

নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি।।
কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার তৃতীয় দিনে ইংরেজি প্রথমপত্র পরীক্ষায় দুই হাজার ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল| এছাড়াও অসদুপায় অবল¤^নের দায়ে ৮ পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে| সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ&উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন|
তিনি জানান, বোর্ডের অধীন কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোট ৮৫ হাজার ১৩১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮২ হাজার ৭৯৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়| অবশিষ্ট ২ হাজার ৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল| অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ|
এদের মধ্যে কুমিল্লায় ৭৪৬ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৩৫০ জন, চাঁদপুরে ২১৪ জন, ফেনীতে ১৮০ জন, নোয়াখালীতে ৫৮২ জন এবং লক্ষ্মীপুর জেলায় ২৬৪ জন|
উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সালাহ&উদ্দিন আরও বলেন, অসদুপায় অবল¤^নের দায়ে কুমিল্লা জেলায় ৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ৩ জন, নোয়াখালী জেলায় এক জন এবং ফেনী জেলায় এক জনসহ মোট ৮ জন পরীক্ষার্থীকে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে|
মন্তব্য করুন


আওয়ামী
লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, একটা মাফিয়া পার্টি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ (শনিবার, ২০ জুন) সকালে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ
ও প্রশংসনীয় কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পুলিশ সদস্যদের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা
বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে অস্থিরতা বন্ধে
পুলিশকে এলার্ট করা হয়েছে।’
সম্প্রতি
নিজস্ব উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেয়ায় ঢাকা মহানগরের ট্রাফিক পুলিশ মো. কামরুজ্জামানের
গৃহীত পদক্ষেপ, আদাবর থানা এলাকায় বিকাশের দোকানিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আসামি
গ্রেপ্তার, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন ও আসামি
গ্রেপ্তার এবং কক্সবাজারের চকরিয়া থানার আলোচিত ডাকাতি ও গণধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেফতারের
ঘটনায় তাদের পুরস্কার ও সম্মাননা দেয়া হয়।
তিনি
আরও বলেন, ‘সরকার গঠনের পর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছে পুলিশ বাহিনী। জীবনের
ঝুঁকি নিয়ে যারা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছে তাদের স্বীকৃতি দেয়া হবে।’
এসময়
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘অপরাধীদের অভয়ারণ্য মোহাম্মদপুর এলাকায়
ওভারনাইট অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না। পর্যায়ক্রমে মোহাম্মদপুরের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে
নিয়ে আসব।
মন্তব্য করুন


গাইবান্ধার
সুন্দরগঞ্জে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আব্দুল আউয়াল (৫৫) নামে সাবেক এক দায়রা জজের মর্মান্তিক
মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার
(২৪ মে) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্মশান এলাকায় এ দুর্ঘটনা
ঘটে। নিহত আব্দুল আউয়াল ওই ইউনিয়নের মনিরাম (গাজীর মোড়) গ্রামের সৈয়দ ব্যাপারীর ছেলে।
তিনি সর্বশেষ গাজীপুর জেলার দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং বর্তমানে গাইবান্ধা
জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করছিলেন।
দুর্ঘটনার
বিষয়টি দেশের একটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ।
নিহতের
স্বজন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইন পেশার কাজ শেষে এক
মুহুরির (আইনজীবীর সহকারী) সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন আব্দুল আউয়াল সরকার।
পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বামনডাঙ্গা ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন শ্মশান এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত
দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি ড্রাম ট্রাকের নিচে চাপা পড়েন তিনি। এতে ঘটনাস্থলেই তার
মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের
ভাতিজা রাশেদুল ইসলাম দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, আব্দুল আউয়াল সর্বশেষ গাজীপুর জেলার
দায়রা জজ ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলটির তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল
আলম হানিফকে একটি শালবন সংক্রান্ত বিষয়ে অন্যায় সুবিধা না দেওয়ায় তাকে বরখাস্ত (সাসপেন্ড)
করা হয়েছিল। তখন থেকেই তিনি বরখাস্ত অবস্থায় ছিলেন।
রাশেদুল
আরও জানান, সম্প্রতি নিহতের কাছ থেকে তিনি শুনেছিলেন যে, গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের
পর চাকরিতে পুনর্বহালের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত পেয়েছিলেন আব্দুল
আউয়াল। এ নিয়ে তিনি ঢাকায় যোগাযোগও করছিলেন। একই সাথে গাইবান্ধা জজ কোর্টে আইনজীবী
হিসেবেও প্র্যাকটিস করছিলেন তিনি।
এদিকে
দুর্ঘটনার পর ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে মোটরসাইকেল চালক তথা নিহতের মুহুরি আশাদুলকে বলতে
শোনা যায়, গাইবান্ধা থেকে মোটরসাইকেলটি চালিয়ে আসছিলেন নিহত আব্দুল আউয়াল। পথের কিছুদূর
আসার পর তিনি আশাদুলকে চালাতে দিয়ে নিজে পেছনে বসেন।
সুন্দরগঞ্জের
শ্মশান এলাকায় পৌঁছালে রংপুর থেকে আসা একটি ড্রাম ট্রাক তাদের অতিক্রম করার সময় এই
দুর্ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে আশাদুল দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি ওই সময় অনেক ধীরগতিতে ছিল। কিন্তু
পেছনে কীভাবে কী হলো আমি বুঝতে পারিনি। আমিও পড়ে গিয়ে হাত ছিলে গেছে, তবে আমার মাথায়
হেলমেট ছিল। দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক গাড়িটি থামালেও এই অবস্থা দেখে দ্রুত পালিয়ে যায়।
আশাদুল
আরও জানান, ঘটনার পরপরই তিনি জজের বাড়িতে ফোন দিলেও কেউ রিসিভ করেনি। তাই মোবাইল ও
বিপুল পরিমাণ টাকাসহ নিহত জজকে রাস্তায় রেখেই তিনি সরাসরি তার বাড়িতে খবর দিতে যান।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে আসেন।
তবে
ওই ভিডিওতে স্থানীয়দের আশাদুলের প্রতি ক্ষোভ ও সন্দেহ প্রকাশ করতে দেখা যায়। মোটরসাইকেলের
পেছনে থাকা মানুষ মারা গেলেন, অথচ চালক ও বাইকের কিছুই হলো না- এমন সন্দেহজনক প্রশ্ন
করতে শোনা যায় স্থানীয়দের।
সুন্দরগঞ্জ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের
কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।
তিনি
আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটি নিয়ে চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে
আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
মন্তব্য করুন


সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান
আরিফ ও বিচারপতি মো. বজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ ফাঁসির আসামিকে নিয়ে রায় দিয়েছেন
যেখানে বলা হয়েছে মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো ফাঁসির আসামিকে কনডেম সেলে
নেয়া যাবেনা ।
রুল শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে
জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও এস এম শাহজাহান বিশেষজ্ঞ মত নেন। রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি
জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন শুনানি করেন। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন মোহাম্মদ শিশির
মনির। রুল শুনানি শেষে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত
হওয়ার আগে দণ্ডিত বা দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালের ২
সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা কারাগারের কনডেম সেলের
তিন কয়েদি। তারা হলেন- সাতকানিয়ার জিল্লুর রহমান, সুনামগঞ্জের আব্দুল বশির ও খাগড়াছড়ির
শাহ আলম। ওই রিট শুনানি করে ২০২২ সালের ৫ এপ্রিল রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
মৃত্যুদণ্ডাদেশ চূড়ান্ত হওয়ার
আগে দণ্ডিতদের কনডেম সেলে রাখা কেন আইনত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ
প্রাপ্তদের কনডেম সেলে বন্দি রাখা সংক্রান্ত কারাবিধির ৯৮০বিধিটি কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা
করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। সেই সঙ্গে কনডেম সেলে রাখা বন্দিদের কী ধরনের
সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়, সে বিষয়ে প্রতিবেদন চান আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা
অনুসারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিতে হয়। ফৌজদারি কার্যবিধির
৪১০ ধারা অনুসারে বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টে
আপিল করার সুযোগ পান। হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপিল
বিভাগে আবেদন করতে পারেন।
আপিল বিভাগের রায়েও মৃত্যুদণ্ড
বহাল থাকলে সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা)
আবেদন করার সুযোগ আছে। এ ছাড়া সংবিধানের ৪৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে মৃত্যু-দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করতে পারেন। ক্ষমার এই আবেদন রাষ্ট্রপতি যদি নামঞ্জুর
করেন অথবা দণ্ডিত যদি আবেদন না করেন তাহলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে পারে সরকার।
অথচ বিচারিক আদালতে মৃত্যু দণ্ডাদেশের পরপরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কনডেম সেলে বন্দী
রাখা হচ্ছে।
রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ
শিশির মনির বলেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক সাজা কার্যকর করার
আইনগত বিধান নেই। এজন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন
নিতে হয়।
তিনি আরও বলেন, সংবিধানের
১০৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া
শেষ করতে ১০-১২ বছর পার হয়ে যায়। কিন্তু বাংলাদেশে বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার
পরই সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে নির্জন কনডেম সেলে বন্দী রাখা হয়। অথচ অনেকের পরবর্তীতে
সাজা কমে। অনেকে খালাসও পান। রুল শুনানি শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ ছিল।
মন্তব্য করুন


রেখে যাবো
সংসারে কিছু কিছু নয়,সব কিছুই রেখে যেতে হয়,
সাজানো গোছানো কিংবা অগোছালো ঘরদোর,
আত্মীয় -পরিজন,বন্ধু-স্বজন,সন্তান-সন্ততি মায়াডোর।
কিছু অপূর্ণ আশা,কিছু অসমাপ্ত কাজ
রেখে যাওয়া ভালো জীবনের সিম্ফনিতে নিঃশব্দে নীরবে,
তারপর
হারিয়ে যাওয়া ছায়াপথে।
ফেলে তো যেতেই হবে মায়াময় ধুলোমাখা চিরচেনা পথ,
সে পথেই পড়ে রবে সংসারের অভ্রভেদী রথ।
শ্রাবণের বৃষ্টির জন্য কাছে রেখে যাবো
বুকের ভেতর জমানো কান্নার সমুদ্দুর।
তীব্র শীতে উষ্ণতার জন্য রেখে যাবো
ভালবাসার রোদ্দুর।
আমার অন্তিম অর্ঘ্য রেখে যাবো
মায়াবী অসামান্য পৃথিবীতে।
ক্ষীণ আশার দীপ জ্বেলে রাখি-
প্রজন্মান্তরে সুখের সোনালী কুটির হবে আমার এ ভিতে।
মল্লিকা বিশ্বাস
মন্তব্য করুন


প্রবল
বৃষ্টিপাতের জেরে মিয়ানমারের একটি পরিত্যক্ত জেড পাথরের খনিতে বর্জ্যের বিশাল স্তূপ
ধসে পড়ে। এ সময় সেখানে মূল্যবান পাথর বা পাথরের অংশবিশেষের খোঁজ করছিলেন কয়েকজন মানুষ।
তাদের মধ্যে পাঁচ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
এখনো
১৫ জন নিখোঁজ আছেন। ধারণা করা হচ্ছে তারা ধসে পড়া আবর্জনার নিচে চাপা পড়ে আছেন। আজ
মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ব গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা
এএফপি। মিয়ানমারের খনিজ আহরণ খাতে বিধিনিষেধ মেনে না চলার প্রবণতা আছে। বিশেষত, উত্তর
কাচিন রাজ্যে। ওই এলাকাটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় জেড পাথরের উৎস হিসেবে বিবেচিত। প্রতিবেশী
চীনসহ এশিয়ার অনেক দেশে ধর্মকর্ম ও অন্যান্য কাজে মূল্যবান এই পাথরের বিশেষ কদর আছে।
২০২১
সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচির গণতান্ত্রিক সরকারের পতনের পর থেকেই
মিয়ানমারে একাধিক বিদ্রোহী গোষ্ঠী সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সংগ্রামে জড়িয়ে আছে।
বর্তমানে
মিয়ানমারের বেশ কয়েকটি মূল্যবান পাথরের খনি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর কবলে আছে। তারা এসব
খনি থেকে আহরিত সম্পদ থেকে অর্জিত মুনাফা দিয়ে নিজেদের যুদ্ধের অর্থায়ন করে।
রোববার
কাচিন-এর হাকান্ত টাউনশিপে ফ্লাডলাইটের আলোতে প্রায় ২০জন অনিবন্ধিত জেড আহরণকারী কাজ
করছিলেন। আকস্মিক ভূমিধসে তারা চাপা পড়েন বলে রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের খবরে জানানো
হয়।
গ্লোবাল
নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানায়, ‘বেশ কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পুরনো খনিটির
ভেতর থাকা আবর্জনার স্তূপগুলো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে।‘অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।
প্রায় ১৫ জন নিখোঁজ আছেন। নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য খনন কার্যক্রম চলছে’,
জানায় পত্রিকাটি। বর্ষাকালে মিয়ানমারের খনিগুলোতে
এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই হয়।
মন্তব্য করুন


আওয়ামীলীগকে
নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে শুরু হয়েছে বিক্ষোভ
সমাবেশ। মানুষের ঢল নেমেছে বিক্ষোভ সমাবেশে।
আজ
শুক্রবার (৯ মে) জুমার নামাজের পর এই কর্মসূচি শুরু হয়। সমাবেশের আয়োজন করে জাতীয় নাগরিক
পার্টি (এনসিপি)।
দলটির
দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ নিজ বাসভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ
কর্মসূচির ঘোষণা দেন। এরপর বিক্ষোভকারীরা ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে অবস্থান নেয়।
রাজনৈতিক
দলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে সমাবেশে এসে অবস্থান নিচ্ছেন। আর এখনও অর্ধশতাধিক মানুষ
প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনের সামনে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ চেয়ে বিক্ষোভ করে যাচ্ছেন।
আওয়ামী
লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে রাজধানী ঢাকার রাজপথ উত্তাল হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন,
রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। জুমার নামাজের পর থেকেই বিভিন্ন
এলাকা থেকে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে এসে
জড়ো হতে শুরু করেন। সময় বাড়ার সাথে সাথে মিছিলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার রাত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার
সামনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


ভারতের
উত্তরপ্রদেশে একই যুবককে একসঙ্গে বিয়ে করেছেন আপন তিন বোন। ব্যতিক্রমী এই বিয়ের ঘটনা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত ১৭ জুলাই উত্তরপ্রদেশের অমরোহা
জেলার একটি স্থানীয় মন্দিরে হিন্দু ধর্মীয় রীতি মেনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, অমরোহার হাসানপুরের ধৌরিয়া গ্রামের বাসিন্দা তিন
বোন সরোজ, সাবিত্রী ও সন্তোষ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের রিল
ও ভিডিও তৈরি করতেন। তাদের এসব ভিডিও ধারণের কাজে যুক্ত ছিলেন বিকাশ নামের ওই যুবক।
কাজ করতে গিয়ে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তিন বোনই বিকাশকে বিয়ে করার
সিদ্ধান্ত নেন।
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিয়ের অনুষ্ঠানে শাড়ি ও ঘোমটা পরা
তিন বোন বরের পাশে পাশাপাশি বসে আছেন। ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন
হওয়ার পর বিকাশ তিন বোনের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন। এরপর অগ্নিকে সাক্ষী রেখে তারা
সাত পাক ঘোরেন। অনুষ্ঠানে একজন পুরোহিত ছাড়া দুই পক্ষের কোনো আত্মীয়-স্বজন কিংবা বন্ধুবান্ধব
উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
তিন
বোনের ভাষ্য, ছোটবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছেন। ফলে বিয়ের পর আলাদা হয়ে যাওয়ার
বিষয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত কষ্টকর মনে হচ্ছিল। এ কারণে তারা বিচ্ছিন্ন না হয়ে একই ব্যক্তিকে
বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন।
বড়
বোন সরোজ বলেন, আলাদা হয়ে যাওয়ার চিন্তায় একসময় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এমনকি
আত্মহত্যার কথাও তাদের মাথায় এসেছিল। পরে তারা সিদ্ধান্ত নেন, আলাদা না হয়ে তিনজন মিলে
একজনকেই বিয়ে করবেন।
মন্তব্য করুন


গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হতে ০৯ মার্চ ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত বিলাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মির (কেএনএ) বিরুদ্ধে সফল অভিযান পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। উক্ত অভিযানে সেনাবাহিনী কর্তৃক সার্বক্ষণিক নজরদারি ও সর্বত্র প্রভাব বিস্তারের ফলে কেএনএ সহ অন্যান্য সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো লোকালয় ত্যাগ করে। সেনাবাহিনী সফল অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের একাধিক অস্ত্রের অবস্থান, গুপ্তাশ্রয় ও আস্তানা চিহ্নিত ও ধ্বংস করে। এই অভিযানের ফলে কেএনএ ও অন্যান্য সন্ত্রাসী দলগুলো আরো কোনঠাসা হয়ে পড়ায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে স্থানীয় জনগণ। অভিযান শেষে সংশ্লিষ্ট এলাকার পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে থাকায় স্ব স্ব ক্যাম্পে প্রত্যাবর্তন করেছে সেনাবাহিনীর টহল দল। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অনেক এলাকায় আজ সোমবার ছিল কুয়াশায় ঢাকা। রাজধানীতে এ শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে আজ সকালে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রায় সব জেলাসহ মোট ২১ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ।
বেলা বাড়ার সাথে সাথে সূর্য উঁকি দিলেও কুয়াশার কাটাতে পারেনি সেভাবে। ফলে শীত জেঁকে ধরেছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেছেন, আজ ঢাকার তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি ঢাকায় এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। গতকাল ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াম কমেছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জনিয়েছে, গতকাল রবিবার দেশের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হয়েছে। আগামী পরশু বুধবার দেশের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।
আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নওগাঁর বদলগাছীতে, আট দশমিক এক ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল একযোগে তিন স্থানে। সেই স্থানগুলো হলো রাজশাহী, ঈশ্বরদী ও বদলগাছী। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মন্তব্য করুন


অনলাইনে
আইফোন অর্ডার করেও পার্সেলে দাড়ির তেল পাওয়ার ঘটনায় এক গ্রাহকের পক্ষে
রায় দিয়েছেন ভারতের মুম্বাইয়ের একটি ভোক্তা আদালত। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সুদ, ক্ষতিপূরণ ও মামলার ব্যয়সহ
প্রায় ১ লাখ ৮২
হাজার রুপি পরিশোধ করতে হবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
ফ্লিপকার্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাকে।
ভারতীয়
সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, মুম্বাইয়ের অতিরিক্ত জেলা ভোক্তা বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন ফ্লিপকার্ট ও পণ্য বিক্রেতা
ইন্টারন্যাশনাল ভ্যালু রিটেইল প্রাইভেট লিমিটেডকে যৌথভাবে এই অর্থ পরিশোধের
নির্দেশ দিয়েছে।
মামলার
বিবরণে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২২ এপ্রিল মুম্বাইয়ের
পাওয়াই এলাকার এক বাসিন্দা ফ্লিপকার্ট
থেকে ১ লাখ ১১
হাজার ৭৯৩ রুপিতে ১২৮ জিবি স্টোরেজের একটি অ্যাপল আইফোন ১৪ প্রো অর্ডার
করেন। চার্জার ও মোবাইল কভার
ঠিকভাবে পেলেও আইফোনের পার্সেল খুলে তিনি দেখতে পান, সেখানে ফোনের পরিবর্তে দাড়ির তেল এবং কিছু প্যাকেজিং সামগ্রী রয়েছে।
এ
ঘটনায় তিনি এপ্রিল ও মে মাসজুড়ে
একাধিকবার ফ্লিপকার্টের গ্রাহকসেবা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও তার অভিযোগ বারবার ‘সমাধান হয়েছে’ উল্লেখ করে বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে তিনি না পান নতুন
ফোন, না ফেরত পান
অর্থ।
রায়ে
আদালত উল্লেখ করেন, কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
কেবল বিক্রির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না। গ্রাহক সম্পূর্ণ ভিন্ন পণ্য পাওয়ার অভিযোগ করার পরও যথাযথ তদন্ত না করা, ভুল
পার্সেল উদ্ধার না করা এবং
কার্যকর প্রতিকার না দিয়ে অভিযোগ
নিষ্পত্তি দেখানো সেবায় ঘাটতি ও অন্যায্য বাণিজ্যিক
আচরণের শামিল।
আদালত
ফ্লিপকার্ট ও বিক্রেতাকে ২০২৩
সালের ২২ এপ্রিল থেকে
বার্ষিক ৯ শতাংশ সুদসহ
১ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩
রুপি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি মানসিক ক্ষতির জন্য ৫০ হাজার রুপি
এবং মামলার ব্যয় হিসেবে আরও ২০ হাজার রুপি
পরিশোধ করতে হবে। রায় কার্যকরের জন্য ৪৫ দিনের সময়
বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে
মামলায় বিবাদী করা হলেও অ্যাপল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ভুল পণ্য সরবরাহের ঘটনায় অ্যাপল ইন্ডিয়ার সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য করুন