

ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন


আমরা সর্বদা সমাজ সেবায় নিয়োজির এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা চকবাজার ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।
দেশের যে কোন দুর্যোগ ও বিপদে মানুষের পাশে থেকে সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে এ কমিটির সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
গতকাল নগরীর চকবাজার চকমার্কেটে
এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ
নজরুল ইসলাম, আতাউর রহমান ছুটি, আমিরুল পাশা সিদ্দিকী রাকিব,মোহন মজুমদার, তোফায়েল
আহম্মেদসহ অন্যরা।
আলোচনা সভা শেষে মাসুদ আল হক জছিকে সভাপতি ও মোঃ রুবেল
আহমেদকে সাধারন সম্পাদক করে চকবাজার ক্লাব এর পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করা হয়।
কমিটির সহ-সভাপতি হয়েছেন সাইফ হোসাইন আল বান্না, সহ- সাধারণ সম্পাদক-মোঃ সুমন সওদাগর, সাংগঠনিক সম্পাদক-মোঃ শাকিল আহমেদ, অর্থ সম্পাদক- মোঃ কামরুল হাসান, প্রচার সম্পাদক- মাহাবুব আলম ইতিফ, দপ্তর সম্পাদক- মোঃ সাইফুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক- মোঃ মারুফ সরকার, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক- মাজহারুল আলম ইমন মজুমদার, অপ্যায়ন ও আমোদ প্রমোদ সম্পাদক- ফয়েজ আহমেদ অপু, সদস্য- ইমাম হোসেন অনিক, মোঃ জাবেদ হোসেন, রবিউল আলম পাভেল, জীবন সরকার, শ্রী রনি সাহা, শ্রী জনি সাহা, সীমান্ত সাহা, রনি সাহা, মোঃ রাজু আহম্মেদ, তন্ময় সাহা।
কমিটিতে উপদেষ্ঠা করা হয়েছে
বিশিষ্ট্য সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মোঃ নজরুল ইসলাম, আতাউর রহমান ছুটি, আমিরুল পাশা
সিদ্দিকী রাকিব,মোহন মজুমদার ও তোফায়েল আহম্মেদকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৪৮ বোতল ফেন্সিডিল ও ১,৯২৫
পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ রবিবার (৮ ডিসেম্বর) ভোরে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ
মডেল থানাধীন সুয়াগাজী বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে
আসামী আশরাফ আলী শাহিন ও সবুর উল্লাহ নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩৪৮ বোতল
ফেন্সিডিল, ১,৯২৫ পিস ইয়াবা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। আশরাফ আলী শাহিন
(২০) চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী থানার মাইজপাড়া গ্রামের জাফর আলম এর ছেলে এবং ২। সবুর
উল্লাহ (৪৫) একই জেলার সাতকানিয়া থানার আফজালনগর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলী এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য ফেন্সিডিল ও ইয়াবা সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৭ কেজি
গাঁজাসহ এক নারীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা।
বুধবার (১২ জুন) বুড়িচং থানাধীন কোরপাই
ফয়েজউদ্দিন নুরানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার সামনে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মিজানুর
রহমান এর নেতৃত্বে ডিএনসি- কুমিল্লা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে হনুফা আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে ৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার
করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- বাগেরহাট জেলার
মোরেলগঞ্জ থানাধীন বারইখালী এলাকার মোশাররফ খা এর মেয়ে হনুফা আক্তার (২৭)।
আসামীদের বিরুদ্ধে সহকারী উপ-পরিদর্শক
মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৫ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
বুধবার (০৭ ফেব্রুয়ারী) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন পদুয়ার বাজার এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আসামী ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) ও ২। মোঃ রুবেল (৩০) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় আসামীদ্বয়ের হেফাজত হতে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শাহাদাৎ হোসেন (৩১) চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ থানার উত্তর চাঁদপুর গ্রামের মৃত নূরুল হক কারী এর ছেলে এবং ২। মোঃ রুবেল (৩০) কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার লক্ষীপুর গ্রামের মোঃ সাত্তার এর ছেলে।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযানে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ী
ও একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু গাঁজা ও ইয়াবা সহ আটক করেছে র্যাব-১১ সিপিসি-২।
গতকাল (২৮ জুন) সকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ছুপুয়া
এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন খাবার হোটেলে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে
তাদেরকে আটক করা হয়।
আটককৃত আসামীরা হলো: ১। বাবলু মিয়া
(২৩), পিতা-জাকির হোসেন, সাং-আইরল, থানা-সরাইল, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া; ২। বিল্লাল হোসেন
(২২), পিতা-মাহবুল হক, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ
মুন্না হোসেন (২২), পিতা-মোঃ রেজাউল করিম, সাং- আলিপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরা;
৪। মোঃ সাইফুল ইসলাম কামাল (১৯), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট,
জেলা-কুমিল্লা; ৫। মোঃ সোহাগ (২৫), পিতা-আব্দুল খালেক, সাং-শফিবাদ, থানা-কচুয়া, জেলা-
চাঁদপুর; ৬। মোঃ ফয়সাল (২০), পিতা-আব্দুল বারেক, সাং-পানিপাড়া, থানা-চান্দিনা, জেলা-কুমিল্লা
৭। ইমরান হোসেন বাবু (২৫), পিতা-মাহবুল হক, সাং-শহীদপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
৮। মোঃ সালমান হোসেন (১৯), পিতা-মৃত শহীদুল ইসলাম, সাং-মাঝিআলী, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা-যশোর;
৯। মোঃ শাহেদ হাসান (২০), পিতা-মৃত কবির হোসেন, সাং-পানিপাড়া; ১০। মোঃ হুমায়ুন হোসেন
(২০), পিতা-মোঃ আবুল বাশার, সাং-ছুপুয়া দূর্গাপুর, থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা;
১১। মোঃ কাওসার (২২), পিতা-মৃত লোকমান হোসেন, সাং-মহিশ্বর, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা’দেরকে
গ্রেফতার করা হয় এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ১২। মোঃ জসিম উদ্দিন (১৬), পিতা-মোঃ
জাফর আলী, সাং-পশ্চিম নোয়াগাও, থানা-লালমাই, জেলা-কুমিল্লা। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৭৭০
গ্রাম গাঁজা ও ১৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
র্যাব জানান, আসামীরা ও আইনের সহিত
সংঘাতে জড়িত শিশু দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের
পার্শ্ববর্তী খাবারের হোটেল গুলোতে ট্রাকের ড্রাইভার ও হেল্পারদের নিকট মাদক বিক্রয়
করে আসছিল। কিছু হোটেলের মালিক/ম্যানেজারগণ খাবার হোটেলের ব্যবসার সাথে সাথে মাদক ব্যবসার
সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। ট্রাকের চালকেরা খাবার খাওয়া এবং বিশ্রামের জন্য উক্ত
খাবার হোটেল গুলোতে বিরতি নিয়ে থাকে। বিরতিকালে ড্রাইভার এবং হেলপাররা হোটেল গুলো থেকে
মাদকদ্রব্য ক্রয় করে এবং সেবন করে। মাদক সেবী ট্রাকের ড্রাইভাররা নেশাগ্রস্থ অবস্থায়
রাতে মহাসড়কে গাড়ি চালায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে মহাসড়কে সড়ক দূর্ঘটনার
হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং অভিযান পরিচালনা করে মাদক বিক্রয়কালে
অবৈধ মাদক সহ আসামীদেরকে হাতেনাতে গ্রেফতার ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে আটক করে।
মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে কুমিল্লায়
প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা জেলা
প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলার ১৭টি উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক
সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর
আলম।
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো.আমিরুল কায়ছার
এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পঙ্কজ বড়ুয়া, সকল উপজেলার
নির্বাহী অফিসার, র্যাবের কর্মকর্তা, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক উদবাতুল বারী
আবু ও সদস্য সচিব ইউছুফ মোল্লা টিপু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুমিল্লা মহানগরীর
আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদসহ পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় কলেজ শিক্ষার্থীকে রাস্তা
থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামী মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত ২০ থেকে
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় গাজীপুর জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বার
বাড়ীতে কলেজ শিক্ষার্থী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থীর পিতা
বাদী হয়ে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ১ টি মামলা
দায়ের করেন। (যার মামলা নং-২৪, তারিখ-৩০/০৯/২০২৪)।
উক্ত ঘটনায়
জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র্যাব গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায়
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-১১ এর অভিযানে
আজ (৫ অক্টোবর) ভোর রাতে নরসিংদী জেলার পলাশ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক
মোঃ সাকিব আহম্মেদকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার হাসনাবাদ এলাকার মোঃ রিপন মিয়ার ছেলে মোঃ
সাকিব আহম্মেদ (২৪)।
স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, শিক্ষার্থীর পিতা একজন ব্যবসায়ী। দাউদকান্দি উপজেলার
স্থানীয় একটি কলেজে একাদশ শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছিল ওই শিক্ষার্থী। কলেজে
যাওয়া আসার সময় গ্রেফতারকৃত আসামী সাকিবের সাথে পরিচয় হয়। এরই প্রেক্ষিতে সাকিব ওই
শিক্ষার্থীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ বিবাহের প্রস্তাব
দেয়। উক্ত প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে আসামী সাকিব তাকে বিভিন্ন ধরণের হুমকি ধামকি সহ অপহরণের
ভয় দেখায় এবং গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে। পরবর্তীতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ
আনুমানিক ৯ টায় ওই শিক্ষার্থী কিছু জিনিস কেনার জন্য কুমিল্লা জেলার
দাউদকান্দি থানাধীন হাসনাবাদ এলাকায় পৌছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামী সাকিব ও তার
সহযোগীরা ওই শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুর
জেলার কোনাবাড়ী থানাধীন মেম্বারবাড়ীতে নিয়ে যায়। সেখানে পূর্ব থেকে আসামী সাকিব একটি
রুম ভাড়া করে রাখে এবং গত ২০/০৯/২০২৪ তারিখ হতে ২৭/০৯/২০২৪ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন
সময় ওই শিক্ষার্থীকে ঐ ভাড়া বাসায় আটকে রেখে তার ইচ্ছার
বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে আসামী সাকিব ঐ বাসা থেকে পলায়ন করে আত্নগোপনে
চলে যায় এবং ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার বাসায় যোগাযোগ
করলে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে।
র্যাব জানান,
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ধর্ষণের ঘটনার সাথে তার সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে
তথ্য প্রদান করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীকে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানায়
হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় পৃথক অভিযানে ২৬ কেজি গাঁজা ও ১৪৯
বোতল ফেন্সিডিল’সহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
শনিবার (৮ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী ১। সবুজ খান (২৩), ২। সবুজ হাওলাদার (২৩) এবং ৩। মোঃ রাহাত খান (২০) নামক তিন জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে অদ্য ৮ জুন রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন উত্তর রামপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ হালিম শেখ (৪৮) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৬ কেজি গাঁজা, ১৪৯ বোতল ফেন্সিডিল ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। সবুজ খান (২৩) ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর থানার আরুয়া সোনারগাঁও গ্রামের বাবুল খান এর ছেলে, ২। সবুজ হাওলাদার (২৩) গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া থানার গচাপাড়া গ্রামের আলীম হাওলাদার এর ছেলে, ৩। মোঃ রাহাত খান (২০) ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া থানার উত্তর চড়াইল গ্রামের সোহরাব খান এর ছেলে এবং ৪। মোঃ হালিম শেখ (৪৮) নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম দেওভোগ গ্রামের মৃত মোঃ করিম শেখ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য সংগ্রহ করে ঝালকাঠি, নারায়নগঞ্জ, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের আন্তর্জাতিক
ভলান্টিয়ার দিবস উপলক্ষে ‘বেস্ট ভলান্টিয়ার’
এওয়ার্ড অর্জন করেছেন কুমিল্লা জেলার মো: নাঈমুল হাসান মজুমদার নাঈম।
কুমিল্লা জেলা থেকে তিনিই প্রথম এই
এওয়ার্ড অর্জন করলেন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে প্রথম হিসেবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন।
গত বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) নারায়ণগঞ্জের
পূর্বাচলে ফায়ার সার্ভিস মাল্টিপারপাস ট্রেনিং গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ
ও অপারেশনাল কার্যক্রমে ২২জনকে স্বীকৃতি সনদ ক্রেস্ট তুলে দেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল
ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল।
ইন্টারন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ডে-২০২৪
এর শুভ উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাননীয় উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)।
অনুষ্ঠানে ভলান্টিয়ারদের অংশগ্রহণে
সাজ-সরঞ্জামের বাস্তব ব্যবহার ভিত্তিক অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিষয়ে প্রশিক্ষণ মহড়া
অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে এবারের অনুষ্ঠানে ২ শতাধিক ভলান্টিয়ারের পাশাপাশি ফায়ার
সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর পরিচালকগণ, উপপরিচালকগণ, ট্রেনিং কমপ্লেক্সের অধ্যক্ষসহ
বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন