

নারায়ণগঞ্জের
সিদ্ধিরগঞ্জে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও শারীরিক সম্পর্ক করতে চাওয়ায় জহিরুল ইসলাম
(৩২) নামের এক যুবকের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রী সাবিকুন্নাহার
মীমকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার
(১২ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সানারপাড়
এলাকার শাহ আলম মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতের বড় বোন মোছা. শাহনাজ সিদ্ধিরগঞ্জ
থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
আহত
জহিরুল ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার মো. জামশেদ মোল্লার ছেলে। অন্যদিকে স্ত্রী সাবিকুন্নাহার
একই থানার মৃত মোস্তফা কামালের মেয়ে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী যুবক ও তার স্ত্রী সানারপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস
করে আসছেন। বুধবার রাতে জহিরুল ইসলাম বাসায় ফিরে স্ত্রীর অনিচ্ছা সত্ত্বেও জোরপূর্বক
শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ইচ্ছা ও অনিচ্ছা নিয়ে তাদের উভয়ের
মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে স্ত্রী রাগান্বিত হয়ে স্বামীর বিশেষ অঙ্গ কেটে দেন।
এ
সময় যুবকের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে
অভিযুক্ত সাবিকুন্নাহার জানান, তার স্বামী জহিরুল ২০২৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর মৌখিকভাবে
তাকে তালাক দেন। তালাকের পরও নিয়মিত তার বাসায় যাতায়াত করতেন। এর মধ্যে গত তিন মাস
আগে জহিরুল আরেকটি বিয়ে করেন। তার পরও তিনি বিষয়টি মেনে নেন।
তিনি
আরো জানান, ভরণপোষণ না দিয়ে উল্টো তিনি (সাবিকুন্নাহার) বেতন পেলেই বাসায় চলে আসতেন।
প্রায়ই জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন। ঘটনার দিনও তিনি জোরপূর্বক শারীরিক
সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইলে এ ঘটনা ঘটান বলে জানান সাবিকুন্নাহার।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল
হক বলেন, ‘ঘটনার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে আমরা স্ত্রীকে আটক করেছি। ভুক্তভোগীকে ঢাকা
মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বোন বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায়
একটি মামলা করেছেন। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা
হয়েছে।’
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নির্মিত এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসা রাজীব শাহের
কথিত ভাসমান মসজিদ উচ্ছেদ করেছে কর্তৃপক্ষ। রোববার (২৬ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে স্থাপনাটি ভেঙে ফেলা হয়।
সাম্প্রতিক
সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া এই স্থাপনাটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের
মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘর ও নাট্যশালার মধ্যবর্তী এলাকায় গড়ে তোলা হয়েছিল। সেখানে ইট দিয়ে
মেঝে তৈরি করে কার্পেট ও জায়নামাজ বিছানো ছিল। ওপরে ত্রিপল টানিয়ে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা
করা হয়। অজুর জন্য পানির ট্যাংক এবং একটি অস্থায়ী ওয়াশরুমও স্থাপন করা হয়েছিল।
অভিযানের
সময় সেখানে কয়েকটি কোরআন শরিফ, রেহেল, কোরআনের বাংলা অনুবাদ এবং কয়েকটি ট্রাংক পাওয়া
যায়।
উদ্যানের
ভ্রাম্যমাণ পানি বিক্রেতা ও স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় নয় মাস আগে রাজীব শাহ নামে এক
ব্যক্তি সেখানে বসবাস শুরু করেন। পরে তিনি জায়গাটিতে ধান ও বিভিন্ন ধরনের ফুলগাছ রোপণ
করেন। পাশাপাশি নিজের থাকার জন্য একটি ছোট্ট খুপরি ঘরও নির্মাণ করেন।
মন্তব্য করুন


গ্রেপ্তার অভিযান
আরো জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব
ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা
কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও তিনি জানান।
আজ রোববার (১৫ ডিসেম্বর)
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে স্থানীয় সরকার
উপদেষ্টা এ কথা জানান। সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আইনশৃঙ্খলা
সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, কমিটিতে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং
আমাদের সামনের যে ইভেন্ট আছে এই ইভেন্ট গুলোকে কিভাবে সুষ্ঠুভাবে শৃঙ্খলা বজায় রেখে
শেষ করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এবং আশা করি সামনের ইভেন্টগুলো শান্তিপূর্ণভাবেই পালন করা যাবে। এর
বাইরেও কিছু বিষয় নিয়ে যেমন গ্রেপ্তার অভিযান বৃদ্ধি করার জন্য, আমরা কিছু এক্টিভিটি
গত কিছুদিন লক্ষ্য করেছি। তার ভিত্তিতে গ্রেপ্তার অভিযান আরো জোরদার করার ব্যাপারে
সিদ্ধান্ত হয়েছে তার ফলাফল হয়তো আপনারা দেখতে পাবেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ুর পাশাপাশি নারীর প্রজনন
হার এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যবহার কমেছে, পাশাপাশি বেড়েছে বাল্য বিয়ে এবং শিশু
মৃত্যুর হার। আবার এ জরিপে উঠে এসেছে- দেশে প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও বিয়ে না করা পুরুষের
সংখ্যা প্রায় ৩৬ শতাংশ। বয়স্ক পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেড়েছে। কিছুটা হলেও কমেছে বিবাহিত
দম্পতির মধ্যে তালাক বা বিবাহ বিচ্ছেদের সংখ্যা।
গত
দশ বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যাচ্ছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ক্রমান্বয়ে
প্রায় দশ শতাংশ কমেছে।
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেসের অধ্যাপক ডঃ মোঃ মঈনুল ইসলাম জানান, সরকারি এই রিপোর্টে
যা উঠে এসেছে তাতে মূলত বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের করুণ চিত্রই প্রতিফলিত হয়েছে। এর
ফলে বাংলাদেশ যে 'ট্রিপল জিরো কমিটমেন্ট', অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনার
অপূর্ণ চাহিদা (শতভাগ দম্পতিকে পরিবার পরিকল্পনার আওতায় আসা), মাতৃমৃত্যু ও বাল্য বিবাহ-সহ
জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শূন্যতে নামিয়ে আনার যে অঙ্গীকার করেছিল তার অর্জন দুরূহ হয়ে
উঠতে পারে বলে মনে করেন।
কেনিয়ার
নাইরোবিতে ২০১৯ সালে জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের ২৫ বছর পূর্তিতে এই ট্রিপল জিরো অঙ্গীকার
করেছিলো বাংলাদেশ।
প্রসঙ্গত,
বিবিএস যে জরিপের ফল প্রকাশ করেছে সে জরিপটি পরিচালিত হয়েছে ২০২৩ সালে। জরিপটি দেশ
জুড়ে ৩ লাখ ৮ হাজারেরও বেশি পরিবার ও বিবাহিত নারীদের ওপর পরিচালনা করা হয়েছে। তারা
এই জরিপের সাথে তার আগের বছরের তথ্যও প্রকাশ করেছে।
সূত্র- বিবিসি বাংলা
মন্তব্য করুন


সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা
হয়েছে।
এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ
হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।
গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ
৪৯ হাজার ২৯৩ জন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা
মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।
মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
গত বছরের ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
দেবীদ্বারে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে আনিসুর রহমান (৩৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধীর মৃত্যুর
খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ছোটনা গ্রামের
পাটোয়ারী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওই গ্রামের মিন্নত আলীর ছেলে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় আনিসুর রহমানকে ঘরের ভেতর শিকলবন্দি করে
রাখা হয়েছিল।
রাতে
তিনি ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় মশার কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তেই আগুন পুরো
ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও শিকলবন্দি থাকায় আনিসুর বের হতে পারেননি
এবং আগুনে দগ্ধ হন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
অগ্নিকাণ্ডে ঘরের আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে গেছে।
শরিফুল
ইসলাম নামের এক স্থানীয় জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় ঘরের আসবাপত্র পুড়ে যায়, শিকলবন্দি
আনিসকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর পুড়ে যাওয়া ঘর থেকে বাইরে আনা হলেও তাকে হাওপাতালে
নেওয়া হয়নি।
দেবীদ্বার
থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, অগ্নিকাণ্ডে একজন দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়ার সংবাদ পেয়ে
ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যদেরকে কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠায় অটল এবং
‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের
নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুলাই) বিশেষায়িত
এই বাহিনীর ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ
ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, মনে
রাখবেন, দেশ ও জাতি যে মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনে যেকোনো
আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে আপনাদের চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
খালেদ কামাল ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদর দফতরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে পিজিআরের
দরবারে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।
পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন
হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক
প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে
প্রয়োজন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ।
মো. সাহাবুদ্দিন পিজিআর সদস্যদেরকে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায়
রাখা, আত্মোন্নয়নে মনোযোগী হতে এবং সর্বোপরি সৈনিক হিসেবে নিজের শারীরিক যোগ্যতাকে
সর্বদা অক্ষুন্ন রাখতেও উপদেশ দেয়ার পাশাপাশি
পেশাগত মান ও দক্ষতাকে আরো বিকশিত ও বিশ্বমানে পৌঁছাতে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে
প্রয়োজনে আরো জোরদার করার পরামর্শ ও দেন রাষ্ট্রপ্রধান।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয়
অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনটি প্রতিটি গার্ডস সদস্যের কাছে একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া পিজিআর এর সদস্য হিসাবে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে
কাজ করছেন। নিঃসন্দেহে এটি খুবই আনন্দ ও গৌরবের একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠাকাল হতে অদ্যাবধি
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যগণ কর্তব্য পালনে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন। দায়িত্ববোধ, পেশাগত উৎকর্ষ, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে
পালনের মাধ্যমে পিজিআর এর সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর
পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দুঃখজনক
হলেও এটি সত্যি যে, পিজিআর প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪২ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা
বিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের সদস্য
বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ীতে শহিদ হন।
সেদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে রক্ষা করতে পারিনি, সেটা ছিল আমাদের
অমার্জনীয় অপরাধ। সেদিন যদি পিজিআর আজকের মতো সুসংগঠিত ও চৌকস হতো তাহলে হয়তোবা ১৫
আগস্ট কালরাতে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করতে পারতো না ঘাতক দল। বাঙালি ও বাংলাদেশের
উন্নয়ন ও অগ্রগতির ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। দেশ পরিণত হতো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার
বাংলায়।
রাষ্ট্রপতি পিজিআর সদস্যদেরকে বলেন, তাদের (পিজিআর) ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদিকে যেমন
গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে তেমন গৌরবময়। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও
অনেক দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) বর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারা দেশের
ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছেন।
রাষ্ট্রপতি একটি সুশৃঙ্খল, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টকে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কারিগর হিসেবে প্রাক্তন সদস্যদের
অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে
ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে তিনটি নতুন ডিভিশনসহ বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে ব্রিগেড, স্পেশাল
ওয়ার্কস অরগানাইজেশন এবং ছোট বড় ৫৮টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, রাষ্ট্রপ্রধান উল্লেখ
করেন।
রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, উর্দ্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং
দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি কেক কাটেন।
মন্তব্য করুন


চলতি
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে হেরে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। যা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।
এর মাঝেই ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫ বার চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ব্রাজিলের নাম লিখিয়েছেন
রেনাতো বায়মা গাইয়া এবং তার প্রেমিকা নাইরা রবার্টা রিবেইরো ডি মারিন্স।
তাদের
এই কীর্তির ভিডিও এখন রীতিমতো আগুন ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ৩২ বছর বয়সী রেনাতো পেশায়
একজন ডাক্তার। তবে গিনেস রেকর্ডের জগতে তিনি নতুন নন। এর আগেও দ্রুততম সময়ে বই উল্টানো
বা পা ঘোরানোর মতো একাধিক রেকর্ড তার ঝুলিতে রয়েছে।
রেনাতো
জানিয়েছেন, তিনি এডিএইচডি (ADHD)-তে আক্রান্ত। নিজের এই সীমাবদ্ধতাকে জয় করে তিনি বিশ্বকে
দেখাতে চান যে, অদম্য ইচ্ছা থাকলে যে কোনো লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। তিনি একজন অস্থিমজ্জা
দাতাও। নিজের রেকর্ডগুলোর মাধ্যমে অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে চান তিনি।
ভাইরাল
হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, রেনাতো অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তার প্রেমিকার গালে চুমু
খেয়ে চলেছেন। পুরো সময়টিতে নাইরা হাসিমুখে সঙ্গ দিয়েছেন। ৩০ সেকেন্ডের মাথায় তাদের
চুম্বনের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯৫-এ। এই অনন্য রেকর্ড গড়ার পর তারা এখন নতুন লক্ষ্য স্থির
করেছেন।
তাদের
পরবর্তী টার্গেট হলো এক মিনিটে সর্বোচ্চ চুম্বনের বিশ্বরেকর্ড ভাঙা, যা বর্তমানে এক
জাপানি দম্পতির দখলে (৬০ সেকেন্ডে ২৭৭টি চুম্বন)।
সোশ্যাল
মিডিয়ায় এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নেটিজেনদের একাংশ দম্পতির
উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন, কেউ কেউ আবার মশকরা করতেও ছাড়েননি।
একজন
ব্যবহারকারী মজার ছলে লিখেছেন, এই চ্যালেঞ্জের জন্য মানুষের ঠোঁট নয়, পাখির ঠোঁট দরকার
ছিল! আবার কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন, এত দ্রুত হাসাটাও তো একটা বিশ্ব রেকর্ড হওয়া উচিত।
অনেকের
মতে, এটি চুম্বনের চেয়েও বেশি কিছু দ্রুত ফিসফিসের মতো মনে হয়েছে। তবে ট্রোল বা প্রশংসা
যাই হোক না কেন, এই ব্রাজিলিয়ান দম্পতি যে এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অন্যতম চর্চিত
মুখ, তা বলাই বাহুল্য। তাদের এই অদ্ভূত অথচ রোমান্টিক কাণ্ড ভাইরাল হওয়ার দৌড়ে সবার
চেয়ে এগিয়ে রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভোলার
লালমোহন উপজেলায় খালের ওপর নির্মিত একটি আয়রন ব্রিজ ভেঙে মালবাহী ট্রাক্টর খালে পড়ে
চালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাক্টরের হেলপার গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার
(২৩ জুন) উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চতলা বাজারের পূর্ব পাশে এ দুর্ঘটনাটি
ঘটে।
নিহত
নাঈম (২৫) চতলা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ফরিদ মিয়ার ছেলে। আহত আল আমিন (১৪) বর্তমানে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মালবাহী ট্রাক্টরটি চতলা বাজার সংলগ্ন খালের ওপর নির্মিত আয়রন ব্রিজ
পার হওয়ার সময় হঠাৎ ব্রিজটির পূর্ব পাশ ধসে পড়ে। এতে ট্রাক্টরটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নিচে
খালে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে এগিয়ে এসে ট্রাক্টরের
চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
হাসপাতালের
কর্তব্যরত চিকিৎসক চালককে মৃত ঘোষণা করেন। অপরদিকে গুরুতর আহত আল আমিনকে উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ
মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে হাসপাতাল
ও বাড়ির পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
স্থানীয়
বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত ব্রিজটি
পুনর্নির্মাণ এবং এলাকায় নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ
বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে
পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। তারা নিহত ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন
তৈরি করেছেন। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


দেশের গণমাধ্যম এখন নজিরবিহীন স্বাধীনতা
ভোগ করছে বলে মন্তব্য করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন,
তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্যের বন্যা বয়ে গেছে।
আজ বুধবার (২৯ জানুয়ারি) অর্থনীতি পুনর্গঠন,
সম্পদপাচার, ভুল তথ্য মোকাবেলা এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নে বাংলাদেশের
প্রচেষ্টা নিয়ে ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের নেতারা সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধান উপদেষ্টা
এসব কথা বলেন।
ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান
অ্যালেক্স সোরোস এবং সভাপতি বিনাইফার নওরোজির নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে।
বৈঠকে অ্যালেক্স সোরোস ইতিহাসের একটি
গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং দেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ঠিক করা ও অর্থনীতি
পুনর্গঠনে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ায় ড. ইউনূসের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, ছাত্রদের নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থান দেশের জন্য একটি নতুন গতিপথ নির্ধারণের জন্য
বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে। তারা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, ভিকটিমদের জন্য অন্তর্বর্তী
ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক সংস্কার, গণমাধ্যম, চুরি যাওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার, নতুন সাইবার
নিরাপত্তা আইন, কিভাবে তাদের উন্নতি করা যায় এবং রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।
অ্যালেক্স সোরোস বলেন, আমরা এসব ক্ষেত্রে
আপনার প্রচেষ্টা সমর্থন করার উপায় খুঁজব।
প্রধান উপদেষ্টা ওপেন ফাউন্ডেশনকে তাদের
সহায়তার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি নজিরবিহীন ছাত্র-নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের
খবর ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ডাভোস সফরে গিয়ে
আমি যা প্রত্যক্ষ করেছি তা হলো, জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে অনেকেই জানে না।
অনেক অপপ্রচার হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টা শেখ হাসিনার ১৬ বছরের
শাসনামলে পাচার হওয়া প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করার জন্য ফাউন্ডেশনের
প্রতি আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বলেন,
অন্তর্বর্তী সরকার উত্তরাধিকার সূত্রে একটি ‘বিধ্বস্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত’ অর্থনীতি পেয়েছে
এবং তিনি পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ফাউন্ডেশনের সমর্থন কামনা করেন।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনে
সাহায্য করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে ফাউন্ডেশন। এই পদক্ষেপকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস স্বাগত জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন