

প্রতি সপ্তাহে ২০০ জন শহীদের পরিবারকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ
সম্পাদক সারজিস আলম।
শুক্রবার (১ নভেম্বর) ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শহীদ পরিবারকে আর্থিক
সহযোগিতার বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, ‘শহীদ পরিবারের পাশে বাংলাদেশ’ শিরোনামে ফাউন্ডেশনের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা করা শুরু হবে শনিবার। এদিন চারটি সেগমেন্টে চেক হস্তান্তরের
কাজ চলবে। ৮ বিভাগেই শহীদ পরিবারকে সহযোগিতার কাজ করা হবে। প্রথম ধাপে ঢাকা বিভাগ নিয়ে
কাজ চলছে। ভুয়া নম্বর থেকে কল দেয়া হচ্ছে, যা আমাদের নয়। ১৬০০০ নম্বরটি থেকে শহিদ
পরিবারে কল দেওয়া হচ্ছে। প্রত্যেক টাকার হিসাব যেন দিতে পারি, সেভাবে কাজ চলছে। আহতদের
তালিকায় রয়েছে ২৪ হাজার। নিহত ১৬শ’র বেশি। তথ্য বারবার যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের পুনর্বাসনের
কাজও করা হবে।
নভেম্বরের মধ্যে ভেরিফিকেশন শেষ হলে ডিসেম্বরে সবার কাছে সহযোগিতা
পৌঁছে যাবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ৫ লাখ এবং আহতদের
পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


মজিবুর রহমান পাবেল, প্রতিবেদক:
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদী ও চট্টগ্রাম ৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় প্রতিবাদ মিছিল করেছে মহানগর ও জেলা বিএনপি।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নগরীর কান্দিরপাড়ের জিলাস্কুল গেট থেকে শুরু হয়ে কান্দিরপাড় পূবালী চত্বর হয়ে বিএনপি কার্যালয়ে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, তফসিল ঘোষণার পর দেশ এখন নির্বাচনী ট্রেনে উঠে গেছে। নির্বাচনকে বানচাল করতে দেশী বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। এরই অংশ হিসেবে চট্টগ্রামের এরশাদ উল্লাহর পর গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ঢাকা ৮ আসনের সতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। স্বৈরাচারের বিদায় হলেও চক্রান্ত থেমে নেই।
তিনি বলেন, অবিলম্বে এরশাদ উল্লাহ ও ওসমান হাদীর ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।
প্রতিবাদ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা ৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক মিয়া, মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, মহানগর বিএনপির বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমিরুজ্জামান আমির, কৃষক দলের সভাপতি মোস্তফা জামান, সাধারণ সম্পাদক হাজী মামুন হুদা, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট আক্তার হোসেন, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ফয়সালুর রহমান পাভেল, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ, সাবেক কাউন্সিলর খলিলুর রহমান মজুমদার, স্বেচ্ছাসেবকদলে যুগ্ম আহ্বায়ক-১ আতিক সেলিম রুবেলসহ জেলা ও মহানগরের বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন


সারাদেশের বিভিন্ন জেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা
শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব 'শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা'
উদযাপন করছে।
গতকাল (১৭ অক্টোবর ২০২৪) পার্বত্য চট্টগ্রামের
বান্দরবান জেলার সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহার, মংসুইপ্রুপাড়া বৌদ্ধ বিহার, সেন বৌদ্ধ
বিহার, আমতলী বৌদ্ধ বিহার; খাগড়াছড়ি জেলার শালবন বৌদ্ধ বিহার, বোয়ালখালী ও
দীঘিনালা উপজেলায় এবং রাঙ্গামাটি জেলার শৌধর্ম বৌদ্ধ বিহার, রেস বাজার ও
রাঙ্গামাটি সদরে উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে উৎসবটি পালিত হয়। এছাড়া চট্টগ্রাম ও
কক্সবাজার জেলার ১১ টি উপজেলায় বৌদ্ধ ও রাখাইন সম্প্রদায়ের জনগণ ২৯১ টি বৌদ্ধ
বিহারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবারণা উৎসব পালন করে। পাশাপাশি রামু উপজেলার বাকখালী
নদীর তীরে 'কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব' সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও বরিশাল জেলার
১৪ টি বিহারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রবারণা উৎসব পালিত হয়।
আজ (১৮ অক্টোবর ২০২৪) কক্সবাজার সদর উপজেলায় আরেকটি 'কল্প জাহাজ ভাসা উৎসব' আয়োজন করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম ইপিজেড-এর সিমেন্সের মাঠে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা একটি সমাবেশের আয়োজন করেছে। উক্ত সমাবেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। 'শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা' উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সহযোগিতার জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়া বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মন্তব্য করুন


মুক্তিযুদ্ধের
প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি)
ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার। ১৯৮৪ সালের আজকের এইদিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
জেনারেল
ওসমানীর জন্ম ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাবার কর্মস্থল সুনামগঞ্জে। তার গ্রামের বাড়ি
সিলেটের বালাগঞ্জে।
শৈশবে
ওসমানীর প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় পরিবার থেকেই। কোনো স্কুলে ভর্তি না হয়ে, ঘরে বসে
বসেই তার বিদুষী মায়ের অনুশাসন এবং যোগ্য গৃহশিক্ষকের তত্ত্বাবধানে বাংলা ও ফার্সি
ভাষায় ওসমানী প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। ১৯২৯ সালে ১১ বছর বয়সে ওসমানীকে আসামের গৌহাটির
কটনস স্কুলে ভর্তি করা হয়। কটন স্কুলে পড়াশুনা শেষ করার পর মায়ের ইচ্ছায় ১৯৩২ সালে
সিলেট সরকারি পাইলট স্কুলে নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়।
এই
স্কুল থেকে ১৯৩৪ সালে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাস করেন এবং ইংরেজিতে কৃতিত্বের জন্য
‘প্রিটোরিয়া অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন।
১৯৩৪
সালে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
থেকেই তিনি ১৯৩৬ সালে আই.এ পাশ করেন। ১৯৩৮ সালে বি.এ পাশ করেন।
১৯৩৯
সালে ভূগোলে এম এ প্রথম পর্ব পড়ার সময় ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। ছাত্র
হিসাবে সব সময়ই ওসমানী অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিনি
দক্ষতার পরিচয় দেন। ন্যায়পরায়ণতা, শৃঙ্খলা এবং কর্তব্যপরায়ণতা তার চারিত্রিক গুণাবলি
বিশেষভাবে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ছাত্রজীবনেই
ওসমানীর মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে।
যোগ্যতার
স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ.ও.টি.সি’র (ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর)
সার্জেন্ট নিযুক্ত হন। ওসমানী ১৯৩৯ সালে জুলাই মাসে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান
করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ
হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।
১৯৪১
সালে ১৭ ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে
ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্ব কনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটোলিয়ানের
অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫
সাল পর্যন্ত বার্মার রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহনে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কত্ব
দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার পিতার ইচ্ছা পূরণে আই.সি.এস পরীক্ষায় অংশগ্রহণ
করে উত্তীর্ণ হন।
এম
এ জি ওসমানী ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে
যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ
করেন। তাকে ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদপ্তরে জেনারেল
স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে
ডেপুটি ডাইরেক্টর এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।
এসময়
আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন।
১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানীর দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের
দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন
স্বাধীন চেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি
কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী।
পরবর্তীকালে
তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের
সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন
ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।
৬৫
বছর বয়সে ১৯৮৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইন্তেকাল করেন। সিলেটে হযরত শাহজালাল (রঃ)
মাজার সংলগ্ন গোরস্তানে তাকে সমাহিত করা হয়।
মন্তব্য করুন


শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর, সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মঙ্গোলিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত গ্যানবোল্ট দামবাযাভ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে মঙ্গোলিয়ার অনারারি কনসাল জেনারেল নাসরিন ফাতেমা আউয়াল।
অত্যন্ত আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাৎকালে ২৪-এর গণবিপ্লব-সহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর গঠনমূলক ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
ভবিষ্যতে দুই দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি এবং পারস্পরিক দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ আরও জোরদার হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
বৈঠকে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল, সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য জনাব সাইফুল আলম খান মিলন ও জনাব মোবারক হোসাইন উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে চারদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মারা
গেছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মাহিয়া (১৫)।
আজ
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের
আইসিইউতে মারা যায় শিশুটি।
বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা.
শাওন বিন রহমান।
তিনি
বলেন, আজ বিকেলের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহিয়া আইসিইউতে মারা যায়। শিশুটির শরীরের
৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
এর
আগে আমাদের জাতীয় বার্নে আরও ১২ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ঢাকা মেডিকেল বার্নেও
একজন মারা যায়। এখন পর্যন্ত জাতীয় বার্ন ও ঢাকা মেডিকেল বার্ন মিলে ১৪ জনের মৃত্যু
হয়েছে— বলেন আবাসিক সার্জন।
মাহিয়ার মা আফরোজা বেগম বলেন, আমার মেয়ে মাইলস্টোন স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে লেখাপড়া করত। তিন মেয়ের মধ্যে মাহিয়া ছিল মেজ। পাঁচ বছর আগে ওর বাবা মারা যায়।
মন্তব্য করুন


সাবেক প্রধানমন্ত্রী
ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় পৌঁছেছেন
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে দেশটির
শোকবার্তা হস্তান্তর করেছেন।
আজ বুধবার দুপুরে
জাতীয় সংসদ ভবনে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
পোস্টে বলা
হয়, ‘গণতন্ত্রের মা’, ‘সাহস ও সংগ্রামের প্রতীক’—স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ
আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকবার্তা
পাঠিয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত। বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে শোকবার্তা হস্তান্তর করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস
জয়শঙ্কর।
এ সময় তারেক
রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদসহ দলটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


ত্রয়োদশ
সংসদ নির্বাচনে মর্যাদাপূর্ণ ফলাফল অর্জন করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.
শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) এক বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা জামায়াত আমিরের উদ্দেশে বলেন,
‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে দলীয় প্রার্থীদের সক্রিয় ও ব্যাপক
অংশগ্রহণ, দৃঢ় প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পরবর্তী সময় নির্বাচনের ফলাফলকে শান্ত ও মর্যাদাপূর্ণভাবে
গ্রহণ করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
তিনি
বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারপর্ব থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী সময় পর্যন্ত আপনার
রাজনৈতিক শিষ্টাচার, সংযম, দায়িত্বশীল বক্তব্য এবং কর্মীদের প্রতি শান্তিপূর্ণ আচরণের
আহ্বান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে স্থিতিশীল রাখতে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।’
তিনি
বলেন, ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার দল যে গঠনমূলক সমর্থন, পরামর্শ
ও সহযোগিতা প্রদান করেছে, তার জন্য বিশেষভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। বৈশ্বিক অর্থনীতি,
প্রযুক্তিগত রূপান্তর, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের
প্রশ্নে আমাদের সামনে বহু চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্রকে
আরো শক্তিশালী, অংশগ্রহণমূলক ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল—উভয়েরই
দায়িত্বশীল ও নীতিনিষ্ঠ ভূমিকা অপরিহার্য।’
তিনি
বলেন, ‘আমি প্রত্যাশা করি, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি গঠনমূলক
ও দায়িত্বশীল বিরোধী শক্তি হিসেবে জাতীয় সংসদ ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা পালন
করবে।
নীতিগত
বিতর্ক, আইন প্রণয়নে পরামর্শ, জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা
নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটি সুস্থ ও ইতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠবে—এমনটাই
আমাদের আকাঙ্ক্ষা।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘জাতীয় ঐক্য সুসংহত করতে আপনি অতীতে যে ভূমিকা রেখেছেন ভবিষ্যতের দিনগুলোতে
তা অব্যাহত রাখবেন বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস। জাতীয় ঐক্যই আমাদের শক্তি। আমি মহান আল্লাহ
তায়ালার কাছে আপনার ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।
মন্তব্য করুন


র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. হারুন অর রশিদ বলেছেন, আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না।
সোমবার (১ জুলাই) গুলশানে
দীপ্ত শপথ ভাস্কর্যে ‘হলি আর্টিজান’-এ জঙ্গি হামলায়
নিহতদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন
র্যাব মহাপরিচালক।
র্যাবের মহাপরিচালক বলেন, গত সপ্তাহে চট্টগ্রাম থেকে তিনজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমরা সার্বক্ষণিকই জঙ্গিদের বিষয়ে নজরদারি করছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জঙ্গিরা এক সময় নানা প্রচারণা করার চেষ্টা করেছে। জঙ্গিরা ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করেছে এক সময়। আমরা কিন্তু এসব বিষয়ে নজরদারি করছি। ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে আমাদের নজরদারি রয়েছে। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই - এই দেশে আর কখনোই জঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের উত্থান হবে না। ২০১৬ সালের এই দিনে গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিদেশি নাগরিকসহ পুলিশের দুই কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন। এর পরবর্তীতে র্যাব ও পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জঙ্গি আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করে। অনেক জঙ্গি আস্তানা ধ্বংস করতে র্যাব ও পুলিশ সক্ষম হয়েছে। অনেক জঙ্গিকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে এখন নিরাপদ একটি দেশে।
র্যাবের মহাপরিচালক আরও বলেন, র্যাব সূচনালগ্ন থেকে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। জঙ্গিবাদের বিষয়ে র্যাবের নজরদারি রয়েছে। র্যাব এখন একটি আধুনিক এবং পেশাদার বাহিনী। ভবিষ্যতেও এদেশে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদ এদেশে আর মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। র্যাবের সেই সক্ষমতা আছে।
মন্তব্য করুন


আজ
রোববার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং
২৬ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন চারজন।
সরকারি
হিসাবে এখন পর্যন্ত দেশে মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৮৩৩ জন।
আর মোট মৃত্যু ২৯ হাজার ৫০৩ জন। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়েছেন এমন মানুষের
সংখ্যা ২০ লাখ ১৯ হাজার ৪১০ জন।
গত
২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা করা হয় ২৯১ জনের নমুনা।
মন্তব্য করুন


পুলিশ-জনতা ঐক্য করি, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি - এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দেশব্যাপী শনিবার (৪ নভেম্বর) উদযাপিত হতে যাচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২৩।
শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে পুলিশ সদস দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) কামরুল হাসান বিষয়টি জানান।
বাংলাদেশ পুলিশের সব মেট্রোপলিটন, রেঞ্জ, জেলা পুলিশ, বিশেষায়িত ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ ইত্যাদি ইউনিটে দিবসটি পালিত হবে বলে বাংলাদেশ পুলিশ সদস দপ্তর থেকে জানানো হয়।এ উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।এছাড়া শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং সদস্যদের পুরস্কার দেওয়া হবে।
কামরুল হাসান জানান, কমিউনিটি পুলিশিং একটি সংগঠনভিত্তিক দর্শন ও ব্যবস্থাপনা, যা জনগণকে সম্পৃক্ত করে জনগণ ও পুলিশের অংশীদারত্বের ভিত্তিতে সমাজে অপরাধ ভীতি কমানো ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা হয়। এটি একটি গণমুখী, প্রতিরোধমূলক এবং সমস্যা সমাধানমূলক পুলিশি ব্যবস্থা।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্কুল/কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পুলিশের কাজে সহযোগিতা, অপরাধ বিরোধী সচেতনতা তৈরি, বাল্যবিয়ে রোধ, ইভটিজিং প্রতিরোধ, জঙ্গিবাদ দমন, সন্ত্রাস দমন, মাদকের কুফল, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক নিরোধ, মোবাইল ফোনের অপব্যবহার, সামাজিক মূল্যবোধ বাড়ানো ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষে দেশব্যাপী ৪৯ হাজার ৫২৯টি কমিটিতে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ জন কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন