

মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরীর সমর্থনে কুমিল্লায় মহিলা দলের বর্ণাঢ্য মিছিল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা মহানগর ও দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের উদ্যোগে এবং কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে মিছিলটি নগরীর কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মোড় থেকে শুরু হয়ে কান্দিরপাড় হয়ে ছাতিপট্টি এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মহিলা দলের সভাপতি হেলেনা আক্তারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিজলী আক্তার, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আক্তার হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক শিল্পী, মহানগর বিএনপির নেতা সোহেল মজুমদার এবং সদর দক্ষিণ পৌরসভার সাবেক আহ্বায়ক আবু হানিফসহ জেলা ও মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কুমিল্লা ৬ আসনে মনিরুল হক চৌধুরীকে মনোনীত করেছেন। জেলা, মহানগর এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর বিজয় নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। তারা আরও জানান, মহিলা দলের উদ্যোগে কয়েক হাজার নারী নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে আজকের এই মিছিল নগরীতে ধানের শীষের পক্ষে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টি করেছে।
সমাবেশে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, কুমিল্লা ৬ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন ইনশাল্লাহ।
মন্তব্য করুন


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা:
নগরের ব্যস্ততম কান্দিরপাড় থেকে শুরু করে রাজগঞ্জ, শাসনগাছা কিংবা টাউন হল মোড়, কুমিল্লা প্রেসক্লাব -বিগত ছয়টি বছর ধরে পবিত্র রমজান মাসে এই এলাকাগুলোতে দেখা যায় এক চেনা কিন্তু উজ্জ্বল দৃশ্য। যখন নগরের মানুষ নিজের ঘরে পরিবারের সাথে আয়েশ করে ইফতার বা সাহরি সারেন, ঠিক তখনই একদল তরুণ প্রাণ পথে পথে খুঁজে বেড়ান ক্ষুধার্ত মানুষকে। কোনো প্রতিদান নয়, কেবল আত্মতৃপ্তি আর স্রষ্টার সন্তুষ্টির আশায় কুমিল্লার বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই মহৎ কাজ করে যাচ্ছে।
নিরবচ্ছিন্ন মানবিক পথচলা
২০২০ সালের সেই কঠিন সময় থেকে শুরু করে আজ ২০২৬ পর্যন্ত, টানা ছয় বছর ধরে এই কার্যক্রম থমকে যায়নি একদিনের জন্যও। শুরুতে স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও বর্তমানে এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। কুমিল্লার কয়েকটি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুমিল্লা জেলা, আমরা কুমিল্লার তরুণ প্রজন্ম,ক্বাদেরিয়া ইসহাকিয়া ফাউন্ডেশন, ফাতিহা ফাউন্ডেশন, জাগরণ মানবিক সংগঠন, কুটুম বাড়ি বিরিয়ানি হাউজ, "গাজী মোঃ মন্তাজ উদ্দিন ফাউন্ডেশন" কাজী ফাউন্ডেশন
—যাদের মধ্যে তরুণ শিক্ষার্থী ও সাধারণ পেশাজীবীরা রয়েছেন—ব্যক্তিগত তহবিল ও দানশীল ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এই আয়োজন সফলভাবে পরিচালনা করছেন।
সেবার ধরণ: ইফতার থেকে সাহরি
সংগঠনগুলোর এই কার্যক্রম মূলত দুই ভাগে বিভক্ত:
ভ্রাম্যমাণ ইফতার: প্রতিদিন আসরের নামাজের পর থেকেই শুরু হয় প্রস্তুতি। রিকশাচালক, পথচারী, দিনমজুর এবং ভাসমান মানুষের হাতে সময়মতো পৌঁছে দেওয়া হয় মানসম্মত ইফতারের প্যাকেট। অনেক সময় মহাসড়কে আটকে পড়া দূরপাল্লার যাত্রীদের হাতেও পৌঁছে যায় এই উপহার।
রাত্রিকালীন সাহরি বিতরণ: মধ্যরাতে যখন পুরো শহর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন এই স্বেচ্ছাসেবীরা বেরিয়ে পড়েন সাহরি নিয়ে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, ছিন্নমূল মানুষ এবং যারা রাতে কাজ করেন, তাদের জন্য গরম ভাত ও মানসম্মত তরকারি পরিবেশন করেন তারা।
যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা
সংগঠনগুলোর সমন্বয়ক মোহাম্মদ জাবের হোসাইন জানান জানান:
"আমরা যখন শুরু করেছিলাম, লক্ষ্য ছিল কেউ যেন ক্ষুধার্ত পেটে রোজা না রাখে। আজ ছয় বছর পর এসে দেখি, এই কাজটা কেবল আমাদের নয়, পুরো কুমিল্লাবাসীর ভালোবাসায় পরিণত হয়েছে। পথে থাকা একজন মানুষের হাসিমুখ আমাদের সব ক্লান্তি দূর করে দেয়।"
সামাজিক সংহতির উদাহরণ
এই উদ্যোগ কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং সমাজের উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। স্থানীয় নাগরিকরা মনে করেন, কুমিল্লার এই ঐতিহ্যবাহী সেবা মানসিকতা সারা দেশের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। কোনো সরকারি বরাদ্দ ছাড়াই সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই প্রকল্পটিকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে।
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই সংস্কৃতি কুমিল্লার পরিচয়কে আরও সমৃদ্ধ করেছে। পথে পথে সাহরি ও ইফতার বিতরণের এই নীরব বিপ্লব আগামীতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা কুমিল্লাবাসীর।
মানবতার এই কাজে যুক্ত হতে চাইলে যোগাযোগ করুনঃ
জাবের হোসাইন 01915131242
পিয়ারে মাহবুব 01911-041508
সাজ্জাদ খান 01838-246929
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় বন্যায়
ক্ষতিগ্রস্থ প্রান্তিক মৎস্যচাষীদের রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বিতরণ করা হয়।
বুধবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজস্ব
বাজেটের আওতায় ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ
প্রান্তিক মৎস্যচাষীদের ৮৪ জনের মাঝে ৭৫৩ কেজি রুই জাতীয় পোনামাছ অবমুক্তকরণ ও বিতরণ
করা হয়। উক্ত পোনামাছ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কুমিল্লা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা
মো: বেলাল হোসেন।
এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা সদর
দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবাইয়া খানম,
চট্টগ্রাম বিভাগের মৎস্য অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক (সংযুক্ত) শায়লা শারমিন, কুমিল্লা
সদর দক্ষিণ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা হিজবুল বাহার ভূঁঞা সহ সুফলভোগীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৬,৮২০ পিস
ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
বাশমঙ্গল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ নাজমুল হাসান নামের
একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৬,৮২০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট এবং মাদক পরিবহণের
কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিক্সা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ নাজমুল হাসান (২৫) কুমিল্লা জেলার
বুড়িচং থানার আনন্দপুর গ্রামের মোঃ সিরাজ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, সে দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি অটোরিক্সাটি ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলা’সহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


ফাতেমাতুজ জোহরা তন্বী, প্রতিবেদক:
নিটোল
পায়ে রিনিক ঝিনিক,পায়েলখানি বাজে
মাদল
বাজে সেই সংকেতে
শ্যামা
মেয়ে নাচে...
এস
ডি বর্মণের কণ্ঠে সেই প্রখ্যাত গান। বলছিলাম উপমহাদেশের সংগীতের রাজপুত্র কুমার শচীন
দেববর্মণের কথা।
শচীন
দেববর্মণ (১ অক্টোবর, ১৯০৬-৩১ অক্টোবর, ১৯৭৫) বিংশ শতাব্দীতে ভারতীয় বাংলা ও হিন্দী
গানের কিংবদন্তীতুল্য ও জনপ্রিয় সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার, গায়ক ও লোকসঙ্গীত। আগরতলার বাসিন্দা হলেও শচীন দেবের শৈশব কেটেছে কুমিল্লায়
এবং শেষ জীবন মুম্বাইতে। তাঁর সহধর্মিণী মীরা দেবী এবং একমাত্র পুত্র রাহুল দেববর্মনও
মুম্বাই চিত্রজগতের প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠশিল্পী।প্রায়শ তাঁকে এস ডি বর্মণ হিসেবেই উল্লেখ
করা হয়। কিছুটা অনুনাসিক কণ্ঠস্বরের জন্য তিনি তার শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।
প্রায় একশো বছর পার করেও বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে তার কালোত্তীর্ণ গানের আবেদন
কিছুমাত্র লঘু হয়নি। কেবল সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে নয়, গীতিকার হিসাবেও তিনি সার্থক।
তিনি বিভিন্ন চলচ্চিত্রে সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর পুত্র রাহুল
দেববর্মণ ভারতের বিখ্যাত সঙ্গীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। তাঁর ছাত্রী এবং পরবর্তীতে
সহধর্মিনী মীরা দেববর্মণ গীতিকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি রবি গুহ মজুমদার এর
অনেক গানে সুর দিয়েছেন এবং তা শিল্পে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি ২ বার (১৯৫৫ ও ১৯৭৪)
সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার এবং ১৯৭০ সালে শ্রেষ্ঠ নেপথ্য গায়ক হিসেবে
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত) লাভ করেন।
শচীন
দেব বর্মণ তার যুগের তুলনায় অনেকাংশে আধুনিক ছিলেন। তার অনেক গানই আজকাল রিমিক্স হচ্ছে
এবং জনপ্রিয়তাও পাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই জানছেন না, গান গুলোর আসল
সুরকার এবং গায়ক শচীন দেববর্মণ। শচীন দেব অনেক বাংলা গানে সুর দিয়েছেন। ১৯৩৪ সালে
নিখিল ভারত সঙ্গীত সম্মিলনে গান গেয়ে তিনি স্বর্ণপদক লাভ করেন। ১৯৩৭ সাল থেকে পরপর
কয়েকটি বাংলা ছায়াছবিতে তিনি সঙ্গীত পরিচালনা করেন। এক্ষেত্রে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য
ছায়াছবি হলো: রাজগী, ছদ্মবেশী, জীবন-সঙ্গিনী, মাটির ঘর ইত্যাদি। তার বিখ্যাত কিছু
গান যেমন-
শোনো
গো দখিন হাওয়া
হৃদয়ে
দিয়েছো দোলা
কে
যাসরে
ঝিল
মিল ঝিল মিল
তুমি
আর নেই সেই তুমি
রজ্গীলা
তুমি
এসেছিলে পরশু ইত্যাদি।
প্রতি
বছর দু-তিন দিন জুড়েই পালিত হয় 'শচীন মেলা'। স্নিগ্ধতা এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা ব্যাখ্যা
দেয় সোনালী অতীতের। শচীন দেববর্মণের মতো মানুষরা অমর প্রজন্মের পর প্রজন্মে।
বাংলা ও হিন্দি গানের কিংবদন্তি সুরকার শচীন দেববর্মণ এর জন্মভিটা কুমিল্লার দক্ষিণ চর্থায়। একসময় রাজবাড়ি হলেও এখন সেটি ইতিহাসের কান্না বয়ে চলা এক পরিত্যক্ত ভবন।
সরকারি উদ্যোগে ‘সংস্কৃতি কমপ্লেক্স’ গড়ে তোলার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাড়িটি পড়ে আছে অযত্নে-অবহেলায়।
আমরা কি তবে শচীন কর্তার সুরের স্মৃতি হারাতে বসেছি?
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এক প্রবাসীর পরিবারে হামলা চালিয়ে প্রবাসীর মা ফিরোজা
বেগমসহ কয়েকজনকে আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার ধুড়িয়ারা গ্রামে
এ ঘটনা ঘটে।
শুক্রবার
(২ ফেব্রুয়ারি) সকালে কুমিল্লা প্রেসক্লাবের হলরুমে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমন অভিযোগ
করেন মির্জা জয়নাল আবদীন হিরণ ও ঘটনার খবর পেয়ে দেশে আসা তার দুই ভাই আবদুল্লাহ মাহবুব
ও রফিকুল ইসলাম।
ভুক্তভোগীরা
অভিযোগ করে বলেন, পার্শ্ববর্তী বাড়ির আজিজুর রহমান লিটনসহ পরিবারের লোকজনের সাথে প্রবাসীর
পরিবারের সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরে তারা গত ২৮ জানুয়ারি প্রবাসীর পরিবারের
উপর হামলা চালায় এবং প্রবাসীর মাকে কোদাল দিয়ে চোখের উপরিভাগে গুরুতর আঘাত করে রক্তাক্ত
জখম করে। এদিন প্রবাসীর আহত মা ফিরোজা বেগমকে প্রথমে নাঙ্গলকোট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রতিপক্ষের
হামলা ও হুমকিতে প্রবাসীর পরিবারটি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় আছে বলে তারা জানান। প্রবাসী
আবদুল্লাহ মাহবুব জানান, হামলাকারীরা তার মাকে হত্যার চেষ্টা করলেও তারা এখন ঘটনাটি
ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগে অপপ্রচার চালিয়ে হয়রানী
করছে।
নাঙ্গলকোট
থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ চৌধুরী জানান, দুইপক্ষের মারামারির
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম
সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বিয়ে করেছেন।
শুক্রবার (১১ অক্টোবর) রাতে কুমিল্লার গ্রামের বাড়িতে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।
হাসনাতের একাধিক বন্ধু ও বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকা একাধিক সমন্বয়ক বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাসনাত বিয়ে করেছেন, এটি নিশ্চিত করে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন অ্যাকটিভিস্ট আব্দুল্লাহ হিল বাকী, সমন্বয়ক
তারিকুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, আবু বাকের মজুমদারসহ অনেকেই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরেক
সমন্বয়ক তারিকুল ইসলাম শনিবার সন্ধ্যায় হাসনাতের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, শুক্রবার রাতে ঘরোয়া আয়োজনে হাসনাত আবদুল্লাহর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। হাসনাতের স্ত্রীও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী।
সারজিস আলম হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে
ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ফেসবুকে। তিনি লিখেছেন, আল্লাহ পৃথিবীতে আমাদের জন্য
যা দিয়েছেন তার সবই নেয়ামত। তার মধ্যে সবচেয়ে উত্তম নেয়ামত হচ্ছে একজন নেককার স্ত্রী।
আজ থেকে তুমি তেমনই একজন স্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করছো।
হাসনাত আব্দুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। বিজয় একাত্তর হলের আবাসিক ছাত্র তিনি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
শিশু পরিবারের বাচ্চাদের সাথে নিয়ে ফল উৎসব ও এক সাবেক নিবাসীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন করছে রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া, দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাটস হোম বিড়ালের বাড়ি।
বুধবার বিকেলে নগরীর সংরাইশ সরকারি শিশু পরিবারে ফল উৎসব ও সেলাই মেশিন বিতরন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক শরফুন নাহার মনি, রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ার সাবেক সভাপতি রোটারিয়ান শাহ জাবেদুল হক সাগর, রোটারিয়ান আবদুল্লাহীল বাকী, রোটারিয়ান মাহফুজুর রহমান বাবুল, পরিচালক রোটারিয়ান মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী,
সাংবাদিক আরিফুর রহমান মজুমদার, মাইনুল হক স্বপন, শিক্ষিকা রোজি বেগম, আম্বিয়া খাতুনসহ আরও অনেকে।
অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন, সঙ্গীতা দে, উখি মারমা ও ওয়াইনু মারমা।
এ সময় আম, আমড়া, মালটা, আখ, আমলকী, জাম্বুরা ফল দিয়ে শিশুদের আপ্যায়ন করা হয়।
ফল উৎসব আয়োজনের জন্য শিশু পরিবারের সদস্যরা আয়োজক প্রতিষ্ঠান রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া, দৃষ্টান্ত ফাউন্ডেশন, কুমিল্লা ও ক্যাটস হোম বিড়ালের বাড়ি এর সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক শরফুন্নাহার মনি বলেন, শিশু পরিবারে প্রতি বৃহস্পতিবার বিকেলে মৌসুমী ফল খাওয়া হলেও এক সাথে এত ফল খাওয়ানো হয় না। এক সাথে এত ফল খাওয়ানো বাচ্চাদের জন্য ব্যতিক্রম। ফলের পাশাপাশি সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে বাচ্চাদের আলাদা আনন্দ দান করেছে।
রোটারী ক্লাব অব কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ার পরিচালক মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন রনী, পরিচালক বলেন, বাচ্চাদের পুষ্ঠির কথা চিন্তা করে ফল উৎসবের আয়োজন। পাশাপাশি একজন অসহায় পরিবারের আয়ের উৎস তৈরীতে সহায়তা করার জন্য সেলাই মেশিন বিতরন করা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ৬৪৮ বোতল ফেন্সিডিল আটক করেছে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
অদ্য ০৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ লক্ষীপুর পোষ্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/১০-এস হতে ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মান্দারি নামক স্থান হতে ৬৪৮ বোতল ফেন্সিডিল আটক করে।
আটককৃত ফেন্সিডিল এর আনুমানিক মূল্য ২,৫৯,২০০/- (দুই লক্ষ ঊনষাট হাজার দুইশত) টাকা।
মন্তব্য করুন


এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে কুমিল্লা জেলা হ্যান্ডবল দল।
সোমবার (৩ জুন) এক্সিম ব্যাংক ৩৫তম জাতীয় নারী হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা-২০২৩ এর উদ্বোধন হবে ঢাকায়।
১২ সদস্যের কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দল রবিবার কুমিল্লা থেকে ঢাকার উদ্দ্যেশে যাত্রা করে।
রবিবার সকালে কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলকে বিদায় জানান কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাদক্ষ আল আমিন ভূইয়া ও সদস্য দেলোয়ার হোসেন জাকির।
নারী হ্যান্ডবল দলকে শুভেচ্ছা জানান, নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন, তিনি শৃংখলার সাথে খেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের ও কুমিল্লা জেলার সুনাম বয়ে আনতে মনোযোগী হতে বলেন।
কুমিল্লা জেলা নারী হ্যান্ডবল দলের ম্যানেজার হিসেবে রয়েছেন রোকসানা বেগম ও কোচ আলমগীর আলম রাজু।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন,কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে ৫ কোটি টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লেসহ যানবাহন জব্দ করা হয়েছে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন ১০ বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার পালপাড়া এলাকায় অভিযান চালায় কটকবাজার পোষ্টের বিজিবির বিশেষ টহল দল। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় চোরাকারবারিরা।
এসময় সন্দেহভাজন মিনি কাভার্ডভ্যানটি তল্লাশি করে ১৩ হাজার ৫শ ২৭ পিস অবৈধ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার মোবাইল ডিসপ্লে ও গাড়িটি জব্দ করা হয়।
আটক হওয়া ভারতীয় মোবাইল ডিসপ্লের মূল্য ৪ কোটি ৯৯ লাখ ৩৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছেন বিজিবি । জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন