

চাঁদপুর শহরের বড় স্টেশন মাছ ঘাট এলাকা থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করেছে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড।
রোববার (৭ জুলাই) সকালে চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য বিভাগ ও কোস্ট গার্ড এর যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে এসব জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়।
এসব তথ্য জানান, অভিযানে অংশ নেওয়া চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম।
চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মো. তানজিমুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে বড় স্টেশন মাছ ঘাট থেকে ২২০ কেজি জেলিযুক্ত চিংড়ি জব্দ করা হয়। এবং জেলিযুক্ত চিংড়ি মাটিতে পুঁতে বিনষ্ট করা হয়। চিংড়ির মালিকানা কেউ দাবি না করায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
অভিযানেউপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী মো. জামিল হোসেন, কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনের চিফ পেটি অফিসার এম. শফিকুল ইসলামসহ কোস্ট গার্ড সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের
মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকার
প্রধান হিসেবে এটি তাঁর তৃতীয় কর্মদিবস।
প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন।
প্রধানমন্ত্রী
আজ শনিবার ( ২১ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে অফিস করতে আসেন।
কার্যালয়ের
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে
স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী
নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের
সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কিছু সময়ের জন্য যেন ভুলেই গিয়েছিলেন,
তাঁরা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছ থেকে পাচ্ছেন।
কার্যালয়ে
ঢুকে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা কার্যালয় চত্বরে রোপণ এবং মহান আল্লাহপাকের
কাছে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম,
পিএসসি, জি (অব.)-সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।।
প্রধানমন্ত্রী
এরপর মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট
উন্মোচন করেন ।
মন্তব্য করুন


জার্মানির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত আচিম ট্রস্টার
আজ বুধবার (২৫ জুন) ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎ বাংলাদেশে তাঁর চার বছরের কূটনৈতিক
কর্মজীবনের শেষ কার্যক্রম।
সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত
ট্রস্টারকে তাঁর দায়িত্ব সফলভাবে শেষ করার জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ-জার্মানি
সম্পর্ক জোরদারে তাঁর অবদানের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, জার্মানি আমাদের উন্নয়ন যাত্রার নির্ভরযোগ্য অংশীদার।
রাষ্ট্রদূত ট্রস্টার বাংলাদেশে তাঁর
সময়কাল সম্পর্কে আবেগভরা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, “আমার কর্মজীবনে অনেক আকর্ষণীয়
পোস্টিং ছিল, তবে বাংলাদেশ সত্যিই অনন্য। বাংলাদেশের মানুষের আতিথেয়তা ছিল অভূতপূর্ব,
আমি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা নিয়ে বিদায় নিচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিনিয়োগ সম্মেলন ছিল
একটি ভালো উদ্যোগ। আমি বাংলাদেশের জন্য শুভকামনা জানাই এবং আশা করি, অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের সংস্কার প্রক্রিয়া সফল হবে। পাশাপাশি একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হবে বলেও আমি আশাবাদী।”
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে জার্মানির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ইউরোপে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ
বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে জার্মানির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশটি যে অব্যাহত
উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে, তা প্রশংসনীয়।
তিনি বিশেষভাবে রোহিঙ্গাদের জন্য জার্মানির
মানবিক সহায়তার কথাও উল্লেখ করেন।
অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, “সংকটময় মুহূর্তে
বিশেষ করে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় আপনার দেশের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
আরও বলেন, আপনার বিদায়ের পরও আমরা আপনার মতামত শুনতে চাই ু তা ইতিবাচক হোক অথবা সমালোচনামূলক। কারণ আপনার অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের কাছে
গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আপনাকে বাংলাদেশের একজন সত্যিকারের বন্ধু হিসেবে বিবেচনা করি।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন, এসডিজি
বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম
ইউরোপ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন।
মন্তব্য করুন


অবৈধভাবে ভোট
কেনার জন্য ভোটারদের টাকা দিয়েছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) এক প্রার্থী। কিন্তু
তাতে লাভ হয়নি। নির্বাচনে হেরে যান তিনি। এরপরেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছ থেকে
টাকা ফেরত চাইতে শুরু করেন ঐ পরাজিত প্রার্থীর স্ত্রী। এর জন্য রীতিমতো খাতাকলম নিয়ে
বেরিয়ে পড়েন তিনি। সেই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে। বইছে সমালোচনার
ঝড়। ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে।
রাজ্যের পৌর
নির্বাচনে মাঞ্চেরিয়াল মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের ৯ নম্বর ডিভিশন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করেছিলেন বিজেপির প্রার্থী জাদি তিরুপতি। নির্বাচনে মাত্র ১৬ ভোটের ব্যবধানে কংগ্রেস
প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন তিনি। অভিযোগ উঠেছে, ফল ঘোষণার পর গভীর হতাশায় তিরুপতি ও
তার পরিবারের সদস্যরা সেসব ভোটারের বাড়িতে যাচ্ছেন, যারা টাকার বিনিময়ে তাকে ভোট
দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
ভিডিওতে দেখা
যায়, বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী রূপা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ঈশ্বরের নামে
শপথ করতে বলছেন তারা তিরুপতিকে ভোট দিয়েছেন কি না। অভিযোগ রয়েছে, যারা ভোট না দেওয়ার
কথা স্বীকার করেছেন, তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি দেওয়া ৩ হাজার রুপি ফেরত নেওয়া হচ্ছে।
এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। কারণ নির্বাচনে প্রার্থীদের
পক্ষ থেকে ভোটারদের অর্থের প্রলোভন দেখানো নির্বাচনি বিধি ও গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থি।
ঘটনাটি তেলেঙ্গানার
স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে এবং নির্বাচনি স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর
প্রশ্ন তুলেছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটাধিকার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে
নানা কর্মসূচি নেওয়া হলেও এই ভিডিওগুলোই বলে দিচ্ছে, তথাকথিত বিশ্বের সবচেয়ে বড়
গণতন্ত্রের দেশ ভারতে অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনা এখনো বাস্তবতা।
মন্তব্য করুন


সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও
তদুর্ধ্ব সমপদমর্যাদার কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত
সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাগণসহ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আরও সাড়ে চার মাস
বাড়ানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন
জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
১২ নভেম্বর থেকে আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
তারা সারা দেশে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’-এর ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানাধীন মুদাফরগঞ্জ এলাকা হতে ২০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৪ নভেম্বর ২০২৩ইং তারিখ দুপুরে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানাধীন মুদাফরগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা থানার নানরা গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে মোঃ সাগর ইসলাম (২৬), মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার কাটাখালী গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছেলে ফয়সাল আহমেদ এবং কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার গাসিয়াল গ্রামের আব্দুল লতিফ এর ছেলে মোঃ সবুজ (২৫)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


ফিফা
প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় যুব উৎসবে যোগ
দেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন।
এখানে
প্রাপ্ত এক খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ২৯-এর ফাঁকে প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে বেশ কয়েকজন বিশ্ব নেতা ও সংস্থার প্রধান কর্মকর্তার বৈঠক অনুষ্ঠিত
হয়।
অধ্যাপক
ইউনূস ফিফা প্রধানকে উৎসব সম্পর্কে অবহিত করেন এবং স্বনামধন্য মহিলা ফুটবল দলকে বাংলাদেশে
আনতে তার সহায়তা কামনা করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা এখন বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে বাকুতে চার দিনের এক সরকারি সফরে রয়েছেন।
গতকাল
সোমবার (১১ নভেম্বর) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের
একটি ফ্লাইটে প্রধান উপদেষ্টা বাকুতে পৌঁছান।
তিনি
কপ২৯-এর বিভিন্ন অধিবেশনে যোগ দেবেন এবং বিভিন্ন সাইডলাইন ইভেন্টে বক্তব্য রাখবেন।
মন্তব্য করুন


১৬
ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
বীর
শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সময় সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে
পুষ্পস্তবক অপর্ণ করেন রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা। প্রথমে সকাল ৬টা ৩৩ মিনিটে
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এর কিছুক্ষণ পর সকাল ৬টা ৫৬
মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ইউনূস।
রাষ্ট্রপতি
এবং প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। শহীদদের প্রতি
শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার প্রদান করে সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল। এরপর মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নেতৃত্বে উপস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা
ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
বাংলাদেশে
অবস্থিত বিদেশি কূটনীতিক এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণ পুষ্পস্তবক
অর্পণ করে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
দিবসটি
উপলক্ষে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ
দূতাবাস ও মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনায় আলোকসজ্জা করা
হয়েছে। ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলো জাতীয় পতাকাসহ ব্যানার,
ফেস্টুন এবং রঙিন পতাকা দিয়ে সাজানো হয়েছে।
মহান
বিজয় দিবস দেশব্যাপী জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে সর্বোচ্চসংখ্যক জাতীয়
পতাকা নিয়ে প্যারাশুটিং করে বিশ্ব রেকর্ড গড়া হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী,
নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে শহরের তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে
পৃথকভাবে ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শন করবে। সেখানে একটি বিশেষ বিজয় দিবস ব্যান্ড শো আয়োজন
করা হবে।
‘টিম বাংলাদেশ’-এর
৫৪ জন প্যারাট্রুপার দেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর উপলক্ষে সকাল ১১টা ৪০ মিনিট থেকে পতাকাবাহী
স্কাইডাইভ প্রদর্শন করবে। যা বিশ্বের সর্ববৃহৎ পতাকা-প্যারাশুটিং প্রদর্শনী হবে, যা
একটি নতুন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড স্থাপন করবে। এ ছাড়া, দেশের অন্যান্য শহরেও সশস্ত্র
বাহিনী দ্বারা একই রকম ফ্লাই-পাস্ট প্রদর্শনী পরিচালিত হবে। এর পাশাপাশি, পুলিশ, বিজিবি
এবং আনসার বাহিনী দেশব্যাপী ব্যান্ড শো আয়োজন করবে। সমস্ত অনুষ্ঠান জনসাধারণের জন্য
উন্মুক্ত থাকবে।
বিজয়
দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দেশের সব জেলা ও উপজেলায় তিন দিনব্যাপী
বিজয় মেলার আয়োজন করবে।
জেলা
ও উপজেলা প্রশাসন শিশুদের জন্য মুক্তিযুদ্ধের ওপর আবৃত্তি, প্রবন্ধ রচনা এবং চিত্রাঙ্কন
প্রতিযোগিতা এবং দিবসটি উদ্যাপনের জন্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
সকাল
৯টায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ, জাতীয়
পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন করা হবে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিকেল ৩টায় আ্যক্রোবেটিক শো ও সন্ধ্যা ৬টায় যাত্রাপালা ‘জেনারেল
ওসমানী’ অনুষ্ঠিত হবে।
১৬
ডিসেম্বর বিকেল ৩টা থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরিবেশিত হবে বিজয় দিবসের গান। পাশাপাশি
সারাদেশের ৬৪ জেলায় একযোগে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশন করবেন নতুন প্রজন্মের
শিল্পীরা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি,
বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের
চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের
আয়োজন করবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ বিভিন্ন
কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে জেলা উপজেলা পর্যায়ে সুবিধাজনক সময়ে স্কুল,
কলেজ, মাদরাসা ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া অনুষ্ঠান,
ফুটবল ম্যাচ, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, কাবাডি ও হাডুডু প্রভৃতি খেলার আয়োজন
করা হবে।
রাষ্ট্রপতি
কর্তৃক বঙ্গভবনে অপরাহ্নে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এছাড়া,
মহানগর, জেলা ও উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
হবে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ এ উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করবে। দেশের সব হাসপাতাল,
জেলখানা, বৃদ্ধাশ্রম, এতিমখানা, পথশিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র,
ডে-কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং শিশু পরিবার ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রীতিভোজের
আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বেতার ও টিভি
চ্যানেলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসভিত্তিক অনুষ্ঠানমালা
প্রচার করা হবে। দেশের সব শিশু পার্ক ও জাদুঘর বিনা টিকিটে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত
রাখা হবে এবং ঢাকাসহ সারা দেশের সিনেমা হলগুলোতে বিনামূল্যে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক
চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এ ছাড়া, সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত চট্টগ্রাম, খুলনা,
মংলা ও পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, পাগলা ও বরিশালসহ বিআইডব্লিউটিসি’র
ঘাটে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ড একক ও যৌথভাবে জনসাধারণের দেখার জন্য
জাহাজ উন্মুক্ত রাখবে।
শহীদ
মুক্তিযোদ্ধাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের
সুস্বাস্থ্য কামনা এবং দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে সারাদেশে মসজিদ, মন্দির, গির্জা,
প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের
জুনের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি
ইলেকশনস (এএনএফআরইএল)-কে আশ্বস্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার
ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এএনএফআরইএল এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এই নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা
এবং দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক মাইলফলক।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদলে ছিলেন নির্বাহী পরিচালক ব্রিজা রোসালেস, বাংলাদেশ নির্বাচন ও গণতন্ত্র
কর্মসূচির পরামর্শক মে বুটয়, প্রচারাভিযান ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের সিনিয়র প্রোগ্রাম
কর্মকর্তা থারিন্ডু অ্যাবেইরাথনা, প্রোগ্রাম অফিসার আয়ান রহমান খান এবং প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট
আফসানা আমেই।
প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা জানান।
এএনএফআরইএল
হলো নাগরিক সমাজের একটি আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক যা এশিয়ায় গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থার
উন্নয়নে নিবেদিত, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, গণতান্ত্রিক সংস্কার
এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠকে,
এএনএফআরইএল প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ বিশেষ করে নাগরিক সমাজের-নেতৃত্বাধীন
স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কাঠামো পুনর্গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
প্রতিনিধিদলটি
অংশীজন ম্যাপিং এবং চাহিদা নিরূপণের মাধ্যমে নাগরিক সমাজের সম্পৃক্ততা জোরদার এবং নির্বাচনী
স্বচ্ছতা বৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করার বিষয়েও আলোচনা করে।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ এবং বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে
চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
মন্তব্য করুন


সাভারের
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ব্যাপক
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আইন-শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি গণপূর্ত অধিদফতরের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ।
ঢাকা-আরিচা
মহাসড়কের সাভারের আমিনবাজার থেকে নবীনগরের স্মৃতিসৌধ এলাকা পর্যন্ত বিভিন্ন ব্যানার
ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে পুরো এলাকা।
তারেক
রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে।
কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার পাশাপাশি স্মৃতিসৌধের মূল ফটক বন্ধ করে জনসাধারণের
প্রবেশে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলোকুর রহমান বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে
ছাত্রদল প্রস্তুত। আমরা এখন নেতার আগমনের অপেক্ষায় রয়েছি।
সাভার
পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ মাইনুল হোসেন বিল্টু জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে
স্বাগত জানাতে নেতা-কর্মীরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ব্যাপক জনসমাগমের
প্রস্তুতি নিয়েছেন।
জাতীয়
স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই
পুরো স্মৃতিসৌধ এলাকা ঝেড়ে-মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে।
ঢাকা
জেলার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান জানান, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ঢাকা জেলা পুলিশের
পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহস্রাধিক
সদস্যের সমন্বয়ে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকা নিরাপত্তার
আওতায় রাখা হয়েছে।
এদিকে
সকাল থেকেই শীত উপেক্ষা করে সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকার ধামরাই থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের
স্মৃতিসৌধ এলাকায় জড়ো হতে দেখা গেছে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
মন্তব্য করুন


ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায় যোগ দিতে
রাজশাহীতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটের
দিকে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।
তবে বিমান থেকে নামার সময় তারেক রহমান নিজেই লাগেজ
নিয়ে নেমেছেন। এমন একটি ছবি কালবেলার ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে প্রত্যাবর্তন করে তারেক রহমান
ইতোমধ্যেই বেশকিছু ব্যতিক্রমী কর্মকাণ্ড করেছেন। যার জন্য তিনি প্রশংসায় ভাসছেন। মানবিক
এই নেতা এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাজধানীর মহাখালীতে কড়াইলবাসীর আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শুরুর আগে এক হুজুর মঞ্চের সামনে
এগিয়ে এলে বসার জন্য চেয়ার প্রয়োজন হয়। তখন তারেক রহমান নিজের ব্যবহৃত চেয়ারটি এগিয়ে
দেন।
ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা
নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। শুধু তাই নয়, তারেক রহমান দেশে ফেরার পর বেশ কয়েকজন নেতা
তাকে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করতে গেলে তিনি সেটি করতে দেননি। এমন নানা প্রশংসিত কাজ করে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশব্যাপী ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন। আর আজ রাজশাহী
বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামার সময় নিজের লাগেজ নিজে বহন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন
তিনি।
দুপুর ২টায় রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী
সমাবেশে উপস্থিত হন। এই জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও
নাটোরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন।
এরপর বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে নির্বাচনী
জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জনসভায় জয়পুরহাটের নেতাকর্মীরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি সড়কপথে
নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশে যাত্রা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান বগুড়ায়
আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাত সাড়ে ৮টায় রাতযাপনের
উদ্দেশে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে চলে যাবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা
ময়দানে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই
রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন
এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান
ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা
থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের
স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড়
বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়। বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের
সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ,
উঁচু দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ-
সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের
সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন
উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন