

গোপালগঞ্জ
সদর উপজেলার গোবরা নিলারমাঠ এলাকায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে নিজের তিন বছর বয়সী কন্যাশিশুকে
শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে মা সেতু বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার প্রায় ১৬ দিন
পর শনিবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে ঘরের একটি ট্রাঙ্ক থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্তের কথিত প্রেমিক মিরাজ মোল্লা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ
ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় চার বছর আগে একই এলাকার রুবেল শেখের সঙ্গে সেতু
বেগমের বিয়ে হয়। রুবেল শেখ বর্তমানে সৌদি আরবে কর্মরত। তাদের একমাত্র সন্তান ছিল তিন
বছর বয়সী ফারিয়া। স্বামী প্রবাসে থাকার সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে
ফরিদপুরের বাসিন্দা মিরাজ মোল্লার সঙ্গে সেতুর পরিচয় হয়, যা পরে পরকীয়া সম্পর্কে রূপ
নেয়।
অভিযোগ
অনুযায়ী, গত ২২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সেতু বেগম ঘরের ভেতর ওড়না পেঁচিয়ে ফারিয়াকে শ্বাসরোধে
হত্যা করেন। পরে মরদেহটি ঘরের একটি ট্রাঙ্কে লুকিয়ে রেখে তিনি ওই ব্যক্তির সঙ্গে বাড়ি
ছেড়ে চলে যান।
পুলিশ
জানায়, কিছুদিন পর ওই ব্যক্তি সেতুকে ফরিদপুরে তার আত্মীয়ের বাড়িতে রেখে পালিয়ে যায়।
বিষয়টি নিয়ে পরিবারের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সেতু হত্যার কথা স্বীকার করেন। শনিবার তার
মা ও মামা তাকে গোপালগঞ্জ সদর থানায় সোপর্দ করলে পুলিশ তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ি
থেকে ট্রাঙ্ক খুলে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
গোপালগঞ্জ
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু বলেন, “মরদেহ
উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত মা
সেতু বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনায়
আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে,
শিশুটির মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত
ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পাচার অর্থ ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ।
বুধবার (২১ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
এ বৈঠক এর সময় ড. ইউনূস পাচার অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চান।
শফিকুল আলম বলেন, ‘আমরা বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানি যে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর টাকা পাচার হয়ে গেছে। যুক্তরাজ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাড়িঘর করেছেন। পাচার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কীভাবে ফেরত আনা যায় সে বিষয়ে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন ড. ইউনূস।’
তিনি আরো বলেন, সরকার পাচার হওয়া অর্থ ফেরত এনে দেশ পুনর্গঠনের কাজে লাগাতে চায়।
বুধবার ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক ছাড়াও জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
(বিজিবি) কোনো ধরনের লেথাল ওয়েপন (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করবে না বলে জানিয়েছেন বিজিবির
ঢাকা সেক্টর কমান্ডার কর্নেল এস এম আবুল এহসান। তিনি জানান, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার
সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই নির্বাচনে সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য
মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি কুইক রেসপন্স ফোর্স এবং বিজিবি হেলিকপ্টার ইউনিট সর্বদা প্রস্তুত
থাকবে বলে জানানো হয়।
আজ
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় সুইমিং কমপ্লেক্সে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে
এসব তথ্য জানান তিনি।
নির্বাচনকালীন
রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবির প্রস্তুতি
ও পরিকল্পনা নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
কর্নেল
এস এম আবুল এহসান বলেন, ‘আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বর্ডার গার্ড
বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি একটি অবাধ,
সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে দেশব্যাপী মোতায়েন রয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘ঢাকা সেক্টরের অধীন ঢাকা ব্যাটালিয়ন (৫ ও ২৬ বিজিবি), নারায়ণগঞ্জ ব্যাটালিয়ন
(৬২ বিজিবি) এবং গাজীপুর ব্যাটালিয়নের (৬৩ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ৯টি জেলা এবং
৪টি সিটি করপোরেশনের মোট ৫১টি আসনে সর্বমোট ১৩৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য ৪২টি অস্থায়ী
বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া বিশেষ তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার
জন্য বিজিবির বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিট মোতায়েন থাকবে।
ডিজিটাল
ডিভাইসের ব্যবহার ও দায়িত্ব পালনের বিষয় জানিয়ে বিজিবির ঢাকা সেক্টর কমান্ডার বলেন,
নির্বাচনে বিজিবি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বডি ওর্ন ক্যামেরা, নাইট ভিশন ডিভাইস, মেটাল
ডিটেক্টর, এপিসি, আধুনিক সিগন্যাল ও যোগাযোগ সরঞ্জামাদি ব্যবহার করবে, যার মাধ্যমে
স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নির্বাচনী পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক
পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যাটালিয়ন এবং সেক্টর সদর দপ্তরে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা
হয়েছে। নির্বাচনের দিন বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে টহল পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ
স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন, যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা
করবে, যাতে কোনো মহল নাশকতা বা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে।
নির্বাচনকে
কেন্দ্র করে কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছেন কি না জানতে চাইলে কর্নেল এস এম আবুল এহসান বলেন,
এখন পর্যন্ত কোনো ধরনের শঙ্কা দেখছি না।
আমাদের
মহাপরিচালকের নির্দেশ, আমরা নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কোনো
ধরনের লেথাল ওয়েপন (মারণাস্ত্র) ব্যবহার করব না।
মন্তব্য করুন


সামাজিক
মাধ্যম থেকে বোঝা যায় শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবার জীবন আচারে পরিবর্তন এসেছে। ধর্মীয়
পোশাকে আবৃত থাকতে দেখা যায়। এর আগে নিজেও জানিয়েছিল ইসলামী নিয়ম অনুসারে পথ চলছে সে।
এবার
জানা গেল, ধর্মের পথে চলতে মিডিয়া ছেড়ে দিয়েছে লুবাবা। কঠোরভাবে মেনে চলছে পর্দা প্রথা।
নিকাবে ঢেকেছে মুখ।
গণমাধ্যমকে
তথ্যটি দিয়েছেন লুবাবার মা জাহিদা ইসলাম জেমি। তিনি বলেন, ‘লুবাবার নিজেরই উপলব্ধি
হয়েছে সেই আর মিডিয়ায় কাজ করবে না। মুখ দেখাবে না, তাই নেকাব পরা শুরু করেছে। এ অবস্থায়
তো মিডিয়ায় কাজ করা যায় না। লুবাবা ধর্মীয় বই পড়ে পড়ে নিজে নিজে মনে করেছে সে জীবনধারায়
পরিবর্তন আনবে। তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
জেমি
আরও বলেন, ‘লুবাবা এরইমধ্যে কোরআন খতম দিয়েছে। বিভিন্ন ধরনের ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ে, হাদিস
পড়ে। এসব পড়াশোনা করেই তার মধ্যে এই পরিবর্তন আসে। আগামী রমজানে সে ওমরাহ হজ পালন করতে
মক্কায় যাবে, এমন পরিকল্পনা রয়েছে।’ তবে জেমি জানিয়েছেন, কোনো প্রচারণামূলক
ভিডিওতে লুবাবাকে দেখা গেলেও মুখ দেখাবে না সে। থাকবে নিকাবে ঢাকা।
এর
আগে লুবাবা বলেছিল, ‘এখন আমার বেশি ভালো লাগে মানুষকে ইসলামের ব্যাপারে শিক্ষা দিতে।
আমি নিজেও শিখছি।’
অনেক
দিন ধরেই ইসলামী রীতিতে চলছে লুবাবা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আপাদমস্তক বোরকায় ঢেকে হাজির
হন। কথাবার্তা ও চলনেও দেখা যায় ইসলামি রীতিনীতির ছাপ। এক সময় কটাক্ষের শিকার হলেও
জীবন আচার বদলানোয় বেশ প্রশংসা পাচ্ছে সে।
সিমরিন
লুবাবা প্রয়াত মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা আবদুল কাদেরের নাতনি। দাদার অনুপ্রেরণায় এসেছিল
অভিনয়ে। শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছে বেশকিছু নাটকে। বিজ্ঞাপন ও সিনেমায়ও দেখা গেছে
তাকে।
মন্তব্য করুন


নির্বাচনে
নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ধরনের প্রস্তুতি প্রয়োজন, সব ধরনের প্রস্তুতি
নেওয়া আছে বলেও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী।
তিনি
বলেন, যে সময় নির্বাচন হবে, সে সময়ের জন্য যে ধরনের প্রস্তুতি দরকার আমরা সেই ধরনের
প্রস্তুত রয়েছি।
আজ
শনিবার (১৪ জুন) বিকেলে র্যাব-১ অফিস পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে এটা আপনারাও বলছেন। গত ১১ মাসে
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া অভিযান চালানোর অধিকার কারও নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লে. জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ট্যুরিস্ট পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই কথা জানান।
রমজানে বাজার অস্থিতিশীল না করার আহ্বান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার
মহাসড়কে যেসব জায়গায় ডাকাতি হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেসব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, ‘রমজান ও ঈদ ঘিরে ডাকাতি আর ছিনতাই রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব হচ্ছে এটা অস্বীকার করব না। জনগণকে সচেতন হতে হবে। জনগণ উচ্ছৃঙ্খল হলে তো চলবে না।’
দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘মব প্রতিরোধে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়া কারও অধিকার নেই অভিযান চালানো।’
মন্তব্য করুন


মো. আজিজার রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের খানসামায় রমজানের শুরুতেই সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপণ্যের
দাম লাগামহীন। বিশেষ করে ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহৃত বেগুনি, শসা ও লেবু দ্বিগুণের বেশি
দামে বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি টাকা না দিলে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। সেই সঙ্গে পেঁয়াজ,
কাঁচা মরিচ ও মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, চার -পাঁচ দিনের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলেও এ
ক্ষেত্রে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়নি। মূলত প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে বিক্রেতারা
খেয়ালখুশিমতো দাম বৃদ্ধি করছেন।
জানা যায়, রমজানে ইফতার সামগ্রী
তৈরিতে ছোলা, বেগুনি, শসা, কাঁচা মরিচ, লেবু ও ভোজ্যতেলের চাহিদা বেশি থাকে। এর মধ্যে
বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও বেগুনি, শসা ও লেবুর দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
খানসামা উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখানে প্রকারভেদে বেগুন কেজিপ্রতি ৬০-৭০
টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ২৫-৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো। তবে বাজারে স্থিতিশীল
রয়েছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম।
শসা কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি
হচ্ছে, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২৫-৩০ টাকায়। লেবুর হালি গত সপ্তাহে ১৫-২০ টাকায় বিক্রি
হলেও এখন তা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ২৫-৩০ টাকা বৃদ্ধি
পেয়ে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ছোলা প্রতি কেজি ১১০-১২০ টাকা, বেসন কেজি মানভেদে
৮০-১২০ টাকায়, চিনি ১২০ টাকা ও খেসারির ডাল ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
জানা যায়, রমজান ঘিরে পর্যাপ্ত
আমদানি হলেও বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। অধিকাংশ দোকানে বোতলজাত তেল পাওয়া
যাচ্ছে না। যাদের দোকানে পাওয়া যায় সেখানেও নির্ধারিত দামের তুলনায় বেশি রাখা হচ্ছে।
বোতলজাত সয়াবিন তেল সংকটে দাম বাড়িয়ে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে খোলা সয়াবিন
তেল।
অন্যদিকে উপজেলার পাকেরহাট বাজার ঘুরে জানা যায়, ব্রয়লার মুরগি কাটা কেজিপ্রতি ২৭০-২৮০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৭০-৩৮০ টাকা ও লেয়ার কাটা প্রতি কেজি
৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পাল্পা
দিয়ে বাড়ছে মাছের দামও।
দিনমজুর রাসেল রানা জানান, রাজনৈতিক
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভেবেছিলাম এ বছর রমজানে বাজার স্বাভাবিক থাকবে। কিন্তু চাহিদা
বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গরুর মাংস ৭০০ টাকা দরে
বাজারে বিক্রি হচ্ছিল। সে কারণে মুরগিও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। বাজারে কোনো মনিটরিং
ব্যবস্থা নেই। সাধারণ মানুষকে বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হয়।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার (৩ মার্চ)দুপুরে খানসামা
উপজেলার পাকের হাট, চেহেলগাজী বাজার, ও খানসামা
বাজারে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)
কামরুজ্জামান সরকার, দিনাজপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক
মোঃ বোরহান উদ্দিন,পুলিশ ও আনছারসহ মনিটরিং অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন দোকানে পণ্যের দাম,
মান, মূল্য তালিকা, পণ্যের সরবরাহ ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়। তবে ধারাবাহিক মনিটরিং
না থাকায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন ভুক্তভোগীরা।
দিনাজপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক
মোঃ বোরহান উদ্দিন বলেন, রমজানে সিন্ডিকেটে যেন পণ্যের দাম বৃদ্ধি করা না হয় সে জন্য
নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ লক্ষ্যে তিনি ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ (chandabaj.com) নামে একটি বিশেষ ওয়েবসাইট এবং একটি জাতীয় হটলাইন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নির্বাচনী প্রচারণাকালে দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-৮ আসন থেকে ‘শাপলা কলি’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ভাইরাল ভিডিওতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, একটি বিশেষ ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে, যেখানে সাধারণ মানুষ প্রমাণসহ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন। তার দাবি, এই প্ল্যাটফর্ম অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং মানুষকে নির্ভয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর সুযোগ দেবে।
তিনি আরও আশ্বস্ত করেন, অভিযোগকারীদের নাম-পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে। পর্যাপ্ত তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সামনে তা উপস্থাপন করে রাজনৈতিকভাবে বয়কটের আহ্বান জানানো হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার ভাষায়, “আমরা একগাদা প্রমাণ নিয়ে ওদের মুখের ওপর গিয়ে বলবো—এই হলো প্রমাণ, আপনি এখন রাজনীতি ছেড়ে দেন।”
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, খুব শিগগিরই এই ওয়েবসাইট ও জাতীয় হটলাইনটি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ওপর চলমান চাঁদাবাজির উৎপাত বন্ধ করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এই পরিকল্পনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেমন প্রশংসা কুড়াচ্ছে, তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।
ঢাকা-৮ আসনের এই প্রার্থী মনে করেন, শুধু কথার প্রতিবাদে চাঁদাবাজি বন্ধ হবে না; বরং প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ নিলেই অপরাধীদের কোণঠাসা করা সম্ভব। নির্বাচনে জয়ী হোন বা না হোন, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে এই সেবাটি সচল রাখার অঙ্গীকারও করেন তিনি।
প্রযুক্তি ও জনসচেতনতার সমন্বয়ে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে ‘চাঁদাবাজ ডটকম’ একটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন


অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিচার ও পুলিশ বিভাগের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ হবে সুশাসন ও ন্যায়বিচার ভিত্তিক।
আজ শনিবার যশোর পিটিআই মিলনায়তনে আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি বলেন, পুলিশকে তদন্তের সময় সতর্কতা অবলম্বন
করতে হবে। যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি শাস্তি না পায়।
বিচারকদের উদ্দেশে এ সময় তিনি বলেন, জামিন দেওয়ার একচ্ছত্র অধিকার
আপনাদের নেই। নতুন বিচার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে
কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম পুলিশ,
প্রশাসন ও বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, এ রাষ্ট্র ট্রান্সফরমেশনের
মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আগামীর বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির কাছে নয়, আপনারা আইন ও
সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন। আপনাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে কাদের পক্ষে
দাঁড়াবেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির
হায়দার, সিআইডির অতিরিক্ত আইজি মতিউর রহমান শেখ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
কর্মশালায় খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ও ১৬ জেলার
জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার, জেলা ও দায়রা জজ, সিনিয়র জুডিশিয়াল
ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, পাবলিক প্রসিকিউটর,
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৩২০ কর্মকর্তা
অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


আগামী সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সব ধরনের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয়সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ রোববার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের তথ্য প্রযুক্তগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সব ধরনের সাইবার অপরাধকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।”
তিনি বলেন, সরকার সব ধরনের নাগরিক সেবাকে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে অনেক সেবা দেশে ও বিদেশে অনলাইনে দেওয়া হচ্ছে। এসব সেবাকে সুরক্ষিত ও নির্বিঘ্ন রাখতে হলে সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা জরুরি।
নাগরিক সেবার খাতগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন প্রধানউপদেষ্টা।
তিনি বলেন, “সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিসহ যেসব প্রতিষ্ঠান সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, তাদের নিয়মিত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার হালনাগাদ করতে হবে। পাশাপাশি এসব ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত জনবলকেও আরও দক্ষ করে তুলতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট জনবলকে একটি রেটিং পদ্ধতির আওতায় আনতে হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সাইবার সুরক্ষাসহ প্রকৃত মূল্যায়ন সহজ হয়।
ফিনান্সিয়াল সেক্টরে কোনো অপরাধ করে যেন কেউপার পেয়ে না যায়—সে বিষয়েও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সিকে বিচার বিভাগের পাশাপাশি কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।
বৈঠকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ইতোমধ্যে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানকে ক্রিটিক্যাল ইনফরমেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। আরও কিছু প্রতিষ্ঠান এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।
এছাড়া আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গুজব, মিসইনফরমেশন, ডিসইনফরমেশনসহ অন্যান্য সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি এবং বিটিআরসি’র মধ্যকার সমন্বয় সাধনের বিষয়ে জোর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ. মনসুর বলেন, ব্যাংকিং সেক্টরের সাইবার নিরাপত্তা আরও দৃঢ় করতে ইতোমধ্যে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং আরও কিছু কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এছাড়া তিনি সেক্টরাল সার্ট (CERT) গঠনের উদ্দোগের প্রশংসা করেন।
জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিলের সদস্য সচিব ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে এজেন্সির কার্যক্রম ও ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনাসহ সাইবার পরিমন্ডলে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহন ও পরবর্তী প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রণীত “Cyber Incident Reporting and Response System” এর বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আইনউপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।
২১ মে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ প্রনয়নের পর এই সংশোধিত অধ্যাদেশের অধীনে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত ২৬ আগস্ট জাতীয় সাইবার সুরক্ষা কাউন্সিল গঠিত হয়।
২৫ সদস্যের এই কাউন্সিলের নেতৃত্বে রয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠক মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে আমীরে জামায়াত তাঁর বিদেশ সফরের নানা দিক নেতৃবৃন্দের সামনে তুলে ধরেন। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের সফর দেশ ও জাতির জন্য ফলপ্রসূ হওয়ায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের প্রশংসা করা হয় এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের পক্ষ থেকে তাঁকে ধন্যবাদ জানানো হয়।
বৈঠকে দেশে বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ লক্ষ্য করছে যে, জুলাই জাতীয় সনদকে আইনি ভিত্তি দেওয়ার লক্ষ্যে গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সরকার গড়িমসি করছে, যা জাতির জন্য উদ্বেগজনক। কেউ কেউ গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই দিনে অনুষ্ঠানের মতো একটি ধারণা পোষণ করছেন। একই দিনে গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে গণভোটের গুরুত্ব মারাত্মকভাবে হ্রাস পাবে। এটি গণভোট প্রক্রিয়াকে অনিশ্চয়তায় ফেলবে। কারণ, জাতীয় নির্বাচনে কোনো ভোটকেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত হলে গণভোটও স্থগিত হয়ে যাবে-যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এই প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ অন্তর্বর্তী সরকারের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে যে, সরকার যেন অবিলম্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি করে এবং আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যেই গণভোটের আয়োজন করে। পাশাপাশি, ওই গণভোটের ফলাফলের আলোকে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে।
মন্তব্য করুন