

সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দেশটির
শোকবার্তা হস্তান্তর করেছেন।
আজ বুধবার দুপুরে
জাতীয় সংসদ ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা
হয়, ‘গণতন্ত্রের মা’, ‘সাহস ও সংগ্রামের প্রতীক’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ
আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা
পাঠিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস
জয়শঙ্কর।
এ সময় তারেক
রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ড্রোন ও ডগ স্কোয়াড ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানান, নির্বাচনী নিরাপত্তায় মোট ৪২৮টি ড্রোন ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়—সে লক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ডসহ স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।
তিনি জানান, প্রথম ধাপে বর্তমানে যেসব বাহিনী মাঠে রয়েছে, তাদের মোতায়েন বহাল থাকবে। দ্বিতীয় ধাপে ভোটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা সাত দিন দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় পুলিশ ও আনসার ভিডিপির পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন করা হবে। এই সেলে প্রতিটি বাহিনীর একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেনাবাহিনীর এক লাখ সদস্য, নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমান বাহিনীর তিন হাজার ৭৩০ জন (এর মধ্যে স্থলভাগে এক হাজার ২৫০ জন), পুলিশের এক লাখ ৪৯ হাজার ৪৪৩ জন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৪ জন, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩ জন, কোস্টগার্ডের তিন হাজার ৫৮৫ জন, র্যাবের সাত হাজার ৭০০ জন এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ১৩ হাজার ৩৯০ জনসহ মোট আট লাখ ৯৭ হাজার ১১৭ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৪২ হাজার ৭৬১টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ৮ হাজার ৭৮০টি, গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ১৬ হাজার ৫৪৮টি এবং সাধারণ কেন্দ্র ১৭ হাজার ৪৩৩টি। অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ২৫ হাজার বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি এবারের নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী সেনাবাহিনী ২০০টি, নৌবাহিনী ১৬টি, বিজিবি ১০০টি, পুলিশ ৫০টি, কোস্টগার্ড ২০টি, র্যাব ১৬টি এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ১৬টি ড্রোন ব্যবহার করবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন বাহিনীর ডগ স্কোয়াডও মাঠে থাকবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে—এমন যে কোনো দুষ্কৃতিকারী কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করবে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার যেকোনো অপচেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকার শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে বলেও তিনি জানান।
মন্তব্য করুন


শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম বলেছেন, দুর্গাপূজা নিয়ে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। তারা নিশ্চিন্তে পূজা করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে ফারইস্ট টাওয়ারের ট্যুরিস্ট পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম এ কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি মো. ময়নুল ইসলাম জানান, জঙ্গি হামলারও কোনো আশঙ্কা নেই। তারপরেও পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। নিরাপত্তায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
পূজার সময় কোথাও কোনো ধরনের অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক সংশ্লিষ্ট থানায় অভিযোগ করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন আইজিপি মো. ময়নুল ইসলাম।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায় সীমান্ত পারাপার চক্রের দুজনকে গ্রেপ্তার
করা হয়েছে। তাদের ঢাকায় আনা হচ্ছে। হাদিকে গুলির ঘটনায় এ নিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা
হলো।
আজ
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অতিরিক্ত
কমিশনার এন এস নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনায়
সন্দেহভাজনদের পাসপোর্ট ব্লক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, রাজধানীর
পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় হেলমেট পরিহিত অবস্থায় সন্দেহভাজনরা খুব কাছ থেকে ওসমান হাদিকে
লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে রাজধানীসহ
দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে অভিযান চলছে। অভিযুক্তরা যাতে সীমান্ত অতিক্রম করতে না
পারে, সে জন্য তাদের পাসপোর্ট ব্লক করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত সতর্কতা
জারি করা হয়েছে।
অতিরিক্ত
কমিশনার বলেন, এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
করা হয়েছে। এরই মধ্যে শেরপুরের নালিতাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে
লোক পারাপারের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল
উদ্ধার করা হয়েছে এবং মোটরসাইকেলের মালিককে র্যাব আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর
করেছে। তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের কেউ বিদেশে পালিয়ে গেছে কি না—এমন
কোনো তথ্য এখনো ইমিগ্রেশন ডাটাবেজে পাওয়া যায়নি। ফয়সাল করিম মাসুদের সর্বশেষ বিদেশ
যাত্রার তথ্য অনুযায়ী, তিনি জুলাই মাসে থাইল্যান্ড থেকে দেশে প্রবেশ করেন। এরপর তার
দেশত্যাগের কোনো রেকর্ড নেই।
হাদির
ওপর হামলার পেছনের কারণ সম্পর্কে এ কর্মকর্তারা বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের একজন শীর্ষ সংগঠক
হিসেবে হাদি ছিলেন একটি পক্ষের প্রতিপক্ষ।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পক্ষ থেকেই তাকে টার্গেট করে পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা চালানো
হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার তিন দিনেও মামলা না হওয়ার বিষয় জানতে
চাইলে নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় এখনো মামলা না হলেও আমরা জিডি করেছি। এখন বাদীপক্ষের
সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। যদিও তারা রোগী নিয়ে ব্যস্ত, আমরা চেষ্টা করছি মামলার ড্রাফট
নিয়ে বাদীর স্বাক্ষর আনার। এটা সম্ভব না হলে প্রয়োজনে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করবে।
নির্বাচনকালীন
সহিংসতা ও নাশকতা ঠেকাতে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট–টু’ শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নজরুল
ইসলাম। তিনি বলেন, এই অভিযান শুধু ঢাকায় নয়,
সারাদেশে জোরদার করা হচ্ছে। যারা দুষ্কৃতকারী, অস্ত্রধারী কিংবা নির্বাচনকে ঘিরে সহিংসতা
সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে—তাদের আইনের আওতায় আনাই এই অভিযানের
মূল লক্ষ্য। জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল বলেন, হাদি
একজন নন, দেশে হাজারো, লাখো জুলাইযোদ্ধা রয়েছেন। প্রত্যেকের জন্য আলাদা ব্যক্তিগত নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র ও রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি
যেসব সম্মুখসারির জুলাইযোদ্ধা উচ্চ ঝুঁকিতে
রয়েছেন, তাদের বিষয়ে আলাদা করে থ্রেট অ্যানালাইসিস করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী হাই-প্রোফাইল
ও ঝুঁকিপূর্ণ জুলাই যোদ্ধার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ
সময় নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে পুলিশ জানায়, কোনো এলাকায় সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী
বা অপরাধীর তথ্য পেলে তা দ্রুত পুলিশ বা ৯৯৯-এ জানানোর জন্য। তথ্যদাতার পরিচয় সম্পূর্ণ
গোপন রাখা হবে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেছেন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে
সংস্কারের মাধ্যমে একটি দক্ষ, সুসংগঠিত, পেশাদার ও সময়োপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা
হবে। এ লক্ষ্যে যা যা করণীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।
আজ (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুরের
সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর
৪০তম বিসিএস (আনসার) ক্যাডার কর্মকর্তা এবং ২৫তম ব্যাচ (পুরুষ) রিক্রুট সিপাহিদের মৌলিক
প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে শুরু
করে স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের প্রতিটি জরুরি মুহূর্তে আনসার বাহিনীর সদস্যগণ গভীর দেশপ্রেম
নিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাসহ সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা বিধানসহ কূটনৈতিক এলাকার সুরক্ষায়
এ বাহিনী বিশেষ ভূমিকা রেখে চলেছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারী
সরকারের পতনের পর থানা, ট্রাফিক, বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর সুরক্ষায়
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন
করেছে। বিশেষ করে আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ডিএমপি’র থানাগুলোর অভ্যন্তরীণ
নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে এবং হযরত শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত
রয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথে পুলিশ বাহিনীর স্বল্পতার মাঝেও রাষ্ট্রীয়
অতিথি ভবন যমুনাতে আনসার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছে।
তিনি জাতির জরুরি প্রয়োজনে সাহসী ভূমিকা রাখার জন্য বাহিনীর সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশের
প্রতিটি গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে থাকা স্বেচ্ছাসেবী গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরাও
দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছে। সাম্প্রতিক সময়ে গ্রামে গ্রামে যে
সামাজিক নিরাপত্তা সংকট দেখা দিয়েছিল, ভিডিপি সদস্যরা তা নিরসনে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছে।
যারা মন্দির, গির্জা ও চার্চে হামলা চালিয়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলো,
তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো ভিডিপি সদস্যরা। তারা ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে পাহারা
বসিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি রক্ষায় অবদান রেখেছে। ভবিষ্যতেও
ভিডিপি সদস্যরা তারুণ্য নির্ভর স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকায় সুসংগঠিত হয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক
উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তায় আরো বেশি অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল
মোমেন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল
মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মৌলিক প্রশিক্ষণের
সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করেন এবং কৃতি প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে পুরস্কার
তুলে দেন।
মন্তব্য করুন


সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত চার বিচারপতি আজ শপথগ্রহণ করেছেন।
শপথগ্রহণ করা আপিল বিভাগের চার বিচারপতি হলেন, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক।
মঙ্গলবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের জাজেজ লাউঞ্জে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ আপিল বিভাগের চার নবনিযুক্ত বিচারককে শপথবাক্য পাঠ করান।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।
শপথ অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং অন্যান্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
চার বিচারপতি নিয়োগ কার্যকরের মধ্য দিয়ে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা দাঁড়ালো ৬ জনে।
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চার বিচারপতিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সোমবার (১২ আগস্ট) রাতে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত চারজন বিচারককে তাদের শপথগ্রহণের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। শপথগ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত শনিবার (১০আগস্ট) দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এবং আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি পদত্যাগ করেন। পদত্যাগের আগে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ছিল ৭। শনিবার রাতে দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান হাইকোর্ট বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। পরদিন রোববার (১২ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি।
বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম, বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দুই বছর পর ২০০৬ সালের ২৩ আগস্ট এই তিন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
মন্তব্য করুন


বুধবার (৭ আগস্ট) বিকেলে সেনাসদরে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে ।
এ সরকারে ১৫ জন সদস্য থাকতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, সংকট কাটিয়ে দেশে আমরা একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরি করব। সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের সঙ্গে আছে এবং থাকবে। কেউ গুজবে কান দেবেন না।
এসময় তিনি ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীদের কাজের প্রশংসা করেন এবং ছাত্রদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ সব ইতিবাচক কাজ অব্যাহত রাখারও অনুরোধ জানান।
এছাড়া সেনাপ্রধান বলেন, পুলিশ সক্রিয় হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক হয়ে আসবে। পরিস্থিতি দিনদিন উন্নতি হচ্ছে, আশা করছি দ্রুতই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
মন্তব্য করুন


এমদাদুল হক সোহাগ, কুমিল্লা:
পাহাড় আর কাপ্তাই লেকের নীল জলরাশির মিতালীতে মুখর পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে বার্ষিক কর্পোরেট ট্যুর সম্পন্ন করেছে কুমিল্লার প্রথিতযশা সিসিএন শিক্ষা পরিবার। গত ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিসিএন ইউএসটি), সিসিএন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং সিসিএন মডেল কলেজের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এই আনন্দভ্রমণ বা ‘কর্পোরেট রিট্রিট’ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী এই ট্যুরে সিসিএন পরিবারের প্রায় ১২০ জন সদস্য রাঙামাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। রাঙামাটির নীল জলরাশি ঘেরা অনন্য সুন্দর ‘দ্যা গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট’-এ অবস্থানকালে অংশগ্রহণকারীরা এক অনাবিল আনন্দে মেতে ওঠেন। তৈরি হয় প্রকৃতি ও আনন্দের অনন্য মেলবন্ধন।
নৌ-বিহারের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেন শুভলং ঝর্নার শীতল ধারা। পাহারি জীবন, বিভিন্ন ধরনের নৌকার আধিক্য, এছাড়াও আদিবাসী গ্রাম ও স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখার পাশাপাশি কাপ্তাই লেকের সুস্বাদু মাছ ও ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদ নেন তারা। তাছাড়া আদিবাসীদের পোষাক কিনে, সেই পোষাক পড়ে আবার ঘুরে বেড়িয়েছেন অনেক নারী শিক্ষক-ছোট শিশুরা। এই দৃশ্য অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ভিন্ন আনন্দ যোগ করেন। বিনোদনের অংশ হিসেবে ছিল ডার্ক বোর্ড, ব্যাডমিন্টন ও নারীদের জন্য বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা। রাতের আবহে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো বারবিকিউ পার্টি। আধুনিক ও বিলাসবহুল স্যুটের পাশাপাশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় অনেকে রাত কাটিয়েছেন তাঁবুতে (ক্যাম্পিং), যা ট্যুরে ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। তাবুতে আবার অনেকে মেতে ওঠেন গান-আড্ডা আর গানের কলি খেলায়। গ্র্যান্ড হিল তাজ রিসোর্ট-টিতে দোলনা হতে শুরু করে রিসোর্টের শৈল্পিক নির্মান বা স্ট্রাকচার অনেকটা ঐতিহাসিক তাজমহলের মতো। নীল জলরাশির কাছাকাছি পাহাড়ের বাজে ভাজে বসার জন্য বেঞ্চ, দোলনা, বাহারি সিড়ি, সবুজের সমারোহ বাড়তি আনন্দ যোগ করে। এর আগে কুমিল্লা থেকে রওনা হওয়া বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের বিশাল বহরটি যখন পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পিচঢালা পথে এগোচ্ছিল, তখন জানালার ওপাশে ধরা দিচ্ছিল প্রকৃতির ভিন্ন এক রূপ। একদিকে আকাশছোঁয়া সবুজ পাহাড় আর বিরল সব বৃক্ষরাজি, অন্যদিকে গভীর খাদের রোমাঞ্চকর সৌন্দর্য—সব মিলিয়ে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতায় ভাসছিলেন সিসিএন পরিবারের সদস্যরা। যাত্রাপথে দুচোখ ভরে উপভোগ করেছেন পাহাড়ের ঢালে গড়ে ওঠা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় জনবসতি আর তাদের সহজ-সরল জীবনধারা। পাহাড়ের বাঁকে বাঁকে প্রকৃতির এই আদিম ও অকৃত্রিম রূপ যেন সফরের ক্লান্তি ভুলিয়ে সবার মনে বুলিয়ে দিচ্ছিল এক প্রশান্তির পরশ।
আনন্দভ্রমণে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন শিক্ষা পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ডক্টর তারিকুল ইসলাম চৌধুরী। অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, "কাজের একঘেয়েমি দূর করতে এবং সহকর্মীদের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক জোরদার করতে এ ধরণের ভ্রমণ অত্যন্ত জরুরি। সিসিএন পরিবার একটি ঐক্যবদ্ধ শক্তি, যা আজকের এই আনন্দঘন পরিবেশের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হলো।" একটি সফল কনভোকেশন শেষে এমন ভ্রমণ আনন্দের মাত্রা বহুগুন বাড়িয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বড়ো পরিসরে এমন আয়োজন করার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো: জামাল নাছের, লিবারেল আর্টস অনুষদের ডিন ডক্টর আলী হোসেন চৌধুরীসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। ট্যুর কো-অর্ডিনেটর ছিলেন, আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহকারি অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।
৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে ফিরতি যাত্রা শুরু হয়। ফেরার আগে পাহাড় আর হ্রদের পটভূমিতে সবাই মিলে ফ্রেমবন্দি হন একটি গ্রুপ ছবিতে, যা এই ভ্রমণের স্মৃতিকে অমলিন করে রাখবে। অংশগ্রহণকারীরা জানান, পাহাড়-প্রকৃতির মাঝে এমন আয়োজন তাদের কর্মস্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।
মন্তব্য করুন


গত ৯ই-১২ই ফেব্রুয়ারি ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ এশিয়ান সাবাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫। প্রতিযোগিতায়ে এশিয়ার প্রায় ১৬ টি দেশ অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ থেকে ১২ জনের একটি টিম প্রতিযোগিতায়ে অংশগ্রহণ নেয়ে। উক্ত প্রতিযোগিতায় রৌপ্য পদক অর্জন করে বাংলাদেশের সুনাম বয়ানে কুমিল্লার কৃতি সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সত্যায়িত সংগঠন ওয়াইকসের যুব ও প্রিয়া সম্পাদক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মার্শাল-আর্ট টিম কোচ, বর্তমানে কুমিল্লা সরকারি কলেজের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে রৌপ্য পদক অর্জনকারী মাহিন কে সম্পূর্ণ রূপে সহযোগিতা করে দিঘির চাপ, আফসু ডেভলপারস লিমিটেড।
মন্তব্য করুন


সনাতন ধর্মালম্বীদের শ্যামা পূজা ও দীপাবলি
উপলক্ষে গতকাল সোমবার মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেছে এনসিপি নেতৃবৃন্দ। ঢাকা
মহানগর এনসিপির সমন্বয় কমিটির সদস্য সর্দার আমিরুল ইসলাম সাগর, কেন্দ্রীয় সদস্য
জায়েদ বিন নাসেরসহ নানা স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নেতৃবৃন্দ এসময় কুশলাদি বিনিময় করেন এবং নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে
সকল ধর্ম জাতি নির্বিশেষে সকল মানুষের অংশগ্রহণের গুরুত্ব নিয়ে কথাবার্তা হয়।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশে
প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কূটনীতিকদের জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এজন্য বন্ধু রাষ্ট্র ও সংস্থাগুলোর পূর্ণ
সমর্থন চেয়েছেন।
রোববার
(১৮ আগস্ট) দুপুরে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত,
হাইকমিশনারসহ জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের ব্রিফ করেন ড. ইউনূস। পরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে যে দূতাবাসগুলো আছে তার রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের যেসব সংস্থার প্রধান
এখানে আছেন তাদের সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে তিনি সবাইকে
ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি সবার পূর্ণ সমর্থন চেয়েছেন।
প্রেস
সচিব আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন ছিল। এখানে এত মানুষের
সম্পৃক্ততা ছিল যে তিনি বলেছেন ১৯৭১ সালে যদি প্রথম রেভ্যুলেশন হয় এটা দ্বিতীয় রেভ্যুলেশন।
তার বার্তা ছিল দ্রুত অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করা। উনি নির্বাচনটি
তখনই করবেন যখন প্রয়োজনীয় সংস্কার করা যায়। বিচার বিভাগ, সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন,
সিকিউরিটি ফোর্স, মিডিয়া- সব কিছুতে সংস্কার চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করে যত দ্রুত নির্বাচন
দেওয়া যায় সেটি তার লক্ষ্য। তিনি বলেছেন এখন প্রধান কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা। সেটি অনেকটা
স্বাভাবিক হয়েছে।
মন্তব্য করুন