

জাতীয়
নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন, তিনি
দল থেকে নয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে লড়াই করবেন। তার নির্বাচনী
আসন ঢাকা-৯।
শনিবার
(২৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক বার্তায় তিনি এ কথা
জানান।
বার্তায়
তিনি নির্বাচনী আসনের (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদাবা) বাসিন্দাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি
আপনাদের ঘরের মেয়ে।
খিলগাঁওয়েই
আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। আমার স্বপ্ন ছিল একটি রাজনৈতিক দলের প্ল্যাটফর্ম থেকে সংসদে
গিয়ে আমার এলাকার মানুষের ও দেশের সেবা করা। তবে বাস্তবিক প্রেক্ষাপটের কারণে আমি কোনো
নির্দিষ্ট দল বা জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
‘আমি আপনাদের এবং দেশের মানুষকে ওয়াদা
করেছিলাম যে আপনাদের জন্য ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার জন্য আমি লড়বো।
পরিস্থিতি
যাই হোক না কেন, আমি আমার সেই ওয়াদা রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র
প্রার্থী হিসাবে ঢাকা-৯ থেকে অংশগ্রহণ করবো।’
তাসনিম
জারা বলেন, ‘একটা দলের প্রার্থী হলে সেই দলের স্থানীয় অফিস থাকে, সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী
থাকে। সরকার ও প্রশাসনের সাথে নিরাপত্তা বা অন্যান্য বিষয়ে আপত্তি ও শঙ্কা নিয়ে কথা
বলার সুযোগ থাকে।
তবে
আমি যেহেতু কোনো দলের সাথে থাকছি না, তাই আমার সে সব কিছুই থাকবে না।’
‘আমার একমাত্র ভরসা আপনারা। আপনাদের
মেয়ে হিসেবে আমার সততা, নিষ্ঠা, এবং নতুন রাজনীতি করার অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রেক্ষিতে
আপনারা যদি স্নেহ ও সমর্থন দেন, তবেই আমি আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাবো।’
দুইটি
বিশেষ বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এক. নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড়াতে
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী আমাদের ঢাকা-৯ আসনের ৪৬৯৩ জন ভোটারের সমর্থনযুক্ত স্বাক্ষর
একটি নির্দিষ্ট ফর্মে প্রয়োজন। আগামীকাল এই স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ শুরু করবো।
মাত্র
এক দিনে এত মানুষের সাক্ষর গোছানো প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত সাহায্য
ছাড়া এটা করতে পারবো না। এই কাজে যারা আগামীকাল বসার জায়গা দিয়ে বা স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে
সাহায্য করতে চান, তারা অনুগ্রহ করে এই গ্রুপে যুক্ত হন। আপনাদেরকে নির্দিষ্ট স্থান
ও লোকেশন জানিয়ে দেওয়া হবে: https://www.facebook.com/share/g/1DCkLvMvRX/
দুই.
কিছুদিন আগে নির্বাচনী ফান্ডরেইজিংয়ের সময় আপনারা অনেকে ডোনেট করেছেন। আমার এই পরিবর্তিত
সিদ্ধান্তের কারণে (স্বতন্ত্র হিসেবে লড়াই করা) যারা ডোনেট করা অর্থ ফেরত পেতে চান,
তাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা। যারা বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়েছেন তারা অর্থ ফেরত পেতে
নিচে দেয়া এই ফর্মটি পূরণ করুন: https://forms.gle/NKTkkNVZvUvyrsGYA। আপনাদের ট্রাঞ্জাকশন
আইডি ও ডিটেইলস ভেরিফাই করার পরে অর্থ ফেরত দেয়া হবে। আর যারা ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠিয়েছিলেন,
তাদেরকে শীঘ্রই জানাবো কী প্রক্রিয়ায় আপনাদের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


ভোট
সুষ্ঠু হলে ফলাফল মেনে নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেছেন, ভোট নিয়ে বিভ্রান্ত করা হলে ফল মেনে নেওয়া হবে না। জনগণ শান্তিপূর্ণভাবে
ভোট দিতে পারলে গণতন্ত্রের সূচনা হবে।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ১২ ফেব্রুয়ারি ) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি
এ কথা বলেন।
বিএনপি
চেয়ারম্যান বলেন, মানুষ যাতে তার দেওয়া ভোটের ফল দ্রুত পায়, আশা করি সে বিষয়ে নির্বাচন
কমিশন সচেষ্ট থাকবে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারলে কোনো ষড়যন্ত্রই টিকবে না।
ভোট সুষ্ঠু হলে ফলাফল মেনে নেওয়া হবে।
তিনি
আরো বলেন, গতকাল থেকেই কিছু রাজনৈতিক দলের দ্বারা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটছে।
জনগণের
শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহযোগিতা করবে বলে প্রত্যাশা
করি। ভোটে জয়ের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।
তারেক
রহমান বলেন, আমি সবাইকে আহ্বান করব— আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি যেন ভোটাররা
শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে তাদের এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। আমরা সবাই মিলে প্রত্যাশিত
বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনে
জয়ী হলে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক
মাদরাসা মাঠে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে রাজশাহীতে পদ্মা
ব্যারেজ নির্মাণ করব। আমের জন্য হিমাগার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে শুরু
হওয়া খাল খনন কর্মসূচি শুরু হয়েছিল। পরবর্তী সময় দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলে গৃহীত
বিশাল সেচ প্রকল্পগুলো উত্তরবঙ্গের কৃষিকে সমৃদ্ধ করেছিল।’
তিনি আরো বলেন, ‘পদ্মা নদীকে কেন্দ্র করে যে বিশাল
সেচ প্রকল্পের নিজস্ব বাজেট ছিল প্রায় এক হাজার কোটি টাকা, গত ১৬ বছরে সেটি পরিকল্পিতভাবে
থামিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে আজ সেই প্রকল্প বন্ধপ্রায়। আমাদের লক্ষ্য হলো এই ঐতিহাসিক প্রকল্পটিকে
আবার পূর্ণ শক্তিতে সচল করা।’
বিএনপি চেয়ারম্যান উত্তরবঙ্গের কৃষকদের আশ্বস্ত করে
বলেন, ‘এই সেচ ব্যবস্থা শুধু রাজশাহীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এই প্রকল্পের সুবিধা
রাজশাহী থেকে শুরু করে সেই পঞ্চগড় পর্যন্ত কৃষকরা যেন পায়, সেই ব্যবস্থা আমরা করব।
উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষক হাসলে হাসবে
বাংলাদেশ। আমরা চাই উত্তরের প্রতিটি প্রান্তরে সেচের পানি পৌঁছে যাক, যাতে আমাদের মায়েরা
ও কৃষানিরা সমৃদ্ধির মুখ দেখতে পান।’
তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের সব মহিলাকে ফ্যামিলি কার্ডের
পাশাপাশি সব কৃষকদের একটি কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কৃষিঋণ, সার, বীজসহ সব
কৃষি উপকরণ পৌছে দেওয়া হবে। রাজশাহীতে বিশেষায়িত হাসপাতাল ভোকেশন্যাল ট্রেনিং ইন্সটিউট
প্রতিষ্ঠা করা হবে।
কৃষি নির্ভর যেসব ইন্ডাস্টি প্রতিষ্ঠা করা হবে, সেখানে
সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’ সমাবেশে মিজানুর রহমান মিনু, হারুন উর -রশীদ, অ্যাডভোকেট
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আবু সাইদ চাঁদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
রাজধানী ঢাকার রাস্তাঘাটে আছড়ে পড়েছে অগণিত
জনতার ঢেউ। মানিক মিয়া
অ্যাভিনিউ রূপ নিয়েছে জনসমুদ্রে।যতদূর
চোখ যায়, চারদিকে শুধু
মানুষ আর মানুষ।
জাতীয়
সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ
প্লাজায় খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সকাল
থেকেই সমবেত হতে থাকেন শোকাহত
মানুষেরা।
মানিক
মিয়া অ্যাভিনিউ ঘুরে দ্য ডেইলি
স্টারের সংবাদদাতা জানান, দিনের শুরুতেই মানুষের সারি তৈরি হতে
থাকে এবং সময় গড়ানোর
সঙ্গে সঙ্গে তা আরও দীর্ঘ
হয়।
ধানমন্ডি
৩২ নম্বর এলাকা থেকে শোকাহত মানুষের
লাইন আসাদ গেট পেরিয়ে
কারওয়ান বাজার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। প্রধান সড়কের
সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি রাস্তা ও গলিপথে মানুষ
ধৈর্যের সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছিলেন। অনেকের হাতে ছিল দলীয়
পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, আবার
অনেকেই নীরবে দোয়া করছিলেন।
জনসমাগম
কেবল সড়কেই সীমাবদ্ধ ছিল না। বিভিন্ন
এলাকায় মানুষকে উড়াল সড়কের ওপর
এবং আশপাশের ভবনের ছাদে দাঁড়িয়ে জানাজার
কার্যক্রম একনজর দেখার চেষ্টা করতে দেখা যায়।
বিএনপি
সমর্থকদের পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের
সঙ্গে যুক্ত নন, এমন সাধারণ
নাগরিকদেরও পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, যা
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের ব্যাপক প্রভাবের প্রতিফলন। বয়স্ক মানুষ, নারী ও তরুণ—সব বয়সের মানুষই
উপস্থিত ছিলেন; অনেককেই শেষ শ্রদ্ধা জানাতে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা
করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত দেখা
যায়।
এই অভূতপূর্ব জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও চলাচল স্বাভাবিক
রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন
করা হয়। আশপাশের সড়কে
যান চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশৃঙ্খলা
এড়াতে কর্তৃপক্ষ সবাইকে শান্ত থাকার এবং নির্দেশনা মেনে
চলার আহ্বান জানায়।
অনেক
শোকাহত মানুষ খালেদা জিয়াকে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস গড়ে দেওয়া এক
প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন।আসাদ গেটের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা
এক ব্যক্তি বলেন, 'খালেদা জিয়া শুধু একটি
দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন
এ দেশের সব মানুষের নেত্রী।'
মন্তব্য করুন


ফ্যাসিস্ট
লীগের বিচার হবেই বলে অঙ্গীকার করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।
আজ
বৃহস্পতিবার (৮ মে) সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ অঙ্গীকার করেন।
তথ্য
উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, দল হিসাবে লীগের বিচারের প্রভিশন যুক্ত করা হবে। ফ্যাসিস্ট
লীগের বিচার হবেই।
এর
আগে দুপুরে পতিত সরকারের সাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের দেশত্যাগ প্রসঙ্গে একটি পোস্ট
করেন।
‘কৈফিয়ত কিংবা বাস্তবতা’ শিরোনামে নিজের ফেসবুকে
তিনি লেখেন- ‘ক্ষমতার ভরকেন্দ্র অনেকগুলো। ফলে কাজের দায় সরকারের, কিন্তু কাজ করে ক্ষমতার
অন্যান্য ভরকেন্দ্র। জোড়াতালি দিয়ে গণতান্ত্রিক রূপান্তর সম্ভব না, সম্ভব নয় নূতন রাজনৈতিক
বন্দোবস্ত।
রাজনৈতিক
দলগুলো ডিসেম্বরের পর সহযোগী ভূমিকায় নেই৷ কিন্তু, ঠিকই প্রশাসন, বিচারবিভাগ, পুলিশে
তারা স্টেইক নিয়ে বসে আছেন। এস্টাবলিশমেন্ট দ্বিদলীয় বৃত্তে ফিরতে এবং ছাত্রদের মাইনাস
করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
প্রায়
তিন ডজন নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র মাত্র দু'জন। ছাত্র প্রতিনিধিদেরকেও এস্টাবলিশমেন্ট
রাষ্ট্রপতি অপসারণের ঘটনার পর থেকে কোণঠাসা করে রেখেছে। আমরা দু'জন সর্বোচ্চ ব্যালেন্সিং
অ্যাক্ট করতে পারছি, কিন্তু প্রভাবক হিসাবে কাজ করতে হলে সরকারে সুষম ছাত্র প্রতিনিধিত্ব
লাগবে।
মন্তব্য করুন


সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার মরদেহের পাশে বসে কোরআন তিলাওয়াত
করেন ছেলে তারেক রহমান।
এখানেই
দলের নেতাকর্মী ও স্বজনরা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন।
আজ
বুধবার সকাল ৯টার আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল
থেকে গুলশানের উদ্দেশ্যে বের করা হয় তাঁর মরদেহ।
এরপর
নেওয়া হয় গুলশানের তারেক রহমানের বাসায়। সেখানে তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তার কন্যা
জাইমা রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।
মন্তব্য করুন


ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণির এক ব্যতিক্রমধর্মী
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বড় বড়
রাজনৈতিক অঙ্গীকারের পরিবর্তে ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ভোট
চাইছেন তিনি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায়
গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে আশা মণি বলেন, তরুণ ভোটারদের কাছ থেকে তিনি নিয়মিত বিয়ের
ব্যবস্থা করে দেওয়ার অনুরোধ পাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন
আপা, আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশে আমার কথা, আমাকে একটা করে ভোট দিন,
আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।
শুধু তরুণ ভোটার নয়, দাদা-দাদি, নানা-নানি, চাচা-চাচিসহ
সব বয়সী ভোটারের কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আশা মণির এই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে
হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামে এক নেটিজেন মন্তব্য করেন, কেউ দিতে চাচ্ছে
বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!
উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন
আশা মণি। তবে সে সময় তিনি অল্প কয়েকটি ভোট পেয়েছিলেন। ভোটের ফলাফল যাই হোক, স্থানীয়
সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আশা মণি
একজন সাহসী পথযাত্রী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে
আশা মণিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরো ঠাকুরগাঁও জেলায় তিনটি
সংসদীয় আসনের বিপরীতে নারী প্রার্থী রয়েছেন মাত্র দুজন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে
জাতীয় পার্টির নূরুন্নাহার বেগম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে
লড়ছেন আশা মণি।
মন্তব্য করুন


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মীদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি
সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ইব্রাহিম মাসুম (২৭) নামের ছাত্রদলের এক নেতা গুলিবিদ্ধ
হন। আহত হন আরও ৬ জন।
ছাত্রদলের আহত নেতা
ইব্রাহিম মাসুমকে নোয়াখালীর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার (২৯
অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের মহেশপুর
ও কাচিহাটা সর্দার দিঘির পাড় এলাকায় কয়েক দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষ হয়। খবর
পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে
জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহেশপুরে
জামায়াতের সমর্থক মো. সোহেলকে (৪০) ছাত্রদলের একদল কর্মী মারধর করেন। এ ঘটনার পর বিকালে
শিবির কর্মী মো. রাশেদের ওপরও হামলা চালান ছাত্রদলের কর্মীরা। এর জেরে শিবিরের একদল
কর্মী ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাঁচিহাটা সর্দার দিঘির পাড় এলাকায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের
ওপর হামলা চালান। এ সময় কয়েকটি গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। এ ঘটনায় ছাত্রদলের
ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মাসুম পায়ে গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন।
আমানউল্যাহপুর ইউনিয়ন
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম মাসুম জানান, দুপুরের দিকে একই এলাকার মো: সোহেলকে
ইয়াবা সেবনকালে ছাত্রদলের কয়েকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ সময় এলাকার মুরব্বিরা তাকে হালকা
মারধর করে তার পরিবারের কাছে সোপর্দ করেন। সোহেল একসময় আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন।
গত ৫ আগস্টের পর তিনি স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের লোকজনের সঙ্গে চলাফেরা করেন। যে কারণে
জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা তার পক্ষ হয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অতর্কিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের
ওপর হামলা চালান।
বেগমগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের
আমির আবু জাহের জানান, ছাত্রদলের কর্মীরা ৫ আগস্টের পর থেকে আমানউল্যাহপুরে আমাদের
অনেক নেতাকর্মীকে মারধর করেছেন। আজ বিনা কারণে মারধর করা হয় জামায়াতের সমর্থক মো. সোহেল
ও শিবির কর্মী মো. রাশেদকে (২৪)। হামলায় রাশেদ অচেতন হয়ে যান। আমাদের কর্মীরা যখন রাশেদের
চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত, তখন তৃতীয় কোনো একটি পক্ষ ছাত্রদলের নেতা মাসুমের ওপর হামলা করে।
তবে তারা শিবিরের কিনা, আমি এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি।
বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান জানান, আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের কাচিহাটা বাজারে দুর্বৃত্তদের
হামলায় ছাত্রদলের একজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা শুনেছি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো
হয়েছে। এ ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা
নেওয়া হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির বিদেশে চিকিৎসায় যত অর্থ প্রয়োজন, তা অর্থ মন্ত্রণালয়
থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। ঢাকায় ইতোমধ্যে এয়ার
অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছেছে এবং তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ইনকিলাব
মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদির বিদেশে
চিকিৎসার সব ব্যয় অর্থ মন্ত্রণালয় বহন করবে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
আহমেদ। সোমবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের
প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
অর্থ
উপদেষ্টা বলেন, “কালকে হাদির ব্যাপারে বলা হয়েছে, তো আমরা রেডি। এই যে হাদির ব্যাপারে,
বাইরে পাঠাবে; কালকে যখন আমাদেরকে মেসেজ দিল; আমরা বলেছিলাম, টাকা-পয়সা কোনো ব্যাপার
না। উই উইল গিভ অ্যালোকেশন। যা হোক ওটা ম্যানেজ হয়ে গেছে।”তিনি
আরও বলেন, “হাদির জন্য যখন বলেছে যে—বাইরে পাঠানো হবে; সো অবভিয়েসলি টাকার
ইনভলভমেন্ট আছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমরা বলেছি, যাই লাগে—হয়তো
হেলিকপ্টার নিতে হবে বা এয়ার অ্যাম্বুলেন্স নিতে হবে। কিন্তু লাকিলি অর্থ মন্ত্রণালয়
তাদের নিজস্ব বাজেট থেকে দিচ্ছে।”
সালেহউদ্দিন
আহমেদ বলেন, “এই ব্যাপারে কোনো দ্বিধা ছিল না। যখন ডিসিশন নিয়েছে, বোর্ড যখন বলেছে,
তখন ইমিডিয়েটলি গভর্নমেন্ট টুক ইট আপ। এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতামত চেয়েছে, আমরা বলে
দিয়েছি—যেকোনো সময় আমরা ইসে করব।”
শরীফ
ওসমান বিন হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিতে গালফস্ট্রিম জি-১০০ সিরিজের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স
সোমবার বেলা ১১টা ২২ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছে। ওই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করেই তাকে সিঙ্গাপুর
জেনারেল হাসপাতালের অ্যাক্সিডেন্ট ইমার্জেন্সি বিভাগে নেওয়া হবে।
প্রধান
উপদেষ্টার দপ্তর জানিয়েছে, হাদির উন্নত চিকিৎসার জন্য সরকার দুদিন ধরে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড
ও মালয়েশিয়ার একাধিক হাসপাতালে যোগাযোগ করেছে। রোববার এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ
চিকিৎসক দলের পরামর্শ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার পর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানোর
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য,
গত শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় চলন্ত রিকশায় থাকা শরীফ ওসমান বিন
হাদিকে একটি মোটরসাইকেল থেকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায়
প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার
হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা ‘অত্যন্ত আশঙ্কাজনক’
বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


জামায়াতে
ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে তাদের সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন
দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের
নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি করা হবে বলেও জানান তিনি।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৫ ফেব্রুয়ারি ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য
জানান জামায়াত আমির।
ফেবসুক
পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকার হবে জনগণের নিকট দায়বদ্ধ।
যুগ
যুগ ধরে এ দেশে জবাবদিহিতা ছাড়াই দেশ শাসন করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
হয়েছে পর্দার আড়াল থেকে। ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির পাহাড়কে গোপন করা হয়েছে চুপিসারে।’
তিনি
আরো বলেন, ‘আল্লাহর ইচ্ছায় ও জনগণের ভালোবাসায় আমরা যদি সেবা করার সুযোগ পাই, আমাদের
মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ
করতে বাধ্য থাকবেন।
তাদের
নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।’
জামায়াত
আমির তার পোস্টে বলেন, ‘আমাদের সরকার চলবে স্বচ্ছতা এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার মাধ্যমে,
যেখানে প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। সরকারি কাজ, ব্যয় এবং সেবা প্রদানের
প্রতিটি ধাপ নাগরিকরা সরাসরি (রিয়েল-টাইম) পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। জনগণের থেকে লুকিয়ে
রাখার এই সংস্কৃতির চিরস্থায়ী অবসান ঘটবে, ইনশাআল্লাহ।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, স্বজনপ্রীতি পরিহার করে স্বচ্ছতার সঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করতে হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা সরকারি সহায়তা পাবেন।
তিনি
আরও বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান ও দু’জন
সমাজসেবকের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে টিম গঠন করা হবে। এর মাধ্যমে
উপকারভোগীদের যথার্থতা যাচাই করে সম্পূর্ণ দলীয়প্রভাবমুক্ত থেকে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে
ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা যাবে।
আজ
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশাল সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা পর্যায়ের
কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিসংখ্যান
ব্যুরোর কাজের নির্ভুলতা নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, একটি রাষ্ট্র কতটা সভ্যতা
ও প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র অর্জন করেছে সেটা নির্ভর করে সঠিক পরিসংখ্যানের ওপর। এক্ষেত্রে
নিখুঁত তথ্য সংগ্রহ, তথ্যের সংরক্ষণ এবং দ্রুত তথ্য সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
জহির
উদ্দিন স্বপন বলেন, আধুনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল ডাটাবেস
সিস্টেম। সঠিক ডাটাবেস সিস্টেম না থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব নয়। বরিশালের
স্বাস্থ্যসেবাকে আধুনিকীকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বরিশাল দক্ষিণ
বাংলার রাজধানী হওয়া সত্ত্বেও উন্নত চিকিৎসার অভাব রয়েছে।
তিনি
বলেন, গুরুতর অসুস্থ রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়া কষ্টসাধ্য এবং সাধারণ মানুষের
জন্য ব্যয়বহুল। এই সংকট নিরসনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন
হাসপাতালে রূপান্তর করা এখন সময়ের দাবী। বরিশালে
একটি বিশেষায়িত ট্রমা সেন্টার স্থাপন করাও জরুরি হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
মতবিনিময়
সভায় জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ
সুপার ফারজানা ইসলাম। সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত
ছিলেন।
মন্তব্য করুন