

নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আমানগন্ডা সীমান্তবর্তী এলাকায় শিশুসহ ১৯ জন বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
আটকদের মধ্যে ৯ জন নারী, ৯ জন পুরুষ ও একজন শিশু।
বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আটক করে আমানগন্ডা বিওপি ক্যাম্পে নিয়ে আসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
এ বিষয়ে উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা ১০ বিওপি ব্যাটালিয়নের ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা জানান, আজ দুপুরে ১৯ জনকে সীমান্ত পিলার নং ২১০৪ সংলগ্ন এলাকা দিয়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ ও বিজিবির উপস্থিতিতে তাদের হস্তান্তর করে।
জানা যায়, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের দক্ষিণ ভবানীপুর নিউনিদিয়া বিএসএফ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার দীপংকর সাহার নেতৃত্বে বিএসএফ-এর একটি দল ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমানগন্ডা বিওপি কমান্ডার মো. মোস্তফার নেতৃত্বে একটি দল পতাকা বৈঠকে অংশ নেয়। বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। বিভিন্ন সময়ে অবৈধ পথে ভারতে গিয়ে তারা দেশটির পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। তারা ভারতের বিভিন্ন কারাগারে সাজাও খেটেছেন।
নায়েক সুবেদার মো. মোস্তফা আরও জানান, আটকদের তথ্য, নাম ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে এবং যথাযথ প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে চৌদ্দগ্রাম থানায় হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
কুমিল্লার মুরাদনগরে ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে মালু মিয়া(৫৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় সিএনজি চালক সাগর মিয়া(২৭)কে মুরাদনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
আজ রবিবার (২৪ আগস্ট) ভোররাতে কোম্পানিগঞ্জ-নবীনগর সড়কের টনকি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নিহত মালু মিয়া নবীনগর উপজেলার লাউরফতেপুর গ্রামের মৃত চান্দার আলীর ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিমসার বাজার থেকে নিয়ে আসা কাঁচামাল বোঝাই একটি সিএনজি নবীনগরের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আশা গরু বোঝাই একটি ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে সিএনজিটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় সিএনজির যাত্রী কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী মালু মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আহত সিএনজি চালককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা বাঙ্গরা বাজার থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে সিএনজি ও ট্রাক দুটি জব্দ করে এবং নিহতের লাশ থানায় নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও সিএনজিটি জব্দ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ কুমেক মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত মালু মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে ২০১৮ সালের সড়ক ও পরিবহন আইনে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে হঠাৎ এ মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের পরিবারে গভীর শোক নেমে এসেছে। সড়কে অতিরিক্ত গতির কারণে বারবার এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে এলাকাবাসী জানান। তারা দ্রুত সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, ৯ মামলার আসামী জাহাঙ্গীর (৪৬) ওরফে লতা জাহাঙ্গীরকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিকে বিজিবি’র আনন্দপুর বিওপির নায়েক সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিমের নেতৃত্বে বাতিসা ইউনিয়নের পশ্চিম দুর্গাপুর কাজী মার্কেট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় জাহাঙ্গীরের নিকট থেকে ৯৬পিস ইয়াবা, নগদ ৭,২৮০ টাকা জব্দ করা হয়। আটককৃত মাদক সম্রাট জাহাঙ্গীর (লতা) বাতিসা ইউনিয়নের দূর্গাপুর এলাকার মৃত রঙ্গু মিয়ার ছেলে। লতা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অন্তত ৯টি মাদক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে চৌদ্দগ্রাম থানার এস. আই হিসাম উদ্দিন।
বিজিবি’র আনন্দপুর বিওপির নায়েক সুবেদার মোঃ আব্দুল হালিম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোরে একাধিক মাদক মামলার আসামী লতা জাহাঙ্গীরকে ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে জব্দকৃত ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী লতা জাহাঙ্গীরকে মাদক মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর
রহমান পাবেল,
প্রতিবেদক:
শিক্ষার্থীদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে রাতে ছদ্মবেশে অভিযান পরিচালনা করেছেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামাল হোসেন।
তিনি গত সোমবার (১৮ই আগষ্ট) রাত ৮.৩০ঘটিকা থেকে রাত ১০.০০ঘটিকা পর্যন্ত চৌদ্দগ্রাম বাজার ও আশেপাশের এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শন কালে তিনি দেখতে পান, শিক্ষার্থীরা সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে না বসে বাহিরে বিভিন্ন জায়গায় আড্ডা দিচ্ছে এবং ধুমপান করছে। অভিযানে , শিক্ষার্থীদের সাথে অনেক অছাত্রদের আড্ডা দিতে দেখা যায়, যারা অন্যান্য অপরাধের সাথে জড়িত থাকতে পারে।
এসময় ইউএনও শিক্ষার্থীদের প্রথম বারের মতো সতর্ক করে তৎক্ষণাৎ বাসায় গিয়ে পড়তে বসার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন এবং রাত ৮ টার পর কেউ যাতে পড়া রেখে বাহিরে অহেতুক ঘোরাফেরা/আড্ডা না দেয় সে বিষয়ে কড়া বার্তা প্রদান করেন।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জামাল হোসেন জানান, আগামী দিনগুলোতেও এই ধরনের অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে রাত ৮ টার পর কোনো শিক্ষার্থীকে এভাবে আড্ডা/অহেতুক ঘোরাফেরা করা অবস্থায় পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং যার বা যাদের দোকানে বসে আড্ডা দিবে সে সকল দোকানীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মে জানান তিনি।
উপজেলার সকল অভিভাবকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান যে- আপনার সন্তানের খবর রাখুন, সন্ধ্যার পর পড়ার টেবিলে বসা নিশ্চিত করুন এবং কার বা কাদের সাথে মেলামেশা করছে সে বিষয়ে অধিকতর সংবেদনশীল আচরণ করুন।
মন্তব্য করুন


রোজার মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে বুড়িচং থানার ওসি মহোদয় এবং থানা পুলিশ সদস্যবৃন্দের উপস্থিতিতে নিমসার বাজারে বাজার মনিটরিং টাস্কফোর্সের অভিযান পরিচালনা করা হয়।
বৃহস্পতিবার হওয়া এ অভিযান পরিচালনাকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাহিদা আক্তার লেবু, শসা, কাঁচা মরিচ,ধনে পাতা, আলু, পেঁয়াজ প্রভৃতি পণ্যের দাম যাচাই করেন। কাঁচাবাজার এর
পাশাপাশি দোকানগুলোতেও রশিদ এর মাধ্যমে ক্রয়-বিক্রয় এর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
পরিদর্শনকালে দেখা যায়, লেবু ২০-৬০ টাকা হালি, কাচা মরিচ ২৬ টাকা, শশা ৩০ টাকা, খিরা ১২-১৫ টাকা , টমেটো ৫-৮ টাকা , আলু ১৬-১৮ টাকা, লাউ ১৮-২০ প্রতি পিস, পেঁয়াজ দেশি (মেহেরপুর) ১৮-২০ টাকা, পেয়াজ দেশি (পাবনা,নওগা) ২৫-৩০ টাকা, ডিম হালি ৩৩-৩৪ টাকা, চিচিংগা ১৫ টাকা, গাজর ১৫-২০ টাকা, বেগুন ৬০-৬৫/- (উন্নতমানের বড় সাইজ), চিকন বেগুন ৩০-৩৫ টাকা এবং সিম ২০-২৫ টাকা প্রতি কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।
তবে অভিযান পরিচালনাকালীন সময়ে এটাও বলে দেওয়া হয় যে ভবিষ্যতে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মূল্য কারসাজি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।
জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা
প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন হবে উৎসবমুখর, ফ্রি ও ফেয়ার।
নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। তবে কেউ সহিংসতা, নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির
চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত
আইন-শৃঙ্খলাবিষয়ক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে,
এবারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এবার যে পরিমাণ
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে, অতীতে কোনো নির্বাচনে তার নজির নেই।
ভোটকেন্দ্রে
সিসিটিভি, ড্রোন নজরদারির বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি
ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির ব্যবস্থা রাখা
হয়েছে।
যেসব
ভোটকেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে নিরাপত্তা
নিশ্চিত করা হয়েছে।
তিনি
বলেন, এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশের সুযোগ
রাখা হয়েছে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।
ভোটারদের
নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টিকে সরকারের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন যেন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য হয়, সেজন্য প্রশাসন
ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
বোরকা
পরিহিত ভোটারদের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে পরিষ্কার
নির্দেশনা দিয়েছে। প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে নারী আনসার সদস্য থাকবেন এবং প্রয়োজন হলে তারাই
বিষয়টি দেখভাল করবেন।
সভায়
সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি। এ সময় আরো উপস্থিত
ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা
বাহিনী এবং কোস্ট গার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
পরে বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
কুমিল্লা ব্যাটালিয়ান (১০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মীর আলী এজাজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বিজিবি জানায়, ২৯ জুলাই সকালে (০৯:৩০টার দিকে) কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)-এর অধীনস্থ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চৌদ্দগ্রাম বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২১০৯/১৪-এস সংলগ্ন “রাধানগর” নামক স্থান দিয়ে তিনজন বাংলাদেশি নাগরিক চোরাচালানের উদ্দেশ্যে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন।
এ সময় বিএসএফ তাদের আটকের চেষ্টা করলে দু’জন পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। তবে একজন বিএসএফের হাতে আটক হন। বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরে বিজিবি দ্রুত পদক্ষেপ নেয় এবং বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
দুই দেশের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষে, বেলা ১২টার দিকে সীমান্ত পিলার ২১০৯/১৪-এস এর নিকটবর্তী বৈদ্দ্যেরখীল এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ওই বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় পলাতক দুই ব্যক্তি এবং আটক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বিজিবি জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


ভারতীয় সীমান্তে পাচারের সময় ৪৪০ কেজি
ইলিশ মাছ জব্দ করেছে বিজিবি।
শুক্রবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত
করেছেন ৬০ বিজিবির অধিনায়ক এ এম জাবের বিন জব্বার।
তিনি বলেন, প্রথম প্রহরে কুমিল্লা জেলার
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী মনোরা নামক স্থানে পাওয়া যায় এসব ইলিশ।
তিনি জানান, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সীমান্ত
পিলার ২০৫৭২-এস হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মনোরা নামক স্থানে এসব ইলিশ পাওয়া
যায়৷ এসময় কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিজিবি আসার খবরে এসব ইলিশ ফেলে পালিয়ে
যায় চোরাকারবারিরা।
৪৪০ কেজি ইলিশ মাছের মূল্য ৯ লাখ ৬৮
হাজার টাকা। ইলিশগুলো বিক্রি করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর বুড়িচংয়ের আনন্দপুর
সীমান্তে সাড়ে ৬০০ কেজি ইলিশ জব্দ করেছিলো বিজিবি।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩৯০
বোতল ফেন্সিডিল’সহ
০১ জন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে
র্যাব-১১,
সিপিসি- ২
কুমিল্লা।
র্যাব জানায়, রোববার দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর বিশেষ অভিযানে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার উত্তর রামপুর এলাকা থেকে ৩৯০ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ সেলিম (৩৭) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় ফেন্সিডিল পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী সেলিম (৩৭) চট্টগ্রাম জেলার ডাবলমুরিং থানার জিলানী কলোনী গ্রামের মকবুল আহমদ এর ছেলে।
র্যাব-১১,
সিপিসি-২,
কুমিল্লার
কোম্পানী
অধিনায়ক
উপ-পরিচালক
লেঃ
কমান্ডার
মাহমুদুল
হাসান
জানান,
গ্রেফতারকৃত
আসামী
দীর্ঘদিন
ধরে
কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী
এলাকা
হতে
মাদকদ্রব্য
ফেন্সিডিল
সংগ্রহ
করে
কাভার্ড
ভ্যান
যোগে
দেশের
বিভিন্ন
জেলায়
মাদক
ব্যবসায়ী
ও
মাদক
সেবীদের
নিকট
পাইকারি
ও
খুচরা
মূল্যে
বিক্রয়
করে
আসার
কথা
স্বীকার
করে।
তার
বিরুদ্ধে
সদর
দক্ষিণ
থানায়
আইনানুগ
ব্যবস্থা
গ্রহণ
করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
৪৩ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশীপের গ্রুপ পর্বের শেষ খেলায় মাগুরা জেলা ক্রিকেট দলকে ৬ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দল। এর আগে ২০০৩ সালে বাংলাদেশ বিমানের সাথে ফাইনালে রানার্সআপ হয় কুমিল্লা। আগামী ৪মে রোববার কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচে কিশোরগঞ্জ জেলা দলের মুখোমুখি হবে কুমিল্লা।
আজ
বৃহস্পতিবার কক্সবাজার স্টেডিয়ামে টসে হেরে ফিল্ডিং পাওয়া কুমিল্লা জেলা দলের দুই স্পিনার ইয়াসির আরাফাত এবং আশরাফুল হাসান রোহান এর ঘূর্ণি যাদুতে মাগুরা জেলা ক্রিকেট দল মাত্র ৩৮.২ ওভারে অলআউট হয়ে যায়। মাগুরা জেলা দলের আসলাম, মোহাইমিন এবং তালহা যথাক্রমে ১৯,১৮ এবং ১৭ রান করেন। ইয়াসির আরাফাত ৫০ রানে ৫ উইকেট এবং রোহান ৩৮ রানে ৪ উইকেট লাভ করেন।অপর উইকেটটি নেন পেসার সবুজ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে কুমিল্লা জেলা দল ৩৪.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায়। দলের ওপেনার ইরফান তাকরির অপরাজিত ৮০ রান করেন। অপর ব্যাটসম্যানের মধ্যে রুবেল মিয়া ২৮ আবুবকর, ১৪ রান করেন।
কুমিল্লা জেলা ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফখরুল আলম উল্লাস এবং কোচ মানিক কুমার দাস ২২বছর পর ফাইনালে উঠার সুযোগ পাওয়ায় ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং ফাইনালে ভাল করার জন্য সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন।
মন্তব্য করুন


র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর পৃথক অভিযানে ৪০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার।
বুধবার (১৪ মে) দুপুরে
র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার
কোতয়ালী মডেল থানাধীন উত্তর দূর্গাপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত
অভিযানে জেরিন আক্তার (২২) নামক একজন মহিলা মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেয়। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পৃথক অন্য একটি অভিযানে
দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা
জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন দূর্গাপুর দীঘির পাড় এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা
করে। উক্ত অভিযানে মনির (৪২) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর
কাছ থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি অটো ট্রলি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী
১। জেরিন আক্তার (২২) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দূর্গাপুর গ্রামের আব্দুর
রশিদ এর মেয়ে এবং ২। মনির (৪২) একই থানার কৃষ্ণপুর গ্রামের দুদু মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, গ্রেফতারকৃত
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী
এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে কুমিল্লার বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক
সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক
অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে
র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা
গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন