

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আরও এক দফা কমানো হয়েছে। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৪১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
আজ মঙ্গলবার (০৭ অক্টোবর) দাম কমানোর এ ঘোষণা দিয়েছে বিইআরসি। এদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে বলেছেন সংস্থাটি।
একইসঙ্গে আজকে অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। অক্টোবর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ১ টাকা ৩৮ পয়সা কমিয়ে (মূসকসহ) ৫৬ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ২৭০ টাকা থেকে ২৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি আরও জানায়, অক্টোবর মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত প্রোপেন ও বিউটেনের সৌদি সিপি (ঈড়হঃৎধপঃ চৎরপব) যথাক্রমে প্রতি মেট্রিক টনে ৪৯৫ মার্কিন ডলার ও ৪৭৫ মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে। প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ অনুযায়ী গড়ে ৪৮২ মার্কিন ডলার প্রতি মেট্রিক টন হিসেবে অক্টোবর মাসের জন্য বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম ভোক্তা পর্যায়ে সমন্বয় করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি মোবাইল সিমের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৫তম সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী একজন মোবাইল গ্রাহক তার জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধন করতে পারেন।
তিনি বলেন, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর এনআইডির বিপরীতে মোবাইল গ্রাহক প্রতি সিম নিবন্ধনের সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনা হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গ্রাহক প্রতি সিমের সংখ্যা আরো কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, একজনের সিমকার্ড ব্যবহার করে অন্যজন অপরাধ করে। এতে করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তি অনেক সময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। এজন্য ব্যক্তি পর্যায়ে রেজিস্ট্রেশন করা সিমকার্ড কমিয়ে আনা হবে। কোনো ঘটনা ঘটার পর দেখা যায় সিমটি সেই ব্যক্তির নয়। সেজন্য নির্বাচনের আগে সিমকার্ডের সংখ্যা কমিয়ে আনা হবে।
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আপত্তি আসে নাই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড আগেও ছিল, বর্তমানেও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোতে নিয়োগ ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ ও পদায়ন করা হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। তিনি এ সময় নির্বাচন সুষ্ঠু ও ভালোভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব “নাসিমুল গনি “, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


গরমের তীব্রতা বাড়ায় শনিবার (২০ এপ্রিল)
থেকে দেশজুড়ে চলছে তিন দিনের হিট অ্যালার্টের সতর্কতা।
তাপপ্রবাহ নিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন গত এক বছরে নিজেদের কাজ তুলে ধরে বলেন, গত বছর হিট মওসুমে
নিয়োগ হওয়ায় তখন বেশি কাজ করতে পারেননি। কাজ শুরু করলে রাতারাতি পরিবর্তন হবে না। আস্তে
আস্তে এই পরিবর্তনের ফল পাওয়া যাবে। দায়িত্ব
পেয়ে আমরা বসে নেই। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় যত দ্রুত সম্ভব আমরা
তা নিয়েছি। নগরবাসীর সচেতনতা বাড়াতে ‘হিট অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইন’ চলছে। নগরে গাছ লাগানোর
পাশাপাশি তার পরিচর্যা নিশ্চিত করার বিষয়টিও আমরা দেখছি।
এ ছাড়াও নগরের তাপমাত্রা ও দূষণ কমাতে
‘টু অ্যাবেল ফরেস্ট’ (দুটি বন করার চেষ্টা) তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কল্যাণপুর ও বনানীতে
পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে আমরা নগর বন তৈরি করতে যাচ্ছি। যা একই সঙ্গে শীতলীকরণ, বায়ুদূষণ
রোধ এবং মাটির গুণাগুণ বৃদ্ধি করবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ আরও কিছু সরকারি-বেসরকারি ও
এনজিওর সঙ্গে আমরা যুক্ত হয়ে বেশ কিছু কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছি।
ঢাকায় পানীয় জলের সুব্যবস্থা বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করছি। পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে ‘কুলিং স্পেস’ এর ব্যবস্থা করার জন্য সিটি করপোরেশনকে পরামর্শ দিয়েছি। যেন পথচারীরা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পান। ঢাকার অন্যতম প্রবল ঝুঁকিপূর্ণ বস্তির জনগোষ্ঠী। তাদের মধ্যে তাপপ্রবাহের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করছি। তাদের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। এর পাশাপাশি বস্তি এলাকায় গাছ লাগানোর মাধ্যমে তাদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এখন তারাই গাছের রক্ষণাবেক্ষণ করছেন। ‘গত বছর আমরা শহরের অনুন্নত অন্তত ১৫টি এলাকায় সবুজায়ন প্রোগ্রাম করেছি। যেখানে পাঁচ হাজারেরও বেশি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক
গরম থেকে বাঁচতে চিফ হিট অফিসার বুশরার পরামর্শ-
চিফ হিট অফিসার বুশরা আফরিন বলেন, আমি
চাইলেও একরাতে সব পরিবর্তন করে দিতে পারবো না। গরমে বেশি বেশি পানি পান ও শরীরের প্রতি
নজর রাখতে হবে। যেহেতু এমন গরম আগে বাংলাদেশে ইতিহাসে হয়নি, তাই এই পরিস্থিতি মানিয়ে
নিতে আগের অভ্যাস বাদ দিতে হবে। ব্যাগে পানির বোতল, হাতপাখা, ছাতার মতো জিনিসপত্র রাখা
জরুরি এখন। মাথায় টুপি পরলেও সমস্যা কিছু এড়ানো সম্ভব। খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে
বের না হওয়াই ভালো। সবাইকে তরল খাবার খাওয়ার পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। তাহলেই গরম জনিত
রোগ কিছুটা হলেও এড়ানো সম্ভব। তবে নগরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমাদের অবশ্যই
আরও বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং পরিবেশ বান্ধব অবকাঠামো নির্মাণে এগিয়ে আসতে হবে।
আর এদিকে তীব্র গরমে সারা দেশে আরও
৩ দিনের জন্য সতর্কতামূলক হিট অ্যালার্ট জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।
মন্তব্য করুন


২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী আগামী বছরের ১০ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা শুরু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে।
রুটিন অনুযায়ী, ১০ এপ্রিল থেকে এসএসসি শুরু হয়ে চলবে ৮ মে পর্যন্ত। তত্ত্বীয় পরীক্ষা হবে নির্ধারিত তারিখে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ১০ মে থেকে ১৮ মে পর্যন্ত হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সব বিষয়ের ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ১০ মে, ১৮ মে-এর মধ্যে সব ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।
পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রে সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্রসচিব ছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ব্যবহার করতে পারবেন না।
মন্তব্য করুন


ঢাকা মহানগরসহ দেশের সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে ডিমের মূল্য
স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজারে অভিযান।
আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তর ডিমের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজার তদারকি
কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতে অধিদপ্তরের ৪ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে
৪ টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর মালিবাগ, কাপ্তান বাজার, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও
জুরাইন এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
আজ দেশের ৩০টি জেলায় অধিদপ্তরের ৩৩টি টিমের পরিচালিত এ অভিযানে
৮১টি প্রতিষ্ঠানকে ২,৩২,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এসকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ।
মন্তব্য করুন


টাঙ্গাইলের মধুপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ৪ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েকজন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় উপজেলার পাহাড়ি বনাঞ্চলের টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বড়বাইদ এতিমখানা সংলগ্ন এলাকায় মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে ব্যাটারিচালিত ভ্যান, একটি মাহিন্দ্রা ও পিকআপ ভ্যানের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পিকআপ ভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মাহিন্দ্রার ৪ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হয়েছেন আরও অন্তত কয়েকজন।
খবর পেয়ে মধুপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা শিমুল মিয়া বলেন, অতিরিক্ত গতিতে চলা মাহিন্দ্রা গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে পিকআপভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৪ জন প্রাণ হারান।
এ বিষয়ে মধুপুর থানার অরনখোলা পুলিশ ফাঁড়ির (এস আই)“ বিমল চন্দ্র পাইন” বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


পার্বত্য অঞ্চলে হামলায় কারা জড়িত তাদের
বের করতে শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ।
ভূমি উপদেষ্টা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে
সম্প্রীতি নষ্ট করতে বাইরে থেকে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। যারা এসব হামলা চালিয়েছে তারা
কোত্থেকে এসেছে কেউ জানে না।
রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের
স্থানীয় সরকার বিভাগ কার্যালয়ে মার্কিন দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স হেলেন লাফেইভের
নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে
দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে বিশদ আলোচনা হয়।
বৈঠকে উপদেষ্টা হাসান আরিফ বলেন, আমরা
ছাত্র-জনতা-শ্রমিকের ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করছি। দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশ প্রতিষ্ঠা
করতে আমরা কাজ করছি। বাংলাদেশে এমন একটা পরিবেশ বিনির্মাণ করতে চাই, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু
নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চায় ভূমিকা রাখবে।
মন্ত্রণালয়গুলো ব্যক্তি নির্ভর হওয়া উচিত না, সিস্টেম নির্ভর হওয়া উচিত। এমন একটা সিস্টেম
প্রতিষ্ঠিত করতে হবে যাতে মন্ত্রী হিসেবে যে ব্যক্তিই আসনে অধিষ্ঠিত হোক না কেন, সিস্টেমের
কোনো ব্যত্যয় না ঘটে।
মন্তব্য করুন


সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে । বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে গেজেট জারি করা হয়েছে। নতুন এ দাম চলতি ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর ধরা হয়েছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ জানুয়ারি আবাসিক, সিএনজিচালিত যানবাহন, সার ও চা শিল্পে ব্যবহার ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে কার্যকর হয়।
সরকারি, আইপিপি ও রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের জন্য গ্যাসের পূর্ব মূল্য ছিল প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা যা বাড়িয়ে বর্তমান মূল্য করা হয়েছে ১৪ টাকা ৭৫ পয়সা।
ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট, স্মল পাওয়ার প্ল্যান্ট ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম ছিল প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা। এক্ষেত্রেও ৭৫ পয়সা বাড়িয়ে সেটা ৩০ টাকা ৭৫ পয়সা করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ভতুর্কি সমন্বয়ে বিদ্যুতের সঙ্গে গ্যাসের দাম বাড়ানো হচ্ছে । গ্যাসের দাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, গ্যাসের দাম সমন্বয় গ্রাহক পর্যায়ে হচ্ছে না। বিদ্যুতের পর্যায় হচ্ছে। গ্যাসের আবাসিক পর্যায়ে ব্যবহারের ক্ষেত্রে দাম বাড়ছে না। শিল্পেও গ্যাসের দাম বাড়ছে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে যে গ্যাস দেওয়া হয় সেখানে আমরা কিছুটা সমন্বয় করছি।
তিনি বলেন যে গ্যাস বিদ্যুতে দেওয়া হয় সেখানে প্রতি ঘনমিটারে ৭৫ পয়সা বাড়বে, অর্থাৎ এটা ইন্টারনাল।
এ বছর বিদ্যুতের ক্ষেত্রে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি আসবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি ক্ষেত্রে ৬ হাজার কোটি টাকার মতো ভর্তুকি আসবে। এগুলো আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আমরা সমন্বয়ে যাবো।
মন্তব্য করুন


কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার সব এলাকায় আগামীকাল (৫ ফেব্রুয়ারি) বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গ্যাস মিটারিং স্টেশন মোডিফিকেশনের জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে এই সময়ে নরসিংদী জেলা, রূপগঞ্জ উপজেলা, ঢাকা মহানগরীর পূর্বাঞ্চল, কালিগঞ্জ, জয়দেবপুর, কোনাবাড়ি, চন্দ্রা তৎসংলগ্ন এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের (ফিতরা) হার নির্ধারণ করা হয়।
রমজানে এ বছর বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৯৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর (২০২৩) সর্বোচ্চ ফিতরা ২ হাজার ৬৪০ টাকা, তবে সর্বনিম্ন ফিতরা ১১৫ টাকাই ছিল।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন। এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়। গম ও আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।
হাফেজ মুফতি মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে ফিতরা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজার মূল্য ১১৫ টাকা। যবের ক্ষেত্রে (এক সা’) ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৪০০ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
এছাড়া ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজার মূল্য দুই হাজার ১৪৫ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য দুই হাজার ৪৭৫ টাকা ও পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৯৭০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে জানান কমিটির সভাপতি।
ফিতরার পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানান মাওলানা রুহুল আমিন।
নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমপরিমাণ) মালের মালিক হলে মুসলমান নারী পুরুষের ওপর ঈদের দিন সকালে সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হয়। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে ফিতরা আদায় করতে হয়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ বা ১১ এপ্রিল মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
মন্তব্য করুন


তিস্তা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ভারতের
সঙ্গে আলোচনার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস। দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত বিষয়টি ঝুলে থাকার কারণে এতে কোনো দেশেরই
লাভ হচ্ছে না বলে জানান তিনি। (খবর এনডিটিভির)
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম পিটিআইকে দেয়া
এক সাক্ষাতকারে এ কথা বলেন ড. ইউনূস। ঢাকায় তার সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
ড. ইউনূস বলেন, আমি যদি জানি, আমি কতটুকু পানি পাব, সেটা ভালো হতো। এমনকি পানির পরিমাণ
নিয়ে যদি আমি খুশি নাও হই, তাতেও কোনো সমস্যা নেই। এই বিষয়টি সমাধান হতেই হবে। কারণ
পানি বণ্টনের বিষয়টি নিয়ে বসে থাকার ফলে এতে কোনো কাজ হচ্ছে না।
তিস্তার পানি বণ্টন নিয়ে অন্তর্বর্তী
সরকার ভারতকে চাপ দেবে কিনা- পিটিআইয়ের এমন প্রশ্নে ড. ইউনূস বলেন, চাপ শব্দটি অনেক
বড়। আমি এই কথা বলছি না। আমরা আলোচনা করব। তবে আমাদের একসঙ্গে বসে সমস্যার সমাধান করতে
হবে।
২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী
মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালে তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর অনেকটা চূড়ান্ত হয়ে
গিয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই চুক্তিকে অনুমোদন দিতে অস্বীকৃতি জানানোর
ফলে চুক্তি আর হয়নি। তখন মমতা দাবি করেছিলেন, তার রাজ্যেই পানির সংকট রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা আরও বলেন, তিস্তার পানি বণ্টন নতুন কোনো ইস্যু নয়, এটি অনেক পুরাতন ইস্যু।
বিষয়টি নিয়ে আমরা একাধিকবার কথা বলেছি। এমনকি পাকিস্তান পিরিয়ডেও কথা হয়েছে। আমরা সবাই
চেয়েছি এটির সমাধান করতে, এমনকি ভারত সরকারও এর জন্য প্রস্তুত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের
সরকার এর জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা চাই এর সমাধান করতে। ভাটির দেশ হিসেবে আমাদের
পানি পাওয়ার অধিকার রয়েছে।
মন্তব্য করুন