

মজিবুর রহমান পাবেল, নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা-৬ (আদর্শ সদর, সদর দক্ষিণ উপজেলা ও সেনানিবাস এলাকা) আসনের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও কুমিল্লা মহানগরীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বুধবার (২৯ অক্টোবর) দিনব্যাপী ব্যাপক গণসংযোগ ও একাধিক উঠান বৈঠকে অংশ নেন।
বিকাল ৩টা থেকে তিনি কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২০নং ওয়ার্ডের দিশাবন্দ লক্ষিনগর চৌমুহনী এলাকায় গণসংযোগ করেন। পরে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে দিশাবন্দ এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুমিল্লা বিশ্বরোড অঞ্চলের পরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কুমিল্লা মহানগরীর সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান।
ওয়ার্ড সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরামের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি ও দিশাবন্দের কৃতি সন্তান ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান, দিশাবন্দ কেন্দ্র পরিচালক আরিফুর রহমান, জামায়াত নেতা মাওলানা হারিস, ওমর ফারুক, মাস্টার এনায়েত উল্লাহ, সগির আহমদ, আব্দুর রহিম, জামাল হোসেন, রবিউলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন— “দেশের রাজনীতি থেকে অন্যায়, দুর্নীতি ও অবিচার দূর করতে হলে ইসলামী মূল্যবোধের রাজনীতিকে শক্তিশালী করতে হবে। আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা দুর্নীতি করব না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অঙ্গীকারবদ্ধ।”
এরপর তিনি কুমিল্লা নগরীর ১২নং ওয়ার্ডে আয়োজিত আরেক উঠান বৈঠকে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ১২নং ওয়ার্ড আমীর জাফর আহমেদ এবং সঞ্চালনা করেন কাউন্সিলর প্রার্থী ও ওয়ার্ড সেক্রেটারি হাফেজ হুমায়ুন কবির।
বিশেষ অতিথি ছিলেন অঞ্চল সহকারী পরিচালক মো. নুরে আলম বাবু, সহকারী সেক্রেটারি আব্দুল নোমান, মনিরুজ্জামান, আকবর হোসেন, কাইয়ুম খন্দকার, মাহবুবুর রশিদ, এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এছাড়া একই দিন সন্ধ্যায় সদর দক্ষিণ উপজেলার ৩নং গলিয়ারা ইউনিয়নের বাটেরা গ্রামে অনুষ্ঠিত এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাজী দ্বীন মোহাম্মদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর দক্ষিণ উপজেলা আমীর মো. মিজানুর রহমান এবং ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান।
বৈঠকে ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আবু তাহের, ২নং ওয়ার্ড সভাপতি মনিরুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুল হালিম, ১নং ওয়ার্ড সেক্রেটারি আবুল কালাম, শ্রমিক কল্যাণ ওয়ার্ড সভাপতি জিয়াউর রহমান, সমাজসেবক সফিকুল ইসলাম, আব্দুল মুমিন মাস্টার, মগবুল মিয়া, ফিরোজ মিয়া, মাওলানা আব্দুল মুমিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১২৫ বোতল বিদেশী মদসহ একজন
মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (৫ জুলাই) বিকালে র্যাব-১১,
সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল
থানাধীন রাজমঙ্গলপুর এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০)
নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১২৫ বোতল বিদেশী মদ
উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইয়াসিন (২০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার রাজমঙ্গলপুর গ্রামের মৃত আবু তাহের এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার
সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদকদ্রব্য বিদেশী মদ সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী
ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী
ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির
বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ
ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
গত
এক মাসে কুমিল্লা জেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে।
৫ আগস্ট ছাত্রজনতার আন্দোলনে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশের ন্যায় কুমিল্লা
জেলায়ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি লক্ষ্য করা যায়। হামলা-ভাঙচুর, লুটপাট, দখলবাজি
অহরহ ঘটতে থাকে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত কুমিল্লা
জেলায় অপরাধ প্রবণতা প্রকট আঁকার ধারণ করে। এ সময়ে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ
জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে ঝটিকা মিছিল, অগ্নিসংযোগ করে । এসব অপরাধ দমনে বিগত সময়ে পুলিশের
অভিযান পর্যাপ্ত ছিল না বলে অনেকেই মনে করেন। কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসে নতুন পুলিশ সুপার
মোঃ আনিসুজ্জামানের যোগদানের পর দৃশ্যপট দ্রুত পরিবর্তন হতে থাকে। জেলা পুলিশ, ডিবি পুলিশ পূর্বের তুলনায় অনেক বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে।
ফলে অপরাধ দমনে গ্রেপ্তার অভিযান বহুলাংশে বৃদ্ধি পায়। যা গত এক মাসের গ্রেফতার অভিযানের
পরিসংখ্যান দেখলেই সহজে অনুমান করা যায়। ফলে বিগত এক মাস ধরে জেলায় আওয়ামী লীগ ও এর
অঙ্গ-সংগঠনের কার্যক্রমও দেখা যায়নি।
কুমিল্লা
জেলা পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান এর নির্দেশে গত এক মাসে জেলাজুড়ে অভিযান পরিচালনা করে
বিভিন্ন মামলায় ১ হাজার ৩৮২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় পুলিশ বিপুল পরিমাণ মাদক
ও অস্ত্র-গুলিও উদ্ধার করে।
শুক্রবার
(৯ জানুয়ারি) জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে
অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মাদক মামলায় ১৮৫ জন, ডেভিল হান্ট ফেজ টুতে-৪২৬
জন, ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ২১ জন, নিয়মিত মামলায় ৭৫০ জন আসামি রয়েছে। এ সময় পুলিশ ৮০১ কেজি গাজা, ৪৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে । এছাড়া মাদক পরিবহন
কাজে ব্যবহৃত ২টি পিকআপ, একটি বাস, দুটি ট্রাক, দুটি সিএনজি এবং ডাকাতির
কাজে ব্যবহৃত ৪টি পিকআপ ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। ডাকাতদের কাছ থেকে লুন্ঠিত স্বর্ণ
ও কৃষকের ৮ টি গরু উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া
পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তলসহ ৪ টি পিস্তল, ৪টি এলজি,
১টি পাইপ গানসহ বিপুল পরিমাণ গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছে।
পুলিশের
সক্রিয়তা জনমনে অনেকটাই প্রশান্তি এনে দিয়েছে। যদিও পুলিশের কাছে মানুষের চাহিদা আরো
অনেক বেশি। তারপরেও গত এক মাসে কিছুটা হলেও পুলিশে আস্থা ফিরেছে জনগণের। বেশ কয়েকজনের
সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।
চকবাজার
এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ি কামাল হোসেন জানান, গত এক মাস ধরে শহরে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত
অনেকটাই কমে গেছে। পুলিশ সক্রিয় হয়েছে, কিশোর অপরাধিরাও আত্মগোপনে চলে গেছে। পুলিশের
কাছে এমন সক্রিয়তাই মানুষ আশা করে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হচ্ছে।
কান্দিরপাড়ের
ব্যবসায়ি আলমগীর হোসেন জানান, বর্তমান পুলিশ সুপারের যোগদানের পর পুলিশের মাঝে এখন
সক্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরাধ কমছে। আশা করি পুলিশ আরো ভাল কাজ করবে।
ভিক্টোরিয়া
কলেজের বিএসএস শাখার শিক্ষার্থী ইয়াছিন রাফান
জানান, গত ২০/২৫ দিনে পুলিশের ভূমিকা প্রশংসনীয়। অপরাধ কর্মকান্ড কমতে শুরু করেছে।
অপরাধিরা ভয়ে আছে। পুলিশের কাছে মানুষ এমনটাই আশা করে।
নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক সুশীল সমাজের এক নাগরিক জানান, পুলিশের মাঝে কাজের গতি বেড়েছে, এটা
ভাল দিক। তবে পুলিশকে তাদের নিজের মত কাজ করতে দিতে হবে। পুলিশ অপরাধি আটক করবে আর
সেই অপরাধিকে ছাড়িয়ে আনার জন্য রাজনীতিবিদরা তদবির করবে, তা হওয়া উচিত নয়। আবার জনগণ
যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেদিকেও পুলিশকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলেই একটি সুন্দর সমাজ
গড়ে উঠবে। নতুন পুলিশ সুপার যোগদান করেই ভাল সফলতা দেখাচ্ছেন। তাকে আরো সময় দিতে হবে।
যাতে তিনি কুমিল্লার মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করতে পারেন।
কুমিল্লার
পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, পুলিশ জনগণের সেবক। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাই জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ করতে এই অভিযান আরো জোরদার করা হবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৮ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
আজ (২ মার্চ) দুপুরে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন মনাগ্রাম এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে মোঃ পাভেল মিয়া (৩০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ পাভেল মিয়া (৩০) কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার দ্বিতীয় মুরাদপুর গ্রামের মৃত আবাদ মিয়া এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে ঢাকা, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষ আর চট্টগ্রাম-গাজীপুর গিয়ে কাগজপত্র আনতে হবে না। পরিক্ষা খাতা জমা দিতে হবে না। এডমিশন টেস্টের খাতা দেওয়ার জন্য আর দৌড়াতে হবে না। আপনারা কুমিল্লায় বসে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করতে পারবেন। এই আঞ্চলিক অফিস কুমিল্লাতে আমাদের আরো আগেই করা দরকার ছিল।
শুক্রবার (৫ আগস্ট) বেলা ১১টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধনী সভায় এসব কথা বলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইসা-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অডিটোরিয়াম এ উদ্বোধনী সভা হয়।
উদ্বোধনী সভার পর কুমিল্লা হাউজিং এস্টেট এলাকায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কুমিল্লা আঞ্চলিক কেন্দ্র উদ্বোধ করা হয়। এসময় কুমিল্লা অঞ্চলের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
কুমিল্লা অঞ্চলের মানুষকে নিয়ে গবেষণা হতে পারে মন্তব্য করে ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, হাজার বছরের সংস্কৃতি কুমিল্লা, বাংলাদেশের অস্তিত্বের সাথে জড়িত। কুমিল্লার সাংস্কৃতিক ইতিহাস, খাবার, মিষ্টান্ন ও কুমিল্লার মানুষদের নিয়ে শত মত পৃষ্ঠা লিখা যাবে। আমি কুমিল্লা নিয়ে গর্ববোধ করি। কুমিল্লার ছেলে মেয়েরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে। তারা চমৎকার পারফর্ম করছে। শুধু বললে হবে না। আমি নিজের চোখে দেখেছি, তারা কতটা পরিশ্রমী। যারা পরিশ্রম করে তারা তো সফল হবেই।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবুল বাসার ভূঁঞা সভাপতিত্বে উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজিব আল মিঠু।
ড. এ এস এম আমানুল্লাহ আরো বলেন, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব স্থাপন হবে। যেখানে জাপানি, কুরিয়ান, ইংরেজি আরবি ভাষা শিক্ষা দেওয়া হবে। যার ফলে এই কলেজে শিক্ষার্থীদোর ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। ভিক্টোরিয়া কলেজের জিয়া অডিটোরিয়াম সংস্কার করা দরকার। এ বিষয় নিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বসবে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ১৪,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
গতকাল (১২ মে) রাতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ একটি বিশেষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ভাটপাড়া এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে আসামী সাগর (২০) নামক একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় আসামীর কাছ থেকে ১৪,০০০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামী সাগর কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার বরজলা গ্রামের মোঃ সিদ্দিক এর ছেলে।
র্যাব জানান, সে দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে। র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় সবজিক্ষেতে গাঁজা চাষের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে গাঁজা গাছসহ এক চাষীকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গতকাল বুধবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) কুমিল্লা কার্যালয়ের সরবরাহকৃত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসন, বুড়িচং থানা পুলিশ ও কুমিল্লা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি যৌথ টিম অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানকালে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের বড়াইল পশ্চিম পাড়ায় মো. দুলাল মিয়া (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে তার সবজিক্ষেত থেকে গাঁজা গাছসহ আটক করা হয়। অভিযানে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হলেও ধারণা করা হচ্ছে, অভিযানের আগেই তিনি অতিরিক্ত গাছ সরিয়ে ফেলেছেন। পরে তার বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এক বক্স শুকনো গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন উপকরণ জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, দুলাল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সবজিক্ষেতের আড়ালে গোপনে গাঁজা চাষ করে আসছিলেন। আটক ব্যক্তি মৃত মো. কালা মিয়ার ছেলে। তার বাড়ি বুড়িচং উপজেলার বড়াইল পশ্চিম পাড়া।
এ ঘটনায় রাতেই কুমিল্লা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন বাদী হয়ে বুড়িচং থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন।
বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক বলেন, “আসামিকে গ্রেফতার করে থানায় আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে কুমিল্লা আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।”
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দেবিদ্বারে শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার হওয়া করিম ভূঁইয়া নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক মিলে করিম ভূঁইয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখেন।
আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, আগের দিন শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার আমলী আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন চার ঘাতক।
পুলিশ জানায়, নিখোঁজের একমাস পাঁচদিন পর গত ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুর বাড়ির একটি টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় করিম ভূঁইয়ার (৪৮) গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত করিম ভূঁইয়া উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মন্ত্রীবাড়ি এলাকার মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে। তিনি গত ১৩ আগস্ট সকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন।
গ্রেপ্তারদের জবানবন্দী সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ আগস্ট রাতে স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেন শ্যালক ইসরাফিল। সেখানে প্রথমে তিন ভাই মিলে তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করেন। এ সময় তার মাথা থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্ত্রী তাছলিমা সেই রক্ত মুছে ফেলেন। পরে বড় ভাইয়ের বিল্ডিংয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে মরদেহ ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি রাজি না হওয়ায় প্রথমে মরদেহ বাড়ির পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়। সকালে মরদেহ ভেসে উঠলে আবারও স্ত্রী এবং ভাইয়েরা মিলে খাল থেকে তুলে এনে হাত-পা বেঁধে বড় ভাইয়ের টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেন।
মরদেহ উদ্ধারের পর নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও তার তিন ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তারা শনিবার বিকেলে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দী দেন।
দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ বলেন, স্ত্রী তাছলিমার পরিকল্পনায় মাদক সেবনের লোভ দেখিয়ে ভালো ব্যবহার করে ডেকে নিয়ে তিন ভাইসহ চারজনে মিলে করিম ভূঁইয়াকে হত্যা করে। নিহতের ভাই আমির হোসেন থানায় সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে। পরে সন্দেহভাজন আসামিদের ওপর নজরদারি ও গ্রেপ্তারের ভিত্তিতেই মরদেহ উদ্ধার এবং হত্যার রহস্য উদঘাটন করা হয়। নিহত করিম ভুইয়া প্রায় স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও মেয়েকে পাশবিক নির্যাতন করতেন। এতে তারা অতিষ্ঠ হয়ে এ হত্যাকান্ডটি ঘটায়।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে সিএনজি চালক রাসেলকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দুই যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।
২১ এপ্রিল রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতের বিচারক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন- কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন প্রঃ ইয়াজ উদ্দিন প্রঃ সালাউদ্দিন (২৩) ও একই জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি (৩০)।
মামলার বিবরণে জানাযায়- ২০১৯ সালের ১৮ জুন আসামীরা পরষ্পর যোগসাজশে হত্যাকাণ্ডের শিকার সিএনজি চালক রাসেল এর সিএনজি গাড়ীটি রিজার্ভ ভাড়া করে মুন্সিরহাট টু বাঙ্গড্ডা বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু রাসেল রাতে বাড়ীতে ফিরে না আসায় তাঁর স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোজাখুজি করার একপর্যায়ে আসামি একরামুল হক পাগলা মোবাইল করে বলে যে, সিএনজিসহ রাসেলকে অজ্ঞাত স্থানে আটক আছে। তাঁকে ছাড়াইতে হলে এক লক্ষ টাকা লাগবে। আরও বলেন এবিষয়ে কাউকে কিছু বলা যাবেনা। তখন বাদী নিরুপায় হতে অনেক কষ্টে ৫০ হাজার টাকা সংগ্রহ করে একরামুল হক পাগলার বিকাশ নম্বরে পাঠায়। কিন্তু কুমিল্লা রাজাপাড়া মোড়ে রাসেলকে ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ার কথা বলে বিমানবন্দর এলাকায় জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি প্যান্টের বেল্ট খুলে গলায় পেচিয়ে মাটিতে পেলে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে এবং কাঁদা মাটি দিয়ে ঢেকে লাশ গুম করে রাখে। পরে তাদের দেখানো মতে পুলিশ রাসেল এর মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ ব্যাপারে ভিকটিম রাসেল এর বাবা কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫৫) বাদী হয়ে একই গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন (২৩), মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন (২১) ও টুংকু মিয়া (১৯) ও একরামুল হক পাগলা (৪৫) সহ অজ্ঞাতনামা ৩/৪জনকে আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানায় একটি মামলা দায়ের করিলে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি টুংকু মিয়া, গিয়াসউদ্দিন, মোঃ শাহীন ও একরামুলকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করিলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তৎপর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ হারুনুর রশিদ, এসআই সুজন কুমার মজুমদার ও এসআই মিন্টু দত্ত দুটি চার্জশীট দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৫ জুন চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে গিয়াসউদ্দিন ও মহিউদ্দিন @ টুংকু ও মৃত ওসমান আলীর ছেলে একরামুল হক পাগলা ও নাঙ্গলকোট উপজেলার গান্দাচী গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ১৪৩, ৩৬৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৭৯, ৫০৬, ৩০২, ২০১, ৪১১, ১০৯ ও ৩৪ ধারা বিধানমতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন এবং চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর গ্রামের একরামুল হক পাগলার ছেলে মোঃ শাহীন মিয়া (১৭) ও ভিকটিম রাসেলের বড়ভাইয়ের দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা আক্তার সাথী'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় সম্পূরক দোষীপত্র দাখিল করেন। তৎপর মামলাটি বিচারে আসিলে ২০১৯ সালের ১২ জুন আসামি গিয়াসউদ্দিন, মহিউদ্দিন @ টুংকু, একরামুল হক পাগলা ও অলি উল্লাহ প্রঃ অলি'র বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ গঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১৩জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামীদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামী দ্বয়ের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি গিয়াসউদ্দিন ও পলাতক আসামী অলি উল্লাহ প্রঃ অলিকে মৃত্যুদণ্ড এবং একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত। আসামি মহিউদ্দিন প্রঃ টুংকু'র বিরুদ্ধে রাষ্টপক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাঁকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং আসামি একরামুল হক পাগলা মামলা চলাকালীন সময়ে মৃত্যু বরণ করিয়াছেন।
রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ গিয়াসউদ্দিন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন এবং অপর আসামি অলি উল্লাহ প্রঃ অলি আদালত কাঠগড়ায় অনুপস্থিত ছিলেন।
এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী অতিঃ পিপি এডভোকেট মোঃ মুজিবুর রহমান বাহার বলেন- আশা করছি উচ্চ আদালত এ রায় বহাল রেখে দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করবেন।
অপরদিকে, আসামি পক্ষে নিযুক্তীয় বিজ্ঞ কৌশলী বলেন- এ রায়ে আসামিপক্ষ অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে শীঘ্রই উচ্চ আদালতে আপীল করবো।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন , কুমিল্লা প্রতিনিধি;
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা। তিনি বলেন , নির্বাচনে ষড়যন্ত্র হতে পারে তাই সকাল বেলায় ভোট কেন্দ্রে আসলে হবে না। বাড়িতে তাহাজ্জতের নামাজ পড়ে ভোট কেন্দ্রে এসে জামাতে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে এসে ভোট দিতে দাঁড়াতে হবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভোটের বাক্স পাহাড়া দিতে হবে। রবিবার রাত পৌনে ১১টায় জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার ফুলতলী মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রায় ২৩ মিনিটের বক্তব্যে তারেক রহমান খাল কাটা, বেকার যুবকদের প্রশিক্ষণ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, দরিদ্র জনগোষ্টির স্বাস্থ্য সেবায় হেলথ কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির কথা তুলে ধরে ধরেন।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের উন্নয়ন এবং ভাগ্যের পরিবর্তন করা। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এ দেশের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। ২০২৪ সালে এই স্বাধীনতা রক্ষার জন্য মানুষ আবারো জীবন দিয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলেরই ৪১৯ জন মানুষ শহীদ হয়েছেন। এর বাইরে আরো সহস্রাধিক মানুষ জীবন দিয়েছে। জুলাই যোদ্ধারা আমাদের স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যখন ছিল নারীদের ফ্রি শিক্ষা ব্যবস্থা করেছে। বহু কৃষকের ঋণ মওকুফ করেছে। বিএনপি দেশের এবং মানুষের উন্নয়নে বিশ্বাসী। বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। কিভাবে ছাত্রদের বা যারা তরুণ যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। আমরা সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাব। মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমরা কাজ করব। তিনি বলেন, আমরা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করতে চাই না। আমরা মানুষের উন্নয়নের কথা বলতে চাই। কিভাবে উন্নয়ন করতে হয় সেই পরিকল্পনা মানুষের সামনে তুলে ধরছি।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ যে আশা নিয়ে ৫ আগষ্ট দেশের একটি পরিবর্তন করেছিল সেই লক্ষ্যে দেশকে স্বনির্ভর ও দেশের মানুষকে ভালো রাখতে বিএনপি ভোট দিতে হবে। আগামি ১২ ফেব্রুযারি কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ উপকৃত হবে এমন কাজ করবে। কিন্তু তারা আমাদের ভালো কাজেরও সমালোচনা করছে। নির্বাচনী শ্লোগান স্মরণ করিয়ে দিয়ে সমাবেশে তারেক রহমান বলেন, ‘করবো কাজ গরবো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও কুমিল্লা-৬ আসনে দলের প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা-৭ আসনের প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ, চাঁদপুর-১ আসনের প্রার্থী এহসানুল হক মিলন, চাঁদপুর সদর আসনের ফরিদ উদ্দিন মানিক, চাঁদপুর-৫ আসনের হারুনুর রশিদ, কুমিল্লা-১০ আসনের প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া, দলের কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিম ভূঁইয়া, সহসাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম, কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি জাকারিয়া তাহের সুমন, সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি উদবাতুল বারী আবু, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ মোল্লা টিপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ
মন্তব্য করুন


কুমিল্লার
সদর উপজেলার মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়া নামে এক প্রবাসীর বাড়ি থেকে ২০০ কেজি
গাঁজা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় মোতালেব মিয়ার স্ত্রী তাসলিমা বেগম (৩৭) এবং মেয়ে
ইসরাত জাহানকে (১৯) আটক করা হয়েছে। তাসলিমা ও ইসরাত সম্পর্কে মা ও মেয়ে।
আটকের
বিষয়ে কোতয়ালি থানা পুলিশ জানায়, বুধবার ভোর রাতে মির্জানগরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে
অভিযান পরিচালনা করা হয় মালয়েশিয়া প্রবাসী মোতালেব মিয়ার বাড়িতে। এ সময় তার বাড়ি
থেকে পাঁচ মন গাঁজা জব্দ করে পুলিশ। আটক করা হয় ইসরাত জাহান ও তাসলিমা বেগমকে। এই
সময় ওমর ফারুক, হান্নান ও আমজাদ নামে তিন মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়।
তারা
সবাই মিলে মাদক পাচার ও ব্যবসার সাথে জড়িত বলে জানিয়েছে কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা মাহিনুল ইসলাম।
গ্রেফতারকৃত
ইসরাত জাহান কোতোয়ালি থানাধীন মির্জানগর গ্রামের মোতালেব মিয়ার মেয়ে ও তাসলিমা আক্তার
মোতালেব মিয়ার স্ত্রী।
কোতয়ালি
থানা ওসি মাহিনুল ইসলাম জানান, তাসলিমা বেগমের বিরুদ্ধে আগেরও একটি মাদকের মামলা রয়েছে।
এবার মা-মেয়ে দুজনই আটক হলেন। অভিযানে মোতালেবের ঘরে লুকানো অবস্থায় ১০ টি বড় ধরনের
বস্তায় ভর্তি ৫ মন গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওমর ফারুক,
হান্নান ও আমজাদ পালিয়ে যায়। তারা তিনজন ওই এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। মাদকের
এই সিন্ডিকেট টি ওই বাড়িতে রেখে দীর্ঘদিন ধরে গাঁজার ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলো।
এই ঘটনায় কোতয়ালি মডেল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত মা-মেয়েকে
আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মন্তব্য করুন