

প্রধান
নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, দেশে কোনো পাতানো নির্বাচন
হবে না এবং রাজপথে নামারও দরকার হবে না।
আজ
বৃহস্পতিবার ( ০৮ জানুয়ারি ) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন
(ইসি) ভবনে আপিল দায়ের কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ
কথা বলেন।
মনোনয়নপত্র
বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে সর্বোচ্চ
ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে নির্বাচন কমিশন। রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো মনোনয়নপত্র গ্রহণ
বা বাতিল করলে, উভয় ক্ষেত্রেই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আপিল করার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন,
‘আমরা ইনসাফে বিশ্বাসী। আমরা ইনসাফ করব। শুনানি শেষে আপনারা দেখবেন, আইন ও বিধিবিধান
অনুযায়ী ন্যায়বিচার করা হয়েছে। আইন সবার জন্য সমান এবং সবাই তা মানতে বাধ্য।’
এক
প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, অতীতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন সহিংসতা ও বোমাবাজির ঘটনা
ঘটত। কিন্তু এবার অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোনো সহিংসতার
খবর পাওয়া যায়নি। এটি একটি ভালো দিক। তিনি আরও জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের
বিরুদ্ধে আপিলে প্রতিকার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
নির্বাচন
কমিশন এখন মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘দূর-দূরান্ত
থেকে মানুষ আপিল করতে আসছেন। এতে প্রমাণ হয়, নির্বাচনের প্রতি মানুষের আগ্রহ রয়েছে।
আমরা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবেই দেখছি।’এদিকে, মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের
আদেশের বিরুদ্ধে আজ চতুর্থ দিনের মতো নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের শুরু হয়েছে। ইসির
কর্মকর্তারা জানান, গত বুধবার নির্বাচন কমিশনে ১৩১টি আপিল দায়ের করা হয়। এতে গত তিন
দিনে মোট আপিলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯৫টি।
ইসির
কর্মকর্তারা আরও জানান, বুধবার দায়ের করা আপিলগুলোর মধ্যে খুলনা অঞ্চলে ১১টি, রাজশাহী
অঞ্চলে ১৫টি, রংপুর অঞ্চলে ৯টি, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ১০টি, কুমিল্লা অঞ্চলে ১৯টি, ঢাকা
অঞ্চলে ৩১টি, ময়মনসিংহ অঞ্চলে ১৬টি, বরিশাল অঞ্চলে ৯টি এবং ফরিদপুর অঞ্চলের জেলাগুলো
থেকে ৭টি আপিল দায়ের করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার দ্বিতীয় দিনে ১২২টি আপিল দায়ের করা হয়।
সোমবার প্রথম দিনে মনোনয়নপত্র বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে ৪১টি এবং মনোনয়নপত্র গ্রহণের
বিরুদ্ধে একটি আপিল দায়ের করা হয়।
ইসি
সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে জমা পড়া
মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা
১ হাজার ৮৪২টি মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। ইসির
নোটিশ অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তার আদেশে সংক্ষুব্ধ কোনো প্রার্থী বা ব্যাংক বা আর্থিক
প্রতিষ্ঠান কিংবা সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল
৫টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করতে পারবেন। আপিলের ক্ষেত্রে মূল কাগজের ১ সেট
ও ৬ সেট ফটোকপি মেমোরেন্ডাম আকারে জমা দিতে হবে।
নির্বাচন
কমিশনে দায়ের করা আপিলগুলোর শুনানি আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিদিন সকাল
১০টা থেকে নির্বাচন ভবনের বেইজমেন্ট-২ এর অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে পারে। ফুল কমিশন
এ শুনানি গ্রহণ করবেন।
ইসির
তথ্য অনুযায়ী, ১০ জানুয়ারি ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের শুনানি শুরু হবে। ১১ জানুয়ারি ৭১
থেকে ১৪০, ১২ জানুয়ারি ১৪১ থেকে ২১০, ১৩ জানুয়ারি ২১১ থেকে ২৮০, ১৪ জানুয়ারি ২৮১ থেকে
৩৫০, ১৫ জানুয়ারি ৩৫১ থেকে ৪২০, ১৬ জানুয়ারি ৪২১ থেকে ৪৯০, ১৭ জানুয়ারি ৪৯১ থেকে ৫৬০
এবং ১৮ জানুয়ারি ৫৬১ নম্বর থেকে অবশিষ্ট আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
শুনানি
শেষে আপিলের ফলাফল মনিটরে দেখানো হবে। একই সঙ্গে রায়ের পিডিএফ কপি ও আপিলের সিদ্ধান্ত
রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের ই-মেইল ঠিকানায় পাঠানো হবে এবং নির্বাচন কমিশনের
ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী নির্বাচন ভবনের অভ্যর্থনা
ডেস্ক থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মাধ্যমে রায়ের অনুলিপি বিতরণ করা হবে।
মন্তব্য করুন


সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি
আজ (১ অক্টোবর ২০২৪) ইসিবি চত্ত্বরে ঢাকা জেলার জন্য স্থাপিত মেডিকেল ডিসপেনসারিতে
উপস্থিত হয়ে ভিডিও টেলি কনফারেন্স (ভিটিসি) এর মাধ্যমে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় নতুন
করে স্থাপিত আরও ৩০টি মেডিকেল ডিসপেনসারির শুভ উদ্বোধন করেন।
এরপর তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সাথে মতবিনিময়
করেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যদের
কল্যাণার্থে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বোর্ড কর্তৃক সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী,
বিমান বাহিনী এবং সেনাকল্যাণ সংস্থার অর্থায়নে দেশের বিভিন্ন জেলায় ৩১টি মেডিকেল
ডিসপেনসারি পরিচালিত হচ্ছে।
আজ আরও ৩০টি নতুন মেডিকেল ডিসপেনসারির কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে দেশের ৬১টি জেলায় অবসরপ্রাপ্ত ১,৫৫,২৬৪ জন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও তদ্বীয় পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি আরও সহজতর হবে।
উল্লেখ্য, অবশিষ্ট ৩টি জেলায় সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত মেইন ড্রেসিং স্টেশন (এমডিএস) হতে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও তদ্বীয় পরিবারবর্গ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন। প্রতিটি জেলায় মেডিকেল ডিসপেনসারি স্থাপনের ফলে তাদের অর্থ ও সময় উভয়ই বাঁচবে এবং দূর-দূরান্ত থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের ঔষধ সংগ্রহের সমস্যাও অনেকাংশে লাঘব হবে। এছাড়া, সাম্প্রতিক সময়ে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বহিনীর সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের চিকিৎসা সেবায় সিএমএইচ সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাইভেট হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্প প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের রেশন ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক এ বিষয়ে আরো বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার মাধ্যমে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও পরিবারবর্গের জীবনযাত্রার মান বহুলাংশে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উক্ত অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ছাড়াও সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন জেলার বেসামরিক প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ (ভিটিসির মাধ্যমে), সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্যগণ ও তাদের পরিবারবর্গ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে ও প্রবাসে বসবাসকারী সব বাংলাদেশিসহ
বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।
আগামীকাল
(১১ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এই শুভেচ্ছা জানান।
রাষ্ট্রপতি
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন,মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের
বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদুল ফিতরের শিক্ষা সবার মাঝে
ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। ঈদের এই আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে,
সারা বাংলায়, সারা বিশ্বে। এদিন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের
আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন। ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি আর ঐক্যের
বন্ধন। ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম। এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির স্থান নেই। মানবিক
মূল্যবোধ, সাম্য ও পারস্পরিক সহাবস্থান এবং পরমতসহিষ্ণুতাসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম
ধারণ করে। ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। বিশ্বব্যাপী
নানাবিধ সংকটের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দাভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বাংলাদেশেও এ মন্দার
প্রভাব দৃশ্যমান। ফলে সমাজের দরিদ্র জনগোষ্ঠী স্বাভাবিক জীবনধারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি
হচ্ছে। এমতাবস্থায়, আমি সমাজের সচ্ছল ব্যক্তিদের প্রতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর
আহ্বান জানাচ্ছি, যেন ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই ঈদের আনন্দ সমানভাবে উপভোগ করতে পারে।
মন্তব্য করুন


ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ
বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট আজ শুক্রবার সিঙ্গাপুর থেকে ঢাকার
উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে। সারাদেশে শোকের আবহ বিরাজ করছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ সিঙ্গাপুরের
চাঙ্গি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৩ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়
দুপুর ২টা ৩ মিনিটে) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা
করে। ফ্লাইটটি আজ সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের ফ্লাইট বিজি-৫৮৫ আজ
বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩ মিনিটে সিঙ্গাপুর ত্যাগ করেছে এবং শরিফ ওসমান হাদির মরদেহ
নিয়ে সন্ধ্যা আনুমানিক ৫টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায়
গেলে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে। যাতে এই মানুষগুলো নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।
শুধু কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে চাই না, পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল করে গড়ে তুলতে
চাই। যেন আপনারা মধ্যপ্রাচ্য, লন্ডন বা পৃথিবীর অন্য কোথাও যান যাতে ওই দেশে গিয়ে আপনারা
দ্রুত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন।
তিনি বলেন, নারীদের উন্নয়নে কাজ করতে চায় বিএনপি।
ক্ষমতায় গেলে দেশের চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। আর এই ফ্যামেলি কার্ড
দেওয়া হবে নারীদের। পরিবারের মায়েরা পাবেন এই কার্ড। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে তাদেরকে
খাদ্য সহায়তা বা নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। যাতে করে তাদের সংসার সুন্দরভাবে চালাতে
পারেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজারের শেরপুরের
আইনপুর মাঠে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফয়জুল করিম ময়ূনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আব্দুর
রহিম রিপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক
জিকে গৌউছ, মিফতাহ উদ্দিন সিদ্দিকি।
প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তারেক রহমান আরও বলেন, আমরা
ঘরে ঘরে ফ্যামেলি কার্ড দেব। কৃষকদের উন্নয়নে আমরা কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। এই কার্ডের
মাধ্যমে তাদেরকে ঋণ, সার, বীজ ও বিমা সহায়তা দেব। যাতে করে তাদের বিপদের সময় ঘুরে দাঁড়াতে
পারে।
এতে বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলার ৪টি আসনের বিএনপি
মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও মৌলভীবাজার-৩ আসনের এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের
হাজী মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মৌলভীবাজার-২ আসনের শওকতুল ইসলাম শকু এবং মৌলভীবাজার-১
আসনের নাসির উদ্দিন মিঠু।
জনসভায় জেলার ৭টি উপজেলা থেকে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের
নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। দুপুর গড়াতেই শেরপুরের আইনপুর মাঠে লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে।
সকাল থেকে সমাবেশস্থলে মানুষের উপস্থিতি শুরু হয়।
দুপুর গড়ানোর আগেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে উপস্থিত হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। মৌলভীবাজার
সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে দলের নেতাকর্মীরা
উপস্থিত হতে থাকেন।
দীর্ঘদিন পর জনসভায় তারেক রহমানের উপস্থিতি নেতাকর্মীদের
মধ্যে বিপুল উৎসাহের সঞ্চার করে। এই জনসভায় তারেক রহমান জেলার ৪টি আসনের বিএনপি মনোনীত
সংসদ সদস্য প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। এর আগে ২০০৫ সালে মৌলভীবাজারে প্রথম আসেন
তারেক রহমান। সর্বশেষ ২০১৮ সালে শেরপুরের পথসভা ও ২০০৪ সালে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ
বিদ্যালয়ের মাঠের জনসভার পর এটাই দলীয়প্রধানের প্রথম কোনো জনসভা।
মন্তব্য করুন


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের সরকারি সিদ্ধান্তে আনন্দ প্রকাশ
করেছে বিএনপি।
আজ রবিবার (১১ মে) দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক
বিবৃতিতে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, গত ১০ ফেব্রুয়ারি আমরা প্রধান উপদেষ্টা সঙ্গে সাক্ষাৎকালে
তার হাতে দেওয়া পত্রে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল
হিসেবে বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছিলাম।
তিনি বলেন, গত ১৬ এপ্রিল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সর্বশেষ সাক্ষাৎকালেও
তার হাতে দেওয়া পত্রে আমরা পতিত ফ্যাসিবাদী দল ও সেই দলীয় সরকারের সঙ্গে যারাই যুক্ত
ছিল, তাদের বিচার দ্রুত করে দেশের রাজনীতির ময়দানকে জঞ্জালমুক্ত করার দাবি জানিয়েছি।
আলোচনায় আমরা স্পষ্ট করে বলেছিলাম যে, আইনি প্রক্রিয়াতেই ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগকে
নিষিদ্ধ করা সম্ভব ও উচিত। বিভিন্ন সভা, সমাবেশে ও আলোচনায় আমরা আমাদের এসব দাবি বার
বার উত্থাপন করেছি।
উল্লেখযোগ্য যে, আমরা প্রশাসনিক আদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের
বিরুদ্ধে বলেই বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে
নিষিদ্ধ ঘোষণার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিএনপি।
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, আমরা আনন্দিত যে, বিলম্বে
হলেও গত রাতে (১০ মে) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ফ্যাসিবাদী সরকারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের
মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দ্রুত করার এবং বিচারকার্য নির্বিঘ্ন করার স্বার্থে ফ্যাসিবাদী
দল আওয়ামী লীগ ও তার সঙ্গে যুক্ত সব সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রাসঙ্গিক আইন সংশোধন করে বিচারিক প্রক্রিয়ায়
গুম, খুন, নিপীড়ন ও জনগণের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন অপশাসন চালনাকারী ফ্যাসিবাদী দলের বিচার
করার সিদ্ধান্তকে আমরা সঠিক বলে মনে করি। তবে আমাদের দাবি মেনে আগেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া
হলে চাপের মুখে ব্যবস্থা নেওয়ার মতো বিব্রতকর ও অনভিপ্রেত অবস্থায় সরকারকে পড়তে হতো
না। ভবিষ্যৎ কার্যক্রম পরিচালনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে মনে
রাখবেন বলে আমরা আশা করি। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণ তাদের ভোটাধিকার
তথা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই ফ্যাসিবাদের পতনের জন্য গুম, খুন, জেল, জুলুম
সহ্য করেও অব্যহত লড়াই করেছে। তাদের সেই দাবি এখনও অর্জিত হয়নি। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার
সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণঅর দাবিও ক্রমাগত উপেক্ষিত হওয়ায় জনমনে যে ক্ষোভোর সৃষ্টি
হচ্ছে, সে ব্যাপারে সচেতন হওয়ার জন্য আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
মন্তব্য করুন


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান “তারেক রহমানের” জন্মদিন আগামী ২০ নভেম্বর।
দিনটি নিয়ে দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, পোস্টার-ব্যানার লাগানো ও আলোচনাসভাসহ কোনো ধরনের আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান বা উৎসব পালন করা যাবে না। ঢাকাসহ দেশব্যাপী বিএনপির সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের উল্লিখিত দলীয় নির্দেশনাটি লঙ্ঘন না করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে জোর আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আজ (১৪
ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধান উপদেষ্টা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
আজ সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো.
সাহাবুদ্দিন এবং পরে প্রধান উপদেষ্টা সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা
নিবেদন শেষে তারা সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল
রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়।
এ সময় বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।
দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর
বাঙালি জাতির চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র দুই দিন আগে ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর দখলদার পাকিস্তানি
বাহিনী ও তাদের এই দেশীয় দোসররা জাতিকে মেধা শূন্য করতে এই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের
হত্যা করে।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম
চৌধুরী র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন ।
মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় র্যাব সদর
দপ্তরে র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দিয়ে
বলেন, র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না। র্যাব গঠনের সময় বলা
হয়েছিল, বাহিনীটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীকালে তা
মানা হয়নি।
তিনি আরো বলেন, র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এটি একটি সুশৃঙ্খল ও
সুসংগঠিত বাহিনী হিসেবে মানুষের সম্মান, আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করে। পুলিশ ও
সশস্ত্র বাহিনীর সেরা অফিসারদের এখানে পদায়ন করা হতো। যখনই রাজনৈতিক বিবেচনায় এ
বাহিনীতে নিয়োগ ও পদায়ন শুরু হয়, তখন থেকে এতে পচন ধরতে শুরু করে। সাধারণ মানুষের
মনে বদ্ধমূল ধারণা এই যে, যখন থেকে র্যাবকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা শুরু
হয়, তখন থেকেই র্যাব গুম, খুনসহ বিভিন্ন বেআইনি ও অপকর্মের সঙ্গে জড়িত হতে শুরু
করে।
জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ভালোবাসা, ব্যবহার ও পারফরম্যান্সের
মাধ্যমে র্যাবের হারানো গৌরব ও সম্মান পুনরুদ্ধার সম্ভব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টা বলেন, সেজন্য আইনের মধ্যে থেকে র্যাবকে কাজ করে যেতে হবে। ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ মানা যাবে না। অননুমোদিত ও বেআইনিভাবে কাউকে আটক রাখা
যাবে না। ক্রসফায়ার, গুম, খুন থেকে র্যাবকে দূরে থাকতে হবে।
সভায় র্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমানসহ বাহিনীর বিভিন্ন
পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
পরে অনুষ্ঠানে র্যাবের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে উপদেষ্টাকে
অবহিত করা হয়।
মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা র্যাবের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন
এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আরো ১৫৮ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) একযোগে বদলি করেছে সরকার। বুধবার (২৬ নভেম্বর) রাতে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি
প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এর আগে সন্ধ্যায় ১৬৬ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তার আগে দুপুরে একযোগে ৬৪ জেলার এসপি
পরিবর্তন করা হয়েছে।
এসব
কর্মকর্তা আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে
বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হয়ে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় তিনি ৩০
নভেম্বর বর্তমান কর্মস্থল হতে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত গণ্য হবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে
আরো বলা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তার দপ্তর/ কর্মস্থল ইতিমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে
কার্যকর হবে।
বুধবার
সন্ধ্যায় ১৬৬ উপজেলায় নতুন ইউএনও নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তার আগে দুপুরে একযোগে ৬৪ জেলার এসপি
পরিবর্তন করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাত ধরে দেশ গণতান্ত্রিক যাত্রার পথে এগিয়ে যাবে।
তাঁর রাজসিক প্রত্যাবর্তন সেই বার্তাই বহন করে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
এসব কথা বলেছেন তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনেরও প্রত্যাশাও জানান
তিনি।
শুক্রবার
দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে
বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন।
দীর্ঘ
১৯ বছর পর আজ (শুক্রবার) রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর
রহমানের সমাধিতে যাবেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সর্বশেষ
২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
বাদ
জুমা শেরেবাংলা নগরে বাবার সমাধিতে যাওয়ার কথা তারেক রহমানের। এ উপলক্ষ্যে সমাধি এলাকায়
নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সকাল
থেকে নেতাকর্মীদের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। দলের কয়েক হাজার নেতাকর্মীর উপস্থিতি
লক্ষ্য করা গেছে মাজার এলাকায়।
অন্যদিকে,
তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পুলিশ, বিজিবি ও আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সাদা
পোশাকেও দায়িত্ব পালন করছেন।
নেতাকর্মীরা
জানান, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর সেটিকে
বাস্তবায়ন করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। এখন তারেক রহমানের হাত ধরে সেই গণতন্ত্র প্রস্ফুটিত
হবে।
একই
সঙ্গে তারেক রহমানের আগমনে নির্বাচনকেন্দ্রিক জটিলতাসহ দেশের সব ধোঁয়াশা কেটে গেছে
বলেও দাবি তাদের।
মন্তব্য করুন