

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কলম্বিয়া এলাকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।
শনিবার (৯ নভেম্বর) সকাল থেকে সিএনজেড গ্রুপের শ্রমিকরা এই বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন।
পুলিশ, এলাকাবাসী ও শ্রমিকরা জানায়, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কলম্বিয়া এলাকায় টিএনজেড গ্রুপের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের গত কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ নিয়ে শ্রমিকরা বেশ কিছুদিন ধরে বিক্ষোভ করে আসছিলেন। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলেও তা পরিশোধ করছে না। ফলে শনিবার সকালে কয়েক হাজার শ্রমিক কারখানার সামনে জড়ো হন। পরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুই পাশের লেনেই যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটনের গাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম জানায়, বেতনসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে তারা ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা চেষ্টা করছেন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


আগামীকাল থেকে শুরু হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বসবে এই সংসদের প্রথম অধিবেশন।
১ম অধিবেশনে নির্বাচিত করা হবে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার। এরপর ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। ইতোমধ্যে প্রথম অধিবেশনের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ করেছে সংসদ সচিবালয়।
এরইমধ্যে সংসদ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর উপনেতা হয়েছেন মতিয়া চৌধুরী। পাশাপাশি বিরোধী দলীয় নেতা হয়েছেন জাতীয় পার্টির জি এম কাদের ও উপনেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। দ্বাদশ সংসদে আওয়ামী লীগের ২২৩ জন সংসদ সদস্য ছাড়াও স্বতন্ত্র ৬২ জন, জাতীয় পার্টির ১১ জন এবং জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, ওয়ার্কার্স পার্টি ও কল্যাণ পার্টির একজন করে সংসদ সদস্য আছেন।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্যানুযায়ী, একাদশ সংসদের যাত্রা শুরু হয় ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি। ২০২৩ সালের ২ নভেম্বর অধিবেশন শেষ হয়। সর্বশেষ ২৫তম অধিবেশনের ৯ কার্যদিবসসহ এই সংসদের মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২টি। এর আগে দশম সংসদ ৪১০ কার্যদিবস ও নবম সংসদ ৪১৮ কার্যদিবস চলে।
মন্তব্য করুন


সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত
সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। আইনটি বাতিলের সঙ্গে সঙ্গে এর অধীনে সাংবাদিকদের
বিরুদ্ধে হওয়া সব হয়রানিমূলক মামলাও বাতিল হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন, আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা
ক্লাবে ‘ডিআরইউ-দেশ টিভি বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৪’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) অন্তর্বর্তী
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে বহুল আলোচিত সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলের নীতিগত সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়। সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে হয়রানির হাতিয়ার হিসেবে এই আইন
ব্যবহার হয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, সাইবার
সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ আইনের অধীনে সব মামলা বাতিল হয়ে যাবে,
এ মামলার জন্য সাংবাদিকদের আবেদন করা লাগবে না। তবে এ আইনের আওতায় হওয়া পর্নোগ্রাফি
ও যৌন হয়রানির মামলাগুলোর বিচার চলবে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় শহীদ পরিবারে পক্ষ
থেকে কোনো মামলা হলে সেখানে আমাদের কিছু করণীয় নেই। এক্ষেত্রেও সংবেদনশীলতার বিষয়টি
আমরা দেখতে বলেছি।
মন্তব্য করুন


জাতীয় নির্বাচন ইভিএম এ নয়, ব্যালটে
হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। এছাড়া কমিশন
যেকোনো সময় নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুত আছে বলেও জানিয়েছেন সিইসি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর
আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে গণমাধ্যমের সাঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
নির্বাচন আয়োজনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি এসব কথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির
উদ্দীন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য আমরা প্রথম দিন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছি।
প্রধান উপদেষ্টা জাতীয় নির্বাচনের যে সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী নির্বাচন
পরিচালনার জন্য আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। কমিশন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকেই প্রাধান্য
দিচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছ থেকে এখনো কোনো নির্দেশনা
আসেনি।
ভোটার তালিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে
বিদ্যমান ভোটার তালিকায় অনেক অসংগতি রয়েছে। দুই মাসের মধ্যে সংশোধিত চূড়ান্ত ভোটার
তালিকা তৈরি করা হবে। নতুন তালিকা তৈরির জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
মৃত ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া, অনুপস্থিত বা বিদেশে থাকা ভোটারদের তথ্য যাচাই
এবং ডুপ্লিকেট ভোটার শনাক্ত করে তালিকা সংশোধনের কাজ করা হবে।
রোডম্যাপ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, প্রধান
উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হবে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রোডম্যাপ ঘোষণা
করা হবে না, তবে নির্বাচন কমিশনের কাজের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ পরিকল্পনা থাকবেই।
মন্তব্য করুন


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন, অন্য উচ্চ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়ে।
ফ্লাইটটি ২৯ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৫ মিনিটে ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের সবচেয়ে সফলতম সফর ছিল এবার।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইড লাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্বব্যাপী আলোচিত এবং সমাদৃত প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি
বাস্তবায়নে সমবায় অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভুঁইয়া।
আজ রোববার (৫ জানুয়ারি) ঢাকায় সমবায়
অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং পায়রা সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় সভায়
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা জানান। উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী
গৃহীত ‘থ্রি জিরো তত্ত্ব’ একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যার ভিত্তি হচ্ছে
শূন্য দারিদ্র্য, শূন্য বেকারত্ব এবং শূন্য কার্বন নিঃসরণ। এ সময় ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’
এবং ‘সামাজিক ব্যবসায়’ ধারণাটি বাস্তবায়নে কাজ করতে সমবায় অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
নির্দেশ দেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, সমবায় অধিদপ্তরের
প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম এবং পারফরম্যান্স নিম্নমুখী বলে মনে হচ্ছে, কিন্তু তা ঊর্ধ্বমুখী
করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সমবায় আইন সংশোধন এবং যুগোপযোগী করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের
নির্দেশনা দেন তিনি। দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্যপদ পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার
বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন উপদেষ্টা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সমবায় অধিদপ্তরের সদস্যদের
নেটওয়ার্ক কাজে লাগিয়ে পাইলটিং প্রকল্প গ্রহণ এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করার নির্দেশনা দেন
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা। এছাড়াও দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং সুষম সম্পদের বণ্টনের
জন্য সমবায় অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মতবিনিময় সভার শুরুতে সমবায় অধিদপ্তরের
নিবন্ধক ও মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে সমবায় কার্যক্রম সম্পর্কে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন
দেন যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
বিভাগের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. মোখলেছুর রহমান। সভায় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সমবায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ডিসেম্বরে কায়রোতে
অনুষ্ঠিতব্য ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে আয়োজক দেশ মিশর।
আজ বুধবার (৩০ অক্টোবর)
ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে মিশরের রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি অধ্যাপক ইউনূসের কাছে
সেদেশের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির পক্ষ থেকে এই আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।
রাষ্ট্রদূত ওমর ফাহমি
জানান, অন্তত পাঁচটি দেশে—তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান এবং নাইজেরিয়ার
সরকার প্রধানগণ আগামী ১৬ থেকে ১৯ ডিসেম্বর কায়রোতে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণ
নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্মেলনের
একটি গুরুত্বপূর্ণ সাইডলাইন বৈঠকে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনকে সমর্থনের
উপায় নিয়ে আলোচনা হবে।
রাষ্ট্রদূত আরো জানান,
জুলাই-আগস্টে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক রূপান্তর
প্রচেষ্টায় মিশর সরকার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।
অধ্যাপক ইউনূস এই
সমর্থনকে স্বাগত জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন মিশর ও বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতে,
যেমন ওআইসি এবং ডি-৮-এ হাতে হাত মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করবে।
প্রধান উপদেষ্টা জানান,
তিনি মিশরে ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবেন।
রাষ্ট্রদূত ফাহমি
আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরাও ডি-৮ সম্মেলনের সময় মিশর সফর করবেন।
তিনি বলেন, মিশর বাংলাদেশের
তৈরি পোশাক ও ওষুধ শিল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে উপকৃত হতে চায় এবং পাট চাষ সম্পর্কে
শিক্ষা নিতে আগ্রহী।
তিনি আরো উল্লেখ করেন,
উভয় দেশের মধ্যে কৃষি, টেক্সটাইল এবং ওষুধ শিল্পের চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ)
কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা উচিত।
রাষ্ট্রদূত নিশ্চিত
করেন যে, ২০৩১-৩২ মেয়াদে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য আসনে বাংলাদেশের
প্রার্থিতার প্রতি মিশর সমর্থন জানাবে।
মিশরের রাষ্ট্রদূত
ইউনেস্কোর মহাপরিচালক পদে কায়রোর প্রার্থিতার পক্ষে ঢাকার সমর্থন চান।
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ ও মিশরের মধ্যে ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) পুনরায় শুরু
করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মন্তব্য করুন


ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সংস্কার কার্যক্রম এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন।
ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি আজ ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতকালে বাংলাদেশকে সমর্থনে ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রস্তুতির কথা জানান।
বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি প্রধান মাইকেল মিলার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভূক্ত ২৭টি রাষ্ট্রের সমর্থন নিশ্চিত করে পাম্পালোনি প্রধান উপদেষ্টাকে বলেন, ‘আমাদের বার্তা খুবই স্পষ্ট। ইউরোপীয় ইউনিয়ন আপনাদের পাশে আছে। আমরা আপনাদের সংস্কার উদ্যোগকে সমর্থন দিতে চাই।’
পাম্পালোনি বলেন, সংস্কারের জন্য অর্থের কোনো ঘাটতি হবে না এবং বাংলাদেশ সরকারের এই কাজ সম্পাদনের জন্য তারা প্রযুক্তিগত সহায়তাও দেবে।
এই সমর্থনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করায় প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েনের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের কথা স্মরণ করে ড. ইউনূস বলেন, তারা সেসময় বাংলাদেশের প্রতি সমর্থনের বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ভন ডার লেয়েন দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
পাম্পালোনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে অনেক দেশের পাশে এভাবে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া আপনার বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছি এবং বুঝতে পেরেছি যে এখন বাংলাদেশে আমাদের কাজ করার মতো একজন আছেন। আপনাকে একা অনুভব করতে হবে না। আমরা সত্যিই আপনাকে সমর্থন দিতে আগ্রহী।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তারা বাংলাদেশকে আরও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এতে করে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।
রাষ্ট্রদূত মিলার প্রধান উপদেষ্টাকে জানান, ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশে আরও ব্যবসায় সুযোগ খুঁজে বের করার লক্ষ্যে আগামী জানুয়ারিতে এই দেশ সফর করার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা বাংলাদেশে শ্রম অধিকার সংস্কারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের আশ্বস্ত করেন এবং বলেন, এর ফলে আরও বিনিয়োগের পথ প্রশস্ত হবে।
তিনি ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই যে শ্রম অধিকারের বিষয়ে আমরা আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখব। এখানে কোনো লুকোচুরি হবে না। আমরা আর লুকোচরির খেলা খেলতে চাই না।’
ইইউ কর্মকর্তারা বিভিন্ন খাতে সংস্কারের ক্ষেত্রে অধ্যাপক ইউনুসের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির প্রশংসা করেন।
পাম্পালোনি বলেন, ‘এই প্রথম আমরা দেখছি এমন কিছু রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি আপনি নির্ধারণ করেছেন, যা নিয়ে আগে আমরা কথা বলেছি। সুতরাং আমরা আপনার ওপর আস্থা রাখছি।’
প্রধান উপদেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে নেপাল এবং ভারতের সঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, নেপালে বিশাল জলবিদ্যুৎ রয়েছে যা অপচয় হচ্ছে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কিছু সহায়তা পেলে নেপাল, বাংলাদেশ এবং ভারত সবাই এতে লাভবান হতে পারে।
অধ্যাপক ইউনূস ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি বাংলাদেশের যুবসমাজের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান এবং দক্ষিণ এশীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের মেয়েদের সাম্প্রতিক অর্জনের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘তারা খেলতে গেছে এবং জয় করেছে, একবার নয়, বরং দু'বার।’
তিনি আরও অনুরোধ করেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যেন একটি ইউরোপীয় ফুটবল দল পাঠায় যা বাংলাদেশের মেয়েদের অনুপ্রাণিত করবে।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বৈষম্য বিরোধী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন।
দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।
প্রধান উপদেষ্টা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী সকল নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, দুর্গাপূজা শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের উৎসবই নয়, এটি এখন সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। এই দেশ আমাদের সকলের। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশ সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। গত ৫ আগস্ট ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতি-ধর্ম-বর্ণ-গোষ্ঠী নির্বিশেষে সকলের ভাগ্য উন্নয়ন এবং সমান অধিকার সুনিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বাংলাদেশের সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন


নতুন নির্বাচন কমিশন গঠিত হলো।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) এ সংক্রান্ত
পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ
পেয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীন। এ পদে বিএনপি যে দুজনের নাম প্রস্তাব
করেছিল, সেই তালিকায় তার নাম ছিল।
নির্বাচন কমিশনার পদে যে চারজন নিয়োগ
পেয়েছেন তারা হলেন- অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, অবসরপ্রাপ্ত
জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্মসচিব তহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার
জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের
১১৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি সদয় হয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং
অন্যান্য কমিশনার পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। এ আদেশ অবিলম্বে
কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।
এ এম এম নাসির উদ্দীন জ্বালানি ও খনিজ
সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। তিনি ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে
অবসরে যান। বিসিএস ১৯৭৯ ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন তিনি।
মন্তব্য করুন


২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে আজ।
বেলা ১১টায় ফল স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফল প্রকাশিত হবে।
এ বছর ভিন্ন এক পরিস্থিতিতে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। কয়েকটি পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে কয়েক দফায় স্থগিত করা হয়। পরে সংশোধিত সময়সূচি করেও পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে বাকি পরীক্ষাগুলো বাতিল করা হয়। এরপর শুরু হয় বাতিল পরীক্ষাগুলো ফলাফল নির্ধারণ নিয়ে জটিলতা। শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি ও জেএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে ফল নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হলেও তা পরিমার্জন করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে শুধু এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর ফল নির্ধারণ করা হয়েছে।
ফলাফল এবার নতুন আঙ্গিকে প্রকাশ করা হবে। তাছাড়া ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে কলেজ ছুটি থাকায় ফলাফল জানতে শিক্ষার্থীদের অনেকটা অনলাইন-নির্ভর থাকতে হবে।
শিক্ষা বোর্ড থেকেও অনলাইনে, এসএমএসে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কীভাবে ফলাফল পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণার কোনো অনুষ্ঠান না থাকায় সবার নজর অনলাইনের দিকে।
তবে এবার এসএমএসে ফল জানানোর প্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী—ফল প্রকাশের আগেই শিক্ষার্থীরা প্রি-রেজিস্ট্রেশন অর্থাৎ, আগেই এসএমএস পাঠিয়ে রাখতে পারবেন। যে যত আগে এসএমএস পাঠাবেন, তিনি তত আগে ফলাফল পাবেন।
যেকোনো অপারেটরের সিম ব্যবহার করা মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে HSC<>Board Name (First 3 Letter) <> Roll <> Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে। যেমন: ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জন্য HSC <>DHA<> Roll <> 2023 লিখে 16222 নম্বরে সেন্ড করতে হবে।
জেএসসির ২৫, এসএসসির ৭৫ নম্বরের সমন্বয়ে তৈরি করা হবে ফল।
এইচএসসির ফল তৈরিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং শুরু
ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করা পরীক্ষার্থীদের মোবাইল নম্বরে ফলাফল পৌঁছে যাবে।
ফল প্রকাশের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষ্যে কলেজ ছুটি। দুর্গাপূজার যে ছুটি চলমান তা এদিনও থাকবে। ফলে কলেজে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি থাকবে না। সেদিক বিবেচনায় অনলাইনে কীভাবে ফলাফল জানা যাবে, তা বিস্তারিত জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ফল বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে Result sheet download করা যাবে। যেমন, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট www.dhakaeducationboard.gov.bd, www.educationboardresults.gov.bd ও www.eduboardresults.gov.bd-এ Result কর্নারে ক্লিক করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের EIIN এন্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক Result sheet download করা যাবে এবং রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বরের মাধ্যমে Result sheet download করতে পারবে। সেখানে থাকা ফলাফল অপশনে ক্লিক করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে সাবমিট করলেই শিক্ষার্থীরা তার পুরো রেজাল্ট শিট দেখতে পাবেন।
এছাড়া SMS-এর মাধ্যমেও নিম্নোক্ত উপায়ে ফল সংগ্রহ করা যাবে: HSC Board name (first 3 letters) Roll Year টাইপ করে 16222 নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ: HSC Dha 123456 2024 লিখে 16222-তে পাঠাতে হবে।
এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থীর ফলাফলের শিট পাবে, সেটাও জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়ে বলা হয়, স্ব স্ব শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ঢুকে ইংরেজি অক্ষরে লেখা রেজাল্ট কর্নারে ক্লিক করতে হবে। সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বর অ্যান্ট্রি করে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল শিট ডাউনলোড করা যাবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার বলেন, ‘ঠিক বেলা ১১টায় সব বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গেলেও শিক্ষার্থীরা ফল পাবেন। আর ১১টি বোর্ডের সমন্বিত যে ফল, তার সংক্ষিপ্তসার ঢাকা বোর্ড থেকে দেওয়া হবে। কোনো সংবাদ সম্মেলন বা ব্রিফিং করবো না আমরা। শুধু ফলাফলের সারসংক্ষেপটা আমরা সাংবাদিকদের দিয়ে দেবো।
গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। প্রথম প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী—৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।
সূচি অনুযায়ী—মোট ৬১ বিষয়ের পরীক্ষা গ্রহণ বাকি ছিল। বিভিন্ন বিভাগের (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) বিভিন্ন বিষয় থাকায় এতগুলো পরীক্ষা স্থগিত এবং পরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে তা বাতিল করা হয়।
এতে কারও পাঁচ বিষয়, আবার কারও ছয় বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল হয়েছে। সেগুলোতে এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে। আর যে বিষয়গুলোর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর খাতা মূল্যায়ন করে নম্বর ও গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ হবে।
মন্তব্য করুন