

ইতালির
রাজধানী রোমে বাংলাদেশি একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। স্ত্রী-সন্তানসহ
নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে। বর্তমানে তার বাড়িতে চলছে শোকের
মাতম।
শনিবার
(২৭ জুন) সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নিহত কামালের গ্রামের বাড়িতে গিয়ে আত্মীয়-স্বজন
ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা গেছে। শোকাহত পরিবারকে দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন স্বজনরা।
এর
আগে শুক্রবার (২৬ জুন) ইতালির সময় রাত প্রায় ৯টার দিকে রোমের পশ্চিমাঞ্চলীয় অরেলিও
এলাকার ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের একটি আবাসিক ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা
হলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের
ছেলে কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), তার স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) ও মেয়ে আরওয়া ইসলাম
আরিশা (৫)। একই ঘটনায় তাদের ছেলে আমির হোসেন অয়ন (১৮) গুরুতর আহত হয়েছেন।
কামালের
চাচাতো ভাই সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আশপাশের প্রতিবেশী ও নিহতের আত্মীয়-স্বজনরা
বাড়িতে জমায়েত হয়েছেন। ইতালীয় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী তাদের লাশ উদ্ধার করেছে এবং আহতকে আশঙ্কাজনক
অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেছে। তবে তিনি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নিহত
কামালের বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, এক বছর আগে আমার ছেলে যখন দেশে এসেছিল, তখনই আমাদের
বাড়িতে তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে একটি উড়োচিঠি দেওয়া হয়। বিষয়টি আমি স্থানীয় পুলিশ
প্রশাসনসহ সবাইকে জানাই। আমার ছেলে অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিল। আমি এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক
বিচার ও দোষীদের ফাঁসি চাই।
ইতালির
সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে প্রতিবেশীরা ওই ফ্ল্যাট থেকে চিৎকার
শুনতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনের লাশ উদ্ধার
করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি
আঘাত করে তাদের হত্যা করা হয়েছে।
খবর
পেয়েই রোম পুলিশের বিশেষ শাখা এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আলামত সংগ্রহ
করে। তবে কী কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কিংবা এর পেছনে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখন
পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেনি প্রশাসন।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের
টেকনাফে পাহাড় ধসে মাটির দেয়াল চাপায় মা ও ৩ ছেলে-মেয়ে নিহত হয়েছে।
শুক্রবার
ভোর ৪ টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
নিহতরা
হলেন, টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড মৌলভীবাজার মরিচ্যাঘোনার ফকির আহমদের
স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলে সাইদুল মোস্তফা (২০) ও ২ মেয়ে সাদিয়া বেগম (১১) ও নিলুপা
বেগম (১৮)।
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী ।
চেয়ারম্যান
রাশেদ মাহমুদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে থেমে থেমে হালকা
ও মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এরই মধ্যে হ্নীলা ইউনিয়নের মরিচ্যাঘোনা এলাকায় পাহাড় ধসের
ঘটনা ঘটে। মাটির দেয়াল চাপা পড়ে পাহাড়ের খাদে বসবাস করা একই পরিবারের ৪ জন নিহত হন।
পরে খবর পেয়ে স্থানীয়রা সেখানের মাটি সরিয়ে ৪জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
টেকনাফ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী জানান, পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বাড়ির পাশে
পড়লে দেয়াল ধসে ওই পরিবারের সবাই মাটি চাপা পড়েন। এতে ৪ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।
নিহতের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ইজতেমা গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হতে যাচ্ছে ।
বিশ্ব ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা আগামী ২ ফেব্রুয়ারি আম বয়ানের মাধ্যমে শুরু হবে। আর ইজতেমায় আগত মুসুল্লিদের সুবিধার্থে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে ময়দানের প্রস্তুতির কাজ।
মুসলমানদের বৃহত্তম এই সম্মেলন সুষ্ঠু, সুন্দর করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
এ বছর দুইপর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। প্রথম পর্ব হবে ২ থেকে ৪ ফেব্রুয়ারি, দ্বিতীয় পর্ব হবে ৯ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি।
টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানের সম্পূর্ণ মাঠ ইতোমধ্যেই খুঁটি বসানো শেষ হয়েছে। নামাজে দাগ কাটাও প্রায় শেষের দিকে। বিভিন্ন খিত্তায় ভাগ করা হয়েছে ময়দানটি। ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম পাশের সামিয়ানা টাঙানোর কাজ প্রায় শেষ। মাইকের জন্য বৈদ্যুতিক তার স্থাপনের কাজও শুরু হয়েছে। তুরাগ তীরের প্রায় ১৬০ একর জমি বিস্তৃত ইজতেমা ময়দানে প্রতিদিনই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসুল্লিরা এসে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কাজ করছেন। স্বেচ্ছাশ্রমে এরই মধ্যে প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ করেছে মুসুল্লিরা। প্রতি বছরের মতো ইজতেমার নিরাপত্তায় আশপাশে সিসি টিভি বসানোসহ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ করা হবে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মাঠের ভেতর ও বাইরে কাজ করবেন।
মুসুল্লিরা বলছেন, বিশ্বের লাখ লাখ দেশি-বিদেশি মেহমান আসবে ইজতেমা ময়দানে। তাদের থাকা-খাওয়া ও বসার জন্য তারা স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন।
জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন মিয়া বলেন, অন্যান্য বছরের মতো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ইজতেমা করার জন্য প্রয়োজনীয় টয়লেট, পানি সরবরাহ এবং ওজু-গোসলের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইজতেমা সফল করার লক্ষ্যে এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, দপ্তরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলছেন, নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশে ইজতেমা আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এজন্য সরকারি বিভিন্ন দপ্তর, পুলিশ প্রশাসন, সিটি করপোরেশন আলাদাভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন


গতকাল সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক নকল ও ভেজাল পণ্যের উপর তদারকিসহ বন্যার ত্রাণসামগ্রী (মুড়ি, চিড়া, গুড় ইত্যাদি) ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উল্লেখ্য, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকাতে অধিদপ্তরের ৬ জন কর্মকর্তার নেতৃত্বে ৬ টি টিম কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর কারওয়ান বাজার, লালবাগ, আজিমপুর, মাদারটেক, কাপ্তান বাজার ও মিরপুর এলাকায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
দেশের ৫৪টি জেলায় অধিদপ্তরের ৫৯টি টিম কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে ১২৬টি প্রতিষ্ঠানকে ৬,৫০,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানান, ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অধিদপ্তরের এসকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


শক্তি-সামর্থ্যে
ধারে কাছে ছিল না কেপ ভার্দে। র্যাংকিংয়ের ৬৭ নম্বর দলের বিপক্ষে খেলা চূড়ায় থাকা
আর্জেন্টিনার।
আবার
আলবিসেলেস্তাদের নামের পাশে তিন বিশ্বকাপের বিপরীতে প্রথমবার ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে
অভিষেক কেপ ভার্দের।
অতীত
ইতিহাস আর পরিসংখ্যানের হিসেবে লড়াইটা তাই একপেশেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মায়ামিতে
আজ যা হলো তাতে হাফ ছেড়ে বেঁচেছে আর্জেন্টিনা। স্কোরলাইন ৩-২ হলেও আলবিসেলেস্তাদের
কঠিন পরীক্ষা নিয়েছে প্রতিপক্ষরা। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের একদম চমকে দিয়েছে তারা।
জয়
কতটা কঠিন ছিল তার প্রমাণ পাওয়া যায় আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির কণ্ঠে। তার
মতে, ম্যাচটা অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন ছিল। বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ যে সহজ নয় তা ম্যাচ
শেষে স্বীকার করেছেন তিনি।
অতিরিক্ত
সময়ে জয় পাওয়ার পর স্কালোনি বলেছেন, ‘ম্যাচটি অবিশ্বাস্য রকমের কঠিন ছিল। লোকে যখন
বলে বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচই সহজ নয়, কথাটা আসলেই শতভাগ সত্যি। আজ তা আবারও প্রমাণিত
হলো।ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েছিল কেপ ভার্দে। তবে প্রতিবারই সমতায় ফিরে আর্জেন্টিনার
নাভিশ্বাস তুলেছিল তারা।
দুর্দান্ত
পারফম্যান্সের জন্য তাই প্রশংসা পাচ্ছে স্কালোনির কাছে থেকেও। আর্জেন্টিনার কোচ বলেছেন,
‘প্রতিপক্ষকে অভিনন্দন জানাতে চাই। আজ তারা মাঠে দেখিয়েছে কতটা দুর্দান্ত দল।’
শিষ্যদের
হাল না ছাড়ার মানসিকতার প্রশংসাও করেছেন স্কালোনি। তিনি বলেছেন, ‘সবকিছুর মাঝেও আপনাকে
সবসময় ইতিবাচক দিক খুঁজে নিতে হবে। আমাদের সবচেয়ে বড় ইতিবাচক দিক হলো—দলটি
কখনো হাল ছেড়ে দিতে জানে না।’
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পুলিশ লাইন্সে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উচ্চস্বরে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে পুলিশ
ও স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং শিক্ষার্থীরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ
সদস্য ও মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার
(১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ
ঘটনা ঘটে।
আহতদের
উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
পুলিশ,
মাদরাসা শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল কুদ্দুসের
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আগমন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ লাইন্সের ভেতরে জেলা পুলিশের উদ্যোগে
একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিআইজি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করার পরও মাইকে
উচ্চস্বরে গানবাজনা চলতে থাকে।
এ
সময় ওই এলাকায় অবস্থিত দারুল আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীদের বুধবার পরীক্ষা
থাকায় উচ্চস্বরে গান বাজানোর কারণে তাদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটে। পরে মাদরাসার কয়েকজন
শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের ভেতরে গিয়ে শব্দ কমানোর অনুরোধ জানান। এ নিয়ে উভয় পক্ষের
মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে শতাধিক শিক্ষার্থী পুলিশ লাইন্সের
ভেতরে প্রবেশ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনতে লাঠিচার্জ শুরু করে। এ সময় মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল
ও ঢিল ছুড়তে শুরু করেন। ত্রিমুখী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে পুলিশ ও শিক্ষার্থীসহ
অন্তত ৩০ জন আহত হন।
দারুল
আরকাম ইসলামিয়া মাদরাসার কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, পরীক্ষার আগের রাতে উচ্চস্বরে গান
বাজানোর কারণে তাদের পড়াশোনায় সমস্যা হচ্ছিল। তারা শান্তভাবেই শব্দ কমাতে অনুরোধ করতে
গিয়েছিলেন। কিন্তু পুলিশ উল্টো তাদের ওপর চড়াও হয় এবং লাঠিচার্জ করে আহত করে। তারা
এ ঘটনার সুষ্ঠু ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন এবং বিচার না হলে কঠোর আন্দোলনের
হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার ও স্থানীয় প্রবীণ আলেমদের মধ্যস্থতায়
রাতেই বিষয়টি সমাধান করা হয়।
এ
বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পুলিশ লাইন ও মাদরাসা পাশাপাশি
হওয়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শব্দের কারণে একটি ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছিল। এটিকে কেন্দ্র
করে একটি অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িত অতি উৎসাহীদের বিরুদ্ধে সিসিটিভির ফুটেজ
দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং আহতদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য করুন


২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ৩৩ জেলা প্রশাসককে (ডিসি) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করে একটি
প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর যেসব এসপি ও ইউনিট প্রধানরা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছিল তাও বাতিল করা হয়েছে।
এই
একই
কারণে এর আগে ওএসডি করা হয় ১২ ডিসিকে।
ওএসডি করা কর্মকর্তাদের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
সুন্দরগঞ্জে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল আউয়াল (৫৫) নামে সাবেক এক দায়রা জজের মর্মান্তিক
মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্মশান এলাকায় এ দুর্ঘটনা
ঘটে। নিহত আব্দুল আউয়াল ওই ইউনিয়নের মনিরাম (গাজীর মোড়) গ্রামের সৈয়দ ব্যাপারীর ছেলে।
তিনি সর্বশেষ গাজীপুর জেলার দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং বর্তমানে গাইবান্ধা
জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন।
দুর্ঘটনার
বিষয়টি দেশের একটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।
নিহতের
স্বজন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইন পেশার কাজ শেষে এক
মুহুরির (আইনজীবীর সহকারী) সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন আব্দুল আউয়াল সরকার।
পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন শ্মশান এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত
দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ড্রাম ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার
মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের
ভাতিজা রাশেদুল ইসলাম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আব্দুল আউয়াল সর্বশেষ গাজীপুর জেলার
দায়রা জজ ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলটির তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল
আলম হানিফকে একটি শালবন সংক্রান্ত বিষয়ে অন্যায় সুবিধা না দেওয়ায় তাকে বরখাস্ত (সাসপেন্ড)
করা হয়েছিল। তখন থেকেই তিনি বরখাস্ত অবস্থায় ছিলেন।
রাশেদুল
আরও জানান, সম্প্রতি নিহতের কাছ থেকে তিনি শুনেছিলেন যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের
পর চাকরিতে পুনর্বহালের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছিলেন আব্দুল
আউয়াল। এ নিয়ে তিনি ঢাকায় যোগাযোগও করছিলেন। একই সাথে গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইনজীবী
হিসেবেও প্র্যাকটিস করছিলেন তিনি।
এদিকে
দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে মোটরসাইকেল চালক তথা নিহতের মুহুরি আশাদুলকে বলতে
শোনা যায়, গাইবান্ধা থেকে মোটরসাইকেলটি চালিয়ে আসছিলেন নিহত আব্দুল আউয়াল। পথের কিছুদূর
আসার পর তিনি আশাদুলকে চালাতে দিয়ে নিজে পেছনে বসেন।
সুন্দরগঞ্জের
শ্মশান এলাকায় পৌঁছালে রংপুর থেকে আসা একটি ড্রাম ট্রাক তাদের অতিক্রম করার সময় এই
দুর্ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে আশাদুল দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি ওই সময় অনেক ধীরগতিতে ছিল। কিন্তু
পেছনে কীভাবে কী হলো আমি বুঝতে পারিনি। আমিও পড়ে গিয়ে হাত ছিলে গেছে, তবে আমার মাথায়
হেলমেট ছিল। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক গাড়িটি থামালেও এই অবস্থা দেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।
আশাদুল
আরও জানান, ঘটনার পরপরই তিনি জজের বাড়িতে ফোন দিলেও কেউ রিসিভ করেনি। তাই মোবাইল ও
বিপুল পরিমাণ টাকাসহ নিহত জজকে রাস্তায় রেখেই তিনি সরাসরি তার বাড়িতে খবর দিতে যান।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে আসেন।
তবে
ওই ভিডিওতে স্থানীয়দের আশাদুলের প্রতি ক্ষোভ ও সন্দেহ প্রকাশ করতে দেখা যায়। মোটরসাইকেলের
পেছনে থাকা মানুষ মারা গেলেন, অথচ চালক ও বাইকের কিছুই হলো না- এমন সন্দেহজনক প্রশ্ন
করতে শোনা যায় স্থানীয়দের।
সুন্দরগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের
কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি
আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে
আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


২০২৪
সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে
জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার
ইশরাক হোসেন জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ১৬ জুলাই দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’
হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, ওই দিন সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পর আন্দোলনের প্রভাব দেশব্যাপী ছড়িয়ে
পড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এটি ব্যাপক গুরুত্ব পায়, যা মূলত গণঅভ্যুত্থানকে ত্বরান্বিত
করেছিল। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু
সাঈদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যেখানে উপস্থিত থাকবেন
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। একই দিনে কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম
আকরামের স্মরণে অন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী
ইশরাক হোসেন।
সরকারের
পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’
পালনের মাধ্যমে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে
আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ভোর ৬টায়
শাহবাগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে এবং আন্দোলনে শহীদ ও
আহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
কর্মসূচির
অংশ হিসেবে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা স্মরণে ‘ক্যাম্পাসের
ক্ষতচিহ্ন’ বা ‘প্রতিরোধের সূচনা’ নামে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৮ জুলাই ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’
উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিবাদী সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
একই সাথে ২৪ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের গড়ে তোলা ঐতিহাসিক প্রতিরোধের
স্মরণে একটি বিশেষ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
ইশরাক হোসেন জানান, রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্মরণসভা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো আগস্ট মাস জুড়ে গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করা হবে। শহীদদের
আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি তুলে
ধরাই সরকারের এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


মো. আজিজার রহমান, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের খানসামায় রমজানের শুরুতেই সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপণ্যের
দাম লাগামহীন। বিশেষ করে ইফতার সামগ্রীতে ব্যবহৃত বেগুনি, শসা ও লেবু দ্বিগুণের বেশি
দামে বিক্রি হচ্ছে। বাড়তি টাকা না দিলে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল। সেই সঙ্গে পেঁয়াজ,
কাঁচা মরিচ ও মাছ-মাংসের দামও ঊর্ধ্বমুখী। ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, চার -পাঁচ দিনের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেলেও এ
ক্ষেত্রে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়নি। মূলত প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাবে বিক্রেতারা
খেয়ালখুশিমতো দাম বৃদ্ধি করছেন।
জানা যায়, রমজানে ইফতার সামগ্রী
তৈরিতে ছোলা, বেগুনি, শসা, কাঁচা মরিচ, লেবু ও ভোজ্যতেলের চাহিদা বেশি থাকে। এর মধ্যে
বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও বেগুনি, শসা ও লেবুর দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
খানসামা উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এখানে প্রকারভেদে বেগুন কেজিপ্রতি ৬০-৭০
টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগেও ২৫-৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হতো। তবে বাজারে স্থিতিশীল
রয়েছে খেজুর, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, গুড় প্রভৃতি পণ্যের দাম।
শসা কেজিপ্রতি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি
হচ্ছে, গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ২৫-৩০ টাকায়। লেবুর হালি গত সপ্তাহে ১৫-২০ টাকায় বিক্রি
হলেও এখন তা ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে পেঁয়াজ প্রতি কেজিতে ২৫-৩০ টাকা বৃদ্ধি
পেয়ে ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ছোলা প্রতি কেজি ১১০-১২০ টাকা, বেসন কেজি মানভেদে
৮০-১২০ টাকায়, চিনি ১২০ টাকা ও খেসারির ডাল ১১০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
জানা যায়, রমজান ঘিরে পর্যাপ্ত
আমদানি হলেও বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট চলছে। অধিকাংশ দোকানে বোতলজাত তেল পাওয়া
যাচ্ছে না। যাদের দোকানে পাওয়া যায় সেখানেও নির্ধারিত দামের তুলনায় বেশি রাখা হচ্ছে।
বোতলজাত সয়াবিন তেল সংকটে দাম বাড়িয়ে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে খোলা সয়াবিন
তেল।
অন্যদিকে উপজেলার পাকেরহাট বাজার ঘুরে জানা যায়, ব্রয়লার মুরগি কাটা কেজিপ্রতি ২৭০-২৮০ টাকা, সোনালি মুরগি প্রতি কেজি ৩৭০-৩৮০ টাকা ও লেয়ার কাটা প্রতি কেজি
৪৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পাল্পা
দিয়ে বাড়ছে মাছের দামও।
দিনমজুর রাসেল রানা জানান, রাজনৈতিক
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ভেবেছিলাম এ বছর রমজানে বাজার স্বাভাবিক থাকবে। কিন্তু চাহিদা
বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও বেড়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গরুর মাংস ৭০০ টাকা দরে
বাজারে বিক্রি হচ্ছিল। সে কারণে মুরগিও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। বাজারে কোনো মনিটরিং
ব্যবস্থা নেই। সাধারণ মানুষকে বেশি দাম দিয়ে পণ্য কিনতে হয়।
এ ছাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার (৩ মার্চ)দুপুরে খানসামা
উপজেলার পাকের হাট, চেহেলগাজী বাজার, ও খানসামা
বাজারে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)
কামরুজ্জামান সরকার, দিনাজপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক
মোঃ বোরহান উদ্দিন,পুলিশ ও আনছারসহ মনিটরিং অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিভিন্ন দোকানে পণ্যের দাম,
মান, মূল্য তালিকা, পণ্যের সরবরাহ ইত্যাদি বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়। তবে ধারাবাহিক মনিটরিং
না থাকায় সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন ভুক্তভোগীরা।
দিনাজপুর জেলা ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক
মোঃ বোরহান উদ্দিন বলেন, রমজানে সিন্ডিকেটে যেন পণ্যের দাম বৃদ্ধি করা না হয় সে জন্য
নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম হলে সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


গত ২০ এপ্রিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৪২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ৩
ডিগ্রি, মোংলায় ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি, ঈশ্বরদীতে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি, খুলনায় ৪১ দশমিক
২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া দেশের অন্যান্য স্থানেও মৃদু
থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে, এখনো যা বিদ্যমান আছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ মো.
শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, দেশের ওপর দিয়ে চলমান তাপপ্রবাহ আজ (২৫ এপ্রিল) হতে
পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া জলীয়বাষ্পের আধিক্যের কারণে অস্বস্তি
বাড়তে পারে।
এর
আগের আরও তিনবার তথা গত ৩, ১৯ ও ২২ এপ্রিল তিন দিনের ‘হিট অ্যালার্ট’ জারি করা
হয়েছিল। তবে প্রথম দুইবার তাপমাত্রা বাড়ার আভাস ছিল।
চলতি
মাসে টানা তাপপ্রবাহ চলছে। মাঝে অতিতীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে গেলে বর্তমানে কিছুটা
কমেছে।
২০২৩
সালের ১৬ এপ্রিল আগের ৫৮ বছরের মধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ, ৪০ দশমিক ৬
ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় ১৯৬৫ সালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি
সেলসিয়াসে।
এর আগে ১৯৬০ সালে ঢাকার সর্বোচ্চ
তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ১৯৭২ সালের ১৮ মে রাজশাহীতে
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এই রেকর্ড
এখনো ভাঙেনি।
মন্তব্য করুন