

মো: মাসুদ রানা,কচুয়া ॥
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিন উদ্দিন বাপ্পি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ড. আনম এহছানুল হক মিলনের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কারণে তাঁর ছবি সম্বলিত ছবি দিয়ে নিজ বাড়ির প্রধান গেইট সুসজ্জিত করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ছবি একেছেন। তাঁর এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগকে স্বাগত জানান উপজেলা ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। সোমবার সকালে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী সহ অন্যান্যরা যুবদল নেতা মহিন বাপ্পির বাড়ির গেইট পরিদর্শন করেন। এসময় তারা নেতার প্রতি এমন ভালোবাসায় মুগ্ধতা ও প্রশংসা করেন।
উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তাজুল ইসলাম ও সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী বলেন, মহিন বাপ্পি হামলা-মামলা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েও দলকে ও তার নেতাকে ভুলে যায়নি। হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি কখনোই দলকে ভুলে যাননি এবং প্রিয় নেতা মিলন ও তার আদর্শ বুকে ধারণ করে আজও দলের সাথে মিশে আছেন তিনি। তার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
মন্তব্য করুন




কুমিল্লা নগরীর শাসনগাছা এলাকায় বাদশা মিয়া বাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
শুক্রবার (১৭ মে) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম এই অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা
জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ভোলায় গত পাঁচ দিনে ১২টি রাসেলস ভাইপার
সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। ১২টি সাপের মধ্যে এলাকাবাসী
১১টি সাপ মেরে ফেলেছে। আর একটি সাপ বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে এলাকাবাসী।
জেলার সদর, দৌলতখান, বোরহানউদ্দিন,
তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলাসহ চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ি ও খেলার
মাঠে একের পর এক রাসেলস ভাইপার সাপের দেখা মিলছে। একের পর এক এই সাপ উদ্ধারে জনসাধারণের
মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকালে সদর উপজেলার শিবপুরের 'গরিবের ডুবাই নামে খ্যাত'
চায়না ইপিজেড বালুর মাঠে একটি, তজুমউদ্দিন উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের একটি বসত বাড়ির
সামনে ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের জসিম হাওলাদারের বাড়িতে একটি রাসেলস ভাইপার
পাওয়া যায়।
এছাড়াও গত বুধবার (১৯ জুন) বিকেলে জেলার
তজুমউদ্দিন উপজেলার চৌমুহনী এলাকায় খেলার মাঠ, গত মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকালে সদর উপজেলার
পূর্ব ইলিশায় ইউনিয়নে পাকার মাথা এলাকায় বসত বাড়ির পাশের জালের সঙ্গে পেঁচানো অবস্থায়
একটি রাসেলস ভাইপার উদ্ধার করা হয়। গত মঙ্গলবার রাতে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের
জালু মাঝির বসতঘর, রোববার (১৬ জুন) লালমোহন উপজেলার লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের সৈয়দাবাদ
এলাকায় একটি বাড়ির শৌচাগার, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরা ও সাগর উপকূল উপজেলা চরফ্যাশনের
বিভিন্ন ইউনিয়নে আরও ৫টি রাসেলস ভাইপার সাপ দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে সাপগুলোকে
পিটিয়ে মেরে ফেলে।
এর মধ্যে তজুমউদ্দিন উপজেলায় পাওয়া
একটি সাপ বনবিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে জেলাজুড়ে সর্বসাধারণের মাঝে
রাসেলস ভাইপার আতঙ্ক বিরাজ করছে ।
স্থানীয়রা জানায়, বেশ কয়েকদিন ধরে
জেলার সর্বত্র সাপের উপদ্রব দেখা দিয়েছে। কিন্তু এর আগে সাগর উপকূল উপজেলা চরফ্যাশনের
কুকরি-মুকড়ি, ঢালচর কিংবা মনপুরা উপজেলায় দেখা মিললেও এবার সদর উপজেলাসহ প্রায় সবস্থানেই
সাপের বিচরণ বেড়েছে। একের পর এক বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের দেখা মিলছে বিভিন্ন এলাকায়।
স্থানীয় জেলে জয়নাল মাঝি বলেন, নদীতে
মাছ শিকার করে ঘাটের দিকে যাওয়ার সময় বালুর মধ্যে এই সাপটি দেখতে পাই। পরে আরও লোকজন
এসে সাপটিকে রাসেলস ভাইপার বলে নাম দেয়। এই সাপ এর আগে আর কখনো দেখিনি। সাপটি দেখতেও
অনেক ভয়ানক। অন্য সাপের থেকে দেখতে আলাদা। সাপটি দেখে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে মেরে ফেলে।
বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ জহিরুল
হক বলেন, রাসেল ভাইপার সাপ লোকালয়ে সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। বাচ্চা দেয়ার কারণে হয়তো
ওই সাপটি লোকালয়ে চলে এসেছে। তবে সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশ সীমান্ত
রক্ষী বাহিনী (বিজিবি) এর কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর সফল অভিযানে ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল জব্দ করা হয়েছে।
১৪ মার্চ রাত ১টায় কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের
আওতাধীন বিবির বাজার বিওপির কটকবাজার পোষ্টের একটি বিশেষ টহলদল সীমান্ত এলাকায় মাদক
ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পালপাড়া নামক স্থানে সীমান্ত শূন্য
লাইন থেকে আনুমানিক ৭ কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মালিকবিহীন অবস্থায় ৬,৭৭০ কেজি
অবৈধ ভারতীয় বাসমতি চাউল উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত চাউলের বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ
৪৬ হাজার ৫০০ টাকা। জব্দকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক কাস্টমস এ জমা করা হবে।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর
অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এম জাহিদ পারভেজ প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে ঈদের কোরবানি দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে কামার শিল্পীদের ব্যস্ততা। পশু কুরবানিতে ধারালো দা, বটি, চাপাতি ও ছুরি তৈরি করছে হরদম। তাই যেন দম ফেলার ও সময় নেই কামারদের। নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাজ করছেন কামাররা। কাক ডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন তারা। সারা বছর তেমন কাজ না থাকলে ও কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েক গুণ ব্যস্ততা বেড়ে গেছে কামারদের। ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতারাও ভিড় জমাচ্ছে কামার পট্টিতে। বিক্রিও হচ্ছে চড়া দামে। কামার শিল্পীরা জানান- পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ১০০-২০০, দা ৩০০-৫৫০ টাকা, বটি ৩৫০-৬০০, পশু জবাইয়ের ছুরি ৫০০ -১৩ হাজার টাকা, চাপাতি ৬০০-৯০০ শত টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কামার শিল্পীরা বলেন, কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কয়লার দাম ও শ্রমিকের দাম বেড়ে গেছে।
তবে ক্রেতারা বলেন, ঈদ উপলক্ষে দা, চাপাতি ও ছুরির দাম বেশি নেয়া হচ্ছে।
উপজেলার বোরহান পুর গ্রামের এনাম মিয়া (ক্রেতা) জানান, আমি একটি চাপাতি ৬০০ টাকায় কিনেছি। এ ছাড়া ছুরি, দা, জবাই করার ছুরিসহ ৪টি জিনিস রিপেয়ারিং করার জন্য এসেছি।
জাবেদ মিয়া (ক্রেতা) জানান, কুরবানির ঈদের সময় কসাই পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়ে। তাই একটা নতুন বটি কিনেছি, আর পুরনো চাপতি, দা শাণ দিয়ে নিচ্ছি নিজেরাই কাজে লেগে যাব। গেল বছরের চেয়ে এ বছর পুরনো জিনিষ শাণ দিতে মানভেদে ৩০-৫০ টাকা বেশি নিচ্ছে। ঈদ যতই এগিয়ে আসছে দা/ছুরি কিনতে গ্রাহকদের আনাগোনাও বাড়ছে।
কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়- কুরবানির ঈদ উপলক্ষে তাদের বেচাকেনা দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। তবে ঈদের দুদিন আগে বেশী বেচাকেনা হবে। কুরবানির ঈদ উপলক্ষে কয়লা ও শ্রমিকের মূল্য বেড়ে গেছে। দুই মাস আগেও প্রতি বস্তা কয়লার দাম ছিল ৫শ- ৫৫০ টাকা। সেই কয়লা এখন ৯শ-১ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। তাই তারা চাপাতি, ছুরি ও দা’র দাম একটু বেশি নিচ্ছেন।
নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও কামার পাড়া ঘুরে দেখা যায়- লাল আগুনের লোহায় পিটুনিতে সরগরম হয়ে উঠেছে কামার পল্লী গুলো। টুংটাং শব্দের ছন্দে তালমিলিয়ে চলছে হাতুড়ি আর ছেনির কলাকৌশল। ঈদুল আজহার আর মাত্র ৫ দিন বাকি আছে, তাই কামার পল্লী গুলো মুখরিত হয়ে উঠেছে। আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে উপজেলার প্রত্যন্ত আঞ্চলে কামার পল্লীগুলো ও ব্যস্থ সময় পাড় করছে। ঈদের বিপুল চাহিদার জোগান দিতে মাস খানেক আগে থেকেই তারা কাজ শুরু হয়েছে।
উপজেলার কামার বিক্রেতা মুকুল দেব ও প্রনেশ দেব জানান- কাজের ব্যস্থতায় নিশ্বাস ফেলার সময় নেই। তারা পুরোদমে ঈদুল আজহার আগ পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানান।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শুরু হয়েছে বহুল প্রত্যাশিত আন্তঃবিভাগ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা-২০২৫। বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে বুধবার (৭ মে) সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিযোগিতাটির উদ্বোধন করেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সোলায়মান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, "খেলোয়াড়দের
মধ্যে খেলোয়াড়সুলভ আচরণ এবং দর্শকদের মধ্যে সহিষ্ণুতা থাকা প্রয়োজন। কখনও কখনও এ জায়গায়
ব্যত্যয় দেখা যায়, তবে আমি আশা করি এবারের প্রতিযোগিতায় সব বিভাগ দায়িত্বশীলতা ও সৌহার্দ্য
বজায় রাখবে।" তিনি আরও বলেন, "হার-জিত খেলার অংশ, তাই তা মেনে নেওয়ার মানসিকতা
থাকতে হবে। আবহাওয়াজনিত কারণে কমিটির সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া উচিত। প্রতিটি বিভাগ যেন
প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সুন্দর খেলা উপহার দেয়, সেই প্রত্যাশা রইল।"
তিনি আরও যোগ করেন, "এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে
আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশগ্রহণযোগ্য ভালো ক্রিকেটার উঠে আসবে। ব্যক্তিগত অনুশীলনের
পাশাপাশি দলীয় বোঝাপড়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্র্যান্ডিংয়ে শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখতে পারবে। ভবিষ্যতে আন্তঃহল প্রতিযোগিতা আয়োজনের দিকেও ক্রিয়া কমিটি সচেষ্ট
থাকবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়া কমিটির আহ্বায়ক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দীন জানান, “নভেম্বরে কমিটি গঠনের পর থেকে কোনো খেলা বাদ যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাৎসরিক খেলাগুলো তিন মাসে সম্পন্ন করেছি। আশা করি, আন্তঃবিভাগ প্রতিযোগিতাটিও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে।”
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম বলেন,
“খেলায় হার-জিত থাকবেই। শিক্ষার্থীদের উচিত এই বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া এবং আম্পায়ারের
সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানো। বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলার উদ্দেশ্য পূরণে সবাই যেন সচেষ্ট
থাকেন।”
প্রতিযোগিতার সর্বশেষ আপডেট বিশ্ববিদ্যালয়ের
নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা।
মন্তব্য করুন


বুধবার (২০ মার্চ) অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে নতুন স্কিম চালু করা হয়েছে। সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের ১ জুলাই ও তারপরে নতুন যোগদান করবেন তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৭-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরে নতুন যোগদান করবেন, তাদের সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভূক্ত করেছে সরকার।
এছাড়া ১৩ মার্চ জারি করা এসআরও (নং-৪৮-আইন/২০২৪) এর মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য প্রত্যয় স্কিমের রূপ রেখা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যয় স্কিম চালুর ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কর্মকর্তা/কর্মচারীদের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হবে না এবং তাদের বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুণ্ন থাকবে।
তবে, যাদের ন্যূনতম ১০ বছর চাকরি অবশিষ্ট আছে তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে অবসর জীবনে মাসিক পেনশন প্রাপ্য হবেন বিধায় চলতি বছরের ১ জুলাই ও তার পরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান দেওয়া কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় খুব কম সংখ্যক স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানে পেনশন স্কিম চালু রয়েছে। এ ধরনের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মচারীরা আনুতোষিক স্কিমের আওতাভুক্ত এবং তাদের জন্য সিপিএফ ব্যবস্থা প্রযোজ্য। উক্ত ব্যবস্থায় কর্মচারীরা চাকরি শেষে অবসর সুবিধা হিসাবে এককালীন আনুতোষিক প্রাপ্য হন, কিন্তু মাসিক কোনো পেনশন প্রাপ্য হন না।
ফলে অবসরোত্তর জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই আর্থিক অনিশ্চয়তার সম্মুখীন হন। কর্মচারীদের অবসরোত্তর জীবনের আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা প্রদানে বিদ্যমান ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে সরকার ‘প্রত্যয় স্কিম’ প্রবর্তন করেছে। প্রত্যয় স্কিমে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারীর প্রাপ্ত মূল বেতনের ১০ শতাংশ বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা, যাহা কম হয় তা কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বেতন থেকে কর্তন করা হবে এবং সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা প্রদান করবে।
এরপর উভয় অর্থ ওই প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত ওই কর্মকর্তা/কর্মচারীর কর্পাস হিসাবে জমা করবে। এ প্রক্রিয়ায় ওই কর্মকর্তা-কর্মচারীর পেনশন ফান্ড গঠিত হবে এবং ওই ফান্ড জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক লাভজনক খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রাপ্য মুনাফা এবং চাঁদা হিসাবে জমা করা অর্থের ভিত্তিতে পেনশন প্রদান করা হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান সিপিএফ ব্যবস্থায় কর্মচারী মূল বেতনের ১০ শতাংশ এবং প্রতিষ্ঠান মূল বেতনের ৮.৩৩ শতাংশ প্রদান করে থাকে। প্রত্যয় স্কিমে প্রতিষ্ঠান প্রদান করবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ যা সিপিএফ ব্যবস্থা থেকে ১.৬৭ শতাংশ বেশি। প্রত্যয় স্কিমে একজন ব্যক্তি একটি প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা নিজ বেতন থেকে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ টাকা ৩০ বছর চাঁদা প্রদান করলে তিনি অবসর গমনের পর অর্থ্যাৎ ৬০ বছর বয়স থেকে মাসিক ৬২ হাজার ৩৩০ টাকা হারে পেনশন প্রাপ্য হবেন।
তবে এ ক্ষেত্রে ৩০ বছর ধরে মাসিক দুই হাজার ৫০০ টাকা হারে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ বেতন থেকে প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত মোট চাঁদার পরিমাণ নয় লাখ টাকা। অর্থ্যাৎ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারী মিলিয়ে সর্বমোট চাঁদার পরিমাণ হবে ১৮ লাখ টাকা। তিনি যদি ৭৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তবে ১৫ বছরে পেনশন প্রাপ্য হবেন এক কোটি ১২ লাখ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা। যা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নিজ জমার ১২.৪৭ গুণ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলায় সংসারের খরচ চাওয়ায় মাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৮ জুন) রাতে উপজেলার সাতানি ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।
নিহত মঞ্জুরা বেগম (৬৫) ওই গ্রামের শান্তি মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়ার দুই ছেলে তিন মেয়ে। ছোট ছেলে প্রবাসী বাবুল মিয়া বাহরাইনে থাকেন। আর বড় ছেলে নবীর হোসেন স্থানীয় একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। শান্তি মিয়ার বয়স হয়েছে, উপার্জন করতে পারেন না। সাংসারিক খরচের জন্য তাকিয়ে থাকেন দুই ছেলের দিকে। ছোট ছেলে প্রবাস থেকে মাস শেষে টাকা পাঠালেও বড় ছেলে খুব একটা সংসার খরচ দেন না। এতে করে কয়েকদিন পর পরই বড় ছেলে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার বাবা মায়ের ঝগড়া লাগতো। এর আগেও কয়েকবার সাংসারিক খরচ নিয়ে নবীর হোসেনের সঙ্গে তার মায়ের কথা কাটাকাটি হয়। পরে স্থানীয়রা বসে সমস্যার সমাধান করেন।
মঙ্গলবার রাতে সংসারের খরচ চাওয়ায় নবীর হোসেন তার মাকে গালিগালাজ করেন। শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে চেয়ার দিয়ে মাকে মারধর করতে শুরু করেন। এই সময় তার বাবা শান্তি মিয়া বাধা দিলে তাকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে মা মঞ্জুরা বেগমকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এক পর্যায়ে মা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তিতাস উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাতেই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সকালে পুলিশ এসে মঞ্জুরা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
কুমিল্লা তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষ্ণ কান্তি দাস বলেন, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন আমরা পাইনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে মূল ঘটনা জানা যাবে। আমরা এই বিষয়ে তদন্ত করে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের
উদ্যোগে গত শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) লাকসাম উপজেলার ভাকড্যা গ্রামে ভাকড্যা উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠে আশ্রয়কেন্দ্র ও পার্শ্ববর্তী আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর বন্যার্ত মানুষদের বিনামূল্যে
চিকিৎসা সেবা ও ঔষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
ক্যাম্পেইনে ডা: আশিকুজ্জামান (মেডিসিন),
ডা: নিশাত জাহান (গাইনী ও মহিলা রোগ), ডা: জামিল হোসেন (মেডিসিন) এর নেতৃত্বে মেডিকেল
টিম সুষ্ঠভাবে সকল প্রক্রিয়া - রোগীর হিস্টোরি নেওয়া, প্রেশার মাপা, ডায়াবেটিস মাপা,
প্রেসক্রিপশন ও ঔষুধ বিতরণ করা হয়। এ সময় আনুমানিক চারশত রোগীদের সেবা প্রদান করা হয়।
এই অঞ্চলে ডাকাতিয়া নদীর পানি বিপদসীমার
ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে দুই সপ্তাহ ধরে সবাই পানিবন্দী।
ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ জানান, ব্রিটানিয়া পরিবারের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দের একদিনের বেতন ও শিক্ষার্থীদের অনুদানের ফান্ড থেকে এই ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হয়। ভবিষ্যতেও আমরা এই জাতীয় মানবিক কর্মকান্ড করতে বদ্ধ পরিকর।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল
(১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কৃষ্ণপুর মধ্য পাড়া সাকিনস্থ মৃত
লুতু মিয়ার বাড়িতে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর বসত ঘরের ভিতর থেকে ৫৪ কেজি গাঁজা
সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী
হলো: মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), পিতা-আবুল হাসেম, মাতা-অজুফা খাতুন, গ্রাম-কৃষ্ণপুর
(মধ্য পাড়া-মৃত লুতু মিয়ার বাড়ী), থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন