

কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে এক কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোনসহ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
সোমবার ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম
ও আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্ত এলাক থেকে এসব মালামাল আটক করা হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা সীমান্ত এলাকার নোয়াপুর কাচিগাং মাঠ থেকে মালিক বিহীন অবস্থায় ৫২ লাখ টাকা মূল্যর অবৈধ ১২১টি মোবাইল ফোন আটক করে।
অন্য অভিযানে আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী হাইস্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে ৫৬ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকার বাজি, শাড়ীসহ অন্যান্য চোরাচালানী পণ্য আটক করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি (যুদ্ধসমাধি)
থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।
তাদের দেহাবশেষ জাপানে নেওয়া হবে। এরই মধ্যে জাপানের পক্ষ থেকে ৭ সদস্যদের একটি ফরেনসিক
বিশেষজ্ঞ দল ওই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছেন। যেটি
শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর।
কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের পশ্চিম
পাশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় অবস্থিত ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থান
হিসেবে পরিচিত। সেখানে রোববার বিকেল পর্যন্ত খনন করা হয়েছে ১০টি সমাধি। জাপানের বিশেষজ্ঞ
ফরেনসিক টিমকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ সরকার। পুলিশি নিরাপত্তায় খনন কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়ছার।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে
নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের ৭৩৭জন বীর সৈনিককে ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে ১৯৬২ সালে একজন সৈনিকের দেহাবশেষসহ সমাধির মাটি তার স্বজনরা যুক্তরাষ্ট্রে
নিয়ে গিয়েছিলেন। সেখানে ২৪ জন জাপানি সৈনিকের মরদেহ রয়েছে। গত বুধবার থেকে খনন কাজ
শুরু হয়।
সমাধিস্থলের মাটি খুঁড়তেই মিলছে দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাপানি সৈনিকদের মাথার খুলিসহ শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড়। সেগুলো অত্যন্ত
যত্নসহকারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশন এই যুদ্ধ সমাধি ক্ষেত্র
তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছে।
সমাধিস্থলের খননকাজে জাপানের প্রতিনিধিদের
সহায়তা করছেন মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.)
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কবর (সমাধি) শনাক্তকরণ, দেহাবশেষ
সরিয়ে নেওয়ার কাজ করছেন। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ সরিয়ে আনার কাজটিও করেছেন
তিনি। জাপানের প্রতিনিধিদলের পক্ষে পুরো কর্মযজ্ঞের বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।
কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বলেন, ‘জাপান
সরকার ২০১৩ সালে আমাকে তাদের দূতাবাসে ডেকেছিল এই ২৪ জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ সরিয়ে
নেওয়ার বিষয়ে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ওই সময়ে সেটি সম্ভব হয়নি। গত বছর থেকে তারা বিষয়টি
নিয়ে আবারও যোগাযোগ করে। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাপান সরকার আমাদের সরকারের কাছে চিঠি
লেখে এবং কমনওয়েলথের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে এই কাজ শুরু করেছে। এখানে জাপানের পক্ষ থেকে
সাতজন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ কাজ করছেন, যারা এ কাজে অত্যন্ত দক্ষ। তাদের ছয়জন জাপানি ও
একজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। এই সমাধিগুলো ৮১ বছরের পুরোনো। এরই মধ্যে খনন করে আমরা
১০ জনের দেহাবশেষ সমাধি থেকে উত্তোলন করতে পেরেছি।’
দেহাবশেষে কী কী পাওয়া যাচ্ছে, জানতে
চাইলে এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘৮১ বছর পর খুব বেশি কিছু পাওয়ার সুযোগ নেই। আমরা
প্রতিটি সমাধির দুই ফুটের মতো খননযন্ত্র (এক্সকাভেটর) দিয়ে খুঁড়ছি। বাকিটা ম্যানুয়ালি
অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে খনন করা হচ্ছে। কোনোটিতে তিন ফুট, আবার কোনোটিতে ছয় ফুট খননের
পর দেহাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত যেগুলো খনন করা হয়েছে, সেসব সমাধিতে মাথার খুলি,
শরীরের বিভিন্ন অংশের হাড় পাওয়া যাচ্ছে। তবে যা-ই পাচ্ছি, সবকিছুই জাপানের বিশেষজ্ঞ
দল যত্নসহকারে সংরক্ষণ করছে।’
তিনি বলেন, আমরা এক তরুণ সৈনিকের দেহাবশেষ
তুলতে গিয়ে মাথার খুলির মধ্যে বুলেটের চিহ্ন পেয়েছি। রেকর্ড অনুযায়ী ওই সৈনিকের বয়স
২৮ বছর ছিল। আমার তখন বুকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করেছে। এত তরুণ বয়সে পৃথিবী থেকে চলে গেছে
সে। এখানে জাপানের সৈনিকদের ২৪ সমাধির মধ্যে ২০টির নাম-পরিচয় আছে। বাকি চারটির পরিচয়
শনাক্ত করা এখনো সম্ভব হয়নি। নিশ্চয়ই তারা (জাপানের প্রতিনিধিদল) দেহাবশেষ নিয়ে গেলে
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।’
কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেভস কমিশনের পক্ষে
দায়িত্ব পালন করা কান্ট্রি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আবদুর রহিম সবুজ বলেন, গত বুধবার সকাল
থেকে জাপানের প্রতিনিধি দল কার্যক্রম শুরু করে। এখানে সমাহিত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
সময় নিহত বিশ্বের ১৩টি দেশের।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল:
শুকনা খাবারসহ নিত্যপণ্যের বাজারে
ভোক্তা অধিদপ্তরের তদারকি অভিযান, চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।
কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় সৃষ্ট বন্যার প্রেক্ষিতে শুকনা খাবারসহ নিত্যপণ্যের দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে এমন তথ্যা পাওয়ায় নগরীর বৃহৎ পাইকারি বাজার চকবাজারে ভোক্তা অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশেষ তদারকি অভিাযান পরিচালনা করা হয়। চিড়া, মুড়ি, গুড়, গ্যাস সিলিন্ডারসহ নিত্যপণ্যের দোকানে এ তদারকি কার্যক্রম চলে। অভিাযানে অনিয়ম পাওয়ায় চার প্রতিষ্ঠানকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানাকৃত প্রতিষ্ঠানগুনলো যথাক্রমে বেশি দামে চিড়া বিক্রি করায় আনোয়ার স্টোরকে ১০ হাজার, ক্রয়ের ভাউচার না রেখে বেশি দামে মিষ্টি বিস্কুট বিক্রি করায় লক্ষণ স্টোরকে ৫ হাজার, বেশি দামে পেয়াজ বিক্রির প্রস্তাব করায় নারায়ণ চন্দ্র চৌধুরীকে ২ হাজার এবং অতিরিক্ত মূল্যে পেয়াজ বিক্রি এবং মূল্য উল্লেখ না করে ইচ্ছে মাফিক দামে বিক্রির সুযোগ করে দেওয়ায় শাহ পরান ট্রেডার্সকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানাসহ আজ মোট চার প্রতিষ্ঠাকে ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তদারকি করা হয় অন্তত অর্ধ শতাধিক নিত্যেপণ্যের দোকান। বেলা ১১টা থেকে সহকারী পরিচালক মো: আছাদুল ইসলামের নেতৃত্বে চলা এ তদারকি কার্যক্রমে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর একেচ আজাদ এবং কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
রবিবার (৩০ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন
কনেশতলা বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী শিশু মিয়া (২৫) নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৭৫ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক
পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী শিশু মিয়া (২৫) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার ধনপুর গ্রামের জামাল মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত
সিএনজি গাড়ি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল সংগ্রহ
করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা নগরীর অশোকতলায় এক অসহায় ভিক্ষুককে কুপিয়ে আহত ও তার কাছ থেকে ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোর গ্যাং লিডারকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জানা গেছে, ৩১ মে (রোববার) সন্ধ্যায় অশোকতলা এলাকায় ওত পেতে থাকা একটি কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এক ভিক্ষুকের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে এবং সারাদিনের ভিক্ষায় পাওয়া ১৬০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপুর নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আশিকসহ যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযুক্তদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। পরে অশোকতলা জামে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে কিশোর গ্যাং লিডার ‘টোকাই সামির’কে শনাক্ত করা হয়।
বুধবার (৩ জুন) তাকে আটক করার পর বিষয়টি প্রশাসককে জানানো হলে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।
এ দিন বিকেলে সিটি প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ারের নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃতকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নিজেদের হেফাজতে নেয়।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, নগরীতে সন্ত্রাস, ছিনতাই ও কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ও ময়মনসিংহ সিটি করপোরোশন (মসিক) নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র
আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রস্তুতের জন্য নির্দেশনা দিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার
(২৭ জানুয়ারি) ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব রৌশন আরা বেগম জানিয়েছেন।
তিনি
আরও জানান, ইতোমধ্যে নির্দেশনাটি মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায়
বলা হয়েছে, আগামী ৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় মসিকের সাধারণ নির্বাচন, কুসিকের মেয়র, ঢাকা দক্ষিণ
সিটি করপোরেশনের ১১ নম্বর সাধারণ আসনের কাউন্সিলর, বরিশাল সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর
ও ২২ নম্বর সাধারণ আসনের কাউন্সিলরের শূন্য পদে উপ-নির্বাচন ইভিএমের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের
লক্ষ্যে ‘স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা
নীতিমালা’ অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রস্তুত করে প্রস্তুতকৃত তালিকার ২ প্রস্থ
হার্ড কপি (সফ্ট কপিসহ) সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার মাধ্যমে বিশেষ দূত
মারফত আগামী ১ ফেব্রুয়ারি মধ্যে নির্বাচন সাপোর্ট-১ শাখায় প্রেরণের জন্য সংশ্লিষ্ট
সিনিয়র জেলা /জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে অনুরোধ করা হলো।
উপরিউক্ত
সাধারণ/উপ-নির্বাচন উপলক্ষে ভোটকেন্দ্রের তালিকা এ সময়ের মধ্যে ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট
সিস্টেমে এন্ট্রি সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।
নির্দেশনায়
আরো বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্র স্থাপনের ক্ষেত্রে-যতদূর সম্ভব সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান
অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে স্থায়ী ভোটকক্ষ স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ভবনের
অবকাঠামোর অভ্যন্তরে ভোটকক্ষ স্থাপন করা গেলে সেক্ষেত্রে অস্থায়ী ভোটকক্ষ স্থাপনের
প্রস্তাব পরিহারপূর্বক ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
সিনিয়র
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা যথাসম্ভব ভোটকেন্দ্রগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করবেন এবং ভোটকেন্দ্র
পরিবর্তন,নতুন ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও অস্থায়ী ভোটকেন্দ্র এবং ভোটকক্ষ স্থাপনের প্রতিটি
ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে প্রত্যয়ন দেবেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার
(১০ আগস্ট) বিকেলে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ
জাহাঙ্গীর আলম কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পরিদর্শন করেন।
এ
সময় কুমিল্লা সেনানিবাসের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক
খন্দকার মু: মুশফিকুর রহমান, কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো: সাইদুল ইসলাম ।
থানা পরিদর্শন শেষে সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেনের সাথে কথা বলেন।
উল্লেখ্য যে, সরকার পতনের পর সারাদেশে হামলা-সহিংসতায় থানাগুলোতে
লুটপাট-ভাংচুর হয়। এর ফলে স্বাভাবিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি সেনাবাহিনীর
পাহারা ও সহযোগিতায় থানায় আবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসতে শুরু করেছে।
মন্তব্য করুন


সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি এবং তাঁদের যৌনসঙ্গীদের জন্য সমন্বিত এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদারে কুমিল্লায় জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করে পিএসটিসি, কুমিল্লা এতে সহযোগিতা করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, বিপিএমপিএ সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল হোসেন পাটোয়ারী (রবি), মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন কার্যালয়,ডা. কাউসার আল আমিন, ডা. শফিকুল ইসলাম , সাংবাদিক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীরা এইচআইভি সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। তাই তাঁদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জের নিরাপদ অপসারণ, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা ও সামাজিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তাঁদের যৌনসঙ্গীদের সুরক্ষায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি শুধু ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিক ও সামাজিক সংকটও সৃষ্টি করে। কুমিল্লায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে তাঁরা দ্রুত একটি সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। পাশাপাশি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
‘বাংলাদেশে মূল জনগোষ্ঠীর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক এইচআইভি প্রতিরোধ সেবার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিএসটিসির সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা.মোঃ মাসুদ রানা । সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেন্টার ম্যানেজার মানস কান্তি দাস (অপু)।
সভা শেষে সিভিল সার্জন ডা: আলী নুর মো. বশির আহমেদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
বিএনপি নিরঙ্কুশ বিজয়ে সরকার গঠনের পর একটি পক্ষ মনক্ষুণ্ণ হয়ে ষড়যন্ত্র করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন।
তিনি বলেন, ‘বিএনপি গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জনগণের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করেছে। এ নিয়ে একটি পক্ষ মনে কষ্ট পেয়েছে। সে কারণে তারা চেষ্টা করছে কীভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা যায়।’
শনিবার (৩০ মে) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আমিন উর রশিদ ইয়াসিন বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করেছি; কিন্তু এর পরও এ ষড়যন্ত্র অব্যাহত থাকলে আমরা কঠোরভাবে সামনে এগিয়ে যাব। বিএনপির সরকার কোনো দিনই আইন নিজের হাতে তুলে নেয়নি, আগামীতেও নেবে না। সেজন্য এখন আমরা প্রতিটি পাড়া, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য কমিটি গঠন করব। এই কমিটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবে। তারপরও যদি কিছু মানুষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত করতে ষড়যন্ত্র করে, আর যদি আমরা অন্য কোনো উপায় খুঁজে না পাই, তাহলে তাদের আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোস্তাক মিয়া, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হানসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন আমতলী এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে আসামী মোঃ ওয়াসিম (৩০) এবং মোঃ সবুজ (৩৮) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ৩৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ওয়াসিম (৩০) বি.বাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ থানার লালপুর গ্রামের মোঃ বিল্লাল হোসেন এর ছেলে এবং মোঃ সবুজ (৩৮) নওগাঁ জেলার সদর থানার দশপাইকা গ্রামের মোঃ আশরাফুল ইসলাম এর ছেলে।
গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত ট্রাক ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন