

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত ও ৭ জন আহত হয়েছেন। চলমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২ মার্চ) এক বিবৃতিতে জানানো হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমানে ধ্বংসাবশেষের আঘাতে সিলেটের সালেহ আহমেদ নিহত হন। বাহরাইনেও ১ বাংলাদেশি নিহত এবং ৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া, কুয়েতে ড্রোন হামলায় আহত ৪ বাংলাদেশি বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
এদিকে, আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে আটকা পড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের জাহাজ 'বাংলার জয়যাত্রা'। তবে জাহাজের সকল নাবিক নিরাপদ রয়েছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার। এছাড়া, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন উল্লেখ করে গভীর সমবেদনা জানিয়েছে ঢাকা। সংঘাত এড়িয়ে সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
মন্তব্য করুন


নারী ও শিশু নির্যাতন
আইনে ধর্ষণ মামলায় জামিন পাওয়ার অধিকার রাখবো না বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক
উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ রবিবার (৯ মার্চ)
আইন মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ
নজরুল বলেন, ধর্ষণ মামলায় যদি ৯০ দিনের মধ্যে বিচার না হয়, তাহলে এই মামলায় কাউকে জামিন
দেওয়া যাবে না। আগে ছিল ১৮০ দিনের মধ্যে বিচার না হলে জামিন দেওয়া যেতো। এখন থেকে ধর্ষণের
মামলার ক্ষেত্রে কোনো জামিন দেওয়া হবে না। ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে যদি কোনো রকমের
গাফলতি থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টাল অ্যাকশন নেয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট আইন
সংযোজন করা হবে। ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ডিএনএ
সার্টিফিকেট লাগতো। আমাদের দেশের সব জায়গায় ডিএনএ সার্টিফিকেট দেওয়ার সুবিধা নেই। এজন্য
ধর্ষণ মামলার বিচার অনেক দেরি হতো। এজন্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে একটা সংশোধনী
আনবো যে, উপযুক্ত ক্ষেত্রে বিচারক যদি মনে করে যে শুধু মাত্র মেডিকেল সার্টিফিকেটই
মামলার বিচার ও তদন্ত কার্যক্রম চালানো সম্ভব তাহলে সে রকম ব্যবস্থা নিতে পারবে, বলেন
উপদেষ্টা।
আইন উপদেষ্টা আর বলেন,
যেসব স্থানে আসামিরা হাতেনাতে ধরা পড়বে সেখানে ডিএনএ সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য সময়ক্ষেপণ
রোধকল্পে এই পরিবর্তন আনার চিন্তা করছি। অতিদ্রুত জেলা পর্যায় ডিএনএ টেস্ট নেওয়ার জন্য
ল্যাবরেটরি তৈরি করা হবে।
মন্তব্য করুন


নবনির্বাচিত
সরকার শপথ নেওয়ার পরই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরে যাবে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।
তবে তিনি স্পষ্ট করেন, পুলিশ পুরোপুরি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ না নেওয়া পর্যন্ত
সহায়তামূলক ভূমিকায় সেনাবাহিনীর একটি অংশ মাঠে মোতায়েন থাকবে।
গতকাল
সোমবার ( ১৫ ফেব্রুয়ারি ) বেলা ১১টায় আয়োজিত ‘সিএএস দরবার’-এ
সেনাবাহিনীর সব পদমর্যাদার সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৫
মিনিটের ও অনুষ্ঠানে দেশে কর্মরত সদস্যদের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত
সদস্যরাও ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
নির্বাচনি
দায়িত্ব পালনের সময় সেনাসদস্যদের পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীলতার প্রশংসা করেন
সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, কঠিন ও সংবেদনশীল সময়ে সেনাবাহিনী যে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব
পালন করেছে, তা দেশের মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় করেছে। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়
সেনাবাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশকে স্থিতিশীল
রাখতে সেনাবাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দেশ ও জনগণ সেনাবাহিনীর এ সেবাকে স্মরণ
রাখবে।
সেনাপ্রধান
জানান, সংবিধান ও বেসামরিক প্রশাসনের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে সেনাবাহিনী দায়িত্ব
পালন করে আসছে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন,
নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পুরস্কৃত করেন। তিনি সেনাসদস্যদের ধৈর্য, সংযম ও পেশাদারত্ব
বজায় রাখার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ৩টায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষের আস্থা ফেরাতে কাজ করবে নতুন সরকার।
এ সময় কান্নাজড়িত কণ্ঠে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আজকে আমার আবু সাঈদের (রংপুরে গুলিতে নিহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী) কথা মনে পড়ছে। যে আবু সাঈদের কথা দেশের প্রতিটি মানুষের মনে গেঁথে আছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা এসেছে।’
দেশের কোথাও হামলা না করার আহ্বান জানিয়ে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদ বলেন, যদি আমাকে বিশ্বাস করেন তাহলে সারাদেশে চলমান হামলা বন্ধ না করেন। তা না করলে আমার এখানে প্রয়োজন নেই। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পুনর্জন্মে যে বাংলাদেশ পেলাম সে বাংলাদেশ যেন পূর্ণতা পায়। এই স্বাধীনতার সুফল সবার ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।
এসময় তিনি তরুণ সমাজকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, তরুণ সমাজ যেন নিজেদের মতো করে দেশটা সাজাতে পারে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্তির পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান করে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজ বৃহস্পতিবার শপথ নিতে যাচ্ছে। এদিন রাত সাড়ে ৮টা শপথ অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। অলিম্পিক কমিটির আমন্ত্রণে বিশেষ অতিথি হিসেবে ফ্রান্সের প্যারিসে গিয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিয়েছেন, তার একটি ছোট অস্ত্রোপচার হয়েছে। এরপর দেশে ফিরলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর পূর্ণ
সমর্থন চেয়েছেন।
রোববার
(১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত,
হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের ব্রিফ করেন ড. ইউনূস। পরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে যে দূতাবাসগুলো আছে তার রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের যেসব সংস্থার প্রধান
এখানে আছেন তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সবার পূর্ণ সমর্থন চেয়েছেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন ছিল। এখানে এত মানুষের
সম্পৃক্ততা ছিল যে তিনি বলেছেন ১৯৭১ সালে যদি প্রথম রেভ্যুলেশন হয় এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন।
তার বার্তা ছিল দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। উনি নির্বাচনটি
তখনই করবেন যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায়। বিচার বিভাগ, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
সিকিউরিটি ফোর্স, মিডিয়া- সব কিছুতে সংস্কার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করে যত দ্রুত নির্বাচন
দেওয়া যায় সেটি তার লক্ষ্য। তিনি বলেছেন এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। সেটি অনেকটা
স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন


শহীদ
সাদমানদের রক্ত দিয়ে 'নতুন
সংবিধান' লেখা
হয়ে গিয়েছে। জীবিত সাদমানদের রক্তেই সেই নতুন সংবিধান প্রতিষ্ঠিত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয়
যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।
যুগ্ম
সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির বলেন,
আমরা চাই, বাংলাদেশে
একটি নতুন সংবিধান তৈরি হোক,
যেখানে প্রকৃত অর্থেই জনগণের ক্ষমতায়ন হবে এবং একব্যক্তিকেন্দ্রিক, এক পরিবার কেন্দ্রিক
ক্ষমতার কোনো সুযোগ থাকবে না।
শুক্রবার
(৪ এপ্রিল) সকালে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার দিঘলগাঁও গ্রামে শহীদ হামিদুর রহমান
মজুমদার সাদমানের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা
বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন,
শহীদ সাদমানরা বাংলাদেশকে এক অন্ধকার,
রুদ্ধশ্বাস পরিবেশ থেকে মুক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। এই
দেশের মানুষ আজীবন তাদের স্মরণ করবে,
তাদের জন্য দোয়া করবে এবং ইতিহাসের পাতায় তাদের অবদান অধ্যয়ন করবে। আমরা
বিশ্বাস করি, সাদমানদের
রক্তে বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই রক্তকে আমরা পবিত্র রক্ত মনে
করি। এ রক্তের মাধ্যমেই বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ,
সাম্রাজ্যবাদ ও সম্প্রসারণবাদ পরাজিত হয়েছে। আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করতে হবে, কারণ
তারা শহীদ সাদমানদের হত্যাকারী,
গণহত্যাকারী, শিশু
হত্যাকারী। এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেই।
বর্তমান
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদ সাদমানদের
রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও মূল্যায়ন করা হোক,
যেন বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্মৃতির প্রতি চিরকাল শ্রদ্ধা জানাতে পারে। আমরা
চাই, তাদের
ইতিহাস পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক,
যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাদের সংগ্রাম ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এ বিষয়ে
আমরা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাই।
এসময়
উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুমিল্লা
মহানগর কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মাদ রাশেদুল হাসান, লালমাই
উপজেলা এএসপি নেতা গাজী হুমায়ুন কবির,
ওমর ফারুক, মাঈন
উদ্দিন,কবির
হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার
রাসেল সিদ্দিকী,সদর
দক্ষিণ উপজেলার সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম রাকিব, সদস্য হান্নান,
ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন আয়ান, যুগ্ম
আহ্বায়ক শাকিল আহমেদ,
লাল সবুজ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা কাউসার আলম,
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লালমাই উপজেলা মুখপাত্র মো. জাহিদুল ইসলাম
ফারাবী এবং মুখ্যসংগঠক মেহেদি হাসান শুভ। এছাড়াও সদস্য ইয়ামিন,
নাজমুল হাসান জয়,
রাকিব, ফারুকসহ
শহীদ সাদমানের আত্মীয়-স্বজনরা কবর জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) সেনাসদরে
সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি
দল।
উল্লেখ্য, আগামী ১৬ই অক্টোবর ২০২৪ তারিখে
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব 'শুভ প্রবারনা' অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিবর্গ উৎসবটি অত্যন্ত ধর্মীয় মর্যাদায়
ও ভাবগম্ভীর্যে উদযাপন করে থাকেন। এ উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বৌদ্ধ পল্লী, জনপদ
ও বিহার গুলোতে সপ্তাহব্যাপী বিবিধ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। উক্ত উৎসব চলাকালীন শান্তি-শৃঙ্খলা
ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের প্রতিনিধি
দল সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং উৎসবে অংশগ্রহণের জন্য সেনাবাহিনী
প্রধানকে আমন্ত্রণ জানান। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান সমতলের পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামে
'শুভ প্রবারনা' ও 'কঠিন চীবরদান' উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রদানের
অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসব সমূহ
পালন করার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সকল কার্যক্রম গ্রহণের আশ্বাস প্রদান
করেন এবং প্রতিনিধি দলের সদস্যগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিবিড়ভাবে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বর্তমানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেশব্যাপী জেলায় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন থেকে পূজামন্ডপ সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে সদা তৎপর রয়েছে। জাতি ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেক বাংলাদেশী তার নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসবসমূহ অত্যন্ত উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন করবেন- এই প্রত্যাশা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে
জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার
(২২ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে
তিনি এ কথা জানান।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সব
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে কোনো শঙ্কার কারণ নেই।
তিনি
আরও বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আসন্ন বড়দিন উপলক্ষে আতশবাজি
পোড়ানো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি
বড়দিনে সড়ক অবরোধ করে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারাদেশে মোট ৩০৫ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার
করেছেন। ফলে এখন মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
মঙ্গলবার
দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য
প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসসকে এ তথ্য জানান।
তিনি
জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ২৯৮টি আসনে (পাবনা-১
ও পাবনা-২ আসন বাদে) মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ইসির
কর্মকর্তারা জানান, ৩০০ আসনে মোট ২ হাজার ৫৮৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। এর মধ্যে ১ হাজার
৮৫৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয় এবং ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। পরে
৬৩৯ জন প্রার্থী আপিল করেন। আপিলের মাধ্যমে ৪৩১ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে
পান।
ইসির
তফসিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল ২০ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
আজ
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ
দেওয়া হবে। আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা, যা ভোট গ্রহণের
৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত চালানো যাবে।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে
ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ব্যালট পেপারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ত্রয়োদশ জাতীয়
সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হবে।
এর
আগে গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল
ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
তফসিল অনুযায়ী রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর।
মন্তব্য করুন


সৌদি
আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসএফডিএ) জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য
নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা
আরোপ করেছে। পাশাপাশি ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি
করা হয়েছে। এসব দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ও ভারতও রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ
জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও মহামারি সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে
ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়।
সর্বশেষ
সংশোধন অনুযায়ী, কিছু নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে। অন্যগুলো ঝুঁকি মূল্যায়ন
এবং প্রাণীর রোগ, বিশেষ করে উচ্চমাত্রায় সংক্রামক এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু)
সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে আরোপ করা হয়েছে।
হালনাগাদ
তালিকা অনুযায়ী আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও
হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক,
ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর
কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মায়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিসর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল,
নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া,
কোট দিভোয়ার এবং মন্টেনেগ্রো থেকে মুরগি ও ডিম আমদানিতে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
এ
ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক,
রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং গণতান্ত্রিক
কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের নির্দিষ্ট কিছু রাজ্য বা শহরের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য।
এ
নিষেধাজ্ঞাকে সাময়িক বলে আখ্যা দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে,
এ নিষেধাজ্ঞা তাপ প্রক্রিয়াজাত পোলট্রি মুরগির মাংস ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
নয়।
এ
ধরনের পণ্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারি সনদ থাকতে হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে যে সেগুলো এমনভাবে
প্রক্রিয়াজাত করা হয়েছে যাতে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (বার্ড ফ্লু) ও নিউক্যাসল রোগের
ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়। পাশাপাশি পণ্যগুলো রপ্তানিকারক দেশের অনুমোদিত স্থাপনা
থেকে উৎপাদিত হতে হবে।
মন্তব্য করুন