

বগুড়ার
শাজাহানপুর উপজেলার বেজোড়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় খেলনা পিস্তলসহ স্থানীয় জনগণের হাতে
আটক হয়েছেন ফেরদৌস কবির সনি (২৬) নামের এক যুবক।
একটি
শর্টপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে আমন্ত্রণ পাওয়ার জেরে তিনি খেলনা পিস্তল বের করলে এলাকাবাসী
তাকে আটক করে। সোমবার ( ৮ ই ডিসেম্বর ) উপজেলার
বেজোড়া দক্ষিণ পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা
গেছে বেজোড়া যুব সংঘ নামের একটি সামাজিক সংগঠন শটপিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট
আয়োজন করা হয়েছিল। যুব সংঘের রুবেল হোসেন জানান , আমন্ত্রণ না পাওয়ায় ফেরদৌস
কবির সনি ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠানের সাইড বক্স ভাংচুর শুরু করে। এ সময় উপস্থিত লোকজন
বাধা দেয়। এক পর্যায়ে সনি নিজের বাড়িতে গিয়ে পিস্তল হাতে ফিরে এসে গুলি করার ভঙ্গি
করে। এ সময় স্থানীয় জনতা সনিকে পিস্তলসহ আটক করে ও মারধর করে। সংবাদ পেয়ে কৈগাড়ি
পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাত সোয়া বারোটার দিকে পিস্তলসহ সনিকে আটক
করে থানায় নিয়ে যান।
কৈগাড়ি
পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শক আবু সুফিয়ান জানান, পিস্তলসহ সনি নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
জব্দকৃত পিস্তলটি খতিয়ে দেখা হয়েছে। সেটি একটি খেলনা পিস্তল ছিল।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার জগতপুর গ্রামে ময়লা ফেলার জেরে অন্তঃসত্ত্বা নারী ফাহিমা আক্তার কে হত্যা করে সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় ৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টায় ভারতে পালানোর সময় সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- প্রধান আসামী মো. সাইদুর রহমান (২৪), ২ নং আসামী শাফিউল জান্নাত প্রকাশ সিয়াম (১৯) ও ৪ নং আসামী শাহারিয়ার নাজিম জয় (১৯)। তাদের মধ্যে সাইদুর রহমান ও সিয়াম জগতপুর (নাগরবাড়ি), বুড়িচং উপজেলার বাসিন্দা এবং শাহারিয়ার নাজিম জয় কুমিল্লা কোতোয়ালী থানার বাঁশমঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা।
বুড়িচং থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় আসামিরা ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ তথ্যের পর তিনি নিজে এবং বুড়িচং থানার একাধিক পুলিশ সদস্য নিয়ে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করেন। পরে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের সহযোগিতায় ভারতে পালানোর আগ মুহূর্তে আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়।তিনি আরও জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মামলার এজাহারনামীয় এক, দুই ও চার নম্বর আসামি রয়েছে।এর আগে রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে বুড়িচং পৌরসভার জগতপুর (নাগরবাড়ি) গ্রামে ডায়পার ফেলা নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে ফাহিমা আক্তার আঁখিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হন।
বুড়িচং থানা সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
প্রথম ব্যান্ড হিসেবে একুশে পদক জয়ের ইতিহাস গড়ল ‘ওয়ারফেজ’।
গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে পদক গ্রহণ করেন ব্যান্ডটির প্রতিষ্ঠাতা
সদস্য শেখ মনিরুল আলম টিপু। উপস্থিত ছিলেন ‘ওয়ারফেজ’-এর বর্তমান ও অতীতের অনেক সদস্য। পদক
গ্রহণ শেষে রিকশায় চড়ে ফিরেছেন তাঁরা।
সে
আনন্দযাত্রার ছবি ফেসবুকে দিয়ে ব্যান্ডটির গিটারিস্ট ইব্রাহিম আহমেদ কমল লেখেন, ‘আমরা
একুশে পদক পেয়ে রিকশায় ফিরে এলাম। ছবিতে কমল, টিপু, পলাশ নূরদের সঙ্গে আছেন রিকশাচালকও।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন,
জুলাই হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনা আমাদের মূল লক্ষ্য। এটা আমাদের শপথ, আমাদের অঙ্গীকার।
চব্বিশের জুলাইয়ে আন্দোলনে দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী-জনতাকে হত্যা করেছিল ফ্যাসিস্ট
সরকার। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রমাণিত হয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকারের গণহত্যার
চিত্র।
আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা মাগুরা সরকারি
উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আন্তঃকলেজ ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক
আব্দুল কাদের, মাগুরা পৌরসভার প্রশাসক ইমতিয়াজ হোসেন, জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা বিএম
সাজিন ইসরাত ও ক্রীড়া সংগঠক বারিক ননজাম বারকি।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান
খান কামালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারের রায় মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। আমরা চাই
তাদের দেশে এক্সট্রাবিশন করা হোক। তাদের আপিল করার অধিকার আছে। দেশীয় আন্তর্জাতিক নিয়ম
মেনে তাদের রায় দ্রুত কার্যকর হয় আমরা সেইটা করবো। যারা যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে
জড়িত ছিল। যাদের হাতে রক্তের দাগ লেগে আছে তাদের প্রত্যেককে আমরা বাংলাদেশে ফিরে আনবো
এটা শহীদদের কাছে আমাদের দায় আমাদের শপথ। আমরা ফেল করলে এটা পরবর্তী জেনারেশন নিবে।
এ জায়গায় কারো ছাড় নেই। দেশে প্রত্যেকটা মানুষ একতাবদ্ধ তাদের ছেলে মেয়েকে যারা খুন
করেছে, পঙ্গু করে দিয়েছে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের আওতায় আনবো এটা আমাদের শপথ।
আমাদের হাতে ৭০ দিনের মতো আছে ইলেকশনের আগ পর্যন্ত আমরা পারবো কিনা জানি না, তবে আমাদের
চেষ্টা থাকবে। আমরা কোনো মাইনাস ফোরের কথা বলিনি। এ কথা যারা বলছে তারা স্বৈরাচারের
দোসরের মতো। যিনি মাইনাস হয়েছেন তিনি হত্যাযজ্ঞ করে মাইনাস হয়েছেন। উনি উনার পরিবারকে
নিয়ে চোরতন্ত্র জারি করেছিলেন সে জন্য উনি মাইনাস হয়ে গেছে।
শফিকুল আলম বলেন, খালেদা জিয়া আমাদের জাতীয় নেতা। আপামর জনসাধারণের নেতা। উনি শুধু বিএনপির নেতা না। আমরা তার সুস্থতা কামনা করি। তিনি দেশে ফিরে আসুক। বাংলাদেশের তার প্রেজেন্টটা খুবই প্রয়োজন। আমরা চাই উনি নির্বাচনে থাকবেন এবং কনটেস্ট করবেন।
তিনি আরও বলেন, একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের
লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে দেশে
সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা
সম্পন্ন করেছে। আমরা চাই দেশে শান্তি ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
মন্তব্য করুন


এক
সময় কট্টর ডানপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী ও ইসলামভীতির প্রভাবাধীন ব্রিটিশ সাংবাদিক রবার্ট
কার্টার আজ একজন আত্মবিশ্বাসী ও দৃঢ় মুসলিম।
সম্প্রতি
এক ভিডিও বক্তব্যে তিনি নিজের জীবনের এই আমূল পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরেন। তার ভাষায়,
ইসলাম গ্রহণ ছিল তার জীবনের জন্য এক ধরনের ‘জীবনরক্ষাকারী অভিজ্ঞতা’।
ইসলামিক
প্ল্যাটফর্ম ‘৫পিলার’-এ প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় রবার্ট
কার্টার জানান, কিশোর বয়সে তিনি ছিলেন পথহারা ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
কাজ
শেষ হয়নি, আরেকবার যুবক হয়ে লড়তে হবে: জামায়াত আমিরকাজ শেষ হয়নি, আরেকবার যুবক হয়ে
লড়তে হবে: জামায়াত আমির
একটি
ভাঙা পরিবারে বেড়ে ওঠা এবং যথাযথ অভিভাবক কিংবা আদর্শ ব্যক্তিত্বের অভাব তাকে গভীর
বিভ্রান্তির মধ্যে ঠেলে দেয়।
তিনি
বলেন, ১৪ বা ১৫ বছর বয়সে তিনি কট্টর ডানপন্থী চিন্তাধারা ও তথাকথিত ব্রিটিশ মূল্যবোধ
দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। তবে সেই সময় এসব মূল্যবোধের প্রকৃত অর্থ ও তাৎপর্য তার কাছে
স্পষ্ট ছিল না।
পশ্চিমা
সমাজে চলমান সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংকটের দিকেও ইঙ্গিত করেন এই নওমুসলিম সাংবাদিক।
তার মতে, এমন কিছু বিভ্রান্তিকর মতাদর্শ সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে, যা বর্তমানে স্কুল পর্যায়
পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এর ফলে মানুষ নিজের পরিচয়, এমনকি লিঙ্গ পরিচয় নিয়েও সংশয়ের মধ্যে
পড়ছে।
রবার্ট
কার্টারের জীবনের মোড় ঘুরে যায় যেদিন তিনি প্রথমবার পবিত্র কোরআন হাতে নেন। তার ভাষায়,
সেটিই ছিল তার জীবনের গতিপথ বদলে দেওয়ার দিন। তিনি বলেন, প্রোপ্যাগান্ডা ও ঘৃণার আবরণের
আড়ালে লুকিয়ে থাকা ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য তিনি তখন আবিষ্কার করতে শুরু করেন।
একই
সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং অনেক সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম
বিষাক্ত ইসলামোফোবিক বয়ান ও ষড়যন্ত্র তত্ত্বে ভরা, যা মানুষকে সত্য থেকে দূরে সরিয়ে
রাখছে।
ইসলাম
গ্রহণের মুহূর্তটিকে নিজের জীবনের প্রকৃত সূচনা হিসেবে বর্ণনা করেন রবার্ট কার্টার।
আবেগাপ্লুত কণ্ঠে তিনি বলেন, শাহাদা পাঠের দিন তার মনে হয়েছিল তিনি যেন নতুন করে জন্ম
নিয়েছেন। এই বিশ্বাসই তাকে একটি আলোকোজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথ দেখিয়েছে।
ভ্রান্ত
ধারণা, ঘৃণা ও বিভ্রান্তি পেছনে ফেলে সত্যের পথে ফিরে আসার এই গল্প শ্রোতাদের মধ্যে
গভীর সাড়া ফেলেছে। রবার্ট কার্টারের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা নতুন করে আলোচনায় এনেছে কোরআনের
প্রভাব এবং আত্মিক পরিবর্তনের শক্তিকে।
মন্তব্য করুন


আগামী ২৯ নভেম্বর মক ভোটের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ। এ ছাড়া প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনের ভোটের পাশাপাশি গণভোটেও অংশ নিতে পারবেন বলেও জানান তিনি।
আজ (২৫ নভেম্বর) মঙ্গলবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
ইসি সচিব বলেন, আগামী ২৯ নভেম্বর কমিশনে মক ভোটিং করা হবে। সেখানে বোঝা যাবে ভোট আয়োজনে আর কী কী দরকার। নির্বাচনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহ আছে। সেগুলো আগে থেকেই সরবরাহ করা হবে, যাতে শেষ মুহূর্তে ঝামেলা না হয়।
তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকার প্রিভিউ চলছে। ডিসেম্বরের ৫ তারিখের মধ্যেই ভোটার তালিকা তৈরি হবে। ভোটকেন্দ্র বা বুথ বাড়ানো লাগবে কি না—তা পর্যালোচনা চলছে। এ সময় আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানান, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে গণভোট আইন অধ্যাদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে।
তিনি বলেন, গণভোট আইন অধ্যাদেশ আকারে উপদেষ্টা পরিষদ চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এই আইনের গেজেট ১–২ দিনের মধ্যেই প্রকাশ হবে। গণভোটে একটি প্রশ্ন থাকবে, সেই প্রশ্নের ভিত্তিতে জনগণ হ্যাঁ–না ভোট দেবে। আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, গণভোটের ব্যালট হবে ভিন্ন রঙের। কোনো কেন্দ্রে জাতীয় নির্বাচনের ভোট না হলেও, অবশিষ্ট ভোট হয়ে গেলে এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হলে তা কমিশন বিবেচনা করবে। জাতীয় নির্বাচনের সময় অনুযায়ীই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
মন্তব্য করুন


নেশার
টাকা জোগাতে এবং পাওনাদারের দেনা মেটাতে শ্বশুরের বাসায় চুরি করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা
পড়েছেন জামাতা ও তার বাবা। রোববার (৮ মার্চ) রাতে নেত্রকোণার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোড
এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।
আটক
দুজন হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা সদরের মধ্যবাজার এলাকার বরুণ চন্দ্র কর্মকার
(৪৫) এবং তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)। তরুণ সম্পর্কে অভিযোগকারী অমূল্য চন্দ্র
দাসের জামাতা।
পুলিশ
ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে মদন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের
পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়ের সঙ্গে তরুণের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তারা
মদনেই একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। তরুণের বাবা বরুণ চন্দ্র স্থানীয় একটি জুয়েলারি
দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তবে বাবা-ছেলে দুজনেই নেশাগ্রস্ত হওয়ায় এলাকায় অনেকের কাছে
দেনাগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
অভিযোগ
উঠেছে, সপ্তাহখানেক আগে নেশার টাকা ও দেনা শোধ করতে শ্বশুরের কাছে টাকা ধার চেয়ে ব্যর্থ
হন তরুণ। এরপর বাবা ও ছেলে মিলে কৌশলে শ্বশুরের আলমারি থেকে ছয় আনা স্বর্ণালংকার চুরি
করেন। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল।
এরই
ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে পুনরায় চুরির উদ্দেশ্যে শ্বশুরের ঘরে ঢোকেন
তারা। আলমারি ভেঙে চার আনা ওজনের কানের দুল ও নগদ টাকা হাতিয়ে নেয়ার সময় গৃহকর্তা ও
স্থানীয়দের হাতে নাতে ধরা পড়েন তারা।
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে বাবা-ছেলে
চুরির কথা স্বীকার করছেন। অভিযুক্ত বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, ‘টাকার অনেক চাপ ছিল,
তাই বাধ্য হয়ে এ কাজ করেছি।’ অন্যদিকে জামাতা তরুণ চন্দ্র বলেন,
‘আমি আগে নেশা করতাম। সপ্তাহখানেক আগেও শ্বশুরের ঘর থেকে সোনা নিয়েছি। আজ আবার চুরি
করতে গিয়ে ধরা খেলাম, এখন খুব লজ্জা লাগছে।’
কান্নাজড়িত
কণ্ঠে অমূল্য চন্দ্র দাস বলেন, মেয়ের জামাই আর তার বাবা যে নেশাগ্রস্ত, তা আগে বুঝতে
পারিনি। খোঁজখবর না নিয়ে মেয়ের বিয়ে দিয়ে বড় ভুল করেছি। তিনি এ ঘটনায় থানায় লিখিত
অভিযোগ দায়ের করেছেন।
মদন
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান জানান, ‘চুরির ঘটনায় বাবা ও ছেলেকে
আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ
জামায়াতে ইসলামীর খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট এয়াকুব আলী
চৌধুরীর ভাড়া বাসার সামনে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার
(১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে দুর্বৃত্তরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দে
আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের
খবর পাওয়া যায়নি।
ঘটনার
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন
বলেন, ‘নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ ব্যাহত করার জন্য জামায়াতের প্রার্থীর বাসার সামনে
দুর্বৃত্তদের ককটেল হামলা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে
আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি
আকর্ষণ করেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
খাগড়াছড়ি
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কায় কিসলু জানান, ‘পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদশন
করেছে। স্থানীয়রা বিকট শব্দের আওয়াজ শুনলেও বিস্ফোরকের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে
প্লাস্টিকের টুকরা পাওয়া গেছে। সেটি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো
হবে।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) সদস্যদেরকে কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠায় অটল এবং
‘চেইন অব কমান্ডে’র প্রতি আস্থাশীল থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনের
নির্দেশ দিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুলাই) বিশেষায়িত
এই বাহিনীর ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ
ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এই নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, মনে
রাখবেন, দেশ ও জাতি যে মহান দায়িত্ব আপনাদের ওপর অর্পণ করেছে, সেই দায়িত্ব পালনে যেকোনো
আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে আপনাদের চিরস্মরণীয় করে রাখবে।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং পিজিআর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
খালেদ কামাল ঢাকা সেনানিবাসের পিজিআর সদর দফতরের শহীদ ক্যাপ্টেন হাফিজ হলে পিজিআরের
দরবারে রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা জানান।
পিজিআর সদরদপ্তরের শহীদ ক্যাপ্টেন
হাফিজ হলে অনুষ্ঠিত দরবারে প্রধান অতিথির ভাষণে রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, সমসাময়িক বৈশ্বিক
প্রেক্ষাপটে বিস্তৃত বহুমাত্রিক নিরাপত্তা, নতুন নতুন তথ্য প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে
প্রয়োজন অত্যাধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ।
মো. সাহাবুদ্দিন পিজিআর সদস্যদেরকে স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে প্রশিক্ষণ গ্রহণ, শৃঙ্খলা বজায়
রাখা, আত্মোন্নয়নে মনোযোগী হতে এবং সর্বোপরি সৈনিক হিসেবে নিজের শারীরিক যোগ্যতাকে
সর্বদা অক্ষুন্ন রাখতেও উপদেশ দেয়ার পাশাপাশি
পেশাগত মান ও দক্ষতাকে আরো বিকশিত ও বিশ্বমানে পৌঁছাতে বিদ্যমান প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে
প্রয়োজনে আরো জোরদার করার পরামর্শ ও দেন রাষ্ট্রপ্রধান।
রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয়
অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালের ৫ জুলাই
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই দিনটি প্রতিটি গার্ডস সদস্যের কাছে একটি বিশেষ দিন উল্লেখ করে
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া পিজিআর এর সদস্য হিসাবে তারা দেশ ও জনগণের কল্যাণে
কাজ করছেন। নিঃসন্দেহে এটি খুবই আনন্দ ও গৌরবের একটি বিষয়। প্রতিষ্ঠাকাল হতে অদ্যাবধি
প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সদস্যগণ কর্তব্য পালনে আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
স্থাপন করেছেন। দায়িত্ববোধ, পেশাগত উৎকর্ষ, দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার সাথে নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে
পালনের মাধ্যমে পিজিআর এর সুনাম দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও ছড়িয়ে দিতে হবে।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর কালরাতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর
পরিবারের বেশিরভাগ সদস্যদের হত্যাকান্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহাবুদ্দিন বলেন, দুঃখজনক
হলেও এটি সত্যি যে, পিজিআর প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪২ দিনের মাথায় মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা
বিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ তাঁর পরিবারের সদস্য
বিপদগামী একদল সেনা কর্মকর্তার নির্মম বুলেটের আঘাতে ধানমন্ডির ৩২নং বাড়ীতে শহিদ হন।
সেদিন আমরা আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাকে রক্ষা করতে পারিনি, সেটা ছিল আমাদের
অমার্জনীয় অপরাধ। সেদিন যদি পিজিআর আজকের মতো সুসংগঠিত ও চৌকস হতো তাহলে হয়তোবা ১৫
আগস্ট কালরাতে জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করতে পারতো না ঘাতক দল। বাঙালি ও বাংলাদেশের
উন্নয়ন ও অগ্রগতির ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো। দেশ পরিণত হতো জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার
বাংলায়।
রাষ্ট্রপতি পিজিআর সদস্যদেরকে বলেন, তাদের (পিজিআর) ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদিকে যেমন
গুরুত্বপূর্ণ অন্যদিকে তেমন গৌরবময়। বিগত বছরগুলোতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ছাড়াও
অনেক দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিআইপি) বর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তারা দেশের
ভাবমূর্তিকে উজ্জ্বল করেছেন।
রাষ্ট্রপতি একটি সুশৃঙ্খল, পূর্ণাঙ্গ এবং স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রেসিডেন্ট
গার্ড রেজিমেন্টকে বর্তমান অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করার কারিগর হিসেবে প্রাক্তন সদস্যদের
অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে
ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে তিনটি নতুন ডিভিশনসহ বিভিন্ন ফরমেশনের অধীনে ব্রিগেড, স্পেশাল
ওয়ার্কস অরগানাইজেশন এবং ছোট বড় ৫৮টি ইউনিট প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, রাষ্ট্রপ্রধান উল্লেখ
করেন।
রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ, উর্দ্ধতন সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং
দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
তিনি সেখানে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে একটি কেক কাটেন।
মন্তব্য করুন


সন্ত্রাসীদের গুলিতে আহত হয়ে কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা যাওয়া শরিফ ওসমান হাদির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপিএলের উদ্বোধনী আয়োজনে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়েছে।আজ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ও সিলেট টাইটান্সের মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রাথমিক আনুষ্ঠানিকতা। সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করা হয়।এরপর প্রয়াত শরিফ ওসমান হাদির স্মরণে উপস্থিত সবাই এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমকে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করতে দেখা যায়।শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব শেষে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। মুহূর্তের মধ্যেই মাঠজুড়ে একসঙ্গে উড়ে যায় প্রায় ২৫ হাজার বেলুন। একই সময়ে স্টেডিয়ামে আয়োজন করা হয় ডে-লাইট ফায়ারওয়ার্ক, যা দর্শকদের বাড়তি আনন্দ দেয়।ফায়ারওয়ার্ক পর্ব শেষে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী ম্যাচের টস। টসে জিতে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স স্বাগতিক সিলেট টাইটান্সকে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়।প্রথম ম্যাচ শেষে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে দেশের জনপ্রিয় শিল্পীরা নাচ ও গানের পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন। ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সি পরিধান করে শিল্পীরা নৃত্যে অংশ নেবেন। সংগীতানুষ্ঠানের কোরিওগ্রাফির দায়িত্বে রয়েছেন ফুয়াদ মুকতাদির। প্রায় ৪৫ মিনিটব্যাপী এ আয়োজন শেষ হলে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ মাঠে গড়াবে।এবারের বিপিএলে ধারাভাষ্য কক্ষে থাকছেন দেশি ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের পরিচিত ধারাভাষ্যকাররা। কমেন্ট্রি প্যানেলে রয়েছেন ওয়াকার ইউনুস, ড্যানি মরিসন, ড্যারেন গফ, পারভেজ মাহরুফ, আতহার আলী খান ও রমিজ রাজা।
মন্তব্য করুন