

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
আইন পেশায় সফলতার নয় বছর অতিক্রম করে দশম বর্ষে পদার্পণ করেছেন অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সুপরিচিত এই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আইনজীবী হিসেবে যেমন সুনাম অর্জন করেছেন, তেমনি গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও তিনি একজন পরিচিত ও সম্মানিত মুখ।
চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নস্থিত লামচরী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয়া তাপস চন্দ্র সরকার ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী ও চঞ্চল। ২০১৬ সালের ১৪ মে বার কাউন্সিলের সনদ পাওয়ার পর ৯ জুন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগ দিয়ে পেশাগত জীবনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে তার পথচলার শুরু আরও আগেই ২০০০ সাল থেকে সাংবাদিকতা ও সিনিয়র আইনজীবীদের সহকারী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করে গড়ে তুলেছেন নিজেকে একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে। তাঁর পিতা নিখিল চন্দ্র সরকার ছিলেন একজন আইনজীবী সহকারী। বাবার প্রেরণাতেই ছেলেবেলা থেকে কালো কোর্টের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয় তাপসের। দুঃখের বিষয়, বাবার মৃত্যুর কারণে তিনি ছেলেকে আইনজীবী হিসেবে দেখে যেতে পারেননি। তবে পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পর তাপস চন্দ্র সরকার তার পেশাগত জীবনে সততা, নিষ্ঠা ও মানবসেবাকে রেখেছেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে।
অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, “যারা শর্টকাট পথে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এই পেশা নয়। কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য আর মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে এগোলে আইনজীবী হিসেবে সফল হওয়া সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “সেবা দেওয়ার মনোভাব থাকলে এই পেশা অনেক বড় কিছু। এখানে টাকা নয়, আগে দরকার নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি।”
আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ভিত্তিক পাক্ষিক ‘বিবর্তন’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং পরে ‘দৈনিক আমাদের কুমিল্লা’য় এক যুগেরও বেশি সময় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর লেখা সংবাদ ও প্রতিবেদন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
তাঁর স্ত্রী রিতা রানী মজুমদার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের ডুমুরিয়া মজুমদার বাড়ির সন্তান। তাঁদের একটি কন্যা ও একটি পুত্র রয়েছে। পরিবার নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা মহানগরীর কালিয়াজুরী এলাকায় বসবাস করছেন।
অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার শুধু আইন ও সাংবাদিকতা নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয়। নিজেকে তিনি সবসময় একজন সেবক হিসেবে দেখতে চান। তাঁর বিশ্বাস, “মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাটাই প্রকৃত মানবতা।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া এলাকায় ২৩ বীর এবং র্যাব-১১ (সিপিসি-২) এর যৌথ উদ্যোগে একটি বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ নাজমুল ইসলাম শামীম নামের এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) গভীর রাত থেকে ভোর ছয়টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায় , গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে মোঃ নাজমুল ইসলাম শামীমের বাসভবনে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
তার বাসা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্থানীয়ভাবে তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র, দেশি ও বিদেশি গোলাবারুদ এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত গোপন আস্তানাগুলোতেও তল্লাশি চালানো হয়, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে র্যাব-১১ (সিপিসি-২) কর্তৃক আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় জিপিএস ও লোকেশন ট্র্যাকিং পরিচালনা করে সন্দেহভাজন শামীমকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া নাজমুল ইসলাম শামীম মহানগরীর ২১ নং ওয়ার্ডের জাঙ্গালিয়া এলাকার মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র / পাইপগান, ৬০ রাউন্ড শটগান কার্তুজ, ( ১২ বোর × ৭০ মিমি – ৪০ রাউন্ড ও ১২ বোর × ৭৬ মিমি – ২০ রাউন্ড) । ১৮ রাউন্ড মেশিনগান গোলাবারুদ (৭.৬২×৫৪ মিমি, POF নির্মিত), ১ রাউন্ড পিস্তল গোলাবারুদ (৭.৬২×২৫ মিমি, টোকারেভ: S&B নির্মিত), ১ রাউন্ড রিভলভার/ এয়ারগান গোলাবারুদ, ১০টি ছুরি, চাপাতি ও চাইনিজ কুড়াল। এছাড়া দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, ৮টি মানিব্যাগ, এটিএম কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও এনআইডি জব্দ করা হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সন্দেহভাজন শামীম জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ডের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচিত এবং তিনি পূর্বে আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় ছিলেন। এছাড়াও তিনি কুমিল্লা শহরের একজন চিহ্নিত বড় চাঁদাবাজ হিসেবে পরিচিত। ভয়ের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে তার বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করতে সাহস পান না, তবে একাধিক সূত্র থেকে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই সেনাবাহিনী তার বাসায় অভিযান পরিচালনা করে।
সন্দেহভাজন শামীমের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ও কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় কমপক্ষে ৭টি মামলা বিদ্যমান।
অস্ত্রসহ তাকে র্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
উল্লেখ্য, এই অভিযানটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৪৪ পদাতিক ব্রিগেডের অধিনায়কত্বে ২৩ বীর কর্তৃক পরিচালিত একটি অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও সফল অভিযান, যা কুমিল্লা অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে আলেখারচর আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) রাত ১:৩০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলেখারচর আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা নন্দনপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে সালমা আক্তার (৪২) নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তিনি নন্দনপুর গ্রামের জালাল উদ্দিনের স্ত্রী।
তার কাছ থেকে ১৫১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং ৪৭,১০০ টাকা নগদ উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে আটককৃত নারী ও উদ্ধারকৃত মালামাল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পন্ন করে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ও মাদক নির্মূলে যৌথবাহিনীর এমন তৎপরতা স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি ও আস্থা বৃদ্ধি করেছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন এবং 'ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার' এর আওতায় মোতায়নরত সেনাসদস্যদের পরিদর্শনের লক্ষ্যে কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।
পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান মোতায়েনকৃত সেনাসদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান এবং অসামরিক প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করেন।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সেনাপ্রধান কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এ সময় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
মতবিনিময়কালে সেনাপ্রধান পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
কুমিল্লা এরিয়া পরিদর্শনকালে, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং এন্ড ডকট্রিন কমান্ড; এ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল; জিওসি ৩৩ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া এবং সেনাসদর ও কুমিল্লা এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দের পাশাপাশি অসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আজ বৃহস্পতিবার (১৫ মে) কুমিল্লা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কে হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ফিলিস্তিনে গণহত্যার বন্ধ করার দাবীতে এক মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- হেযবুত তওহীদ চাঁদপুর জেলা সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক,হেযবুত তওহীদ কুমিল্লা জেলা বাণিজ্য সম্পাদক তসলিমা মোবারক আজাদ, হেযবুত তওহীদ লাকসাম উপজেলা সভাপতি মোঃ ফয়সাল মোহাম্মদ,হেযবুত তওহীদ সদর উপজেলা সভাপতি সুজন আলী, হেযবুত তাওহীদ কুমিল্লা জেলা সদস্য ইয়াসিন আরাফাত সহ আরও অনেকে।
বক্তাগণ বলেন, ৭৫ বছরের হত্যাযজ্ঞের পরে এবার ইসরায়েল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এই ভূমিতে আর কোনো একজন মুসলমানকেও থাকতে দেওয়া হবে না। এ হৃদয়বিদারক, ন্যাক্কারজনক ও পৈশাচিক ঘটনার সাক্ষী সমগ্র বিশ্ব। এমন একটি পরিস্থিতিতেও গোটা মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলো, বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, জাতিসংঘ, ওআইসি, আরব লীগ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো নীরব। প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোও যেন চোখে ঠুলি পরে আছে। এই বিপর্যয় থেকে মুক্তির উপায় হচ্ছে, জাতির মধ্যে বিরাজিত সব ফেরকা, মাজহাব, দলাদলি এই মুহূর্ত থেকে বাদ দিয়ে আমাদেরকে আল্লাহর তওহীদের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
মন্তব্য করুন


সময়ের পরিক্রমায় কুমিল্লার বন্যার পরিস্থিতির কোন কোন দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও কোন কোন দিক এখন পর্যন্ত রয়ে গিয়েছে আগের মতই ।
তবে আশাজাগানিয়া বিষয়টি হলো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টা এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাহায্যের হাত এগিয়ে দেওয়া বর্তমান পরিস্থিতিতে আগের চেয়ে অনেকটা আশার আলো নিয়ে এসেছে।
সাধারণ
মানুষ থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি অন্যান্যদের মতো সহায়তার হাত
নিয়ে এগিয়ে এসেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটলিয়ন।
কুমিল্লায়
বন্যা দুর্গত অঞ্চলে মানুষের খাদ্য সহায়তা
দিতে এগিয়ে এসেছে র্যাব ১১, সিপিসি ২ কুমিল্লা।
সোমবার
দুপুর থেকে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের ফকির বাজার উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, কালিকাপুর ডিগ্রি কলেজ আশ্রয় কেন্দ্র ও বকশিমুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
আশ্রয় কেন্দ্র, আগ্গাপুর মোর্শেদা বেগম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় আশ্রয় কেন্দ্র, ছয় গ্রাম
উচ্চ বিদ্যালয়, ছয়গ্রাম মাদ্রাসা ও পাঁচোড়া বিদ্যানিকেতনে ১৫ শত মানুষের মাঝে খাদ্য
সহায়তা দিয়েছে র্যাব ১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা।
উল্লেখিত
আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে বুড়িচং উপজেলার পিতাম্বর,বাকশিমুল, কালিকাপুর, দক্ষিণ কালিকাপুর,বলরামপুর,মাধবপুর,মাশড়া,খোদাইতলি,জগৎপুর,যদুপুর,হরিপুরসহ
বিভিন্ন এলাকার লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন।
র্যাব ১১ সিপিসি ২ কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে এসকল ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লায়
র্যাব-১১ এর অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা ও ১৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ী
গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার সদর কোতয়ালী মডেল থানাধীন শাসনগাছা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে উক্ত অভিযানে ১। পারভীন আক্তার (৪৫), ২। জান্নাতুল ফেরদৌসী (২০) এবং ৩। আফরোজা (১৮) নামক তিনজন মাদক ব্যবসায়ীদেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদের কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও ১৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন ১। পারভীন আক্তার (৪৫) কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার পাহাড়পুর গ্রামের মোঃ খোকন এর স্ত্রী, ২। জান্নাতুল ফেরদৌসী (২০) এবং ৩। আফরোজা (১৮) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অশোকতলা গ্রামের মকবুল হোসেন এর মেয়ে।
র্যাব জানান, তারা পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লার লাকসাম উপেজলায় খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই শিশুর।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাকসাম পৌরসভার দৌলতগঞ্জ এতিমখানা ও মাদরাসার সামনের পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শিশুরা হলেন- লাকসাম পৌরসভার গন্ডামারা গ্রামের মো. খোকনের ছেলে মো. আফরান হোসেন আরাফাত (৭) ও একই গ্রামের দ্বীন মোহাম্মদ ইসলামের ছেলে মো. ইয়াছিন (৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আরাফাত ও ইয়াছিন খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় তাদের না দেখে পরিবারের সদস্যরা খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে সাড়ে ১২টার দিকে এতিমখানা মাদরাসার এক শিক্ষক অজু করতে গেলে দুজনের মরদেহ ভাসতে দেখে। এ সময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
লাকসাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহম্মেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের থেকে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যুর খবর জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাটানো হয়েছে। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং ভরাসার
বাজারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার
সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লা।
শনিবার
(২ জুন) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আছাদুল ইসলাম
এই অভিযান পরিচালনা করেন।
নিত্যরপণ্য ও মসলার বাজার তদারকি অভিযানে ভোক্তা অধিকার বিরোধী নানা অভিযোগে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় র্যাবের পৃথক অভিযানে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার হয়েছে। এ সময় র্যাব ১ জনকে গ্রেফতার করেছে।
র্যাব জানায়, র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ধর্মপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ১ টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করে। পরে কোতয়ালী থানার গাজীপুর এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযানে ১৭ হাজার ৮শত পিস ইয়াবাসহ আঃ কাদের তপু নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। পৃথক অপর একটি অভিযানে কোতয়ালী থানার রাজমঙ্গলপুর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী জসিম খন্দকার এর বাড়ির পানির ট্যাংকিতে বিশেষ কৌশলে রাখা ৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-১১ সিপিসি-২, কুমিল্লার উপ-পরিচালক মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, মাদক ও গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায়
৫৪ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
গতকাল
(১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটি টিম কুমিল্লা জেলায় বিশেষ
অভিযান পরিচালনা করে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম থানাধীন কৃষ্ণপুর মধ্য পাড়া সাকিনস্থ মৃত
লুতু মিয়ার বাড়িতে আসামী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এর বসত ঘরের ভিতর থেকে ৫৪ কেজি গাঁজা
সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী
হলো: মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), পিতা-আবুল হাসেম, মাতা-অজুফা খাতুন, গ্রাম-কৃষ্ণপুর
(মধ্য পাড়া-মৃত লুতু মিয়ার বাড়ী), থানা-চৌদ্দগ্রাম, জেলা-কুমিল্লা।
উক্ত
ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা রুজু করা হয়।
মন্তব্য করুন