

কুমিল্লায় কোতোয়ালী মডেল থানা কর্তৃক হারিয়ে যাওয়া ৪৩টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর করেছে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার) এর দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ কোতোয়ালী মডেল থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে হারিয়ে যাওয়া ১৪ টি মোবাইল ফোন জিডি মূলে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোনসমূহ আজ (২৮ নভেম্বর) মঙ্গলবার কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তানতর করেন।
মোবাইল ফোন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে ভিকটিমগণ তাদের হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে এবং পুলিশ সুপার ও কুমিল্লা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে।
তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
এসব কথা বলেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান
তিনি।
শুক্রবার
দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে
বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ
১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সর্বশেষ
২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
বাদ
জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায়
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সকাল
থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি
লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।
অন্যদিকে,
তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা
পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নেতাকর্মীরা
জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে
বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত
হবে।
একই
সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে
বলেও দাবি তাদের।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও আদর্শকে ধারণ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
শুক্রবার বিকেলে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ‘নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
আসিফ নজরুল বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যখন জীবিত ছিলেন, আমি তাঁর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতাম। তখন প্রায়ই বলতাম—বেগম জিয়া ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। আমি বিশ্বাস করি, তিনি এখন ভালো আছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো—বাংলাদেশ কি ভালো আছে বা ভালো থাকবে? বাংলাদেশকে ভালো রাখতে হলে বেগম খালেদা জিয়াকে ধারণ করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় যখন বন্দি ছিলেন, তখন তাঁর পক্ষে কথা বলার সুযোগ আমার হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় তাঁর পক্ষে কথা বলার মানুষ খুঁজে পাওয়া যেত না।”
স্মৃতিচারণ করে আইন উপদেষ্টা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যে বিচারটি হয়েছিল, সেটি ছিল অদ্ভুত ও উদ্ভট। সেই মামলার শুনানিতে অন্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শুনে তিনি গভীরভাবে শকড হয়েছিলেন।”
তিনি বলেন, “বেগম জিয়া বিস্মিত ও ব্যথিত হয়ে বলেছিলেন—‘আমি মেরে খেয়েছি এতিমের টাকা?’ অথচ সেই আবেগপূর্ণ প্রশ্নকেই বিচারক রায়ে লিখেছেন যে, বেগম জিয়া নিজেই নাকি অপরাধ স্বীকার করেছেন।”
আসিফ নজরুল বলেন, এই ঘটনাগুলো দেশের বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক বেদনাদায়ক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে পুলিশ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ সোমবার (১৭ মার্চ) মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে খুব বেশি সময় নেই। আমরা ইতোমধ্যে সাত মাস পার করে এসেছি। আমরা বলছি, ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে। কাজেই কী কী সংস্কার করতে চাই করে ফেলতে হবে।
পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আপনারাও সংস্কারের কথা বলেছেন। কারও জন্য অপেক্ষা করে কোনো ফায়দা হবে না। কাজটা করতে হবে এবং সেটা আমাদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, দেশ বদলাতে হলে একক নির্দেশে নয়, বরং সবাইকে নিয়ে এক একটি টিম হয়ে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশে যত টিম আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টিম হলো পুলিশ। সরকার যা কিছুই করতে চায়, শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাত দিয়েই করতে হয়। তারা সব করে দেয় না, তারা পরিবশেটা সৃষ্টি করে। যে পরিবেশটা না থাকলে কোনো কাজই আর হয় না। পুলিশের কথা প্রসঙ্গে বারবার আমরা দুটো শব্দ বলছি- আইনশৃঙ্খলা। পুলিশের হাতেই এটাকে এক্সিকিউট করতে হবে। এই পরিবেশ সৃষ্টি করা না গেলে সরকার, গণতান্ত্রিক অধিকার, মানুষের অধিকার, নাগরিকের অধিকার- কিছুই থাকে না। আমরা পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়তে পারব না। তারাই সম্মুখসারির মানুষ। তারা ক্ষেত্র প্রস্তুত করলেই বাকি জিনিসগুলো হয়। আইনশৃঙ্খলা না থাকলে যত বড় বড় চিন্তাই হোক, যত টাকাই থাকুক, কোনো কাজে আসবে না।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, পুলিশ হবে বন্ধু। কারণ, আমি আইনের পক্ষের মানুষ। আমি আইন প্রতিষ্ঠা করার মানুষ। আইন হলো আমাদের সবার আশ্রয়। পুলিশ হলো আশ্রয়দাতা। আমরা এই ইমেজটা যদি প্রতিষ্ঠিত করতে পারি, মানুষ অতীতের সব কথা ভুলে যাবে।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ ও রাজশাহী পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম। এ সময় আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও
গণভোটের জন্য সরকার ও নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
রবিবার
(১১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইইউ’র নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন প্রধান
পর্যবেক্ষক ইভারস আইজাবসের সঙ্গে বৈঠকালে তিনি একথা বলেন।
বিকালে
রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৈঠকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানান।
ড.
মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আসন্ন নির্বাচন উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। এটা নিয়ে তিনি কোনো সমস্যা
দেখছি না।
প্রধান
উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনের সময় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের
সঙ্গে বডি ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে একটা অ্যাপের মাধ্যমে কোথাও
সমস্যা হচ্ছে কি না, নিরাপত্তাব্যবস্থা বিঘ্ন ঘটেছে কি না ইত্যাদি মনিটর করা হবে। ফলে
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনা সদস্যরা দ্রুত রেসপন্স করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ জেহাদের আত্মত্যাগের প্রেরণাকে বুকে ধারণ করেই দেশী-বিদেশী অপশক্তির চক্রান্ত প্রতিহত, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) শহীদ জেহাদ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের ধারা বহমান রাখতে হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপরিহার্য শর্ত হলো নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার। গণতন্ত্র মানে শুধুমাত্র নির্বাচন নয়, গণতন্ত্র মানে মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।’
নাজির উদ্দিন জেহাদ ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর স্বৈরাচার
বিরোধী গণআন্দোলনে ঢাকার পল্টনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন। তার রক্ত স্রোতের ধারা বেয়েই সে বছর সংঘটিত
হয় গণঅভ্যুত্থান, পতন হয় স্বৈরশাসক এরশাদের।
বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, শহীদ জেহাদ দিবস উপলক্ষে আমি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি। শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদ ৯০’র স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে একটি অবিস্মরণীয় নাম। রক্তমাখা ওই আন্দোলন ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, মত প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পূণঃপ্রতিষ্ঠার। নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী গণআন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে গিয়ে শহীদ জেহাদ পুলিশের গুলি নিজের বুকে বরণ করে নেন। শাহাদাত বরণ করেন এই অকুতোভয় ছাত্রনেতা। তার রক্ত স্রোতের ধারা বেয়েই সে বছর সংঘটিত হয় গণঅভ্যুত্থান, পতন হয় স্বৈরশাসক এরশাদের। গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল স্বৈরশাসক এরশাদ। গণতন্ত্রকে পূনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর দৃঢ়-প্রত্যয় নিয়েই জেহাদ নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। আমরা তার সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে না পারলে তার আত্মা কষ্ট পাবে।
মন্তব্য করুন


কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)
বলেছেন, মিনি
কোল্ড স্টোরেজ কৃষকের ক্ষতি কমাবে। শীত মৌসুমে দেশে প্রচুর সবজি উৎপাদিত হয়, যা সংরক্ষণের
ব্যবস্থা না থাকায় পঁচে যাওয়ায় কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মিনি কোল্ড স্টোরেজে সবজি
সংরক্ষণ করা যাবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আজ
বুধবার (২৭ আগস্ট) মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের
মেদুলিয়া এলাকায় ফার্মারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে
কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান,
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. ছাইফুল আলমসহ সরকারি বিভন্ন
দপ্তরের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি
ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন,
মধ্যস্বত্বভোগীরা কৃষি সিন্ডিকেট করে বড় বড় বিল্ডিংয়ের মালিক হচ্ছেন। কৃষকরা
কুঁড়ে ঘরেই থাকতে হচ্ছে। ফার্মারস মিনি কোল্ড স্টোরেজ কেবল ফসল সংরক্ষণ নয়, বরং কৃষি
অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে এ প্রকল্পকে আরো
সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের হাতে প্রযুক্তি পৌঁছে
দেওয়া হবে। মানিকগঞ্জে
গাজর, শীতকালীন
সবজি বেশি উৎপাদন হয়। এই ব্যবস্থায় কৃষক,
ভোক্তারা সরাসরি উপকৃত হবেন। এ মিনি কোল্ড স্টোরেজ পরে আরো বাড়ানো হবে।
প্রয়োজনে কৃষকরা নিজেরাও বাড়িতে তৈরি করে নিতে পারবেন অল্প খরচে। নকল ও ভেজাল
বীজের ব্যাপারে উপদেষ্টা বলেন,
‘নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এর
আগে উপদেষ্টা কৃষকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। এসময় খাল বেদখল, বিদ্যুৎ
সংযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগ শোনেন এবং এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট
দপ্তরকে নির্দেশ প্রদান করেন।
কৃষি
জমি যাতে অন্য খাতে ব্যবহার না হয়,
সেজন্য আগামী ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যেই কৃষি জমি সুরক্ষা আইন পাশ করা হবে জানিয়ে
উপদেষ্টা বলেন, ‘শিল্প
কারখানা ও অন্যান্য অবকাঠামোর জন্য আলাদা জমি থাকবে। সড়ক অধিগ্রহণের সময় সড়ক বিভাগ
জমির মালিককে তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দিলেও এলজিইডি কোনো অর্থ দেয় না। নতুন আইন প্রণয়ন
হলে এলজিইডির প্রকল্পেও ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকরা তিনগুণ ক্ষতিপূরণ পাবেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র এবং ঢাকা-৮ আসনের এমপি পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এই উদ্বেগ প্রকাশ
করেন তিনি।
তিনি
বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরিফ
ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি। বর্তমানে তিনি ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত
করেছে। তিনি আরও উলেখ করেন, কোনো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা মতভিন্নতার কারণে এ
ধরনের সহিংসতা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আমি এই ঘটনার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত
দাবি করছি এবং দোয়া করি, আল্লাহ তাআলা তাকে পূর্ণ সুস্থতা দান করুন।
এদিকে,
আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী
একজন জানান, হাদী রিকশায় ছিল। এমন সময় দুটি মোটরসাইকেলে থাকা দুর্বৃত্তরা এসে তাকে
লক্ষ্য করে গুলি করে। সঙ্গে সঙ্গে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। পরবর্তীতে ওই রিকশায় করেই
তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ খবর পাওয়ার পর ঢাকা মেডিকেলের সামনে ভিড় করছেন অনেকেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনার তীব্র নিন্দাও জানাচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি
বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি
বিজিবিও প্রস্তুত আছে। নির্বাচনে ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান তিনি।
তিনি
বলেন, কোথাও কোন ধরনের ছাড় দেয়া হচ্ছে না। দেশের মধ্যে অপরাধ করে যাতে কেউ সীমান্ত
দিয়ে পার হতে না পারে সে জন্য স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
আজ
বিজিবি দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বিজিবি সদর দপ্তরে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
পদক
প্রদান শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজিবির খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারবর্গকে
সংবর্ধনা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিজিবি সদস্যদের সহায়তা
চান।
এছাড়া
সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবি সদস্যদের কঠোর ও কৌশলী হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।
বক্তব্যের
শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজিবি সদস্যদের অপরিসীম সাহস ও আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার
সঙ্গে তিনি স্মরণ করেন। একইসঙ্গে উপদেষ্টা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের
সকল শহিদকে। এছাড়া গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে
আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে, যাঁদের আত্মদানে উন্মোচিত হয়েছে শোষণ ও বৈষ্যমহীন দেশ গড়ার
নতুন পথ। তিনি আরো স্মরণ করেন এ আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়েছেন এবং পঙ্গুত্ববরণ করেছেন
তাদেরকে।
অনুষ্ঠানে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর
মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, বিজিবি এক সুদীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বিজিবি এক 'ত্রিমাত্রিক'
বাহিনী হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কাজে
অনন্য ভূমিকা রাখছে। বিজিবি’র উন্নয়নে সরকার সর্বাত্নক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রেখেছে।
বিজিবি
সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীর
ন্যায় দায়িত্ব পালন করতে হবে। সীমান্ত দিয়ে কোন মাদক প্রবেশ করবে না। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে
অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি
আরও বলেন, যে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি চোরাকারবারী ও মাদক পাচারকারীদের সহায়তা করে
কিংবা সাহায্য করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই সর্বদা
সজাগ এবং সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত
কৌশলী ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে।
সীমান্তে
চোরাকারবারীদের আইনের আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমান্তে প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীকে জেলা প্রশাসনের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে
হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ থেকে কোন অপরাধী, সন্ত্রাসী সীমান্ত দিয়ে যেন পালাতে না পারে
সে বিষয়ে কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সীমান্ত
রক্ষার পবিত্র দায়িত্বের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার যে কোনো
দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালন করতে বিজিবি সদস্যদের প্রতি আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি
বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, 'সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী' হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের
আস্থার প্রতীক হয়ে বিজিবি তার গৌরবময় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
বিভিন্ন
ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য অনুষ্ঠানে ৭২ জনকে পদকে ভূষিত করা হয়।
পরে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কেক কেটে
বিজিবি দিবস ২০২৫-এর উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চার দিনের ছুটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রজ্ঞাপনটি ভুয়া বলে জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।এ বিষয়ে সচিবালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এই প্রজ্ঞাপনটি সঠিক নয়।
আগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধু ভোটের দিন ৭ জানুয়ারি (রোববার) নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি থাকবে বলেও জানিয়েন জনপ্রশাসনের সংশ্লিষ্ট শাখার একজন কর্মকর্তা।
সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৫ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি সব সরকারি, বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কওমি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারী/ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে ও দেশে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সারা দেশে নির্বাচনকালীন ছুটি ঘোষণা করা হলো। ছুটি ঘোষণা অবহেলাকারীদের প্রতি আর্থিক জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২৮ ডিসেম্বরে প্রজ্ঞাপনমূলে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৭ জানুয়ারি সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস/প্রতিষ্ঠান/ সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে সারা দেশে নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
অতিরিক্ত সচিব বলেন, প্রজ্ঞাপনটি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত হচ্ছে। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে ৫-৮ জানুয়ারি ছুটি ঘোষণা সংক্রান্ত একটি বানোয়াট প্রজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত নয়। উক্ত বানোয়াট প্রজ্ঞাপনটি আমলে না নেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হলো।
প্রসঙ্গত, আগামী ৭ জানুয়ারি সারা দেশে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলবে। ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে গত ২৮ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এতে বলা হয়, সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান, সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোটগ্রহণের সুবিধার্থে সারা দেশে নির্বাচনকালীন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।
অ্যালোকেশন অব বিজনেস অ্যামং দ্য ডিফারেন্ট মিনিস্ট্রিরিজ অ্যান্ড ডিভিশনস এর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অংশে ৩৭ নম্বর ক্রমিকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের চাহিদা মোতাবেক এই ছুটি ঘোষণা করা হয় বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন