

মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব
প্রতিবেদক:
আজ
বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনার সাক্ষী
হয় পথচারীরা। চট্টগ্রামমুখী একটি যাত্রীবাহী বাস হঠাৎ করেই রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে
পড়ে—কোনো নির্ধারিত স্টপেজ
কিংবা সংকেত ছাড়াই।
বাসটির
দরজার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে দ্রুত বাস থেকে নামতে শুরু করেন। অনেকে
প্রাণ ভয়ে ডিভাইডারের ওপর লাফিয়ে উঠেন। একজন যুবক নিরাপদে পার হলেও তার ঠিক পেছনে থাকা
দুই মাদ্রাসাছাত্র ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান রাস্তায়।
ঠিক
তখনই সামনে দিয়ে ঝড়ের গতিতে ছুটে আসে একটি মোটরসাইকেল। মুহূর্তের মধ্যে সবাই শ্বাসরুদ্ধ
হয়ে চেয়ে থাকেন সেই ভয়ংকর দৃশ্যের দিকে।
তবে
সৌভাগ্যক্রমে, মারাত্মক দুর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হন মোটরসাইকেল চালক এবং রক্ষা পান ওই
দুই ছাত্রও।
স্থানীয়রা
জানান, সেই মুহূর্তে পুরো এলাকা থমকে গিয়েছিল। আতঙ্ক আর বিস্ময়ে অনেক পথচারীর মুখ ফ্যাকাশে
হয়ে যায়। এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, "মনে হচ্ছিল, সবাই যেন মৃত্যুর খুব কাছ থেকে
ফিরে এল।"
ঘটনাটি
যানবাহনের নিয়ম না মানা এবং শহরের গুরুত্বপূর্ণ রোডে অব্যবস্থাপনার একটি উদাহরণ বলে
মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। এ নিয়ে প্রশাসনের আরও কড়া নজরদারি দাবি করেছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবীতে
কুমিল্লায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP)এর বিক্ষোভ
মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আজ বুধবার বিকাল ৪ টায় কুমিল্লা
টাওন হল থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষ করে পূবালী চত্বরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
উক্ত বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, এনসিপির কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন, এসবি
জুয়েল,সৈয়দ আহসান টিটু, কাজী মো: জায়েদ, নাইম আলম, ইব্রাহিম খালেদ হাসান , নাছির উদ্দীন,মো
রাসেল ভূইয়া জিসান, আরিফুল ইসলাম বাশার,বুড়িচং উপজেলা প্রতিনিধি সাব্বির আহমেদ ব্রাহ্মনপাড়া
উপজেলা প্রতিনিধি মাসুদ আলম, নাঙ্গলকোট উপজেলা
প্রতিনিধি আরিফ হোসাইন, অধ্যক্ষ মো: জসিম উদ্দিন আছাদনগর আবদুল মতিন খসরু কলেজ, মো:
লুতফুর, তিতাস প্রতিনিধি অন্যনা,লতা সরকার , নজমা,মাসুমুল বারী কাওসার সহ বিভিন্ন উপজেলা
ও মহানগর জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্য বিরোধী
ছাএ আন্দোলনের সদস্যবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
দক্ষিণ ও উত্তরসহ দেশের ১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম স্বাক্ষরিত
এক প্রজ্ঞাপনে আজ (১৯ আগস্ট) এ কথা জানানো হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’ এর ধারা ১৩ক প্রয়োগ করে এসব সিটি
কর্পোরেশনের মেয়রদের স্ব স্ব পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা
হয়েছে।
যে
১২ সিটি কর্পোরেশনের মেয়রদের অপসারণ করা হয়েছে এগুলো হলো- ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর,
চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, রংপুর, গাজীপুর ও
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।
এ
ছাড়া অন্য এক প্রজ্ঞাপনে ১২টি সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ঢাকা উত্তর
ও ঢাকা দক্ষিণ এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে অতিরিক্ত সচিব ও সমমর্যাদার চার কর্মকর্তাকে
প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম,
খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনে বিভাগীয় কমিশনারদের
প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
‘স্থানীয়
সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ২৫ক-এর উপধারা (১) প্রয়োগ
করে পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রশাসকদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে
উল্লেখ করা হয়েছে।
এদের
মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব
ড. মো. শের আলীকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, স্থানীয় সরকার বিভাগের মহাপরিচালক
(অতিরিক্ত সচিব) মো. মাহমুদুল হাসানকে ঢাকা
উত্তর সিটি কর্পোরেশন, চট্টগ্রামের বিভাগীয়
কমিশনারকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, খুলনার বিভাগীয় কমিশনারকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন,
রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনে, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনারকে সিলেট
সিটি কর্পোরেশনে, বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে, স্থানীয়
সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম কামরুজ্জামানকে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন,
কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)কে
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন, রংপুরের বিভাগীয়
কমিশনারকে রংপুর সিটি কর্পোরেশন, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনারকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
এবং ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ
দেয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মী ও মাস্টাররোল স্টাফদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) সকালে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুসিকের ৮৩২ জন কর্মীর হাতে মোট ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি কর্মীদের হাতে ঈদ উপহারের অর্থ তুলে দেন এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নগর পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত কর্মীদের জন্য এই ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন। প্রত্যেক কর্মীকে ৫ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহার সময় নগরবাসীর স্বস্তি নিশ্চিত করতে কুরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কুসিক কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কথা থাকলেও কুসিক ৮ ঘণ্টার মধ্যেই সেই কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।
ইউসুফ মোল্লা টিপু নগরবাসীর প্রতিও সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিচ্ছন্ন নগরী গড়তে শুধু সিটি কর্পোরেশনের কর্মীদের একার প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়। নগরবাসীকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। নির্ধারিত স্থানে কুরবানির বর্জ্য রাখলে দ্রুত অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজ হবে।
ঈদ উপহার পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাও। পরিচ্ছন্ন কর্মী আবুল হাসান বলেন, অতীতে তারা এমন ঈদ উপহার পাননি। তবে বর্তমান প্রশাসক দায়িত্ব নেওয়ার পর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উপহার পেয়েছেন তারা। এজন্য প্রধানমন্ত্রী ও কুসিক প্রশাসকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। একই সঙ্গে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই কর্মী।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়া, নির্বাহী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন চিশতীসহ কুসিকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ছুরিসহ এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের বলদাখাল খিলাল ফ্যাক্টরীর সামনে থেকে মোটরসাইকেল গতিরোধ করে ছিনতাইকালে তাকে আটক করা হয়েছে।এ বিষয়ে দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নুরুল আফসার জানান, ৩/৪ জন ছিনতাইকারী দেশীয় অস্ত্রের মুখে ছিনতাই করার সময় মোটরসাইকেল চালকের আত্ম চিৎকারে টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এসময় এক ছিনতাইকারীকে আটক করা হয় এবং কয়েকজন পালিয়ে যায়।আটককৃত ছিনতাইকারী মোঃ আনন্দ (১৮) দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ সতানন্দী গ্রামের মোঃ আক্তার মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় দাউদকান্দি মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


রোহিঙ্গা
নাগরিকের ভুয়া পাসপোর্ট তৈরীতে সহায়তাকারী আরো ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৪ টি পাসপোর্টসহ
অন্যান্য কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়।
গত
১৬ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায় রুজুকৃত রোহিঙ্গা নাগরিকের পাসপোর্ট তৈরির
মামলা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত মুল আসামী রোহিঙ্গা নাগরিক মোঃ ইয়াছির(১৯) কে বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালতে সে তাকে সহায়তাকারী ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি
প্রদান করে। উক্ত জবানবন্দির সুত্র ধরে কুমিল্লা ডিবি ও কোতয়ালী থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে
অত্র মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬)কে সহ অত্র মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী
মোশারফ(৩৫) ও শরীফ(২৫) কে গ্রেফতার করা হয়। এজাহারনামীয় আসামী ফয়সাল মিয়া(২৬) কে রিমান্ডের আবেদনসহ বিজ্ঞ
আদালতে প্রেরণ করা হয়। আসামী মোশারফ(৩৫)কে কুমিল্লা কোতয়ালী থানাধীন নোয়াপাড়া এলাকা
হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান আল-মদিনা ট্যুর এ্যান্ড ট্রাভেলস হতে ৬ টি ভুয়া পাসপোর্ট
ও পাসপোর্ট জমার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
এ
সংক্রান্তে কোতয়ালী মডেল থানায় পাসপোর্ট আইনে আলাদা একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
ভুয়া পাসপোর্ট তৈরিতে সহায়তাকারী অপর আসামী কম্পিউটার অপারেটর শরীফ(২৫) কে মুরাদনগর
কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় নকিব ট্রাভেলস হতে গ্রেফতারকালে তার প্রতিষ্ঠান হতে ৮ টি ভুয়া
পাসপোর্ট ও কিছু পাসপোর্ট জমার কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে প্রতিষ্ঠানের মালিক
নাসির উল্ল্যাহ(২৮) কৌশলে পালিয়ে যায়। এ সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত ও পলাতক আসামীদ্বয়ের
বিরুদ্ধে মুরাদ নগর থানায় পাসপোর্ট আইনে অপর একটি মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলার মেঘনা থানাধীন মেঘনা নদীতে চাঁদা আদায়কালে চাঁদার নগদ টাকা, চাঁদা আদায়ের রশিদ
সহ ৩জন গ্রেফতার ।
কুমিল্লা
জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় এবং সহকারী
পুলিশ সুপার হোমনা সার্কেল, মীর মুহসীন মাসুদ রানার নেতৃত্বে পুলিশ পুরিদর্শক (তদন্ত)
মোহাঃ বিল্লাল হোসেন, মেঘনা থানা, কুমিল্লা সঙ্গীয় এসআই (নিঃ) হাক্কানী বিল্লাহ ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে গতকাল রাতে মেঘনা নদীতে চলাচলরত মালবাহী
ট্রলার থেকে চাঁদা আদায় কালে আসামী মহিউদ্দিন, মোঃ ইসমাইল হোসেন, ওমর ফারুক কে গ্রেফতার
করা হয়। তাদের নিকট হতে চাঁদা আদায়ের রশিদ ও আদায়কৃত চাঁদার নগদ ৪৩০০ টাকা উদ্ধার করা
হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামীরা হলো:
১।
মহিউদ্দিন (৪৫), পিতা-মৃত বাদশা মিয়া, ২। মোঃ ইসমাইল হোসেন (২২), পিতা-মোহাম্মদ আলী,
৩। ওমর ফারুক (৩৭), পিতা-মৃত আবুল কাশেম, সর্বসাং-রাধানগর, থানা-বাঞ্ছারামপুর, জেলা-ব্রাহ্মনবাড়ীয়া।
উক্ত
ঘটনা সংক্রান্তে মেঘনা থানার মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
২০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
গতকাল
(২৬ জানুয়ারী) রাতে কোতয়ালী মডেল থানায় কর্মরত এসআই(নিঃ) মোহাম্মদ আশিকুর রহমান ও সঙ্গীয়
ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ৬ নং জগন্নাথপুর
ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড রাজম্ঙ্গলপুর সাকিনস্থ কাশফুল ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার উপর থেকে
২০ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সুজন মিয়া কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী হলো: মোঃ সুজন মিয়া(৩১), পিতা-মন্তু মিয়া ,স্থায়ী-১: গ্রাম- রাজমঙ্গলপুর ( হাবিল
কবিরাজের বাড়ির পাশে ০৮ নং ওয়ার্ড) , উপজেলা/থানা- কুমিল্লা কোতয়ালী, জেলা –কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
কয়েদি থেকে কারামুক্ত এক কর্মজীবী নারীতে পরিণত হয়েছেন মোসা: পারভীন আক্তার। হত্যা
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ
করেছিলেন কয়েদি নম্বর ৩৮০২/এ, পারভীন আক্তার। পরে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে তার সাজা
কমে গিয়ে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রমে
অর্জিত ৫৭ হাজার টাকা সঞ্চয় নিয়ে আজ তিনি মুক্ত হলেন।
কারা
বিভাগ "রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ" এই শ্লোগানে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নে
নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায়, কারাগারে অবস্থানকালে পারভীন আক্তার নেন
নকশীকাঁথা সেলাই ও সুঁই-সুতার কাজের প্রশিক্ষণ। তার হাতে তৈরি কারাপণ্য বিক্রি হয় বাণিজ্য
মেলা ও কারাগারের শো-রুমে। বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫০ শতাংশই পারিশ্রমিক হিসেবে বন্দিদের
হাতে তুলে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সেই
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয় থেকেই পারভীন আক্তার নিজের প্রিজনার ক্যাশ একাউন্টে জমা করেন ৫৭
হাজার টাকা। যা তিনি আজ মুক্তির দিন নিজের হাতে পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয়ের এই ফল
পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভীন জানান, "কারা কর্তৃপক্ষ শুধু শাস্তিই দেয়নি, জীবনের নতুন
আলো দেখিয়েছে। আমি চিরকৃতজ্ঞ।"
বাংলাদেশ
জেলের এই মানবিক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।
পারভীন আক্তারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সংশোধনের সুযোগ থাকলে, প্রত্যেক মানুষই
পরিবর্তনের পথে ফিরতে পারেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ধর্মপুর এলাকা হতে দলনেতাসহ সাতজন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৩ জুলাই) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২
একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
ধর্মপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের নিকট হতে
৪ টি কুড়াল, ১ টি চাপাতি ও ৩ টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
আসামীরা হলো: ১। তাজুল ইসলাম সুমন (১৯), পিতা-মোঃ আব্দুল মালেক, সাং-হায়দারগঞ্জ, থানা-রায়পুর, জেলা-লক্ষীপুর এবং আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু ২। মোঃ মাসুদ (১৭), পিতা-মোঃ মফিজুল ইসলাম, সাং-রংপুর, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৩। মোঃ রিমন (১৭), পিতা-হারুনুর রশিদ, সাং-মোগড়া, থানা-নাঙ্গলকোট, জেলা-কুমিল্লা; ৪। ফাহিম হোসেন সিফাত (১৫), পিতা-জামাল হোসেন, সাং-পশ্চিম বাগিচাগাও, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা; ৫। তয়বুর রহমান তুহিন (১৭), পিতা-মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, সাং-ছাইচাপাড়া, থানা-দেবিদ্বার, জেলা-কুমিল্লা; ৬। আব্দুল কাদের জিলানী (১৬), পিতা-মোঃ আব্দুল হানিফ, সাং-রসুলপুর, থানা-দেবিদ্বার, জেলা-কুমিল্লা এবং ৭। অর্পন দাস (১৫), পিতা-গৌতম দাস, সাং-বাগিচাগাও, থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামী ও
আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা সকলেই কিশোর গ্যাং এর
সক্রিয় সদস্য। তারা উপরোক্ত দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করে এলাকার সাধারণ মানুষকে ভয় ভীতির
মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এছাড়াও তারা ভয় ভীতির মাধ্যমে
ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ যানবাহনে ছিনতাই ও চাঁদা আদায়সহ ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল
বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামী ও আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুদের বিরুদ্ধে
কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
সারাদেশের
ন্যায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কুমিল্লা অফিসে অভিযান পরিচালনা করছেন
দুনীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ
বুধবার (৭ মে) দুদক কুমিল্লা আঞ্চলিক অফিসের সহকারী পরিচালক মাসুম আলীর নেতৃত্বে তিন
সদস্যের একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন।
এ
সময় কুমিল্লা দুদক সহকারী পরিচালক মাসুম আলী বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ
(বিআরটিএ) কুমিল্লা সার্কেল অফিসে দালাল ছাড়া কোনো কাজ হয় না। এ ছাড়াও বিআরটিএ অফিসে
আসা সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাই। পাশাপাশি আনসার বাহিনীর
সদস্য দায়িত্ব পালনের সময় এসব কাজে সরাসরি জড়িত রয়েছেন।
এসব
অনিয়ম দুনীতির অভিযোগের আলোকে প্রথমে আমরা ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করি। আমরা এ অভিযানে
সকল অভিযোগের সত্যতা পাই। অন্যদিকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের কোন সত্যতা পাইনি। পাশাপাশি
এ অফিসের কোন কর্মকর্তা এ কাজে জড়িত আছে কি না, আমরা তা খতিয়ে দেখছি।
এ
অফিসের কেউ বাহিরে কাজ করছে কি না তাদের কিছু রেকর্ডপত্র আমরা চেয়েছি। তা পর্যালচনা
করে জানানো হবে।
মন্তব্য করুন