

গুচ্ছভুক্ত ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার জন্য যাদের ছবি/সেলফি বা উভয়টি জিএসটির ফটো গাইডলাইন অনুযায়ী গৃহিত হয়নি, তাদের ৮ এপ্রিলের রাত ১০টার মধ্যে অবশ্যই জিএসটির ফটো গাইডলাইন অনুসরণ করে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ছবি/সেলফি অথবা উভয়টি আপলোড সম্পন্ন করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। অন্যথায় ভর্তি পরীক্ষায় তাদের অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকবে না।
জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সকল তথ্য জানানো হয়েছে।
গুচ্ছভুক্ত ২৪টি সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৭ এপ্রিল শনিবার থেকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে। ২৭ এপ্রিল এ ইউনিট-বিজ্ঞান, ৩ মে শুক্রবার বি ইউনিট-মানবিক এবং ১০ মে শুক্রবার সি ইউনিট-বাণিজ্য বিভাগের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত এবং অন্য ২টি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।
২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের জিএসটি ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনপ্রক্রিয়া গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে। এবার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬টি আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে বিজ্ঞান অনুষদের ‘ক’ ইউনিটে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯টি, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ‘সি’ ইউনিটে ৪০ হাজার ১১৬টি এবং মানবিক অনুষদের ‘বি’ ইউনিটে ৯৪ হাজার ৬৩১টি আবেদন জমা পড়েছে।
মন্তব্য করুন




দুর্নীতি থেকে নিজেদের দূরে রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। সীমান্তে পিঠ প্রদর্শন করবেন না বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরের সীমান্ত সম্মেলন কেন্দ্রে বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন উপদেষ্টা। সেখানে এসব নির্দেশনা দেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তার বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.) বলেন, দুর্নীতিকে কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। যারা ঘুষ ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত,তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে। বিজিবিকে আইন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। সীমান্ত সুরক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধ বিজিবির মূল দায়িত্ব। এ সময় তিনি বিজিবিকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, ফেলানীর মতো হত্যাকাণ্ড আর দেখতে চাই না। সীমান্তে পিঠ প্রদর্শন করবেন না। নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করুন।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ সদর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও টেলি কনফারেন্সের (ভিটিসি) মাধ্যমে বিজিবির সব রিজিয়ন কমান্ডার, সেক্টর কমান্ডার, ব্যাটালিয়ন কমান্ডারসহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


শিক্ষা
এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘শুধু জিপিএ-৫ কেন্দ্রিক
প্রথাগত শিক্ষা নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের নাগরিক হিসেবে
গড়ে তুলতে হবে।’
তিনি
বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রূপান্তর
করা, যাতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারে।’
আজ
শনিবার (০৯ মে) রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন
সহযোগিতা ফোরাম-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকাস্থ
চীনা দূতাবাসের উদ্যোগে এবং চীন-বাংলাদেশ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমিতির ব্যবস্থাপনায়
এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
বর্তমান
শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিল্প এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের
মধ্যে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নেই। এই শূন্যতা দূর করতে হবে। আমাদের বিশাল জনশক্তিকে আমরা
দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে চাই, যারা সরাসরি কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা
করতে পারবে।' ড. মিলন বলেন, ‘আমরা গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতে এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে
পারিনি।
তবে
এটি অর্জনে যা যা প্রয়োজন, বর্তমান তারেক রহমানের সরকার সবই করবে। শিক্ষকদের উদ্দেশে
আমার আহ্বান—শুধু বছর শেষে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। প্রতিদিনের শ্রেণিকক্ষে
পাঠদান ও সঠিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’
চীনে
উচ্চশিক্ষার সুযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘চীনের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নত এবং খুব
বেশি ব্যয়বহুল নয়। বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে সফলভাবে পড়াশোনা
করছে।’ তিনি বলেন, “বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা সরকার
থেকে ‘তৃতীয় ভাষা’ শিক্ষা বাধ্যতামূলক করেছি। বিশেষ করে
চীনা ভাষা শিখলে আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও উচ্চশিক্ষার বিশাল
দুয়ার উন্মোচিত হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী
আরো জানান, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সরকার ইতিমধ্যে পাঠ্যক্রম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডারে
পরিবর্তন আনছে। চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষকদের
দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের
রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড.
মাহদী আমিন।
আরো
বক্তব্য দেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক; বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি
কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ; বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.
বি. এম. বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান
মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল।
ফোরামে
দু-দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং চীন ও বাংলাদেশের
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ঢাকা
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) ভিসি নিয়োগকে কেন্দ্র করে ত্রিমুখী সংঘর্ষে
শিক্ষার্থী, পাঁচ পুলিশসহ ১৭ জন আহত হয়েছেন।
রোববার
(১৭ মে) শহীদ মিনারে নবনিযুক্ত ভিসি সমর্থিত শিক্ষার্থী, আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে
এ সংঘর্ষ হয়।
জানা
গেছে, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবালকে ডুয়েটের
ভিসি হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। আর এই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তা প্রত্যাখ্যান
করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশের শিক্ষার্থীরা।
এ
নিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হয় বিক্ষোভ। রোববার সকালে নবনিযুক্ত ভিসিকে লাল
কার্ড কর্মসূচি ব্যানারে বিক্ষোভের ডাক দেয় আন্দোলনরত ছাত্ররা। তারা শহীদ মিনারে জড়ো
নবাগত ভিসির সমর্থিত ছাত্রদের সাথে আন্দোলনকারীদের ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
শিক্ষার্থীদের
দাবি, ভাইস চ্যান্সেলর ডুয়েটের অভ্যন্তরীণ শিক্ষকদের মধ্য থেকেই নিয়োগ দিতে হবে। ডুয়েটের
শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা, একাডেমিক কাঠামো ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষকদের অভিজ্ঞতা ও ধারণা তুলনামূলক বেশি। ফলে ডুয়েটের উন্নয়ন
ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অভ্যন্তরীণ শিক্ষক থেকে উপাচার্য নিয়োগ অধিক কার্যকর
হবে।
সদর
মেট্রো থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে রয়েছি, আমিসহ ৫ জন পুলিশ সদস্য আহত
হয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।
মন্তব্য করুন


২০২৪
সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে
জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধ
বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার
ইশরাক হোসেন জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ১৬ জুলাই দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’
হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
জানান, ওই দিন সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পর আন্দোলনের প্রভাব দেশব্যাপী ছড়িয়ে
পড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এটি ব্যাপক গুরুত্ব পায়, যা মূলত গণঅভ্যুত্থানকে ত্বরান্বিত
করেছিল। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু
সাঈদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যেখানে উপস্থিত থাকবেন
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। একই দিনে কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম
আকরামের স্মরণে অন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী
ইশরাক হোসেন।
সরকারের
পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’
পালনের মাধ্যমে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে
আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ভোর ৬টায়
শাহবাগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে এবং আন্দোলনে শহীদ ও
আহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।
কর্মসূচির
অংশ হিসেবে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা স্মরণে ‘ক্যাম্পাসের
ক্ষতচিহ্ন’ বা ‘প্রতিরোধের সূচনা’ নামে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্যোগ
নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৮ জুলাই ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’
উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিবাদী সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
একই সাথে ২৪ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের গড়ে তোলা ঐতিহাসিক প্রতিরোধের
স্মরণে একটি বিশেষ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী
ইশরাক হোসেন জানান, রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্মরণসভা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো আগস্ট মাস জুড়ে গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করা হবে। শহীদদের
আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি তুলে
ধরাই সরকারের এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


নওগাঁর
আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় নেয়ামুল বাছির (৪৮) নামে এক কলেজ
শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
বুধবার
(১৭ জুন) সকালে শাহাগোলা রেলস্টেশনের পাশের শিমুলিয়া এলাকার একটি নির্জন সড়ক থেকে তার
রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত
নেয়ামুল বাছির নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ চকরামচন্দ্র মহল্লার বাসিন্দা এবং আত্রাই উপজেলার
বড়শিমলা মহিলা কলেজের শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি হজ কাফেলা ব্যবসার সঙ্গেও
জড়িত ছিলেন।
পারিবারিক
সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার শেষবারের মতো মোবাইল
ফোনে কথা হয়। এশার নামাজের পর তিনি বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে আত্রাই রেলস্টেশন এলাকা থেকে
একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে নওগাঁ শহরের দিকে রওনা দেন। কিন্তু রাতে তিনি আর বাড়ি
ফেরেননি।
নিহতের
ভাই মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, পূর্বশত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তার ভাইকে হত্যা
করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা পথিমধ্যে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ শাহাগোলা
রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন শিমুলিয়া এলাকার নির্জন স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
বুধবার
সকালে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে
গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
আত্রাই
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম জানান, স্থানীয়দের দেওয়া সংবাদের ভিত্তিতে
রেললাইনের পাশ থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের একাধিক
চিহ্ন রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি
আরও জানান, ঘটনাস্থলটি রেলওয়ে পুলিশের আওতাভুক্ত হওয়ায় বিষয়টি সান্তাহার জিআরপি থানাকে
অবহিত করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ
ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের
শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত হত্যাকারীদের
গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


বাধ্যবাধকতা স্থগিত করে দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনা করে বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) এ সিদ্ধান্ত নেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
প্রধান বিচারপতির নেওয়া এ সিদ্ধান্ত বিজ্ঞপ্তি আকারে জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। বিজ্ঞপ্তির ভাষ্যমতে, দেশব্যাপী চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের আলোচনাক্রমে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন।
সিদ্ধান্ত অনুসারে, দেশের সব অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত-ট্রাইব্যুনালের বিচারকরা এবং আইনজীবীরা ক্ষেত্রমত সাদা ফুলশার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করবেন। এক্ষেত্রে কালো কোট এবং গাউন পরিধান করার আবশ্যকতা নেই। এ নির্দেশনা আগামী ৮ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার
আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মো. আমিনুল ইসলামের (৪৮) মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার
(১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নামাজের জন্য মুসল্লিদের
আহ্বান জানাতে গিয়ে তার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, মো. আমিনুল ইসলাম উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি
এলাকার প্রয়াত শামসুল আলমের ছেলে। তিনি দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি
পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
এছাড়া
তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কুরআন মাদ্রাসার
প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তার এবং
সমাজে নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তার অবদান স্থানীয়দের কাছে প্রশংসিত ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিতে দাঁড়ান। আজান দেওয়ার
একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা
করার চেষ্টা করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান বলে জানা যায়।
তার
আকস্মিক মৃত্যুতে স্থানীয় মুসল্লি, শিক্ষার্থী, সহকর্মী ও এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের
সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকেই তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক প্রকাশ
করছেন। পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মন্তব্য করুন


লক্ষ্মীপুরে
ঈদের দিন স্ত্রীকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় স্বামীকে গ্রেপ্তার
করেছে র্যাব।
শনিবার
সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১১ নোয়াখালী কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবির
সেরনিয়াবাত। এর আগে, শুক্রবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে রিয়াজুল
ইসলাম রাজুকে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা
যায়, প্রায় ১০ বছর আগে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের রিয়াজুল ইসলাম
রাজুর সঙ্গে পূর্ণিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ
চলে আসছিল। এরই জের ধরে ঈদের দিন পূর্ণিমা আক্তারকে ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে
গুরুতর আহত করে পালিয়ে যান রাজু। পরে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ঢাকায়
পাঠান।
এ
ঘটনায় পূর্ণিমা আক্তারের মা পাখি বেগম বাদী হয়ে মো. রাজুকে প্রধান আসামি করে সদর
মডেল থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
র্যাব-১১
নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মো. মুহিত কবির সেরনিয়াবাত জানান, গোপন সংবাদের
ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে
নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আজ
পর্যন্ত জুলাই আন্দোলনের কৃতিত্ব জামায়াতে ইসলামী নেয়নি। এমনকি দলের কেউ আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিল বলেও দাবি করেনি বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা
ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, আমরা বলিনি, আমাদের দলের এতজন শহীদ হয়েছেন। সেটা জনগণই তার সাক্ষী।
বৃহস্পতিবার
(৩০ জুলাই) দুপুরের দিকে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জুলাই গণ অভ্যুত্থানের শহীদ
পরিবার ও আহত জুলাই
যোদ্ধাদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াতের
আমির বলেন, আন্দোলনের শুরু থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিল জামায়াত। জাতির প্রয়োজনেই দলটি বারবার মাঠে নেমেছে। আন্দোলনে আহত যোদ্ধারা আহত হওয়ার পরও পিছু হটেননি। কিন্তু জুলাই শহীদদের প্রত্যাশা পূরণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে; বরং তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
তিনি
আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। অথচ এখন রাষ্ট্রের প্রায় সবখানেই দলীয়করণ চলছে। প্রশাসনের এই নির্লজ্জ দলীয়করণ
জাতির জন্য লজ্জাজনক। বর্তমান সরকারও বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে এবং আগের সরকারের পথেই হাঁটছে।
জামায়াতের
আমির বলেন, গণভোট নিয়ে জামায়াতকে আপসের জন্য নানা ধরনের প্রলোভন দেখানো হয়েছে। তবে দলটি কোনো প্রলোভনে পা দেয়নি। গণভোটের
গণরায় বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত
সংসদ ও রাজপথ, উভয়
জায়গায়ই জামায়াত সোচ্চার থাকবে। অন্যায়ের কাছে জামায়াত কখনও মাথানত করবে না। জনরায় উপেক্ষা করে সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সরকারকে সেই পথ থেকে সরে
এসে জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তা বাস্তবায়নের আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি
আরও বলেন, জনগণের অধিকার এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। তবে যত নির্যাতন ও
হামলাই হোক না কেন, জনগণের
অধিকার আদায়ে জুলাই যোদ্ধা ও বিরোধীদলগুলো সোচ্চার
থাকবে।
মন্তব্য করুন