

মেক্সিকোর সিনালোয়া রাজ্যে মাদক কারবারিরা
নিজেদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়েছে। আর চলমান এ সংঘর্ষে কমপক্ষে নিহত হয়েছেন ১৯২
জন।
স্থানীয় সময় বুধবার (৯ অক্টোবর) সিনালোয়া
স্টেট পাবলিক সিকিউরিটি কাউন্সিল এ তথ্য জানিয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে প্রকাশ করে আনাদোলু
নিউজ এজেন্সি।
তুরস্কভিত্তিক সংবাদ সংস্থাটি জানিয়েছে,
সেপ্টেম্বরের ৯ তারিখ থেকে সংঘর্ষ চলছে, এতে প্রায় ২০০টি খুন এবং ২২৬টি নিখোঁজ ঘটনার
প্রতিবেদন পাওয়া গেছে। এছাড়াও সংঘর্ষে প্রায় ২০০ পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে,
১৮০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন।
সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে রাজ্যে গত
সপ্তাহে ৫৯০ জন ন্যাশনাল গার্ড সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিনালোয়ার
গভর্নর রুবেন রোচা ময়া।
তিনি বলেন, ‘ন্যাশনাল গার্ড, এয়ার
ফোর্স, নেভি এবং স্টেট পুলিশ একসঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যারা আমাদের সহিংসতা থামাতে
সাহায্য করছে। তবে দুর্ভাগ্যবশত, আমরা এখনও বলতে পারছি না যে, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে
এসেছে। আমরা আশা করছি তারা আমাদের সাহায্য করবে।
সম্প্রতি, সিনালোয়া কার্টেলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং কুখ্যাত
মাদক সম্রাট ইসমাইল ‘এল মায়ো’ জাম্বাদা গ্রেফতার হন। এর পর থেকে এ সংঘর্ষ বাধে, যা
এখনও চলমান। ৭০ বছর বয়সী জাম্বাদাকে মার্কিন কর্তৃপক্ষ এল পাসো, টেক্সাসে হেফাজতে
নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দ্য চ্যাপিটোস নামক কার্টেলের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তি এল চ্যাপোর
ছেলে এবং উত্তরাধিকারীরা দখল শুরু করে এবং আগুন জ্বালায়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে ১০ থেকে ১২ হাজার চীনা নাগরিক অবস্থান করছেন। তাদের অনেকে অবৈধভাবে বসবাস করছেন।
চীনে পড়তে গিয়ে প্রতারক চক্রের খপ্পর পড়ে প্রতারণায় জড়ানো তিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তারের পর এমন তথ্য জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাকিবুল ইসলাম রাতুল (২৪), আসাদুজ্জামান রাজু (২৯) ও মামুন হাওলাদার (২৭)।
দেশে অবস্থান করা এই চাইনিজরা পেতেছেন বিভিন্ন প্রতারণার ফাঁদ। বাংলাদেশি যেসব শিক্ষার্থীরা চীনে পড়তে যান, তাদের নিয়ে প্রতারণার এই চক্র গড়ে তুলছেন সেই সব চীনা নাগরিকরা। তারা বিভিন্ন অ্যাপস খুলে, জুয়ার সাইট চালিয়ে এবং অনলাইনে মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের লোভে ফেলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
শুক্রবার (১৫ মার্চ) বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান তাদের গ্রেপ্তার করে ডিবি সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম।
ডিবি জানায়, ভুয়া সাইট খুলে কোটি কোটি টাকা নেওয়া চক্রের দুই চাইনিজ নাগরিকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেটির তদন্ত করতে গিয়ে নতুন করে এই চক্রের সন্ধান মেলে। গ্রেপ্তার তিনজন জানিয়েছেন অনলাইনে মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের লোভে ফেলে অ্যাপ খুলে জুয়ার সাইট চালিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া চক্রে জড়িয়েছিলেন তারা।
শনিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বাংলাদেশ থেকে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যায়। তার মধ্যে বৃহৎ অংশ চীনে মেডিকেল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য যায়। তাদের একটা বড় অংশ চাইনিজ ভাষায় পারদর্শী হয়ে উঠে এবং চাইনিজ বিভিন্ন প্রতারক চক্রের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। আর এ চক্রের মূলহোতা হচ্ছে চীনা নাগরিকরা। তারা ভালো বাংলা বা ইংরেজি বলতে পারেন না। তখন চীনে পড়তে চাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের টার্গেট করেন। তারা চাইনিজ ভাষায় পারদর্শী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিভিন্ন প্রতারণার কাজটি করে আসছেন।
তিনি বলেন, অনলাইনে মাল্টিলেভেল মার্কেটিংয়ের লোভে ফেলে, অ্যাপ ও জুয়ার সাইট খুলে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন চীনা নাগরিকরা। কারণ প্রত্যেকটি প্রতারণার সাইটের অ্যাডমিন চীনে।
চক্রটি চীনেও এসব প্রতারণায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাজে লাগায়। আবার কিছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে প্রতারণা শিখিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়। এরপর সেসব শিক্ষার্থীরা বেনামি সিম সংগ্রহ করে বিকাশ নগদসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে নেয়।
এ প্রতারণার মূল পরিকল্পনাকারী দুই চাইনিজ গাগা ও চিং চং (Gaga, Chig Chog)। তারা প্রতারণার জন্য চীনে একটি সার্ভার স্থাপন করেছেন। আর সেসব প্রতারণার টাকা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে তাদের দেশে নিয়ে যাচ্ছে।
গ্রেপ্তার তিন শিক্ষার্থীর বিষয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, গ্রেপ্তার রাতুল, রাজু, মামুন বাংলাদেশ থেকে পড়ালেখার জন্য চীনে গিয়ে চাইনিজ ভাষা শিখে প্রতারক চক্রের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে চীনারা তাদের বলে যে তারা কিছু অ্যাপস তৈরি করেছেন। অ্যাপস ব্যবহার করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। তাদের সেই কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি সিম, বিকাশ/নগদ অ্যাকাউন্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের প্রয়োজন। স্বল্প সময়ে অধিক উপার্জনের আশায় এই প্রতারণায় যুক্ত হয়ে চীনা নাগরিকদের বাংলাদেশি সিম বিকাশ/নগদ অ্যাকাউন্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সরবরাহ করে।
প্রতারণার প্রক্রিয়া সম্পর্কে হারুন বলেন, রাতুল, রাজু, মামুন অনলাইনে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং, অনলাইন ফিনান্সিং, বেটি সাইট, সি-ফাইন্যান্স, লোন অ্যাপস, হানি ট্র্যাপে সরাসরি জড়িত। গ্রেপ্তারকৃতরা চাইনিজ প্রতারক চক্রের হয়ে বাংলাদেশি এজেন্ট হিসাবে কাজ করে আসছিল। চক্রটি মানুষকে অনলাইনে টাকা উপার্জনের কিংবা পার্টটাইম চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়।
মন্তব্য করুন


গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল)
দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ইন্টারনেট সেবা
পেতে বিঘ্নতা পোহাতে হচ্ছে জনসাধারণকে ।
বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও
কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। ফলে গ্রাহকরা ইন্টারনেট সেবার ধীরগতির অভিযোগ করছেন।
দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের
(সিমিউই-৫) সংযোগ সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশের মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সঠিকভাবে
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন না যা আগামী দুই তিন দিনের আগে ঠিক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা
নেই ।
ইন্টারনেটের সেবা পেতে বিঘ্নতার
কারণ নিয়ে জানা গেছে, সিঙ্গাপুরে ফাইবার ক্যাবল কাঁটা পড়ায় দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন
ক্যাবল সিমিউই-৫ দিয়ে ১৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যান্ডউইথ সরবরাহ
স্বাভাবিক হতে দুই-তিন দিন লাগবে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন
ক্যাবল কোম্পানির এমডি মির্জা কামাল আহমেদ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সমস্যা মোকাবিলায়
সিমিউই-৪ সাবমেরিন কেবল দিয়ে বিকল্পভাবে ব্যান্ডউইথ সরবরাহের চেষ্টা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাপানে চারদিনের সরকারি সফর শেষে আজ সকালে টোকিও
ছেড়েছেন।
প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় আজ সকাল ১১টা ২০ মিনিটে সিঙ্গাপুর
হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। সফরকালে প্রধান
উপদেষ্টা টোকিওতে প্রায় ২০টি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে একটি ছিল জাপানের
প্রধানমন্ত্রী ইশিবার সঙ্গে বৈঠক। প্রধান উপদেষ্টা আজ রাত ১০টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সফরের
তৃতীয় দিনে গতকাল শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইশিবার
সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
বৈঠকে,
দুই নেতা চলতি বছরের মধ্যে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যেকার অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি
(ইপিএ) স্বাক্ষরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন, যার মাধ্যমে দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে।
জাপানি
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে বাজেট সহায়তা ও রেলপথ উন্নয়নের জন্য ১.০৬৩ বিলিয়ন মার্কিন
ডলারের ঋণের প্রতিশ্রুতি দেন।
পরে, ওই দিন তিনটি চুক্তিপত্র বিনিময় হয়। এগুলো হলো- অর্থনৈতিক সংস্কার ও জলবায়ু পরিবর্তনের সহনশীলতা শক্তিশালীকরণে ডেভেলপমেন্ট পলিসি ঋণ (৪১৮ মিলিয়ন ডলার), জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়েল-গেজ ডাবল লেন রেলপথ প্রকল্পের জন্য ঋণ (৬৪১ মিলিয়ন ডলার), এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন বৃত্তির জন্য অনুদান (৪.২ মিলিয়ন ডলার)।
একই
দিন, প্রধান উপদেষ্টা ‘বাংলাদেশ বিজনেস সেমিনার’-এ
বক্তৃতা দেন, যেখানে দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক, বিনিয়োগ ও অন্যান্য সহযোগিতার ক্ষেত্রে
ছয়টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়।
এর
আগে বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ ও জাপান দুইটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে, যার উদ্দেশ্য
বাংলাদেশের কর্মশক্তির দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জাপানে তাদের কর্মসংস্থান সহজতর করা, কারণ
জাপানে শ্রমিক সংকট বিদ্যমান।
এই
চুক্তিগুলো টোকিওর হিরাকাওচো চিয়োদা সিটিতে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত মানবসম্পদ সেমিনারে
স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
অনুষ্ঠানে
জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ১ লাখ কর্মী নিয়োগের
পরিকল্পনার কথা জানান, যা দেশটির ক্রমবর্ধমান শ্রম সংকট মোকাবেলায় সহায়ক হবে।
একই
দিন প্রধান উপদেষ্টা ৩০তম নিক্কেই ফোরাম: ফিউচার অব এশিয়া-তে মূল বক্তা হিসেবে বক্তব্য
রাখেন।
নিক্কেই
ফোরামের পাশাপাশি, অধ্যাপক ইউনূস মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মাদের
সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশকে আসিয়ানের সদস্যপদ পেতে সমর্থনের আহ্বান জানান।
এদিকে,
গতকাল শুক্রবার সোকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক ইউনূসকে সামাজিক উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক উন্নয়নে
অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।
মন্তব্য করুন


বাস্তব জীবনের
কিছু গল্প অনেক সময় কল্পনাকেও হার মানায়। তেমনই এক হৃদয়স্পর্শী ঘটনার সাক্ষী হলো দক্ষিণ
কোরিয়ার আনসানের খুদেপিয়ংওয়ান হাসপাতাল। দীর্ঘ দিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে
লড়াই করা কোরীয় নাগরিক চংওয়াং জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
মুফতি ফয়জুল্লাহ
আমানের হাতে এ পর্যন্ত ৮০ জনের মতো ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
গত সোমবার
(১২ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশি আলেম মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে কালিমা পড়ে তিনি ইসলামের
সুশীতল ছায়ায় আশ্রয় নেন।
এক পাক্ষিক
প্রেমের অবিস্মরণীয় গল্প চংওয়াংয়ের জীবনের এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন তার স্ত্রী
লাইলা। বাংলাদেশের সোনারগাঁয়ের মেয়ে লাইলার সঙ্গে প্রায় ১৪–১৫ বছর আগে ঘর বাঁধেন চংওয়াং।
বিয়ের সময় নামমাত্র শাহাদা পড়লেও চংওয়াং ধর্মীয় জীবনে অভ্যস্ত ছিলেন না। তবে স্বামীর
এই কঠিন অসুস্থতার সময়েও বাংলাদেশি বধূদের চিরচেনা ধৈর্য ও মায়ার প্রতিচ্ছবি হয়ে নিঃশব্দে
সেবা দিয়ে যাচ্ছেন লাইলা। তার অনুরোধেই চংওয়াং জীবনের এই সায়াহ্নে এসে তওবা করে নতুন
করে কালিমা পড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
হাসপাতালের
সেই আবেগঘন মুহূর্ত কোরিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি যুবক ইমনের মাধ্যমে খবর পেয়ে মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান হাসপাতালে যান। তিনি জানান, চংওয়াং এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছেন। ডাক্তাররা
প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছেন। সেই বিছানায় শুয়েই তিনি কালিমা পড়ে নতুন জীবনের দীক্ষা নেন।
মুফতি
ফয়জুল্লাহ আমান বলেন, মৃত্যু কোনো বিলয় নয়, এটি এক রূপান্তর। মানুষ বিলুপ্ত হয় না;
কেবল এক ঘর থেকে অন্য ঘরে স্থানান্তরিত হয়। যদি এই জীবনে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক
সুন্দর হয়, তবে পরের জীবনটি আরও শক্তিশালী ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।
শতজনের
পথপ্রদর্শক মুফতি ফয়জুল্লাহ আমানের হাতে এ পর্যন্ত কতজন ইসলাম গ্রহণ করেছেন জানতে
চাইলে তিনি সময় সংবাদকে জানান, এই সংখ্যা প্রায় ৮০ ছাড়িয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। তিনি চংওয়াংয়ের
জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন। তিনি বলেন, আল্লাহ চরম অসুস্থ ব্যক্তিকেও সুস্থ করতে
পারেন। আর যদি হায়াত না থাকে, তবে যেন ঈমানের সঙ্গে তার মৃত্যু নসিব হয়।
বর্তমানে
চংওয়াং আনসানের ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এক কোরীয় নাগরিকের
এমন ঈমানি রূপান্তর কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
মন্তব্য করুন


৮৫
বছর বয়সে চলে গেলেন আর্জেন্টিনাকে ১৯৭৮ সালে প্রথম বিশ্বকাপ শিরোপা জেতানো
ক্যারিশম্যাটিক কোচ সেজার লুইস মেনোত্তি।
এক্স
হ্যান্ডেলে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানিয়ে এএফএ লিখেছে, আর্জেন্টিনা
ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার
বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!
স্থানীয়
গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে,
মেনোত্তিকে মার্চ মাসে গুরুতর রক্তাস্বল্পতা নিয়ে একটি
ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছিল। তিনি এপ্রিল মাসে ফ্লেবিটিসের জন্য অস্ত্রোপচার
করেছিলেন এবং পরে দেশে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। আর্জেন্টিনার ফুটবলে তাকে সবচেয়ে
প্রভাবশালী কোচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মেনোত্তি
একজন রাজনৈতিক কর্মী এবং আর্জেন্টিনার কমিউনিস্ট পার্টির সহযোগী সদস্য হবার
পাশাপাশি বক্সিং অনুরাগী ছিলেন। তিনি রোজারিও সেন্ট্রাল (১৯৬০-৬৩ এবং ১৯৬৭) এর
একজন তরুণ খেলোয়াড় হিসাবে তার ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন, তারপরে রেসিং
ক্লাব (১৯৬৪) এবং বোকা জুনিয়র্স (১৯৬৫-১৯৬৬)সহ একাধিক ক্লাবের হয়ে খেলেন।
মেনোত্তি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্ক জেনারেলদের হয়ে খেলেছেন (১৯৬৭), তারপরে ব্রাজিলের
সান্তোস (১৯৬৮) এবং ইতালির জুভেন্টাসের (১৯৬৯-১৯৭০) হয়েও তাকে খেলতে দেখা গেছে।
মেনোত্তি
১৯৭৪ থেকে ১৯৮৩ সালের মধ্যে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বিশ্বকাপের
প্রাক্কালে, মেনোত্তি
১৭ বছর বয়সী ম্যারাডোনাকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়েছিলেন-যে সিদ্ধান্তের জন্য
উভয়ের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি নয়। পরবর্তীতে মেনোত্তি ১৯৯১-৯২ সালে মেক্সিকো
জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। তিনি বার্সেলোনাকেও নেতৃত্ব দেন, যেখানে তার
স্কোয়াডে ম্যারাডোনা ছিলেন। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, উরুগুয়ের পেনারোল,
ইতালির সাম্পডোরিয়া এবং মেক্সিকোর টেকোসে ছিল তার শেষ কোচিং জীবন। মেনোত্তি
সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। কিন্তু ২০১১ সালে তার তামাক আসক্তির কারণে তিন দিনের জন্য
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে তিনি এই অভ্যাস ছেড়ে দেন।
মেনোত্তি একজায়গায় রসিকতা করে বলেছিলেন, আমাকে না
হারানো পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না। মেনোত্তির হাত ধরেই সহিংসতাপূর্ণ খেলার
কুখ্যাতি থেকে সরে এসে রোমান্টিক ধাঁচের ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জিতেছে
আর্জেন্টিনা।
মেনোত্তির
মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের
অধিনায়ক লিওনেল মেসি লিখেছেন,
আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং
প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।
মন্তব্য করুন


যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলে ১৭১৫ সালে ডুবে যাওয়া এক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে হাজারেরও বেশি রৌপ্যমুদ্রা এবং পাঁচটি স্বর্ণমুদ্রা পাওয়া গেছে। এসব মুদ্রার আনুমানিক বাজারমূল্য এক মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ১২ কোটি ১৭ লাখ টাকা।
গত শুক্রবার (৩ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ উর্দু। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লোরিডার উপকূলে জাহাজডুবির স্পট থেকে এসব মুদ্রা উদ্ধার করেছে ১৭১৫ ফ্লিট-কুইন্স জুয়েলস এলএলসি নামের এক জাহাজ উদ্ধারকারী প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই ধনভাণ্ডার মূলত অনেক বড় একটি ভাণ্ডারের অংশ। তাদের দাবি, ১৭১৫ সালের জুলাই মাসে জাহাজটি সোনা, রূপা ও মূল্যবান রত্নপাথর নিয়ে স্পেনে ফিরছিল। কিন্তু ভয়াবহ ঝড়ের কারণে পুরো নৌবহর সমুদ্রে ডুবে যায়। সেই সময় থেকে এই জাহাজের ধ্বংসাবশেষ এবং সোনার মুদ্রাগুলো সমুদ্রের তলদেশে লুকিয়ে ছিল।
গত কয়েক দশকে এই ‘১৭১৫ ট্রেজার ফ্লি ‘ নামে পরিচিত জাহাজবহরের বিভিন্ন অংশ থেকে ধাপে ধাপে কিছু মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে। এবার উদ্ধার হওয়া মুদ্রাগুলোর মধ্যে কিছুতে দেখা যাচ্ছে সঠিক উৎপাদনের তারিখ এবং ট্যাক্সালের নাম, যা ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বহন করছে।
প্রতিষ্ঠার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযান চালানোর জন্য বিশেষ মেটাল ডিটেক্টর এবং পানির নিচে কার্যকর ডাইভিং যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন ডিরেক্টর স্যাল গুটুসো এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই আবিষ্কার কেবল ধনসম্পদ নয়, এর সঙ্গে জড়িত ইতিহাসও। প্রতিটি মুদ্রা ইতিহাসের অংশ। স্প্যানিশ সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগের কথা তুলে ধরে এগুলো। সে সময় যারা বেঁচে ছিলেন, কাজ করেছেন এবং সাগর পাড়ি দিয়েছেন, তাদের সঙ্গে আমাদের সংযোগ তৈরি করে এগুলো। একসঙ্গে ১ হাজার মুদ্রা পাওয়া বিরল এবং একই সঙ্গে বিস্ময়কর।’
ফ্লোরিডা রাজ্যের আইন অনুসারে, সরকারি মালিকানাধীন জলসীমা থেকে উদ্ধার হওয়া ধনসম্পদ রাজ্যের সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হয়। তবে অনুমতি নিয়ে অনুসন্ধান করলে সেই সম্পদের ২০ শতাংশ রাজ্যকে দিতে হয়। বাকি অংশ ভাগ হয়ে যায় কোম্পানি এবং তাদের সাব-কন্ট্রাক্টরদের মধ্যে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, উদ্ধার করা মুদ্রাগুলো জনসমক্ষে প্রদর্শনের আগে সতর্কতার সঙ্গে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। স্থানীয় জাদুঘরগুলোতে বাছাই করা কিছু মুদ্রা প্রদর্শনের পরিকল্পনা চলছে, যাতে ফ্লোরিডাবাসী এবং পর্যটকরা সরাসরি দেখতে পারেন ফ্লোরিডার সামুদ্রিক অতীতের এই ধনভাণ্ডার।
মন্তব্য করুন


সৌদি কর্তৃপক্ষ এক সপ্তাহে ১৯ হাজার ৫০ জনকে আবাসন, কাজ ও সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেফতার করেছে। শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)।
একটি সরকারি প্রতিবেদন অনুসারে, মোট ১১ হাজার ৯৮৭ জনকে আবাসিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে গ্রেফতার করা হয়। অন অবৈধ সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টার দায়ে আরও ৪ হাজার ৩৬৭ জন এবং শ্রম সম্পর্কিত সমস্যার জন্য আরো ২ হাজার ৬৯৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের চেষ্টার জন্য গ্রেপ্তার হওয়া এক হাজার ১১ জনের মধ্যে ৬১ শতাংশ ইথিওপীয়, ৩৬ শতাংশ ইয়েমেনি এবং ৩ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
এ ছাড়া আরো ২৪ জন প্রতিবেশী দেশগুলোতে পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে ধরা পড়েছে এবং ১৮ জনকে আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য আটক করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানান, পরিবহন, আশ্রয় প্রদানসহ দেশে অবৈধ প্রবেশের চেষ্টা করা কাউকে সুবিধা দিলে তাকে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, এক মিলিয়ন সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা এবং সেই সঙ্গে যানবাহন ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে।
সূত্র : আরব নিউজ
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে এমন তথ্য জানিয়ে বলা হয় যে, তাজুল ইসলাম ছাড়াও ট্রাইব্যুনালে আরও চার আইনজীবীকে প্রসিকিউটর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন- মিজানুল ইসলাম, গাজী মোনাওয়ার হোসাইন তামিম, বিএম সুলতান মাহমুদ, আব্দুল্লাহ আল নোমান।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয় যে, অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমর্যাদা ভোগ করবেন।
এতে
পরিশেষে আরো বলা হয়, এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
মন্তব্য করুন


আজ রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। ‘বহুভাষায় শিক্ষার প্রসার: পারস্পরিক বোঝাপড়া ও শান্তির জন্য সাক্ষরতা’এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পালিত হচ্ছে এ বছরের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস।
দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে আনুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘শিক্ষা মানুষের অন্যতম মৌলিক অধিকার। জাতি গঠনের প্রধান হাতিয়ার।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উদ্যাপনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের জনগণকে শিক্ষা ও সাক্ষরতার বিষয়ে সচেতন ও উৎসাহী করে তোলা এবং তাদের মানবসম্পদে রূপান্তর করা। মাতৃভাষায় সাক্ষরতা অর্জনের পাশাপাশি এক বা একাধিক ভাষা শেখার সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে শিশু, কিশোর ও তরুণদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হবে। ব্যক্তিগত জীবনমান, জাতীয় উন্নয়ন ও শান্তি ত্বরান্বিত করতে আমাদের যোগাযোগ দক্ষতা বাড়াতে হবে। এ বছরের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য সেই লক্ষ্যই তুলে ধরছে। শিক্ষা জাতি গঠনের প্রধান বাহন এবং শিক্ষার প্রথম ধাপ হলো সাক্ষরতা।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাসাক্ষরতার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট থাকতে বলেন।তিক সাক্ষরতা দিবসে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে
এবারের সাক্ষরতা দিবসে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমি জেনে আনন্দিত যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৪ উদ্যাপন করছে।
বিশ্বব্যাপী ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস (আইএলডি) উদ্যাপন করা হচ্ছে ১৯৬৭ সাল থেকে।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের
জুনের মধ্যে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি
ইলেকশনস (এএনএফআরইএল)-কে আশ্বস্ত করেছেন।
বৃহস্পতিবার
ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এএনএফআরইএল এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে, এই নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সেরা
এবং দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক মাইলফলক।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদলে ছিলেন নির্বাহী পরিচালক ব্রিজা রোসালেস, বাংলাদেশ নির্বাচন ও গণতন্ত্র
কর্মসূচির পরামর্শক মে বুটয়, প্রচারাভিযান ও অ্যাডভোকেসি বিভাগের সিনিয়র প্রোগ্রাম
কর্মকর্তা থারিন্ডু অ্যাবেইরাথনা, প্রোগ্রাম অফিসার আয়ান রহমান খান এবং প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট
আফসানা আমেই।
প্রধান
উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা জানান।
এএনএফআরইএল
হলো নাগরিক সমাজের একটি আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক যা এশিয়ায় গণতান্ত্রিক নির্বাচনী ব্যবস্থার
উন্নয়নে নিবেদিত, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, গণতান্ত্রিক সংস্কার
এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা বাড়াতে সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
বৈঠকে,
এএনএফআরইএল প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ বিশেষ করে নাগরিক সমাজের-নেতৃত্বাধীন
স্বাধীন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কাঠামো পুনর্গঠনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
প্রতিনিধিদলটি
অংশীজন ম্যাপিং এবং চাহিদা নিরূপণের মাধ্যমে নাগরিক সমাজের সম্পৃক্ততা জোরদার এবং নির্বাচনী
স্বচ্ছতা বৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করার বিষয়েও আলোচনা করে।
এএনএফআরইএল
প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ এবং বাংলাদেশে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে
চলমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।
মন্তব্য করুন