

কুমিল্লার দেবিদ্বারে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও হত্যা মামলায় আব্দুর রাজ্জাক নামের এক স্বেচ্ছাসেবকলীগ
নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি দেবিদ্বার পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ
সম্পাদক।
শনিবার (২৩ মে) রাত দেড়টায় দেবিদ্বার পৌর এলাকার ৫ নম্বর
ওয়ার্ড বানিয়াপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আব্দুর রাজ্জাক (৩৮) দেবিদ্বার বানিয়াপাড়া গ্রামের
মৃত জয়নাল আবেদিনের ছেলে।
জানা গেছে, গত বছরের ৪ আগস্টে সরকার পতনের আন্দোলনে
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক রুবেল হত্যার সঙ্গে জড়িত
ছিলেন তিনি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ওসি শামসুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন,
শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দেবিদ্বার পৌর এলাকার বানিয়াপাড়ার রাজ্জাকের
নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে রুবেল হত্যাসহ
শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ছাত্র-জনতার
ওপর হামলা ও গুলির ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা সাহেব আলীকে গ্রেফতার
করেছে পুলিশ।
আজ রোববার (১৮ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কোরপাই এলাকা থেকে
তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার সাহেব আলী বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
এছাড়াও তিনি বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং মোকাম ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক
সভাপতি।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিজুল হক
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সাহেব আলীর বিরুদ্ধে গতবছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার
ঘটনায় মামলা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ
সোমবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কুমিল্লা সিটি কলেজ মিলনায়তনে মাদকমুক্ত জাতি গঠনে
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া
খানম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার চৌধুরী
ইমরুল হাসান, সদর দক্ষিণ থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, সাংবাদিক, সংগঠক
ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক লেখক শাহাজাদা এমরান, কুমিল্লা সিটি কলেজের পরিচালনা পর্ষদ এর
সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা।
সেমিনারে
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, কুমিল্লা সিটি কলেজের প্রভাষক মাহদি প্রমি।
সেসিনারে
সভাপতিত্ব করেন, কুমিল্লা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ মো: নাদিমুল হাসান চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিগণ একটি সমৃদ্ধ জাতি গঠনে মাদকাসক্ত মুক্ত বাংলাদেশ গঠনে
সবাইকে সম্মিলিত ভাবে কাজ করার আহবান করেন। শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে বিরত থাকার জন্য
বিভিন্ন দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য ও উপদেশ প্রদান করেন।
কুইজ
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে মাদকের ক্ষতিকর দিক লেখা সম্বলিত
খাতা, কলম,স্কেল ও জ্যামিতি বক্স বিতরণ করা হয়।
এসময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপস্থিত সবাইকে মাদকবিরোধী শপথ বাক্য পাঠ করান এবং সবাই মিলে "মাদক কে না বলুন"লাল কার্ড প্রদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


পরকীয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণে রাজ গোয়ালি মোঃ ইয়াছিন মিয়া (২৫) কে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে একজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং অপরজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক রোজিনা খান।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া (৩৭) ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি সেলিম মিয়া (৪৭) হলেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরমূড়া) গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে।
রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত উভয় আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে ও আদালত সূত্রে জানা যায়- নিহতের খালাতো ভাইয়ের স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার (৩৭) এর সহিত আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়া'র পরকীয়া প্রেম বাধা দেওয়ায় আসামিরা পরষ্পর যোগসাজশে ২০২০ সালের ১৮ মে দিবাগত রাত সোয়া ৯টায় স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়ে বাড়ী ফেরার সময় প্রথমে ভিকটিমের বড়ভাই বাদী মোঃ মিজানুর রহমানকে ধারালো চুরি দিয়ে ঘাই মারে পরে ভিকটিম ইয়াছিন মিয়ার বুকে ধারালো অস্ত্র ছুরিকাঘাতে হত্যা করে দৌড়ে পালিয়ে যায়। এরপর নিহতের স্বজনরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ইয়াছিনকে উদ্ধার করে কুমেক হসপিটাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পরদিন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলাধীন জোলাই কুড়িয়াপাড়া (ফকিরামূড়া) গ্রামের মোঃ শাহজাহান খানের ছেলে নিহতের বড়ভাই মোঃ মিজানুর রহমান (৩৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের মৃত আলী মিয়ার তিন ছেলেসহ ৫ জনকে আসামি করে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নিঃ) মোঃ জসিম উদ্দিন ও কুমিল্লা পিবিআই এসআই (নিঃ) আব্দুর রজ্জাক সর্দার তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার ৩ দিনপর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২১ মে আসামি মোঃ শাহজাহান ও ১১ জুন আসামি সেলিম মিয়াকে গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করে দন্ডিত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের ১৭ নভেম্বর দণ্ডবিধির ৩৪১/৩২৪/৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি বিচারে আসলে ২০২৩ সালের ২৩ মার্চ আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে এবং আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামিদ্বয়কে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারার বিধানমতে দোষী সাবস্ত ক্রমে আসামি মোঃ শাহজাহান মিয়াকে মৃত্যু দণ্ড এবং আসামি মোঃ সেলিম মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড: সেই সাথে ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন আদালত।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট নুরুল ইসলাম বলেন আমরা আশাবাদী শীঘ্রই উচ্চ আদালত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।
এদিকে, এ রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় কৌশলী এডভোকেট জালাল উদ্দীন টিপু বলেন রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদন্ড
দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের
বিচারক রোজিনা খান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রাজু আদালতের কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, খালেদা আক্তারকে বিয়ের পর
থেকেই তার স্বামী রাজু বেকার ছিলেন। এ কারণে মেয়েসন্তানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে
থাকতেন খালেদা।
রাজু ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে
যান। পরের দিন ভোরে স্বামীকে কাপড় ধুয়ে দেয়ার কথা বলেন খালেদা। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির
একপর্যায়ে খালেদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্বামী।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়, খালেদার মরদেহ পুকুর ঘাটের কাছে ফেলে রেখে আসামি পালিয়ে যান। এরপর ঘাটে মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে রাজুকে আসামি করে কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানায় হত্যা মামলা করেন খালেদার বাবা।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে অতিরিক্ত পিপি আমিনুল ইসলাম ও নুরুল
ইসলাম জানান, তাদের আশা, উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।
মন্তব্য করুন


কৃষিতে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেয়ার
জন্য ২০১৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে
সিআইপি'র সমমর্যাদায় Agricultural Important
Person এআইপি প্রবর্তন করেন সরকার।
২০২১ সালের এআইপি খেতাবে
ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার
আদমপুর গ্রামের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার প্রাপ্ত
কৃষি পরিবেশ সমাজ উন্নয়ন সংগঠক, অধ্যাপক এম এ মতিন (মতিন সৈকত)।
২০২১ সালের পদকটি আগামী ৭
জুলাই ২০২৪ইং তারিখে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে মতিন সৈকত সহ অনান্য এআইপিদের
সন্মাননা সংবর্ধনা প্রদান করা হবে।
তিনি চার দশক ধরে কৃষি পরিবেশ
সমাজ উন্নয়নে বৈপ্লবিক অবদান রাখছেন। কৃষি উদ্ভাবন জাত/প্রযুক্তি বিভাগে মতিন সৈকত-কে
এআইপি সম্মাননা দেয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত হয়।
এআইপিগণ সিআইপিদের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে-
মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রশংসাপত্র, বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রবেশের জন্য প্রবেশ পাশ, বিভিন্ন
জাতীয় অনুষ্ঠানে নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলপথে ভ্রমণকালীন সরকার
পরিচালিত গণপরিবহনে আসন সংরক্ষণ অগ্রাধিকার, ব্যবসা/দাফতরিক কাজে বিদেশে ভ্রমণের জন্য
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভিসা প্রাপ্তির নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে উদ্দেশ্য করে
Letter of Introduction ইস্যু করবে, নিজের ও পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসার জন্য সরকারি
হাসপাতালের কেবিন সুবিধা প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার এবং বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার
সুবিধা পাবেন।
মতিন সৈকত একজন বহুমুখী সৃজনশীল
উদ্ভাবক-উদ্যোক্তা। সৃজনশীল কাজের স্বীকৃতি
স্বরূপ তিনি ১৯৮৭ সালে মহামান্য রাষ্ট্রপতির
অভিনন্দন পত্র পেয়েছেন। পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন ব্যাবহার এবং সম্প্রসারণে
অসাধারণ অবদানের জন্য ২০১০ এবং ২০১৭ সালে মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী মতিন সৈকত-কে দুইবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যাক্তিগত ক্যাটাগরিতে
২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক প্রদান করেন।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণে
মতিন সৈকত ছয়বার সরকারিভাবে চট্টগ্রাম বিভাগে শীর্ষ স্থান অর্জন করেন। বিষমুক্ত ফসল,
নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মতিন সৈকত নিরন্তর সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান
সৃষ্টিতে সমবায় ভিত্তিতে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে মতিন সৈকত সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে তুলেন
আপুসি, আপুবি, বিসমিল্লাহ, আদমপুর আদর্শ মৎস্য চাষ প্রকল্প।
প্লাবন ভূমিতে মৎস্য চাষে
দাউদকান্দি মডেল এবং নিরাপদ খাদ্য উপজেলা দাউদকান্দি মডেলের অন্যতম অংশীজন তিনি। সারাদেশে
বোরোধান উৎপাদন করতে সেচের পানির জন্য কৃষককে যখন ১২০০ থেকে ২০০০ টাকা বিঘাপ্রতি সেচ
খরচ দিতে হয়। সেখানে মতিন সৈকত বিঘাপ্রতি এককালীন
মৌসুমব্যাপী মাত্র দুইশ টাকার বিনিময়ে ত্রিশ বছর যাবত বোরোধান লাগানো থেকে পাকা ধান
কাটা পর্যন্ত যার যতোবার সেচের পানির প্রয়োজন ততোবারই সেচের পানি সরবরাহ করে জাতীয়
দৃষ্টান্ত স্হাপন করেন।
বোরোধানের জমিতে ধান উৎপাদনের
পাশাপাশি মৎস্য চাষ করে বিঘাপ্রতি ১০/ ১৫ হাজার
টাকা মুনাফা পাচ্ছেন কৃষক। মতিন সৈকতের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে সরকার কালাডুমুর নদী পূনঃখনন
করে দিয়েছেন।
এছাড়া মতিন সৈকত খাল-নদী
পূনঃখনন জলাভূমি সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী, পাখি
প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয় -
তিনি নিজ এলাকা দাউদকান্দি কুমিল্লায় ২০০৬ সালে ১০,০০০ কৃষক নিয়ে আইপিএম-আইসিএম
ক্লাব গঠন করেন। তার এ উদ্যোগের ফলে ২০১৭ বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) দাউদকান্দি
উপজেলাকে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করে। তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ
তিনি ২০১০ ও ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক এবং ২০২১ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৬,৮২০ পিস
ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
বাশমঙ্গল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ নাজমুল হাসান নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৬,৮২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক পরিবহণের
কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ নাজমুল হাসান (২৫) কুমিল্লা জেলার
বুড়িচং থানার আনন্দপুর গ্রামের মোঃ সিরাজ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি অটোরিক্সাটি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলা’সহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও উপ-পরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন এর নেতৃত্বে আজ ৯জানুয়ারি বিকালে কুমিল্লা জেলার বুড়িচং থানাধীন নিমসার বাজারের পশ্চিমে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পার্শ্বে গাড়ি চালকদের বিশ্রামাগারের সাথে রাস্তার উপর কুমিল্লা হতে ঢাকাগামী তিশা ট্রাভেলস বাস তল্লাশী করে ৫ কেজি গাঁজাসহ মোঃ মনিরুল ইসলাম প্রকাশ বেনজির নামের একজন আসামিকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার বাগচর গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে।
আসামীর বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক মো: মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক।।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর জন্মভূমি কুমিল্লায় ফিরলেন লন্ডনভিত্তিক ক্রিকেট টিম ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স’-এর কর্ণধার ও প্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর নিজ বাসভবনে পৌঁছালে তাকে ঘিরে তৈরি হয় এক আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ। নগরীর প্রবেশমুখ থেকেই মোটরসাইকেল শোডাউনের মাধ্যমে তাকে বরণ করে নেন তার বন্ধুমহল, শুভাকাঙ্ক্ষী ও স্থানীয় ভাই-ব্রাদার্সরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় মানুষকে ফিরে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন এলাকাবাসীও।
নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার মা মোসা. জুহরা বেগম। ছেলেকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, “আমার ছেলে এতদিন আমার কাছে ছিল না, আমার বুক খালি ছিলো। আজ আমার ছেলেকে ফিরে পেয়ে আমি অনেক আনন্দিত।” মায়ের এমন আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থিত সবাইকে নাড়া দেয়।
ছেলের দেশে ফেরা নিয়ে আবেগ প্রকাশ করেন তার বাবা মো. হাসানও। কুমিল্লা সিডি হাসপাতালের এই কর্মকর্তা বলেন, “দীর্ঘ ৩৬ বছর চাকরি করেছি মানুষের সেবা দিয়ে। জীবনের সবচেয়ে বড় কষ্ট ছিলো ছেলেকে এত বছর দূরে রাখা। আজ ওকে নিজের চোখের সামনে দেখে মনে হচ্ছে জীবনের বড় একটা শূন্যতা পূরণ হয়েছে। একজন বাবা হিসেবে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না।”
পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মো. আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি বলেন, “১৫ বছর ধরে দেশের বাইরে থাকলেও মন পড়ে ছিলো আমার প্রিয় জন্মভূমি কুমিল্লায়। এতদিন পর দেশে এসে সবাই যেভাবে আমাকে ভালোবাসা দিয়ে গ্রহণ করেছে, এতে আমি সত্যিই অভিভূত। এই ভালোবাসা আমার জীবনের বড় প্রাপ্তি।”
কুমিল্লার ক্রিকেটাঙ্গন নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথাও জানান তিনি। সিহান বলেন, “আমি ক্রিকেটকে অনেক ভালোবাসি। কুমিল্লার ক্রিকেটকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন কোচের সঙ্গে কথা বলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে পরিকল্পনা আছে। আমি চাই কুমিল্লা থেকে আরও ভালো মানের ক্রিকেটার তৈরি হোক এবং দেশের ক্রিকেটে কুমিল্লা আরও শক্ত অবস্থানে যাক।”
কুমিল্লা নগরীর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পুরাতন চৌধুরীপাড়া উত্তর গাংচরের বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম সিহান। তিনি মোসা. জুহরা বেগম ও মো. হাসান দম্পতির দ্বিতীয় পুত্র। ২০১১ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ প্রবাসজীবনের পর বর্তমানে তিনি একজন ব্রিটিশ নাগরিক। লন্ডনে বসবাস করলেও দেশের প্রতি ভালোবাসা ও কুমিল্লার প্রতি টান তাকে সবসময়ই নাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।
প্রবাসে থেকেও ক্রীড়াঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন সিহান। তিনি ‘কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ক্রিকেট ক্লাব’-এর মালিক এবং সেন্ট্রাল লন্ডন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার দেশে ফেরাকে ঘিরে কুমিল্লার ক্রীড়াঙ্গন ও পরিচিত মহলে দেখা গেছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। অনেকেই মনে করছেন, তার এই প্রত্যাবর্তন কুমিল্লার ক্রিকেট উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
মন্তব্য করুন


জাকারিয়া তাহের সুমনকে আহ্বায়ক ও আশিকুর
রহমান মাহমুদ ওয়াসিমকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির
আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপির
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বার্তায় এ তথ্য জানা
যায়। ১ নং যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে রয়েছেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম ও যুগ্ম-আহ্বায়ক পদে রয়েছেন
আমিরুজ্জামান আমীর।
সদস্য পদে রয়েছেন হাজী আমিন-উর রশীদ
ইয়াছিন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার উদ্যোগে টাস্কফোর্স অভিযানে ১৮ কেজি গাঁজাসহ ১ জন আটক এবং মাদক সেবনের অপরাধে ২ জনকে মোবাইল কোর্টে কারাদন্ড প্রদান।
ডিএনসি-কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার স.ম আজহারুল ইসলাম এঁর নেতৃত্বে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকবিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ১৮ কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির নগদ ১৪,০০০ হাজার টাকাসহ ব্রাহ্মণপাড়া গ্রামস্থ রাজ্জাক সরদার বাড়ির আব্দুর রাজ্জাক এর ছেলে মোকলেস মিয়া-কে আটক করা হয়। এছাড়াও একই এলাকার আব্দুর রহমান এর ছেলে হারুন অর রশিদ এবং ধন্যদৌল এলাকার মনু মিয়ার ছেলে মজিবুর রহমান সুজন-কে মদ্য পানের অপরাধে যথাক্রমে ১ মাস ও ১৫ দিন করে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
আজ ভোর ৫ টায় ডিএনসি- কুমিল্লার পরিদর্শক মোঃ শরিফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে একটি টিম, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন সাদমান হোসেন এর নেতৃত্বে ২১ জন সেনা সদস্যের একটি টিম এবং সশস্ত্র আনসার সদস্যগণ উক্ত অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামি মোখলেছ মিয়া এর বিরুদ্ধে পরিদর্শক মোঃ শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন