

দেশের
সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
প্রধান
উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে
আর্থিক খাত স্থিতিশীল ও সংস্কার এবং মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার
চারটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সিদ্ধান্তগুলো
হলো-
১।
চাহিদা ও জোগানের যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান মূল্যস্ফীতি কমিয়ে আনতে
হবে। এজন্য মুদ্রানীতিকে সংকোচমূলক অবস্থায় ধরে রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে সরবরাহ পরিস্থিতির
উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু হয়েছে। তবে মূল্যস্ফীতির চাপ
থেকে স্বস্তি পেতে সবাইকে আরও কিছুদিন ধৈর্য ধরতে হবে।
২।
বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে তারল্য বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা
লেনদেনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ব্যান্ড ১ শতাংশ থেকে ২ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
৩।
ব্যাংকিং খাতের বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে সংস্কারের
বিষয়টি চলে এসেছে। ব্যাংকিং খাতে টেকসই সংস্কারের জন্য একটি ব্যাংকিং কমিশন গঠন করে
দ্রুত কার্যক্রম নেওয়া হবে।
৪।
আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি এবং সংস্কারের বিষয়ে একটি রূপকল্প তৈরি করা হবে, যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।
মন্তব্য করুন


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের কাছে অর্থ সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ উপলক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বিকেএমইএ ঢাকা কার্যালয়ে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম, এ কে এইচ আখতার হোসেন এবং আরিফুল ইসলাম আদিব।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, এ দেশের আপামর জনসাধারণের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন একটি বৈষম্যবিরোধী সমাজ প্রতিষ্ঠার। এর জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছেন তারা আমাদের মাঝেই বেঁচে থাকবেন। আর যারা আহত অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের পাশাপাশি সবার এগিয়ে আসা উচিত। এ কাজে একাত্ম হতে পেরে আমরা আনন্দিত।
বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, আহতদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অর্থ সহায়তাই শেষ কথা নয়। এক্ষেত্রে মেধা, শ্রম, সর্বোপরি সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
আজকের এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর সিনিয়র সহ-সভাপতি মনসুর আহমেদ, সহ-সভাপতি (অর্থ) মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল, সাবেক সহ-সভাপতি মাসুদুজ্জামান প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, তিনি নিজেকে রংপুরের সন্তান বলে মনে করেন, কারণ তিনি জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে
শহিদ আবু সাঈদের সাহস ও আত্মত্যাগে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) প্রধান
উপদেষ্টা ঢাকায় তার কার্যালয়ে আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাকে
রংপুরের একজন উপদেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করুন।
প্রধান উপদেষ্টা এসময় শহিদ আবু সাঈদ
ফাউন্ডেশনের সনদপত্র আবু সাঈদের পরিবারের হাতে তুলে দেন। আবু সাঈদের পিতা মকবুল হোসেন সনদপত্র গ্রহণ করেন।
আবু সাঈদের ভাতিজা মো. লিটন মিয়া এ
উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টা শহিদ আবু সাঈদের পিতামাতার
স্বাস্থ্যর খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহায়তার আশ্বাস দেন।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষকে (বেপজা) বিদেশি বিনিয়োগ আনতে নির্দেশনা দিয়েছেন। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিদেশে প্রচার বাড়ানোর তাগিদও দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রধান উপদেষ্টার কাছে বেপজার ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন জমা দেন সংস্থাটির নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান। এ সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ নির্দেশনা দেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, গ্যাস অনুসন্ধান ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে জ্বালানি আমদানির মাধ্যমে সুবিধা নিতে পারে কি না তা খতিয়ে দেখা উচিত। বেপজায় সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা অনুসন্ধানের নির্দেশনাও দেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আরও বলেন, অর্থনৈতিক কূটনীতির জন্য একটি টিম তৈরি করুন এবং বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরুন। এর জন্য প্রয়োজনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করুন।
বিদেশে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, বিশেষ করে যারা চীন ও জাপানে আছেন তাদেরকে যুক্ত করে সেসব দেশের বিনিয়োগ আনা যায় কি না সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বলেন প্রধান উপদেষ্টা। বিনিয়োগকারীরা যেন ভাষাগত সমস্যা অতিক্রম করে এ দেশে বিনিয়োগ করতে পারে, এ নিয়ে বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীরা সহায়তা করতে পারে বলেও জানান তিনি।
বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, গত ৩ সপ্তাহে চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রস্তাব এসেছে।
মন্তব্য করুন


আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা
সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ
ইউনূস ।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
এর আগে গত ২৫ আগস্ট জাতির উদ্দেশে ভাষণ
দেন প্রধান উপদেষ্টা।
মন্তব্য করুন


অপতথ্য মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা
গড়ে তোলা এবং গণমাধ্যমকে নৈতিক মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদান করতে জাতিসংঘের
প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ বুধবার (২ জুলাই) রাষ্ট্রীয় অতিথি
ভবন যমুনায় ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ ও ইউনেস্কোর ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা’ বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা মেহদি বেনচেলাহ প্রধান
উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)
এবং ইউনেস্কোর যৌথভাবে প্রস্তুত করা বাংলাদেশের গণমাধ্যম পরিমণ্ডলের মূল্যায়ন : স্বাধীন,
নিরপেক্ষ ও বহুমাত্রিক গণমাধ্যমের দিকে মনোনিবেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তারা
এ সাক্ষাৎ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, আমরা এই প্রতিবেদনের জন্য সত্যিই অপেক্ষা করছি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধান সমস্যা হলো
অপতথ্য, ভুয়া সংবাদ। আর এসব অপতথ্যের কিছু ছড়ায় বিদেশে থাকা লোকজন, আবার কিছু ক্ষেত্রে
স্থানীয়রাও এতে জড়িত। ধারাবাহিকভাবে এ হামলা হচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টাড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন,
শুধু ডিজিটাল মাধ্যমে নয়, নিয়মিত প্রচারিত গণমাধ্যমও অনেক সময় ভুয়া তথ্যের উৎস হয়ে
ওঠে।’ এ প্রেক্ষিতে তিনি জাতিসংঘের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করে বলেন, ‘আপনারা শুধু সরকারের
সঙ্গেই কথা বলবেন না, গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলুন।
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
বলেন, একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। যদি কোনো গণমাধ্যম বারবার মিথ্যা
তথ্য ছড়ায়, তাহলে তাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া উচিত তারা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
তিনি বলেন, আপনারা জাতিসংঘ, আপনাদের
কথা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ...আপনাদের সমর্থন আমাদের প্রয়োজন।
ইউনেস্কো প্রতিনিধি সুসান ভাইজ বলেন,
আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনটিতে আত্ম-নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও তুলে ধরা
হবে।
তিনি বলেন, প্রতিবেদনটি দেখাবে কী কার্যকর
হচ্ছে, আর কী হচ্ছে না এবং এতে আন্তর্জাতিক মান অনুসরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ
থাকবে। সরকারি কর্মকর্তা, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং বিচার বিভাগের সদস্যদের আন্তর্জাতিক
মানের সাথে তাদের কার্যক্রম সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে- সে বিষয়টিও
উল্লেখ থাকবে।’
ইউনেস্কোর জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা
মেহদি বেনচেলাহ বলেন, প্রতিবেদনে সাংবাদিকদের কাজের পরিবেশ এবং নারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা
সম্পর্কেও কিছু সুপারিশ থাকবে, যা একটি বৈশ্বিক উদ্বেগ। সরকারি পদক্ষেপ এসব ক্ষেত্রে
গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রতিবেদনটি ইউএনডিপির প্রতিষ্ঠান,
নীতি ও সেবা শক্তিশালীকরণ (এসআইপিএস) প্রকল্পের আওতায় এবং ইউনেস্কোর মত প্রকাশের স্বাধীনতা
ও গণমাধ্যম উন্নয়ন সংক্রান্ত ম্যান্ডেটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রস্তুত করা হয়েছে বলে
জানান কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


দ্রুত
পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি জোরদারের ব্যাপারে
গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ভবিষ্যৎ
গড়ে উঠবে প্রযুক্তির হাত ধরেই।
আজ
বুধবার ( ২৮ জানুয়ারি ) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি)
‘ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আগামী পৃথিবী মৌলিকভাবে ভিন্ন হবে। আজ যা আমরা কল্পনাও করতে
পারছি না, সেটাই বাস্তবতায় পরিণত হবে। পৃথিবী দ্রুত বদলাচ্ছে। এই বৈশ্বিক গতির সঙ্গে
যদি আমরা নিজেদের গতি বাড়াতে ও সামঞ্জস্য আনতে না পারি, তাহলে আমরা কতটা পিছিয়ে পড়ব,
তা ভেবে দেখা দরকার।’
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, দেখে মনে হতে পারে বাংলাদেশ অন্যদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছে, কিন্তু
বাস্তবে আমরা অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে— চিন্তায় পিছিয়ে, কাজে পিছিয়ে এবং নিজেদের
প্রস্তুতিতেও পিছিয়ে। তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে যথাযথ গুরুত্ব
না দেওয়ার কারণেই এই পিছিয়ে পড়া। আইসিটিকে তিনি ‘মূল খাত’
হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এই খাত থেকেই ভবিষ্যৎ তৈরি হবে। আমি এই খাতের কথা বলছি, কারণ—
এটি একটি প্রধান খাত। ভবিষ্যৎ এই খাত থেকেই গড়ে উঠবে।’
অধ্যাপক
ইউনূস বলেন, অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী খাতগুলো টিকে থাকবে ঠিকই। তবে, প্রযুক্তি খাতই হবে
চালিকাশক্তি— হাওয়ার মতো, বাতাসের মতো; যা প্রতিটি খাতকে স্পর্শ করে
নতুনভাবে রূপ দেবে। এ কারণে এখনই প্রস্তুতি শুরু করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই খাতের
নীতিমালা প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের প্রচলিত চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
এক্সপো
প্রসঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজনগুলোতে আমরা কী ধরনের আলোচনা করি, কী
ধরনের ভবিষ্যৎ কল্পনা করি এবং সে অনুযায়ী কী ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করি—
দেশের ভবিষ্যৎ অনেকটাই তার ওপর নির্ভর করবে।’
প্রজন্মগত
পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরা প্রযুক্তির সঙ্গে প্রায় সহজাতভাবেই
যুক্ত। প্রজন্মগুলোর মধ্যে এই বাড়তে থাকা দূরত্ব একটি নেতৃত্ব সংকট তৈরি করছে। বয়স্ক
প্রজন্ম তরুণদের নেতৃত্ব দিতে পারছে না— কোনো খারাপ উদ্দেশ্যের কারণে নয়, বরং
তাদের চিন্তাভাবনার ধরন এক নয়।’
বাংলাদেশের
আইসিটি খাতেও এখনো পুরোনো দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন রয়েছে উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন,
‘জনগণের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছাতে প্রকৃত ডিজিটাল শাসনব্যবস্থা চালু করতে হবে।
মানুষ সরকারের কাছে আসবে না, বরং সরকারি সেবা মানুষের কাছে যাবে। এটি বাস্তবায়ন করা
গেলে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।’
চার
দিনব্যাপী এই প্রযুক্তি প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক
কর্তৃপক্ষ (বিএইচটিপিএ) ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)। ‘বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড’
প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই এক্সপো চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
অনুষ্ঠানে
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার
বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব
শীষ হায়দার চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা
পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল
ইসলাম।
মন্তব্য করুন


রাজধানীর
বিজয়নগর এলাকায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী
শরিফ ওসমান হাদি দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী
পরিবেশে এমন সহিংস হামলা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য এবং দেশের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক অঙ্গনের
জন্য এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।’আহত ওসমান হাদির সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত
করতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
এ ছাড়া চিকিৎসা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয়
দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন।
একই
সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে দ্রুত ও ব্যাপক তদন্ত চালিয়ে হামলায়
জড়িত সবাইকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থল থেকে
আলামত সংগ্রহ, প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য গ্রহণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং হামলার পেছনে
কোনো সংগঠিত পরিকল্পনা থাকলে তা উন্মোচনের জন্য তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।
প্রধান
উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের সহিংসতা বরদাশত করা
হবে না। জনগণের নিরাপত্তা এবং প্রার্থীদের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
দোষীরা যে-ই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে।’
তিনি
দেশের সব রাজনৈতিক পক্ষ, কর্মী-সমর্থক এবং নাগরিকদের প্রতি শান্তি ও সংযম বজায় রাখার
আহ্বান জানান, যাতে আসন্ন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, অংশগ্রহণমূলক ও নিরাপদ পরিবেশে অনুষ্ঠিত
হতে পারে।
ইনকিলাব
মঞ্চের মুখপাত্র ও আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান বিন
হাদী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে
ভর্তি করা হয়েছে।
তিনি
এখন কোমায় আছেন বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরএস)
ডা. মোশকাত আহমেদ। তিনি জানান, শরিফ ওসমান হাদীর অবস্থা খুবই গুরুতর। তার মাথায় গুলিবিদ্ধ
হয়েছে। তিনি এখন কোমায় আছেন।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফুলের তোড়া পাঠিয়েছেন প্রধান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত
চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান।
অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আপনারা জানেন- আজ গণতন্ত্রের মা, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন। তিনি এ দিনটি উদযাপন করেন না, তবে দল থেকে সারাদেশে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আজ বিকেলে ম্যাডামের (বেগম জিয়া) জন্য ফুলের তোড়া পাঠিয়েছেন। তাঁর কর্মকর্তারা এটি বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের বাসভবনে পৌঁছে দেন।
বিকেল
প্রায় ৪টায় প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব সজীব এম খায়রুল ইসলাম ও প্রধান উপদেষ্টার
কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় গিয়ে তাঁর একান্ত সচিব
এবিএম আবদুস সাত্তারের হাতে ফুলের তোড়াটি হস্তান্তর করেন।
এ
সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য বেলায়েত হোসেন, বিএনপি মিডিয়া সেলের
সদস্য শায়রুল কবির খান এবং চেয়ারপার্সনের ব্যক্তিগত উইংয়ের কর্মকর্তা মাসুদ রহমান।
এর
আগে, বৃহস্পতিবার রাতে চীনের রাষ্ট্রদূতের কার্যালয় থেকেও বিএনপি চেয়ারপার্সনের জন্য
জন্মদিনের ফুলের তোড়া পাঠানো হয়।
বেগম
খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
মন্তব্য করুন


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি
খুঁজে পায় নিজস্ব ঐতিহ্য,সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ।
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আজ দেয়া এক বাণীতে বলেন, শুভ
নববর্ষ-১৪৩১’ পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির জীবনে পরম আনন্দের একটি দিন। আনন্দঘন
এই দিনে আমি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে জানাই বাংলা নববর্ষের
শুভেচ্ছা। ২০১৬ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা বিশ্ব
সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাষ্ট্রদর্শন ও আদর্শের
অন্যতম ভিত্তি ছিল দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশ ও জাতীয় চেতনার উন্মেষ। সেই চেতনায়
উজ্জীবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু কারারুদ্ধ জীবনে সহবন্দিদের নিয়ে নববর্ষ উদযাপন
করেছিলেন। জাতীয় সংস্কৃতির এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি জাতি হিসেবে বাঙালির জন্য
পরম গৌরব ও মর্যাদার।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন,পহেলা বৈশাখের মাঝে বাঙালি খুঁজে পায় নিজস্ব
ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও চেতনার স্বরূপ। দুঃখ, জরা, ব্যর্থতা ও মলিনতাকে ভুলে সবাই জেগে
ওঠে নব আনন্দে, নব উদ্যমে। বৈশাখের আগমনে বেজে উঠে নতুনের জয়গান। ফসলি সন
হিসেবে মোঘল আমলে যে বর্ষগণনার সূচনা হয়েছিল,সময়ের সাথে আজ সমগ্র বাঙালির
অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক স্মারক উৎসবে পরিণত হয়েছে।
এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমাদের
আত্মবিকাশ ও বেড়ে ওঠার প্রেরণা। বৈশাখ শুধু উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।বাঙালি
সংস্কৃতির বিকাশ,আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মুক্তিসাধনায় পহেলা বৈশাখ এক অবিনাশী শক্তি।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ও গণতান্ত্রিক বিকাশে সংস্কৃতির এই শক্তি রাজনৈতিকতন্ত্রের
চেতনাকে দৃঢ় ও বেগবান করে।
"পহেলা বৈশাখ আমাদেরকে উদার হতে শিক্ষা দেয় এবং একটি আদর্শ জাতিকে মানব সমাজের অনুপ্রাণিত হয়ে
বিশ্বমানবের সঙ্গে মিশে যাওয়ার শক্তি জোগায়। এই উদারনৈতিক চেতনাকে ধারণ করে
বঙ্গবন্ধুর রাষ্ট্রদর্শন, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আদর্শ এবং রাষ্ট্রভাষা চেতনার
বহ্নিশিখা অন্তরে ধারণ করে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত, সুখী-সমৃদ্ধ ও স্মার্ট বাংলাদেশ
বিনির্মাণ হোক আজকের দিনে সকলের অঙ্গীকার।"
ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলে মিলে নাচ-গান, শোভাযাত্রা,
আনন্দ-উৎসব, হরেক রকম খাবার ও বাহারি সাজে বৈশাখকে বরণ করে নেয় উৎসবপ্রেমী বাঙালি
জাতি। নতুন বছরে যাত্রাপালা, পুতুলনাচ, লোকসংগীত, গ্রামীণ খেলাধুলা, মেলাসহ
নানাবিধ বর্ণিল আয়োজন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয় আনন্দ ও সম্প্রীতির নতুন
বার্তা।
রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা - সকল অশুভ ও অসুন্দরের ওপর সত্য ও
সুন্দরের জয় হোক। ফেলে আসা বছরের সব শোক-দুঃখ-জরা দূর হোক, নতুন বছর জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনে
নিয়ে আসুক অনাবিল সুখ ও সমৃদ্ধি।
মন্তব্য করুন


মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মাল্টিপল ভিসা দেওয়ার এবং মালয়েশিয়ায় পেশাজীবী ও কর্মী বাড়ানোর আহ্বান জানান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে তিনি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন।
শুক্রবার (৪ অক্টোবর) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সফর নিয়ে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তার ‘মহান বন্ধু’হিসেবে উল্লেখ করে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
ঢাকায় এলে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। এ সময় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনারসহ লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
দুই নেতার মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক ও একটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মাধ্যমে সফরের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
বৈঠকের সময় দুই নেতা দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং ডেটা সায়েন্স, সেমি-কন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অর্থ, স্বাস্থ্য, উচ্চ শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও হালাল অর্থনীতিসহ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
উভয় নেতা শিগগিরই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে পরবর্তী দফা আলোচনা করতে সম্মত হন।
আগামী বছরের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের যৌথ কমিশনের বৈঠকে বসতেও সম্মত হন তারা।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও বিশ্বের অন্যত্র ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসার মাধ্যমে সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশাল অবদানের প্রশংসা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়পরায়ণ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত চলমান সংস্কার উদ্যোগ সম্পর্কে সফররত প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
‘আমরা একটি নতুন বাংলাদেশে যাচ্ছি, যা আমাদের গর্বিত করবে’- বলেন অধ্যাপক ইউনূস।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলাদেশের অর্থনৈতিক গতিপথকে ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনতে’ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি তার সমর্থন ব্যক্ত করেন।
মন্তব্য করুন