

আজ (৫ ফেব্রুয়ারি) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন দুই সংস্কার কমিশনের প্রধান।
কমিশনগুলো হলো: জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন।
দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বিচারবিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।
গতকাল (মঙ্গলবার) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, আমাদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল গত মাসে। কিন্তু আমরা আমাদের কাজের কারণে পারিনি। কারণ আমরা মাঠে গিয়েছি, লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় গিয়ে আমরা কথা বলেছি, অনলাইনে আমরা মতামত নিয়েছি। প্রতিবেদনে ১০০টির বেশি সুপারিশ থাকছে।
গত ৩ অক্টোবর ৮ সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করে সরকার। পরে কমিশনের সদস্য সংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়। ৩ মাসের মধ্যে প্রস্তুত করা প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে বলা হয়। এরপর তিন দফা বাড়িয়ে কমিশনের মেয়াদ ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু কাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় বেঁধে দেওয়া বর্ধিত সময়ের ১০ দিন আগেই প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হলো। আর বিচার বিভাগকে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাব করার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন গঠন করা হয় ৩ অক্টোবর।
মন্তব্য করুন


সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে
আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়ে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে আনতে পেরে আমরা
গর্বিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে
ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেন, আজকে আমরা বিশেষভাবে সৌভাগ্যবান এবং সম্মানিত যে, বাংলাদেশের তিনবারের
নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া আজ এখানে আমাদের মাঝে উপস্থিত আছেন। এক যুগ ধরে তিনি এই মহাসম্মেলনে
অংশগ্রহণের সুযোগ পান নাই। আজকে সুযোগ পেয়েছেন, আমরা সবাই আনন্দিত এবং গর্বিত। আমরা
এই সুযোগ দিতে পেরেছি আপনাকে। শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও এই বিশেষ দিবসে সবার সঙ্গে
শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আমরা তার আশু রোগ মুক্তি কামনা করছি। এবং এই
অনুষ্ঠানে বিশেষভাবে স্বাগত জানাচ্ছি।
দীর্ঘ এক যুগ পর সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে সেনাকুঞ্জের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। এর আগে সর্বশেষ ২০১২ সালে সেনাকুঞ্জে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন
তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মুহাম্মদ
ইউনূস এবং খালেদা জিয়া পাশাপাশি বসেন। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়া কুশল
বিনিময় করেন। খালেদা জিয়াকে বেশ উৎফুল্ল দেখা যায় এবং তাদের হাস্যোজ্জ্বল কথাবার্তা
বলতে দেখা যায়।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ঘুরে ঘুরে আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।
জানা গেছে, এবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস
উপলক্ষে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলটির ২৬ নেতাকে সেনাকুঞ্জে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আজ সোমবার বলেছেন, অন্তর্বর্তী
সরকার দেশে আরও বিদেশী ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ব্যাপক শ্রম সংস্কারে
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শ্রম সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড়
শ্রম ও ব্র্যান্ড প্রতিনিধিদল তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে
সাক্ষাত করতে গেলে তিনি একথা বলেন।
প্রফেসর
ইউনূস প্রতিনিধি দলকে বলেন,
“আমরা আমাদের শ্রম আইনকে বৈশ্বিক মানদণ্ডের সম মানসমম্পন্ন করতে চাই। এটা আমার
অঙ্গীকার।” তিনি
বলেন, অন্তর্বর্তী
সরকার কেবলমাত্র দেশের শ্রম আইন সংস্কার করতে এবং এ ব্যাপারে স্থানীয় ও
আন্তর্জাতিক শ্রম অধিকার গোষ্ঠী,
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা ও পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ নিরসনের জন্য একজন বিশেষ
দূত নিয়োগ করেছে।
প্রতিনিধিদলের
নেতৃত্বে ছিলেন মার্কিন শ্রম বিভাগের ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি থিয়া মেই লি ও
যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক শ্রম বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি কেলি ফে রড্রিগেজ।
দুই
জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন,
যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক শ্রম অধিকার গোষ্ঠী এবং বাংলাদেশ থেকে পোশাক ও জুতা
ক্রয়কারী শীর্ষ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলো শ্রম আইন সংস্কার ও বাংলাদেশের কারখানায়
শ্রমিক-বান্ধব পরিস্থিতি তৈরিতে অধ্যাপক ইউনূসের পদক্ষেপকে সমর্থন করে।
সরকার
ও স্থানীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৮-দফা চুক্তিসহ পদক্ষেপগুলোর কথা উল্লেখ করে
কেলি ফে রড্রিগেজ বলেন,
প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার গত সাড়ে তিন মাসে শ্রম খাতের
জন্য যা করেছেন, ‘সেগুলো সবই তার বিস্ময়কর
সাক্ষ্য।
মার্কিন
কর্মকর্তারা মূল্যস্ফীতির চাপ থেকে লাখো গার্মেন্টস ও পাদুকা শ্রমিককে সুরক্ষা
দেওয়ার জন্য কারখানায় ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠা ও প্রতি বছর মজুরি পর্যালোচনার
আহ্বান জানান।
পোশাক
কারখানায় ন্যূনতম মজুরির সুবিধাদান প্রসঙ্গে থিয়া মে লি বলেন, ‘এটি ব্যবসার
জন্য ভালো ও অর্থনীতির জন্যও ভালো।’
তিনি বলেন, কর্মী
ইউনিয়ন হল ‘গণতন্ত্রের
প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র।’
তিনটি
শীর্ষ মার্কিন ব্র্যান্ড পিভিএইচ,
ক্যালভিন ক্লেইন এবং গ্যাপ ইনকর্পোরেটেডের সিনিয়র কর্মকর্তারাও বৈঠকে উপস্থিত
ছিলেন।
পিভিএইচ
কর্পোরেশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইকেল ব্রাইড বলেছেন, তারা
বাংলাদেশে শ্রম সংস্কারকে সমর্থন করেছেন। তারা কম্বোডিয়ায় অনুরূপ প্রচেষ্টাকে
সমর্থন করেছেন।
প্রফেসর
ইউনূস ব্র্যান্ডগুলোকে প্রতি জানুয়ারিতে তাদের অর্ডারের মূল্যবৃদ্ধি ঘোষণা করার
আহ্বান জানান, যাতে
বাংলাদেশের নির্মাতারা সেই অনুযায়ী শ্রমিকের মজুরি বাড়াতে পারে।
বৈঠকে
মার্কিন চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মেগান বোল্ডেবও ছিলেন। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র
প্রফেসর ইউনূসের ব্যাপক শ্রম সংস্কারকে পূর্ণ সমর্থন করে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আপনার
সাথে অংশীদার হতে চাই।’
মন্তব্য করুন


যুবসমাজের
প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান
জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একই সঙ্গে আঞ্চলিক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষায়
সহযোগিতা বাড়াতে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার ওপর জোর দেন তিনি।
মঙ্গলবার ( ১৩ জানুয়ারি ) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা
ও ভবিষ্যৎ পথনির্দেশনা’ শীর্ষক আঞ্চলিক সম্মেলন (সার্চে-২০২৬)-এর
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন অধ্যাপক ইউনূস।
তিনি
বলেন, ঢাকায় উচ্চপর্যায়ের শিক্ষাবিদদের একত্র হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত কয়েক মাসে ঢাকায় যা ঘটেছে, তা পর্যালোচনার একটি
সুযোগ এই সম্মেলন তৈরি করেছে। এসব ঘটনা পর্যালোচনা করলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও সামগ্রিকভাবে
শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য আরও স্পষ্ট হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশ
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে
বাস্তবায়িত হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায়
এই সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান
ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা
অংশ নিচ্ছেন।
২০২৪
সালের গণঅভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই
তরুণদের নিজেদের চিন্তা ও মনন আছে। তারা ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জীবন দিয়ে
প্রতিবাদ করেছে। তিনি বলেন, কয়েক মাস আগেই এই শহরে তরুণরা কেন অস্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে
নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল— তাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা কী ছিল
তা বোঝার চেষ্টা না করলে একটি বড় সুযোগ নষ্ট হবে।
শিক্ষার্থীদের
প্রেরণার উদাহরণ হিসেবে তিনি শহীদ স্কুলছাত্র শাহরিয়ার খান আনাসের মায়ের কাছে লেখা
চিঠির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে বন্ধুদের সঙ্গে রাজপথে নামাকে নিজের দায়িত্ব হিসেবে
উল্লেখ করেছিল সে।
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, এসব ঘটনা হঠাৎ কোনো বিস্ফোরণ নয়। শ্রীলঙ্কা ও নেপালেও এমন ঘটনা ঘটেছে,
তবে ঢাকায় তা ঘটেছে আরও ব্যাপকভাবে। তিনি সম্মেলন আয়োজনের জন্য বিশ্বব্যাংককে ধন্যবাদ
জানিয়ে বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতার এমন আয়োজন সার্কের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে
সার্ককে আজ প্রায় ভুলে যাওয়া হয়েছে।
তিনি
বলেন, সার্কের মূল ধারণাই ছিল পারস্পরিক বিনিময় ও একে অন্যের কাছ থেকে শেখা। প্রধান
উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি সার্ক পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানিয়ে আসছেন
এবং এ দাবি তিনি বারবার জানিয়ে যাবেন।
আগামী
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, গণঅভ্যুত্থান
দেশের পুরোনো কাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে। তরুণরা নিজেদের জুলাই সনদ তৈরি করেছে এবং তারা
মনে করে, দেশের সমস্যার মূল নিহিত রয়েছে সংবিধানে। সে কারণেই ভবিষ্যৎ সংবিধান নির্ধারণে
গণভোটের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন


আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।
শুক্রবার(৮ মার্চ) সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৪ উদযাপন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানে পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা দেওয়া হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমা মোবারেক।
সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন-ময়মনসিংহের আনার কলি, সিলেটের চা শ্রমিক কমলী রবিদাশ, রাজশাহীর কল্যাণী মিনজি, বরগুনার জাহানারা বেগম ও খুলনার পাখি দত্ত হিজড়া।
মন্তব্য করুন


ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
আজ সোমবার (২৭ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে নরেন্দ্র মোদি প্রধান উপদেষ্টাকে শুভেচ্ছা কার্ড পাঠিয়েছেন। তিনি সেখানে লিখেছেন ‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের মূল কথাই ছিল সংস্কার। তার সরকার নির্বাচনের আগে সেই সংস্কার করতে বদ্ধপরিকর।
আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে আরও বেশি সুইডিশ বিনিয়োগকে স্বাগত জানাই’। তার সরকার দুর্নীতি দমন করেছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগ সহজ করেছে এবং শ্রম আইনের বিষয়ে আইএলও কনভেনশন অনুমোদনের উদ্যোগ নিয়েছে।
রাষ্ট্রদূত উইকস জানান, সুইডেনের সরকার ইউনূস-নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এবং পুলিশের সংস্কার, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন পুনর্গঠনের উদ্যোগকে সমর্থন করে।
নিকেলাসউ উইকস বলেন, 'আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই যে এই পরিবর্তনকালে আমাদের পূর্ণ সমর্থন আপনার সঙ্গে রয়েছে।'
বৈঠককালে তারা জুলাই-আগস্ট বিপ্লব, সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশের সুইডিশ বিনিয়োগ এবং গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে, তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, বিশেষ করে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর উচ্চ প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে। 'দাবিদাওয়া মেটানো একটি বড় কাজ। আমরা চেষ্টা করছি, তবে খুব সতর্কও রয়েছি,' তিনি বলেন।
এ সময় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শাহীনা গাজী।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের
বৈঠকে যোগদানের জন্য তাঁর চার দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ করে আজ ভোরে দেশে ফিরেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর সফরসঙ্গীদের
বহনকারী কাতার এয়ারওয়েজের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইট ভোর ৩টা ৩২ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে
এসে পৌঁছে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল
আলম এ তথ্য জানান।
এর আগে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় (নিউইয়র্ক
সময়) ফ্লাইটটি নিউইয়র্কের জেকেএফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন প্রেসিডেন্ট
জো বাইডেনসহ ১২টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানের
সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সাইডলাইনে ৪০টি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্ক সময় শুক্রবার
(২৭ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেয়া ছাড়াও ২৪ সেপ্টেম্বর মার্কিন
প্রেসিডেন্ট জোসেফ আর বাইডেনের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।
এছাড়া তিনি অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ
মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
শেহবাজ শরীফ, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি এবং নেদারল্যান্ডস’র প্রধানমন্ত্রী ডিক শুফের সাথে দ্বিপাক্ষিক
বৈঠক করেন।
নিউইয়র্ক অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার
সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই, ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট
উরসুলা ভন ডের লেয়েন, জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্র
মন্ত্রী অ্যান্টনি জে ব্লিঙ্কেন, জাতিসংঘের হাইকমিশনারের শরণার্থী বিষয়ক কমিশনার ফিলিপ্পো
গ্র্যান্ডি, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ ও ইউএসএইডের প্রশাসক সামান্থা
পাওয়ার সাক্ষাত করেন।
প্রধান উপদেষ্টা নিউইয়র্কে জাতিসংঘ
সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি বেশ কয়েকটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন।
তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম
অধিবেশনে যোগ দিতে ২৩শে সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেছেন, আমরা এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরই
মধ্যে নির্বাচনের সময় ঘোষণা করেছি।
আজ মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে
প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
মো. তৌহিদ হোসেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রবাসীদের
উদ্দেশে বলেন, আপনারা অর্থনীতিতে মস্ত বড় অবদান রাখছেন। আপনাদের এই অবদানের স্বীকৃতি
আমাদের দিতে হবে। আগামী নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। আমরা
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে চেষ্টা করেছি প্রবাসীদের সঙ্গে আলোচনা করতে, তাদের কথাগুলো
শুনতে। আপনাদের অনেক অভিযোগ রয়েছে, যা ন্যায্য। আমরা এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে
চেষ্টা করে যাচ্ছি। জটিলতা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
পাসপোর্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার খুব
দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সরকারি সব সেবা প্রবাসীদের কাছে পৌঁছে দিতে নাগরিক সেবা
বাংলাদেশ নামে একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান প্রধান উপদেষ্টা।
প্রধান উপদেষ্টা জানান, প্রবাসীদের জন্য একটি
বিশেষ অ্যাপ তৈরির কাজ চলছে, যাতে করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশি
এক প্ল্যাটফর্মে কানেক্টেড থাকতে পারেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতি বিধ্বস্ত অবস্থা থেকে
ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে প্রবাসীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের
পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বস্তির জায়গায় ফিরেছে। অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে আপনারা
বড় অবদান রেখেছেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমরা
এখন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে প্রস্তুত। আমি এরইমধ্যে নির্বাচনের
সময় ঘোষণা করেছি। এই নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করছে। আশা
করছি, এবার আপনাদের নতুন অভিজ্ঞতা হবে। আপনারা সবাই ভোটার হবেন, ভোট দেবেন। নির্বাচন
কমিশনারের সঙ্গে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। তারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সভায় মালয়েশিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের কয়েকটি
সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে দূতাবাসে জনবল বাড়ানো, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের
গ্র্যাজুয়েট প্লাস ভিসা, যারা অনিয়মিত হয়ে গেছেন তাদের নিয়মিতকরণ করা, বাণিজ্য-শিল্প
ক্ষেত্রে সহযোগিতার বিষয়ে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপদেষ্টা
অধ্যাপক আসিফ নজরুল।
এ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বিভিন্ন পেশা, শ্রেণি,
সংস্থা ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
মন্তব্য করুন


আসন্ন
নির্বাচনকে সকলের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শঙ্কামুক্ত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সশস্ত্র
বাহিনীকে পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব
পালনের বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
সোমবার ( ২৬ জানুয়ারি ) সেনাসদরের হেলমেট অডিটোরিয়ামে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে সশস্ত্র বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায়
তিনি এ নিদের্শনা প্রদান করেন।
আন্ত:বাহিনী
জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান
উপদেষ্টা অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান,
নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান
মাহমুদ খাঁন এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে: জেনারেল এস এম
কামরুল হাসান অভ্যর্থনা জানান।
সভার
শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিভিন্ন প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল ও দায়িত্বশীল
ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে ধৈর্য ও পেশাদারিত্বের সাথে দেশের
আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন। সভায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সমসাময়িক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা
হয়।
মতবিনিময়
সভায় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ, সংশ্লিষ্ট আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ
এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান
উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত
স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীলফামারীর এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন
মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্রে পরিণত হবে।
তিনি
আরও বলেন, ‘রংপুর ও ঢাকা-কেন্দ্রিক হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাতে স্বাস্থ্যসেবার
বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। নীলফামারীর এই হাসপাতাল সেই লক্ষ্য অর্জনে বড় ভূমিকা রাখবে।’
গতকাল
রোববার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় নীলফামারীতে এক হাজার
শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
একনেক
সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময়ে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শুধু বাংলাদেশের রোগীরাই নয়, এটি দক্ষিণ
এশিয়ার স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। নেপাল ও ভূটানসহ পার্শ্ববর্তী
দেশগুলোর রোগীরাও এখানে উন্নত চিকিৎসা সেবা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে আঞ্চলিক পর্যায়ে
বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হবে।’
একনেক
সভায় প্রকল্প অনুমোদন প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস আরো বলেন,
‘এই হাসপাতাল শুধু একটি অবকাঠামো নয়, এটি দেশের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কৌশলগত বিনিয়োগ।
এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের মানুষ নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসা সেবা পাবে।’
স্বাস্থ্য
ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উদ্যোগে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
বাস্তবায়নে প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ সময়কালে বাস্তবায়িত হবে।
প্রকল্পের
মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ২,৪৫৯.৩৫ কোটি টাকা, যার মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ১৭৯.২৭
কোটি টাকা এবং বাকি অংশ চীনা অনুদান সহায়তা।
গত
বছরের মার্চ মাসে চীন সফরকালে বাংলাদেশে একটি উন্নত হাসপাতাল স্থাপনের জন্য প্রধান
উপদেষ্টা চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে দ্রুততার
সঙ্গে চীন এই উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী সদর উপজেলায় একটি আধুনিক
১০ তলা হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে।
পাশাপাশি
চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ডরমেটরি ও আবাসিক ভবন, ডিরেক্টরস বাংলা, প্রয়োজনীয়
সহায়ক অবকাঠামো এবং আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে।
এই
হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি, অনকোলজি, নিউরোলজি প্রভৃতি
বিশেষায়িত বিভাগে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। আধুনিক জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, সিসিইউ ও এইচডিইউ,
উন্নত ডায়াগনস্টিক সুবিধা এবং অপারেশন থিয়েটারের মাধ্যমে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের
চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।
মন্তব্য করুন