

নওগাঁর
আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নেয়ামুল বাছির (৪৮) নামে এক কলেজ
শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার
(১৭ জুন) সকালে শাহাগোলা রেলস্টেশনের পাশের শিমুলিয়া এলাকার একটি নির্জন সড়ক থেকে তার
রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত
নেয়ামুল বাছির নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ চকরামচন্দ্র মহল্লার বাসিন্দা এবং আত্রাই উপজেলার
বড়শিমলা মহিলা কলেজের শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি হজ কাফেলা ব্যবসার সঙ্গেও
জড়িত ছিলেন।
পারিবারিক
সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার শেষবারের মতো মোবাইল
ফোনে কথা হয়। এশার নামাজের পর তিনি বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে
একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে নওগাঁ শহরের দিকে রওনা দেন। কিন্তু রাতে তিনি আর বাড়ি
ফেরেননি।
নিহতের
ভাই মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা
করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা পথিমধ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ শাহাগোলা
রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শিমুলিয়া এলাকার নির্জন স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
বুধবার
সকালে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
আত্রাই
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে
রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক
চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, ঘটনাস্থলটি রেলওয়ে পুলিশের আওতাভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি সান্তাহার জিআরপি থানাকে
অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ
ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের
শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হত্যাকারীদের
গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


অমর একুশে বইমেলা ২০২৫ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে শেকড় সন্ধানী লেখক, সাংবাদিক ও সংগঠক শরীফ প্রধান-এর বই ‘শিক্ষানবিশ সাংবাদিকতা’। বইটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান 'প্রতিভা প্রকাশ। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা বিষয়ক বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শাহাদাত শিবলী। মুদ্রিত মূল্য রাখা হয়েছে ৪৫০ টাকা। বই মেলার- ৩২৭,৩২৮ ও ৩২৯ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে বইটি।
গণমাধ্যম পেশায় আগত নবীন ও শিক্ষানবিশদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সহায়ক হবে। বইটির মাধ্যমে সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয় সম্পর্কে নবীনরা চমৎকার ধারণা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন লেখক।
বই মেলার প্রথম দিন থেকেই প্রতিভা প্রকাশনার - ৩২৭, ৩২৮, ৩২৯ নং স্টলে বইটি পাওয়া যাবে। এছাড়াও অর্ডার করতে পারবেন রকমারি, বইফেরী, বাতিঘর, প্রথমা, বই বাজার, বিডি বুকস, ই-বইঘর, পাঠক পয়েন্ট, বইয়ের দুনিয়া, বইসদাই, বই প্রহরসহ যে কোনো অনলাইন বুকশপে।
শরীফ প্রধান বর্তমানে দৈনিক ইত্তেফাক-পত্রিকায় কাজ করছেন। এই বইটি লেখকের ৩য় প্রকাশিত গ্রন্থ। এর আগে, আঞ্চলিক ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংবাদপত্রে প্রকাশিত উন্নয়নমূলক প্রতিবেদন নিয়ে ২০১৫ সালে প্রকাশিত হয় "পজিটিভ দাউদকান্দি" নামে বই এবং তথ্য গবেষণা ও আঞ্চলিক বংশ ভিত্তিক ইতিহাসের বই "কাদিয়ারভাঙ্গা প্রধান বংশের ইতিকথা" নামের বইটি লেখকের প্রথম প্রতাশিত গ্রন্থ।
মন্তব্য করুন


খুব প্রয়োজনীয় কিছু সংস্কার করে যতদ্রুত সম্ভব নির্বাচন দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন: আইন মন্ত্রণালয়ের কৈফিয়ত’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে আগামী ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত সব ধরনের প্রচারণা ও মিছিল করার ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনার আলোকে মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।
এতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৮ অনুসারে কোনো নির্বাচনী এলাকায় ভোটগ্রহণ শুরুর আগের ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান এবং কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা আয়োজন বা তাতে যোগদান না করার বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
ভোটগ্রহণ হবে ৭ জানুয়ারি সকাল ৮টায়। এ হিসাবে ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে ৯ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
পরিপত্রে আরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ভোটকেন্দ্রের ৪শত গজের মধ্যে কোনো প্রার্থী নির্বাচন ক্যাম্প স্থাপন করতে পারবে না।
মন্তব্য করুন


খুলনার
কয়রায় মহারাজপুরে আম খাওয়ার পর ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায়
একই পরিবারের আরও ৪ জন সদস্য অসুস্থ অবস্থায় কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি
হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মৃত
নারীর নাম লতিকা সানা (৫৫)। এছাড়া অসুস্থরা হলেন, একই পরিবারের তুলসি সানা (৪২), ইন্দ্রজিৎ
সানা (১৪), বিবেকানন্দ সানা (৬০) ও প্রকাশ সানা (৫১)। তারা সবাই মঠবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
এলাকাবাসী
ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ৯ জুন রাতে পরিবারের ৫ সদস্য হায়াতখালী বাজার
থেকে কেনা আম খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোর থেকে পেটের সমস্যায় ভুগতে শুরু করেন তারা।
একপর্যায়ে অবস্থার অবনতি হলে ১০ জুন বিকেলে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করা হয়।
মৃত
লতিকা সানার পরিবারের নিকট আত্মীয় নিতিশ সানা বলেন, রাতে আম খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা
স্বাভাবিকভাবেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। ভোর থেকে তাদের পেট খারাপ হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে
যাওয়ার আগেই ওই নারীর মৃত্যু হয়।
কয়রা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজিত কুমার বৈদ্য জানান,
ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ৫ জনকে বুধবার বিকেলে হাসপাতালে আনা হলে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া
যায়। বাকি ৪ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।
তিনি
আরও বলেন, আমে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হতে পারে। অথবা বাড়িতে সংরক্ষণের
পর কোনোভাবে বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে, যা খেয়ে তারা ডায়রিয়ায় আক্রান্ত
হয়েছেন।
মন্তব্য করুন


সারা
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ৪৩৪ জনের
শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
রবিবার
(২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য
অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গেই ১৬ জন মারা গেছে।
হামের উপসর্গে ঢাকায় সর্বোচ্চ ১০, ময়মনসিংহে ২ এবং রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল ও সিলেটে
একজন করে মারা গেছে।
এতে
আরো বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে রবিবার পর্যন্ত এ নিয়ে সন্দেহজনক হাম রোগে মোট ৪৪২ জন
ও নিশ্চিত হামে ৮৬ জন মারা গেছে।
একই
সময়ে সারা দেশে হাম সন্দেহে ৫০ হাজার ৫৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ
পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৪৬ হাজার ২১৪ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


নতুন দল গঠন করে নেতৃত্বে আসা ও সরকার থেকে
পদত্যাগের বিষয়ে এ সপ্তাহের শেষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও
সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন বলে জানিয়েছেন ।
ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে কার্য অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
এরপর রাত ১০টার দিকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নে জানান, আমি এ বিষয়ে আমার অবস্থান ব্যক্ত করেছি মিডিয়ার বিভিন্ন জায়গায়। তবে বিভিন্ন সংবাদপত্র বা মিডিয়ায় যেভাবে তথ্য আসছে আমি মনে করি যে এভাবে আসা উচিত না। কারণ আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সেটা প্রকাশের আগেই, কোনো ধরনের অনুমানের ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের তথ্যগুলো ছড়ানো উচিত হচ্ছে না।
নাহিদ ইসলামের কাছে প্রশ্ন ছিল- ছাত্র জনতার
নেতৃত্বে একটি নতুন দল আসছে, আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি নতুন দল আপনার নেতৃত্বকে
বেছে নিয়েছে, তারা চায় আপনি সেই দলের নেতৃত্ব দেন। সে ক্ষেত্রে আপনার অবস্থান
কী? সেই দলে যদি আপনি যেতে চান তাহলে উপদেষ্টার পর থেকে সরে আসতে হবে- সে বিষয়ে
আপনি কী ভাবছেন?
প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, বাইরে যারা আছে, বৈষম্যবিরোধী নাগরিক কমিটি তারা একটা রাজনৈতিক দলের উদ্যোগের কথা বলেছে অনেক আগেই, ফেব্রুয়ারির মধ্যে। আমি আমার জায়গাতে বলেছি যে, সেই দলে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা হয়তো আমার থাকতে পারে। তো সেটা হলে আমি সরকার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেই সেটি করবো। সে বিষয়ে আমি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। কিন্তু সেটা সম্ভাবনা আছে। হয়তো এ সপ্তাহের শেষে আমি এ বিষয়ে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনাদের সবাইকে জানাতে পারব।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকারের
পতনের পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন মো. নাহিদ ইসলাম।
মন্তব্য করুন


ঘটনাটি
ফেনীর সীমান্তবর্তী উপজেলা পরশুরামের। এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গ্রামের এক ইমামের
বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে এক মাসেরও বেশি সময় জেল
খাটতে হয়। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে চরম অপমানের মুখোমুখি হতে হয় তাকে। হারাতে
হয় চাকরিও। কিন্তু দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর সামনে আসে ভয়ংকর এক সত্য। কিশোরীর গর্ভের
সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, শিশুটির বাবা ওই ইমাম নন; বরং মেয়েটিরই আপন বড় ভাই।
পরে পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে ভাই নিজেও বোনকে জোরপূর্বক ধর্ষণের কথা স্বীকার
করেন।
ফরেনসিক
পরীক্ষায় পরশুরামের বক্সমাহমুদে ধর্ষণের শিকার সেই কিশোরীর ভূমিষ্ঠ সন্তানের সঙ্গে
তার আপন বড় ভাইয়ের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে। আর এই অপরাধের দায় থেকে ভাইকে বাঁচাতে ফাঁসানো
হয়েছিল স্থানীয় এক মসজিদের ইমামকে। এক মাস দুইদিন কারাভোগের পর ধর্ষণ মামলা থেকে অব্যাহতি
পেয়েছেন তিনি।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ২৪ নভেম্বর ওই গ্রামের ভুক্তভোগী খুকু (ছদ্মনাম)
আক্তারের (১৪) মা তার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে একই গ্রামের স্থানীয় জামে মসজিদের ইমাম
ও মক্তবের শিক্ষক মোজাফফরের বিরুদ্ধে পরশুরাম মডেল থানায় মামলা করেন। নিজেকে নির্দোষ
দাবি করলেও ছাড় পাননি মোজাফফর। অভিযোগ মিথ্যা উল্লেখ করে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে ২০২৪
সালের ২৬ নভেম্বর ফেনীর আদালতে মামলা করতে যান মোজাফফর। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে
গ্রামের মাতব্বর ও মামলার বাদী তাকে জোরপূর্বক পুলিশের হাতে তুলে দেন। এদিকে অন্তঃসত্ত্বা
হয়ে সন্তান প্রসব করে স্থানীয় একটি মক্তবে অধ্যয়নরত ভুক্তভোগী কিশোরী। আর এর দায় চাপানো
হয় ওই মক্তবের শিক্ষক মোজাফফর আহমদের (২৫) কাঁধে। একমাস দুইদিন কারাভোগ করেন তিনি।
একই
বছরের ২২ ডিসেম্বর অভিযুক্ত মোজাফফরকে ঢাকার মালিবাগে পুলিশের সিআইডি বিভাগের ফরেনসিক
ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য স্ব-শরীরে ও খুকু আক্তারের সংরক্ষিত ভ্যাজাইনাল সোয়াব
পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। ঢাকার মালিবাগের ফরেনসিক ল্যাবরেটরি থেকে থেকে ২০২৫ সালের
২১ জানুয়ারি ডিএনএ প্রতিবেদন পান পরশুরাম মডেল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল
ইসলাম।
ডিএনএ
পরীক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, পরীক্ষায় ভ্যাজাইনাল সোয়াবে পুরুষের বীর্যের উপাদানের
উপস্থিতি শনাক্ত হয়নি। ভ্যাজাইনাল সোয়াবে বীর্যের উপস্থিতি শনাক্ত না হওয়ায় মোজাফফরের
ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে তুলনা করে মতামত প্রদান করা সম্ভব নয়। এরপর ওই কিশোরী ও তার
সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু কন্যা সন্তানের জৈবিক পিতার নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য
তাদের পরীক্ষাগারে উপস্থিত হয়ে ডিএনএর নমুনা প্রদানের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়।
এর
মধ্যে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে বিস্ময়কর তথ্য। ডিএনএ রিপোর্টে কিশোরীর সন্তানের সঙ্গে
মোজাফফরের ডিএনএর মিল না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে কিশোরীকে
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে এক পর্যায়ে ওই কিশোরী তার আপন বড় ভাই মোরশেদ তাকে লাগাতার
ধর্ষণ করেছে বলে স্বীকারোক্তি দেয়। ঘটনা আড়াল করে ভাইকে বাঁচাতে শিক্ষক মোজাফফরকে ফাঁসানো
হয়। পরে ২০২৫ সালের ১৯ মে বড় ভাই মোরশেদকে (২২) গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ।
আদালতে আপন বোনকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ২০ মে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান
করেন মোরশেদ।
আদালতে
আবেদনের প্রেক্ষিতে ওই কিশোরী ও তার ভূমিষ্ঠ সন্তান ও বড় ভাই মোরশেদের ডিএনএ পরীক্ষার
জন্য একই বছরের ৪ আগস্ট ঢাকায় পুলিশের ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। ৯ আগস্ট ডিএনএ
পরীক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ভিকটিমের সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়ার শিশু কন্যার সঙ্গে মোরশেদের
ডিএনএ নমুনা মিলে যাওয়ায় তিনি তার জৈবিক পিতা।
ডিএনএ
পরীক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফলের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, ডিএনএ পরীক্ষায়
মোরশেদের সঙ্গে তার বোনের সন্তানের পিতা হিসেবে ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল রয়েছে। মোজাফফর
আহমেদ ওই সন্তানের জৈবিক পিতা নন।
মামলার
তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক শরীফ হোসেন অভিযোগপত্রে মোজাফফর আহমেদের বিরুদ্ধে
আনিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০০) এর ৯(১) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত
না হওয়ায় ধর্ষণ মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আর মোরশেদের বিরুদ্ধে অপরাধ
প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের একই ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর থেকে মোরশেদ ফেনী জেলা কারাগারে রয়েছেন। আদালতে ডিএনএ
পরীক্ষার রিপোর্ট উপস্থাপনের পর এক মাস দুইদিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পান মোজাফফর।
পরশুরাম
মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো/ আশ্রাফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ
গভীরভাবে তদন্ত করে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর চার্জশিট থেকে তার নাম প্রত্যাহার
করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, নিরপরাধ একজনকে ফাঁসানোর জন্য চেষ্টা করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনায় সমাজে নেতিবাচক
প্রভাব পড়ে।
পরশুরামের
বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের উত্তর টেটেশ্বর গ্রামের পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও মক্তবের
শিক্ষক ছিলেন মোজাফফর আহমেদ। এ ঘটনার পর মসজিদের ইমামতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরি
হারান তিনি। মামলার খরচ জোগাতে বিক্রি করেছেন ৫ শতক জমি। প্রতিনিয়ত সামাজিকভাবে হেয়
হয়েছেন। এসব কারণে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন মোজাফফর আহমেদ।
মোজাফফর
আহমদ বলেন, অবশেষে সত্যের জয় হয়েছে। এ ঘটনায় আমি সামাজিক ও পারিবারিকভাবে হেনস্তার
শিকার হয়েছি। মসজিদের ইমামতি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের চাকরি হারিয়েছি। মামলার খরচ চালাতে
বাড়ির পাশে মূল্যবান জায়গা বিক্রি করে দিয়েছি, অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। কারাভোগ,
সামাজিক মর্যাদাহানি ও অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেন তিনি।
তিনি
বলেন, বিভিন্ন সময় প্রায় মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে ফাঁসানো
হয়। প্রকৃত সত্য তুলে ধরা হলে এভাবে আমার মতো অনেক নিরপরাধ মানুষ বেঁচে যাবে।
মোজাফফর
আহমেদের আইনজীবী আবদুল আলিম মাকসুদ বলেন, এ ধরনের ঘটনা বিরল। তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে
ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। ডিএনএ পরীক্ষায় সত্য উদঘাটন হয়েছে।
জাতীয়
ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের পরশুরাম উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মুফতি আমিনুল ইসলাম জানান,
সুন্নি, কওমী বা সরকারি বুঝি না, সে একজন মজলুম ইমাম ও তালেবে ইলম। ক্ষতিগ্রস্ত ইমামের
ক্ষতিপূরণ কে দেবে? তাকে মানসিকভাবে সাহস দেওয়ার পাশাপাশি, আর্থিক ও আইনিভাবে সহযোগিতা
করা উচিত।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন
। তিনি তাদের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার
সফল হতে পারবে না। তাই নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে করা সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে
জন্য আমাদের 'নতুন সংগ্রামে' নামতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ
হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটা হলো-আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন
করা।'
আজ
শনিবার (০৯ মে) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি)-এর
মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল,
স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন।
তিনি
আরো বলেন, 'গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আপনারা মাঠে ছিলেন। আমি বলেছিলাম নির্বাচন
কিন্তু কঠিন হবে। আপনারা প্রত্যেকেই পরতে পরতে সেটা অনুভব করেছেন। মানুষ আমাদের দলের
পক্ষে, আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে সমর্থন দিয়েছে।'
নির্বাচনের
আগে দেয়া ইশতেহার এখন জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, 'নির্বাচনের
আগের দিন পর্যন্ত আমাদের দেয়া ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো।
নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষ করে আমরা সরকার গঠন করার পরে এই ইশতেহারটি আমাদের সরকারের
তথা বাংলাদেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে।’তিনি বলেন 'কারণ ভোট দেয়া দেশের ৫২
শতাংশ মানুষ মূলত আমাদের এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই রায় দিয়েছেন। কাজেই এই ম্যানিফেস্টোতে
যা যা বলেছিলাম আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে তা বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা করতে হবে।'
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, 'নির্বাচনের আগে আমরা মানুষকে বলেছিলাম যে আমরা সুশাসন দিব। আমরা এমন একটি দেশ
তৈরি করতে চাই যেখানে শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে। নারী পুরুষ শিশু সকলে নিরাপদে রাস্তায় চলতে পারবে।'
তিনি
বলেন, আমরা যখন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিলাম তখন বলেছিলাম
যে, আমাদের উপরে যে রকম অত্যাচার নির্যাতন হচ্ছে, গুম খুনের শিকার হতে হচ্ছে তাতে আমরা
রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা চাই দেশে এমন একটি রাজনৈতিক পরিস্থিতি হোক যেখানে আমরা বিতর্ক
করবো, স্বাধীনভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবো।
তারেক
রহমান বলেন, 'আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে। কিন্তু
বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে
না।' এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেইটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট(কেআইবি) মিলনায়তনে এই
মতবিনিময় সভা শুরু হয়। দিনব্যাপী রুদ্ধদ্বার এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলটির
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে সভায় স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল
মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা
রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেনও উপস্থিত রয়েছেন।
উল্লেখ্য,
১২ ফেব্রুয়ারি এয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে দলের
মাঠ পর্যায়ের নেতাদের সাথে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময়
সভা।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচন ইভিএম এ নয়, ব্যালটে
হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এছাড়া কমিশন
যেকোনো সময় নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত আছে বলেও জানিয়েছেন সিইসি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর
আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সাঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির
উদ্দীন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য আমরা প্রথম দিন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি।
প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনের যে সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী নির্বাচন
পরিচালনার জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেই প্রাধান্য
দিচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা
আসেনি।
ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে
বিদ্যমান ভোটার তালিকায় অনেক অসংগতি রয়েছে। দুই মাসের মধ্যে সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার
তালিকা তৈরি করা হবে। নতুন তালিকা তৈরির জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া, অনুপস্থিত বা বিদেশে থাকা ভোটারদের তথ্য যাচাই
এবং ডুপ্লিকেট ভোটার শনাক্ত করে তালিকা সংশোধনের কাজ করা হবে।
রোডম্যাপ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, প্রধান
উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হবে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রোডম্যাপ ঘোষণা
করা হবে না, তবে নির্বাচন কমিশনের কাজের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা থাকবেই।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল (২৬ নভেম্বর) রবিবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে ।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফল হস্তান্তরের পর বেলা ১১টায় স্ব স্ব কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে একযোগে পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আর এবার শিক্ষার্থীরা কলেজে না গিয়ে ঘরে বসেই ফল দেখতে পারবে।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা কলেজ নোটিশ বোর্ড ছাড়াও বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবে ।
ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল জানতে শিক্ষার্থীকে প্রথমে www.educationboardresults.gov.bd এ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থী তার রেজাল্ট শিট দেখতে পারবে।
ঢাকা বোর্ডের ওয়েবসাইটে www.dhakaeducationboard.gov.bd রেজাল্ট ক্লিক করে প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করা যাবে।
এছাড়াও পরীক্ষার্থীরা এসএমএসের মাধ্যমে ফল পেতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজি অক্ষরে এইচএসসি (HSC) লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে আবার স্পেস দিয়ে পাসের বছর লিখতে হবে। এরপর ১৬২২২ নম্বরে সেন্ড করতে হবে। যেমন ঢাকা বোর্ডের একজন পরীক্ষার্থীকে- HSC DHA 123456 2023 লিখে পাঠাতে হবে 16222 নম্বরে। সঙ্গে সঙ্গেই ফিরতি এসএমএসে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য,দেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা গত ১৭ আগস্ট শুরু হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে পিছিয়ে যাওয়া চট্টগ্রাম, মাদরাসা ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শুরু হয় ২৭ আগস্ট।
এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশ নেন ১৩ লাখ ৫৯ হাজার ৩৪২ পরীক্ষার্থী।
মন্তব্য করুন