

কুমিল্লায়
৪০ কেজি গাঁজা’সহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গত
১০ মার্চ র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিন মডেল থানাধীন মঠ পুষ্কুরুনী সাকিনস্থ কোটবাড়ী বিশ্বরোড
এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে মোঃ ফজল মিয়া (৫৫) নামক একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ৪০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ
কাজে ব্যবহৃত ১ টি ব্যাটারী চালিত অটোমিশুক উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত
আসামী মোঃ ফজল মিয়া (৫৫) কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার কলাহাটি দুলালপুর গ্রামের
মৃত আক্কাস মিয়া এর ছেলে। আসামী বর্তমানে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন
বামৈল, শিবের বাজার এলাকায় বসবাস করে।
র্যাব
জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ
করে কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি
ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ
হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১
এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ
প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


তাপস চন্দ্র সরকার:
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় নগরীর টিক্কারচর গোমতীর পাড় সংলগ্ন ক্রীড়া পল্লীতে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজনে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতি (সিডিবিএ) টি-১০ প্রিমিয়ার ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৪-২৫ইং খেলার শুভ উদ্বোধন।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু।
ওই খেলায় ১২টি দল অংশগ্রহণ করবেন। এ দলগুলো হলো: লিগ্যাল ফাইটারস্, লিগ্যাল লেগাম গেইন্ট (এলএলজি), ময়নামতি-১৬, ডায়নামিক ল' ইয়ার্স্, টিম-২৪, লিগ্যাল ওয়ারিয়র্স, এমিকাস র্যাংগার্স, সিবিএ এডভোকেটস্, জেড-ফোর্স, রাবেল রিডার্স, রয়েল ল' ইয়ার্স ও সিবিএ সেলেঞ্জারস্।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, কুমিল্লা:
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
কয়েদি থেকে কারামুক্ত এক কর্মজীবী নারীতে পরিণত হয়েছেন মোসা: পারভীন আক্তার। হত্যা
মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে ২০০২ সালের ১৯ আগস্ট কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রবেশ
করেছিলেন কয়েদি নম্বর ৩৮০২/এ, পারভীন আক্তার। পরে উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে তার সাজা
কমে গিয়ে হয় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। দীর্ঘ প্রায় ২৩ বছর পর, প্রশিক্ষণ ও কঠোর পরিশ্রমে
অর্জিত ৫৭ হাজার টাকা সঞ্চয় নিয়ে আজ তিনি মুক্ত হলেন।
কারা
বিভাগ "রাখিব নিরাপদ, দেখাব আলোর পথ" এই শ্লোগানে বন্দিদের দক্ষতা উন্নয়নে
নানা প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায়, কারাগারে অবস্থানকালে পারভীন আক্তার নেন
নকশীকাঁথা সেলাই ও সুঁই-সুতার কাজের প্রশিক্ষণ। তার হাতে তৈরি কারাপণ্য বিক্রি হয় বাণিজ্য
মেলা ও কারাগারের শো-রুমে। বিক্রয়লব্ধ অর্থের ৫০ শতাংশই পারিশ্রমিক হিসেবে বন্দিদের
হাতে তুলে দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।
সেই
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আয় থেকেই পারভীন আক্তার নিজের প্রিজনার ক্যাশ একাউন্টে জমা করেন ৫৭
হাজার টাকা। যা তিনি আজ মুক্তির দিন নিজের হাতে পেয়েছেন। প্রশিক্ষণ ও সঞ্চয়ের এই ফল
পেয়ে আবেগাপ্লুত পারভীন জানান, "কারা কর্তৃপক্ষ শুধু শাস্তিই দেয়নি, জীবনের নতুন
আলো দেখিয়েছে। আমি চিরকৃতজ্ঞ।"
বাংলাদেশ
জেলের এই মানবিক ও পুনর্বাসনমূলক দৃষ্টান্ত সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে।
পারভীন আক্তারের জীবন আমাদের মনে করিয়ে দেয়— সংশোধনের সুযোগ থাকলে, প্রত্যেক মানুষই
পরিবর্তনের পথে ফিরতে পারেন।
মন্তব্য করুন


বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে আন্দোলনের নামে গ্রাহক ভোগান্তি, রাষ্ট্রবিরোধী আচরণ ও ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিযোগে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর ১৫৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে যৌথ বাহিনী।
শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিল্টন ঘোষ ওই মামলা করেন। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে আন্দোলন করে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এতে লাখ লাখ গ্রাহক চরম ভোগান্তির শিকার হয়।
আটককৃতরা হলেন- কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার বাইমানা গ্রামের নূরুল আনোয়ারের ছেলে সহিদুল ইসলাম (২৬), চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার কামানকান্দি মাথাভাঙ্গা গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে নূর মোহাম্মদ (২৮), চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারি উপজেলার খন্দকিয়া গ্রামের সিকদার চৌধুরীর ছেলে ফয়সাল চৌধুরী (৩৭), নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার পবনপুর তারাবো গ্রামে ফরিদ উদ্দিনের ছেলে তানভীর আহমেদ (৩৩), ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলা সদরের খায়রুল কবিরের ছেলে মিজানুর রহমান সাগর (৩০)। তারা সকলে চান্দিনাস্থ কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কর্মকর্তা।
সন্ধ্যার পর দ্বিতীয় দফা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে আন্দোলন করাকালে চান্দিনার পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেড়াও করে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা। এ সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে ঘটনার সাথে জড়িত পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করে। পরে দায়ের হওয়া মামলায় তাদেরকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজমুল হুদা জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনকালে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয় আন্দোলনকারীরা। এতে সমিতির আওতাধীন চার উপজেলার লাখ লাখ গ্রাহকের ভোগান্তি দেখা দেয়। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ আমরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে তাদের সাথে আলোচনা করে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করি। সন্ধ্যার পর আবারো তারা দুই ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর কার্যালয় ঘেড়াও করে। এ সময় যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে নাশকতা, রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম পরিচালিত করায় ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মামলা করেন। ওই মামলায় তাদেরকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৩১ কেজি ৫শত গ্রাম কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১১ জুন) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন শশীদল এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ বিল্লাল ও মোঃ মেহেদী হাসান নামক দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৩১ কেজি ৫শত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী ১। মোঃ বিল্লাল (৩০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার রঘুরামপুর গ্রামের মোঃ জলিল এর ছেলে এবং ২। মোঃ মেহেদী হাসান (২০) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার বায়েক গ্রামের মোঃ রশিদ আহম্মদ এর ছেলে।
র্যাব জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


সোমবার (২২ এপ্রিল) রাত দেড়টায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়।গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানায়, তৃতীয় ধাপের পরীক্ষায় ৪৬ হাজার ১৯৯ জন প্রার্থীকে
মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে।
সরকারি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা তৃতীয় ধাপের সংশোধিত ফল প্রকাশ করা
হয়েছে।
এতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে (তিন পার্বত্য জেলা বাদে ২১টি জেলা) লিখিত পরীক্ষার উত্তীর্ণ
হয়েছেন ৪৬ হাজার ১৯৯ জন।
গত ২৯ মার্চ এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৩ লাখ
৪৯ হাজার ২৯৩ জন
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.mopme.gov.bd এবং প্রাথমিক
শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd -তে ফলাফল পাওয়া যাবে। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীরা
মোবাইলেও মেসেজ পাবেন।
মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় ও স্থান পরবর্তীতে জানানো হবে।
গত বছরের ১৪ জুন এ নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়।
মন্তব্য করুন


চলমান অপারেশন অপারেশন ডেভিল হান্টে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গত গেল ২৪ ঘন্টায় আরো ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে গেল ৬দিনে জেলায় মোট ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।
গ্রেপ্তারকৃরা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মী বলে জানা গেছে। কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চলমান অপারেশন ডেভিল হান্টে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে মামলা, লিফলেট বিতরন ও নাশকতার অভিযোগ রয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বুড়িচং পরিহলপাড়ার আওয়ামীলীগ কর্মী মোঃ মহিউদ্দিন (৪৭), চান্দিনা নাওতলা গ্রামের বাসিন্দা শ্রমিকলীগ নেতা মজনু মিয়া (৩৬), হোমনা উপজেলা যুবলীগের সদস্য মোঃ আরিফুল ইসলাম জনি (৪২) ও তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউপির ২নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন (৪০)।
মন্তব্য করুন


ডিএনসি-
কুমিল্লা ১০ কেজি গাঁজা ও ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ দুইজন নারীকে আটক করেছে।
ডিএনসি
কুমিল্লার উপ-পরিচালক চৌধুরী ইমরুল হাসান এরঁ সার্বিক তত্বাবধানে ও উপ-পরিদর্শক তামাল
মজুমদার এর নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১০ কেজি গাজা ও ২২ বোতল ফেনসিডিলসহ
দুজনকে আটক করা হয়।
আজ
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৭ টায় কুমিল্লা জেলার চান্দিনা থানাধীন চান্দিনা
পৌর এলাকাস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে চান্দিনা উপজেলা রাস্তার মোড়ে
পাকা রাস্তার উপর শাসনগাছা টু হোমনাগামী একতা বাস তল্লাশী করে ১০ কেজি গাঁজাসহ মোসা:
ফারজানা আক্তার(৩০) নামের একজন আসামিকে আটক করে। আটককৃত আসামি কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী
থানার কাটাবিল গ্রামের মৃত আলী মিয়ার মেয়ে।
অপর
এক অভিযানে কুমিল্লা টু ঢাকাগামী এশিয়া ট্রান্সপোর্ট নামের বাস তল্লাশি করে ২২ বোতল
ফেনসিডিলসহ মোসা: আসমা আক্তার (৪০) নামের একজনকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামি বাগেরহাট
জেলার কচুয়া থানার চরলক্ষীপুর গ্রামের মৃত আব্দুল রাজ্জাকের মেয়ে।
আসামীদের
বিরুদ্ধে উপ-পরিদর্শক তমাল মজুমদার ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ মনির হোসেন বাদী
হয়ে চান্দিনা থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
মন্তব্য করুন


সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী ব্যক্তি এবং তাঁদের যৌনসঙ্গীদের জন্য সমন্বিত এইচআইভি প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদারে কুমিল্লায় জেলা পর্যায়ের মতবিনিময় ও পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করে পিএসটিসি, কুমিল্লা এতে সহযোগিতা করে সেভ দ্য চিলড্রেন ও জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রাম।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লার সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. রেজা মো. সারোয়ার আকবর, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক নুরুল ইসলাম পাটোয়ারী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, বিপিএমপিএ সভাপতি ডা. আবু তাহের মুহিত, আনসার ভিডিপি কুমিল্লা রেঞ্জের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল হোসেন পাটোয়ারী (রবি), মেডিকেল অফিসার সিভিল সার্জন কার্যালয়,ডা. কাউসার আল আমিন, ডা. শফিকুল ইসলাম , সাংবাদিক, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তারা বলেন, সুইয়ের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীরা এইচআইভি সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকেন। তাই তাঁদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবহৃত সুঁই-সিরিঞ্জের নিরাপদ অপসারণ, কাউন্সেলিং, চিকিৎসা ও সামাজিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে তাঁদের যৌনসঙ্গীদের সুরক্ষায় সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা আরও বলেন, মাদকাসক্তি শুধু ব্যক্তিগত নয়, পারিবারিক ও সামাজিক সংকটও সৃষ্টি করে। কুমিল্লায় মাদকের বিস্তার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে উল্লেখ করে তাঁরা দ্রুত একটি সরকারি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। পাশাপাশি বেসরকারি মাদক নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
‘বাংলাদেশে মূল জনগোষ্ঠীর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিক এইচআইভি প্রতিরোধ সেবার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পিএসটিসির সিনিয়র মেডিকেল অফিসার ডা.মোঃ মাসুদ রানা । সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সেন্টার ম্যানেজার মানস কান্তি দাস (অপু)।
সভা শেষে সিভিল সার্জন ডা: আলী নুর মো. বশির আহমেদ আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মন্তব্য করুন


মৎস্য
ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে
কেন্দ্র করে কোরবানির পশু পালন এখন প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের বছরের অন্যতম বড় আয়ের
উৎসে পরিণত হয়েছে।
আজ
মঙ্গলবার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নেউরা পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রাণিসম্পদ
মন্ত্রী বলেন, কোরবানির পশু পালন ও বিক্রির মাধ্যমে দেশের লাখো পরিবার আর্থিকভাবে উপকৃত
হচ্ছে। ধীরে ধীরে এই খাত শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকা-ে রূপ নিচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতেও
গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
তিনি
বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক গবাদিপশু কোরবানি হয়, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ
কোরবানির আয়োজন। এই ঈদকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক ও খামারিরা এক থেকে
দুই বছর ধরে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ লালন-পালন করে বাজারজাত করেন। ফলে কোরবানির মৌসুম
প্রান্তিক খামারিদের জন্য একটি বড় অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
মন্ত্রী
বলেন, সরকার প্রান্তিক কৃষক ও খামারিদের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা
করছে। গবাদিপশু পালন সম্প্রসারণে প্রশিক্ষণ, কারিগরি সহায়তা ও খামারভিত্তিক উৎপাদন
বৃদ্ধির নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর ফলে দেশে বাণিজ্যিকভাবে পশুপালনের প্রবণতা বাড়ছে
এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি আরও গতিশীল হচ্ছে।
কোরবানির
পশুর হাটে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও বাজার ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রাণিসম্পদ
বিভাগের সমন্বয়ে নিবিড় নজরদারি চলছে। হাটগুলো পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা
নেওয়া হয়েছে।
তিনি
জানান, প্রতিটি পশুর হাটে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম দায়িত্ব পালন করছে। তারা পশুর স্বাস্থ্য
পরীক্ষা, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করছেন। একইসঙ্গে খামারি ও ব্যাপারিদের সেবা
নিশ্চিত করতে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন।
মন্ত্রী
বলেন, চাঁদাবাজি, অনিরাপত্তা কিংবা অব্যবস্থাপনা নিয়ে এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অভিযোগ
পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোরবানির সময় জাল নোটের ঝুঁকি
মোকাবিলায় বিভিন্ন পশুর হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণ ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা
ও বিক্রেতারা নিরাপদে লেনদেন করতে পারেন।
তিনি
আরও বলেন, ঈদের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে থেকে পশুর হাট পরিস্থিতি তদারকি অব্যাহত
থাকবে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কোরবানির পশু কেনাবেচা করতে পারেন।
এ
সময় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. ইউসুফ মোল্লা টিপু, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা
মো. সামছুল আলম, সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়, উপজেলা প্রাণিসম্পদ
কর্মকর্তা ডা. মো. মাহে আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
হামের উপসর্গ নিয়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছয় মাস বয়সী আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) ভোরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে ওই শিশুর মৃত্যু হয়।
শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক মিয়া মঞ্জুর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশু রাব্বি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার গুড়গাঁও এলাকার কাউসার আহমেদের ছেলে। হামের উপসর্গ নিয়ে গত ৯ মে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।
এ নিয়ে কুমিল্লায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চারজন কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
শিশু বিভাগের প্রধান মিয়া মঞ্জুর আহমেদ জানান, বর্তমানে হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ইউনিটে ৬৯ জন শিশুরোগী ভর্তি রয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত জেলায় মোট হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫০০। এর মধ্যে ১০০ জন নিশ্চিতভাবে হাম রোগে আক্রান্ত বলে দপ্তরটি জানিয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ১০৭৮ জন হাম ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৩৩ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১৪৫ জন।
মন্তব্য করুন