

ইরানের
সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটির বর্তমান কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় তাঁর স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তে বাঘেরজাদেহও নিহত হয়েছেন।
পুরো দেশে এখন তাদের জন্য শোক চলছে। বাসিন্দারা প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো দেখার আকুতি
প্রকাশ করছেন। এমনকি খামেনির জন্য তারা জীবন দিতেও প্রস্তুত।
সোমবার
(০২ মার্চ) রাজধানীর এজদাল কয়ারে কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষের ঢল নামে। তাদের
হাতে ছিল ইরানের পতাকা এবং খামেনির ছবি। সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ
বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন।
আলজাজিরা
জানায়, রাষ্ট্রীয়ভাবে খামেনিকে দাফনের জন্য ধাপে ধাপে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমগুলো
সম্পন্ন করা হচ্ছে। খামেনির মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়। এই শোক
পালনের মধ্যেই তাঁর দাফনের প্রস্তুতি চলছে। তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন শহর ও জনপদে সর্বোচ্চ
নেতার জন্য শোক পালন করছে মানুষ।
উল্লেখ্য,
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৮৬ বছর বয়সী ধর্মগুরুকে ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ
ব্যক্তিদের একজন হিসেবে বর্ণনা করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই রবিবার ভোরে খামেনির মৃত্যুর
খবর নিশ্চিত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন।
মন্তব্য করুন


চট্টগ্রামে সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর
(এপিপি) সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক ছয়জনকে ভিডিও ফুটেজ
দেখে শনাক্ত করা হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে আজ
বুধবার (২৭ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, হত্যার ঘটনায়
সন্দেহভাজন অন্তত ছয়জনকে আটক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। ভিডিও ফুটেজের
মাধ্যমে এই ছয়জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর
ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২১ জনকে আটক করেছে সিএমপি। বন্দরনগরে ককটেলসহ আওয়ামী
লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আইনজীবীদের
সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে মঙ্গলবার সাইফুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি
নাজিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, বিক্ষোভকারীরা ওই আইনজীবীকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন।
ঘটনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের
পক্ষ থেকে মঙ্গলবার হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সবাইকে শান্ত ও সতর্ক
থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
আইনজীবীকে হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন এবং তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া
গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে সিএমপি জানিয়েছে, চট্টগ্রামে
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও আইনজীবী হত্যার অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা
হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে নগরের কোতোয়ালি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে যৌথ বাহিনী।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারের ধামতী ইউনিয়নে নানা পন্থায় ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ক্রয় করা বসত জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক এমপির কর্মীদের বিরুদ্ধে। বসতজমির কলাগাছ কেটে নেয়া, বসতঘর কুপিয়ে ঘরের বাসিন্দাদের মারধর-মালামাল লুট, আবার সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করে আওয়ামী দোসর বানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানকে বির্তকিত করে তার ক্রয় করা জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনদের বিরুদ্ধে।
ইউপি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মিঠুর ছোট ভাই মোঃ সোহরাব হোসেন জানান, আমার বড় ভাই ধামতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিগত ২০২২ সালের ২২ জুন দুয়ারিয়া এলাকায় ৫২ শতক জায়গা হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে কেনার জন্য বায়নাপত্র করে এবং সম্পত্তির মূল্য বাবদ ৪৩ লক্ষ টাকার চেক তাদের প্রদান করেন। তারা পরে টাকা বুঝে নিয়ে আমাদেরকে জায়গা ভোগ দখল বুঝাইয়া দিলে আমরা গত দুই বছর যাবৎ উক্ত সম্পত্তি ভোগ দখল করে সেখানে কলার বাগান করি। আমরা বহুবার তাদেরকে সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দিতে বললেও মকবুল হোসেন প্রবাসে থাকার বাহানা দিয়া ‘অদ্যবধি তারা আমার ভাইয়ের নামে উক্ত সম্পত্তিটি রেজিস্ট্রি করে দেয়নি। চলতি বছরে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পরেই তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। তারা এমপি আবুল কালাম আজাদের অনুসারি ছিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি আমাদের বায়না করা ৫২ শতক জমির ৫ পাঁচ শতাধিক কলা গাছ কেটে নিয়ে জমির চারপাশে তার কাটা বেড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে হুমায়ুন কবির ও মকবুল হোসেনের নেতৃত্বে আলামিন বাশার ও আলামিনসহ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা । পরে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হলে কিছুদিন তারা চুপচাপ থাকে। এছাড়া আমরা এই বিষয়ে থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।
সোহরাব আরো জানান, পরবর্তীতে ১৫ অক্টোবর বিকেল ৫ টায় আমাদের জমিতে নির্মিত দুটি ঘরে বসবাসরত মো: জুয়েল (১৮) ও মো: হোসাইনকে (১৮)মারধর করে দুটি ঘর ভাংচুর করে মালামাল লুট করে নেয় হুমায়ুন কবির বাহিনী। এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে দেবিদ্বার থানায় ৭ জনের উল্লেখ করে অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনায়ও জড়িত ছিলেন ধামতী ইউনিয়নের দুয়ারিয়া গ্রামের মো: বাচ্চু মিয়ার ৩ ছেলে মো: হুমায়ুন কবির, মকবুল হোসেন ও মহসিন, মৃত. খোরশেদ মিয়ার ছেলে এছাড়া আবু বকর ও আবু সাইদ, হোসেন মেম্বারের ছেলে আল আমিন ও মো: খলিল, জসিমের ছেলে মো: রিফাত এবং শাহ জালালের ছেলে মো: সিয়াম প্রমুখ। হামলা–ভাংচুর করেও জায়গা দখল করতে না পেরে ১৪ নভেম্বর আমার ভাইকে আওয়ামী দোসর বানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে হুমায়ুন কবির বাহিনী। আমরা তো বসতজমি দখল করিনি, জমিটি ক্রয় করেছি।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন মিঠু আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সমর্থিত আওয়ামী নেতাকর্মীদের রোষানলে পড়েন তিনি। চলতি বছরের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আজাদ এমপি হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদে নিজ কার্যালয়েও তিনি যেতে পারতেন না এমপি আজাদ সমর্থিত নেতাকর্মীদের হুমকির কারণে। এরপরই চেয়ারম্যান মিঠুর লোকজনকে একাধিকবার মারধর করা হয়। সম্প্রতি তার বসতজমিটিও দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। মহিউদ্দিন মিঠু দলমত নির্বিশেষে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য চেয়ারম্যান । বর্তমানে মহিউদ্দিন মিঠু চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে দেবিদ্বার থানার ইন্সপেক্টর শাহীন ইসলাম জানান, আমি এ বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন। তিনি হয়তো এ বিষয়ে বলতে পারবেন।
দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শুভ জানান, মিঠু সাহেবের বসতজমিতে হামলার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি। পরিবেশ যাতে ঘোলাটে না হয় সে জন্য সর্তক করা হয়েছে।আর বসতজমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ‘চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে নিজেদের নির্বাচনি ‘ইশতেহার’ ঘোষণা করেছে কুমিল্লা-৬ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী, কুমিল্লা মহানগরীর আমীর ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
ইশতেহারে একটি ‘সমৃদ্ধ কুমিল্লা বিনির্মাণের অঙ্গিকার’ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন বিষয়কে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইশতেহার প্রকাশ করেন কুমিল্লা-৬ আসনের এগার দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী। রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ বিভিন্ন বিষয় প্রাধান্য পেয়েছে কাজী দ্বীন মোহাম্মদের নির্বাচনী ইশতেহারে।
যে সব বিষয় অগ্রাধিকার পেল ইশতেহারে:
বিভাগ বাস্তবায়ন-
ক. কুমিল্লাকে কুমিল্লা নামেই আমরা বিভাগ করার যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবো।
খ. বৃহত্তর কুমিল্লার বিভিন্ন জেলাগুলোর সহজতর যোগাযোগ সুবিধা বিবেচনায় রেখে বিভাগীয় দপ্তর স্থাপন করা।
আধুনিক নগরায়ন-
নগরীর উল্লেখযোগ্য স্থাপনা সংস্কার করে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা করা।
বিমান বন্দর-
কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
জলাবদ্ধতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা-
ক. পরিকল্পিত ড্রেনেজ সিস্টেম প্রতিষ্ঠা। খ. খাল ও জলাধারগুলো পর্যাপ্ত খনন ও পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যবস্থা করা। গ. ইপিজেডের বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক মানের বর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপন।
যানজট নিরসন-
ক. ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করা। খ. ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিকায়ন করা।গ. পর্যাপ্ত ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস, ফুটওভারব্রীজ নির্মাণ করা। ঘ. সড়কে অবৈধ পার্কিং বন্ধের উদ্যোগ গ্রহণ।
রেললাইন-
কুমিল্লা-ঢাকা সরাসরি রেললাইন নির্মাণ করা হবে কুমিল্লাবাসী যাতে স্বল্প সময়ে ট্রেনে চলাচল করে কুমিল্লা-ঢাকা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারে।
শিক্ষা-
ক. প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন।খ. কুমিল্লা জিলা স্কুল ও ফয়জুন্নেছা সরকারি স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন করে ভর্তির কোটা বৃদ্ধি করা হবে।গ. সদর দক্ষিণে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। ঘ. তরুণ সমাজকে দক্ষ করে তুলতে কয়েকটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্য-
ক. কুমিল্লা সদর হাসপাতালকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ।খ. শিশু ও মায়েদের সুচিকিৎসার লক্ষ্যে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ।
গ. ক্যান্সার ও হৃদরোগীদের চিকিৎসায় আধুনিক হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
যোগাযোগ ব্যবস্থা-
ক. গোমতী নদীতে বিদ্যমান চাঁনপুর ব্রীজকে প্রশস্থ করে পাকা করা এবং নদীর দু’পাড় রক্ষায় বাঁধ উঁচু করে নির্মাণ করা। খ. সকল ধরণের সড়ক প্রশস্থ করে সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ।
মাদকমুক্ত কুমিল্লা গড়া-
ক. সর্বগ্রাসী মাদককে নির্মূলের লক্ষ্যে মোটিভেশন কার্যক্রম জোরদার করা।
খ. মাদক নিষিদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা।গ. প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা।
বেকারত্ব নিরসন-
ক. কুমিল্লায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন গঠন। খ. ফ্রিল্যান্সিং আইটি পার্ক প্রতিষ্ঠা।
গ. নতুন উদ্যোক্তাদের জন্যে বিনিয়োগ লোন স্কিম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ।
কৃষক ও শ্রমিকের জীবনোন্নয়ণ-
ক. বিনা সুদে ঋণ বিতরণ। খ. কৃষি পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ। গ. কীটনাশক, সার ও বীজ স্বল্প মূল্যে প্রপ্তির ব্যবস্থাকরণ।ঘ. শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী ভূমিকা পালন।
ঘ. শ্রমিকদের জন্য সেফটি নেট, স্বাস্থ্য কার্ডের ব্যবস্থাকরণ।
ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তিপূর্ণ সহবস্থান-
ক. সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন-বাজেট তৈরী করণ। খ. ধর্মীয় উৎসবের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যবস্থা গ্রহণ। গ. সকল ধর্মের লোকদের সমান নাগরিক অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।
সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত কুমিল্লা প্রতিষ্ঠা-
ক. সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সামাজিক ও প্রশাসনিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা। খ. ব্যবসা কেন্দ্র ও সমাজের সর্বস্তর থেকে চাঁদাবাজি ব্যবস্থা নির্মূলে চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ।
নারী ও শিশু উন্নয়ন
ক. নারীদের সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় ইভটিজিং বিরোধী নারী বান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ। খ. নারীর কর্মসংস্থান ও নারী উদ্যোক্তা তৈরীতে উদ্যোগ গ্রহণ। গ. শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে প্রতি ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ তৈরীর ব্যবস্থা করা।
প্রবাসীদের জন্য কল্যাণমুখী উদ্যোগ গ্রহণ-
ক. দক্ষতা অর্জনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও ঋণ সুবিধা প্রদান। খ. রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সন্তানদের অধিক হারে শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।
গ. প্রবাসীদের পরিবারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
গণমাধ্যম-
ক. গণমাধ্যম কর্মীদের দক্ষ করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ।
খ. গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো নির্ধারণ। গ. কুমিল্লা প্রেসক্লাব ভবন আধুনিক কমপ্লেক্সে রূপান্তর করণ।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর কোতোয়ালি থানা এলাকা হতে ১৮ টি চোরাই মোবাইলসেট উদ্ধারসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মো. আব্দুল্লাহ (২৪), মো. সোহাগ মোল্লা (৩০), জয় হোসেন (২২) ও মো. শহিদুল ইসলাম (৪৮) এ সময় তাদের হেফাজত হতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮টি পুরাতন মোবাইল ফোন, ১টি পুরাতন পাওয়ার ব্যাংক এবং ৪টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়।
গতকাল রবিবার রাতে কোতোয়ালি থানাধীন ওয়াইজঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতার করা হয় তাদের।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
কোতোয়ালি থানা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পাওয়া যায়, ওয়াইজঘাট এলাকার ব্যাকল্যান্ড বাঁধ রোডের সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের সামনে কিছু ব্যাক্তি চোরাই মোবাইল ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশে অবস্থান করছে এমন সংবাদে অভিযান পরিচালনা করে থানার একটি টিম। পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালানোর সময় উল্লিখিত ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১৮ পুরাতন মোবাইল ফোন, একটি পুরাতন পাওয়ার ব্যাংক এবং চারটি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
সূত্র আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজসে ঢাকার গুলিস্তানসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা হতে ছিনতাইকৃত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পুরাতন মোবাইল সেট, পাওয়ার ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি স্বল্প মূল্যে ক্রয় করে দীর্ঘদিন যাবৎ ঢাকার সদরঘাটসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রয় করে আসছে। তারা প্রাথমিক স্বীকার করেছে, উদ্ধারকৃত মোবাইল সেট, পাওয়ার ব্যাংক এবং হাতঘড়ি একই উদ্দেশে তাদের কাছে ছিল।
মন্তব্য করুন


বিশ্বখ্যাত প্রাণীবিদ, প্রাইমাটোলজিস্ট, নৃতত্ত্ববিদ ও পরিবেশ আন্দোলনের অগ্রদূত ড. জেন গুডলের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
গতকাল বুধবার (১ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টা ২০ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, এক শোকবার্তায় অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, আমার প্রিয় বন্ধু ড. জেন গুডলের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি ছিলেন এক অক্লান্ত সংগ্রামী। শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, ন্যায়বিচার এবং পৃথিবীর সকল জীবের পারস্পরিক সম্পর্কের পক্ষে তিনি জীবন উৎসর্গ করেছেন। প্রাকৃতিক জগত তার এক মহান সমর্থককে হারালো, যা আমাদের হৃদয় ভারাক্রান্ত করে তুলেছে। আজ আমি তার অর্জন ও অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি, যা পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তার করবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে জেন গুডলের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নব্বইয়ের দশকে তিনি বাংলাদেশ সফরে এসে গ্রামীণ ব্যাংকের নারীদের ক্ষমতায়নের অভিজ্ঞতা দেখেছিলেন এবং পরে আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তার নিজস্ব কাজে সেই নীতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন। তিনি আমাদের দেশের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু হয়ে ছিলেন।
অধ্যাপক ইউনূস বলেন, জেন আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছেন এবং আমাদের কাজকে উচ্চভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি তার বহু বক্তব্যে গ্রামীণ কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করেছেন, এমনকি সম্প্রতি ২০২৫ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সোশ্যাল বিজনেস ডে সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যেও এ বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।
তিনি আরও বলেন, তার সমর্থন ও প্রেরণার জন্য আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। তিনি শুধু আমাকে নয়, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। শান্তিতে বিশ্রাম নাও জেন, পৃথিবী তোমাকে গভীরভাবে মিস করবে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিখ্যাত প্রাণীবিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৃতিবিদ এবং পরিবেশ আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত ৯১ বছর বয়সী ড. জেন গুডল গতকাল বুধবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়ায় মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, রাজনীতিবিদরা রাষ্ট্রের চালক হলেও তাদের
দিক-নির্দেশনা দেন সাংবাদিকরা।
রোববার
(২১ ডিসেম্বর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে
একটি মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি অতীতের সব
তিক্ততা ভুলে যেতে চায়। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বিএনপি আগামীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়
গেলে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের কথা মাথায় রেখে গণমাধ্যমকে পূর্ণ সহযোগিতা
দেবে।
বিএনপির
স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকের অনেক আদর্শে বিশ্বাস থাকতে পারে।
কিন্তু দেশের প্রশ্নে যেন নিরপেক্ষ না থাকি, দেশের পক্ষে থাকি। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনে
গণতন্ত্রের খুঁটিটা যেন মজবুত হয়, সেই দিকে গণমাধ্যমের সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।’
দীর্ঘ
১৭-১৮ বছর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাধ্য হয়ে নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন
জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জনগণ আমাদের কাছে যে আশা করে সেই আশাগুলোকে-প্রত্যাশাগুলোকে
পরিপূরণের জন্য আমাদের একজন নেতা দরকার; সেই নেতা তারেক রহমান। তিনি বাধ্য হয়ে দীর্ঘ
১৭-১৮ বছর কষ্টকর নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন। আমি নিজেও সাড়ে ৯ বছর নির্বাসনে ছিলাম।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) আসবেন বলে সাড়া জাতি অপেক্ষমাণ,
তার এই প্রত্যাবর্তনকে আমরা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য কাজে লাগাতে চাই। ব্যক্তিকে
শক্তিশালী করার কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই।
নেতৃত্ব
অবশ্যই থাকবে, কিন্তু ব্যক্তিতান্ত্রিক স্বৈরতান্ত্রিক করার কোনো প্রচেষ্টা আমরা করবো
না। এটা আমাদের অঙ্গীকার।’তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
হিসেবে অভ্যর্থনা কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তার জন্য গৌরবের বলে মন্তব্য
করেছেন সালাহউদ্দিন আহমদ।
মতবিনিময়
সভায় দেশের শীর্ষ গণমাধ্যমগুলোর সম্পাদক এবং সিনিয়র সাংবাদিকরা উপস্থিত রয়েছেন। সভায়
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ‘তারেক রহমান–স্বদেশ প্রত্যাবর্তন কমিটি’র
আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলসহ
দলের শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত আছেন।
মন্তব্য করুন


শনিবার (১ মার্চ) দেয়া বাণীতে দেওয়া বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান-
বাণীতে তিনি বলেন, পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতি আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই।
রমজানের পবিত্রতা ও তাৎপর্য অনুধাবন করে ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনে এর সঠিক প্রতিফলন ঘটানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আসুন, পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যাবতীয় ভোগ-বিলাস, হিংসা-বিদ্বেষ, উচ্ছলতা ও সংঘাত পরিহার করি এবং জীবনের সর্বস্তরের পরিমিতিবোধ, ধৈর্য্য ও সংযম প্রদর্শনের মাধ্যমে রমজানের পবিত্রতা রক্ষা করি।
সিয়াম পালনের পাশাপাশি বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত করি এবং ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকি।
সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস মাহে রমজান আজ আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র এ মাসে আত্মসংযমের মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটে, সর্বশক্তিমান মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি, নৈকট্য লাভ ও ক্ষমা লাভের অপ
সিয়াম ধনী-গরিব সবার মাঝে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা পালন করে।
মহান আল্লাহ আমাদের জাতীয় জীবনে পবিত্র মাহে রমজানের শিক্ষা কার্যকর করার তাওফিক দান করুন। মাহে রমজান আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল শান্তি।
মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ক্ষমা ও হেফাজত করুন, আমিন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কমনওয়েলথের পূর্ণ সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমনওয়েলথ মহাসচিব শার্লি আয়োরকর বচওয়ের সঙ্গে তার বৈঠকে এ অনুরোধ জানান তিনি।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা সুসংহত করা এবং নির্বাচন কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনায় আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা অত্যাবশ্যক—বিশেষ করে কমনওয়েলথের সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধের জবাবে মহাসচিব বচওয়ে আশ্বস্ত করে জানান, নির্বাচন এবং এর পরবর্তী উত্তরণ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে কমনওয়েলথ সর্বাত্মক সহায়তা দেবে। তিনি উল্লেখ করেন, ৫৬ সদস্যের এই সংগঠন—যার মধ্যে জি–৭ ও জি–২০–এর দেশও রয়েছে—একসঙ্গে কাজ করার বিস্তর সুযোগ তৈরি করে।
এছাড়া তিনি জানান, বাংলাদেশ সফরে তিনি প্রধান বিচারপতি, আইন ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নানান গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তার কথায়, বাংলাদেশের আগামীর যাত্রা নিয়ে তিনি আশাবাদী।
মহাসচিব আরও বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে একাধিক পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু করেছে কমনওয়েলথ।
মন্তব্য করুন


আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্ট বয়কটের আলোচনা চলার মধ্যেই বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এ পরিস্থিতিতে স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার জানিয়েছে, আগামী ২৫ জানুয়ারি বিশ্বকাপ দলে থাকা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠক করবেন নাকভি। সেখানে বিশ্বকাপের পরিকল্পনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনার পেছনে বাংলাদেশের বাদ পড়ার বিষয়টি বড় কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে ইঙ্গিত দেন পিসিবি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি পাকিস্তান সরকারের ওপর নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার দেশে ফেরার পরই জানানো যাবে। নাকভির ভাষায়, এটি সরকারের সিদ্ধান্ত এবং পিসিবি সেই নির্দেশনাই অনুসরণ করবে, আইসিসির নয়।
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, আইসিসি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অন্যায় আচরণ করেছে। এই বিষয়টি তিনি আইসিসির বোর্ড সভাতেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন বলে জানান। নাকভির মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিমুখী নীতি গ্রহণযোগ্য নয়—যেখানে একটি দেশ ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায়, অথচ অন্য দেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এরপর নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানায়, ভারত গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ দল।
এই সিদ্ধান্তের পর আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ গত বুধবার আইসিসির সভা শেষে বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠক শেষে তিনি জানান, বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছে না।
পরবর্তীতে আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। টাইগারদের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড।
মন্তব্য করুন


১৫ জানুয়ারির মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘জুলাই আন্দোলনের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করতে হবে। সেই পর্যন্ত মানুষের আকাঙ্ক্ষার কথা জানতে জেলায় জেলায়, মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে বলে জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারির দাবি করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ঘোষণাপত্র নেই।
আমরা বলেতে চাই, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আপনারা ঘোষণাপত্রের পক্ষে জেলায়, মহল্লায় মানুষের কাছে যাবেন। তাদের কথা শুনবেন যে তারা কী বলতে চায়।’
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন একই দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ যখন জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র পাঠের আয়োজনের ঘোষণা দেয় তখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে সব রাজনৈতিক সংগঠনের সমন্বয়ে ঘোষণাপত্র পাঠের ঘোষণা দেওয়া হয়। এই ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিজয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বলতে চাই, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র পাঠ করতে হবে।’
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘোষিত ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন