

প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান রাজধানীর যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে
কথা বলেছেন।
আজ
সোমবার (২ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এই বৈঠক হয় বলে জানিয়েছেন সরকারপ্রধানের
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
তিনি
বলেন, ঢাকার যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে প্রধানমন্ত্রী বিশেষজ্ঞদের
সঙ্গে কথা বলেছেন। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশলী শাসমুল হকের নেতৃত্বে
কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে নিয়ে তিনি বৈঠক করেন এবং এ ব্যাপারে তাদের মতামত জানতে চান।
এর
আগে গুলশানের বাসা থেকে সকাল ৯টা ১৩ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। আগের দিনও
রোববার সচিবালয়ে অফিস করেন তিনি।
আতিকুর
রহমান রুমন আরও জানান, শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলের সংস্কার ও উন্নয়নের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী স্থপতিদের সঙ্গে
কথা বলেন এবং তাদের মতামত শোনেন।
এছাড়া
প্রধানমন্ত্রী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী
হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গেও আলাদা বৈঠক করেছেন।
মন্ত্রীদের
সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


জনগণকে মুখ্য রেখে কর্মকর্তাদের
সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানিয়েছেন এলজিআরডি উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভার গ্রহন শেষে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের
সাথে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের
(সচিবের রুটিন দায়িত্বে) অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো: নজরুল ইসলাম।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়াকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সদ্য বিদায়ী উপদেষ্টা এ হাসান আরিফ বলেন, এটা কোন রুটিন সরকার নয়, বিপ্লবী সরকার। আমাদের
মূল দাবি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সবাই অংশগ্রহণ করেছিল, তেমনি
২০২৪ সালের আন্দোলন শুধু ঢাকা কেন্দ্রিক ছিল না। এর ধাক্কা লেগেছে সমস্ত দেশে। এ সময়
মন্ত্রণালয়ের সবার ভুয়সি প্রশংসা করেন হাসান।
সবাই কাজের ব্যাপারে বেশ দক্ষ ও আন্তরিক বলে
উল্লেখ করেন তিনি।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া বলেন, কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং দক্ষতার সাথে কাজ করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
সিনিয়রদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে জনকল্যাণমূলক
কাজ করতে হবে যা ভবিষ্যতে উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এই মন্ত্রণালয়ের কাজে জনসম্পৃক্ততা
বেশি,জনকল্যাণে সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস জনগণ। জনকল্যাণে কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যেতে
চাই।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে নতুন উপদেষ্টার শপথ গ্রহণ ও উপদেষ্টাদের মাঝে দপ্তর পুর্নবণ্টন করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং
স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। এর আগে তিনি যুব
ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় দায়িত্বে ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে
নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।
আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) বিকেলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এই সাক্ষাৎ
অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে আলোচনা
করা হয়।
এ সময় ব্রিটিশ হাইকমিশনের সেকেন্ড
সেক্রেটারি এলি বুট উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ
অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত
অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়ও বিবেচনা করা হচ্ছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনা প্রবাহের তথ্য প্রচারে তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তুলে ধরে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
ওপর বেশ কয়েকটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে এবং সেগুলো গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ওপর কয়েকটি প্রকাশনাও তৈরি করা হয়েছে।
সাক্ষাতকালে তথ্য উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম জানান, আগামী ৫ই আগস্ট উদ্যাপন
উপলক্ষ্যে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও কিছু প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হবে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেন, দেশের
গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। বর্তমান অন্তর্বর্তী
সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, এ বছর বিশ্ব মুক্ত
গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশ উন্নতি করেছে।
এ সাফল্যের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান।
এ সময় ব্রিটিশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার বিষয়ে হাইকমিশনার
তার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ
করেন।
সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা
হয়।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুর দুইটায় তিনি সংসদ ভবনে আসেন এবং সংসদের প্রেসিডেন্ট বক্স থেকে বাজেট উপস্থাপনা প্রত্যক্ষ করেন ।
এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ
বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া
হয়েছে। দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব
করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এদিন বিকেল তিনটায় জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশন শুরু হয়।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ৭
লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। তিনি
দেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী। আবুল হাসান মাহমুদ আলী অর্থমন্ত্রী হিসেবে এবারই প্রথম বাজেট
পেশ করবেন।
এটি দেশের ৫৩তম বাজেট। সময়ের
সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি বছরই বাজেটের আকার বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আগামী অর্থবছরের
বাজেট দেশের সবচেয়ে বড় বাজেট হতে যাচ্ছে। এর আগে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়।
মন্তব্য করুন


রোববার (১২ জানুয়ারি) গাজীপুরের কাশিমপুর এলাকায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন রায়ের নেতৃত্বে তিতাস গ্যাসের অবৈধ গ্যাস সংযোগ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযানে প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকার গ্যাসের অবৈধ বিতরণ লাইন উচ্ছেদ, ৪৫০টি অবৈধ আবাসিক গ্যাস বার্নারের সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও ৫০০ মিটার পাইপ অপসারণ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, শ্রীপুর-কাশিমপুর ৮"x১৪০ পিএসআইজি বিতরণ লাইন থেকে নিম্নমানের পাইপের মাধ্যমে অবৈধ বিতরণ লাইনগুলো স্থাপন করা হয়েছে।
উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনাকালে প্রতিটি বাসাবাড়ি তালাবদ্ধ থাকায় কোনো দণ্ড দেওয়া যায়নি অভিযুক্ত কাউকে।
মন্তব্য করুন


যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন,
১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান একই সামাজিক-রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট থেকে সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট ২০২৪
সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে,
এই দুটি গণআন্দোলনের পেছনের পরিস্থিতির মধ্যে খুব সামান্যই পার্থক্য রয়েছে।
আজ শুক্রবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে
জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে
‘নভেম্বর থেকে জুলাই : বিপ্লব থেকে বিপ্লবে’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন
তিনি।
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেন,
স্বাধীনতার পর একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতা-এই দুই ঘটনার
পটভূমি তৈরি করেছিল। স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তারা দুর্নীতি
ও লুটপাটে জড়িয়ে পড়েন। এর ফলেই ১৯৭৫ সালের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়
এবং প্রায় একই পরিস্থিতি ২০২৪ সালেও পুনরাবৃত্তি ঘটে। ১৯৭৫ সালের পর থেকেই বাংলাদেশ
একটি কার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে যাত্রা শুরু করে- যখন দেশ প্রতিষ্ঠানিক গঠন, সামরিক বাহিনীকে
শক্তিশালীকরণ এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে ভূমিকা রাখার মতো কার্যক্রম শুরু করে, এসব বিষয়গুলো
আজও প্রাসঙ্গিক।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের
অবদানের কথা তুলে ধরে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান কল্যাণমুখী রাজনীতির
সূচনা করেন এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কাঠামো গঠনে কাজ করেন। আজও দেশ তাঁর স্থাপিত
ভিত্তির ওপর পরিচালিত হচ্ছে, যা আমাদের রাজনৈতিক ও নীতিগত আলোচনায় প্রতিফলিত হয়।
এ সময় জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপট ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড নিয়েও আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
সভাপতি রিফাত রশিদ। আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান
মজিবুর রহমান মঞ্জু, কবি ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ফরহাদ মজহার, ড. আবদুল লতিফ মাসুম এবং
লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকার বারিধারায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে গিয়ে ‘বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট’ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডেএম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘ম্যাডামকে (খালেদা জিয়া) উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যেতে হতে পারে। সেজন্য আজকে উনি বায়োমেট্রিক ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে আমেরিকান অ্যাম্বেসিতে গিয়েছিলেন।’
খালেদা জিয়া গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে রওয়ানা হয়ে পাজোরো জিপে বেলা ২টা ২০ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে প্রবেশ করেন।
বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া দূতাবাসে পৌঁছালে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাকে স্বাগত জানান।
এ সময় সঙ্গে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, চেয়ারপার্সনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক মোহাম্মদ মামুন ছিলেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিক্সসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।
এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা হলেও তাঁর চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাল্টি ডিসিপ্লানারি সেন্টারে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে বেগম খালেদা জিয়া প্রথমে লন্ডন এবং পরে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে চিকিৎসকরা জানান।
মন্তব্য করুন


বাতিল হওয়া মনোনয়ন পুনর্বহালের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে তিনি নির্বাচন ভবনে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল আবেদন জমা দেন।এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিলের ঘোষণা দেন।আপিল জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাসনিম জারা। তিনি জানান, ঢাকা-৯ সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। এ কারণে নির্বাচন কমিশনের কাছে আপিল করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিষয়টির সমাধান চাওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের সমর্থনে স্বাক্ষর দিয়েছেন। অনেকে নিজের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বুথ পরিচালনা করেছেন, যা জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিফলন। এই সমর্থনের প্রতি সম্মান জানিয়ে তারা আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।তাসনিম জারা বলেন, যারা অল্প সময়ের মধ্যে স্বাক্ষর দিয়েছেন, তারা চান তিনি নির্বাচনে অংশ নিক। সেই প্রত্যাশার জায়গা থেকেই আপিল করা হয়েছে এবং আইনগত পথেই লড়াই অব্যাহত থাকবে।উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোমবার থেকেই নির্বাচন কমিশনে আপিল গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ উপলক্ষে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে অঞ্চলভিত্তিক ১০টি আলাদা বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রার্থী নিজে অথবা তার ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারি সেবাদানকারী সংস্থা আপিল আবেদন জমা দিতে পারবে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্ট দিয়ে নরেন্দ্র মোদি বিষয়টি জানিয়েছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
জানান, অধ্যাপক মুহম্মদ ইউনূসের টেলিফোন কল পেয়েছি। বিরাজমান পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের
মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশের
প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি।
এছাড়াও নরেন্দ্র মোদি, বাংলাদেশের হিন্দু
সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন।
ফোনে ড. ইউনূস নরেন্দ্র মোদিকে জানান,
অন্তর্বর্তী সরকার হিন্দু সম্প্রদায়সহ সব সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তার বিষয়টিকে
অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
কথোপকথনে ড. ইউনূস ও মোদি অগ্রাধিকার
ভিত্তিতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
এর আগে ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবসের
অনুষ্ঠানে মোদি বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে
চিন্তিত। ভারত সর্বদা বাংলাদেশের অগ্রগতির শুভাকাঙ্ক্ষী। আমরা আশা করি, বাংলাদেশে পরিস্থিতি
শিগগিরই স্বাভাবিক হবে। আমরা চাই হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হোক।
মন্তব্য করুন


আজ প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের শপথ গ্রহণ হবে।
বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে রোববার (১১ আগস্ট) বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ হবে।
রাষ্ট্রপতির আদেশে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্টের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ শপথের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারে উপদেষ্টা ও সুপ্রিম কোর্টের প্রয়াত জ্যেষ্ঠ বরেণ্য আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ এবং প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদের ছেলে।
সৈয়দ রেফাত আহমেদের জন্ম ১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর। তিনি ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্ট এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
সৈয়দ রেফাত আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাজ্য থেকে বিএ ও এম এ ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান তিনি। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্ট বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হন।
তিনি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, ভারত, পাকিস্তান, আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা, নেপালসহ পৃথিবীর বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে আরো বেশি হারে বিনিয়োগ করার জন্য চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মন্ত্রীর সঙ্গে আজ দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন (Yao Wen) সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, চীন ও বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। আঞ্চলিক, কৌশলগত ও ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় আমরা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার ও অনেক বড় প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছে। মন্ত্রী অদূর ভবিষ্যতে এ বিনিয়োগের পরিমাণ আরো বাড়াতে রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ জানান।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীল সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ফলে চীন সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিমাণ আরো বাড়ানো হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় ১০ হাজার চীনা নাগরিক কাজ করছে। উন্নয়ন ও নিরাপত্তা পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত। তাই তিনি বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপের আহ্বান জানান। এ সময় মন্ত্রী জানান, জনগণের ম্যান্ডেটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের এক নম্বর অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
রাষ্ট্রদূত চীনের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গঠিতব্য "International Alliance Combating Telecom and Cyber Fraud" জোটে বাংলাদেশের যোগদানের অনুরোধ করেন এবং এ সংক্রান্ত প্রস্তাব যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে বলে জানান। মন্ত্রী দু'দেশের মধ্যে "Plan of Action on Law Enforcement Training Cooperation" সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকের মেয়াদ ২০২৩ সালে শেষ হওয়ায় এটি পুনরায় রিভিউ করার জন্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী এ সময় তাঁর সুবিধাজনক সময়ে চীন সফর করবেন বলে রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।
বৈঠকে দু'দেশের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার অপরাধ দমন, পুলিশ প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। তিনি মন্ত্রীকে চীন সরকারের জননিরাপত্তা মন্ত্রীর শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন এবং চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নবনিযুক্ত সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী সহ মন্ত্রণালয় ও চীনা দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন