

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর কারওয়ান বাজার সড়কে দেখা মেলে শতবর্ষোর্ধ্ব এক বৃদ্ধের, যিনি খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে মাদারীপুর থেকে এসেছেন।নিজেকে মৌলভী আব্দুর রশিদ পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন। তার দেশপ্রেম ও আদর্শ তাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করত। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তার জানাজায়ও তিনি উপস্থিত ছিলেন বলে জানান তিনি। সেই সময়েও মানুষের ঢল নেমেছিল বলে স্মৃতিচারণ করেন এই প্রবীণ ব্যক্তি।মৌলভী আব্দুর রশিদের ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশপ্রেমের প্রতিচ্ছবি তিনি খালেদা জিয়ার মধ্যেও দেখেছেন। তার মতে, নানা চাপ ও প্রতিকূলতার মুখেও খালেদা জিয়া কখনো নৈতিক অবস্থান থেকে সরে যাননি।নিজের বয়স ১১০ বছর উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাবরণ ও নানা নির্যাতনের শিকার হয়েও খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তার মতো নেতৃত্ব বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি মনে করেন, দেশ একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক নেত্রীকে হারিয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে না পারলে আজীবন আফসোস থেকে যেত—এই কারণেই অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি ছুটে এসেছেন।প্রসঙ্গত, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে সম্পন্ন হয়। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজায় ইমামতি করেন।জানাজাকে ঘিরে দুপুরের পর থেকেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউসহ আশপাশের এলাকা—বিজয় সরণি, খামারবাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর পর্যন্ত বিপুল মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
মন্তব্য করুন


রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে নির্বাচনী জনসভায়
যোগ দিয়েছেন তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে লাল
রংয়ের বুলেট প্রুফ সেই গাড়ি যোগে তিনি মাদ্রাসা ময়দানে প্রবেশ করেন।
এরপর জনসভা মঞ্চে উঠে হাত নেড়ে মাদ্রাসা ময়দানে উপস্থিত
জনসমুদ্রকে অভিবাদন জানান। বর্তমানে তিনি মঞ্চে প্রধান অতিথির আসনে বসে রয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টা ১৮ মিনিটের দিকে ঢাকার
একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর দুপুর
দেড়টায় তিনি হযরত শাহ মখদুম (রহ.) এর পবিত্র মাজার জিয়ারত করে ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে
নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দেন।
এ জনসভায় রাজশাহী জেলা ও মহানগরের পাশাপাশি চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ও নাটোরের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন। বর্তমানে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩টি
সংসদীয় আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্যগণ বক্তব্য রাখছেন।
এরপর বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে নির্বাচনী
জনসভায় ভাষণ দেবেন। এ জনসভায় জয়পুরহাটের নেতা-কর্মীরা অংশ নেবেন। সেখান থেকে তিনি
সড়কপথে নিজ জেলা বগুড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তারেক রহমান
বগুড়ায় আলফাতুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। রাত সাড়ে ৮টায়
রাত্রিযাপনের উদ্দেশ্যে তিনি হোটেল নাজ গার্ডেনে চলে যাবেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা
ময়দানে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা শুরু হয়। সকাল থেকেই
রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন
এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান
ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা
থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের
স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড়
বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।
বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের সড়কে যান
চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখার আশায় গাছ, উঁচু দেয়াল
ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ— সব বয়সী মানুষের
উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের
সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন
উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত
প্রতিদিন বিকেল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
আজ
শনিবার (১৪ মার্চ) সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা
কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ
উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এমপি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের
স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত
গৃহীত হয়।
কমিটি
সদস্য, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে আরও
অংশগ্রহণ করেন কমিটির সদস্য বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান, এমপি; ড. খন্দকার মোশাররফ
হোসেন, এমপি; স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, এমপি; অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী,
এমপি; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি; চীফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, এমপি;
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, এমপি; এ টি এম আজহারুল ইসলাম, এমপি; বিরোধীদলের চীফ হুইপ
মো. নাহিদ ইসলাম, এমপি এবং মুহাম্মদ নওশাদ জমির, এমপি।
বৈঠকে
স্পিকারের বিশেষ আমন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার
কায়সার কামাল, এমপি।
প্রয়োজনে
অধিবেশনের সময় ও কার্যদিবস সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় পরিবর্তনের ক্ষমতা স্পিকারকে প্রদান
করা হয়।
এ
অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি
প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব
সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।
বৈঠকে
সাচিবিক সহায়তা প্রদান করেন সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা। সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


তিন পার্বত্য জেলায় সংঘর্ষ নিয়ে বক্তব্য দিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর)। শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আইএসপিআর জানিয়েছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি জেলা সদরে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল জনতার গণপিটুনিতে মো. মামুন (৩০) নামের এক যুবক নিহত হয়।
পরে সদর থানা পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার
করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরের দিন
বৃহস্পতিবার বিকেলে দীঘিনালা কলেজ হতে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি দীঘিনালার
বোয়ালখালী বাজার অতিক্রম করার সময় ইউপিডিএফ (মূল) এর কতিপয় সন্ত্রাসী মিছিলের ওপর
হামলা করে এবং ২০-৩০ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এর প্রেক্ষিতে বিক্ষুব্ধ জনতা বোয়ালখালী বাজারের
কয়েকটি দোকানে আগুন দেয়।
আইএসপিআর আরও জানায়, সংঘর্ষ চলাকালে
উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হলে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
ও খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত
হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ফায়ার ব্রিগেড ও স্থানীয় জনসাধারণের সহায়তায়
আগুন নেভায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে খাগড়াছড়ি জেলা
সদর, দীঘিনালা, পানছড়ি ও আশেপাশের এলাকা সমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে কিছু
স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়িয়ে ক্রমেই পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাকর
করে তোলে।
দ্রুততার সঙ্গে খাগড়াছড়ি জেলার আইন-শৃঙ্খলা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জরুরি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত
হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে ১০টা
থেকে খাগড়াছড়ি জেলা সদর, দীঘিনালা ও পানছড়িসহ সকল উপজেলায় যৌথভাবে সেনাবাহিনী,
বিজিবি, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সমন্বয়ে টহল দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
পাশাপাশি বিভিন্ন কমিউনিটি লিডারদের
সাথে আলাপ আলোচনা করে সব পক্ষকে সহিংস কার্যকলাপ হতে বিরত থাকার পরামর্শ প্রদান করতে
বলা হয়।
একই রাতে (১৯ সেপ্টেম্বর) খাগড়াছড়ি
জোনের একটি টহল দল সাড়ে দশটার দিকে একজন মুমূর্ষু রোগীকে স্থানান্তরের সময় খাগড়াছড়ি
শহরের স্বনির্ভর এলাকায় পৌঁছলে সেখানে অবস্থানরত উত্তেজিত জনসাধারণ ইউপিডিএফ (মূল)
এর নেতৃত্বে বাধা সৃষ্টি করে। এক সময় ইউপিডিএফের (মূল) সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনীর টহল
দলের সদস্যদের ওপর গুলি করে এবং আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনী পাল্টা গুলি চালায়। উক্ত
গোলাগুলির ঘটনায় তিন জন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয় বলে জানা যায়।
আইএসপিআর জানায়, একই ঘটনার ধারাবাহিকতায় খাগড়াছড়ির পানছড়িতে স্থানীয় উচ্ছৃঙ্খল জনসাধারণ কয়েকজন যুবকের মোটরসাইকেল থামিয়ে তাদের ওপর হামলা ও লাঠিপেটা করে। সেই সঙ্গে উত্তেজিত জনসাধারণ ইউপিডিএফ (মূল) এর নেতৃত্বে ফায়ার ব্রিগেড এর অফিসে ভাঙচুর করা হয়।
শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পিসিজেএসএস
সমর্থিত পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ কর্তৃক রাঙ্গামাটি জেলা সদরে ‘সংঘাত ও বৈষম্য বিরোধী পাহাড়ি
ছাত্র আন্দোলন’এর
ব্যানারে স্থানীয় জনসাধারণ রাঙ্গামাটি জিমনেশিয়াম এলাকায় সমবেত হয়। এ সময় ৮০০-১০০০
জন উত্তেজিত জনসাধারণ একটি মিছিল বের করে বনরুপা এলাকার দিকে অগ্রসর হয় এবং বনরুপা
বাজার মসজিদ, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সিএনজি- অটোরিকশা, মোটরসাইকেল এবং বেশ কিছু
দোকানে ভাঙচুর ও আগুন দেয়। এতে উভয় পক্ষের বেশ কিছু লোকজন আহত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে রাঙামাটি জেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, উপরোক্ত ঘটনাসমূহের পরিপ্রেক্ষিতে
চলমান উত্তেজনা তিন পার্বত্য জেলায় ভয়াবহ দাঙ্গায় রূপ নিতে পারে। অনতিবিলম্বে নেতৃস্থানীয়
ব্যক্তিদের চলমান উত্তেজনা প্রশমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য
অনুরোধ জানানো হয়েছে।
যথাযথ তদন্ত কার্যক্রম সম্পাদনের মাধ্যমে
প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিন পার্বত্য জেলায় শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সর্বসাধারণকে বিশেষভাবে অনুরোধ
জানানো হয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পক্ষ থেকে।
মন্তব্য করুন


বাণিজ্য,
ব্যবসা, শিক্ষা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার উপায় নিয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের
মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমিতে বিনিয়োগের সুযোগ উন্মোচন,
‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও বিস্তৃত করা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে
সহযোগিতা বাড়ানো।
লন্ডনে
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী স্যার ক্রিস ব্রায়ান্ট
এমপির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
আজ
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে
দুই দেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও গভীর করার উপায়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা
এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ
মাসের শেষ দিকে ক্যামেরুনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৪তম মন্ত্রী
পর্যায়ের সম্মেলনের আগে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ব্যাপারেও উভয় পক্ষ একমত হয়।
অন্যদিকে,
লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে
সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশবিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন।
সাক্ষাতে
বিমান পরিবহন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে
গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গেও আলোচনা করে বাংলাদেশ
প্রতিনিধি দল।
অন্যদিকে,
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আন্তর্জাতিক বিচার
আদালতের (আইসিজে) বিচারক পদে যুক্তরাজ্যের প্রার্থী অধ্যাপক ড্যাপো আকান্দে ২০২৭-২০৩৬
মেয়াদের জন্য নিজের প্রার্থিতা উপস্থাপন করেন।
বৈঠকগুলোতে
বহুপাক্ষিক ফোরাম ও আন্তঃসরকারি নির্বাচনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান সহযোগিতায়
উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। এসময় দুই দেশ ভবিষ্যতে অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার
অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সাময়িক অসুস্থতার খবর
শুনে তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ
বুধবার ( ২৫ ফেব্রুয়ারি ) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
তিনি
জানান, প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রথমে জামায়াত আমিরের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়া
হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের প্রেক্ষিতে তার সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপের ব্যবস্থা করা
হয়। ফোনে তারা কুশল বিনিময় করেন।
গোলাম
পরওয়ার আরও জানান, আলাপকালে জামায়াত আমির প্রধানমন্ত্রীকে ইফতারের দাওয়াত দেন। তিনি
প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবারে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। দাওয়াতপত্র গ্রহণ করেছেন
বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য,
মঙ্গলবার রাজধানীর শেওড়াপাড়া এলাকায় একটি আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে যোগ দেওয়ার কথা
ছিল ডা. শফিকুর রহমানের। তবে যাত্রাপথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার কর্মসূচি স্থগিত করা
হয়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানা গেছে।
মন্তব্য করুন


বিডিআর বিদ্রোহের নামে সংঘটিত বর্বরতম হত্যাযজ্ঞের বিষয় তদন্তের জন্য গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে।
আজ
রোববার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্য সদস্যরা
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ যুগ্মসচিব (অব.),
ড. এম আকবর আলী ডিআইজি (অব.), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী
অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের
সহকারী অধ্যাপক মো. শাহনেওয়াজ খান চন্দন।
এ
সময় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে
ছিল। আপনারা সত্য উদ্ঘাটনে যে ভূমিকা রেখেছেন জাতি তা স্মরণে রাখবে। জাতির পক্ষ থেকে
আপনাদের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই ভয়াবহতম ঘটনা নিয়ে জাতির
অনেক প্রশ্ন ছিল, এই কাজের মধ্য দিয়ে সেসব প্রশ্নের অবসান ঘটবে। এই প্রতিবেদনে শিক্ষণীয়
বহু বিষয় এসেছে। জাতির জন্য মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে এটি।
কমিশন
প্রধান ফজলুর রহমান বলেন, তদন্তকাজ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ত্রুটিমুক্ত করার স্বার্থে সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা যখন কাজ শুরু করি তখন ১৬ বছর আগের এই
ঘটনার বহু আলামত ধ্বংস হয়ে গেছে।
এই
ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকে বিদেশে চলে গেছেন।
আমরা
দুটো প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছি। সাক্ষীদের ডাকলাম, কারো কারও ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বক্তব্য
শুনেছি আমরা। যতক্ষণ তিনি বলতে চেয়েছেন। যারা তদন্তে জড়িত ছিল তাদের সঙ্গে কথা করেছি।
তাদের তদন্তের রিপোর্ট কালেক্ট করেছি, অন্যান্য এলিমেন্ট কালেক্ট করেছি।
তিনি
বলেন, এই তদন্তের মাধ্যমে বিডিআর হত্যাকাণ্ড নিয়ে জনমনে থাকা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর
খোঁজা হয়েছে, উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে কার কী ভূমিকা ছিল। কেন সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে
থাকল অ্যাকশন নিল না। তদন্তে বিডিআর হত্যাকাণ্ডে বহিঃশক্তির সরাসরি সম্পৃক্ততা ও তৎকালীন
ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সরাসরি জড়িত থাকার শক্তিশালী প্রমাণ মিলেছে। এসময় কমিশনের
ফাইন্ডিংস সম্পর্কে জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার বলেন, এই ঘটনা কিছু বাহ্যিক ও প্রকৃত কারণ
বের করেছে কমিশন।
তিনি
বলেন, এই হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত এবং এর পেছনে প্রধান সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেছিল
তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের রক্ষা করতে স্থানীয়
আওয়ামী লীগ সরাসরি ভূমিকা রেখেছে। তারা ২০-২৫ জনের একটি মিছিল নিয়ে পিলখানায় ঢুকেছে
এবং বের হবার সময় সেই মিছিলে দুই শতাধিক মানুষ ছিল।
তিনি
বলেন, পুরো ঘটনাটি সংঘটিত করার ক্ষেত্রে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন
সিগন্যাল’ ছিল।
তিনি
এই ঘটনার দায় নিরূপণের ক্ষেত্রে বলেন, দায় তৎকালীন সরকার প্রধান থেকে শুরু করে সেনাপ্রধানেরও।
এই ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে সমাধানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। পুলিশ ও র্যাব এবং গোয়েন্দা
সংস্থাগুলোরও রয়েছে চরম ব্যর্থতা। ওই হত্যাকাণ্ডের সময় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায়
(তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন) যেসব বিডিআর সদস্যদের সঙ্গে শেখ হাসিনা বৈঠক করেছে,
তাদের সঠিক নাম পরিচয় ও তথ্য সংরক্ষণ করা হয়নি।
কমিশন
তাদের প্রতিবেদনে বেশকিছু সুপারিশ করে, যাতে করে ভবিষ্যতে বাহিনীগুলোতে এই ধরনের ঘটনা
এড়ানো যায় এবং এই ঘটনার ভিকটিমরা ন্যায় বিচার পায়।
বৈঠকে
অন্যান্যের উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার
প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল
আব্দুল হাফিজ ও স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি।
মন্তব্য করুন


বিশেষ অভিযানে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানাধীন মুদাফরগঞ্জ এলাকা হতে ২০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১৪ নভেম্বর ২০২৩ইং তারিখ দুপুরে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানাধীন মুদাফরগঞ্জ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ২০ কেজি গাঁজা’সহ তিনজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা থানার নানরা গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান এর ছেলে মোঃ সাগর ইসলাম (২৬), মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গীবাড়ী থানার কাটাখালী গ্রামের নুরুল ইসলাম এর ছেলে ফয়সাল আহমেদ এবং কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানার গাসিয়াল গ্রামের আব্দুল লতিফ এর ছেলে মোঃ সবুজ (২৫)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত সিএনজি ব্যবহার করে শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে
যাওয়া হবে।
আজ শুক্রবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, টিকিট
জটিলতায় মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে।
সংবাদ সম্মেলনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানান,
বৈঠকে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, কর্মসংস্থান তৈরি, ভিসা সহজীকরণ এবং উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা
সমস্যা নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম
বলেন, বাংলাদেশের কর্মীদের দুই দেশের অর্থনীতিতে অবদান গুরুত্বপূর্ণ। টিকিট জটিলতায়
মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ১৮ হাজার শ্রমিককে সব সহায়তা দেওয়া হবে। এই অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ
দেখতে আসিয়ানকে আরও কার্যকর করতে চায় মালয়েশিয়া।
এর আগে
দুপুর দুইটার দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত
জানান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে
গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ
করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম।
মন্তব্য করুন


ঢাকায়
নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এসওয়াই রমাদান বাংলাদেশের জনগণকে তাঁর দেশের
মানুষের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
গাজায়
মানবিক সংকটের কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘খাবার নেই, ওষুধ নেই। শিশুরাই সবচেয়ে
বড় ভুক্তভোগী।’
আজ
রোববার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত
বলেন, বাংলাদেশ সরকার ফিলিস্তিনের জন্য বিশেষ সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। বহু বাংলাদেশি
সেখানে খাদ্য ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাচ্ছেন। আমাদের জনগণ জানে, এই সাহায্য বাংলাদেশ
থেকে আসছে। আমরা সত্যিই কৃতজ্ঞ।
রাষ্ট্রদূত
রমাদান ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানানোয় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বিশেষ করে ইসরায়েলের
প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’
মানচিত্র নিন্দা করতে অন্যান্য মুসলিম দেশের সঙ্গে যোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করেন।
তিনি
বাংলাদেশকে ফিলিস্তিনি পণ্য আমদানি বাড়ানোর আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত
রমাদান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তাঁর সমর্থন ব্যক্ত করেন এবং এর সাফল্য কামনা করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি পুনর্ব্যক্ত
করেন। তিনি বলেন, আমাদের জনগণ আপনাদের পাশে আছে। সরকারও তার সমর্থন অব্যাহত রাখবে।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে আরও অনেক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে এবং শেষ পর্যন্ত
একটি কার্যকর দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান প্রতিষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাঁচ দিনের মাথায় সরকার গঠন করছে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
আজ
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার
সদস্যদের শপথ পাঠ অনুষ্ঠিত হবে। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন
রাষ্ট্রপতি।
মহিলা
বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন আবু জাফর মো.
জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার
গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপি ও সচিবালয়ের ঘনিষ্ঠ এক সূত্র।
মন্তব্য করুন