

রাজধানীর
মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার
আসামি সোহেল রানা দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দি শেষে
তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
বুধবার
(২০ মে) রামিসা হত্যার মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও সহযোগী স্বপ্না
আক্তারকে গ্রেফতার করেছে পল্লবী থানা পুলিশ।
পুলিশ
জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে এবং পরে নারায়ণগঞ্জের
ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর
আগে, মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে
গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়।
মন্তব্য করুন


সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়ী বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ শনিবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১ টায় ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় তিনি এ সংবর্ধনা প্রদান করেন।
এ সময় নারী ফুটবল দলের সদস্যরা তাঁদের স্বপ্ন ও খেলোয়াড় জীবনের প্রতিদিনের সংগ্রামের কথা প্রধান উপদেষ্টার সামনে তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী খেলোয়াড়দের বিভিন্ন দাবি ও কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং অগ্রাধিকারভিত্তিতে সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন।
গত ৩০ অক্টোবর কাঠমান্ডুতে সপ্তম সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপ জিতে নেয় বাংলাদেশ দল।
নারী ফুটবলারদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই সাফল্যের জন্য আমি পুরো জাতির পক্ষ থেকে তোমাদেরকে অভিনন্দন জানাই। জাতি তোমাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমাদের দেশের মানুষ সাফল্য চায়, আর তোমরা সেই সাফল্য এনে দিয়েছ।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি।
তিনি বলেন, অনেক বাধা পেরিয়ে আমরা এই পর্যায়ে পৌঁছেছি। শুধু নারী ফুটবল দলই নয়, বাংলাদেশের নারীদের সামগ্রিকভাবে নানা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়।
২০০৯ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু করা সাবিনা তাঁর আগের প্রজন্মের অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, আগের প্রজন্ম
ফুটবলকে তাঁদের ভালবাসা হিসেবে বেছে নেওয়ার সাহস দেখিয়েছিলেন।
সাবিনা আরো বলেন, আমাদের অনেকে সাধারণ পরিবার থেকে এসেছে এবং তার পরিবারকে আর্থিকভাবে
সাহায্য করতে হয়।
তিনি বলেন, আমাদের বেতন খুব বেশি নয়। এই বেতন দিয়ে পরিবারকে তেমন কোন সাহায্য করতে পারি না।
এই তারকা স্ট্রাইকার তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধার সংগ্রামের গল্প, যেমন মারিয়া মান্দারের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ময়মনসিংহের বিখ্যাত কলসিন্দুর গ্রামের মারিয়া, যেখান থেকে সাফ বিজয়ী দলের ছয়জন খেলোয়াড় এসেছেন, ছোটবেলায় তাঁর বাবাকে হারান এবং মা তাকে বড় করেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা রানী সরকার ঢাকায় তাঁদের আবাসন সমস্যার কথা উল্লেখ করেন, আর মিডফিল্ডার মানিকা চাকমা খাগড়াছড়ি জেলার দূরবর্তী লক্ষ্মীছড়ি উপজেলার ফুটবলার হিসেবে উঠে আসার সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন।
মিডফিল্ডার স্বপ্না রানী তাঁর নিজ জেলা দিনাজপুরের রানীশংকৈল উপজেলায় তার গ্রামের দূর্বল অবকাঠামোর কথা বলেন।
উইঙ্গার কৃষ্ণা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন যেন তাঁদের জন্য এশিয়ার বাইরে একটি প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়, বিশেষ করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বিজয়ী বার্সেলোনার সঙ্গে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রত্যেক খেলোয়াড়কে তাদের ব্যক্তিগত আশা-আকাঙ্ক্ষা, সংগ্রাম ও তাদের বিভিন্ন দাবি আলাদাভাবে কাগজে লিখে তাঁর কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বলেন।
অধ্যাপক ইউনুস বলেন, ‘তোমরা যা কিছু চাও তা লিখতে দ্বিধা করো না আমরা তোমাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করব। যদি কিছু এখনই করা সম্ভব হয়, আমরা তা করব’।
কোচ পিটার বাটলার এবং ম্যানেজার মাহমুদা আক্তারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া, সুপ্রদীপ চাকমা, অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার এবং নূরজাহান বেগম।
মন্তব্য করুন


গত ২০ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩
ডিগ্রি, মোংলায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি, ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, খুলনায় ৪১ দশমিক
২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানেও মৃদু
থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এখনো যা বিদ্যমান আছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো.
শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আজ (২৫ এপ্রিল) হতে
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি
বাড়তে পারে।
এর
আগের আরও তিনবার তথা গত ৩, ১৯ ও ২২ এপ্রিল তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা
হয়েছিল। তবে প্রথম দুইবার তাপমাত্রা বাড়ার আভাস ছিল।
চলতি
মাসে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। মাঝে অতিতীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেলে বর্তমানে কিছুটা
কমেছে।
২০২৩
সালের ১৬ এপ্রিল আগের ৫৮ বছরের মধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ, ৪০ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি
সেলসিয়াসে।
এর আগে ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ
তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এই রেকর্ড
এখনো ভাঙেনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের নতুন
এক বিশ্ব গড়ার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৫ম সমাবর্তন
অনুষ্ঠানে ভাষণদানকালে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত নতুন কিছু গড়ার সক্ষমতা রাখি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে সমাবর্তন অনুষ্ঠান হয়।
সমাবর্তন ভাষণে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, আমরা চাইলে আমাদের মতো
করে এক নতুন বিশ্ব গড়ে তুলতে পারি। তবে, তিনি বলেন, প্রত্যেকেরই স্বপ্ন থাকা দরকার-
কেমন পরিবেশ ও সমাজ তারা প্রতিষ্ঠা করতে চায় সেই সম্পর্কে।
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পটভূমি স্মরণ করে প্রধান উপদেষ্টা
বলেন, বর্তমানে যে সভ্যতা চলছে তা একটি ধ্বংসাত্মক অর্থনীতির সভ্যতা।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে অর্থনীতি তৈরি করেছি তা মানুষের জন্য নয়,
বরং ব্যবসার জন্য।’ তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসাকেন্দ্রিক
এই সভ্যতা আত্মঘাতী এবং তা টিকবে না।
অধ্যাপক ড. ইউনূস আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
এসে আনন্দিত। তিনি স্মরণ করেন, ১৯৭২ সালে চবিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ এবং কীভাবে গ্রামীণ ব্যাংক চট্টগ্রামে
দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষদের সহায়তা করতে গঠিত হয়েছিল তা তুলে ধরেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের জন্ম হয়েছিল চবির অর্থনীতি
বিভাগে।
অনুষ্ঠানে, চবি কর্তৃপক্ষ অধ্যাপক ইউনূসকে ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে
দারিদ্র্য বিমোচন এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদানের জন্য সম্মানসূচক
ডক্টরেট অব লিটারেচার (ডি লিট) উপাধিতে ভূষিত করে।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইয়াহিয়া আখতার অধ্যাপক ইউনূসের
হাতে ডি লিট সনদ তুলে দেন।
সমাবর্তনে শিক্ষা উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয়
মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফয়েজসহ অন্যান্যরাও বক্তব্য রাখেন।
চবি প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (একাডেমিক) ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন
খান এবং প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) মো. কামাল উদ্দিনও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
চবি আজ দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ সমাবর্তনের আয়োজন করে, যেখানে
২২,৫৮৬ জন শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শুধু জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক
প্রথাগত শিক্ষা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে
গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি
বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রূপান্তর
করা, যাতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।’
আজ
শনিবার (০৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন
সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ
চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায়
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বর্তমান
শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের
মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নেই। এই শূন্যতা দূর করতে হবে। আমাদের বিশাল জনশক্তিকে আমরা
দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে চাই, যারা সরাসরি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা
করতে পারবে।' ড. মিলন বলেন, ‘আমরা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতে এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে
পারিনি।
তবে
এটি অর্জনে যা যা প্রয়োজন, বর্তমান তারেক রহমানের সরকার সবই করবে। শিক্ষকদের উদ্দেশে
আমার আহ্বান—শুধু বছর শেষে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে
পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’
চীনে
উচ্চশিক্ষার সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীনের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত এবং খুব
বেশি ব্যয়বহুল নয়। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে সফলভাবে পড়াশোনা
করছে।’ তিনি বলেন, “বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা সরকার
থেকে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছি। বিশেষ করে
চীনা ভাষা শিখলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল
দুয়ার উন্মোচিত হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী
আরো জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার ইতিমধ্যে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে
পরিবর্তন আনছে। চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের
দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড.
মাহদী আমিন।
আরো
বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক; বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি
কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ; বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.
বি. এম. বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান
মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
ফোরামে
দু-দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং চীন ও বাংলাদেশের
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নিয়োগের
কথা জানিয়েছে জাপানি কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯
মে) টোকিওতে বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’
শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
জাপানে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে।
এটা আমার জন্য সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ও প্রেরণার দিন। এটি শুধু
কাজ করার জন্য নয়, বরং জাপানকে জানারও দ্বার উন্মোচন করবে বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
সেমিনারে প্রধান উপদেষ্টা দুটি সমঝোতা স্মারকের সাক্ষী হন।
প্রথমটি বাংলাদেশের ব্যুরো অব ম্যানপাওয়ার এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড ট্রেনিং (বিএমইটি)
ও কাইকম ড্রিম স্ট্রিট (কেডিএস)-এর মধ্যে, যার একটি জাপান-বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগ;
দ্বিতীয়টি বিএমইটি ও জাপানের ন্যাশনাল বিজনেস সাপোর্ট
কম্বাইন্ড কোঅপারেটিভস (জাপানে ৬৫টির বেশি কোম্পানির একটি ফেডারেশন) এবং জেবিবিআরএ
(জাপান বাংলা ব্রিজ রিক্রুটিং এজেন্সি)-র মধ্যে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, এই অনুষ্ঠানটি একটি দ্বার উন্মোচনের প্রতীক।
তিনি উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ ১৮ কোটি মানুষের দেশ,
যার অর্ধেকই ২৭ বছরের নিচে।
তিনি বলেন, ‘সরকারের কাজ হলো তাদের জন্য দরজা খুলে দেওয়া।
শিজুওকার কর্মপরিবেশ উন্নয়ন সমবায়ের তত্ত্বাবধায়ক সংস্থার
প্রতিনিধি পরিচালক মিতসুরু মাতসুশিতা বলেন, ‘অনেক জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশিদের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করছে
এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশি মেধাবীদের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। তাদের প্রতিভা
লালন করা আমাদের দায়িত্ব।
এনবিসিসি চেয়ারম্যান মিকিও কেসাগায়ামা স্মরণ করেন যে প্রায়
১৪ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস জাপানে এসেছিলেন এবং ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে নারীদের
সহায়তার গল্প বলেছিলেন।
তিনি বলেন, আমাদের ফেডারেশন তরুণ ও দক্ষ শ্রমিকের জন্য বাংলাদেশকে একটি
সম্ভাবনাময় উৎস হিসেবে দেখছে। তারা উভয় দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরে আমরা এক লাখ বাংলাদেশি শ্রমিককে স্বাগত
জানাতে প্রস্তুত।
ওয়াতামি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট মিকি ওয়াতানাবে জানান,
বাংলাদেশে তাদের প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল প্রতিবছর ১৫০০
শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেয়, এবং তারা এই সংখ্যা ৩০০০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের কারিগরি শিক্ষা গ্রহণকারীরা জাপানের চাকরির
বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেইনি অ্যান্ড স্কিল্ড ওয়ার্কার
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (জেইটিসিও) চেয়ারম্যান হিরোআকি ইয়াগি জাপানের শ্রমবাজারে
বাংলাদেশিদের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনও ভাষা শিক্ষকের ঘাটতি রয়েছে।
জাপানের স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের (এমএইচএলডব্লিউ) প্রতিমন্ত্রী
নিকি হিরোবুমি বলেন, জাপানে জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং সে কারণে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সহায়তা
প্রয়োজন হবে।
তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, জাপানের জন্যও একটি আশাব্যঞ্জক দিক হতে পারে।’
স্বাগত বক্তব্যে জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী
বলেন,
২০৪০ সালের মধ্যে জাপানে শ্রমিক সংকট এক কোটি ১০ লাখ
পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশ এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আরও দক্ষ শ্রমিক পাঠাতে পারে।
মন্তব্য করুন


ঢালিউডের
কিংবদন্তি নায়ক আসলাম তালুকদার মান্না এবং কলিউড সুপারস্টার এবং তামিলনাড়ুর মূখ্যমন্ত্রী
থালাপতি বিজয়ের একটি ছবি হঠাৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এক ফ্রেমে দুই
প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় মুখকে দেখার পর থেকেই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে
ছবিটি।
ভাইরাল
ছবিটিতে দেখা যায়, মান্নার কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন বিজয়। দাবি করা হচ্ছে, প্রায়
২০ বছর আগে তোলা এই ছবি। তবে এটি আসল নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে
তা নিয়ে নেটপাড়ায় চলছে ধোঁয়াশা।
ভাইরাল
হওয়া এ ছবি অনেকের মনে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি করছে, আবার অনেকে ছবিটিকে এআই দিয়ে তৈরি
বলে দাবি করছেন। কিন্তু ছবির আসল রহস্য কী জানেন?
তথ্য
বলছে, ২০০০ সালে চিত্রনায়ক মান্না ভারতীয় অভিনেত্রী রানী মুখার্জিকে নিয়ে কৃতাঞ্জলি
চলচ্চিত্র থেকে একটি সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দেন। পরবর্তী সময়ে ভারতে বিজয় থালাপতিসহ
অনেক তারকাদের সঙ্গে প্রয়াত মান্নার দেখা হয়। তবে যে ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
ভাইরাল হয়েছে সেটি তখনকার সময়ে তোলা কি না তার সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
অনেকে
মনে করছেন, এটি বাস্তবও হতে পারে। কারণ, মান্নার একাধিক সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশন কাজ
হয়েছে ভারতের চেন্নাইয়ের প্রসাদ ল্যাব ও এভিএম স্টুডিওতে। ২০০৩ থেকে ২০০৪ সালের দিকে
মান্না যখন ‘বাস্তব’, ‘মিনিস্টার’
বা ‘বীর সৈনিক’- সিনেমার কাজে চেন্নাইয়ে ছিলেন, তখন একই সময় বিজয়ের সিনেমার
কাজও চলছিল বলে জানা যায়। সেই সূত্রেই মান্না-বিজয়ের দেখা হয়ে থাকতে পারে এমন ধারণা
করছেন অনেকে।
এ
প্রসঙ্গে সঠিক তথ্য জানতে প্রয়াত নায়ক মান্নার স্ত্রী শেলি মান্নার কাছে জানতে চাইলে
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, অনেক আগের কথা, ঠিক মনে পড়ছে না। তবে বিজয়ের সঙ্গে তার দেখা
হতেও পারে। প্রায় তো ইন্ডিয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ও কাজে যেত। নায়ক মান্নার ছেলে
সিয়াম ইলতেমাশ অবশ্য দাবি করেছেন, ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি।
এদিকে
ছবি শনাক্তকারী ওয়েবসাইট সাইটইঞ্জিন বলছে, মান্না ও থালাপতি বিজয়ে ছবিটি ৩ শতাংশ এআই
দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ ছবিটি বাস্তব ক্যামেরায় তোলা। জিরোজেপিটি বলছে, ছবিটির ৫১ শতাংশ
মৌলিক। পুরোনো ছবি হওয়ায় এতে আলো ও অন্য কিছু কাজ হয়েছে।
নেটিজেনদের
একাংশের দাবি, ছবিটি বাস্তব ক্যামেরায় তোলা। ছবিতে ছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অথবা
কাজী মারুফ। আধুনিক এআই প্রযুক্তির সাহায্যে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ অথবা কাজী মারুফের
ছবির মধ্যে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে থালাপতি বিজয়ের মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভাইরাল
ছবিটি আসল হোক কিংবা এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি হোক এটি ভক্তদের আবেগি করে তুলেছে মান্নার
পুরোনো স্মৃতিতে। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা বলছেন, মান্না ও থালাপতি বিজয় দুজনেই গণমানুষের
নায়ক যারা নিজ নিজ ইন্ডাস্ট্রিতে সাধারণ মানুষের হৃদয়ের গভীরে জায়গা করে নিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপের নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার তারিখ পিছিয়েছে।
বুধবার (৬ মার্চ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি এবং অপারেশন) মনীষ চাকমা স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, তৃতীয় ধাপের নিয়োগে লিখিত পরীক্ষা আগামী ২৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই ধাপের পরীক্ষায় অংশ নেবেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের চাকরিপ্রার্থীরা।
২৯ মার্চ সকাল ১০টায় লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে মর্মে অবগত করা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে চিঠি দেওয়ার জন্য অনুরোধও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ এর তৃতীয় গ্রুপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের লিখিত পরীক্ষা প্রশাসনিক কাজের স্বার্থে আগামী ২২ মার্চের পরিবর্তে ২৯ মার্চ সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।
গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি রংপুর, সিলেট ও বরিশাল বিভাগের ক্লাস্টারের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে অধিদপ্তর। এরপর ২২ মার্চ রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এরপর ১৭ জুন ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
প্রথম ধাপে তিন লাখ ৬০ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় ধাপে চার লাখ ৫৯ হাজার ৪৩৮ এবং তৃতীয় ধাপে ৩ লাখ ৪০ হাজার প্রার্থী আবেদন করেন। বর্তমানে প্রায় ৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য রয়েছে।
এবারই প্রথম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে বিভাগওয়ারি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। গুচ্ছভিত্তিক এ নিয়োগে তিন ধাপে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পরীক্ষাও আলাদাভাবে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ২ হাজার ৪৯৭ জন প্রার্থী সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হন। আর দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ২০ হাজার ৬৪৭ জন।
মন্তব্য করুন


আজ রবিবার দুপুরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৯ হাজার ৯২৩ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষ প্রার্থী ২০ হাজার ৪৫৭ জন, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ। উত্তীর্ণ নারী প্রার্থীর সংখ্যা ২৯ হাজার ৪৬৬, যা উত্তীর্ণ প্রার্থীর ৫৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।
যেভাবে জানা যাবে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল :
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এই ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদফতরের ওয়েবসাইটে আজকের ফলাফলবিষয়ক তথ্য পাওয়া যাবে ।
পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ক্ষুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেবে অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


আজ (১১ নভেম্বর ৪)
আর্টিলারি সেন্টার এন্ড স্কুল (এসিএন্ডএস), হালিশহর, চট্টগ্রামে রেজিমেন্ট অব
আর্টিলারির ৪৩তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন ২০২৪ এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি,
পিএসসি। সেনাবাহিনী প্রধান আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল এ পৌঁছালে তাকে জিওসি, আর্মি
ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার,
চট্টগ্রাম এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট, আর্টিলারি সেন্টার ও স্কুল অভ্যর্থনা জানান।
বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে
সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির অধিনায়ক ও অন্যান্য
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির
গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সেই সাথে
আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর কঠিন
চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার জন্য রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির সকল সদস্যদের
প্রতি আহবান জানান।
এছাড়া, রেজিমেন্ট অব আর্টিলারির কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে সেনাবাহিনী প্রধান এ রেজিমেন্টের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সম্মানিত সেনাবাহিনী প্রধান নবগঠিত 'আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর' হতে জ্যেষ্ঠতম ইউনিট অধিনায়ককে সোল্ডার টাইটেল ও ক্যাপ ব্যাজ দ্বারা অলংকৃত করেন।
এছাড়াও, তিনি পরিচালক, এডহক
আর্মি এয়ার ডিফেন্স পরিদপ্তর এর নিকট নবগঠিত 'আর্মি এয়ার ডিফেন্স কোর' এর পতাকা
হস্তান্তর করেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর সকল আর্টিলারি ব্রিগেডের কমান্ডারগণ, আর্টিলারি ইউনিটসমূহের অধিনায়কগণ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, সেনাবাহিনী প্রধান
চট্টগ্রামের ভাটিয়ারী-হাটহাজারী লিংক রোড সংলগ্ন খিল্লাপাড়ায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট
আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এই
হাসপাতাল নির্মাণ সুদক্ষ চিকিৎসক তৈরীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য
এবং তাদের পরিবারবর্গের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে
জিওসি, আর্টডক; জিওসি, ২৪ পদাতিক ডিভিশন; সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ;
আর্মি মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রামের অধ্যক্ষ, চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, ফ্যাকাল্টিগণ,
ছাত্র-ছাত্রী ও বিভিন্ন পদবীর সেনাসদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভ বড়দিন ও নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকার কাকরাইলে অবস্থিত আর্চ বিশপের হাউজ পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সকলকে শুভ বড়দিনের শুভেচ্ছা জানান।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আমাদের দেশের গর্ব। সকল সম্প্রদায়ের ব্যক্তিবর্গ যেন নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উদযাপন করতে পারে, সে বিষয়ে অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অন্যান্য সকল সম্প্রদায়ের জনগণ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভ বড়দিন ও নববর্ষ উদযাপনে আন্তরিকতার সাথে সহযোগিতা করবে এবং সকলেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সুখী, সমৃদ্ধশালী ও উন্নত দেশ গঠনে এগিয়ে আসবে।
মন্তব্য করুন