবে ৫ লাখ ৮৯ হাজার ৮০০ টাকা। বিশেষ প্যাকেজের মাধ্যমে হজ পালনে ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৩০০ টাকা খরচ হবে ।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক মসজিদ হচ্ছে পাগলা মসজিদ। কিশোরগঞ্জ পৌর শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত এ মসজিদটির ৯টি লোহার দানবাক্স রয়েছে।
প্রতি ৩মাস পর পর দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এবার ৩ মাস ২০ দিন পর দানবাক্সগুলো খুলে ২৩ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে।
শনিবার ( ৯ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৮টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক কাজী মহুয়া মমতাজের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। এ সময় ২৩ বস্তা টাকাসহ বৈদেশিক মুদ্রা ও সোনার গয়না পাওয়া গেছে। এখন গণনার কাজ চলছে।
এ সময় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শেখ উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ জানান, টাকা গণনা কাজে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এ.টি.এম ফরহাদ চৌধুরী, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শেখ জাবের আহমেদ, সহকারী কমিশনার রওশন কবীর, মাহমুদুল হাসান, সামিউল ইসলাম, আজিজা বেগম, মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান, রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) রফিকুল ইসলাম, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মাদরাসার ১১২ জন ছাত্র, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য অংশ নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (৫ অক্টোবর ২০২৪) দুর্গাপূজা উদযাপনে গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা অবলোকনে ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশী হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।
এ সময় তিনি উপস্থিত মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটি এবং বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে মতবিনিময় করেন।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে সকলের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে সারা দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে।
সেই সাথে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, হিন্দু ধর্মাবলম্বী প্রত্যেক বাংলাদেশী অত্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করবেন।
পাশাপাশি, তিনি অন্য সকল ধর্মাবলম্বীদের সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।
মন্তব্য করুন


আজ
মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত
। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য
দিয়ে এদিন দিবাগত রাতে
সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত
হবে।
হিজরী
বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত
রাতটিকে মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন
করে থাকেন। পবিত্র শবে বরাত মাহে
রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়। গুনাহ থেকে
ক্ষমা প্রাপ্তির মহিমান্বিত এক রজনী পবিত্র
শবে বরাত। এই রাতকে ভাগ্য
নির্ধারণের রাতও বলা হয়।
তদ্রূপ মুক্তির রজনী নামেও পরিচিত
এই রাত।
এই
রাতে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা বান্দাকে ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকতে থাকেন।
রিযিক বৃদ্ধির জন্য আহ্বান করেন।
অসুস্থদের সুস্থতার সুসংবাদ দান করেন মহান
সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। ফজর
উদিত হওয়া পর্যন্ত এভাবেই
বান্দাকে ডাকতে থাকেন তিনি। এসব কারণে এ
রাতের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত অন্যান্য
সাধারণ রাতের তুলনায় অনেক বেশি।
রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত উপস্থিত হয়
তখন তোমরা এ রাত (ইবাদতের
মধ্যে) জাগরণ কর এবং দিনে
রোজা রাখ (আল হাদিস)।
অন্যত্র
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
এই রাতে আল্লাহ তায়ালা
প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং ফজর
উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বলতে
থাকেন গুনাহ থেকে ক্ষমা চাওয়ার
কে আছ ? আমি তাকে
ক্ষমা করে দিব। অসুস্থতা
থেকে সুস্থ চাওয়ার কে আছ আমি
তাকে সুস্থ করে দিব। রিযিক
অন্বেষণকারী কে আছ? আমি
তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দিব। কে
আছ তওবাকারী? আমি তার তওবা
কবুল করে নিব (আল
হাদিস)।
এই
রজনীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ
লাভের আশায় নফল নামাজ,
কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন। অনেকে
রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন।
অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা,
ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা ও বিভিন্ন মহামারি
থেকে মুক্তির জন্য মুসলমানরা মোনাজাতে
অংশ নেবেন। এছাড়া অনেকেই এ রাতে মা-বাবাসহ আত্মীয়দের কবর জিয়ারত ও
দোয়া করেন।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা পবিত্র শবে বরাতের মাহত্মে
উদ্বুদ্ধ হয়ে মানবকল্যাণ ও
দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ
করার জন্য সবার প্রতি
আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আসুন,
সকল প্রকার অন্যায়, অনাচার, হানাহানি ও কুসংস্কার পরিহার
করে আমরা শান্তির ধর্ম
ইসলামের চেতনাকে ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয়
জীবনের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠা
করি। পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে এক
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।
শবে
বরাতের পবিত্রতা রক্ষার্থে এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান
শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে বিস্ফোরক দ্রব্য,
আতশবাজি, পটকাবাজি, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য
বহন এবং ফোটানো নিষিদ্ধ
করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।
পবিত্র
শবে বরাত উপলক্ষে বিভিন্ন
কর্মসূচির আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। এর মধ্যে রয়েছে
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র
কোরআন তিলাওয়াত, হামদ-নাতসহ অনুষ্ঠানমালা।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন এবং সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
মন্তব্য করুন