

আগামী
২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ওইদিন বেলা পৌনে
১২টায় তাকে বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার
কথা রয়েছে। এরপর তাকে সংবর্ধনা জানাতে ৩০০ ফিটে জনসমাবেশ আয়োজন করবে বিএনপি।
তারেক
রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিমানবন্দরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার
( ১৮ ডিসেম্বর ) সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন
বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
বিএনপির
প্রতিনিধি দলে ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব
রুহুল কবির রিজভী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ আলা পাভেল, প্রধান নিরাপত্তা
কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. শামসুল ইসলাম। এ সময় তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা
পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
আজ
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বিকেলে সাড়ে চারটার দিকে তিনি সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
এর
আগে বিকেল চারটার দিকে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন
(বিটিভি) ও বেতারে তফসিল ঘোষণার ভাষণ রেকর্ড করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)
এ এম এম নাসির উদ্দিন।
ইসি
সচিব জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ছয়টায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান নির্বাচন
কমিশনার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন।
ইসি
সচিব জানান, এখন পর্যন্ত ৩০০ আসনে তফসিল ঘোষণার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সীমানা নিয়ে আদালতের
রায় আমরা এখনও হাতে পাইনি। এই সিদ্ধান্ত তফসিলে প্রভাব ফেলবে না।
মন্তব্য করুন


বিশ্বের শ্রমজীবী-কর্মজীবী
মেহনতি মানুষের ঐক্য, সংহতি, সংগ্রাম ও বিজয়ের দিন মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, শিল্প ও শ্রমবান্ধব বর্তমান সরকার শ্রমিকের সার্বিক কল্যাণ
সাধন ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে।
বুধবার মহান মে দিবস ২০২৪
উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন,আমি বাংলাদেশসহ
বিশ্বের সব শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। বিশ্বের অন্যান্য
দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযথ মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।
মহান মে দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘শ্রমিক মালিক গড়বো দেশ, স্মার্ট হবে বাংলাদেশ’ যথাযথ
ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, ২০৪১
সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে
শ্রমিকের পেশাগত নিরাপত্তা ও সুস্থতা, শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক, উন্নত কর্মপরিবেশসহ
শ্রমিকের সার্বিক অধিকার নিশ্চিতকরণের কোনো বিকল্প নেই। বিশ্বব্যাপী আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে
শ্রমজীবী মানুষের কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ ও ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাই দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত
করতে হলে শ্রমিকের অধিকার ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ে সারাজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার পরেই মে দিবসকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়ে দিনটিতে সরকারি ছুটি
ঘোষণা করেন। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকল্পে তিনি মজুরি কমিশন গঠন করেন এবং
শ্রমিকদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর ঘোষণা দেন। ১৯৭২ সালে জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে এবং আইএলও’র ৬টি কোর কনভেনশনসহ
২৯টি কনভেনশন অনুসমর্থন করে। শ্রমজীবী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার রক্ষায় যা ছিল
এক অনন্য মাইলফলক।
বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতার
পাশাপাশি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির স্বপ্ন দেখতেন। তার সেই স্বপ্নপূরণের অন্যতম অনুষঙ্গ
শ্রমজীবী মানুষের উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে একযোগে কাজ করা নিয়ে মো. সাহাবুদ্দিন
বলেন, শ্রমিক-মালিক সম্প্রীতি ও যৌথ প্রয়াস
দেশের উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
তিনি আরো বলেন, টেকসই শিল্প
ও বাণিজ্য খাত গড়তে বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ, শ্রমিকের একাগ্রতা এবং শ্রমিক-মালিকের পারস্পরিক
সৌহাদ্যপূর্ণ সম্পর্ক নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমজীবী মানুষের অধিকার, স্বার্থ ও কল্যাণের
সঙ্গে মহান মে দিবসের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের জীবনমান উন্নয়ন
এবং ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সকলে স্ব স্ব ক্ষেত্রে সকলে ঐকান্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন
এ প্রত্যাশা করি।
রাষ্ট্রপতি মহান মে দিবস
২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী
রফিকুল আবরার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মোঃ হায়দার আলী। আজ ১৬ মার্চ সকাল ১০.৩০টায় শিক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার
সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক
ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের
পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন এবং প্রকৌশল দপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল
হাসান।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ২৪ ইঞ্জিনিয়ার
কনস্ট্রাকশন ব্রিগেডের প্রধান প্রকল্প সমন্বয়ক এএফডব্লিউসি, পিএসসি কর্ণেল আরিফুল ইসলাম
খান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক পিএসসি
লেফটেন্যান্ট কর্ণেল জাহিদুল ইসলাম।
সৌজন্য সাক্ষাতে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের
সার্বিক বিষয় ও অগ্রগতি নিয়ে শিক্ষা উপদেষ্টার সাথে কথা বলেন। শিক্ষা উপদেষ্টা উপাচার্যকে
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নসহ পরামর্শ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, গোপালগঞ্জের বহু মানুষ আ. লীগ আমলে নিপীড়িত-বঞ্চিত
হয়েছেন।
আজ
শনিবার (১৯ জুলাই) তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে
এ আহ্বান জানান।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও বিচারে সহযোগিতা করুন। কিন্তু,
নাগরিক হিসাবে সকলের মানবাধিকারের পক্ষে থাকুন। কোনো এলাকাকে ঘেটো (একঘরে) বানানোর
চেষ্টা করবেন না। গোপালগঞ্জের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক
মানুষ নিম্নবর্গের হিন্দু। তারা লীগের আমলে নিপীড়িত ও বঞ্চিত হয়েছেন। আমাদের উচিত,
বাংলাদেশজুড়ে লীগের হাতে নিপীড়িত ও বঞ্চিতদের সাথে মৈত্রী করা। হাসিনার পরাজয় রাজনৈতিক না কেবল, নৈতিক ও বটে। নৈতিক
পরাজয়ের পর তার রাজনৈতিক পরাজয় ঘটেছিল। ফলে, আমরা হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে নৈতিক উচ্চতা
হারাতে পারি না।
তিনি
বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের পর নূতন বাংলাদেশে আমরা মানবিক মর্যাদা, বৈষম্যহীনতা আর সুবিচারের
যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, তা পূরণ করা আমাদের কর্তব্য।
ঐক্যের
আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ বলেন, অনেকেই এখনও ভাঙার কাজে ব্যস্ত। কিন্তু গড়ার
কাজে কাউকে পাওয়া যায় না। অথচ, পুরানো বন্দোবস্ত মচকে গেছে। এখন আর এটাকে ভাঙ্গা যাবে
না বরং ভাঙ্গতে গেলে আরো বেঁকে যাবে, বেঁকে যাচ্ছে। আবার যখন সময় আসবে তখন ভাঙ্গা যাবে।
কিন্তু এক্ষণে গড়ার কাজে আমাদের মনোনিবেশ করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পর আমাদের অপ্রস্তুতি
ছিল, বিহ্বলতা আর অনভিজ্ঞতা মিলে আমরা ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তের পূর্ণাঙ্গ বিলোপ ঘটাতে
পারিনি। কিন্তু, এ সুযোগে রাজনৈতিক জনগোষ্ঠী আকারে নিজেদের হাজির করা ও জবাবদিহিমূলক
গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজটা করতে পারলে আমরা ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ
বিলোপের পথে হাঁটতে পারব।
মন্তব্য করুন


ঢাকা ও আশপাশের জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ২৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
২০ নভেম্বর (সোমবার) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঢাকা ও আশপাশের জেলায় ২৮ প্লাটুনসহ সারাদেশে ২৩১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় বিএনপি’র চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, বহু বছরের জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশনেত্রী, গণতন্ত্রের নেত্রী ও আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তিনি বলেন, “আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি—আমাদের এই সম্পদ, আমাদের দলের শক্তিকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে দেন। যার আহ্বানে দেশের কোটি মানুষ সত্যের জন্য জীবন দিতেও প্রস্তুত হয়ে যায়। আমাদের মাতা দেশের গণতন্ত্রের আইকন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জীবন্ত প্রতীক। তাঁর সুস্থতা ও আরোগ্য লাভ দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকালে কুমিল্লা নগরীর ঐতিহাসিক টাউন হল মাঠে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত রোগমুক্তি কামনায় দিনব্যাপী পবিত্র কোরআন খতম শেষে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কান্নাজড়িত কন্ঠে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করে হাজী ইয়াছিন বলেন, “২০০৮ সালে টাউন হলের এক বিশাল জনসভায় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমার হাতে ধানের ছড়া দিয়ে বলেছিলেন—‘ইয়াছিন আমার সন্তান সমতুল্য, তার হাতে আমি ধানের ছড়া তুলে দিলাম।’ আজ সেই স্মৃতি আরও গভীর হয়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সকলের কাছে অনুরোধ করবো—আপনারা সবাই আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করুন ও দোয়া করুন। সৃষ্টিকর্তা যেন আমাদের নেত্রীকে সুস্থ করে তোলেন। ২০০৮ সালের মতোই যেন ২০২৫ সালেও আবার তিনি এই টাউন হলের মঞ্চে আসতে পারেন। এবং সেই একই স্নেহের ভাষায় যেন বলতে পারেন—‘আমার সন্তান হাজী ইয়াছিনের হাতে আবার ধান তুলে দিলাম।”
হাজী ইয়াছিন দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, “আমার আর কোনো ব্যক্তিগত চাহিদা নেই। আমার একমাত্র আকাঙ্ক্ষা—আমার নেত্রী যেন আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আমি পুনরায় তার হাত থেকে ধানের ছড়া নিতে চাই। তিনি ফিরে এলে জনগণের হৃদয়ে আবার গণতন্ত্রের শক্তি ফিরিয়ে আনবেন।”
দোয়া মাহফিলের পুরো সময় জুড়েই টাউন হল মাঠে ছিল একটি প্রার্থনামুখর পরিবেশ। কোরআন তেলাওয়াত, দরূদ শরীফ পাঠ এবং বিশেষ মুনাজাতে অংশ নেন দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ।
নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড, উপজেলা, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাধারণ নাগরিক এবং নানা পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এ দোয়া অনুষ্ঠানে।
দোয়া মাহফিলে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, কৃষকদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপু, আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আলী আক্কাস, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বর্ষীয়ান নেতা এস এ বারী সেলিম, মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ রতন, মাহাবুবর রহমান দুলাল, আতাউর রহমান ছুটি, মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য মুজিবুর রহমান কামাল, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন—কুমিল্লা মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রোমান হাসান, যুবদলের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আসিফ মাহমুদ জহির, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সৈয়দ মেরাজ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমিরুল পাসা সিদ্দিকী রাকিব, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব ফরিদ উদ্দিন শিবলু এবং যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান বিপ্লব।
অন্যদের মধ্যে ছিলেন—জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে এম শাহেদ পান্না, দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মহরম, মহানগর কৃষকদলের আহ্বায়ক কাজী শাহিনুর, কৃষকদলের সদস্য সচিব ইকরাম হোসেন তাজ, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরী নোমান, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদ রানা, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কাজী জোবায়ের আলম জিলানী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক ধীমান।
এছাড়া মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, যুবদল নেতা মনছুর নিজামী, মশিউর রহমান সজিবসহ অগণিত নেতাকর্মী ও অংশগ্রহণকারী দোয়া মাহফিলের পরিবেশকে আরও আন্তরিক করে তুলেন।
অনুষ্ঠান শেষে হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেন, “আমরা আজ আমাদের নেত্রী বেগম জিয়ার জন্য দোয়া করেছি। আমরা বিশ্বাস করি—আল্লাহর রহমতে ইনশাআল্লাহ তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন এবং আগামীতেও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ গঠন ও রক্ষায় তাঁর ভূমিকা থাকবে।”
মন্তব্য করুন


বুধবার ২৯ মে ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ ।
এ দিনটি উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশ
বিশ্ব শান্তি রক্ষায় এক অনন্য নাম। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও যথাযোগ্য
মর্যাদায় ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস- ২০২৪’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত
জানাই।
তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চলমান যুদ্ধ-বিগ্রহ বন্ধে ও শান্তি প্রতিষ্ঠায়
বাংলাদেশ সোচ্চার ও জোরালো ভূমিকা পালন করছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে
শান্তি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে সমাদৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা
মিশনে অন্যতম শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ। অর্পিত দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা,
দক্ষতা ও মানবিক আচরণ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের এই সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
রেখেছে। আগামী দিনগুলোতেও আমাদের শান্তিরক্ষীরা সততা, কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে
দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার এই ধারা অব্যাহত
রাখতে সক্ষম হবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে আস্থা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি একইসাথে এ দিনটি উপলক্ষে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত বাংলাদেশ
ও বিশ্বের অন্যান্য দেশের সব শান্তিরক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
একইসঙ্গে তিনি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও রক্ষার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আত্মোৎসর্গকারী
বীর শান্তিরক্ষী সদস্যদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান অনুসৃত এ আদর্শে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতি পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, ১৯৮৮ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের
সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, আনুগত্য, সাহসিকতা এবং অসামান্য অবদান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে
দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা মিশনে আমাদের শান্তিরক্ষীরা
একটি মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানও নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি ‘আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৪’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ৫ আগস্ট নিয়ে
আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বরাবরের মতোই সরকার সতর্ক আছে।
সরকারের বিশেষ অভিযান পুরো দেশব্যাপী চলছে, যেটা নির্বাচনের আগ পর্যন্ত চলবে। আর যেসব
অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি, সেসব খোয়া যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রয়েছে।
তিনি
আজ সোমবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত
কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ৫ আগস্ট নিয়ে কোনো ধরনের আতঙ্কের কোনো কারণ নেই। মহান আল্লাহর রহমতে
সকলের সহযোগিতায় সব ধরনের অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়ে
সরকারের পক্ষ থেকে সতর্কতাও রয়েছে।
তিনি
বলেন, সরকারকে সব কিছুর বিষয়েই সতর্ক থাকতে হয়। এজন্যই বিভিন্ন ধরনের সভা আয়োজন করা
হয় এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়। বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহনের সময় যে
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ছিল তা ক্রমান্বয়ে উন্নতি হয়েছে। আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থানে
রয়েছে।
মব
সহিংসতা বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মব সহিংসতা
আগের থেকে কমেছে। আস্তে আস্তে আরো কমে যাবে। মবের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দিচ্ছি না।
নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ রয়েছে। নির্বাচনের সময় যেন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি
ভালো থাকে সেজন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমরা পুলিশকে প্রশিক্ষণও
দিচ্ছি।
জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী বলেন, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর অপরাধ প্রবণতা বেশি। এ বিষয়ে আমাদের
পরিবারের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতাও বৃদ্ধি করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, মাদক আমাদের দেশে একটি বড় সমস্যা। মাদক উদ্ধার অভিযানে রুই-কাতলা ধরা
পড়ছে না, টেংরা-পুটি ধরা পড়ছে। অর্থাৎ মাদকের গডফাদার ধরা পড়ছে না, ক্যারিয়ার ধরা পড়ছে।
তবে আগের চেয়ে মাদক উদ্ধার অভিযান আরও জোরালো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এখন
অনেক মাদকদ্রব্য ধরা পড়ছে।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বাংলাদেশ আনসার ও
গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ
বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ শুক্রবার সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকার
উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে। সারাদেশে শোকের আবহ বিরাজ করছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ সিঙ্গাপুরের
চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়
দুপুর ২টা ৩ মিনিটে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা
করে। ফ্লাইটটি আজ সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ আজ
বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুর ত্যাগ করেছে এবং শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ
নিয়ে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ ও ভারত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১০টি সমঝোতা স্মারক ও নথি
সই করেছে ।
শনিবার (২২ জুন) দুপুরে নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদীর সঙ্গে একান্ত ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে তাদের উপস্থিতিতে এসব সমঝোতা স্মারক সই
হয়।
এর মধ্যে পাঁচটি নতুন সমঝোতা স্মারক সই, তিন সমঝোতা স্মারক নবায়ন এবং ভবিষ্যৎ কাজের ক্ষেত্র হিসেবে যৌথ কার্যক্রমের দুটি নথিতে সই করে উভয় দেশ।
‘ডিজিটাল অংশীদারত্ব’ এবং ‘টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারত্ব’ বিষয়ক দুটি সমন্বিত রূপকল্পকে সামনে রেখে কাজ করবে ভারত এবং বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই যৌথ কার্যক্রমের নথি সই করে বাংলাদেশ।
এ দুটি হলো—বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল অংশীদারত্বের বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা এবং
টেকসই ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশ-ভারত সবুজ অংশীদারত্বের বিষয়ে অভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা বিষয়ক
নথি সই।
নতুন পাঁচটি সমঝোতা স্মারক হলো—বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের সুনীল অর্থনীতি ও
সমুদ্র সহযোগিতার বিষয়ে দুদেশের মধ্যে সমঝোতা স্মারক; ভারত মহাসাগরের ওশানোগ্রাফির
ওপর যৌথ গবেষণা ও দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ে বাংলাদেশের বিওআরআই ও ভারতের সিএসআইআরের মধ্যে
সমঝোতা স্মারক; বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে রেল যোগাযোগের ওপর সমঝোতা স্মারক; যৌথ ছোট
স্যাটেলাইট প্রকল্পে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি
মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভারতের ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথোরাইজেশন সেন্টারের মধ্যে
সমঝোতা স্মারক এবং ডিফেন্স স্টাফ কলেজের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক।
নবায়নকৃত তিন সমঝোতা স্মারক হলো—মৎস্যসম্পদ সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক; দুর্যোগ
ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সমঝোতা স্মারক এবং স্বাস্থ্য ও ওষুধ খাতে সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা
স্মারক।
এর আগে সকাল ৯টায় রাষ্ট্রপতি ভবনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তাকে স্বাগত জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সুসজ্জিত অশ্বারোহী দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মোটর বহরকে পাহারা দিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের গেট থেকে ফোরকোর্টে নিয়ে যায়।
এরপর এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার
দেওয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। সশস্ত্র সালাম গ্রহণের
পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লাইন অব
প্রেজেন্টেশনে দুদেশের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের
পরিচয় করিয়ে দেন।
রাষ্ট্রপতি ভবনের এ কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের জাতির পিতা
মহাত্মা গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজঘাট যান। সেখানে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সমাধিসৌধে
পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পরে শেখ হাসিনা হায়দ্রাবাদ হাউসে যান। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
মোদীর সঙ্গে একান্ত ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
মন্তব্য করুন