

হাদির হত্যাচেষ্টাকারীকে
ধরিয়ে দিলে ৫০ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট
জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
এর আগে ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে
সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চেয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ডিএমপি'র মুখপাত্র
ও মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান
জানান, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগর বক্স কালভার্ট এলাকায় মোটরসাইকেল আরোহী
দুর্বৃত্তদের হামলায় ওসমান হাদি গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানায়,
ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে হামলায় জড়িত এক সন্দেহভাজন
ব্যক্তিকে প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা হয়েছে।
সন্দেহভাজন
ব্যক্তি সম্পর্কে কারও কাছে কোনো তথ্য থাকলে বা তার অবস্থান/সন্ধান পাওয়া গেলে দ্রুত
পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং কার্যকর তথ্যের ক্ষেত্রে উপযুক্ত পুরস্কারের ব্যবস্থাও রয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা-১০
(লালমাই–নাঙ্গলকোট) সংসদীয় আসনে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম
ভূইয়া এলাকাবাসীর জন্য ব্যতিক্রমী ও প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ নিয়েছেন। চাঁদাবাজি ও অনিয়ম
দূর করতে তিনি স্থাপন করেছেন ‘অভিযোগ বক্স’।
গত সোমবার নাঙ্গলকোট
উপজেলার লোটাস চত্বর (বটতলা) এলাকায় তিনি এই ‘অভিযোগ বক্স’ স্থাপন করেন। যেখানে এলাকার
নাগরিকরা নির্ভয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে পারবেন।
অভিযোগ বক্সে
লেখা রয়েছে, ‘বিএনপি’র কোনো নেতাকর্মী চাঁদাবাজি বা অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িত থাকলে,
দয়া করে নির্ভয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দিন।’ নিবেদক- মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, এমপি।
এ উদ্যোগকে
ঘিরে কুমিল্লা ও আশপাশের এলাকায় এরই মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ
মনে করছেন, এটি চাঁদাবাজি, হয়রানি ও অন্যান্য অনৈতিক কার্যকলাপ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা
রাখবে। তারা আরও আশা করছেন, অভিযোগগুলো যথাযথভাবে বিবেচনা করা হলে এলাকায় শান্তি ও
নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।
স্থানীয়দের
মতে, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এই পদক্ষেপ জনগণের প্রতি তার দায়বদ্ধতা
এবং স্বচ্ছ রাজনীতির প্রতি অঙ্গীকারকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন,
সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে এ উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং চাঁদাবাজি বা অনিয়মের
মতো সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন


বাজারে
ভোজ্যতেলের দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না। কোনো সংকট নেই, পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বলে জানিয়েছেন
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনাকাটা
করলে সাময়িকভাবে কিছু জায়গায় সরবরাহের চাপ তৈরি হতে পারে, যা পরিস্থিতিকে অযথা জটিল
করে তুলতে পারে।
সোমবার
(৯ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আমদানিকারক ও রিফাইনারি
মালিকদের সঙ্গে ভোজ্যতেলের সার্বিক সরবরাহ পার্যালোচনা বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের
তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্য
মন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কোথাও কোথাও ভোজ্যতেলের সংকট বা লিটারে
দুই টাকা বেশি দামে বিক্রির খবর প্রকাশ হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বৈঠক করা
হয়। বৈঠকে আমদানিকারক ও রিফাইনারি মালিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বাজারে ভোজ্যতেলের
পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।
তিনি
বলেন, আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য বসেছিলাম। বৈঠকে আমরা জানতে পেরেছি বাজারে
ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও ভোক্তাদের আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার
প্রবণতার কারণে সাময়িকভাবে কিছু দোকানে মজুদ শেষ হয়ে যেতে পারে।
এ
সময় বাণিজ্যমন্ত্রী নিজের একটি অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরে বলেন, রাজধানীর একটি বাজারে
গিয়ে দেখেছি রাস্তার পাশে বড় দোকানগুলোতে ভোজ্যতেল পর্যাপ্ত রয়েছে এবং বোতলের গায়ে
নির্ধারিত দামই লেখা আছে। তবে বাজারের ভেতরের একটি দোকানে সীমিত তেল মজুদ রেখে প্রতি
লিটারে দুই থেকে তিন টাকা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করা হচ্ছিল। ভোক্তাদের উদ্দেশে
তিনি বলেন, আতঙ্কিত হয়ে বেশি বেশি কেনার কোনো প্রয়োজন নেই। বাজারে যেহেতু পণ্য আছে,
তাই অযথা প্রতিযোগিতা করলে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিতে পারে।
এ
সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের মতো ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রেও
কোনো সংকট নেই। জ্বালানি তেল, গ্যাস বা ভোজ্যতেল—কোনোটিতেই সংকট নেই। তাই এসব পণ্যের
সঙ্গে ‘সংকট’ শব্দটি যুক্ত করে অযথা বিভ্রান্তি তৈরি না করার আহ্বান
জানাচ্ছি। মন্ত্রী আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে তদারকি কার্যক্রম আরও জোরদার
করা হবে। একই সঙ্গে গুজব ও আতঙ্ক ছড়ানো থেকে বিরত থাকার জন্যও সবার প্রতি আহ্বান জানান
তিনি।
তেলের
দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না প্রশ্নের জবাবে বলেন, তেলের দাম এক ফোঁটাও বাড়বে না। ভোক্তারা
নিশ্চিন্তে বাজার করতে পারেন। বাজারে অনিয়ম হলে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলেও জানিয়ে মন্ত্রী
বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাজার তদারকি
করছে এবং জেলা প্রশাসনও নিয়মিত অভিযান চালাবে।
মন্তব্য করুন


প্রথমবারের
মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সরকার
প্রধান হিসেবে এটি তাঁর তৃতীয় কর্মদিবস।
প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার তিনি সচিবালয়ে অফিস করেন।
প্রধানমন্ত্রী
আজ শনিবার ( ২১ফেব্রুয়ারি ) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর
কার্যালয়ে অফিস করতে আসেন।
কার্যালয়ের
মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীকে
স্বাগত জানান।
প্রধানমন্ত্রী
নিজের কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের
সময় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন।
প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমান কার্যালয়ের পুরনো অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নাম ধরে কাছে ডেকে কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং কিছু সময়ের জন্য যেন ভুলেই গিয়েছিলেন,
তাঁরা দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছ থেকে পাচ্ছেন।
কার্যালয়ে
ঢুকে প্রধানমন্ত্রী একটি স্বর্ণচাঁপা ফুলের চারা কার্যালয় চত্বরে রোপণ এবং মহান আল্লাহপাকের
কাছে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেন।
এ
সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম,
পিএসসি, জি (অব.)-সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।।
প্রধানমন্ত্রী
এরপর মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট
উন্মোচন করেন ।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো.
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তবে দেশে নিরাপত্তায় নিয়ে
কোনো ঝুঁকি নেই।
আজ
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ের এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তারেক
রহমানকে প্রয়োজনে বিশেষ নিরাপত্তা দেওয়া হবে জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন,
‘স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবার নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত।
স্পেশালি
যাদের জন্য দরকার, তাদের জন্য স্পেশাল নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। সবার স্ট্যাটাস অনুযায়ী
দেওয়া হয়।’বাংলাদেশে কারো কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই বলেও জানিয়েছেন
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ
আলম বলেছেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে চলচ্চিত্র সংরক্ষণে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে উদ্যোগ
নিতে হবে। এর জন্য প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ
ফিল্ম আর্কাইভ পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সম্ভাবনার
কথা উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ইতিহাস ও ঐতিহ্য বিষয়ক দলিলাদি এবং দেশি বিদেশি
চলচ্চিত্র সংরক্ষণে ফিল্ম আর্কাইভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা
তুলে ধরে তিনি বলেন, ফিল্ম আর্কাইভকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি কেন্দ্রিক প্রামাণ্যচিত্র
সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে হবে। আর্কাইভে মুক্তিযোদ্ধা ও বীরশ্রেষ্ঠদের সাক্ষাৎকার
ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র সংরক্ষণেরও তাগিদ দেন তিনি।
ফিল্ম ম্যাগাজিন সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ
করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন
গ্রন্থাগার থেকে গত ৫০ বছরের ফিল্ম ম্যাগাজিন
সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা
অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন থেকেও চলচ্চিত্র-সংশ্লিষ্ট প্রমাণক
সংগ্রহ করতে হবে।
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, বর্ষীয়ান
ও গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের লেখা ও সাক্ষাৎকার সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে। আর্কাইভে
সংরক্ষিত সকল ফিল্মের ডিজিটাল ক্যাটালগ প্রস্তুত করতে হবে। এর ফলে চলচ্চিত্র গবেষক
ও শিক্ষার্থীরা উপকৃত হবেন। উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকারের পক্ষ
থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন
বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. আবদুল জলিল। বক্তব্যে তিনি ফিল্ম আর্কাইভের
কার্যক্রম, সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
উক্ত সভায় ফিল্ম আর্কাইভের পরিচালক
ফারহানা রহমানসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভার পূর্বে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ফিল্ম আর্কাইভের প্রজেকশন হল, ফিল্ম মিউজিয়াম, ফিল্ম হাসপাতাল, ফিল্ম ভল্ট ও লাইব্রেরি পরিদর্শন করেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখের মধ্যে অনুষ্ঠিত
হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, এই সময়ের
মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, তবে ৮ তারিখের এক–দুদিন পরে বা ১২ তারিখের এক–দুদিন
আগে—মাঝামাঝি কোনো এক সময় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ৮
ফেব্রুয়ারি রোববার এবং ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার হওয়ায় মঙ্গলবারের দিকেই ভোটগ্রহণ
হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
এদিকে
ভোটের তফসিল চূড়ান্ত করতে আগামী সপ্তাহের রোববার (৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের বৈঠক
অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকেই নির্বাচনের সব তারিখ নির্ধারণ করা হবে। বৈঠকের পর দু-তিন দিন
সময় রেখে বৃহস্পতিবারের (১১ ডিসেম্বর) দিকে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানা গেছে।
গণভোট
ও সংসদ নির্বাচন একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর বিষয়টিও বিবেচনা করছে
নির্বাচন কমিশন। বর্তমানে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলে। এ সময় আরও এক ঘণ্টা
বাড়িয়ে নয় ঘণ্টা করার চিন্তা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু
হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলতে পারে। একই কারণে ভোটকেন্দ্রে গোপন কক্ষ বা বুথের সংখ্যাও
বাড়ানো হতে পারে। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গণভোট ও জাতীয় নির্বাচন একই
দিনে হওয়ায় বাড়তি প্রস্তুতি প্রয়োজন হবে। এজন্য সময় ও বুথ বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


যারা
জুলাই অভ্যুত্থানের পক্ষে এবং ফ্যাসিবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তারা ইতোমধ্যে
'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত, শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
শনিবার
(১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজার পাবলিক লাইব্রেরি ও ইনস্টিটিউটের শহীদ সুভাষ
হলে আয়োজিত 'গণভোট ২০২৬ সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভায়' প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি
এ কথা বলেন।
জুলাই
সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, "আমরা এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে জুলাই সনদের
মাধ্যমে আগামী ১০০ বছরের বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারিত হয়ে যাবে। জনতার কাফেলা 'হ্যাঁ'
ভোটের পক্ষে, জুলাই সনদের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে। প্রায় ১৪০০ ছাত্র-জনতা যে
লক্ষ্যে জীবন দিয়েছেন, হাজার হাজার আহত হয়েছেন তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য জুলাই
সনদ স্বাক্ষরিত হয়েছে গণ-অভ্যুত্থানের পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলের উদ্যোগে। সেই সনদের
পক্ষেই এই গণভোট বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার জন্য।"
অতীতের
ধর্মীয় বৈষম্য ও দমন-পীড়নের কথা উল্লেখ করে আদিলুর রহমান খান বলেন, 'আগে একসময় সংখ্যাগরিষ্ঠ
মুসলমানরাই তাদের ধর্মীয় উৎসব পালনে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'শাপলা চত্বরে
সমাবেশের ওপর হামলা, ম্যাসাকার হয়েছে। সেই দিনগুলো আর চাই না। অন্তবর্তী সরকার চায়
সমস্ত ধর্মের মানুষ, সমস্ত নৃগোষ্ঠীর মানুষ যেন তাদের ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক সমস্ত কিছু
চর্চা করতে পারেন।'
সভায়
উপদেষ্টা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে সপরিবারে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে 'হ্যাঁ'
ভোটে সিল দেওয়ার এবং নিজেদের পছন্দের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সংসদে পাঠানোর জন্য নির্বাচিত
করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে
গণভোটের গুরুত্ব নিয়ে একটি জনসচেতনতামূলক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। জেলা প্রশাসক
মো. আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোহাম্মদ রেজাউল মাকছুদ জাহেদী। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি
প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।
সভা
শেষে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে বেলুন উড়িয়ে জনসচেতনতামূলক 'ভোটের গাড়ি' কার্যক্রমের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের
মধ্য দিয়ে গঠিত বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের বিকাশে খুবই
আন্তরিক।
এ
খাতের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পাশাপাশি টেকসই শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে
বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ইতিবাচক ভূমিকা অব্যাহত রাখার
জন্য তিনি আহ্বান জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস’ উপলক্ষে আজ দেয়া এক
বাণীতে এসব কথা বলেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’
উদ্যাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষ্যে আমি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
(বিএবি) এর সকল অংশীজন এবং সহযোগী সংস্থাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা। দিবসটির এবারের
প্রতিপাদ্য ‘অ্যাক্রেডিটেশন : ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের ক্ষমতায়ন (এসএমই)’, বর্তমান
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
ক্ষুদ্র
ও মাঝারি উদ্যোক্তারা বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনের একটি বৃহৎ অংশ এসএমই খাত থেকে আসে।
নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও এ খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসএমই খাতের
প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা, ক্রেতা ও ভোক্তার
পরিবর্তনশীল চাহিদা এবং আর্থিক সীমাবদ্ধতার মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এ সকল
চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে প্রয়োজন সম্মিলিত বৈশ্বিক উদ্যোগ।
তিনি
আরও বলেন, অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থা জাতীয় গুণগতমান অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে পণ্য
ও সেবার সরবরাহ ব্যবস্থার সকল পর্যায়ে গুণগতমান নিশ্চিতকরণ, দক্ষ কারিগরি জনবল সৃষ্টি,
বাণিজ্যে কারিগরি বাধা অপসারণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি করে এ
সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএবি এ
লক্ষ্যে কাজ করে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন ল্যাবরেটরি, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সনদ প্রদানকারী
সংস্থা এবং পরিদর্শন সংস্থাসহ মোট ১৫৫টি সরকারি, বেসরকারি এবং বহুজাতিক সংস্থাকে আন্তর্জাতিক
মান অনুসারে অ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করেছে।’
প্রধান
উপদেষ্টা ‘বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা
করছি।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন করার জন্য সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক জানাজা পরিচালনা করবেন।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বুধবার জোহরের নামাজের পর ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের মাঠ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় দুপুর দুইটায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে এই তথ্য জানানো হয়।মির্জা ফখরুল বলেন, “গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে বেগম খালেদা জিয়া জীবনব্যাপী কাজ করেছেন। তার প্রয়াণে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা পূরণ করা সম্ভব নয়। এই শোক ও বেদনা আমাদের পক্ষে সামলানো কঠিন।”তিনি আরও জানান, শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার আহ্বান জানিয়ে, আগামীকাল দুপুর ২টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা পরিচালনা করবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব। পরে তাকে জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হবে।বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান জানাজা অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করবেন। একই সঙ্গে মহাসচিব শোকের দিনে নেতাকর্মীদের শান্তিপূর্ণ থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির
দাফন সম্পন্ন হয়েছে। হাদির জানাজার নামাজ পড়িয়েছেন তার বড় ভাই
আবু বকর সিদ্দিক।
আজ শনিবার
সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল
ইসলামের কবরের পাশে তাকে সমাহিত
করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার
দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ
প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে
শহীদ ওসমান হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড়
ভাই আবু বকর সিদ্দিকের
ইমামতিতে এ জানাজা আদায়
করা হয়। জানাজা শেষে
তাকে দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় কবরস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়া
হয়।
শহীদ
ওসমান হাদির নামাজে জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস,
উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ
নেন।
জানাজার
আগে প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে বলেন,
ওসমান হাদি নির্বাচনে অংশ
নিতে চেয়েছিলেন এবং নির্বাচন কীভাবে
করা উচিত, তার একটি প্রক্রিয়াও
তিনি দেখিয়ে গেছেন।
তিনি
বলেন, হাদি যে নির্বাচনী
প্রক্রিয়ার শিক্ষা দিয়ে গেছেন, সেটি
আমাদের সবাইকে গ্রহণ করতে হবে। কীভাবে
প্রচারণা চালাতে হয়, কীভাবে মানুষের
কাছে যেতে হয়- সবকিছুরই
শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন।
আমরা সেই শিক্ষা গ্রহণ
করেছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, হাদি কোথাও হারিয়ে
যাবে না। কোনোদিন তোমাকে
কেউ ভুলতে পারবে না। তোমাকে আমাদের
সবার পক্ষ থেকে আল্লাহর
কাছে আমানত রাখলাম। আমরা সবসময় তোমার
কথা রেখে জাতির অগ্রগতির
পথে চলতে থাকব।
ড. ইউনূস বলেন, আজ লাখ লাখ
মানুষ হাজির হয়েছেন। রাজপথে ঢেউয়ের মতো লোক আসছে।
এই মুহূর্তে কোটি কেটি মানুষের
চোখ এখানে। তারা তাকিয়ে রয়েছে
হাদির বিষয়ে জানার জন্য। প্রিয় ওসমান হাদি তোমাকে আমরা
বিদায় দিতে আসিনি। তুমি
আমাদের বুকের ভেতরে আছ। বাংলাদেশ যতদিন
আছে, ততদিন তুমি সব বাংলাদেশির
বুকে থাকবে। এটা কেউ সরাতে
পারবে না।
হাদির
কাছে ওয়াদা করে এসেছেন জানিয়ে
ড. ইউনূস বলেন, তুমি যা বলে
গেছ, সেটা যেন আমরা
পূরণ করতে পারি। সে
ওয়াদা করার জন্য আমরা
একত্রিত হয়েছি। সেই ওয়াদা শুধু
আমরা নয়, পুরুষানুক্রমে দেশের
সব মানুষ পূরণ করবে। তোমার
যে মানব প্রেম তোমার
যে ভঙ্গি, তোমার যে ওঠাবসা এবং
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, তা নিয়ে সবাই
প্রশংসা করছে। সেটা যেন আমাদের
মনে সবসময় জাগ্রত থাকে।
মন্তব্য করুন