

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় মো. ইমাম হোসেন বাচ্চু (৪৪) নামের এক রাজনৈতিক নেতার মৃত্যু হয়েছে। তিনি কুমিল্লা মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং নগরীর মোগলটুলি এলাকার বাসিন্দা।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩১ মে) সকালে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে দ্রুত কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে সকাল ৯টা ২০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, ইমাম হোসেন বাচ্চুর বিরুদ্ধে দুটি হত্যা এবং হত্যা চেষ্টার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা ছিল। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।
ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুনের সরকারি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
মন্তব্য করুন


আজ সোমবার (১০ মার্চ) সকালে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনায় আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জ বাজার এবং নিউ মার্কেট এলাকায় তদারকি অভিযান পরিচালনা করা হয়। পবিত্র রমজানকে উপলক্ষ্য করে ইফতারি সামগ্রী, শসা, লেবু, মাছ, মাংস, ভোজ্যতেল ও নিত্যপণ্যের ওপর এ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ব্যবসায়ীদের পণ্য ক্রয়ের ভাউচার ও বিক্রয়ের তথ্য যাচাই করা হয়।
ভোজ্যতেলের সরবরাহ, মজুদ পরিস্থিতি ও সাপ্লাই চেইন ঠিক আছে কিনা তদারকি করা হয়। অভিযানে মুল্য তালিকা প্রদর্শন না করায়, পাকা ভাউচার সংরক্ষণ না করা,বেশি দামে মুরগি বিক্রি করা মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য বিক্রি এবং BSTI এর অননোমুদিত ট্যাংক বা সফটড্রিংক পাউডার বিক্রি করাসহ বিভিন্ন অপরাধে মোট ৬ প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অন্যদের সতর্ক করা হয়। সকাল ১১:৩০ থেকে ২:০০ টা পর্যন্ত কুমিল্লা জেলা প্রশানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তৌহিদুল ইসলাম (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) স্যারের নেতৃত্বে এ অভিযান চলে। এতে জেলা বিশেষ টাস্কফোর্স টিমের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন (মো: কাউছার মিয়া, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা, আবুল হাসনাত বাবু সাবেক সভাপতি কুমিল্লা প্রেস ক্লাব এবং আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, সহসভাপতি ক্যাব কুমিল্লা) ।
অভিযানে কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭২০ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ডভ্যানসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ।
গতকাল (২ জুলাই) রাতে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ ত্রিনাথ সাহার নেতৃত্বে এসআই নাজিম উদ্দিন ভূইয়া ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম মুখী লেনে আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া বাজারের পাকা রাস্তায় একটি কাভার্ডভ্যান আসতে দেখে থামানোর সংকেত দেয়। এমতাবস্থায় কাভার্ডভ্যান এর চালক এবং হেলপার পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি বন্ধ করে পালানোর সময় জনগন ও সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় আসামী ১। বাবুল সিকদার ড্রাইভার, ২। মোঃ সাদেক হেলপারকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগনের উপস্থিতিতে কাভার্ডভ্যানটি তল্লাশি করে কাভার্ডভ্যানের ভেতর থেকে ৭২০ বোতল ফেন্সিডিল জব্দ করা হয়।
আসামীদ্বয়কে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেন যে, তারা গাড়িযোগে ফেন্সিডিল আমানগন্ডা কবরস্থানের সামনে থেকে চট্টগ্রাম নিয়ে যাচ্ছিল।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: ১। বাবুল সিকদার (ড্রাইভার) (৪০), পিতা-আব্দুর রহমান সিকদার, মাতা-মৃত জাহানারা বেগম, সাং-বড় বয়রা, থানা-সোনাডাঙ্গা, কেএমপি, খুলনা।
২। মোঃ সাদেক হেলপার (৩৪), পিতা-মোঃ কাশেম, মাতা-রোকসানা বেগম, সাং-চরপাড়া, থানা-পতেঙ্গা, সিএমপি, চট্টগ্রাম।
উক্ত ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে খিচুড়ি নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আল-আমিনকে হত্যার দায়ে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। একই সাথে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।
রোববার (৩১ মার্চ) দুপুরবেলা কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক মোছা: ফরিদা ইয়াসমিন এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন: কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানাধীন শালধর (সামারচর) গ্রামের মোঃ মোসলেম সরদারের ছেলে মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮)।
মামলার বিবরণে জানাযায়, ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী মাগরিবের নামাজের শেষে শালধর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র ভিকটিম আল-আমিন (৯) মাহফিলের কথা বলে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর পিতাসহ আত্মীয় স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করে না পেয়ে পরদিন কোতয়ালী মডেল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পরেরদিন শালধরের জৈনক দেলোয়ার হোসেন এর বাগানের পাশে পুকুরে ছোট শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে শোর চিৎকার করে মোঃ আল আমিন এর পিতা। আল-আমিন এর মরদেহ পুকুর থেকে উপরে তুলে দেখেন আল-আমিনের ঘাড়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এ ব্যাপারে ২০১৩ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারী ভিকটিম মোঃ আল আমিন এর পিতা বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন শালধর গ্রামের মৃত মালু মিয়ার ছেলে মোঃ ফয়েজ আহমেদ ও অজ্ঞাতনামা আসামি করে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সারওয়ার আলম তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ (১৮) ও মোঃ শাহ জাহানকে আটক করে।
পরবর্তীতে মামলাটি বিচারে আসলে রাষ্ট্রপক্ষে ১৫জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামি মোঃ নেয়ামত উল্লাহ এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার বিধানমতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী এপিপি মোঃ জাকির হোসেন বলেন, আশা করছি উচ্চ আদালত উক্ত রায় বহাল রাখবেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ফকিরবাজার এলাকায় অপরাধী চক্রের একটি টর্চার সেলের সন্ধান পায় সেনাবাহিনী।
আর সে টর্চার সেল থেকে দেশীয় অস্ত্র ও এলজিসহ সালাউদ্দিন খান (৩৮) নামে একজনকে আটক করে সেনাবাহিনী।
২৩ বীর সেনাবাহিনীর চৌদ্দগ্রাম স্টেশনের কর্মকর্তা মেজর মাহিন জানান, সালাউদ্দিন খানসহ স্থানীয় সন্ত্রাসীরা কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষকে জোরপূর্বক ধরে এনে টর্চার সেলে অমানবিক নির্যাতন চালাতো। টর্চার সেলে অস্ত্র মজুত রাখা ও নির্যাতনের অভিযোগটি আগেই আমরা পেয়েছি। পরে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। রোববার রাতে উপজেলার ফকির বাজারে রিয়াজ হুসাইন কামালের ‘লন্ডন বাড়ি'র টর্চার সেলে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনী। এ সময় অস্ত্রসহ মূল হোতা সালাউদ্দিনকে আটক করা হয়। তবে সালাউদ্দিনের সহযোগীরা সেনাবাহিনীর অবস্থান টের পেয়ে পালিয়ে যায়। সালাউদ্দিন খান স্বীকারোক্তি দিয়েছে। মানুষকে টার্গেট করে টর্চার সেলে এনে জিম্মি করতো তারা। নির্যাতন চালিয়ে আদায় করতো অর্থ। সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার সহযোগীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটককৃত সালাউদ্দিন চৌদ্দগ্রাম থানার গুণবতী কালিয়াতর (বিষ্ণুপুর) গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
অভিনব কৌশলে পিকআপে করে মাদক পরিবহনকালে ৬২ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার
করেছে র্যাব-১১,সিপিসি-২।
গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন দেবিপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে অভিনব কৌশলে মিনি পিকআপ ভ্যানের বডির ভিতরে গোপন প্রকোষ্ঠ বানিয়ে মাদকদ্রব্য গাঁজা পরিবহণের সময় আসামী মোঃ শাকিল হোসেন নামের একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৬২ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
মোঃ শাকিল হোসেন (২৬) কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানার একবালিয়া (সর্দারবাড়ী)
গ্রামের মোঃ বিল্লাল হোসেন এর ছেলে।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত মিনি পিকআপ কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক
দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা সহ অন্যান্য জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের
নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। এছাড়াও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়াতে
তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অভিনব কৌশল অবলম্বন করে মাদকদ্রব্য পরিবহণ করতো। র্যাব-১১
এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের
মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর
বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ২০ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২৩ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) ও ২। সাকিবুল হাসান (২১) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মারুফ হোসেন (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাঙ্গুরি মধ্যমপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস এর ছেলে এবং ২। সাকিবুল হাসান (২১) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বামুইল গ্রামের মোঃ লিটন এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
নগরীর কেএফসি রেস্টুরেন্টে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ তিনজনকে
গ্রেফতার করেছে।
আজ
মঙ্গলবার ( ৮ এপ্রিল) পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদেরকে গ্রেফতার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা
হলেন, সদর দক্ষিণ উপজেলার মাটিয়ারা গ্রামের শাফায়াত (২৭), নগরী কাপ্তান বাজার এলাকার
মো. জিহাদ (২১), নগরী শাসনগাছা এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিক ওরফে আসলাম (২১)।
এর
আগে গতকাল সোমবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে একটি
বিক্ষোভ মিছিল থেকে নগরীর রাণীর বাজার এলাকায় অবস্থিত কেএফসিতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এসময় বিক্ষোভকারীরা ভবনের দ্বিতীয় তলায় উঠে রেস্টুরেন্টের কাঁচ ভাঙচুর করে এবং নিচ
থেকে ইট-পাটকেল ছুড়ে ক্ষতি করে।
কুমিল্লা
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর কুমিল্লা
নগরীতে পুলিশ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিলে তার
বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা তিনজনকে আটক করেছি। বাকিদের আটক করতে বিশেষ
অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার তিন উপজেলার পৃথক স্থান থেকে বীমা কর্মীসহ ৩ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে
কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার আবাসিক ড্রিম হোটেল থেকে এক বীমা কর্মী এবং রবিবার
রাতে সদর দক্ষিন ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা থেকে এক নারীসহ আরো
দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত
করেন।
লাকসাম থানা পুলিশ ও স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার আবাসিক ড্রিম হোটেল থেকে আলতাফ হোসেন (৩৭) নামের এক ব্যাক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি প্রগতি ইন্সুরেন্সের রায়পুর শাখার ইনচার্জ ও হিসাবরক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলার ষোলনল শাকচর গ্ৰামে।
অন্যদিকে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার বান্দুয়াইন গ্রামের সড়কের পাশে স্থানীয় কমলা বেগম (৫৫) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার বান্দুয়াইন গ্রামের মৃত আয়ুব আলীর স্ত্রী। রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বান্দুইয়ান গ্রামের সড়কের পাশ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার জেলখানা বাড়ি সংলগ্ন এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশের একটি খাল থেকে অজ্ঞাতনামা এ পুরুষের ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


২৮ এপ্রিল (রবিবার) জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে বুধবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সম্মেলন কক্ষে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটি বর্ণাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা, দিনব্যাপী লিগ্যাল এইড মেলা ও ২০২৪ সেরা প্যানেল আইনজীবী পুরস্কারসহ ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।
কুমিল্লা জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান, জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ নাসরিন জাহান এর সভাপতিত্বে এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব এফ এম শেফায়েত ছালাম এর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা বিশেষ জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বিশেষ জজ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) বেগম সামছুন্নাহার, জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা জজ ও দায়রা জজ) মোছাঃ মরিয়ম-মুন-মুঞ্জুরী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিজ্ঞ বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, শ্রম আদালত কুমিল্লার চেয়ারম্যান (জেলা ও দায়রা জজ) হাবিবুর রহমান, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রোজিনা খান, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছাঃ ফরিদা ইয়াসমিন, যুগ্ম জেলা জজ তাওহীদা আক্তার, যুগ্ম জেলা জজ মোঃ ইমাম হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান বিপিএম, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার সোনিয়া হক, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ মেহেদী হাসান, জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ জহিরুল ইসলাম সেলিম, জেলা আইনজীবী সমিতির নব-নির্বাচিত সভাপতি ও সাবেক জেলা পিপি এডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ভূইয়া, অতিরিক্ত জিপি সাহিদা আনোয়ার, সিনিয়র তথ্য অফিসার নাছির উদ্দিন ও সিনিয়র জেল সুপার মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন প্রমুখ।
সভায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান এবং জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মোছাঃ নাসরিন জাহান বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ২৮ এপ্রিল রবিবার দেশের আপামর জনসাধারণকে সরকারি আইনি সহায়তা কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৪ উদযাপিত হবে।
তিনি অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারি আইনগত সহায়তা কার্যক্রম ও জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য দিবসটি কার্যকরভাবে পালন করতে সকলকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার আহবান জানান।
সভায় বিজ্ঞ বিচারকগণ, জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতিনিধি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনের প্রতিনিধি, সিনিয়র জেল সুপার, সিনিয়র তথ্য অফিসারসহ রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ দিবসটি সুষ্ঠুভাবে পালনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপনসহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সার্বিক সহযোগীতার অঙ্গীকার করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকা থেকে দলনেতাসহ আট জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১,
সিপিসি-২।
গত ২৭ জুন রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
দক্ষিণ মাঝিগাছা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের
নিকট হতে ২ টি চাকু, ৪ টি ক্ষুর ও ৭ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। মোঃ নিলয় ইসলাম (২০), পিতা-মোঃ রোকন মিয়া, সাং-
অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ২। মোঃ ইমতিয়াজ মিনহাজ আকাশ (১৯), পিতা-
মোঃ গোলাম রাব্বানী মাসুম, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
বাপ্পি (১৯), পিতা-মৃত আবুল খায়ের, সাং- অরন্যপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৪। পিয়াল খন্দকার (১৯), পিতা-মোঃ বশির খন্দকার, সাং- গাজীপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা;
৫। মোঃ আব্দুল কাদির (১৯), পিতা-মোঃ সোয়াব আলী, থানা-মাধবপুর, জেলা-হবিগঞ্জ, এ/পি সাং-
উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে গ্রেফতার এবং আইনের সাথে
সংঘাতে জড়িত শিশু ৬। শাহাদাত হোসেন মাহি (১৭), পিতা-মোঃ নাদের হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর,
থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৭। রাকিবুল হাসান (১৬), পিতা- মোঃ সোহেল রানা,
সাং- উত্তর রামপুর, থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা এবং ৮। মোঃ মুনতাছির মাহমুদ@
সামির (১৭), পিতা-মোঃ মীর হোসেন, সাং- উত্তর রামপুর থানা-সদর দক্ষিণ মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদের
ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং
এর সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয়
ভীতির মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির
মাধ্যমে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে
আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের
বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন