

মসজিদের
ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মাসিক সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের
উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় রাজধানীর
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকারের অন্যতম
নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পাইলট প্রকল্পের আওতায়
প্রাথমিকভাবে দেশের হাজার হাজার ধর্মীয় সেবককে মাসিক ভাতার আওতায় আনা হয়েছে।
এর
মাধ্যমে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জীবনমান উন্নয়ন ও সামাজিক স্বীকৃতি
নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই কার্যক্রমে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবাইতকে মাসিক সম্মানি
প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার
যাজকসহ অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরাও এই সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
প্রকল্পের
আর্থিক রূপরেখা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদের জন্য মোট ১০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানি নির্ধারণ
করা হয়েছে।
এর
মধ্যে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম
২ হাজার টাকা করে পাবেন।
অন্যদিকে,
হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোর জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা
করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার
টাকা পাবেন। একইভাবে বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং খ্রিস্টান
চার্চের পালক বা যাজক ৫ হাজার ও সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা করে সম্মানি পাবেন।
উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ধর্মের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে অবস্থানরত ডেনমার্ক, নরওয়ে ও সুইডেন এর রাষ্ট্রদূতগণের সাথে জাতীয় নাগরিক পার্টি - এনসিপি নেতৃবৃন্দের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে নরওয়েজিয়ান রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রান্ডসেন এর বাসভবনে প্রাতরাশের আমন্ত্রণে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইক্স, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সহ সকলে মিলিত হন।
এনসিপি’র প্রতিনিধি দলে ছিলেন যুগ্ম আহবায়ক ও আন্তর্জাতিক সেল প্রধান সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, যুগ্ম সদস্য সচিব ও আন্তর্জাতিক সেল উপ-প্রধান আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও ইউরোপ ডেস্কের দায়িত্বে থাকা নাভিদ নওরোজ শাহ্।
আলোচনায় উঠে আসে সমসাময়িক রাজনীতির নানান আলাপ। রাষ্ট্রদূতগণ সংস্কার ও জুলাই সনদ নিয়ে ঐকমত্যের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চান। সেই সাথে আগামী নির্বাচন ঘিরে এনসিপি’র প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে কথা হয়। উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক মন্ত্রনালয় এবং
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, জনগণের
আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে
জাতীয় নির্বাচন। বিগত ফ্যাসিবাদের সময় উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যেভাবে বৈষম্য করা হয়েছে,
অন্তর্বর্তী সরকার তা করবে না। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রংপুর ও রাজশাহী বিভাগেও
যাতে সমানভাবে উন্নয়ন হয়, সেভাবে কাজ করবে এ সরকার।
আজ বুধবার
(২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা শহরের সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়
মাঠে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা
আসিফ মাহমুদ বলেন, শিল্পের বিকাশ ছাড়া অর্থনৈতিক প্রবাহ এবং উন্নয়ন অসম্ভব। এ লক্ষ্যে
উত্তরবঙ্গে যেন শিল্পের বিকাশ ঘটে এজন্য স্থলবন্দর শক্তিশালী করণে সরকার কাজ করবে।
এরই মধ্যে সুগার ও টেক্সটাইল মিল চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই
অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্য। জনগণ চায় প্রকৃত সংস্কার শেষে জাতীয় নির্বাচন। সেই
লক্ষ্য বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার কাজ করছে। গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোতে আমরা হাত
দিচ্ছি।
জেলা প্রশাসক
মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তফা মঞ্জুর, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র
আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক আবু সাঈদ লিওনসহ অনেকে এসময় বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে
সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন।
এ সময়
উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান ।
অনুষ্ঠানে
দুই হাজার মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ
সজীব ভূঁইয়া।
পরে নীলফামারী
সার্কিট হাউসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত জেলা সদরের গোড়গ্রাম
ইউনিয়নের রুবেল ইসলাম ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার রণচন্ডি ইউনিয়নের নাঈম ইসলামের স্বজনদের
হাতে দুই লাখ করে মোট চার লাখ টাকার করে চেক তুলে দেন তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মালয়েশিয়ায় তিন দিনের সরকারি সফর শেষে আজ বুধবার (১৩ আগস্ট) দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি রাত ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে গত সোমবার তিনি কুয়ালালামপুরে যান।
বন্ধুপ্রতিম দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন অধ্যাপক ইউনূস। এছাড়াও তিনি একাধিক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কাভার্ডভ্যানে ফেনসিডিল পাচারকালে ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩।
শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাতে এ তথ্য জানানো হয় র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো: ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে ফারুক মিয়া (৩৬) এবং শেরপুর জেলার শ্রীবরদী থানার শাহআলীর ছেলে বিপ্লব হোসেন (২৬)। তাদের কাছে থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদে শনিবার (২০ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৮টায় পৌরশহরের খলসী নামক স্থানে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কের ওপর চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালায় র্যাব। এ সময় ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যান থেকে ৮৬ বোতল ফেনসিডিলসহ ২ জনকে আটক করা হয়। সেইসঙ্গে জব্দ করা হয় কাভার্ডভ্যানটি।
বিভিন্ন কৌশলে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিলেন তারা।
র্যাব-১৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মাহমুদ বশির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মাদক কারবারিরা দীর্ঘদিন ধরে মাদক কারবারের চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।
তিনি আরও জানান, আসামিদের গোবিন্দগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


গ্যাসের
সমস্যা সমাধানে সরকার এবার ‘এলপিজি কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি সাধারণ ও নারীপ্রধান পরিবারের
হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি সরকার এবার এলপিজি কার্ড প্রদানের উদ্যোগ
নিয়েছে।’
আজ
সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোরের উলশীতে খাল খনন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি
বলেন, ‘মা-বোনদের একটি কারণে খুব কষ্ট হয়, রান্নাবাড়ির ব্যাপারে কষ্ট হয়; সেটি গ্রামের
মা-বোনই হোক, সেটি শহরের মা-বোনই হোক।
আমরা
যেমন সারা দেশের মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিচ্ছি, সেরকম আরেকটি কার্ড দিতে
চাই সেটি হবে এলপিজি কার্ড। এলপিজি গ্যাস আমরা মা-বোনদেরকে পৌঁছে দিব যাতে তাদের রান্নার
জন্য কষ্ট করতে না হয়।’
নির্বাচনী
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী ৫ বছরের মধ্যে সব গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে
বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম খাল খনন করব,
আমরা ওয়াদা রেখেছি।
বলেছিলাম
মা-বোনদের স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেব। ইনশাল্লাহ আগামী ৫ বছরের
মধ্যে আমরা চেষ্টা করব সব গ্রাম, দেশের সব গ্রামে সব মায়েদের হাতে এই ফ্যামিলি কার্ড
পৌঁছে দেওয়ার।
তিনি
জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে
করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যারা ভালো ফলাফল করবে, তাদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও
চালু করা হবে, যাতে তারা উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে যেতে পারে।
এর
আগে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মাটি কেটে উলাশী-যদুনাথপুর খাল পুনঃখনন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক
উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছেন, খালটি পুনঃখনন করা
হলে এলাকার জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিবাদ
ও আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় শহীদ ওসমান হাদির পরিবারকে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। হাদির এক বোনকে ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স ও গানম্যান দেওয়া
হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক পুলিশি সুরক্ষা থাকবে।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয় ও পুলিশের উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানায়, জুলাই যোদ্ধা, আন্দোলনের সমন্বয়ক,
সংসদ-সদস্য প্রার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
নিশ্চিতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে জুলাই আন্দোলনে সম্মুখসারিতে থাকা কয়েকজনকে
ইতোমধ্যে গানম্যান দেওয়া হয়েছে এবং অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের প্রক্রিয়া চলছে।
নিরাপত্তা পাওয়া
ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির
আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র
যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। এছাড়া জামায়াতের
আমির ডা. শফিকুর রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান
পার্থ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে গানম্যান চেয়ে আবেদন করেছেন।
সূত্র জানায়,
আবেদনের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত সংসদ-সদস্য
প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন, জাফির তুহিন, জেপির চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার
হোসেন মঞ্জু এবং এলডিপির সভাপতি কর্নেল অলি আহমদসহ আরও কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান ও
অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি
স্বাভাবিক রাখা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে নির্বাচন বানচালের
ষড়যন্ত্রের তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধারা গত বছরের ৫ আগস্টের
পর থেকেই ধারাবাহিক হুমকির মুখে রয়েছেন।
গোয়েন্দা তথ্য
অনুযায়ী, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতাকর্মীরা দেশে ও বিদেশ থেকে
জুলাই যোদ্ধাদের হুমকি দিয়ে আসছে। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকেও হত্যার আগে
দীর্ঘদিন বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। গত ১২ ডিসেম্বর তাকে গুলি করা হলে
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, লিখিত আবেদন ছাড়া নিরাপত্তা দেওয়া হচ্ছে না। গত রোববার পর্যন্ত
১২ জন লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। দু-এক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত আইজিপি
খোন্দকার রফিকুল ইসলাম জানান, জুলাই যোদ্ধা ও সংসদ-সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে যারা নিরাপত্তা
ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। আর যারা ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স
চেয়েছেন, তাদের বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা
হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মানুষের জীবিকার সঙ্গে সম্পর্কিত হওয়ায় ঋণ প্রাপ্তি একটি মৌলিক অধিকার। জীবিকার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে ঋণ পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনের একটি সাইডলাইন ইভেন্টে বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।
জলবায়ু সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশে প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে "একটি বৈশ্বিক সংলাপ: ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য অর্থায়ন সুবিধা" শীর্ষক এই ইভেন্টের আয়োজন করে।
অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব রিয়াজ হামিদুল্লাহ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এবং এতে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডসের জলবায়ু দূত বোরবোন-পারমার ডাচ প্রিন্স জেইম বার্নার্ডো।
ডাচ প্রিন্স উল্লেখ করেন কীভাবে ঋণ, বীমা, বিনিয়োগ, গবেষণা এবং অর্থায়ন কৃষি উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে এবং জানান সারা বিশ্বের লাখ লাখ কৃষকের এখন এই সহায়তা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইভোন পিন্টো। তিনি বলেন, কৃষকদের জন্য ঋণ সহজলভ্য হওয়ার পর থেকে বিশ্বব্যাপী ধান উৎপাদন বেড়েছে।
ডাচ উদ্যোক্তা উন্নয়ন ব্যাংক এফএমও-এর পরিচালক জোরিম শ্রাভেন ঋণ প্রাপ্তির অধিকারের বিষয়ে নৈতিক সমর্থন দেওয়ায় অধ্যাপক ইউনূসের প্রশংসা করেন এবং জানান, এটি মানুষের তথ্য জানার অধিকার সম্পর্কিত।
ইন্টার প্রেস সার্ভিসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আইপিএস নোরামের নির্বাহী পরিচালক ফারহানা হক রহমান বলেন, বর্তমানে ৫৫ কোটি ক্ষুদ্র কৃষক পরিবার বিশ্বব্যাপী দুই বিলিয়ন মানুষের খাদ্যের যোগান দেয়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, যদি একজন কৃষককে ঋণের সুবিধা দেওয়া হয় তবে সে উদ্যোক্তা হয়ে উঠতে পারে। প্রত্যেক ব্যবসায় টাকা এবং বিনিয়োগের প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন কৃষক শুধুমাত্র ফসল উৎপাদন করেন না, তিনি তা বাজারে বিক্রি করেন। যদি একজন কৃষককে ঋণের সুযোগ দেওয়া হয়, তবে তিনি অন্য কৃষকদের কাছ থেকে ফসল কিনে বিক্রি করতে পারবেন এবং এভাবে তার জীবনমানের উন্নতি হবে। কৃষকদের জন্য ঋণ সহজলভ্য করতে দেশ দেশে গ্রামীণ ব্যাংক মডেল অনুসরণ করে ব্যাংকিং ব্যবস্থা পুনর্গঠন করা উচিত। প্রত্যেক দেশে সামাজিক ব্যবসা ব্যাংকিং আইন থাকা উচিত। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী অন্তত ১১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সামাজিক ব্যবসাকে কোর্স হিসেবে পড়ানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেছেন, আমরা এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরই
মধ্যে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছি।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রবাসীদের
উদ্দেশে বলেন, আপনারা অর্থনীতিতে মস্ত বড় অবদান রাখছেন। আপনাদের এই অবদানের স্বীকৃতি
আমাদের দিতে হবে। আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। আমরা
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চেষ্টা করেছি প্রবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করতে, তাদের কথাগুলো
শুনতে। আপনাদের অনেক অভিযোগ রয়েছে, যা ন্যায্য। আমরা এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে
চেষ্টা করে যাচ্ছি। জটিলতা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার খুব
দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সরকারি সব সেবা প্রবাসীদের কাছে পৌঁছে দিতে নাগরিক সেবা
বাংলাদেশ নামে একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, প্রবাসীদের জন্য একটি
বিশেষ অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে, যাতে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশি
এক প্ল্যাটফর্মে কানেক্টেড থাকতে পারেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে
ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের
পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বস্তির জায়গায় ফিরেছে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আপনারা
বড় অবদান রেখেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা
এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরইমধ্যে নির্বাচনের
সময় ঘোষণা করেছি। এই নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। আশা
করছি, এবার আপনাদের নতুন অভিজ্ঞতা হবে। আপনারা সবাই ভোটার হবেন, ভোট দেবেন। নির্বাচন
কমিশনারের সঙ্গে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সভায় মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকটি
সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে দূতাবাসে জনবল বাড়ানো, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের
গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা, যারা অনিয়মিত হয়ে গেছেন তাদের নিয়মিতকরণ করা, বাণিজ্য-শিল্প
ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা
অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
এ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বিভিন্ন পেশা, শ্রেণি,
সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন


সিঙ্গাপুরে
বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি
শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান।
আজ
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি । পরে সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।
পোস্টে
বালাকৃষ্ণান লেখেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সিঙ্গাপুর সরকারের
পক্ষ থেকে আমি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তার দীর্ঘ
রাজনৈতিক জীবন ও জনসেবা বাংলাদেশের উন্নয়নে একটি গভীর ছাপ রেখে গেছে।’
বালাকৃষ্ণান
২০০৫ সালে খালেদা জিয়ার সিঙ্গাপুর সফরের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা ২০০৫ সালে
সিঙ্গাপুরে তার সরকারি সফর এবং দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে তার প্রচেষ্টার
কথা স্মরণ করি। ওই সফর সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশের মধ্যে উষ্ণ বন্ধুত্ব এবং চমৎকার সহযোগিতার
ভিত্তি স্থাপন করেছিল।’সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন,
‘আমাদের চিন্তা ও সমবেদনা তার পরিবার এবং বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে রয়েছে।’
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষায় ১ জন প্রার্থী সর্বোচ্চ ৪ বার অংশ নিতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (৩১
অক্টোবর) অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সভাপতিত্বে
উপদেষ্টা পরিষদের
বৈঠকে এ
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কয়েকদিন আগে
১ জন প্রার্থী
৩ বার বিসিএস
দিতে পারবেন—এমন সিদ্ধান্ত
হয়েছিল। এ
সিদ্ধান্ত পরিবর্তন
করা হয় উপদেষ্টা
পরিষদের বৈঠকে।
তেজগাঁওয়ে প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ে
উপদেষ্টা পরিষদের
বৈঠকে ৪
বার বিসিএস
পরীক্ষার সিদ্ধান্ত
হওয়ার পর
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ
থেকে বিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ করা
হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা
হয়েছে—
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত,
আধাস্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ
সরকারি কর্তৃপক্ষ,
পাবলিক নন-ফিন্যানশিয়াল করপোরেশনসহ
স্বশাসিত সংস্থাসমূহে
সরাসরি নিয়োগের
ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ
বয়সসীমা নির্ধারণ
অধ্যাদেশ, ২০২৪-
এর আলোকে
‘সরকারি চাকরি
আইন, ২০১৮’-এর
ধারা-৫৯-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
কর্তৃক ‘বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিস
(বয়স, যোগ্যতা
ও সরাসরি
নিয়োগের জন্য
পরীক্ষা) বিধিমালা,
২০১৪’পুনর্গঠনপূর্বক বাংলাদেশ
সিভিল সার্ভিস
পরীক্ষায় একজন
প্রার্থী সর্বোচ্চ
৪ বার অংশ
নিতে পারবে।
এতে আরও
বলা হয়,
এই বিধি
সংযোজনের বিষয়ে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে
উপদেষ্টা পরিষদ
নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
মন্তব্য করুন