

ঠাকুরগাঁও
আধুনিক সদর হাসপাতালকে ৫শ' বেডে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ
রোববার ( ১ মার্চ ) সকাল ৯টায় নিজের নির্বাচনী এলাকায় অবস্থিত হাসপাতালটি পরিদর্শনে
যান তিনি। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে দেখার পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, হাসপাতালটি আমার কাছে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন মনে হয়েছে। তবে পরিচালনা ব্যবস্থা
আরও জোরদার করা দরকার।
সাধারণ
মানুষকে সর্বোচ্চ সেবা দিতে যা দরকার তার তালিকা দিলে সব ধরনের সহায়তা দিবেন বলে হাসপাতালের
তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জুয়েলকে আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী।
বিএনপি
মহাসচিব বলেন, ডাক্তার নার্স ও কর্মীরা ঠিকমত দায়িত্ব পালন করলে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব।
তিনি সিভিল সার্জনকে পুরো জেলার স্বাস্থ্যব্যবস্থা জনসাধারণের সেবার উপযোগী করে গড়ে
তোলার ব্যাপারে জোর ভূমিকা রাখার পরামর্শ দেন।
মির্জা
ফখরুল বলেন, খুব শিগগিরই জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। তখন জেলার স্বাস্থ্যব্যবস্থার
ব্যাপক উন্নতি হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন
অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে বিজিবি সদস্যদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি
বলেন, জাতীয় নির্বাচনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। পাশাপাশি
বিজিবিও প্রস্তুত আছে। নির্বাচনে ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান তিনি।
তিনি
বলেন, কোথাও কোন ধরনের ছাড় দেয়া হচ্ছে না। দেশের মধ্যে অপরাধ করে যাতে কেউ সীমান্ত
দিয়ে পার হতে না পারে সে জন্য স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে।
আজ
বিজিবি দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বিজিবি সদর দপ্তরে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এ কথা বলেন।
পদক
প্রদান শেষে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বিজিবির খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারবর্গকে
সংবর্ধনা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে বিজিবি সদস্যদের সহায়তা
চান।
এছাড়া
সীমান্তে চোরাচালান রোধে বিজিবি সদস্যদের কঠোর ও কৌশলী হওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।
বক্তব্যের
শুরুতে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজিবি সদস্যদের অপরিসীম সাহস ও আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার
সঙ্গে তিনি স্মরণ করেন। একইসঙ্গে উপদেষ্টা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের
সকল শহিদকে। এছাড়া গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে
আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদকে, যাঁদের আত্মদানে উন্মোচিত হয়েছে শোষণ ও বৈষ্যমহীন দেশ গড়ার
নতুন পথ। তিনি আরো স্মরণ করেন এ আন্দোলনে যাঁরা আহত হয়েছেন এবং পঙ্গুত্ববরণ করেছেন
তাদেরকে।
অনুষ্ঠানে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর
মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত
ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, বিজিবি এক সুদীর্ঘ ও গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। বিজিবি এক 'ত্রিমাত্রিক'
বাহিনী হিসেবে দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়তা ও জনকল্যাণমূলক কাজে
অনন্য ভূমিকা রাখছে। বিজিবি’র উন্নয়নে সরকার সর্বাত্নক প্রচেষ্টা
অব্যাহত রেখেছে।
বিজিবি
সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরীর
ন্যায় দায়িত্ব পালন করতে হবে। সীমান্ত দিয়ে কোন মাদক প্রবেশ করবে না। স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে
অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি
আরও বলেন, যে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারি চোরাকারবারী ও মাদক পাচারকারীদের সহায়তা করে
কিংবা সাহায্য করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাই সর্বদা
সজাগ এবং সতর্ক থাকতে হবে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে সীমান্ত সমস্যা সমাধানে অত্যন্ত
কৌশলী ও যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে।
সীমান্তে
চোরাকারবারীদের আইনের আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমান্তে প্রয়োজনে আইন-শৃঙ্খলা
বাহিনীকে জেলা প্রশাসনের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে
হবে।
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ থেকে কোন অপরাধী, সন্ত্রাসী সীমান্ত দিয়ে যেন পালাতে না পারে
সে বিষয়ে কঠোর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সীমান্ত
রক্ষার পবিত্র দায়িত্বের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার যে কোনো
দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালন করতে বিজিবি সদস্যদের প্রতি আহ্বান
জানান তিনি।
তিনি
বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, 'সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী' হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের
আস্থার প্রতীক হয়ে বিজিবি তার গৌরবময় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে।
বিভিন্ন
ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য অনুষ্ঠানে ৭২ জনকে পদকে ভূষিত করা হয়।
পরে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী কেক কেটে
বিজিবি দিবস ২০২৫-এর উদ্বোধন করেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কারিগরিভাবে বৈধ হলেও এটি কার্যত অনিরাপদ এলাকায় অবস্থিত। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজধানীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ার মধ্যে পড়েছে। বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়— এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত।
আজ
শুক্রবার (২৫ জুলাই) বাংলামটরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের কনফারেন্স রুমে ‘মাইলস্টোন স্কুলে বিমান দুর্ঘটনা : জননিরাপত্তা এবং উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রের দায় ও করণীয়’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোচ এরিয়ায় থাকা স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ জনসমাগম হয়, এমন সব প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি)।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন বিআইপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানবন্দরের রানওয়ের পর ৫০০ ফুট এলাকায় কোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণ করা যায় না। এর পরের ১৩ হাজার ফুট বা প্রায় ৪ কিলোমিটার অঞ্চলকে অ্যাপ্রোচ এরিয়া বলা হয়, যেখান দিয়ে বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণ করে। বিআইপির প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় ১৫০ ফুট উচ্চতার স্থাপনা নির্মাণে সরকারের নগর কর্তৃপক্ষ ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের দিক থেকে কোনো বাধা নেই। সেসব স্থাপনার কী ধরনের ব্যবহার হবে, সে বিষয়েও কোনো নির্দেশনা নেই সরকারের সংস্থাগুলোর।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ্রোচ এলাকায় এ ধরনের স্থাপনা কারিগরিভাবে বৈধ হলেও কার্যত অনিরাপদ। প্রতিবেদনে পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপে অ্যাপ্রোচ এলাকার স্থাপনার উচ্চতা নিয়ন্ত্রণের কথা বলা আছে। কিন্তু সেখানকার ভূমির কী ধরনের ব্যবহার হবে তা উল্লেখ নেই। গণজমায়েত হয় এ রকম কোনো স্থাপনার জন্য সেখানকার ভূমি ব্যবহার করা উচিত নয়। কৃষিজমি ও সবুজায়ন করা যেতে পারে, তবে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সেখানে পাখি আসে।
সংবাদ সম্মেলনে বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, অ্যাপ্রোচ এরিয়া থেকে স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মাদ্রাসার মতো জনসমাগম হয়, এমন সব স্থাপনা সরাতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনা ঘটলে মৃত্যুর মিছিল ঠেকানো সম্ভব হবে না। বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জায়গা তদন্ত করে যত ধরনের ব্যত্যয় হয়েছে, সেগুলো অনুসন্ধান করতে হবে। স্থাপনার উচ্চতায় ব্যত্যয় থাকলেও বাড়তি অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। ঢাকা থেকে বিমানবন্দর দূরে ছিল। ঢাকাকে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ বলে যে একটা জিনিস আছে তা ভুলে যাওয়া হয়েছে। তা না হলে বিমানবন্দরের উড্ডয়ন-অবতরণের পাশে স্কুল-কলেজের মতো অবকাঠামো হওয়ারই কথা নয়। মৌলিক ব্যাকরণ ভুলে যাওয়া হয়েছে। জনবহুল এলাকায় প্রশিক্ষণ বিমান উড়ানোর সুযোগ নেই।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসানের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিআইপির সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শাহরিয়ার আমিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ তামজিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ পরিকল্পনাবিদ ড. মোসলেহ উদ্দীন হাসান, বোর্ড সদস্য আবু নাঈম সোহাগ প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী
সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দাতব্য সংস্থা আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের
নতুন ভবনের উদ্বোধন করেছেন।
সোমবার
(৩ মার্চ) বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে রাজধানীর কাকরাইলে আঞ্জুমান জে আর টাওয়ার নামের নতুন
এ ভবনটির উদ্বোধন করা হয়।
নতুন
ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধান উপদেষ্টা এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করেন।
প্রধান
উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ ও আলী ইমাম মজুমদার,
আঞ্জুমান মুফিদুলের সভাপতি মুফলেহ আর. ওসমানী ও সহ-সভাপতি গোলাম রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


আগামী সোমবার বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।
রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান
ঈদের জামাতে সর্বস্তরের শত শত মুসল্লিদের সাথে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করবেন।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো: জয়নাল আবেদীন আজ শনিবার সংবাদমাধ্যমকে জানান, রাষ্ট্রপতি তার পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট
কর্মকর্তাদের নিয়ে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহার নামাজ জাতীয় ঈদগাহে
সকাল সাড়ে ৭টায় আদায় করবেন।
জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি,
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সংসদ সদস্য, সিনিয়র রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ
বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ঈদের নামাজ আদায় করবেন।
সোমবার রাষ্ট্রপতি ঈদগাহে পৌঁছালে প্রধান বিচারপতি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের
(ডিএসসিসি) মেয়রসহ সংশ্লিষ্টরা তাকে অভ্যর্থনা জানাবেন।
নামাজ শেষে রাষ্ট্রপ্রধান ঈদগাহে মুসল্লিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
তবে প্রতিকূল আবহাওয়া বা অন্য কোনো কারণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করা সম্ভব
না হলে রাষ্ট্রপতি সকাল ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ঈদের নামাজ আদায় করবেন আর
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় ঈদগাহে নারীদেরও ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।
নামাজ শেষে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা সকাল সাড়ে
১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়
করবেন।
বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। পরে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে পরিবারের সদস্যদের সাথে সময় কাটাবেন।
মন্তব্য করুন


গাজীপুরের
টঙ্গী তুরাগ তীরে আয়োজিত বিশ্ব ইজতেমার ময়দানে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত
হয়। লাখো মুসল্লি এ জুমার নামাজে অংশ নেন।
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বে জুমার নামাজে ইমামতি করেন মাওলানা সাদ'র বড়
ছেলে মাওলানা ইউসুফ বিন সাদ।
বৃহস্পতিবার
(৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ জোহর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্ব ইজতেমার ২য় পর্বের
আনুষ্ঠানিকতা।
আজ
লাখো মুসল্লির সঙ্গে শরিক হয়ে দেশের সর্ববৃহৎ জুমার নামাজ আদায় করতে সকাল থেকেই চারদিক
থেকে মুসল্লিরা ইজতেমার ময়দানে আসতে শুরু করেন। ময়দানে, সড়ক-মহাসড়ক, খালি জায়গাসহ
বিভিন্ন স্থানে পলিথিন, খবরের কাগজ ও চট বিছিয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন মুসল্লিরা।
যানজট
নিয়ন্ত্রণে ও মুসল্লিদের নিরাপত্তায় রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েক
হাজার সদস্য।
আজ
বয়ান করেন যারা:
শুক্রবার
(৯ ফেব্রুয়ারি) ফজরের পরে বয়ান করেন মাওলানা ইলিয়াস বিন সাদ। তার বয়ান বাংলায়
তর্জমা করেন মাওলানা মনির বিন ইউসুফ। জুমার আগে জুমার ফাজায়েল বয়ান করেন মাওলানা
মনির বিন ইউসুফ।
জুমার
পরে বয়ান করবেন- শেখ মোফলে (আরবি) এবং বাংলা তর্জমা করবেন মাওলানা শেখ আব্দুল্লাহ
মনসুর। আসরের পরে বয়ান করবেন মাওলানা মোশাররফ। মাগরিবের পরে বয়ান করবেন মাওলানা ইউসুফ
বিন সাদ। পরে তা বাংলায় তর্জমা করবেন মাওলানা জিয়া বিন কাশেম।
মুসল্লির
মৃত্যু-
বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের আয়োজকরা জানান, শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল পর্যন্ত বিশ্ব
ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে ৪ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে।
তারা
হলেন, শেরপুর সদর থানার রামকৃষ্ণপুর এলাকার আবুল কালাম (৬৫), নেত্রকোনার কেন্দুয়া
থানার কুতুবপুর এলাকার হেলিম মিয়া (৬৫), দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ থানার শিবনগর এলাকার জহির উদ্দিন (৭০) ও জামালপুরের ইসলামপুর থানার গোয়ালের
চর এলাকার নবীর উদ্দিন (৬৫)।
রোববার
(১১ ফেব্রুয়ারি) আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।
মন্তব্য করুন


মুক্তিযুদ্ধের
প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি)
ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৮৪ সালের আজকের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জেনারেল
ওসমানীর জন্ম ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাবার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে। তার গ্রামের বাড়ি
সিলেটের বালাগঞ্জে।
শৈশবে
ওসমানীর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকেই। কোনো স্কুলে ভর্তি না হয়ে, ঘরে বসে
বসেই তার বিদুষী মায়ের অনুশাসন এবং যোগ্য গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাংলা ও ফার্সি
ভাষায় ওসমানী প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। ১৯২৯ সালে ১১ বছর বয়সে ওসমানীকে আসামের গৌহাটির
কটনস স্কুলে ভর্তি করা হয়। কটন স্কুলে পড়াশুনা শেষ করার পর মায়ের ইচ্ছায় ১৯৩২ সালে
সিলেট সরকারি পাইলট স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।
এই
স্কুল থেকে ১৯৩৪ সালে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাস করেন এবং ইংরেজিতে কৃতিত্বের জন্য
‘প্রিটোরিয়া অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন।
১৯৩৪
সালে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
থেকেই তিনি ১৯৩৬ সালে আই.এ পাশ করেন। ১৯৩৮ সালে বি.এ পাশ করেন।
১৯৩৯
সালে ভূগোলে এম এ প্রথম পর্ব পড়ার সময় ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। ছাত্র
হিসাবে সব সময়ই ওসমানী অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি
দক্ষতার পরিচয় দেন। ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলা এবং কর্তব্যপরায়ণতা তার চারিত্রিক গুণাবলি
বিশেষভাবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ছাত্রজীবনেই
ওসমানীর মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে।
যোগ্যতার
স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ.ও.টি.সি’র (ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর)
সার্জেন্ট নিযুক্ত হন। ওসমানী ১৯৩৯ সালে জুলাই মাসে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান
করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ
হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।
১৯৪১
সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে
ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্ব কনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটোলিয়ানের
অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫
সাল পর্যন্ত বার্মার রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহনে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কত্ব
দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার পিতার ইচ্ছা পূরণে আই.সি.এস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করে উত্তীর্ণ হন।
এম
এ জি ওসমানী ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে
যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ
করেন। তাকে ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল
স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে
ডেপুটি ডাইরেক্টর এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।
এসময়
আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানীর দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের
দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন
স্বাধীন চেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি
কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী।
পরবর্তীকালে
তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের
সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন
ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।
৬৫
বছর বয়সে ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ)
মাজার সংলগ্ন গোরস্তানে তাকে সমাহিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে নদী ও প্রকৃতি সুরক্ষা সামাজিক আন্দোলন ‘তরী বাংলাদেশ’এর পক্ষ থেকে জন সাধারণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
গতকাল
বিকেলে নগরীর পূবালী চত্ত্বর থেকে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন তরী বাংলাদেশ কুমিল্লা এর আহ্বায়ক হাবিবুর
রহমান। পরে কান্দিরপাড়, রানিরবাজার, টাউনহল, নিউমার্কেট এবং ভিক্টোরিয়া কলেজসহ বিভিন্ন এলাকায় লিফলেট বিতরণ করেন তরীরসদস্যরা।
এসময়
তরী বাংলাদেশ কুমিল্লা এর পক্ষে উপস্থিত
ছিলেন সদস্য সচিব মো. রেজাউল হাসান এবং আহবায়ক কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান, মো. কামরুর রশীদ, হানিফ চৌধুরী, ইব্রাহিম খলিল, মো. শরিফুল ইসলাম, রাকিবুল হাসান, জাফর সাদিক এবং রাজিব দাস।
তারা
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং যার যার অবস্থান থেকে ব্যক্তি পর্যায়ে সচেতন হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তরী
বাংলাদেশ এর আহবায়ক হাবিবুর
রহমান জানান - ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে জনস্বার্থে এই সচেতনতামূলক লিফলেট
বিতরণ কার্যক্রম তরী বাংলাদেশ কুমিল্লা এর বিভিন্ন উপজেলা
শাখাসমূহের মাধ্যমে অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


বগুড়া-৭
(গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং বগুড়া-৬ (সদর) আসনে দলটির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।
আজ
রোববার ( ২১ ডিসেম্বর ) দুপুর দেড়টায় শহরের গোহাইল রোডের নির্বাচন অফিস থেকে খালেদা
জিয়ার পক্ষে তার নির্বাচন সমন্বয়ক সাবেক সংসদ সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু মনোনয়নপত্র
সংগ্রহ করেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র
উত্তোলন করে হেলালুজ্জামান তালুকদার বলেন, খালেদা জিয়া এই আসনে টানা তিনবার নির্বাচিত
হয়েছেন। এবার সবচেয়ে বেশি ভোট আমরা তাকে উপহার দিতে চাই। মানুষ তাকে ভোট দেওয়ার জন্য
অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।
অন্যদিকে,
দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে তারেক রহমানের পক্ষে মনোনয়নপত্র
তোলেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এ সময় জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট
একেএম মাহবুবর রহমান, সাবেক আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, সাবেক
সভাপতি ভিপি সাইফুল ইললাম, শহর বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, সদর উপজেলা
বিএনপির সভাপতি মাহফতুন আহম্মেদ খান রুবেল, কেএম খায়রুল বাশার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ
সময় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জেলা নির্বাচন অফিস ও প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে জড়ো হলেও
নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন হওয়ার আশঙ্কায় তারা ভেতরে যাননি।
মনোনয়নপত্র
উত্তোলন শেষে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেন, তারেক রহমান বগুড়া সদর আসন
থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন। আজ তার পক্ষে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করা হয়েছে।
এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। বগুড়ার মানুষ অপেক্ষা করছে তারেক রহমানকে ধানের শীষে
ভোট দেওয়ার জন্য।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্যদের সাথে অর্থনৈতিক আলোচনায় বসার পরিকল্পনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) এমন খবর দিয়েছে
যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
মার্কিন রাজস্ব ও অর্থ দফতরের আন্তর্জাতিক
অর্থায়নবিষয়ক সহকারী আন্ডার সেক্রেটারি ব্রেন্ট নেইমার ওই পত্রিকাটিকে বলেছেন, আইএমএফ
এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে বাংলাদেশের নিরবচ্ছিন্ন সম্পৃক্ততার
জন্য মার্কিন সমর্থন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে ওয়াশিংটন। কারণ বাংলাদেশ আর্থিক খাতের
সংস্কার গভীরতর করে আর্থিক টেকসইমূলক উন্নতি এবং দুর্নীতি হ্রাস করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
জোরদার করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
আশাবাদী যে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক দুর্বলতা
মোকাবেলা করতে পারবে এবং অব্যাহত প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে পারবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থী-জনতার
আন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন ঘটেছে
গত ৫ আগস্ট। ওই দিন প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।
তার পদত্যাগের তিন দিন পর বাংলাদেশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন
সরকার দায়িত্ব নেয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর আগামী ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মাঝে প্রথমবারের মতো উচ্চ-পর্যায়ের অর্থনৈতিক সংলাপ
অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সংলাপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সাথে বাংলাদেশের
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ৮৪ বছর বয়সী নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বাংলাদেশের
অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রতিনিধি দলে যুক্তরাষ্ট্রের
অর্থ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দফতর ও ইউএসএইডের কর্মকর্তাদের অংশ নেয়ার কথা রয়েছে। সংলাপে
বাংলাদেশের আর্থিক ও মুদ্রানীতির পাশাপাশি আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা
হবে।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস বলেছে, ঢাকায় অনুষ্ঠেয়
সংলাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বাংলাদেশের আর্থিক এবং মুদ্রানীতির পাশাপাশি
আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হতে পারে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের সাথেও সাক্ষাৎ করবেন।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে জ্বালানি
ও খাদ্য আমদানির মূল্য বৃদ্ধির পর থেকে বাংলাদেশের ৪৫০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি দ্রুত
স্তিমিত হয়ে পড়ে। ফলে গত বছর ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের বেলআউটের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা
তহবিলের কাছে যেতে বাধ্য হয়েছে বাংলাদেশ।
সূত্র : ফিন্যান্সিয়াল টাইমস
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি ;
সময়মত নিবন্ধন নিব, সঠিকভাবে ভ্যাট দিব’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লায় পালিত হচ্ছে ভ্যাট দিবস ও ভ্যাট সপ্তাহ।
আজ বুধবার সকালে নগরীর ঝাউতলার হোটেল এলিট প্যালেসে দিবসটি উপলক্ষে এক বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
মূল্য সংযোজন কর সম্পর্কে জনসচেতনতা জোরদার ও সঠিকভাবে ভ্যাট পরিশোধে করদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার উদ্যোগে আয়োজন করা হয় এ সেমিনার।
কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, কুমিল্লার কমিশনার মো. আব্দুল মান্নান সরদারের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন কর অঞ্চল কুমিল্লার কর কমিশনার মো. আবদুস সোবহান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কর অঞ্চল নোয়াখালীর কর কমিশনার শাহ্ মুহাম্মদ ইত্তেদা হাসান এবং কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি জামাল আহমেদ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন যুগ্ম কমিশনার ফাহাদ আল ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুগ্ম কমিশনার নিতীশ বিশ্বাস।
এতে কমিশনারেটের বিভাগীয় কর্মকর্তা, সার্কেলের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, বিভিন্ন সেক্টরের অংশীজন এবং সাংবাদিকরা অংশ নেন।সেমিনারে বক্তারা বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে ভ্যাট নিবন্ধন গ্রহণ ও ভ্যাট পরিশোধকে সহজ ও উৎসাহব্যঞ্জক করতে কমিশনারেট নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। কেনাকাটার সময় ভ্যাট চালান গ্রহণে ক্রেতাদের সচেতনতা সৃষ্টি হলে ভ্যাট ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে।
দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে করদাতা, ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।
বিজয়ের মাসে আয়োজিত এ কর্মসূচি ভ্যাটসংক্রান্ত সচেতনতা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন