

রোহিঙ্গা
নাগরিকের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরীতে সহায়তাকারী আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ টি পাসপোর্টসহ
অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
গত
১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় রুজুকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট তৈরির
মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত মুল আসামী রোহিঙ্গা নাগরিক মোঃ ইয়াছির(১৯) কে বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে সে তাকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি
প্রদান করে। উক্ত জবানবন্দির সুত্র ধরে কুমিল্লা ডিবি ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে
অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬)কে সহ অত্র মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী
মোশারফ(৩৫) ও শরীফ(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এজাহারনামীয় আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬) কে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করা হয়। আসামী মোশারফ(৩৫)কে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা
হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্যুর এ্যান্ড ট্রাভেলস হতে ৬ টি ভুয়া পাসপোর্ট
ও পাসপোর্ট জমার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
এ
সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় পাসপোর্ট আইনে আলাদা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
ভুয়া পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তাকারী অপর আসামী কম্পিউটার অপারেটর শরীফ(২৫) কে মুরাদনগর
কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় নকিব ট্রাভেলস হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান হতে ৮ টি ভুয়া
পাসপোর্ট ও কিছু পাসপোর্ট জমার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক
নাসির উল্ল্যাহ(২৮) কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে মুরাদ নগর থানায় পাসপোর্ট আইনে অপর একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত
এক প্রজ্ঞাপনে আজ (১৯ আগস্ট) এ কথা জানানো হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে এসব সিটি
কর্পোরেশনের মেয়রদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয়েছে।
যে
১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর,
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
এ
ছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে ১২টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর
ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে
প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম,
খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) প্রয়োগ
করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে
উল্লেখ করা হয়েছে।
এদের
মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
ড. মো. শের আলীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক
(অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহমুদুল হাসানকে ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয়
কমিশনারকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনার বিভাগীয় কমিশনারকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে সিলেট
সিটি কর্পোরেশনে, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে, স্থানীয়
সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)কে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, রংপুরের বিভাগীয়
কমিশনারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
এবং ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ
দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লায় হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হোমনা উপজেলার ওই শিশুটি গত ২১ এপ্রিল ঢাকার উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
পরবর্তী সময়ে হাসপাতাল থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষায় তার শরীরে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. পিয়াস আহমেদ বলেন, “শিশুটি গত মাসে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তবে তার হাম পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় তাকে কুমিল্লা জেলার মৃত্যুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”
এদিকে কুমিল্লায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে; যার মধ্যে তিনজনের জনের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৬ জন।
এছাড়া চলতি বছরে এ পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৫৬০ জন রোগীর মধ্যে ১০৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।
তিনি জানান, “জেলায় এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজনের মৃত্যু নথিভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ল্যাব পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়ায় একজনকে নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যু হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই শিশু।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় চামড়া পাচার রোধে কঠোর নজরদারিসহ
দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানায় স্পিড গান ব্যবহার করা হয়।
সোমবার (২৪ জুন) হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত ডিআইজি মো: খাইরুল আলম ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা ও দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান করে পুলিশ অফিসার ও ফোর্সের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং শেষে বিশেষ অভিযানের নের্তৃত্ব প্রদান করেন এবং সকাল ৬টা হতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত ঈদের পর এক সপ্তাহ কাঁচা চামড়াবাহী যানবাহন ঢাকা অভিমুখে যাওয়া বন্ধ করতে কঠোর নজরদারি করা সহ সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কুমিল্লা রিজিয়নের ২২ থানার অফিসার ও ফোর্স কর্তৃক সংশ্লিষ্ট হাইওয়ে থানা এলাকায় বিশেষ অভিযানে মোতায়েন থেকে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রয়োগ করে ২৩৩টি প্রসিকিউশন দেওয়া হয়। স্পিড গান ব্যবহার করে ওভার স্পিডের ৮৭ ধারায় ৭৩টি এবং অন্যান্য ধারায় ১৬০টি প্রসিকিউশন দেওয়া হয়।
হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত
ডিআইজি মো: খাইরুল আলম বলেন, স্বস্তির ও আনন্দের ঈদ যাত্রা উপহার দিতে হাইওয়ে পুলিশ
কুমিল্লা রিজিয়ন মহাসড়কে সদা জাগ্রত থেকে যে ভাবে দায়িত্ব পালন করেছে, ঠিক একই ভাবে
দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঈদের পরেও হাইওয়ে পুলিশ মহাসড়কে থেকে আন্তরিক ভাবে দায়িত্ব পালন
করে যাচ্ছে। কাঁচা চামড়াবাহী যানবাহন ঢাকা অভিমুখে যাওয়া বন্ধ করতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণ সহ এই ধরনের অভিযান হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের পক্ষ থেকে অব্যাহত থাকবে।
তিনি এ সময় সরকার নির্ধারিত গতিসীমার মধ্যেই গাড়ি চালানো এবং মহাসড়কে সতর্ক ভাবে, সাবধানে এবং দায়িত্ব নিয়ে গাড়ি চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ড্রাইভারদের প্রতি অনুরোধ জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
সারাদেশের
ন্যায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কুমিল্লা অফিসে অভিযান পরিচালনা করছেন
দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ
বুধবার (৭ মে) দুদক কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম আলীর নেতৃত্বে তিন
সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ
সময় কুমিল্লা দুদক সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) কুমিল্লা সার্কেল অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এ ছাড়াও বিআরটিএ অফিসে
আসা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাই। পাশাপাশি আনসার বাহিনীর
সদস্য দায়িত্ব পালনের সময় এসব কাজে সরাসরি জড়িত রয়েছেন।
এসব
অনিয়ম দুনীতির অভিযোগের আলোকে প্রথমে আমরা ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করি। আমরা এ অভিযানে
সকল অভিযোগের সত্যতা পাই। অন্যদিকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের কোন সত্যতা পাইনি। পাশাপাশি
এ অফিসের কোন কর্মকর্তা এ কাজে জড়িত আছে কি না, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এ
অফিসের কেউ বাহিরে কাজ করছে কি না তাদের কিছু রেকর্ডপত্র আমরা চেয়েছি। তা পর্যালচনা
করে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তিকে পেট্রোল ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।সোমবার (১৮ মে) রাতে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী ভোমরা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৯ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র্যাব-১১ কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু।
গ্রেপ্তার আসামির জহির ইসলাম ওরফে জহির হিজড়া (৪৬)। তিনি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জাপর আলীর ছেলে। নিহত হিজড়ার নাম এনামুল হক শিশির (২৯)।
র্যাব জানায়, গত ১৩ মে সকালে বুড়িচং বাজারের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি টিনশেড বাসায় এনামুল হক শিশির (২৯) নামে তৃতীয় লিঙ্গের এক ব্যক্তির হাত-পা বেঁধে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ মে ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা বুড়িচং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে জহিরকে প্রধান আসামি করে তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৬ থেকে ৭ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু জানান, নিহত শিশির ও আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে বসবাস করতেন। তারা মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তারা নিহত শিশির ও আসামিদের বিরুদ্ধে পূর্বের মাদক মামলাও রয়েছে। গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও বাকি কেউ জড়িত থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি :
ঈদযাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে কুমিল্লার মুরাদনগরের কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় দুই পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১ জুন) দিনব্যাপী পরিচালিত এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন মুরাদনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সহযোগিতা করেন।
জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে মানুষের চাপ বাড়ার সুযোগে কয়েকটি পরিবহন যাত্রীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে কোম্পানীগঞ্জ বাস টার্মিনালে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এবং ভাড়ার রসিদ যাচাই করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত ৪০০ টাকার পরিবর্তে যাত্রীদের কাছ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় হানিফ পরিবহনের ম্যানেজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড এবং প্রান্তিক পরিবহনের সুপারভাইজারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অতিরিক্ত আদায় করা ভাড়ার অর্থ সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ফেরত দেয়া হয়। প্রশাসনের এমন পদক্ষেপে যাত্রীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ঈদযাত্রায় ভাড়া নৈরাজ্য রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানান।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব হাছান খাঁন বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো পরিবহন যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করতে পারবে না। সরকার নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। যাত্রীদের স্বার্থরক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে কেউ অনিয়ম করলে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় দুর্ধর্ষ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আল আমিন ও তার সহযোগীকে পিস্তলসহ গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
২২ নভেম্বর রাতে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন সংরাইশ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। মোঃ আল আমিন এবং ২। আবুল
কাশেম নামের দুইজন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেন। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ১ টি পিস্তল,
১টি ম্যাগাজিন ও ৪ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলো: ১। মোঃ আল আমিন (৩৩) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার সংরাইশ মধ্যপাড়া গ্রামের
মৃত ইদ্রিস মিয়া এর ছেলে এবং ২। আবুল কাশেম (৩৪) একই গ্রামের বাবুল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক লেঃ কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে সন্ত্রাসী কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধর্তব্য অপরাধ সংগঠিত করে আসছিল। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামী আল আমিন এর বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিরীহ ছাত্রদের উপর গুলিবর্ষণেরও তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের জানাজা জেলা জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় শতাধিক আইনজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) জুমার নামাজের পর এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত আইনজীবীরা আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এরপর তাঁর মরদেহ গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাঁও এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলি এলাকায় গত ৫ আগস্ট গুলিবিদ্ধ হন আইনজীবী আবুল কালাম আজাদ। এরপর ১০ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় মারা যান তিনি।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া তার বক্তব্যে বলেন, আবুল কালাম আজাদ একজন বিচক্ষণ আইনজীবী ছিলেন। তাঁর এমন মৃত্যুতে তিনি শোক প্রকাশ করে যারা তাঁকে হত্যা করেছে তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আ হ ম তাইফুর আলম বলেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের নিমর্মতার বলি হয়েছেন আমাদের সহকর্মী আবুল কালাম আজাদ। তাকে নগরীর মোগলটুলি এলাকায় নিমর্মভাবে পিটিয়ে ও গুলি করে আহত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্য হয়। তাঁর মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। আমরা এই ঘটনায় জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর বিকেলে নগরীর প্রতিটি সড়কে বিজয় মিছিলের পাশাপাশি বেশ সহিংসতা চলে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আদালতে হামলার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যাই আমি, আমার ছেলে শাফিউল হক আলভী, আরফানুল হক অবরিন এবং অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী। এরপর তারা মাগরিবের নামাজ পড়তে নগরীর মোগলটুলী এলাকায় পৌঁছালে তাদের ওপর হামলা ও গুলি করা হয়। এ ঘটনায় আবুল কালাম আজাদ আহত হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করছি।
এ সময় বক্তব্য দেন পিপি জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিটন, কেন্দ্রীয় বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুর রশীদ ইয়াছিন।
জানাযার নামাজ শেষে আইনজীবী আবুল কালাম আজাদের মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার কাজিরগাও এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


সাম্প্রতিক বন্যায় কুমিল্লা জেলার বুড়িচং এলাকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।বন্যার পানি কমে এলেও এখনো দুর্ভোগ শেষ হয়নি সাধারণ অসহায় মানুষের।
তাইতো কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার হরিপুর গ্রামের বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিবেক।
বিবেক হচ্ছে একটি সামাজিক সংগঠন। সমাজের মানুষের সহযোগিতার কল্যাণে যে প্রতিষ্ঠানটি সার্বক্ষণিক কাজ করে আসছে।
উক্ত প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান হলেন ইউসুফ মোল্লা টিপু যিনি কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব।
শনিবার ৭ সেপ্টেম্বর বিবেকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান এর উদ্যোগে বিবেকের একটি টিম বুড়িচং এলাকায় হরিপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যার্তদের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।
বন্যা
দুর্গতদের পাশে সহযোগিতার হাত নিয়ে বিবেকের এই উদ্যোগ সামনের দিনগুলোতেও চলমান থাকবে।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবীতে
কুমিল্লায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)এর বিক্ষোভ
মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ বুধবার বিকাল ৪ টায় কুমিল্লা
টাওন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষ করে পূবালী চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, এসবি
জুয়েল,সৈয়দ আহসান টিটু, কাজী মো: জায়েদ, নাইম আলম, ইব্রাহিম খালেদ হাসান , নাছির উদ্দীন,মো
রাসেল ভূইয়া জিসান, আরিফুল ইসলাম বাশার,বুড়িচং উপজেলা প্রতিনিধি সাব্বির আহমেদ ব্রাহ্মনপাড়া
উপজেলা প্রতিনিধি মাসুদ আলম, নাঙ্গলকোট উপজেলা
প্রতিনিধি আরিফ হোসাইন, অধ্যক্ষ মো: জসিম উদ্দিন আছাদনগর আবদুল মতিন খসরু কলেজ, মো:
লুতফুর, তিতাস প্রতিনিধি অন্যনা,লতা সরকার , নজমা,মাসুমুল বারী কাওসার সহ বিভিন্ন উপজেলা
ও মহানগর জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী
ছাএ আন্দোলনের সদস্যবৃন্দ।
মন্তব্য করুন