

প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান বলেছেন, উত্তরাঞ্চল কৃষক প্রধান এলাকা। কৃষির সঙ্গে জড়িত দেশের অনেক কোম্পানি।
আমরা সেসব কোম্পানির সাথে কথা বলেছি। ঈদের পর তাদের সাথে বসব। উত্তরাঞ্চল থেকে কৃষিভিত্তিক
ইন্ডাস্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সেখানে কৃষকদের সন্তানরা চাকরি পাবেন।
সোমবার
(১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া খাল খনন পরবর্তী আয়োজিত
জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক
রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে অনেক কথা বলেছি। বলেছি সারাদেশে ৪ কোটি পরিবারের ফামিলি
কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। আমরা সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড দিতে শুরু করেছি। মধ্যপ্রাচ্যে
অনেক মানুষ কাজ করে। তাদের বিষয়ে আমরা চিন্তা করছি। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে
যুদ্ধ শুরু হওয়ার কারণে অর্থনীতির ওপর চাপ পড়েছে। কিন্তু আমরা যে ওয়াদা করেছি সেগুলো
এরই মধ্যে শুরু করেছি।
তিনি
বলেন, খাল কাটার কাজ শুরু করেছি। আগামী মাস থেকে কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। ক্ষুদ্র,
প্রান্তিক ও মধ্য কৃষকরা কার্ড পাবেন। শহিদ জিয়া ও খালেদা জিয়া ছিলেন কৃষকদের বন্ধু।
আমরা কৃষকদের বন্ধু। কৃষক, কৃষানি ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। তাই তাদের ভালো রাখতে
চাই। দেশের কৃষকদের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর রাখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী
বলেন, আমরা এমন একটি দল করি, যেই দলের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এমন কাজ।
যেই কাজ করলে সাধারণ মানুষ খুশি হয় আমরা সেই কাজ করি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সাহাপাড়া খাল
খনন শুরু হলো, খালটি ১২ কিলোমিটার খনন শেষ হলে ৩১ হাজার কৃষক উপকৃত হবেন। এই খাল থেকে
পানি নিয়ে কৃষকরা ১২ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দিতে পারবে। সুবিধার আওতায় আসবে সাড়ে ৩
লাখ মানুষ। সবচেয়ে বড় বিষয় এই এলাকার কৃষকরা যে ফসল উৎপাদন করছে, তার থেকে ৬০ হাজার
মেট্রিক টন বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। এই খালের দুই পাশে রাস্তা নির্মাণসহ ১০ হাজার
বৃক্ষরোপণ করা হবে। খাল খনন শেষ হলে আমি আবার পুনরায় দেখতে আসব।
প্রধানমন্ত্রী
আরও বলেন, গ্রামের মানুষদের প্রধান পেশা হচ্ছে কৃষি। কৃষি যদি বাঁচে তাহলে কৃষক বাঁচবে,
তাহলেই দেশ বাঁচবে। খালগুলো খনন না হওয়ার কারণে ভরাট হয়ে গেছে। নদীও ভরাট হয়ে গেছে।
বর্ষার মৌসুমের অনেক খরা হয়, পানি পাওয়া যায় না। আমরা এই বর্ষার পানিতে কাজে ব্যবহার
করতে চাই। আমরা এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে চাই, যাতে করে সমগ্র এলাকার মানুষ উপকার
পায়। আজকে খাল খনন শুরু করলাম। আগামী ৫ বছর সমগ্র দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন
করব। উজান থেকে যখন পানি আসে তখন নদীর পাশের মানুষ ও পশুর ক্ষতির পাশাপাশি ঘর-বাড়ি
নষ্ট হয়।
তিনি
বলেন, আমরা খাল খননের পর বর্ষার সময়ে অতিরিক্ত পানির ধরে রাখব। উজান থেকে নেমে আসা
পানি ধরে রাখতে পারলে আমরা সবাই উপকৃত হব। শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুমে কৃষকের পানি সরবরাহ
করতে পারি। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমরা এত মানুষের খাবার বিদেশ থেকে আনা সম্ভব নয়।
তাই কৃষকের উপরে গুরুত্ব দিতে হবে। তাই পানিকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।
পরিকল্পনার
পাশাপাশি সজাগ থাকবে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারা বিশৃঙ্খলা করতে চায় তাদের বিষয়ে
খেয়াল রাখতে হবে। এই কাজগুলো আমার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজগুলো
করতে হবে। নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে যেমন আমরা সরকার গঠন করেছি। তেমনি আপনাদের সমর্থন
ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণই হচ্ছে সকল ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মালিক
জনগণ।
এই দেশের মালিক আপনারা। আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে যে কোনো পরিকল্পনা কাজ
বাস্তবায়ন করতে পারব।
দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা
পরিষদের প্রশাসক মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার
আহমেদ কচির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার
মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ মন্ত্রী
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ ও নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ
হোসেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের
হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি
সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা
জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পেলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আকাঙ্ক্ষিত প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও
মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশীদ।
মনোনয়ন
না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজেকে সরিয়ে
নেন নির্বাচন থেকে। হতাশ না হয়ে বরং দলের চেয়ারম্যানের দেওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে কুমিল্লা দক্ষিণের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দলের কোন্দল নিরসন
এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা দক্ষিণের ৬টি আসনে। তিনি বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়কের
দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন
উর রশীদ। শুধু তাই নয়, বরং কৃষি, মৎস ও প্রাণিজ সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
তিন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
এ
ছাড়া কুমিল্লা- ৮ বরুড়া আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত
মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে
ধর্ম মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া তাহের সুমন এ নিয়ে
দুই এবং শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ৬ বারের এমপি নির্বাচিত হলে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব
পেলেন এবারই প্রথম। এদিকে, কুমিল্লা জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন
তারা।
কুমিল্লা
জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পেলো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। এতে খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে সংসদ নির্বাচনে বিএনপির আকাঙ্ক্ষিত প্রতীক ধানের শীষ না পেলেও
মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন উর রশীদ।
মনোনয়ন
না পেয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে নিজেকে সরিয়ে
নেন নির্বাচন থেকে। হতাশ না হয়ে বরং দলের চেয়ারম্যানের দেওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
নির্বাচনে কুমিল্লা দক্ষিণের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দলের কোন্দল নিরসন
এবং নির্বাচনি প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লা দক্ষিণের ৬টি আসনে। তিনি বিএনপি
চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আহ্বায়কের
দায়িত্বও পালন করেছেন দীর্ঘদিন। অবশেষে বিএনপি সরকারের মন্ত্রীসভায় জায়গা পেয়েছেন আমিন
উর রশীদ। শুধু তাই নয়, বরং কৃষি, মৎস ও প্রাণিজ সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ
তিন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হয়েছেন তিনি।
কুমিল্লা-
৮ বরুড়া আসন থেকে নির্বাচিত জাকারিয়া তাহের সুমনকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী
এবং কুমিল্লা-৩ মুরাদনগর আসন থেকে শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদকে ধর্ম মন্ত্রনালয়ের
মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া তাহের সুমন এ নিয়ে দুই এবং শাহ মোফাজ্জল
হোসেন কায়কোবাদ ৬ বারের এমপি নির্বাচিত হলে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন এবারই প্রথম।
এদিকে, কুমিল্লা জেলা থেকে তিন মন্ত্রী পাওয়ায় খুশি সাধারণ মানুষ। সামাজিক যোগাযোগ
মাধ্যম ফেসবুকে এরইমধ্যে এ নিয়ে অভিবাদন ও শুভেচ্ছা পোস্ট ছড়িয়ে দিচ্ছেন তারা।
মন্তব্য করুন


সবকিছু
ঠিক থাকলে ঈদের পর যমুনায় উঠবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে তার আগেই ঈদুল ফিতরের
শুভেচ্ছা বিনিময়ের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানটি সেখানে করবেন সরকারপ্রধান। গণপূর্ত অধিদফতর
জানিয়েছে, বড় ধরনের কোনো সংস্কার নয়, চলছে রুটিন কাজ।
আগস্টের
অভ্যুত্থানের সময় গণমানুষ গণভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল। এরপর জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি
জাদুঘর হিসেবে গড়ে তোলা হয় ভবনটি। ফলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর থাকার সুযোগ আর নেই। এর
আগে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে গণভবন ব্যবহার হতো।
অন্তর্বর্তী
সরকারের সময় নতুন প্রধানমন্ত্রীর জন্য জাতীয় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকায় বাসভবন দেখা
হয়েছিল। তবে সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। তাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাকেই
সরকার প্রধানের বাসভবন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে
প্রধানমন্ত্রী গুলশান থেকে দীর্ঘ পথ ও যানজট পেরিয়ে সচিবালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
নিয়মিত অফিস করছেন। যমুনা থেকে কার্যালয় ও সচিবালয় দুইটিরই দূরত্ব কাছাকাছি। ৩০ হেয়ার
রোডে অবস্থিত যমুনার আয়তন প্রায় ৮ একর। এর মধ্যে ভেতরের অংশ ৫.২ একর, আর বাইরের অংশ
২.৮ একর। অফিসসহ ভবনের মোট আয়তন ৩৫ হাজার স্কয়ার ফিট।
গণপূর্ত
অধিদফতর জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। গণপূর্ত
অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ভেতরের কাজগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা
থেকে শুরু করে সবই নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ। এর সঙ্গে কিছু ছোটোখাটো সংস্কারও করতে হচ্ছে।
হাইজিনিক ওয়াশ এবং রং মেইন কাজ। এছাড়া সিলিংয়ের কিছু পুরনো অংশে সমস্যা থাকলে তা ঠিক
করা হচ্ছে।
তবে
বড় ধরনের সংস্কার বা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। খালেকুজ্জামান
চৌধুরী বলেন, আমরা কোনো ব্যাপক নির্দেশনা পাইনি। মূলত রুটিন কাজগুলোই আমরা করছি। এটি
শেষ করতে বেশি সময় লাগবে না। দুই সপ্তাহের মধ্যে আমরা সব কাজ শেষ করে ফেলব।
এদিকে,
সরকার প্রধান যমুনায় এরই মধ্যে দুই দফায় দুটি ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এতে দেশি
ও বিদেশি কয়েকশ অতিথি অংশগ্রহণ করেছেন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
প্রথম ব্যান্ড হিসেবে একুশে পদক জয়ের ইতিহাস গড়ল ‘ওয়ারফেজ’।
গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে পদক গ্রহণ করেন ব্যান্ডটির প্রতিষ্ঠাতা
সদস্য শেখ মনিরুল আলম টিপু। উপস্থিত ছিলেন ‘ওয়ারফেজ’-এর বর্তমান ও অতীতের অনেক সদস্য। পদক
গ্রহণ শেষে রিকশায় চড়ে ফিরেছেন তাঁরা।
সে
আনন্দযাত্রার ছবি ফেসবুকে দিয়ে ব্যান্ডটির গিটারিস্ট ইব্রাহিম আহমেদ কমল লেখেন, ‘আমরা
একুশে পদক পেয়ে রিকশায় ফিরে এলাম। ছবিতে কমল, টিপু, পলাশ নূরদের সঙ্গে আছেন রিকশাচালকও।
মন্তব্য করুন


পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মোহাম্মদ ইসহাক দার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
আজ রোববার (২৪ আগস্ট) বৈঠকে দুই নেতা
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান
বৃদ্ধি, তরুণ প্রজন্মের পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সার্কের মাধ্যমে আঞ্চলিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবনের
ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপপ্রধানমন্ত্রী দার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
মোহাম্মদ শেহবাজ শরিফের শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ে বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাকে আন্তরিক
শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসও উষ্ণ শুভেচ্ছা
জানিয়ে শরিফের সঙ্গে অতীতে সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রতি বার আমাদের
সাক্ষাতে সার্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অভিন্ন, সার্ক আমাদের উভয়ের
কাছেই অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত।
ইসহাক দার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির
সুযোগ তুলে ধরে বলেন, আমাদের দুই অর্থনীতি পরিপূরক। বহু ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ
করতে পারি। তিনি দারিদ্র্য বিমোচন ও কমিউনিটি ভিত্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে অধ্যাপক
ইউনূসের ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ সৌভাগ্যবান যে, আপনার মতো একজন সরকারপ্রধান
রয়েছে— আপনি এমন একজন নেতা যিনি বিশ্বকে অনুপ্রাণিত
করেন।
সফরকালে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের বাণিজ্য ও জ্বালানি উপদেষ্টাসহ কয়েকজন উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন
রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আহ্বান
জানিয়ে বলেন, আমি সার্ককে উৎসাহিত করি এবং পাকিস্তানসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে আমাদের
সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের একটি হিসেবে দেখি।
তিনি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্ব তুলে
ধরে বলেন, যখন পাকিস্তানি শিল্পীরা বাংলাদেশে গান পরিবেশনা করেন, সবাই তাদের প্রশংসা
করে। এই চেতনার ওপরই আমাদের সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে।
১৩ বছর পর বাংলাদেশ সফরে আসা পাকিস্তানের
কোন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হলেন ইসহাক দার। তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে নৌ ও বিমান যোগাযোগ
উন্নত করার প্রচেষ্টা চলছে।
ইসহাক দার বলেন, অক্টোবরের মধ্যে ফ্লাই
জিন্নাহ ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া পিআইএও বেসরকারিকরণের
পর ঢাকা রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালু করবে।
বৈঠকে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন
যে, বাণিজ্য বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়াকে আরও স্থিতিশীল
ও সমৃদ্ধ করবে।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক
বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন।
(সূত্র- বাসস)
মন্তব্য করুন


প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত
আহমেদ শুক্রবার প্রথম প্রহরে (রাত ১২ টার পর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে
অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় বলেছেন, বাঙালি জাতি সত্ত্বার
একটি প্রাথমিক স্তম্ভ একুশ। ব্যক্তিগতভাবে এক আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে আমার একুশের
সঙ্গে। আমার মা একজন ভাষা সৈনিক, ভাষা কন্যা।
সুপ্রিম কোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলামের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে
বলা হয়, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টার পর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের
নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ ও হাই কোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ কেন্দ্রীয় শহীদ
মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের বীর
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় দেশের ভাষা আন্দোলনে
শহীদদের অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়, এবং জাতির গৌরবোজ্জ্বল ভাষা আন্দোলনের
ঐতিহ্যকে ধরে রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধান বিচারপতির মা বাংলাদেশের প্রথম নারী জাতীয় অধ্যাপক সুফিয়া আহমেদ বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলনের অবদানের জন্য ২০০২ সালে একুশে পদক লাভ করেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম ও সংস্কৃতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী থাকাবস্থায় তিনি ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গকারীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী বর্তমানে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৯০ হাজার ডলার বা ২০ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলারে।
দুই সপ্তাহ ব্যবধানে বৈদেশিক মুদ্রার এ রিজার্ভ আবারো ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক নির্বাচিত অর্থনৈতিক সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে। অন্যদিকে, গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়াল দুই হাজার ৫৩২ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ডলারে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রধানত আমদানি ব্যয় মেটানো তথা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে ব্যবহার হয়। এ রিজার্ভ আর্থিক খাতের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৈদেশিক ঋণ, প্রবাসী আয়, বৈদেশিক ঋণ বা সহায়তা রিজার্ভের উৎস। আবার আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ-সুদ পরিশোধ, বিদেশে চিকিৎসা, শিক্ষাসহ হাজারো খাত রয়েছে ব্যয়ের ক্ষেত্রে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, জানুয়ারির শেষে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে তা নেমে আসে ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে (বিপিএম৬)। আগের সপ্তাহেও রিজার্ভের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৯৯৩ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার ডলার। মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এসে ১৬ কোটি ১০ লাখ ৫০ হাজার যোগ হয়ে আবারো তা ২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল।
করোনা মহামারির মধ্যে আমদানি কমে গিয়েছিল। তবে প্রবাসীরা দেশে ফেরার সময় সঞ্চিত অর্থ নিয়ে আসেন। অনেকে বিদেশে থেকেও বাড়িতে স্বজনদের কাছে অর্থ পাঠিয়ে দেন। এতে বাড়ে রিজার্ভ। ২০২১ সালের আগস্টে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন অতিক্রম করে। করোনার পর যখন দেশে দেশে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, তখন উল্টো অবস্থা তৈরি হয়। আমদানি ব্যয় বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। রাশিয়া-ইউক্রেইন যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তোলে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ বিক্রি করে আমদানি ব্যয় সামাল দিতে হয়।
বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত ব্যাংকের একাধিক সূত্র বলছে, ওই সময়ে রিজার্ভ বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল হুন্ডি বন্ধ হয়ে যাওয়া। তখন অধিকাংশ দেশ করোনা মহামারির বিস্তার রোধে অন্য দেশের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। এতে যেমন ডলার বাড়তে থাকে। আবার আমদানি কমে যাওয়ার কারণে খরচের খাতও ছোট হয়ে আসে।
মন্তব্য করুন


২৬ আগস্ট ২০২৪ দেশ জুড়ে পালিত হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী।
এ দিনটিকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিবিধ অনুষ্ঠান ও উপাসনালয় সমূহের বিশেষ নিরাপত্তায় অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সেনাবাহিনীর এ তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বী জনগণ।
উল্লেখ্য যে, দেশব্যাপী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সংঘর্ষ ও অন্যায়কে পরাভূত করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা। এই শিক্ষাকে বুকে ধারণ করে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষ একসাথে সোনার বাংলা গড়ে তুলবে এই সকলের প্রত্যাশা।
জনগণের এই প্রত্যাশা পূরণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পাশে আছে এবং থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লা নগরীকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু। তিনি নগরীর যানজট, জলাবদ্ধতা, চুরি-ছিনতাই ও মশার উপদ্রব দূর করে একটি ‘গ্রিন ও ক্লিন সিটি’ উপহার দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার (১৬ মার্চ) দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, ‘আজ থেকে কুমিল্লা নগরীতে চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও যৌন হয়রানির বিষয়ে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করছি। মানুষ যেন দরজা খোলা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে—এমন নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করব, ইনশাআল্লাহ।’
প্রশাসক হিসেবে প্রথম ও প্রধান কাজ হিসেবে নগরীকে যানজটমুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ঈদের আগেই মাঠ পর্যায়ে নেমে যানজট নিরসনে কাজ শুরু করার ঘোষণা দেন।
এ ছাড়া মশা নিধনকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রথমে চারটি ওয়ার্ডকে মশার উপদ্রব থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করা হবে। এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা হয়েছে এবং ঈদের আগেই কাজ শুরু করা হবে। ধীরে ধীরে পুরো নগরীকে মশামুক্ত করা হবে, ইনশাআল্লাহ। মানুষ যেন মশারি না টানিয়েও নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে সেই লক্ষ্যেই কাজ করব।
তিনি আরও বলেন, নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং সবুজায়ন বাড়ানোর মাধ্যমে কুমিল্লাকে একটি পরিবেশবান্ধব শহরে পরিণত করা হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে।
প্রশাসক হিসেবে প্রথম দিনের আগমনকে ঘিরে নগর ভবনজুড়ে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এ সময় সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ইউসুফ মোল্লা টিপুকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
মন্তব্য করুন


পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সরকারি জমি বরাদ্দ সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের হওয়া তিন পৃথক মামলায় শেখ হাসিনা, সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ৪৭ আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তারিখ ২৭ নভেম্বর নির্ধারণ করেছে আদালত।
রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ করে এই দিন ঠিক করেন বলে জানিয়েছেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ সালাম।
প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি। অভিযোগ অনুযায়ী, ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে পূর্বাচল এলাকায় ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার ঘটনায় দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
শেখ হাসিনার পাশাপাশি এই মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—পুরবী গোলদার, আনিছুর রহমান মিঞা, শফি উল হক, খুরশীদ আলম, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর (ইঞ্জিনিয়ার) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, সাইফুল ইসলাম সরকার, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।
একই ধরনের অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। ১৪ জানুয়ারির ওই মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এ মামলাতেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও রাজউকের একাধিক কর্মকর্তা এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদকে আসামি করা হয়েছে।
তৃতীয় মামলাটি করা হয় ১২ জানুয়ারি। পূর্বাচল প্রকল্পে ১০ কাঠার প্লট বরাদ্দে জালিয়াতির অভিযোগে শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ মোট ১৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। তদন্ত শেষে আসামির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ জনে। এখানে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তার পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদও চার্জশিটভুক্ত।
গত ৩১ জুলাই বিশেষ জজ আদালত-৫ তিন মামলার সব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছিল। এখন ২৭ নভেম্বর এসব মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
মন্তব্য করুন


জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে শাপলা
কলি প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদকে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত
এক যুবককে গ্রেফতার করেছে হাতিয়া থানা পুলিশ।
শনিবার
(২০ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার চরইশ্বর ইউনিয়নের ৬ নম্বর
ওয়ার্ডের নন্দরোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার যুবকের নাম ইসরাত রায়হান
অমি। তিনি চরইশ্বর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদের ছেলে।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার ইসরাত রায়হান অমির বিরুদ্ধে হাতিয়া থানায় পূর্ব থেকেই তিনটি
মামলা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্নভাবে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা করে আসছিলেন
বলেও জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সূত্রপাত হয় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) রাতে। ওই সময় ইসরাত
রায়হান অমি একজন এনসিপি কর্মীর কাছে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে চরম উসকানিমূলক ও হুমকিমূলক
বার্তা পাঠান। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদকে গ্রেফতারের
চেষ্টা করা হলে হান্নান মাসউদ ও তানভীরসহ অন্যান্য নেতাদের হাতিয়ার উত্তর অঞ্চলে চলাচল
‘হারাম’ করে দেওয়া হবে। বার্তায় আরও ভয়ংকর ভাষায় লেখা হয়—‘সরাসরি
গিলে খেয়ে ফেলবে আমাদের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে ‘রুপক নন্দী’
নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে
পড়ে। ওই পোস্টে সরাসরি হান্নান মাসউদকে উদ্দেশ করে লেখা হয়, হান্নান, আগুন নিয়ে খেলা
করো না। পরে পস্তাতে হবে—বলে দিলাম।
পোস্টে
আরও বলা হয়, সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম আজাদকে যারা ভালোবাসেন, তারা হান্নান মাসউদকে
ছাড় দেবেন না। এমনকি হালিম আজাদকে গ্রেফতার করা হলে হান্নান মাসউদকে হাতিয়ায় নিষিদ্ধ
করার ঘোষণাও দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। এই হুমকি ও উসকানিমূলক বক্তব্য ঘিরে এলাকায়
চরম উদ্বেগ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে এলে পুলিশ দ্রুত
অভিযান পরিচালনা করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।
এ
বিষয়ে হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, অভিযান চালিয়ে ইসরাত রায়হান অমিকে গ্রেফতার
করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে কিংবা সরাসরি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যারা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অশান্ত
করার চেষ্টা করবে, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্তব্য করুন