

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
ঢাকা-চট্টগ্রাম
মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় ৩০ লাখ টাকার কাপড়সহ একটি
কাভার্ডভ্যান ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৬ জুলাই) দিবাগত রাত ১টার দিকে ‘নিরাপদ ট্রান্সপোর্ট’
কোম্পানির মালবাহী কাভার্ডভ্যানটি দাউদকান্দির বানিয়াপাড়ায় পৌঁছালে ছিনতাইকারীদের কবলে
পড়ে। ছিনতাইকারীরা গাড়িচালককে জিম্মি করে গাড়ি ও মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায়
দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী
ব্যবসায়ীদের অধিকাংশই কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা। জানা গেছে, ওই দিন তারা
নরসিংদীর বাবুরহাট বাজার থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার কাপড় ক্রয় করেন এবং তা ‘নিরাপদ ট্রান্সপোর্ট’-এর
কাভার্ডভ্যানে করে চান্দিনায় পাঠানো হচ্ছিল।
চান্দিনার
ব্যবসায়ী তাপস মজুমদার জানান, আমরা ১৮ জন একসঙ্গে কাপড় কিনে কাভার্ডভ্যানে পাঠিয়েছিলাম।
বানিয়াপাড়ায় পৌঁছালে একটি পিকআপ এসে কাভার্ডভ্যানের গতি রোধ করে এবং ছিনতাইকারীরা চালককে
সরিয়ে দিয়ে গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যায়।
অপর
ব্যবসায়ী রাজীব নন্দী বলেন, আমি প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার কাপড় কিনেছিলাম। হঠাৎ রাতে
খবর পাই গাড়ি ছিনতাই হয়েছে। এতে আমরা সবাই দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।
নিরাপদ
ট্রান্সপোর্টের চান্দিনা ব্রাঞ্চ ম্যানেজার সনত কুমার নন্দী জানান, ছিনতাইকারীরা চালককে
মারধর করে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং তার মোবাইল থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন নম্বর জেনে
৫ হাজার টাকা তুলে নেয়। পরে চালক ভোরে তাদের বিষয়টি জানান। ঘটনার পরপরই দাউদকান্দি
থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
দাউদকান্দি
মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জুনায়েদ চৌধুরী জানান, ঘটনার পর থেকে পুলিশ মালামাল
ও কাভার্ডভ্যান উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে। এরইমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে রিপন মিয়া
(২৮) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত
রিপন ভোলা জেলার শশীভূষণ উপজেলার হাজিরগঞ্জ গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। মামলার তদন্ত
কর্মকর্তা এসআই রবিউল ইসলাম জানান, রিপনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কুমিল্লা বিচারিক আদালতে
৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।
এ
ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে দ্রুত মালামাল উদ্ধার এবং ছিনতাইকারীদের
গ্রেপ্তারের জোর দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার হোমনায় একই দিনে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে হোমনা থানা পুলিশ।
রোববার (১৭ আগস্ট) পৃথক স্থান হতে সকালে নৌকাতে ভাসমান অবস্থায় একজনের মৃতদেহ ও দুপুরে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় আরেকটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে উপজেলার ভাষানিয়া ইউনিয়নের তিতিয়া রঘুনাথপুর এলাকায় তিতাস নদীতে ভাসমান একটি নৌকা থেকে কবির হোসেন ওরফে আরশ মিয়া (৬১) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের সবদর আলীর ছেলে।
অপরদিকে দুপুর ২ টার দিকে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের ঝগড়ারচর গ্রামে মো.নজরুল ইসলামের ছেলে সাইজুদ্দিন (৩৫) এর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, উভয়েই মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। একাধিকবার আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিল।
হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনাগুলো আত্মহত্যা। মৃতদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মৃত্যুর আসল কারন জানা যাবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় র্যাবের অভিযানে মাদকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শারিফপুর গ্রামের মো. রশিদের ছেলে মো. আরিফ (২৮), পাথুরিয়া গ্রামের মৃত কফিল উদ্দীনের ছেলে মো. ইমান হোসেন (৫৯) ও ফেনী সদর উপজেলার লালপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে মো. রনি (২৮)।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার কোম্পানি অধিনায়ক মেজর সাদমান ইবনে আলম তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রায় ৩৫ কেজি গাঁজা, একটি প্রাইভেটকারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপর অভিযানে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াগাঁও এলাকা থেকে ৫০ বোতল স্কাফ ও সাড়ে নয় কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ গাঁজা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রি ও সরবরাহ করছিল।
মেজর সাদমান ইবনে আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। র্যাব-১১ ভবিষ্যতেও মাদক প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত রাখবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লায় প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, খুব সুন্দর একটা ইলেকশন দেখতে পাবেন । যেটা ফ্রি হবে এবং ফেয়ার হবে। ইক্সক্লুসিভ হবে। সমস্ত জনগণ যেখানে অংশগ্রহণ করবে । খুবই উৎসবমুখর পরিবেশে ইলেকশন হবে । আপনারা যখন বিদেশে কোনো ইলেকশন দেখবেন টেরই পাবেন না যে নির্বাচন হচ্ছে । বাংলাদেশের যখন খুবই ভালো ইলেকশন হয়েছে বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলের কয়েকটি নির্বাচন । ছেলে-মেয়ে, বাবা-মা সবাই একসাথে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছে । গ্রামের সমস্ত লোকজন ভোটকেন্দ্রের বাইরে অবস্থান করে আড্ডা দেয়। ইলেকশনে কে জিতবে এ দলের আলাপ আলোচনা করে। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রমিস করেছে বাংলাদেশের ইতিহাসের বেস্ট ইলেকশন হবে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন ।
রাজনৈতিক দলদের মতবিরোধের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, পলিটিক্যাল পার্টি থাকলে মতভেদ থাকবেই। এটাকে আমরা সিরিয়াস কিছু নিচ্ছি না। যারা পলিটিক্যাল পার্টি যারা ঐক্যমত কমিশনের সাথে কথা বলেছেন তারা নয় মাস ধরে খুব সুন্দর ভাবে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহত্তম আলোচনা করেছে। আমরা আশা করছি তাদের মধ্যে কিছু কিছু বিষয়ে যে মতবিরোধ সেটা কিছু সময়ের মত ঐক্য হবে। সবাই কিন্তু নির্বাচনের জন্য প্রিপারেশন নিয়েছে। অলরেডি বিএনপি ২৩৭টা আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন পাশাপাশি জামায়াতও বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। বড় বড় দলগুলো নির্বাচনমুখী। আমরা ভালো একটা নির্বাচন দেখব । ইলেকশনের জোয়ার বইছে । একজন হেভিওয়েট ক্যানডিডেট এখানে আছেন । আমরা দেখলাম প্রচুর পোস্টার ব্যানার ।
শফিকুল আলম বলেনে, ১৩ নভেম্বরকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ এক ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার চেষ্টা করছে । পুলিশ এ বিষয়ে খুবই সতর্ক অবস্থানে আছে । এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৭টি বাসে আগুন দিয়েছে । আমাদের ধারণা এটা আওয়ামী লীগের লোকজন করেছে । একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে ডেমরা এলাকা । তার বাড়ি গোপালগঞ্জে । এছাড়াও ময়মনসিংহে একজন বাস চালককে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে । সবগুলো নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কাজ । এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে কেনো তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ টেরোরিস্ট দল ।
নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু হয়েছে এ বিষয়ে তিনি বলেন তিন মাসের মধ্যেই ইলেকশন এবং তিন মাসের কমের মধ্যেও নির্বাচন হতে পারে । ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন । আমাদের কথা হচ্ছে নিশ্চিত থাকেন খুব সুন্দর একটা নির্বাচন হবে । চারটা ছাত্র নির্বাচনে দেখেছেন আশি শতাংশ পর্যন্ত ভোট করেছে ।
কুলিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জামাল হোসেন, অফিসার ইনচার্জ মো. হিলাল উদ্দিন । এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ ।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে
গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), কুমিল্লা।
আজ (১১ জুন) সকালে জেলা গোয়েন্দা শাখা, কুমিল্লার একটা চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে
কোতয়ালী মডেল থানাধীন টিক্কারচর ব্রীজ -টু-পালপাড়া গামী রোডের উত্তর পাশ হতে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজন মাদক ব্যবসায়ী মোঃ ইকবাল
হোসেন ওরফে শুক্কুর আলীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী হলো- কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
মডেল থানাধীন রাজমঙ্গলপু এলাকার আবুল মিয়ার
ছেলে মোঃ ইকবাল হোসেন ওরফে শুক্কুর আলী (৪০)।
উক্ত ঘটনায় মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল
থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপাড় টাউন হল মাঠে অস্ত্র সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নগরীর টাউনহল মাঠের ভিতর পূর্ব পাশে
দেশীয় অস্ত্রের মহড়া প্রদর্শন করে, জনমনে আতংকিত করে ভীতিকর অবস্থা সৃষ্টি করে। উক্ত
সংবাদ কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আমিনুল উল্লাহ মোবাইল ফোনে জানালে
থানা এলাকায় ডিউটিরত মোবাইল-১ পার্টি এবং কান্দিরপাড় পুলিশ ফাঁড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ
অফিসার ও ফোর্সসহ ৯ জানুয়ারী রাত ৪ টা ৪০ মিনিটে কোতয়ালী মডেল থানাধীন কান্দিরপাড়
সাকিনস্থ টাউন হল মাঠের ভিতর পূর্ব পার্শ্বে পৌছামাত্র আসামীগন পুলিশের উপস্থিতি টের
পেয়ে পালাইয়া যাওয়ার চেষ্টার সময় তাদেরকে আটক করে।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো- ১। মোঃ শরীফ
(২০), পিতা-আব্দুর সামাদ, মাতা-মোসাঃ জোসনা বেগম, সাং-শাসনগাছা, ২। মোঃ ফরহাদ হোসেন
(২০), পিতা মৃত-দুলাল মিয়া, মাতা মৃত-রওশন আরা, সাং-রামপুর, ৩। জসিম উদ্দিন (২০),
পিতা-মোঃ সুরুজ মিয়া, মাতা- মোসাঃ খুরশিদা বেগম, সাং- নিশ্চিন্তপুর, ৪। মোঃ আকাশ
(২০), পিতা-কামাল হোসেন, মাতা- মোসাঃ রহিমা বেগম, সাং-অশোকতলা, ৫। মোঃ রবিউল (২১),
পিতা মৃত আব্দুল করিম, মাতা-আমেনা বেগম, সাং-অরন্যপুর, সর্ব থানা-কোতয়ালী মডেল, জেলা-কুমিল্লা,
৬। মোঃ সবুজ আলী (২১), পিতা-রেসু মিয়া, সাং-ছালিয়াকান্দি, থানা-মুরাদনগর, জেলা-কুমিল্লা,
৭। মোঃ বাবু সওদাগর (২৫), পিতা মৃত-মহন সওদাগর, মাতা- মোসাঃ চায়না, সাং-মদন গোপাল
আঙ্গিনা, থানা-মধুপুর, জেলা-টাঙ্গাইল।
জব্দকৃত অস্ত্রগুলো হচ্ছে- ২ টি চাকু,
২ টি হাসুয়া,ষ্টীলের তৈরী মাথায় লোহার করাত, ১ টি কাচি, ৩টি মোবাইল ফোনের বেক কাভার,
মানিব্যাগ,১ টি রেঞ্জ, পেপার কাটার।
আসামীদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায়
মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক মামলায় তিতাস গ্যাসের পিয়ন (অফিস সহায়ক) জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের পাশাপাশি প্রায় এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
গতকাল রোববার (৭ জুলাই) বিকেলে কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বেগম শামসুন্নাহার ৩টি মামলায় জহিরুলের ৩ স্ত্রীর বিরুদ্ধে এ রায় দেন।
অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ঢাকার অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের ৩ স্ত্রীকে এই সাজা দেওয়া হয়। তবে ৩ স্ত্রীর সাজা হলেও স্বামী জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সকল মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয় তাকে।
অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার আনন্দপুর গ্রামে। স্ত্রীদের সঙ্গে প্রতিটি মামলাতেই দ্বিতীয় আসামি হিসেবে নাম ছিল জহিরুলের। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ও তার ৩ স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ৩ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক।
দুদক কুমিল্লা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৯ ফ্রেব্রুয়ারি দায়েরকৃত পৃথক ৩টি মামলায় সেলিনা আক্তার, আকলিমা আক্তার ও আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ তদন্তপূর্বক মামলার বাদী ছিলেন, দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আক্তারুজ্জামান।
দুদক কুমিল্লা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক ফজলুল হক জানান, স্থাবর, অস্থাবর অবৈধ সম্পত্তি অর্জনের দায়ে তিতাস গ্যাসের ঢাকা অফিসের অফিস সহায়ক জহিরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে ৩ বছরের কারাদণ্ড এবং ১২ লাখ ১২ হাজার ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। দ্বিতীয় স্ত্রী আকলিমা আক্তারকে ৪ বছরের কারাদণ্ড এবং ৩৪ লাখ ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া তৃতীয় স্ত্রী আছমা আক্তারকে ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কুমিল্লায় সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিইআরসি (বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন) নির্ধারিত মূল্যের অতিরিক্ত দামে ১২ কেজির এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করছিল। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় পদুয়ার বাজার এলাকার এলপিজি গ্যাস পরিবেশক মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই অপরাধে চাষাপাড়া এলাকার মেসার্স উজ্জ্বল ট্রেডার্সকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের বাইরে গ্যাস সিলিন্ডার ক্রয়-বিক্রয় না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আশপাশের অন্য দোকানিদের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে বিকেল পর্যন্ত। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. কাউছার মিয়া। অভিযানে সহযোগিতায় ছিলেন জেলা পুলিশের একটি দল।জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি :
কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশ, চান্দিনা, সদর দক্ষিণ, লালমাই ও লাকসাম থানার সমন্বিত টিমের অভিযানে আন্তঃ জেলা ডাকাত চক্রের অন্যতম প্রধান নয়নসহ ৫ জন ডাকাতকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র, সরঞ্জাম ও দুটি পিকআপ গাড়ি উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি লাকসাম থানা এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া ৩টি গরু ও ২টি গরুর বাছুরও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি জেলার বিভিন্ন প্রান্তিক এলাকায় ধারাবাহিক ডাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় টহল জোরদার, অতিরিক্ত চেকপোস্ট স্থাপন ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৫ নভেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, চান্দিনা থানার বরকরই নাথের বাড়ী এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস)-এর নেতৃত্বে অপারেশনাল টিম অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা পালানোর চেষ্টা করলে নীল রঙের পিকআপ থেকে ৪/৫ জন পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়। অপর একটি হলুদ রঙের পিকআপ পালিয়ে যাওয়ার সময় ধাওয়া করলে ডাকাত নয়ন পুলিশ সদস্যদের ওপর গাড়ি তুলে মারার চেষ্টা করে। দীর্ঘ প্রায় দেড় ঘণ্টার দুঃসাহসিক ধাওয়ার পর সদর দক্ষিণ থানার ফিরিঙ্গির হাট এলাকায় ডাকাত নয়ন কৌশলে পালানোর চেষ্টা করে পুকুরে লাফ দিলে ডিবি পুলিশের সদস্যরা পুকুরে নেমে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
গ্রেফতারকৃতরা সাম্প্রতিক সময়ের লাকসাম ও চান্দিনা এলাকায় গরু ডাকাতির ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: চান্দিনা থানার বরকড়ই গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ রায়হান (২০), তিতাস থানার দক্ষিণ নারান্দিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোঃ নয়ন (৩৪), চান্দিনা থানার বরকড়ই গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে মোঃ শাহাদাত হোসেন (২৪), চান্দিনা থানার দেওকামতা গ্রামের মোঃ সিরাজ কাজীর ছেলে মোঃ নাছির (২৫), চান্দিনা থানার সুরিখোলা গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে মোঃ সজীব রানা (২৮)।
পুলিশ সূত্র জানায়, নয়নের বিরুদ্ধে ১১টি, সজীবের বিরুদ্ধে ৫টি এবং রায়হানের বিরুদ্ধে ১টি মামলা রয়েছে।
এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি রেজিস্ট্রেশনবিহীন পিকআপ, ১টি টোটো রিভাল বার, ১টি বোল্ট কাটার, ২টি কাঠের বাটযুক্ত ছুরি, লোহার চাপাতি, ১টি স্টিলের চাপাতি, ১টি হ্যাকসো ব্লেড কাটার, ৩টি গরু ও ২টি বাছুর উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে দেবিদ্বার ও দাউদকান্দি এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “অপরাধ দমনে জেলা পুলিশের এমন সমন্বিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় জুলাই বিপ্লবে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান - বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলাসহ বিভিন্ন অপরাধের মামলায় কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের শিক্ষক প্রবীর রঞ্জন দে সহ ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার রাতে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের টিম নগরীর তাল পুকুরপাড় এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। বৃহস্পতিবার(১৯ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, কুমিল্লা নগরীতে অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোঃ নাজির আহমেদ খানের নির্দেশে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মইনুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে পুলিশের একাধিক টিন বুধবার রাতভর নগরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন মামলায় কুমিল্লা মডার্ন হাই স্কুলের শিক্ষক নগরীর তালপুকুর পাড় এলাকার বাসিন্দা ননী গোপাল দে -র ছেলে প্রবীর রঞ্জন দে কে গ্রেফতার করে। এছাড়া পুলিশ ওই রাতে অভিযান চালিয়ে এক ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন মামলার ওয়ারেন্ট ভুক্ত আরো ৬ আসামিকে গ্রেফতার করে। কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতদেরকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন