

প্রধানমন্ত্রীর
রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের
উদ্দেশে বলেছেন, ‘মুরুব্বিরা শিক্ষা দেয়- মিথ্যা বলা মহাপাপ। সুতরাং মিথ্যা বলো না।’
তিনি
বলেন, ‘কারো নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তার বদনাম করা বড় পাপ। এই পাপ থেকে দয়া করে নিজে
দূরে থাকুন এবং আমাদেরকেও দূরে রাখুন।’
শুক্রবার
(৬ মার্চ) বিকেলে রমনা থানা বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুল মাঠে
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও ইফতার
মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রমনা
থানা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ শামীম হোসেনের
সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মহানগর ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা
আব্বাস বলেন, ‘আমার এলাকায় নির্বাচনে ভোট কারচুপি না হলে ওরা এত ভোট পেতে পারে না।
ঢাকা-৮ আসনের একটি ওয়ার্ডে আপনার কোন আত্মীয় আছে যে আপনাকে ভোট দিয়েছে, তা বলতে পারবেন
না। আর আমি মির্জা আব্বাস নাম ধরে বলে দেবো কারা কারা আমাকে ভোট দিয়েছে।’
তিনি
বলেন, ‘আমরা রাতের বেলায় কয়েকটি স্কুলে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিয়ে ভোট রক্ষা করেছি। তা
না হলে সব কেন্দ্র সিল মেরে নিয়ে যেতেন। অদ্ভুত কায়দায় ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছেন।
চাপিয়ে দিচ্ছেন বিএনপির ওপরে।’
মির্জা
আব্বাস বলেন, ‘আমার এলাকায় হারার ইতিহাস নেই। আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচন হয়নি, সেটি
সবাই জানে। আমি কোন জায়গায় কত ভোট পেলাম, সেটি আপনাদের দেখার বিষয় নয়। এ এলাকায় আমার
বন্ধু, আত্মীয়-স্বজন আছে। সুতরাং আমার ভোটের অভাব নেই।’
তিনি
বলেন, ‘আমার কথা হলো ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং না করে আপনারা এত ভোট কীভাবে পেলেন? সেটি
আজ জাতির সামনে আমার প্রশ্ন। আমি প্রমাণ করতে পারব আপনারা কারচুপি করেছেন।’
মন্তব্য করুন


বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে আলোচনায় থাকা ‘মুফতি’ কাভি এবার আরও চমকপ্রদ দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুর একসময় তার স্ত্রী ছিলেন এবং তাদের মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন হয়েছিল।
সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে কাভি ভারতীয় চলচ্চিত্রাঙ্গনের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে নানা দাবি করেন। সেখানে তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে কারিনা কাপুরের সঙ্গে তার প্রথম যোগাযোগ হয় এবং ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। সে সময় করিনার বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে ছিল বলে দাবি করেন তিনি।
কাভির বক্তব্য অনুযায়ী, শরিয়ত অনুযায়ী মুসলমানদের হিন্দু নারীদের বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী তিনি কারিনা কাপুরকে নিকাহ করেছিলেন। তিনি বলেন, “কারিনা কাপুর আমার স্ত্রী ছিলেন। তিনি পাকিস্তানের ভাবি ছিলেন।”
তিনি আরও দাবি করেন, ‘সেঠ শাহিদ’ নামটি কারিনাকে প্রভাবিত করেছিল এবং সে সময় তিনি বড় তারকা না হওয়ায় তাদের নিকাহ সম্ভব হয়েছিল।
মুফতি কাভির আরও বক্তব্য, কারিনা কাপুর ও সাইফ আলী খানের বিয়ের সময় ভারতের কিছু আলেম ওই বিয়েকে হারাম ঘোষণা করেছিলেন। তবে তিনি নিজে সেটিকে হালাল বলে ফতোয়া দেন। এর পেছনে কারণ হিসেবে তিনি দাবি করেন—কারিনা তার নিকাহে ছিলেন বলেই তিনি প্রকাশ্যে ওই বিয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
পডকাস্টে কাভি আরও বলেন, এখনো যদি অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের পক্ষ থেকে নিকাহের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি প্রস্তুত।
তবে কারিনা কাপুরকে স্ত্রী দাবি করলেও, তাদের মধ্যে কখন ও কীভাবে তালাক হয়েছে—সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য দেননি কাভি।
মন্তব্য করুন


বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,
নির্বাচনে সততা পালিয়ে গেছে। আমরা চেষ্টা করছি সততা ধরে রাখতে। আপনার ভোট বড় আমানত।
সেটা আমাকে দেবেন। কারণ আমি আপনাদের চেনা লোক।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে সালন্দর ইউনিয়নের
কালীতলা এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগে একথা বলেন তিনি।
মহাসচিব বলেন, আমরা ভিক্ষা আর দয়ায় বাঁচতে চাই না,
কাজ করে বাঁচতে চাই। সেজন্য প্রশিক্ষণ নিতে হবে।
আমাদের ছেলেগুলো শুধু পড়াশোনা করে এমএ-বিএ পাস করতে
চায়, কিন্তু পাস করে চাকরি মেলে না। প্রশিক্ষণ নিয়ে বাইরের দেশে গিয়ে ভালো আয় করা সম্ভব।
ছাত্রদের ওইদিকে মনোযোগী করতে হবে। সঠিক পথে যেতে হবে। এতে আমাদের উন্নতি হবে।
তিনি আরও বলেন, ১৫ বছর এসব কথা আমরা বলতে পারি নাই।
আমাদের শুধু পিটিয়েছে আর মামলা দিয়েছে৷ এখন আমরা কাজ করতে চাই। আপনারা সংগঠন গড়ে তুলবেন।
সংগঠনের মাধ্যমে আমরা কাজ করতে চাই।
সবজি রাখার জন্য কোল্ড স্টোরেজ করা হবে। নারীদের কুটির
শিল্পে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁও আমার জন্মস্থান। আমার
বাবা, আমি ও আমার ছোট ভাই পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। আওয়ামী লীগের আমলে ছোট ভাই চেয়ারম্যান
থাকা সত্বেও তাকে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। আমরা কাজ করতে পারি নাই। সরকার চলে যাওয়ায়
পর আমরা শহরের রাস্তার কাজগুলো নিয়ে এসেছি। আপনারা অতীতে ভোট দিয়েছেন এবারও দেবেন।
আমরা রাজনীতি করে ব্যবসা করি না। বাপের জমিজমা বিক্রি করে রাজনীতি করি। বাপের জমিজমা
যা ছিল অর্ধেক শেষ। এটাই আমার শেষ নির্বাচন, আপনারা আমাকে সুযোগ করে দেবেন। এসময় দলটির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা
উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তলসহ মো. রাসেল ও মো. ইমরান নামের ২ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ১টি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয় তাদের কাছ থেকে।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ।
এর আগে সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে তাদেরকে আটক করা হয় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া গ্রাম থেকে।
গ্রেফতারকৃত রাসেল দেওপাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে ও ইমরান একই এলাকার তাজল ইসলাম সুমনের ছেলে। তাদের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মাদকসহ বিভিন্ন ঘটনায় ৪টি করে ৮টি মামলা রয়েছে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে রাসেল ও ইমরানকে আটক করা হয়। পরে রাসেলের কাছ থেকে ম্যাগাজিন সংযুক্ত পিস্তলটি জব্দ করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালীর কবিরহাটের চাঁনপুর শাহা গ্রাম থেকে একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ।
লক্ষ্মীপুরের এসপি মোহাম্মদ তারেক বিন রশিদ জানান, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।
মামলার তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, প্রবাসীরা যেন বিমান বন্দরে অতিথির মত সম্মান ও
সেবা পায় সরকার তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
আজ সোমবার (১১ নভেম্বর) হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিবাসী কর্মীদের জন্য একটি ডেডিকেটেড লাউঞ্জ (প্রবাসী লাউঞ্জ)
উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আপনাদের যে প্রাপ্য সম্মান, সেটি যেন জাতি দিতে পারে। সেই সম্মান দেয়ার জন্য
আজকের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে প্রবাসী লাউঞ্জ উদ্ধোধন করা হলো। আশা করি, আরো বহু রকমের
পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যাতে করে আপনারা এখানে এসে মনে করতে পারেন যে, আপনারা শান্তিতে
আছেন, বাড়িতে আছেন, সবাই আপনাদের দেখভাল করছে, আপনাদের সেবা-শুশ্রুষা করছে৷ অর্থাৎ
আপনি এখানে মেহমানের মতো থাকবেন। আপনি সম্মান
নিয়ে থাকবেন। আপনার প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়ার জন্য এই প্রচেষ্টা। আজকে যেটা শুরু করলাম
বহুভাবে একে কাজ লাগানো যাবে। আপনাদের দিয়ে তো দেশ চলে। আপনাদের তো মাথার ওপর রাখার
কথা। অপরাধী করে রাখবে কেনো? ভাবখানা এই যে, তোমরা নিজদের টাকা রোজগার করতেছ, তোমাদের
ব্যাপার! আমাদের কী তাতে?'
তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা টাকা যেটা
রোজগার করছে, সেটা তো বাংলাদেশেই আসছে, বাংলাদেশের জন্য রোজগার করছে। প্রবাসীরা কষ্ট
করে টাকা রোজগার করে আনছেন। আর এই কষ্টার্জিত টাকা আরকজনে বিদেশে পাচার করছে। এটা হলো
আমাদের দুর্ভাগ্য। সেখান থেকে আমাদের ফিরে আসতে হবে, আমাদের দেশের টাকা যেন দেশে থাকে,
দেশের কাজে লাগে। আমাদের প্রবাসী কর্মীরা দেশ গড়ার কারিগর। জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে
তারা বড় ভূমিকা পালন করেছে। আমরা তাদের কাছে সবসময় কৃতজ্ঞ। আমরা বিশ্বাস করি, এই লাউঞ্জ
তাদের ভ্রমণকে সহজ করবে। আমরা সরকারে আসার তিন মাসের মাথায় এসে প্রবাসীদের জন্য নতুন
যাত্রা শুরু করতে পারলাম। প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের নাম উল্লেখ করে তিনি
বলেন, আমরা দুজনেই বিদেশে আসা-যাওয়ার পথে এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছি। বিমানবন্দর আমাদের
সবাইকে ব্যবহার করতে হয়। আমাকেও প্রায় আসা-যাওয়া করতে হয়। মনে খুব কষ্ট হয় যখন দেখি
প্রবাসীদের যাওয়া আসায় কত কষ্ট হচ্ছে। প্রবাসীদের জন্য এখন ই-পাসপোর্ট দিতে হবে। ছাপা
পাসপোর্ট দরকার নেই। পাসপোর্ট আপনার ফোনে চলে আসবে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। অফিসে যেন
যেতে না হয়। আমার এখন আর সরকারি অফিসে যেতে চাই না। বাড়িতে যেন সেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।
উল্লেখ্য, হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে
এটিই প্রথম প্রবাসী লাউঞ্জ। এখানে বাংলাদেশী অভিবাসী কর্মীদের বিশ্রামের জন্য জায়গা
এবং সুলভ মূল্যে খাবার পাওয়া যাবে। সুলভ মূল্যে খাবার পরিবেশনের জন্য এতে ভর্তুকি দেবে
সরকার।
উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে আইন ও প্রবাসী কল্যাণ
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা
উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, বিমান বন্দরে
প্রবাসীদের দেখভাল এবং তাদের সহায়তা করার জন্য ১০০ কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আইওএম
এই কর্মীদের স্পন্সর করেছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত আইওএম মিশনের ডেপুটি
চিফ ফাতিমা নুসরাত গাজালি জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকদের সহায়তার জন্য
লাউঞ্জটি স্পন্সর করেছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে ও দলের
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
দীর্ঘ
১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেই মায়ের চিকিৎসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন তারেক
রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার
হাসপাতালে গিয়ে দীর্ঘ সময় মায়ের পাশে অবস্থান করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা.
জুবাইদা রহমান। তারা মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করে চিকিৎসার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে
অবহিত হন। রাত ১২টার দিকে তারা হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
বেগম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন,
স্বাস্থ্যের ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় তাকে প্রথমে সিসিইউ এবং পরে আইসিইউতে স্থানান্তর করা
হয়েছে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থার উন্নতি
হয়েছে, এমনটি বলা যাচ্ছে না। তবে, মহান আল্লাহর রহমতে এই সংকটময় সময় পার করা সম্ভব
হলে ভালো কিছুর আশা করা যেতে পারে।
তিনি
বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অত্যন্ত সচেতন যে, কোনোভাবেই যেন সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা
কার্যক্রম ব্যাহত না হয়। এ কারণে তিনি নেতাকর্মীদের অতিউৎসাহী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত
থাকতে নির্দেশ ও অনুরোধ জানিয়েছেন।
বর্তমানে
অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে
গঠিত মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় নিয়োজিত আছে। গত ২৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি
হওয়ার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ বিরাজ করছে।
তারেক রহমান ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দেশনেত্রীর জন্য দোয়া অব্যাহত
রাখার আবেদন জানানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
নারী ফুটবল দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে টানা দুবার শিরোপা জিতেছে। এবার দেড় কোটি টাকা দেওয়ার
ঘোষণা দিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)।
আজ
শনিবার (৯ নভেম্বর) বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে
সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মিডিয়া কমিটির প্রধান আমিরুল ইসলাম বাবু। সেখানেই সাবিনা-মারিয়া-তহুরাদের
দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাটি দেন তিনি।
এর
আগে সাফ শিরোপা জেতায় চ্যাম্পিয়ন মেয়েদের ১ কোটি টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল ক্রীড়া
মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকেও এসেছিল পুরস্কারের ঘোষণা।
মন্তব্য করুন


জুলাই গণ-অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৫।
আজ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায় বইমেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
উদ্বোধনের পর বিকেল ৫টা থেকে মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
এবারের অমর একুশে মেলায় গণ অভ্যুত্থানের নানা চিত্র ফুটিয়ে তোলা হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে বইমেলায় থাকছে ‘জুলাই চত্বর’। মেলায় বিভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হবে গণঅভ্যুত্থানকে।
১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রাত সাড়ে ৮ টার পর নতুন করে কেউ মেলা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। ছুটির দিন বইমেলা চলবে সকাল ১১টা থেকে রাত ৯:০০টা পর্যন্ত (৮ ফেব্রুয়ারি ও ১৫ ফেব্রুয়ারি ছাড়া)। ২১ ফেব্রুয়ারি মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে মেলা শুরু হবে সকাল ৮ টায় এবং চলবে রাত ৯ টা পর্যন্ত।
এবারের বইমেলায় মোট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৭০৮টি, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ১৯৯টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৬০৯টি; মোট ইউনিট ১০৮৪টি (গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৬৪২টি এবং ইউনিট ছিল ৯৪৬টি)। এবার মোট প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ৩৭টি, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ০১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৩৬টি; (গত বছর প্যাভিলিয়নের সংখ্যা ছিল ৩৭টি)। লিটল ম্যাগাজিন চত্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের উন্মুক্ত মঞ্চের কাছাকাছি গাছতলায়। সেখানে প্রায় ১৩০টি লিটলম্যাগকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। শিশু চত্বরে মোট প্রতিষ্ঠান ৭৪টি এবং ইউনিট ১২০টি (গত বছর প্রতিষ্ঠান ছিল ৬৮টি এবং ইউনিট ১০৯টি)।
বাংলা একাডেমির ৩টি প্যাভিলিয়ন এবং শিশুকিশোর উপযোগী প্রকাশনার বিপণনের জন্য ১টি স্টল থাকবে। ৮ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি ব্যতীত প্রতি শুক্র ও শনিবার মেলায় সকাল ১১ টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ‘শিশুপ্রহর’ থাকবে। অমর একুশে উদ্যাপনের অংশ হিসেবে শিশুকিশোর চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি এবং সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে। এবারের মেলায় বাংলা একাডেমি প্রকাশ করছে নতুন ৪৩টি ও পুনর্মুদ্রিত ৪১টি বই। বইমেলায় বাংলা একাডেমি এবং মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ ছাড়ে বই বিক্রি করবে। প্রতিদিন বিকেল ৪টায় বইমেলার মূল মঞ্চে সেমিনার এবং সন্ধ্যায় থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মন্তব্য করুন


তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন,
২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের ত্যাগের বিনিময়েই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা
শুরু হয়েছে। এই বিপ্লবের চেতনা থেকেই আমরা বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং সবার বাংলাদেশ
গড়ে তোলার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।
আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের
শাপলা হলে ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা
এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, আজকের এই আয়োজন
শুধু একটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা নয়, বরং এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন বাংলাদেশের
একটি নতুন দিগন্ত। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশের তরুণদের স্বপ্ন, সৃজনশীলতা এবং
প্রতিভাকে সামনে আনার জন্য ‘নতুন কুঁড়ি’ এক অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম। ধর্ম, বর্ণ, অঞ্চল
বা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে সারাদেশ থেকে নতুন কুঁড়িতে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বাছাই
করা হয়েছে। এই তরুণরাই নতুন বাংলাদেশের পতাকাকে বহন করবে। নিজের প্রতিভা ও পরিশ্রম
দিয়ে আমাদের সংস্কৃতি, সমাজ ও সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। জুলাই শহীদ ও আহতদের কাঙ্ক্ষিত
সেই বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক এবং সবার বাংলাদেশ গড়ে তুলবে। বাংলাদেশ বহু সংস্কৃতির,
ঐতিহ্যের এবং ভাষার দেশ। দীর্ঘদিন ধরে এই বৈচিত্র্যের সৌন্দর্য আমরা উপভোগ করতে পারিনি,
উপলব্ধি করতে পারিনি। আমাদের অনেক প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এবং যাদের প্রান্তিক করা হয়েছে,
তাদের সাংস্কৃতিক পরিষদ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। যার কারণে সাংস্কৃতিক জায়গায় ফ্যাসিবাদ
চেপে বসেছিল। আমরা চাই এখন থেকে আমাদের সাংস্কৃতিক কাঠামোতে জাত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে
সবাই জায়গা করে নিক। আমাদের সংস্কৃতির শক্তি হবে অন্তর্ভুক্তি, বৈচিত্র্য এবং মানবতার
সম্মিলন। সভ্যতা হবে এই বাংলার অববাহিকায় থাকা বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক সম্পদের প্রতিফলন।
প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে আমরা যখন একটি নতুন বাংলাদেশের যাত্রায় আছি, তখন প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের ধারাবাহিকতায় বিটিভি’কেও স্বায়ত্তশাসন দেওয়া হচ্ছে; যাতে বিটিভি বাংলাদেশের
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করতে পারে। আমরা চাই বিটিভি কোনো দলের বা কোনো রাজনৈতিক
শক্তির স্বার্থের হাতিয়ার না হোক। বিটিভি’কে নতুন করে গড়ে তোলা হচ্ছে, যেখানে নতুন
রিয়েলিটি শো, ভিন্ন বয়স ও পটভূমির প্রতিযোগীদের নিয়ে নতুন নতুন অনুষ্ঠান চালু করা হবে।
আশা করি, এগুলো পরবর্তীতেও অব্যাহত থাকবে। এখন থেকে বিটিভি হবে সবার, সব দলের এবং সব
মানুষের।
বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানিয়ে তথ্য ও
সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, আমি বিজয়ী ‘নতুন কুঁড়ি’র প্রতিযোগীদের আন্তরিক
অভিনন্দন জানাই। প্রতিযোগিতায় যারা জয়ী হয়েছেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তিক অঞ্চল
থেকে ধারাবাহিকভাবে যারা আজ এই মঞ্চে এসে পৌঁছেছেন সবাইকে অভিনন্দন জানাই। তোমাদের
প্রতিভা, নিষ্ঠা এবং উদ্ভাবনী শক্তি আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করে।
মন্তব্য করুন


আগামী
১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ রোববার থেকে
সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছে।
ভোটের
আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ
হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।
নির্বাচন
কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বাসস’কে জানান, রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে আছে, তবে আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে
মোতায়েন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ভোটের চারদিন আগে, ভোটের দিন ও পরবর্তী দুইদিন মিলিয়ে
মোট সাতদিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে বলে জানান তিনি।
ভোটের
পরিবেশ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা
মনেকরি নির্বাচনের পরিবেশ সম্পূর্ণ ভালো আছে।’
নির্বাচনের
প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ব্যালট বাক্স জেলায়
জেলায় পাঠানো হচ্ছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। সংশ্লিষ্ট সবাই এখন
ভোটের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।’
এ
বিষয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে। এর মধ্যে সেনাবাহিনী সাতদিন দায়িত্ব
পালন করবে এবং আনসার বাহিনী থাকবে আটদিন। পুলিশ ও সেনাবাহিনী অলরেডি মাঠে রয়েছে।
ইসি
সচিব জানান, ১ হাজার ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোতায়েন
(ডেপ্লয়েড) থাকবেন। মূলত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য তাদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি
এ সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরও মাঠে রাখা হবে। এছাড়া ইলেক্টোরাল এনকোয়ারি অ্যান্ড
এডজুডিকেশন কমিটি ইতোমধ্যে মাঠে কাজ করছে।
ইসি
সচিব আরও জানান, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা ভোট গ্রহণের
৪৮ ঘণ্টা আগে, অর্থাৎ ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় বন্ধ হবে।
এর
আগে গত ২২ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর
আলম চৌধুরী জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা
বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি
বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুষ্কৃতকারীদের ব্যালট ছিনতাইয়ের কোনো সুযোগ নেই। অতীতের
নির্বাচনে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে একজন করে অস্ত্রধারী পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করলেও
এবার প্রথমবারের মতো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে কমপক্ষে পাঁচজন অস্ত্রধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে দুইজন অস্ত্রধারী পুলিশ ও তিনজন অস্ত্রধারী আনসার সদস্য
থাকবেন। গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রগুলোতে তিনজন অস্ত্রধারী পুলিশসহ মোট ছয়জন অস্ত্রধারী
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
এছাড়া,
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে অস্ত্রবিহীন (লাঠিসহ) ১০ জন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে, যাদের
মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচন হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অবাধ, স্বচ্ছ,
নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর নির্বাচন, যা একটি রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হবে।’
এজন্য
নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের শতভাগ সততা, নিরপেক্ষতা
ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা আরও জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনসিসি, গার্লস গাইড ও স্কাউট সদস্যরাও
নির্বাচনে সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশজুড়ে দুই ধাপে
বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রথম ধাপে যারা বর্তমানে মোতায়েন আছেন, তারা দায়িত্বে থাকবেন।
দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যরা ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সাতদিন দায়িত্ব পালন করবেন।
মন্তব্য করুন


হবিগঞ্জের
বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে গালাগাল ও হুমকি
দেওয়ার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস চৌধুরী তুষারকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ
(ডিবি)।
রবিবার
(২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার বাসা থেকে
তাকে আটক করা হয়। এর আগে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাহুবল থানার ওসিকে
উদ্দেশ করে অকথ্য গালাগাল করার একটি অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়ে। অডিওটি দ্রুত ভাইরাল হলে
বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের
সঙ্গে তদন্ত করে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
এ
প্রসঙ্গে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) রাখী রানী দাস জানান,
আজ দুপুরে শহরের শায়েস্তানগর এলাকা থেকে বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে হেফাজতে নেওয়া
হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। পরে বিস্তারিত বলতে পারব।
মন্তব্য করুন