

আজ সোমবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যদের প্রতিনিধি দল।
সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে এতে অংশ নেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, সেক্রেটারি মনিরা শারমিন এবং আইনি সহায়তাবিষয়ক উপকমিটির প্রধান জহিরুল ইসলাম মূসা।
এসময় সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন উদ্বেগ জানান এনসিপি নেতৃবৃন্দ। তাঁরা বলেন, গণভোটে “হ্যাঁ” এর পক্ষে এনসিপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা প্রচারণা করছেন।
এনসিপির নেতৃবৃন্দ নির্বাচন সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং নির্বাচনে যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় সে ব্যাপারে সরকারকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচন সম্পর্কিত যেকোনো অভিযোগ ও পরামর্শ তাৎক্ষণিকভাবে সরকারকে জানাবেন। সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যায়, সরকার তা নেবে। কেউ যেন আইন অমান্য না করতে পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘নিরপেক্ষতা নিশ্চিতের জন্যই লটারির মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে রদবদল করা হয়েছে। এ নির্বাচনে কোনো পক্ষপাতিত্বের সুযোগ নেই। এই নির্বাচন দেশের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। এ নির্বাচন দেশ পাল্টে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হতেই হবে।’
অধিকাংশ কেন্দ্র জানুয়ারির মধ্যেই সিসি ক্যামেরার আওতাধীন আনা হবে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা। এছাড়া ঝুঁকির আশঙ্কা আছে এমন কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরা থাকবে। কন্ট্রোল রুম থেকে এগুলো সব মনিটর করা হবে বলেও জানান তিনি।
গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে সরকার আইনসম্মতভাবেই প্রচারণা করছে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘গণভোটে “হ্যাঁ” ভোট কেন দেওয়া প্রয়োজন, “হ্যাঁ” ভোট দিলে কী হবে আমরা তা জনগণকে বোঝানোর চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলকেও আহ্বান জানিয়েছি। এবারের নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে হয় এই দায়িত্ব সকলের- সরকার, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল- আমাদের সবার। এ ব্যাপারে সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করছি,’ বলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া অভিযান চালানোর অধিকার কারও নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।
রমজানে বাজার অস্থিতিশীল না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘রমজান ও ঈদ ঘিরে ডাকাতি আর ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব হচ্ছে এটা অস্বীকার করব না। জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মব প্রতিরোধে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অধিকার নেই অভিযান চালানো।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির মধ্যে বৈঠক হয়েছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বুধবার (সেপ্টেম্বর ২৫) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের সাইডলাইনে এই বৈঠক হয়।
বৈঠকে উভয় নেতা দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
এর আগে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) অধিবেশনের সাইডলাইনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর পূর্ণ
সমর্থন চেয়েছেন।
রোববার
(১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত,
হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের ব্রিফ করেন ড. ইউনূস। পরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে যে দূতাবাসগুলো আছে তার রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের যেসব সংস্থার প্রধান
এখানে আছেন তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সবার পূর্ণ সমর্থন চেয়েছেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন ছিল। এখানে এত মানুষের
সম্পৃক্ততা ছিল যে তিনি বলেছেন ১৯৭১ সালে যদি প্রথম রেভ্যুলেশন হয় এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন।
তার বার্তা ছিল দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। উনি নির্বাচনটি
তখনই করবেন যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায়। বিচার বিভাগ, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
সিকিউরিটি ফোর্স, মিডিয়া- সব কিছুতে সংস্কার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করে যত দ্রুত নির্বাচন
দেওয়া যায় সেটি তার লক্ষ্য। তিনি বলেছেন এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। সেটি অনেকটা
স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন


প্রায় ১১ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা সেবা শুরু হয়েছে। চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জেরে এ দীর্ঘসময় সেবা বন্ধ ছিলো ।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় তাই হাসপাতালে সেনাবাহিনী ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু হয়।
চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে ২ প্লাটুন বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। হাসপাতালে আসা রোগীদের সঙ্গে দুইজন প্রবেশ করতে পারবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে হাসপাতালে আসা রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের তল্লাশি করে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। লাঠি, ধারালো অস্ত্র বা জীবনহানি হয় এমন কোনো জিনিস নিয়ে হাসপাতালে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
রাতে ঢামেকের জরুরি বিভাগের সামনে গিয়ে দেখা যায়, চিকিৎসকরা হাসপাতালে আসা রোগীদের সেবা দেওয়া শুরু করেছেন। হাসপাতালে আসা রোগীরা টিকিট কেটে জরুরি বিভাগে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে পারছেন।
জরুরি বিভাগের এক চিকিৎসক জানান, শর্ত সাপেক্ষে আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাসে সেবা দেওয়া শুরু করেছি। আমাদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয়েছে এবং মূল দাবি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকদের মারপিট করা দোষী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি আমাদের নিরাপত্তায় হাসপাতালে সেনাবাহিনী এবং বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। আশা করব, এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন আর না ঘটে।
প্রসঙ্গত
যে, গতকাল শনিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের অবহেলায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি
অব বিজনেস টেকনোলজির (বিইউবিটি) শিক্ষার্থী আহসানুল হক দীপ্তর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের তিন চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা
ঘটে। এ ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম দেন চিকিৎসকরা।
এরই জেরে আজ দিনভর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন ঢামেকের চিকিৎসকরা।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার গত ১০০ দিনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৮৬ হাজার ২৭৭ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে বলে জানান যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী।
রোববার (১৭ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ১০০ দিনের কার্যক্রমের অগ্রগতি সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সচিব।
এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আগে তিনি একইসঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেও ছিলেন। পরে গত ১০ নভেম্বর তিনি শ্রম মন্ত্রণালয়ের পরিবর্তে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
সংবাদ সম্মেলনে যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী জানায়, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের সরকারি-বেসরকারি কর্মে নিয়োজিত করা এবং আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৮০ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিগত ১০০ দিনে ১৯ হাজার ৪৫২ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে ৫২ হাজার ১১৫ জন প্রশিক্ষণরত।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, বিগত ১০০ দিনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, বিপিএসসি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় রাজস্ব ও প্রকল্প খাতে নতুন ৮৬ হাজার ২৭৭ জনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর মধ্যে রাজস্ব খাতে দুই হাজার ৪৬৮ জন এবং প্রকল্প খাতে (আত্মকর্মী ও উদ্যোক্তা) ৮৩ হাজার ৮০৯ জন। দুই বছরে সরকারিভাবে পাঁচ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও সামাজিক সচেতনতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সে মোট সাতটি ব্যাচে দুই হাজার ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭১০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক পুলিশ হিসেবে ২৩১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং অবশিষ্ট নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নোবেলবিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে জানিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রপতিও এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হবে। এই সরকারের একটি প্রাথমিক তালিকা দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও তিন বাহিনীর প্রধানের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
সমন্বয়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমরা সরকারের প্রধান করার সিদ্ধান্ত নিলেও এই সরকারে অন্য কারও নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আমরা ১০ থেকে ১৫ জনের নাম প্রস্তাব করেছি। যেখানে নাগরিক সমাজসহ ছাত্র প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। খুবই দ্রুত সময়ের মধ্যে এই তালিকাটি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হবে।
বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব করা হয়। রাষ্ট্রপতি তাদের প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের পরবর্তী সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, যিনি এতদিন চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে আগামী ২৩ জুন থেকে তিন বছরের জন্য তাকে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (১১ জুন) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৩ জুন বিকেল থেকে বিএ-২৯০২ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি, চিফ অব জেনারেল স্টাফকে (সিজিএস) জেনারেল পদবিতে পদোন্নতি দেওয়াপূর্বক ওই তারিখ বিকেল থেকে ৩ বছরের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পান।
১৯৯৭-২০০০ মেয়াদে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ছিলেন তার শ্বশুর প্রয়াত মুস্তাফিজুর রহমান।
মন্তব্য করুন


শনিবার (২২ জুন) দিল্লির
হায়দ্রাবাদ হাউসে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-মেডিকেল ভিসা চালুর
ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে দুদেশের মধ্যে
অন্তত ১০টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।
দুই প্রধানমন্ত্রীর যৌথ সংবাদ
সম্মেলনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ই-মেডিকেল
ভিসা চালু করা হবে।
এছাড়া বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের
জনগণের সুবিধার্থে রংপুরে একটি নতুন সহকারী হাইকমিশন খোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমি আজ সন্ধ্যায়
ক্রিকেট বিশ্বকাপ ম্যাচের জন্য উভয় দলকে শুভ কামনা জানাই। বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম
উন্নয়ন অংশীদার এবং আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেই।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী জানান,
বাংলাদেশ ভারতের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে সর্বোচ্চ
অগ্রাধিকার দিই।
শেখ হাসিনা-মোদির বৈঠক
নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন আরও গভীর করার লক্ষ্যে আলোচনা
করেছেন।
এই আলোচনায় উন্নয়ন অংশীদারত্ব,
জ্বালানি, পানিসম্পদ, বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আরও অনেককিছুসহ দ্বিপাক্ষিক
সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এদিন সকালে ফোরকোর্টের রাষ্ট্রপতি
ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় শেখ
হাসিনা সশস্ত্র সালাম গ্রহণ ও গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন। সকাল ৯টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে
পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা সচিবালয়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এরপর শেখ হাসিনা
রাষ্ট্রপতি ভবনে ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। সন্ধ্যা ৬টায়
প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নয়াদিল্লি ত্যাগ করবেন। রাত ৯টায়
তিনি ঢাকায় অবতরণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সবশেষ, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে
শেখ হাসিনা দিল্লিতে শেষ দ্বিপক্ষীয় সফর করেন।
মন্তব্য করুন


বৈঠকে
বসেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এরআগে শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের জন্য হোটেল ডোরচেস্টারে পৌঁছেন তারেক রহমান। এদিন বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে বাসা থেকে রওনা হন তিনি।
এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপার্সনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের রুদ্ধদ্বার এই বৈঠক দুই ঘণ্টা ধরে চলবে। বৈঠকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপসহ অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত নানা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে। তারেক রহমানের দেশে ফেরার বিষয়টিও আসতে পারে আলোচনায়।
মন্তব্য করুন


চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মিশর।
বাংলাদেশে মিশরের রাষ্টদূত ওমর মোহি আলদিন আহমেদ ফাহমি বুধবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়।
মিশর আয়োজিত অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশনের এই শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, ইরান, পাকিস্তান ও তুরস্কসহ ৮টি উন্নয়নশীল দেশের শীর্ষ নেতাদের একত্রিত করবে।
১৯৯৭ সালের ১৫ জুন ইস্তাম্বুল ঘোষণার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে ডি-৮ গ্রুপটি যাত্রা শুরু করে।
ডি-৮ এর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল বিশ্ব অর্থনীতিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থানকে শক্তিশালী করা, বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা, আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং সদস্য দেশগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ইত্যাদি।
রাষ্ট্রদূত ফাহমি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মিশরের চলমান সমর্থন পূর্ণব্যক্ত করে একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে জাতির অব্যাহত অগ্রগতির প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন।
ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য বৈচিত্র্য ও উদ্ভাবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে আলোকপাত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, সদস্য দেশগুলো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং পারস্পরিক প্রবৃদ্ধি উৎসাহিত করতে একসঙ্গে কাজ করবে।
মন্তব্য করুন