

জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার
পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। তবে চাকরিতে এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে
যুক্ত হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।
এ বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য
ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম তার ফেরিভাইড ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন,
জুলাই শহীদ পরিবারদের এককালীন টাকার পাশাপাশি মাসিক ভাতা ও চাকরির কথা বলা হয়েছে। চাকরিতে
এটা কোনো নতুন কোটা হিসেবে যুক্ত হবে না। পরিবারের কর্মক্ষম কোনো একজন ব্যক্তিকে একবারের
জন্যই যোগ্যতার বিচারে সরকারি-আধা সরকারি অথবা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি দেওয়ার
কথা বলা হয়েছে। কোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটা বিবেচ্য হবে না। আহতদের ক্ষেত্রে
যারা সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে (অন্ধ কিংবা অঙ্গহানী) এবং আর কখনো কর্মক্ষম
হতে পারবে না তাঁদের জন্য মাসিক ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এরকম আহতদের একটা বড় অংশই
তরুণ এবং বাকি জীবন তাঁদেরকে আন্দোলনের ক্ষত বয়েই বেড়াতে হবে, অনেককে দীর্ঘকাল চিকিৎসার
মধ্য দিয়ে যেতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের পুনর্বাসন এবং
এই পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ নিশ্চয়তা দেওয়াটা আমাদের অঙ্গীকার ছিলো এবং রাষ্ট্রের দায়িত্বও
বটে। কয়েক হাজার পরিবার অচল হয়ে গিয়েছে এই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের ফলে। তাঁদের এই ক্ষতি
আমরা কোনোকিছু দিয়েই পূরণ করতে পারবো না। আর এই পরিবারগুলো যে কোনো সুযোগ সুবিধার চেয়ে
কেবল সকলের থেকে সম্মান ও মর্যাদা চায়।
মন্তব্য করুন


সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আজ।
দুপুর আড়াইটায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করা হবে।
ফলাফল ঘোষনা করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণার পর ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল জানা যাবে। এছাড়া স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটেও ফলাফলবিষয়ক তথ্য প্রকাশ করা হবে।
পাশাপাশি যেসব শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আবেদনের সময় দেওয়া মোবাইল ফোন নম্বরে ক্ষুদেবার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেবে অধিদপ্তর।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকার বাংলাদেশের সকল নাগরিককে কয়েকজন
বিচ্ছিন্ন উগ্র গোষ্ঠীর দ্বারা সংঘটিত নব ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ় সতর্ক থাকার
আহ্বান জানিয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন, অগ্নিসংযোগ
ও জানমাল ধ্বংসের সকল কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে তারা দৃঢ় ও দ্ব্যর্থহীনভাবে নিন্দা প্রকাশ
করে।
আজ শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া
বিবৃতিতে জানানো হয়, ইতিহাসের এই সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ একটি ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক রূপান্তরের
মধ্য দিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। যারা বিশৃঙ্খলাকে পুঁজি হিসেবে নেয় এবং শান্তির পথ উপেক্ষা
করে—এমন অল্প কয়েকজনের কারণে এই অগ্রযাত্রা কোনভাবেই ব্যাহত হতে দিতে পারি না এবং দেওয়া
হবে না। আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট কেবল রাজনৈতিক অনুশীলন নয়; এগুলো একটি গুরুতর জাতীয়
অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে সেই স্বপ্নের সঙ্গে, যার জন্য শহীদ
শরিফ ওসমান হাদি তার জীবন উৎসর্গ করেছেন। হাদির আত্মত্যাগ ও স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে
হলে সংযম, দায়িত্বশীলতা এবং ঘৃণা প্রত্যাখ্যানের প্রতি অবিচল অঙ্গীকার প্রয়োজন বলে
সরকার উল্লেখ করেছে।
সংবাদমাধ্যমের ওপর সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী
বিবৃতিতে জানানো হয়, দ্য ডেইলি স্টার, প্রথম আলো ও নিউ এজ-এর সাংবাদিকদের পাশে রয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকার। সাংবাদিকরা যে সন্ত্রাস ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তার জন্য গভীর
দুঃখও প্রকাশ করা হয়েছে। সন্ত্রাসের মুখেও
সাংবাদিকদের সাহস ও সহনশীলতা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে, সাংবাদিকদের
ওপর হামলা মানেই সত্যের ওপর হামলা এবং এ ঘটনায় পূর্ণ ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দেওয়া
হয়েছে।
এছাড়াও, ময়মনসিংহে এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার
ঘটনায় গভীর নিন্দা জানিয়ে সরকার বলেছে, নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের সহিংসতার স্থান নেই।
এই নৃশংস অপরাধের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতির শেষাংশে সংকটময় এই মুহূর্তে প্রত্যেক নাগরিকের
প্রতি আহ্বান জানিয়ে সরকার বলেছে, সহিংসতা, উসকানি ও ঘৃণাকে প্রত্যাখ্যান ও প্রতিরোধের
মাধ্যমে শহীদ হাদির প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরলে তাকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে
জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
সোমবার
(২২ ডিসেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে
তিনি এ কথা জানান।
এ
সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সব
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে কোনো শঙ্কার কারণ নেই।
তিনি
আরও বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে আসন্ন বড়দিন উপলক্ষে আতশবাজি
পোড়ানো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি
বড়দিনে সড়ক অবরোধ করে কোনো ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করা যাবে না বলেও জানান স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


নবনিযুক্ত বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রধান হাসান মাহমুদ খানকে এয়ার মার্শালের র্যাংক ব্যাজ পরানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (১১ জুন) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নবনিযুক্ত প্রধান হাসান মাহমুদ খানকে এ র্যাংক ব্যাজ পরানো হয়।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ এবং নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান নতুন বিমান বাহিনী প্রধানকে এই ব্যাজটি পরিয়ে দেন।
মন্তব্য করুন


আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। টুর্নামেন্ট বয়কটের আলোচনা চলার মধ্যেই বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এ পরিস্থিতিতে স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও সুপার জানিয়েছে, আগামী ২৫ জানুয়ারি বিশ্বকাপ দলে থাকা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বৈঠক করবেন নাকভি। সেখানে বিশ্বকাপের পরিকল্পনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ করণীয় বিষয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
বিশ্বকাপ বয়কটের সম্ভাবনার পেছনে বাংলাদেশের বাদ পড়ার বিষয়টি বড় কারণ হিসেবে আলোচনায় এসেছে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে ইঙ্গিত দেন পিসিবি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া না নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি পাকিস্তান সরকারের ওপর নির্ভর করছে। প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বাইরে থাকায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার দেশে ফেরার পরই জানানো যাবে। নাকভির ভাষায়, এটি সরকারের সিদ্ধান্ত এবং পিসিবি সেই নির্দেশনাই অনুসরণ করবে, আইসিসির নয়।
বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, আইসিসি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে অন্যায় আচরণ করেছে। এই বিষয়টি তিনি আইসিসির বোর্ড সভাতেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন বলে জানান। নাকভির মতে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্বিমুখী নীতি গ্রহণযোগ্য নয়—যেখানে একটি দেশ ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায়, অথচ অন্য দেশের ক্ষেত্রে ভিন্ন আচরণ করা হয়।
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এরপর নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানায়, ভারত গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ দল।
এই সিদ্ধান্তের পর আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ গত বুধবার আইসিসির সভা শেষে বাংলাদেশকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠক শেষে তিনি জানান, বাংলাদেশ নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছে না।
পরবর্তীতে আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। টাইগারদের পরিবর্তে টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় স্কটল্যান্ড।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও গণতন্ত্র পুনর্গঠনে গৃহীত ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম এবং ‘জুলাই
সনদে’র প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা জানিয়েছে ইতালি।
ঢাকায়
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গতকাল মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশটির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাত্তেও পেরেগো দি ক্রেমনাগো
এ কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে
দুই পক্ষ বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অভিবাসন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন
ও গণভোট, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ এবং জুলাই সনদসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে
বিস্তৃত আলোচনা করেন।
জুলাই
সনদের প্রশংসা করে ইতালির উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই সনদে উল্লিখিত ব্যাপক সংস্কার
কর্মসূচিকে ইতালি সমর্থন করে। একই সঙ্গে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের
গণতান্ত্রিক উত্তরণে রোমের অব্যাহত সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
মাত্তেও
পেরেগো বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল এখন বৈশ্বিক রাজনীতির নতুন কেন্দ্রবিন্দু। এই অঞ্চলের
দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির বাংলাদেশসহ, সম্পর্ক জোরদার করতে
চায় ইতালি, যাতে সামনে এগুনোর একটি যৌথ পথ তৈরি করা যায়।
তিনি
বলেন, ইতালিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি সম্প্রদায় ভালোভাবেই একীভূত হচ্ছে। তবে ভূমধ্যসাগরীয়
পথে অবৈধ অভিবাসন নিয়ে উদ্বেগের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ইতালির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ
করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার
আগে তিনি চলতি বছরের মিলানো-কর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিককে একটি সামাজিক ব্যবসাভিত্তিক
আয়োজন হিসেবে নকশা প্রণয়নে যুক্ত ছিলেন।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, জাপান ও ইতালির মতো উন্নত দেশগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত বার্ধক্যের দিকে যাচ্ছে।
এ অবস্থায় এসব দেশে বৈধ অভিবাসন সম্প্রসারণের গুরুত্ব রয়েছে।
প্রধান
উপদেষ্টা ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে
তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে বড় পরিসরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের
পর্যবেক্ষক দল মোতায়েনের জন্য তিনি ইইউ’র প্রশংসা করেন।
তিনি
বলেন, ভোটার উপস্থিতি শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদী। বিশেষ করে তরুণদের কথা উল্লেখ
করে তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের একটি ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসনামলে অনুষ্ঠিত ‘ভুয়া নির্বাচনে’
অনেক তরুণ ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাননি।
এ
সময় অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে ইতালির সমর্থন চান এবং প্রতিরক্ষা,
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে জাতীয় নিরাপত্তা
উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির
রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আইন, বিচার ও সংসদ
বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের
ব্যাপারে সরকার বদ্ধপরিকর। তাই নির্বাচন নিয়ে কোনো বিভ্রান্তি বা শঙ্কার কারণ নেই।
আজ রবিবার সকালে
রাজশাহী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের লিগ্যাল এইড অফিসে বিচারকদের সঙ্গে
মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
এ সময় রাজশাহী আদালতের
বিচারকবৃন্দ ও পিপি-এপিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ বলেন, জাতীয় নির্বাচনে বিলম্ব করার
কোনো কারণ নেই। এটি নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর
পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরে কোনো জাতীয় নির্বাচন না হওয়ায় মানুষের মধ্যে কিছুটা
উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক। এই সময়ে প্রায় ৫ কোটি মানুষ কখনো ভোট দিতে পারেননি। তাই আসন্ন
নির্বাচন তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষদের মধ্যে ভোট নিয়ে উৎসাহ সৃষ্টি
হয়েছে। তারা অধীর আগ্রহে ভোটের জন্য অপেক্ষা করছে।
উপদেষ্টা ড. আসিফ
লিগ্যাল এইড অফিস পরিদর্শন করে জানান, আদালতের দৈনন্দিন কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার জন্য
একজন বিচারকের জায়গায় এখন তিনজন বিচারক দায়িত্বে থাকবেন। এতে মামলার চাপ কমবে।
তিনি বলেন, আদালত
সংস্কারে আমরা নানান উদ্যোগ নিচ্ছি। এর সুফল জনগণ অবশ্যই পাবে।
মন্তব্য করুন


জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলা দায়ের করতে পারবে বলে জানিয়েছেন- সংস্থাটির প্রধান প্রসিকিউটর (কৌঁসুলি) করিম এ এ খান।
বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে জুলাই-আগস্ট গণহত্যা নিয়ে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক আদালতের প্রধান প্রসিকিউটর ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় মানবতাবিরোধী অপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মামলা দায়ের প্রক্রিয়া, রোহিঙ্গা সংকট, ২০১৭ সালে রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেন।
আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটরের কাছে অধ্যাপক ইউনূস জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় গণহত্যার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলা দায়ের করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান। এ অভ্যুত্থানে বিগত সরকারের নৃশংসতার শিকার হয়ে অন্তত ৭০০ মানুষ মারা গেছেন এবং ২০ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
আইসিসি-তে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে করিম খান বলেন, বাংলাদেশ অবশ্যই হেগ-ভিত্তিক আদালতে মামলা দায়ের করতে পারে। তবে আইসিসি-তে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়েরের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে।
বৈঠকে করিম খান অধ্যাপক ইউনূসকে ২০১৯ সালে আইসিসির রোহিঙ্গা নির্বাসন নিয়ে তদন্তের সর্বশেষ অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।
চলতি বছরের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ সফর করবেন বলেও জানান আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে অধ্যাপক ইউনূসের তিন দফা প্রস্তাবের প্রশংসা করে করিম খান বলেন, এসব প্রস্তাব রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নতুন করে গতি আনবে।
বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে এক বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য জাতিসংঘ প্রধানের একটি জরুরি সম্মেলন আয়োজন এবং সমাধানের উপায় বের করা, রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকটের জন্য শক্তিশালী যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা এবং ২০১৭ সালে রাখাইনে সংঘটিত গণহত্যার অপরাধের ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে জোরালোভাবে আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা চালানোর প্রস্তাব দেন।
এ তিনটি প্রস্তাবকে
নিখুঁত- বলে মন্তব্য করেন করিম খান।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা
জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর
ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি নিয়মিতভাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অগ্রগতি
সম্পর্কে খোঁজখবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় সব চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট
সবার প্রতি নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর
দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করে বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার
চিকিৎসায় যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সেজন্য প্রয়োজনীয় সব সহযোগিতা দিতে সরকার প্রস্তুত।’
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, গণতান্ত্রিক
উত্তরণের এই সময়ে বেগম খালেদা জিয়া জাতির জন্য ভীষণ রকম অনুপ্রেরণা। তাঁর সুস্বাস্থ্য
দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা ও সমন্বয়ে
সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন
কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৩১ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই সঙ্গে ৭৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি ) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের দ্বিতীয় দিনে কুমিল্লা-৭ থেকে কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই করা হয়। এদিন এসব আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়। এর আগে শুক্রবার কুমিল্লা-১ থেকে কুমিল্লা-৬ আসনের মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লার ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের মধ্যে ৭৬ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩১ জনের মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে কুমিল্লার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম–মনোহরগঞ্জ) আসনে। এ আসনে দাখিল করা ১৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৮টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়, যা জেলার মধ্যে সর্বাধিক।
কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তা মু. রেজা হাসান বলেন, “কুমিল্লায় ১১টি আসনে মোট ১০৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। শুক্রবার ও শনিবার দুই দিন ধরে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৭৬টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৩১টি মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন