

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ভবিষ্যৎ কোন পথে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই রয়েছে—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, একটি চক্র আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা কৌশলে বাধা সৃষ্টি করতে চাইছে। এ ধরনের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে তিনি দেশবাসীর প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানান।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে আয়োজিত এক বৃহৎ নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় উত্তরাঞ্চলের কৃষি উন্নয়নের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেচ প্রকল্প পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এই প্রকল্পের সুফল রাজশাহী থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকার কৃষকদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।
তার বক্তব্যে তিনি স্মরণ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হওয়া খাল খনন কর্মসূচি এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে বাস্তবায়িত বড় সেচ প্রকল্পগুলোর কথা, যা একসময় উত্তরবঙ্গের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, পদ্মা নদীকেন্দ্রিক যে সেচ প্রকল্পের জন্য আলাদা করে প্রায় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, তা গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে অচল করে রাখা হয়েছে। বিএনপির লক্ষ্য হবে এই ঐতিহ্যবাহী প্রকল্পকে আবার পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা।
উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের উদ্দেশে তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, সেচ সুবিধা শুধু রাজশাহীতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; রাজশাহী থেকে শুরু করে পঞ্চগড় পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কৃষকেরা এর আওতায় আসবেন। উৎপাদন বাড়লে কৃষকের আয় বাড়বে, আর কৃষকের মুখে হাসি ফুটলে দেশের অর্থনীতিও এগিয়ে যাবে—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের আমচাষিদের সমস্যার কথাও তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, এই এলাকায় ফল সংরক্ষণের আধুনিক ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছর চাষিরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েন। বিএনপি সরকার গঠন করলে আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষায়িত কোল্ড স্টোরেজ ও আধুনিক গুদাম নির্মাণ করা হবে, যাতে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হয় এবং নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কমে।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি পদ্মা নদীর ওপর নতুন একটি সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন, যা উত্তরবঙ্গের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আনবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি নারীদের ক্ষমতায়নে প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে নারীরা সরাসরি রাষ্ট্রীয় সহায়তা পাবে এবং আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবে।
দীর্ঘ ২২ বছর পর রাজশাহীর জনসভায় তারেক রহমানের অংশগ্রহণ (সরাসরি বা ভার্চুয়াল উপস্থিতি) দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। তিনি উপস্থিত কর্মীদের নির্দেশ দেন উন্নয়ন ও পরিবর্তনের এই বার্তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে। তার ভাষায়, ধানের শীষ কেবল একটি নির্বাচনী প্রতীক নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের কৃষকের ভবিষ্যৎ বদলের প্রতীক।
এই সমাবেশে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়, যার ফলে পুরো মহানগরীতে দীর্ঘ সময় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
মন্তব্য করুন


মদিনার
পবিত্র মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন শেখ ফয়সাল নোমান
ইন্তেকাল করেছেন ।
সৌদি
আরবের দুই পবিত্র মসজিদভিত্তিক
ওয়েবসাইট ‘ইনসাইড দ্য হারামাইন’ সামাজিক
মাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে,আজ মঙ্গলবার ফজরের
পর মসজিদে নববীতে তার জানাজা আদায়
করা হয়। এরপর তাকে
মদিনার ঐতিহাসিক জান্নাতুল বাকি কবরস্থানে দাফন
করা হয় বলে জানা
গেছে।
শেখ
ফয়সাল নোমান দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে নববীর
মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
তার সুমধুর আজান ও ধর্মীয়
নিষ্ঠা বিশ্বের লাখো মুসলমানের হৃদয়ে
গভীর প্রভাব ফেলে।
শেখ
ফয়সাল নোমানের মৃত্যুতে মুসলিম উম্মাহ এক নিবেদিতপ্রাণ খাদেমকে
হারাল।
ইনসাইড
দ্য হারামাইন জানিয়েছে, শেখ ফয়সাল নোমান
১৪২২ হিজরিতে মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন নিযুক্ত হন। তিনি বংশ
পরম্পরায় মসজিদে নববীতে আজান দেওয়ার সৌভাগ্য
অর্জন করেছিলেন।
শেখ
ফয়সাল নোমান ১৪২২ থেকে ১৪৪৭
হিজরি পর্যন্ত ২৫ বছর ধরে
মসজিদে নববীর মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
মন্তব্য করুন


তথ্য
ও সম্প্রচার, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা
হাসান বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের জন্য প্রস্তুত, ভোটাররাও প্রস্তুত। সবাই প্রস্তুত
থাকার পরও যখন কানে কানে এসে কেউ জিজ্ঞেস করে, নির্বাচন কি হবে? তখন বুঝতে হবে—
এরা গত ১৬ বছরের প্রেতাত্মা।
আজ
বুধবার ( ২১ জানুয়ারি ) ফরিদপুরে অম্বিকা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণে ভোটার উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে
আয়োজিত জনসভায় বক্তৃতাকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
ভোটের
ব্যাপারে জনমনে উৎসাহের কথা জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, এই পর্যন্ত যে পাঁচটা জেলায় আমি
গিয়েছি, সব জেলাতেই মানুষের মধ্যে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ দেখেছি। তার একটা বড় কারণ
হচ্ছে সরকার নির্বাচনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
তিনি
আরো বলেন, আরেকটা অনেক বড় কারণ হচ্ছে— রাজনৈতিক দলগুলো ভোটের পক্ষে জনমত
গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। সেজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে ধন্যবাদ জানাই।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আজকে আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে আছি, যখন ভবিষ্যতের বাংলাদেশ আর বিগত ৫৪
বছরের বাংলাদেশের একটা সংযোগ আমাদেরকে স্থাপন করতে হবে এবং সেই সংযোগটা করতে হবে এত
বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করে। ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর
এই সবকিছুর জন্যই গণভোটে ‘হ্যাঁ’-তে মত দিতে হবে।
উপদেষ্টা
আরো বলেন, আগামী ১২ তারিখে দুইটা ভোট দিতে হবে। একটাতে আপনার এলাকার যোগ্য সংসদ সদস্য
নির্বাচন করবেন। মনে রাখতে হবে, ভোট শুধু অধিকার নয়, ভোট মানে দায়িত্বও। আর এবারের
গণভোট মানে দেশের পদ্ধতি বদলের সুযোগ। শুধু ব্যক্তি বদলালে দেশ বদলায় না, পদ্ধতি বদলাতে
হবে। যাতে যে কেউ ক্ষমতায় আসুক, সে যেন দানব হয়ে উঠতে না পারে।
কিছু
কিছু পরিবর্তন সংবিধানে আনতে হবে, যাতে সংবিধানের ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’—
কথাটি সার্থক হয় বলেও জানান তিনি।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ বিশেষ অতিথি হিসেবে
বক্তব্য দেন।
তিনি
বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে এই রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়
পরিবর্তন এবং সংস্কার আনতে পারেন আপনারাই। অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ
নিয়েছে, জাতীয় ঐকমত্য গঠনের চেষ্টা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দীর্ঘ সময় বিভিন্ন
পর্যায়ে আলোচনা করেছে। এবার সংস্কার প্রস্তাবগুলোতে আপনাদের মতামতের জন্য গণভোটের আয়োজন
করেছে। নির্বাচিত সরকারকে এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিতে হবে। এখন দেশের ভবিষ্যৎ আপনাদের
হাতে।
তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, এবারের গণভোটের বিষয়গুলো সুষ্ঠুভাবে
আপনাদের জানানোর জন্য প্রত্যেকটি বিভাগে, প্রতিটি জেলায় আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। প্রত্যন্ত
অঞ্চলের জন্য আমরা পৃথক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি
আরো বলেন, গতকাল মঙ্গলবার ৪৯৫টি উপজেলায় এবং ৪ হাজার ৫০০টি ইউনিয়নে ভোটের রিকশা চালু
করা হয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে রাস্তায় রাস্তায় মানুষকে বোঝানো হবে যে, পরিবর্তনের জন্য
আমাদের হ্যাঁ বলতে হবে। ‘হ্যাঁ’ বলার কোনো বিকল্প নেই।
ফরিদপুরের
জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনে আরো বক্তব্য রাখেন পুলিশ
সুপার মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া, বৈষম্যবিরোধী
ছাত্র আন্দোলনের নেতা, বিএনপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং এনসিপির জেলা প্রতিনিধিরা।
এর
আগে উপদেষ্টা গণভোট ও নির্বাচনে উদ্বুদ্ধকরণের জন্য আয়োজিত এক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।
র্যালি শেষে ভোটের গাড়ির স্ক্রিনে প্রধান উপদেষ্টার গণভোট বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শন
করা হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল (৫ আগস্ট) মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় জাতীয়
সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করবেন।
বাংলাদেশ
টেলিভিশন অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করবে।
প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন


চলমান ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমনে এবং বোরোতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৩ কোটি ৯২ লাখ মেট্রিক টন। তারই মধ্যে আমনে ১ কোটি ৭০ লাখ ও বোরোতে ২ কোটি ২২ লাখ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে।
সম্প্রতি সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলমান ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমন ধান কাটা চলছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৮২ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। এবার ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। এ বছর চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আমনে প্রায় ১ কোটি ৫৫ লাখ টন আর ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ কোটি ৫০ লাখ টন চাল উৎপাদিত হয়েছিল।
আসন্ন বোরো মৌসুমে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ৫০ লাখ ৪০ হাজার হেক্টর ও ২ কোটি ২২ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ভালো হওয়ার কারণে ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো চাল আমদানি করার প্রয়োজন হয়নি। প্রায় সাড়ে ২৯ লাখ কৃষকের মাঝে ১৯৮ কোটি টাকার সার, বীজসহ বিভিন্ন প্রণোদনা বিনামূল্যে বিতরণ কার্যক্রম মাঠ পর্যায়ে চলমান রয়েছে।
মন্তব্য করুন


আসন্ন রমজানকে
সামনে রেখে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের দ্রুত বুকিং দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ভ্রমণসেবা সংশ্লিষ্টরা।
দেরি করলে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে
সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলো।
আজ রোববার এক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদেন
বলা হয়েছে, রমজান মাসে মক্কা ও মদিনায় লাখ লাখ মুসল্লির আগমনের কারণে পরিবহন ও আবাসন
ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।
ওমরাহ অপারেটরদের
তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাসে ওমরাহ প্যাকেজের খরচ প্রায় এক হাজার ২০০ দিরহাম হলেও আগামী
কয়েক দিনের মধ্যেই তা বেড়ে ১ হাজার ৪০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে। রমজান যত ঘনিয়ে আসবে,
এই ব্যয় দুই হাজার দিরহামেরও বেশি হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্টরা
জানান, অনেকেই শেষ মুহূর্তে সস্তা প্যাকেজের আশায় বুকিং পিছিয়ে দেন, কিন্তু রমজানের
মতো ব্যস্ত সময়ে আসন ও হোটেল সীমিত হয়ে পড়ায় উল্টো বেশি দাম গুনতে হয়।
আকাশপথে ওমরাহর
ক্ষেত্রে খরচ আরও বেশি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে বিমানযাত্রাসহ ওমরাহ প্যাকেজ শুরু
হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ দিরহাম থেকে। তবে রমজান শুরু হলে এই প্যাকেজের দাম ৫ হাজার
২০০ দিরহাম ছাড়িয়ে ৮ হাজার দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। বিশেষ করে রমজানের শেষ দশকে
খরচ সবচেয়ে বেশি হবে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ট্যুর অপারেটররা।
বিশ্লেষণে দেখা
গেছে, উড়োজাহাজের টিকিটের দাম তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও হোটেল ভাড়াই ব্যয় বৃদ্ধির
প্রধান কারণ। মসজিদুল হারাম থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত হোটেলগুলোর ভাড়া রমজানে দ্বিগুণ
এবং শেষ দশ দিনে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়ে যায়।
এছাড়া, হজের
প্রস্তুতির কারণে ওমরাহ ভিসার সময়সীমাও গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ১৭ মার্চের পর ওমরাহ ভিসা
আবেদন বন্ধ হবে এবং ২ এপ্রিলের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। ১৮ এপ্রিলের মধ্যে
দেশ ছাড়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
তাই খরচ ও সময়-দুটো বিষয় মাথায় রেখে আগেভাগে পরিকল্পনার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন।
গতকাল বুধবার (সেপ্টেম্বর ২৫) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ কথা জানান চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
এ তথ্য জানানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আহ্বানে সাড়া দিয়ে চীনা সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকরা বাংলাদেশে কারখানা স্থাপনে আগ্রহী। চীনা সরকার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে।’
এরআগে গত মাসে ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূত সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় চীনের সোলার প্যানেল প্রস্তুতকারকদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধান উপদেষ্টা।
সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘চীনের জনগণের পুরনো বন্ধু’ উল্লেখ করেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ থাকবে উল্লেখ করে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা পূর্ণ আস্থা রাখি যে, আপনি (ড. মুহাম্মদ ইউনূস) দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করবেন।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘চীনের সোলার কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বড় আকারে বিনিয়োগ করতে পারে, যা অনেক ধনী দেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকারের সুবিধা পাবে। তিনি আরও বলেন, ‘সোলার কোম্পানি ছাড়াও অন্যান্য চীনা প্রস্তুতকারকরা তাদের কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে পারে।’
চীনের সাথে আরো ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ‘নতুন অধ্যায়’সূচনার আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা। দুই দেশের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধিরও আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উপর দেশের ভবিষ্যত নির্ভর করছে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
সোমবার (১০ নভেম্বর) কুমিল্লা বার্ডের একটি অডিটোরিয়ামে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জসমূহ নিরুপণ ও উত্তরণের উপায়” শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা এসব কথা বলেন কমিশনার।এসময় নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে দেশের ভবিষ্যৎ। সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন জিহাদ ঘোষণা করেছে। দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে চাই,আসন্ন নির্বাচনে কাউকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা একটি ভালো নির্বাচন। অতীতে আমরা বহুবার কলঙ্কিত হয়েছি, এবার সেই কলঙ্ক মুছে দিতে হবে। আমরা একটি গ্রহণযোগ্য ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে চাই।’তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনের আর মাত্র ৮০ থেকে ৯০ দিন বাকি। এরপরও কারো মনে যদি সন্দেহ থাকে নির্বাচন হবে না, তাহলে সেটি ভুল ধারণা। নির্বাচন হবেই, এবং তা হবে অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ।”
কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ আব্দুল হালিম খান, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোঃ আমিরুল কায়সার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান, এবং উপপ্রধান (উপ-সচিব) ও প্রকল্প পরিচালক, সিবিটিইপি প্রকল্প, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, মুহাম্মদ মোস্তফা হাসান।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা কুমিল্লার মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম।
দিনব্যাপী এ কর্মশালায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা অংশ নেন। তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের সময় সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রতিটি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। ভোটকেন্দ্রই হলো গণতন্ত্রের প্রতিচ্ছবি, তাই সেখানে সঠিক দায়িত্ব পালনে কোনো অবহেলা চলবে না।শেষে প্রধান অতিথি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, ‘জনগণের আস্থা অর্জনই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। নির্ভয়ে, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করুন দেশ আপনার পাশে আছে।
মন্তব্য করুন


১৫ জানুয়ারির মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারকে ‘জুলাই আন্দোলনের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করতে হবে। সেই পর্যন্ত মানুষের আকাঙ্ক্ষার কথা জানতে জেলায় জেলায়, মহল্লায় মহল্লায় যেতে হবে বলে জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচিতে দেওয়া বক্তব্যে এ আহ্বান জানান।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারির দাবি করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কোনো ঘোষণাপত্র নেই।
আমরা বলেতে চাই, আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে। ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আপনারা ঘোষণাপত্রের পক্ষে জেলায়, মহল্লায় মানুষের কাছে যাবেন। তাদের কথা শুনবেন যে তারা কী বলতে চায়।’
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন একই দাবি জানিয়েছেন।
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ যখন জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র পাঠের আয়োজনের ঘোষণা দেয় তখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে সব রাজনৈতিক সংগঠনের সমন্বয়ে ঘোষণাপত্র পাঠের ঘোষণা দেওয়া হয়। এই ঘোষণা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিজয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বলতে চাই, ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র পাঠ করতে হবে।’
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঘোষিত ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি শুরু হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধানমন্ত্রী
তারেক রহমানের সভাপতিত্বে কৃষক কার্ড বিষয়ক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ
রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১ টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত
হয়।
প্রধানমন্ত্রীর
অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বৈঠকে উপস্থিত
ছিলেন কৃষি মন্ত্রী আমিন উর রশীদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
এ
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল
মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ
এবং স্থানীয় সরকার ,সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে
আলমসহ আরো অনেকে।
আগামী পহেলা বৈশাখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক কার্ড
বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন।
মন্তব্য করুন