

১০৯
কন্যার অভিভাবকের দায়িত্ব নিয়ে বিয়ের সমস্ত খরচ বহন করলেন মানবিক রুহুল আমিন রুবেল।
অসহায় রাবেয়াকে নিজের মেয়ের মতো করে তার পরিবারের ইচ্ছামাফিক জাকজমকপুর্ণ অনুষ্ঠান
করে বিয়ে দিয়েছেন।
কনে
রাবেয়া নড়াইলের লোহাগড়ার কাশিপুর ইউনিয়নের ঈশানগাতী গ্রামের জালাল মোল্যার মেয়ে। ৮
বছর আগে বাবা দুরারোগ্য ব্যধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
বিয়ের
ব্যয়ভার বহনকারী মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিতি রুহুল আমিন রুবেল নাটোরের বড়াইগ্রামের
চণ্ডিপুর গ্রামের। তিনি দীর্ঘ ২৪ বছর ধরে নিজ খরচে ১০৯টি অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারের
কন্যা সন্তানের বিয়ের খবর বহন করে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
জানা
গেছে, ৮ বছর আগে ঈশানগাতী গ্রামের জালাল মোল্যার মৃত্যু হয়। পেশায় দীনমজুর ছিলেন। দীনমজুর
বাবার মৃত্যুর পর রাবেয়ার অসহায় মা হেনা বেগমের কাঁধে সংসারের ভার পড়ে। খেয়ে না খেয়ে
অর্থ কষ্টেই বেড়ে ওঠে রাবেয়া। রাবেয়ার বয়স ১৮ বছর হওয়ায় তার বিয়ের জন্য পাত্র খুঁজতে
থাকে তার পরিবার। কিছুদিন আগে রাজধানী ঢাকার মিরপুর পূর্ব কল্যাণপুর পাইকপাড়া এলাকায়
বসবাসরত আবুল খায়ের মিয়ার ছেলে মো. পারভেজ মিয়ার সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক হয়। উভয়পক্ষের
সম্মতিতে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারিত হয়। বরযাত্রী ১৫ জন। এছাড়া
আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশি সব মিলে লোকসংখ্যার শতাধিক মানুষের আয়োজন বিধবা হেনা বেগমের
জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
হেনা
বেগম দীর্ঘদিন ধরে সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে সংসারের খরচ চালাতেন। ঋণ আদান-প্রদানের মধ্যদিয়ে
লক্ষ্মীপাশা পল্লী প্রগতি সহায়ক সমিতির ম্যানেজার নূর মোহাম্মদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে
ওঠে। মা হেনা বেগম তার মেয়ের বিয়ের খরচ যোগাড় নিয়ে দুঃশ্চিন্তার কথা জানান ম্যানেজারকে।
বিষয়টি নূর মোহাম্মদ শোনার পর তার ঘনিষ্ট বন্ধু মানবিক রুহুল আমিন রুবেলকে জানান। রুহুল
আমিন বিষয়টি জানতে পেরে রাবেয়ার বাড়িতে ছুটে যান। তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং
রাবেরায় বিয়ের যাবতীয় ব্যয়বহনের আশ্বাস দেন।
বৃহস্পতিবার
ছিল রাবেয়ার বিয়ের দিন। বিয়েকে ঘিরে রাবেয়াদের বাড়িতে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠে সবাই। শিশুদের
রঙ উৎসব, বিয়ের গোসল, নারীদের বরণ অনুষ্ঠান, হলুদ সন্ধ্যা, নাচ গানসহ নানা আয়োজন ছিল।
মানবিক
রুহুল আমিন রুবেল বলেন, রাবেয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তারা যেভাবে ইচ্ছাপোষণ
করেছে, ঠিক সেভাবেই বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। বিয়েতে মোট দেড়শত লোকের খাবারের আয়োজন করা
হয়। রাবেয়াকে নিজের মেয়ে হিসেবে গ্রহণ করেই তার বিয়ের যাবতীয় আয়োজন করেছি। রাবেয়া আমার
১০৯তম কন্যা। তার বিয়েতে শরীক হতে পেরে আমি আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করি।
তিনি
বলেন, সমাজে অনেক ধনী মানুষ আছে। তারাও ইচ্ছা করলে এ ধরনের মানবিক কাজে এগিয়ে আসতে
পারেন। তাহলে আমাদের সমাজে গরীব মানুষের দুঃখ কষ্ট অনেকটাই দূর হয়ে যাবে। আমি ২০০২
সাল থেকে মানবিক কাজ শুরু করি ।
রাবেয়ার
মা হেনা বেগম বলেন, মেয়ের বিয়ের খরচ নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছিলাম। রুহুল আমিন ভাই মেয়ের
বিয়ের দায়িত্ব নেয়ায় চিন্তুমুক্ত হই। মেয়ের বিয়ে আল্লাহর রহমতে ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
রুবেল ভাই, পাশে না দাড়ালে বিয়ের খরচ কিভাবে যোগাড় করতাম তা আল্লাহপাকই জানেন।
নাটোরের
বড়াইগ্রাম উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামের একজন সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী রুহুল আমিন রুবেল। নিজ
জেলাসহ দেশের যেখানেই অস্বচ্ছল ও এতিম মেয়ের সন্ধান পান সেখানেই পিতৃহীন কন্যার বাবার
ভূমিকা পালন করেন তিনি। পরিবার, আত্মীয় স্বজন ও স্থানীয়দের নিয়ে নিজ খরচে আয়োজন করেন
বিয়ের। কন্যা ও তার পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী জাকজমকপুর্ণ বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা
হয়। এভাবে গত ২৪ বছরে ১০৯ মেয়ের বাবা হয়েছেন রুহুল আমিন রুবেল।
মন্তব্য করুন


চলতি
বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত
করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে আগামী বছরের জুনের মধ্যে বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত
হবে, যা বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গৃহীত সংস্কার কার্যক্রম সামনে এগিয়ে নিতে সহায়ক
হবে।
আজ
বুধবার (২৮ মে) জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ
লিগের (জেবিপিএফএল) সভাপতি তারো আসো টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে
গেলে তিনি এ কথা বলেন।
চার
দিনের সরকারি সফরে প্রধান উপদেষ্টা আজ দুপুরে টোকিও পৌঁছান। সফরকালে তিনি নিক্কেই ফোরামে
অংশগ্রহণের পাশাপাশি জাপানি নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।
সাবেক
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের বন্ধু তারো আসো, যিনি জেবিপিএফএলের সভাপতির
দায়িত্ব পালন করছেন, অধ্যাপক ইউনূসকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে অগ্রসর
করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং একটি মসৃণ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য সাধারণ নির্বাচন
অনুষ্ঠানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার তিনটি প্রধান বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে—সংস্কার, খুনিদের বিচার ও
সাধারণ নির্বাচন আয়োজন।
তিনি
আরও বলেন, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠন এবং
ঋণ পরিশোধে সরকার উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জন করেছে।
'পূর্ববর্তী
সরকার আমাদের দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করেছে, যার ফলে তরুণ সমাজের মধ্যে বিদ্রোহ
সৃষ্টি হয়েছে। সেই তরুণরাই আমাকে এই বিশৃঙ্খলা দূর করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে,' বলেন তিনি।
তিনি
বলেন, 'গত ১০ মাসে জাপান আমাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিয়েছে। আমি জাপানকে আন্তরিক
ধন্যবাদ জানাই। এক অর্থে, এটি একটি কৃতজ্ঞতা সফর।'
প্রধান
উপদেষ্টা ড. ইউনূস তারো আসোকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান, যাতে তিনি নিজের চোখে
পরিবর্তনগুলো দেখতে পারেন।
সাক্ষাতের
সময় তারো আসোর সঙ্গে থাকা কয়েকজন জাপানি সংসদ সদস্য বলেন, ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট
(ইপিএ) স্বাক্ষর বাংলাদেশে বৃহত্তর পরিসরে জাপানি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ
পদক্ষেপ হতে পারে।
বাংলাদেশ
আগামী আগস্টের মধ্যে আলোচনার কাজ শেষ করে সেপ্টেম্বর মাসে ইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরের প্রত্যাশা
করছে।
এই
চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে জাপান হবে বাংলাদেশে ইপিএ স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ।
প্রধান
উপদেষ্টা রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিস্থিতি সম্পর্কে জাপানি সংসদ সদস্যদের অবহিত করেন এবং
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এজেন্ডা বাস্তবায়নে তাদের সহায়তা কামনা করেন।
তিনি
বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট অন্যান্য শরণার্থী সংকটের থেকে ভিন্ন, কারণ তারা অন্য
কোনো দেশে যাওয়ার জন্য অনুনয় করছেন না, বরং নিজ দেশে ফেরার দাবি করছেন।
বৈঠকে
উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ দূত লুৎফে
সিদ্দিকী এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।
মন্তব্য করুন


১৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বমোট ২২৯ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
১৪ উপজেলাতেই লেগেছে বন্যার ছোবল। স্মরণকালের ভয়াবহতার শিকার হয়েছেন কুমিল্লাবাসী।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত বুড়িচং, নাঙ্গলকোট, চৌদ্দগ্রাম ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা অন্তত
আড়াই শ’ গ্রাম।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাজুড়ে ৭২৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় ৭০ হাজারের মতো মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
এদিকে গোমতী, সালদা ও ঘুংঘুর নদীর ভাঙনের মাঝে পড়ে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়ার মানুষ এখন পানির তলায়। ডুবছে দেবিদ্বারও। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, তিতাস উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। বন্যায় বাড়ছে প্রাণহানি, ভাঙনের তোড়ে ভেসে গেছে বাড়িঘর খেত খামার, মাছের প্রজেক্ট।
সরকারি হিসেবে, বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন ২ শিশুসহ ৪ জন। বন্যাকবলিত ক্ষতিগ্রস্ত জনসংখ্যা সাড়ে ৯ লাখ, আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয়গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬৭ হাজার। বেসরকারি হিসেবে, এসব সংখ্যা ছাড়িয়েছে বহু গুণ।
বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যাহত হওয়ায় খোঁজও নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না দুর্গত এলাকাগুলোর।
এ দিকে কৃষি বিভাগের তথ্য, ৬০ হেক্টর কৃষি জমি আক্রান্ত হয়েছে বন্যায়। পনিতে তলিয়ে যাওয়া সবজির আবাদ সবই বিনষ্ট হয়েছে।
বন্যাকবলিত এলাকায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি, স্বেচ্ছাসবী সংগঠন, রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি উদ্যোগে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বিভিন্ন উপজেলায়। তবে নৌকা ও স্পিডবোট কম থাকার কারণে সেসব ত্রাণও সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এতে উদ্ধার কাজও ব্যাহত হচ্ছে প্রকটভাবে।
পানি
উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খান মোহাম্মদ ওয়ালিউজ্জামান বলেন, বিপৎসীমার
১ সেন্টিমিটার ওপরের পানিও ঝুঁকির। বর্তমানে গোমতীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার
ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঘণ্টায় দেড় থেকে ২ সেন্টিমিটার পানি কমছে।
মন্তব্য করুন


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার
শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ আমিনা ফারহিনের বাসায় চুরির
ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৩০ মে) ভোরে পৌর এলাকার মৌলভীপাড়ায় তিতাস টুইন টাওয়ারের ২য় তলায়
তাঁর বাসভবনে এ ঘটনা ঘটে।
বিচারক
সৈয়দ আমিনা ফারহিন ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকেন। তবে ঘটনার সময় তিনি বাসায় ছিলেন না। খবর
পেয়ে সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিতাস
টুইন টাওয়ারের কেয়ার টেকার রতন মিয়া জানান, ঈদের ছুটিতে ওই বিচারক ফ্ল্যাট তালা দিয়ে
বাড়িতে যান।
সিসি
ক্যামেরাতে দেখা গেছে ভোরে তিনজন পেছনের গ্রিল ভেঙে দ্বিতীয় তলায় উঠে। পরে ফ্ল্যাটের
তালা ভেঙে প্রবেশ করে। সেখানে দুটি আলমিরা ভেঙে সব মালামাল নিয়ে গেছে। এ ছাড়াও অন্যান্য
মালামাল নিয়ে গেছে চোরের দল। সকালে বিষয়টি নজরে এলে পুলিশকে অবহিত করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকিব উর রাজা জানান, চুরির খবর পেয়ে ওই ফ্ল্যাটে
যায় পুলিশ। বিচারক ছুটিতে থাকার সুযোগে চুরির এ ঘটনাটি ঘটে। কি পরিমাণ মালামাল চুরি
হয়েছে সেটা জানার চেষ্টা চলছে। জড়িতদের চিহ্নিত করতেও কাজ করছে পুলিশ।
মন্তব্য করুন


রাঙামাটির
বাঘাইছড়িতে বজ্রপাতের বিকট শব্দে তিন মাস বয়সী এক পাহাড়ি শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় একই পরিবারের বাবা-মাসহ আরও ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) দিবাগত
রাত ৩টার দিকে উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাট ডানে বাইবাছড়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত
শিশুর নাম উজ্জ্বল চাকমা (৩ মাস)। আহতরা হলেন- শিশুটির বাবা নয়ন চাকমা (২৫), মা রেশমি
চাকমা (২০), প্রদীপ চাকমা (৫০), মায়া রানি চাকমা (৪৫), জেরিং চাকমা (১৮) ও নিজুম চাকমা
(১৫)। তারা সবাই সাজেক ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাঘাইহাট ডানে বাইবাছড়া গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়
ও ইউপি সূত্র জানায়, রাতে ঝড়-বৃষ্টির সময় পরিবারের সবাই একটি বসতঘরে ঘুমন্ত অবস্থায়
ছিলেন। রাত ৩টার দিকে ওই বাড়ির ওপর সরাসরি বজ্রপাত হলে ঘরে থাকা সবাই আহত হন। এ সময়
বজ্রপাতের প্রচণ্ড ও বিকট শব্দে কোলের শিশু উজ্জ্বল চাকমা ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
সাজেক
ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দয়াধন চাকমা জানান, গভীর রাতে বজ্রাঘাতের বিকট শব্দে শিশুটি মারা
গেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আহত ৬ জনকে দ্রুত উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক
জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা বলেন, ‘এটি অত্যন্ত
মর্মান্তিক একটি ঘটনা। বাবা-মায়ের কোলের শিশুটি এভাবে চলে গেল এবং পরিবারের সবাই আহত
হলেন। আমি সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা
করার চেষ্টা করব।’
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড.
আসিফ নজরুল জানিয়েছেন তিনি বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের শোষণ, পাসপোর্ট ও এনআইডি প্রাপ্তি
এবং ব্যাংকে টাকা স্থানান্তর ও টাকা তোলার ক্ষেত্রে ভোগান্তি নিরসনে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, 'বিদেশে শ্রমিক শোষণ বন্ধের
বিষয়ে আমরা কাজ করছি। কিছুটা অগ্রগতি হোক, তখন জানাবো।'
আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) উপদেষ্টা
তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে একথা বলেন, আমি সরকারী কাজে কাতারে ছিলাম তিনদিন।
আমার হোটেলে যেসব বাংলাদেশী ভাইরা কাজ করেন তাদের থেকে তাদের বঞ্চনার অনেক খবর শুনেছি।
দুতাবাসে আমন্ত্রিত অনেক শ্রমিক ও পেশাজীবী ভাই-বোনের সাথে কথা বলেছি। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের
বক্তব্যও শুনেছি। সেখানকার প্রবাসী ভাই-বোনদের মূল অভিযোগ পাসপোর্ট-এনআইডি-পাওয়ার অব
এটর্নি সংক্রান্ত বিষয়ে এবং সেখানে কর্মসংস্থান ও পারিশ্রমিক নিয়ে। এর মধ্যে পাসপোর্টের
বিষয়ে আমি ডিজির সাথে কথা বলেছি। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে
পাসপোর্ট সরবরাহ শুরু হবে।
পাসপোর্ট আর এনআইডি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বিষয় উল্লেখ করে আসিফ নজরুল বলেন, তবে সেখানে আমি যোগাযোগ অব্যাহত রাখবো। কালকে আমি
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে পাসপোর্ট ফি কমানো বা কমহারে সবার জন্য একরকম করার কথা বলেছি।
এটা নিয়ে আমার যোগোযোগ অব্যাহত থাকবে।
তিনি আটো বলেন, এছাড়া পাসপোর্ট আর এনআইডি
সহজীকরণের বিষয়ে কি কি করা যায় তা আইন মন্ত্রনালয়ের থেকে খতিয়ে দেখবো।
আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, 'আপনারা ভালো
থাকবেন। পবিত্র জুম্মার দিনে আমাদের শহীদ ভাই চট্টগ্রামের আইনজীবী সাইফুল ইসলামের মাগফেরাত
এবং আমাদের সকলের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন।'
মন্তব্য করুন


ঢাকা
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষে
শিক্ষার্থী, পাঁচ পুলিশসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন।
রোববার
(১৭ মে) শহীদ মিনারে নবনিযুক্ত ভিসি সমর্থিত শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে
এ সংঘর্ষ হয়।
জানা
গেছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের
ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। আর এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তা প্রত্যাখ্যান
করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা।
এ
নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ। রোববার সকালে নবনিযুক্ত ভিসিকে লাল
কার্ড কর্মসূচি ব্যানারে বিক্ষোভের ডাক দেয় আন্দোলনরত ছাত্ররা। তারা শহীদ মিনারে জড়ো
নবাগত ভিসির সমর্থিত ছাত্রদের সাথে আন্দোলনকারীদের ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
শিক্ষার্থীদের
দাবি, ভাইস চ্যান্সেলর ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে। ডুয়েটের
শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা, একাডেমিক কাঠামো ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও ধারণা তুলনামূলক বেশি। ফলে ডুয়েটের উন্নয়ন
ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ শিক্ষক থেকে উপাচার্য নিয়োগ অধিক কার্যকর
হবে।
সদর
মেট্রো থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে রয়েছি, আমিসহ ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত
হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


খুলনায়
ফজরের নামাজ চলাকালে মসজিদের ভেতরে ঢুকে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়েছে
একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ (সেক্রেটারি)
দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক
চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।
রোববার
(১৪ জুন) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মহানগরীর দৌলতপুর থানার পশ্চিম কাশীপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র
জামে মসজিদে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ
ব্যক্তিরা হলেন- মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিম (৪৫) এবং স্থানীয় মুসল্লি আলম
শেখ (৫৫)।
পুলিশ
ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মসজিদে
ফজরের জামাত চলছিল। নামাজ চলাকালীন আকস্মিকভাবে কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে
প্রবেশ করে। তারা সরাসরি মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি লোকমান হাকিমকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।
এ সময় পাশে থাকা আলম শেখ নামের আরেক মুসল্লিও গুলিবিদ্ধ হন। গুলিতে রক্তাক্ত অবস্থায়
দুজনেই মসজিদের মেঝেতে লুটিয়ে পড়লে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
পবিত্র
উপাসনালয়ের ভেতরে গুলির শব্দ শুনে আশপাশের বাসিন্দা ও অন্য মুসল্লিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে
ছুটে আসেন। পরে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় আহত দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক)
হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের শারীরিক অবস্থার আশঙ্কাজনক অবনতি হলে চিকিৎসকদের
পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকায় পাঠানো হয়।
খুলনা
মহানগর পুলিশের (কেএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (দৌলতপুর জোন) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সেখান থেকে
গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছে। অপরাধীদের শনাক্ত করতে সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার
ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। এই হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ এবং জড়িতদের পরিচয় উদ্ঘাটনে
পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করছে।
পুলিশের
এই কর্মকর্তা আরও জানান, গুলিবিদ্ধ লোকমান হাকিম ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি
লিমিটেডের (ওজোপাডিকো) একজন তালিকাভুক্ত ঠিকাদার এবং জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী। ব্যবসায়িক
দ্বন্দ্ব কিংবা পূর্বশত্রুতার জেরে এই পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে কি না, তা অত্যন্ত
গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সভায় ১৪৪৫ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের (ফিতরা) হার নির্ধারণ করা হয়।
রমজানে এ বছর বাংলাদেশে ফিতরার হার জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১৫ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৯৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর (২০২৩) সর্বোচ্চ ফিতরা ২ হাজার ৬৪০ টাকা, তবে সর্বনিম্ন ফিতরা ১১৫ টাকাই ছিল।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ রুহুল আমিন। এতে ফিতরা নির্ধারণ কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি সাংবাদিকদের ফিতরার হার জানান।
সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় যে, ইসলামী শরীয়াহ মতে মুসলমানরা সামর্থ্য অনুযায়ী গম, আটা, খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের যে কোনো একটি পণ্যের নির্দিষ্ট পরিমাণ বা এর বাজার মূল্য ফিতরা হিসেবে গরিবদের মধ্যে বিতরণ করতে পারবেন। এসব পণ্যের বাজার মূল্য হিসাব করে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ফিতরা নির্ধারণ করা হয়। গম ও আটার ক্ষেত্রে এর পরিমাণ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’)। খেজুর, কিসমিস, পনির ও যবের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রামের (এক সা’) মাধ্যমে সাদকাতুল ফিতর (ফিতরা) আদায় করতে হয়।
হাফেজ মুফতি মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন জানান, উন্নতমানের আটা বা গমের ক্ষেত্রে ফিতরা এক কেজি ৬৫০ গ্রাম (অর্ধ সা’) বা এর বাজার মূল্য ১১৫ টাকা। যবের ক্ষেত্রে (এক সা’) ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ৪০০ টাকা ফিতরা দিতে হবে।
এছাড়া ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম কিসমিস বা এর বাজার মূল্য দুই হাজার ১৪৫ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করা যাবে। খেজুরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য দুই হাজার ৪৭৫ টাকা ও পনিরের ক্ষেত্রে ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজার মূল্য ২ হাজার ৯৭০ টাকা দিয়ে ফিতরা আদায় করতে হবে বলে জানান কমিটির সভাপতি।
ফিতরার পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজার মূল্যের তারতম্য রয়েছে। সে অনুযায়ী স্থানীয় মূল্য পরিশোধ করলেও ফিতরা আদায় হবে বলেও জানান মাওলানা রুহুল আমিন।
নেছাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ তোলা রুপার সমপরিমাণ) মালের মালিক হলে মুসলমান নারী পুরুষের ওপর ঈদের দিন সকালে সাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব হয়। ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে ফিতরা আদায় করতে হয়।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ বা ১১ এপ্রিল মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।
মন্তব্য করুন


নতুন শিক্ষাক্রমে বিভাগ
বিভাজন (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) নেই। ফলে নবম শ্রেণিতেও একই পাঠ্যবই পড়ছে সব
শিক্ষার্থী।
রোববার (১ সেপ্টেম্বর)
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচির মোসাম্মৎ রহিমা আক্তার সাক্ষরকৃত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনা থেকে জানা গেছে, নবম শ্রেণির
শিক্ষার্থীর যখন দশম শ্রেণিতে উঠবে, তখন বিভাগ বিভাজনের সুযোগ পাবে। তারা আগের
নিয়মে যেন ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সেজন্য সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচিও
প্রণয়ন করা হবে।
নির্দেশনায় আরো বলা
হয়েছে, ২০২৫ সালে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা
(২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য) নেওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা
অব্যাহত রেখে পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত সংশোধিত ও পরিমার্জিত
পাঠ্যপুস্তকগুলো (অর্থাৎ ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত পুস্তক) শিক্ষার্থীদের সরবরাহ
করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, যেসব
শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর
আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (২০২৩
শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) প্রদান করা হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে দুই
শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করবে।
‘জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে প্রণীত বিজ্ঞান,
মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষাভিত্তিক এ পাঠ্যপুস্তকগুলোর একটি সংক্ষিপ্ত পাঠ্যসূচি
প্রণয়ন করা হবে, যেন শিক্ষার্থীরা এক শিক্ষাবর্ষের মধ্যেই পাঠ্যসূচিটি সম্পন্ন
করতে পারে। পাঠদান ও মূল্যায়ন পদ্ধতি জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ অনুসারে পরিচালিত
হবে।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষাবিদ, শিক্ষাক্রম বিশেষজ্ঞ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ,
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও
অভিভাবক প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় ২০২৫ সালে পরিমার্জিত শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত করা হবে,
যা ২০২৬ সাল থেকে পরিপূর্ণরূপে কার্যকর করা হবে।
মন্তব্য করুন