

কুমিল্লা জেলার লালমাই উপজেলার বরল এলাকায় মেঘনা কোল্ডস্টোরেজ নামে একটি আলু রাখার হিমাগারে জেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা এর যৌথ উদ্যোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২১ লক্ষ পিচ ডিম এবং প্রায় ২৪ হাজার কেজি মিষ্টি ও মিষ্টির সিরা উদ্ধার করে।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) বিকেলে কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শাওন ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
লাইসেন্সবিহীন হিমাগারে অবৈধভাবে খাদ্যপণ্য মজুদ করার দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অবৈধভাবে মিষ্টি রাখার দায়ে জরিমানা করা হয় আরও ৬০ হাজার টাকা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান শাওন বলেন,এই বিপুল পরিমাণ ডিম কোন কোন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা এবং কত দিন যাবত মজুদ করা হচ্ছিল- কোল্ডস্টোরেজ কর্তৃপক্ষ জানাতে পারেনি। কোল্ডস্টোরেজটির কৃষি বিপণনের লাইসেন্স না থাকায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব পণ্য বিপণনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম বলেন, আলু রাখার কোল্ডস্টোরেজে বিপুল পরিমাণ ডিম ও মিষ্টি মজুদ করে রাখা হয়েছিল। ৫ হাজার বান্ডেলে ৪২০টি করে ডিম সেখানে রাখা ছিল। এছাড়া ৮শ ড্রামের প্রতিটিতে ৩০ কেজি করে ২৪ হাজার কেজি মিষ্টি রাখা হয়েছিল। যা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং ভোক্তা অধিকার বিরোধী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন গোলাবাড়ি এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু মোঃ হৃদয় (১৫) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি ভ্যান গাড়ি উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু
মোঃ হৃদয় (১৫) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার টিক্কারচর গ্রামের মৃত জাকির হোসেন
এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক
ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর
মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো
সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটককৃত আইনের সহিত সংঘাতে
জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
রবিবার (৩০ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
কনেশতলা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী শিশু মিয়া (২৫) নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শিশু মিয়া (২৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ধনপুর গ্রামের জামাল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
সিএনজি গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ
করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব হত্যা মামলার ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৭ মার্চ র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী থানাধীন শাসনগাছা লেগুনা ও সিএনজি অটোরিকশাস্ট্যান্ডের দখল নিয়ে চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব (২৭) হত্যা এবং ৬ জনকে গুলিবিদ্ধ করার মামলার আসামী ১। মোঃ হালিম (৫৫), পিতা- মৃত মনু মিয়া, সাং-শাসনগাছা (মোল্লা বাড়ী), থানা-কোতয়ালী মডেল, ২। মোঃ সজল (৩০), পিতা-আব্দুর রশিদ, সাং-শাসনগাছা (দক্ষিণ বাড়ী), থানা-কোতয়ালী মডেল, ৩। মোঃ ওমর ফারুক (২৪), পিতা-কালু মিয়া, সাং-শাসনগাছা, থানা-কোতয়ালী মডেল, ৪। মোঃ বাচ্চু মিয়া (৩৫), পিতা-রাজ্জাক (মিস্ত্রি), সাং শাসনগাছা, থানা-কোতয়ালী মডেল, ৫। মোঃ ইব্রাহীম (২৫), পিতা- রফিকুল ইসলাম, সাং-বেলাশ্বর, থানা-চান্দিনা, সর্ব জেলা-কুমিল্লাদের’দের গ্রেফতার করে।
জানা যায়, ঘটনায় নিহত কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারী কলেজে অর্নাসে অধ্যায়নরত। শাসনগাছা লেগুনা ও সিএনজি অটোরিকশাস্ট্যান্ডের দখল নিয়ে শাসনগাছা মধ্যমপাড়া দফাদার বাড়ি ও মোল্লা বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত ১৫ মার্চ ২০২৪ তরিখ মধ্যমপাড়ার আবুল কাশেমের দলের সঙ্গে মোল্লা বাড়ির ফজলে রাব্বি ও আলাউদ্দিনের দলের সংঘর্ষ এবং গোলাগুলি হয়। ঘটনাস্থলে ১ নং আসামী ফজলে রাব্বি ও ২ নং আসামী খলিলুর রহমানের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র পিস্তল দ্বারা গুলি বর্ষন করে এবং অন্যান্য সহযোগীরা ইট-পাটকেল দিয়ে আক্রমন করে। ঘটনার একপর্যায়ে, জামিল হাসান অর্নব এর বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয় এবং মোঃ অনিক (২৮), নাজমুল (২৮), মোঃ দিপু (৩৫), নিশু (২২), মোঃ মোহন (২০) ও রিনা (৪৫) গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুত্বর জখম হওয়ায় তাদের কে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার জামিল হাসান অর্নবকে মৃত ঘোষনা করে এবং বাকীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। ভিকটিম মারা যাওয়ার পর এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের মাতা বাদী হয়ে আসামীদের বিরুদ্ধের কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় ১টি হত্যা মামলা দায়ের করে।
র্যাব জানান, র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর আভিযানিক দল চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র জামিল হাসান অর্নব হত্যা মামলার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করে। আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোতয়ালী মডেল থানা, কুমিল্লা বরাবর হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিতাসে ভারী ভর্ষণের ফলে সৃষ্ট বন্যার প্রবল স্রোতে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে গোমতী নদীর উপর ইস্পাত ও কাঠের সংমিশ্রণে নির্মিত অস্থায়ী সেতু।
বুধবার (২১ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার আসমানিয়া বাজার সংলগ্ন ওই সেতুটি ভেসে যাওয়ার দৃশ্যটি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এসময় সেতুটির উপর দিয়ে পারাপাররত মানুষগুলোকে দিকবিদিক ছুটতে দেখা যায়। সেতুটি প্রথমেই পূর্বদিকে হেলে যায়, তারপর কিছুক্ষণ ভেসে তা নদীতে বিলিন হয়ে যায়।
সেতুটি ভেসে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে প্রায় ২২টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ। এতে করে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এলাকাসীর মাঝে। দুর্বল অবকাঠামোয় নির্মাণ ও কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারনে সেতুটি এনিয়ে দুই বার ভেঙে যায় বলে জানান তারা।
পথচারীরা জানান, সেতুটি ভেঙে পড়ায় আমরা দুশ্চিন্তায় আছি। বিকল্প নৌকায় যাতায়াত করতে গেলে এখন টাকা ও ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও দেখেছি, এখনো পরিদর্শনে যেতে পারিনি। প্রবল স্রোতে ও কচুরিপানার চাপে সেতুটি ভেসে যায়। তাছাড়া নতুন ব্রিজের কাজ চলমান হওয়ায় নদীর দুপাশ সরু হওয়ায় ওই অংশে স্রোতের চাপ বেড়ে যাওয়ায় অস্থায়ী সেতুটি ভেসে যায়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে অস্থায়ী সেতুটি পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণে রাজ গোয়ালি মোঃ ইয়াছিন মিয়া (২৫) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া (৩৭) ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সেলিম মিয়া (৪৭) হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরমূড়া) গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে।
রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত উভয় আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়- নিহতের খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার (৩৭) এর সহিত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া'র পরকীয়া প্রেম বাধা দেওয়ায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ১৮ মে দিবাগত রাত সোয়া ৯টায় স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে বাড়ী ফেরার সময় প্রথমে ভিকটিমের বড়ভাই বাদী মোঃ মিজানুর রহমানকে ধারালো চুরি দিয়ে ঘাই মারে পরে ভিকটিম ইয়াছিন মিয়ার বুকে ধারালো অস্ত্র ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়াছিনকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরামূড়া) গ্রামের মোঃ শাহজাহান খানের ছেলে নিহতের বড়ভাই মোঃ মিজানুর রহমান (৩৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত আলী মিয়ার তিন ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ জসিম উদ্দিন ও কুমিল্লা পিবিআই এসআই (নিঃ) আব্দুর রজ্জাক সর্দার তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার ৩ দিনপর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২১ মে আসামি মোঃ শাহজাহান ও ১১ জুন আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে দন্ডিত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর দণ্ডবিধির ৩৪১/৩২৪/৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে এবং আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামিদ্বয়কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে দোষী সাবস্ত ক্রমে আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়াকে মৃত্যু দণ্ড এবং আসামি মোঃ সেলিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: সেই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন আদালত।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন আমরা আশাবাদী শীঘ্রই উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
এদিকে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী এডভোকেট জালাল উদ্দীন টিপু বলেন রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৪৭ ক্যান বিয়ারসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
১৯ অক্টোবর বিকালে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
চৌদ্দগ্রাম থানাধীন দোলবাড়ী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী মোঃ সাইফুল নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে
৪৭ ক্যান বিয়ার এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক (মিশুক) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ সাইফুল (৩০) কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ছুপুয়া মিয়াবাড়ি গ্রামের মৃত সেলিম
মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ইজিবাইক (মিশুক) ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিয়ার সংগ্রহ পূর্বক কুমিল্লাসহ বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক প্রবাসীর পরিবারে হামলা চালিয়ে প্রবাসীর মা ফিরোজা
বেগমসহ কয়েকজনকে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার ধুড়িয়ারা গ্রামে
এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার
(২ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমন অভিযোগ
করেন মির্জা জয়নাল আবদীন হিরণ ও ঘটনার খবর পেয়ে দেশে আসা তার দুই ভাই আবদুল্লাহ মাহবুব
ও রফিকুল ইসলাম।
ভুক্তভোগীরা
অভিযোগ করে বলেন, পার্শ্ববর্তী বাড়ির আজিজুর রহমান লিটনসহ পরিবারের লোকজনের সাথে প্রবাসীর
পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে তারা গত ২৮ জানুয়ারি প্রবাসীর পরিবারের
উপর হামলা চালায় এবং প্রবাসীর মাকে কোদাল দিয়ে চোখের উপরিভাগে গুরুতর আঘাত করে রক্তাক্ত
জখম করে। এদিন প্রবাসীর আহত মা ফিরোজা বেগমকে প্রথমে নাঙ্গলকোট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রতিপক্ষের
হামলা ও হুমকিতে প্রবাসীর পরিবারটি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় আছে বলে তারা জানান। প্রবাসী
আবদুল্লাহ মাহবুব জানান, হামলাকারীরা তার মাকে হত্যার চেষ্টা করলেও তারা এখন ঘটনাটি
ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে অপপ্রচার চালিয়ে হয়রানী
করছে।
নাঙ্গলকোট
থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী জানান, দুইপক্ষের মারামারির
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাক্কা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত একজন আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২ ও র্যাব-৭, সিপিসি-৩ এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলার বায়োজিদ বোস্তামী থানাধীন অনন্যা আবাসিক এলাকা থেকে চৌদ্দগ্রামের যুবলীগ নেতা জামাল উদ্দিন বাক্কা হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মোঃ মোশারফ হোসেনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো: কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কুলাসার গ্রামের মৃত ইসমাইল ভেন্ডার এর ছেলে মোঃ মোশারফ হোসেন (৪৫)।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চট্টগ্রাম জেলার বায়েজিদ বোস্তামী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পৃথক দুইটি অভিযানে ৩০ কেজি গাঁজা ও ৫০ বোতল ফেন্সিডিল’সহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
(০২ জুলাই) তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) এবং ২। মনি আক্তার (২৯) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা, ৫০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে (০২ জুলাই) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মাঝিগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) নামক ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীর হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ শাহিন উদ্দিন (২৫) কক্সবাজার জেলার সদর থানার মধ্যম মাইজপাড়া গ্রামের শামসুল আলম এর ছেলে, ২। মনি আক্তার (২৯) নারায়নগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গুরুবদী গ্রামের হানিফ মিয়া এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার ভরজালা গ্রামের মৃত আলী আকবর এর ছেলে। আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা ও ফেন্সিডিল সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ঈদ উপলক্ষে কুমিল্লা বিসিকে (বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন) উৎপাদিত সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, সিলেট, নারায়ণগঞ্জ, জামালপুরসহ ২০-২২টি জেলায় যাচ্ছে।
সূত্রমতে, কুমিল্লা বিসিকের পাঁচটি কারখানায় সেমাই উৎপাদন করা হয়। সেগুলো হচ্ছে কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিল, রিয়াজ ফ্লাওয়ার মিল,মেট্রো কনফেকশনারি, খন্দকার ফুড ও মক্কা কনজুমার এন্ড ফুড প্রোডাক্টস। বিসিক ছাড়া কুমিল্লা আদর্শ সদর ও বিভিন্ন উপজেলায় সেমাই উৎপাদন হয়ে থাকে। কারখানা গুলোতে বাংলা ও লাচ্ছা নামে দুই ধরনের সেমাই তৈরি করা হয়।
কুমিল্লা বিসিকের কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলে গিয়ে দেখা গেছে, মেশিনে গর গর শব্দে বাংলা সেমাই উৎপাদন করা হচ্ছে। সেই সেমাই ছাদে শুকানো হচ্ছে। শুকানোর পর সেটা উনুনে ভাজা হয়। ঈদ বাজারের চাহিদা মেটাতে দ্রুত প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। ঘণ্টায় একজন শ্রমিক দুই থেকে আড়াইশ’ প্যাকেট করছেন। কেউ প্যাাকেট, কেউ ওজন, কেউ মুখ লাগানোর কাজ করছেন। কেউ কার্টনে সেমাই ভরছেন।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের সেমাই কারখানার সুপারভাইজার মো. মহসীন, শ্রমিক ফজলে রাব্বী ও হালিমা আক্তার বলেছেন, ঈদের অল্প কয়েকদিন বাকি। এখন বাজারে সেমাইয়ের চাহিদা রয়েছে। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে দ্রুত কাজ করতে হচ্ছে।
নগরীর কাপ্তান বাজারের ব্যবসায়ী টিপু সুলতান বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকে উৎপাদিত সেমাইয়ের সুনাম রয়েছে। তাই স্থানীয় বাজারে এর চাহিদাও ভালো।
কুমিল্লা ফ্লাওয়ার মিলের পরিচালক সৈয়দ গোলাম কাদের তানিন বলেছেন, আমরা ৩ দশক ধরে মান সম্মত উপায়ে সেমাই তৈরি করি। এখানে সেমাই তৈরিতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয় না। আমাদের সেমাই বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বেশি বিক্রি হয়। বাংলা সেমাই আল-নূর, কুলসুম নামে এবং লাচ্ছা সেমাই তানিন নামে বাজারজাত করি। চরাঞ্চলে বাংলা সেমাইয়ের চাহিদা বেশি।
বিসিক কুমিল্লার ডিজিএম মো. মুনতাসির মামুন বলেছেন, কুমিল্লা বিসিকের খাদ্য সামগ্রী উৎপাদনে সুনাম রয়েছে। তার একটি সেমাই। এখানে উৎপাদিত সেমাই ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। এখানের সেমাই মান সম্মত। মান রক্ষায় আমরা নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন করি।
মন্তব্য করুন