

নিজস্ব প্রতিবেদক।।
আইন পেশায় সফলতার নয় বছর অতিক্রম করে দশম বর্ষে পদার্পণ করেছেন অ্যাডভোকেট তাপস চন্দ্র সরকার। কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির সুপরিচিত এই সদস্য দীর্ঘদিন ধরে আইনজীবী হিসেবে যেমন সুনাম অর্জন করেছেন, তেমনি গণমাধ্যমকর্মী হিসেবেও তিনি একজন পরিচিত ও সম্মানিত মুখ।
চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁও ইউনিয়নস্থিত লামচরী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেয়া তাপস চন্দ্র সরকার ছোটবেলা থেকেই ছিলেন মেধাবী ও চঞ্চল। ২০১৬ সালের ১৪ মে বার কাউন্সিলের সনদ পাওয়ার পর ৯ জুন কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতিতে যোগ দিয়ে পেশাগত জীবনে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে তার পথচলার শুরু আরও আগেই ২০০০ সাল থেকে সাংবাদিকতা ও সিনিয়র আইনজীবীদের সহকারী হিসেবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা অর্জন করে গড়ে তুলেছেন নিজেকে একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে। তাঁর পিতা নিখিল চন্দ্র সরকার ছিলেন একজন আইনজীবী সহকারী। বাবার প্রেরণাতেই ছেলেবেলা থেকে কালো কোর্টের প্রতি ভালোবাসা তৈরি হয় তাপসের। দুঃখের বিষয়, বাবার মৃত্যুর কারণে তিনি ছেলেকে আইনজীবী হিসেবে দেখে যেতে পারেননি। তবে পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পর তাপস চন্দ্র সরকার তার পেশাগত জীবনে সততা, নিষ্ঠা ও মানবসেবাকে রেখেছেন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে।
অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার বলেন, “যারা শর্টকাট পথে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এই পেশা নয়। কঠোর পরিশ্রম ও ধৈর্য আর মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে এগোলে আইনজীবী হিসেবে সফল হওয়া সম্ভব।” তিনি আরও বলেন, “সেবা দেওয়ার মনোভাব থাকলে এই পেশা অনেক বড় কিছু। এখানে টাকা নয়, আগে দরকার নিষ্ঠা ও প্রতিশ্রুতি।”
আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি তিনি কুমিল্লা ভিত্তিক পাক্ষিক ‘বিবর্তন’ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন এবং পরে ‘দৈনিক আমাদের কুমিল্লা’য় এক যুগেরও বেশি সময় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর লেখা সংবাদ ও প্রতিবেদন স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।
তাঁর স্ত্রী রিতা রানী মজুমদার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কেরণখাল ইউনিয়নের ডুমুরিয়া মজুমদার বাড়ির সন্তান। তাঁদের একটি কন্যা ও একটি পুত্র রয়েছে। পরিবার নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা মহানগরীর কালিয়াজুরী এলাকায় বসবাস করছেন।
অ্যাড. তাপস চন্দ্র সরকার শুধু আইন ও সাংবাদিকতা নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয়। নিজেকে তিনি সবসময় একজন সেবক হিসেবে দেখতে চান। তাঁর বিশ্বাস, “মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারাটাই প্রকৃত মানবতা।”
মন্তব্য করুন


রফিকুল ইসলাম বাবু, চাঁদপুর প্রতিনিধি :
২০২৩-২৪ অর্থবছরে প্রণোদনা ও ঘুর্নিঝড় রেমাল উপলক্ষ্যে পুনবার্সন কর্মসূচীর
আওতায় খরিপ/২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ
ও রাসায়নিক সার এবং নারিকেলের চারা বিতরণের কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধন
করেন ছাত্র সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাখাওয়াত জামিল সৈকত।
মঙ্গলবার দুপুরে চাঁদপুর উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ
অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে বীজ ও সার বিতরণের আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলার নির্বাহী
কর্মকর্তা সাখাওয়াত জামিল সৈকত। বীজ ও সার বিতরণ অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা
তাপস রায়ের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর উপজেলার চেয়ারম্যান
এ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির সুমন, ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল হায়দার সংগ্রাম, মহিলা ভাইস
চেয়ারম্যান রেবেকা সুলতানা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইফতেখার নাঈম, উপসহকারী উদ্ভিদ
সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন সহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-কুমিল্লার মাদকবিরোধী যৌথ অভিযানে
মাদকের গডফাদার মো: ছালাউদ্দিন আইয়ুবীকে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার
উপ- পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এঁর সার্বিক তত্বাবধানে ও পরিদর্শক মো: শরিফুল ইসলাম
এঁর নেতৃত্বে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২৩ বি- ব্যাটালিয়নের মেজর মাহিন এঁর সার্বিক
সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানে ডিএনসি
কুমিল্লা ও ২৮ জন সেনা সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
বুধবার সকাল ৭টা দিকে চৌদ্দগ্রাম থানাধীন
উত্তর বাবুর্চি সৈয়দপুর গ্রামে আসামীর নিজ বাড়ি তল্লাশি করে ৪ কেজি গাঁজাসহ আটক করা
হয় তাকে।
আটককৃত আসামী মো: নুরুল আমিন এর ছেলে।
আসামীর বিরুদ্ধে পরিদর্শক মো: শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ঝাউতলা এলাকায় বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার গভীর রাতে, আনুমানিক রাত ১১টা ২০ মিনিটে এ অভিযান চালানো হয়। মঙ্গলবার সকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। অভিযানে মাদক বিক্রয় ও সেবনের প্রমাণ মেলে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— আদর্শ সদর উপজেলার নতুন চৌধুরী গ্রামের মো. আনোয়ার শাহাদাত (৪০), খ্যাতামার কুমির মো. জাহিদুল ইসলাম (৪৫), দ্বিতীয় মুরাদপুরের মো. মাসুম আলী (৫০), ব্রাহ্মণপাড়ার মো. মনির হোসেন (৩৫) এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মো. আকাশ হোসেন (৩৫)।
অভিযানে মোট ১৫৮ পিস ইয়াবা, একটি চাইনিজ চাকু, দুটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, একটি বাটন ফোন ও নগদ ৭ হাজার ৬৫০ টাকা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের সঙ্গে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য সামগ্রী কুমিল্লা আদর্শ সদর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭৬ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন বাগরা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
অভিযানে আসামী ১। মোঃ রাশেদ মিয়া (২৪) ও ২। সাইফুল আব্বাস (২২) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৭৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার থানার আলমখালী গ্রামের মৃত মনির হোসেন এর ছেলে মোঃ রাশেদ মিয়া (২৪) এবং চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী জেলার দুহিনকুল গ্রামের আলী আব্বাস টিটু এর ছেলে সাইফুল আব্বাস (২২)।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে সুনামগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


রবিউল হাসান অমি,প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি কুমিল্লা
ইউনিটের ১১ সদস্য বিশিষ্ট অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
উক্ত কমিটিতে চেয়ারম্যান হিসেবে মো:
আমিরুল কায়ছার (জেলা প্রশাসক,কুমিল্লা)। ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে মোস্তাক মিয়া (বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ডায়াবেটিস সমিতির সাধারণ
সম্পাদক), সেক্রেটারি হিসেবে জামিল আহমেদ খন্দকার ( বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক )।
উক্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন
মীর আবু জাফর শামসুদ্দিন দিদার, শাহাজাদা এমরান, অধ্যাপক এ,কে , এম এমদাদুল হক মামুন,
সৈয়দ মোতাহের আলী দিলাল, মোহাম্মদ মাসউদ আলম, অধ্যাপক মো.মনিরুল ইসলাম, ফেরদৌস সায়েম
ভূইয়া ও গোলাম ইউসুফ চৌধুরী।
উক্ত কমিটি ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে অনুমোদন
করেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মহাসচিব ড. কবির মো. আশরাফ আলম, এনডিসি। এস.জি(ইউ.এ)-১৮৪৫/০১৩
স্মারকে এই কমিটি অনুমোদন করেন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল - প্রতিবেদক:
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কার্যক্রমে সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাতের অন্ধকারে কাজ চালানোর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, নির্ধারিত নিয়ম ও সময় উপেক্ষা করে রাতের বেলায় নির্মাণ কাজ চলায় এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও জনভোগান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
ডিসির বাসভবন সড়ক সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পাঠানো ছবিতে দেখা যায়, রাতের সময় কারাগারের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি নির্মাণকাজ সাধারণত নির্ধারিত কর্মঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না।
আইন ও বিধি অনুযায়ী অবস্থান
সরকারি নির্মাণকাজে সরকারি ক্রয় বিধিমালা (PPR), শ্রম আইন ২০০৬, এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। বিশেষ করে আবাসিক এলাকায় রাতের বেলায় ভারী নির্মাণকাজ চালানো হলে তা শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০০৬–এর পরিপন্থী হতে পারে।
এ ছাড়া কারাগারের মতো সংবেদনশীল স্থাপনার আশপাশে রাতের নির্মাণকাজ চললে তা সার্বিক নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয়দের উদ্বেগ
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের বেলায় কাজ চলার কারণে চলাচলে বিঘ্ন, শব্দদূষণ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুপস্থিত
এ বিষয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সচেতন নাগরিকদের মতে, সরকারি নির্দেশনা ও আইনগত বিধি মেনে স্বচ্ছভাবে নির্মাণকাজ পরিচালনা না হলে তা জনস্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে বিবেচিত হবে
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লা
নগরীতে তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ
অধিদপ্তর কুমিল্লা।
আজ সোমবার কান্দিরপাড় ভিক্টোরিয়া কলেজ রোড়ে জম-জম টাওয়ারে অবস্থিত তিনটি প্রতিষ্ঠান জম-জম ক্যান্টিন, ক্যাফে কর্ণার এবং গোল্ডেন স্পুন চাইনিজ রেস্টুরেন্ট এ সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যের (MRP) চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও পরিবেশনের কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী মোট ১৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানটি
পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো.
কাউছার মিয়া।
উক্ত
অভিযানে সহযোগিতা করেন ক্যাব কুমিল্লা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাসাউদ আলম, অফিস সহকারী
ফরিদা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লা জেলা পুলিশের একটি দল।
সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া জানান, পণ্যের মূল্য ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত এমন অভিযান চলবে। ভোক্তাদের অধিকার রক্ষায় আমরা সর্বদা সচেষ্ট।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩২.৫ কেজি গাঁজাসহ তিনজন মাদক
ব্যবসায়ী গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ সোমবার (১৮ আগষ্ট)
দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার বরুড়া থানাধীন বগাবাড়িয়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ১।
বেবী বেগম (৫০), ২। শিল্পী বেগম (৩০) এবং ৩। মোঃ সোহেল (২৫) নামক তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করে।
এ সময় আসামীদের কাছ
থেকে ৩২.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি ইজিবাইক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা
হলেন- ১। বেবী বেগম (৫০) মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার হঠাৎপাড়া গ্রামের মৃত ফজল করিম
এর মেয়ে, ২। শিল্পী বেগম (৩০) ডিএমপি ঢাকা এর রূপনগর থানার মিরপুর ৬ নং ট ব্লকের মোঃ
রবু মাতবর এর মেয়ে এবং ৩। মোঃ সোহেল (২৫) একই ব্লকের মোঃ জহুরুল ইসলাম মুন্সী এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়,
তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা,
মানিকগঞ্জ সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয়
করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা
করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত
আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা জেলার মাসিক উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর বশির, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাইনউদ্দিন চিশতি, বিএডিসি (সেচ) নির্বাহী প্রকৌশলী রুবাইয়াত ফয়সাল আল মাসুম, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হাসান হীরা, সিনিয়র জেল সুপার হালিমা খাতুন, কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমানসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)।
সভায় জেলার গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে রাস্তা ও ড্রেনের অবস্থা, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং যানজট সমস্যা সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই শহীদদের কবরের নির্মাণকাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এছাড়া গৃহহীন জুলাই শহীদ ও আহতদের জন্য ঘর নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সভায় জানানো হয়, মুরাদনগর উপজেলায় আহত ও গৃহহীন জুলাই যোদ্ধার জন্য ইতোমধ্যে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান বলেন, “আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ তৎপর থাকতে হবে।” তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নথিপত্র সংরক্ষণের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি প্রত্যেক দপ্তরকে নিজ নিজ কার্যালয়ের নিরাপত্তা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। জেলা প্রশাসক বলেন, আগামী নির্বাচন পর্যন্ত সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে সবাইকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতে হবে।
সভায় কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মিজানুর রহমান বলেন, নির্বিচারে কৃষিজমি ধ্বংস করা হচ্ছে। ড্রেজার ও এক্সকেভেটর ব্যবহার করে ইটভাটার জন্য কৃষিজমির উপরিভাগের মাটি (টপ সয়েল) তুলে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, টপ সয়েল তৈরি হতে ৩০ থেকে ৪০ বছর সময় লাগে। এই টপ সয়েল রক্ষা করতে না পারলে ভবিষ্যতে কৃষিজমি নিচু ও অনুর্বর হয়ে পড়বে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও কঠোর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সভা শেষে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সকল দপ্তর প্রধানকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে যথাযথ দায়িত্ব পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মুসলিম বাল্যবন্ধুর জানাজার পেছনে বসে কাঁদা আলোচিত সেই সুধীর বাবু মারা গেছেন।
তিনি মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান ।
সুধীর বাবুর ছেলে অর্জুন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, “মঙ্গলবার রাতে বাবার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে।”
এর আগে ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সুধীর বাবুর একটি ছবি ভাইরাল হয়। সেই সময় ছবিটি সম্পর্কে জানা যায়, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাপাচৌঁ গ্রামের আমির হোসেন নামে একজনের জানাজা চলছিল। সে সময় জানাজার পেছনে একটি গাছের গুঁড়িতে বসে কাঁদছিলেন সুধীর। মৃত আমির হোসেন সওদাগর সুধীর বাবুর বাল্যবন্ধু ছিলেন। বিষয়টি উপস্থিত সবার হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
স্থানীরা জানান, সুধীর বাবু ও আমির হোসেন ছোটবেলা থেকে একসঙ্গে আড্ডা ও খেলাধুলা করে বড় হয়েছেন। বয়সের একপর্যায়ে দুজন গুণবতী বাজারের ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসার শত ব্যস্ততার ভিড়েও সুযোগ পেলেই দুই বন্ধু ঘণ্টার পর ঘণ্টা আড্ডা দিতেন। অবসর সময় কাটাতেন একসঙ্গে। ২০২১ সালের ৮ সেপ্টেম্বর বন্ধু আমির হোসেন মারা যাওয়ার ৪ বছর পর বন্ধু সুধীর বাবুও মারা গেলেন।
মন্তব্য করুন