

রাজধানীসহ দেশের
বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
শনিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত
হয়।
চট্টগ্রাম, রাজশাহী,
সিলেট, রংপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানেও
ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে। ভূমিকম্পে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর
পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া
অফিস জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ। রিখটার স্কেলে এর
মাত্রা ছিল ৫.৬।
মন্তব্য করুন


মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জমায়েত বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয়েছে ।
তিন দিনব্যাপী এ বিশ্ব ইজতেমা শুরুর আগে তিনজন ও ইজতেমা শুরু হওয়ার পর একজন মুসল্লি মৃত্যুবরণ করেন। এ নিয়ে বিশ্ব ইজতেমায় চারজন মুসল্লি মারা গেলেন।
শুক্রবার ভোররাতে এখলাস উদ্দিন (৭০) নামে এক মুসল্লি বার্ধক্যজনিত কারণে ইজতেমা ময়দানে মারা যান যার বাড়ি নেত্রকোনা জেলা সদরে।
বিশ্ব ইজতেমার মিডিয়া সেলের প্রধান মো. হাবিবুল্লাহ রায়হান মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
জানা যায়, ভোররাত ৩টা ১৫ মিনিটে ইজতেমা ময়দানে নির্দিষ্ট খিত্তায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে এখলাস উদ্দিনকে টঙ্গী শহিদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার কুমরি বাজার গ্রামের আব্দুস সাত্তার (৭০), চাঁপাইনবাবগঞ্জের চৌহদ্দীটোলা গ্রামের জামান মিয়া (৪০) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ধামাউরা গ্রামের ইউনুছ মিয়া (৬৫) নামে ৩ জন মৃত্যুবরণ করেন।
মন্তব্য করুন


দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালন করে নির্বাচনকে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ করে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার
জন্য তারেক রহমান, ডা. শফিকুর রহমান এবং নাহিদ ইসলামের প্রতি অভিনন্দন, ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা
জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
আজ
শনিবার ( ১৪ ফেব্রুয়ারি ) পৃথক টেলিফোন আলাপে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি),
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এই নেতাদের সঙ্গে কথা
বলেন।
এ
সময়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর পরিমিতি, সংযম ও দায়িত্বশীল আচরণের ফলে
নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
প্রথমে
প্রধান উপদেষ্টা তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলেন এবং তার দলের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে
বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান।
প্রধান
উপদেষ্টা পরে শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামকে সাফল্যের জন্য এবং নির্বাচন পরবর্তী দায়িত্বশীল
ভূমিকা পালনের জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি
আশা প্রকাশ করেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক দলগুলো একইভাবে
সহযোগিতাপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে
কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন


‘আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি। এখন মানুষের
অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোট, শুধু কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে
না, মানুষকে স্বাবলম্বী করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেট নগরের
সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা
বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
এই সমাবেশের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপির
সভাপতি আব্দুল কাইয়ূম চৌধুরী।
সমাবেশে আসা মানুষের কাছে প্রশ্ন রেখে তারেক রহমান
বলেন, ‘নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে, টিকিট দেব বলছে না? যেটার মালিক
মানুষ না, সেইটার কথা যদি সে বলে, তা শিরকি করা হচ্ছে। হচ্ছে না?’ এসব বলে জনগণকে ঠকানো
হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শুধু ঠকাচ্ছে না।
সমাবেশে বক্তব্যের এক পর্যায়ে তারেক রহমান উপস্থিত
জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘ওমরা বা হজ করেছেন এমন একজন মুরব্বি হাত তুলুন।’ উপস্থিতদের অনেকে
হাত তুলেন। সেখান থেকে একজনকে তিনি মঞ্চে ডেকে নেন। তারপর তাঁর কাছে জানতে চান, ‘আপনি
কাবা শরীফে গেছেন? কাবা শরীফের মালিক কে’? তখন ওই লোক বলেন, ‘আল্লাহ।’ তারেক রহমান
এবার উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এই দিন দুনিয়া, এই পৃথিবী দেখি, এই
সূর্য নক্ষত্র যা দেখে তার মালিক কে?’ সমবেত কণ্ঠে সবাই বলেন, ‘আল্লাহ।’ তিনি আবার
বলেন, ‘বেহেশতের মালিক কে? দোজখের মালিক কে?’ একইভাবে সবাই বলেন, ‘আল্লাহ’।
তারেক রহমান এবার বলেন, ‘আপনারা সবাই সাক্ষী দিলেন।
দোজখের মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, এই পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক
আল্লাহ।
যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কি অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা
রাখে? রাখে না।’ এমন চেষ্টা শিরকের সামিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাহলে কি দাঁড়াল?
নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেব, ওই দেব বলছে, টিকিট দেব বলছে না? যেটার মালিক মানুষ
না, সেইটার কথা যদি সে বলে, তা শিরকি করা হচ্ছে, হচ্ছে না?’ তিনি বলেন, ‘যার মালিক
আল্লাহ, যার অধিকার শুধু আল্লাহর একমাত্র, সব কিছুর উপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগেই
তো আপনাদেরকে ঠকাচ্ছে। নির্বাচনের পরে তাহলে কেমন ঠকানো ঠকাবে আপনাদেরকে, বুঝেন এবার।’
তিনি বলেন, ‘শুধু ঠকাচ্ছে না। যারা মুসলমান তাদেরকে শিরেকি করাচ্ছে তারা। নাউজুবিল্লাহ।’
তারেক রহমান বলেন, ‘প্রিয় ভাই বোনেরা, কেউ কেউ বলে
অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবারে একে দেখেন। ১৯৭১ সালের যে যুদ্ধ, সেই যুদ্ধে লক্ষ্য
মানুষের প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি। সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন
করার সময় অনেকের ভূমিকাও আমরা দেখেছি। যাদের ভূমিকার কারণে এই দেশের লাখ লাখ ভাইয়েরা
শহীদ হয়। এই দেশের লাখ লাখ মা-বোনেরা তাদের সম্মানহানি হয়। কাজেই তাদেরকে তো বাংলাদেশের
মানুষরা দেখেই নিয়েছে।’
তিনি এসব হঠকারিতার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
জানিয়ে বলেন, ‘প্রিয় ভাইবোনেরা, এই কুফরির বিরুদ্ধে, এই হঠকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার
বিরুদ্ধে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদেরকে ওই যে, টেক ব্যাক বাংলাদেশে-থাকতে হবে।’
এর আগে সকালে সিলেট নগরের বিমানবন্দরের গ্র্যান্ড
সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে ‘দ্য প্ল্যান, ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক
এ অনুষ্ঠানে প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সেখানে অরাজনৈতিক ১৩০
তরুণ ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজের ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে গতকাল বুধবার রাত
৭টা ৫০ মিনিটে সিলেট এসে পৌছান তারেক রহমান। সিলেট পৌছার পর সরাসরি হযরত শাহজলাল (রহ.)
এর মাজার জিয়ারতের পর হযরত শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন। তারপর সিলেটের দক্ষিণ
সুরমা উপজেলার বিরাইমপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। রাত ১টার দিকে সেখানে পৌঁছান তিনি।
মন্তব্য করুন


প্রবাসী
কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল
বলেছেন, ডিজিটালাইজেশনের কারণে বিদেশি যাওয়া কর্মীদের ভোগান্তি ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে
দুর্নীতি আগের তুলনায় অনেক
কমেছে।
তিনি
বলেন, প্রবাসী অ্যাপসের মাধ্যমে শত শত হাজার
কোটি টাকা প্রবাসীদের থেকে
আদায় করা হতো। যারা
বিদেশে যাবেন কর্মীদের থেকে অনেক ধরনের
দুর্নীতি হতো। সেটা বন্ধ
করার জন্য আমরা প্রাণান্ত
প্রচেষ্টা করেছি।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক
অভিবাসী দিবস এবং জাতীয়
প্রবাসী দিবস–২০২৫ উপলক্ষ্যে
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা
বলেন।
তিনি
বলেন, আমাদেরকে আইওএম অনেক হেল্প করেছে।
এটার জন্য আইএলও অনেক
হেল্প করেছে। এটার জন্য আমরা
ওভারসিজ অ্যামপ্লয়মেন্ট প্লাটফর্ম নামে সম্পূর্ণ একটা
অনলাইন প্লাটফর্ম চালু করেছি। সমস্ত
বিদেশে গমন ১০০ শতাংশ
ডিজিটালাইজ করেছে। এখন ডিজিটালাইজেশন করার
কারণে দুর্নীতি, হয়রানি, ভোগান্তি হওয়ার সুযোগ অনেক কমেছে। তারপরও
মেশিনের পিছনে তো মানুষ থাকে।
আমাদেরকে মনে রাখতে হবে,
সেই মানুষগুলোকে এই দায়িত্বটা পালন
করতে হবে।
অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি
বলেন, যারা ভোটের জন্য
নিবন্ধন করেছেন প্রথমবারের মতো ভোট দিতে
পারবেন। আমি সবার কাছে
অত্যন্ত আনন্দের সাথে বলতে চাই,
প্রবাসীদের প্রতি গুরুত্ব দেওয়ার যে দৃষ্টিভঙ্গি, সেটা
আমরা প্রতিফলন করে ঢাকা এয়ারপোর্টে
প্রথমবারের মত অনেক রুটিন
কাজ করেছি। প্রবাসীদের জন্য আমাদের রুটিন
কাজের বাইরে প্রথমবারের মত কিছু স্টেপ
নিতে পেরেছি। অবশ্যই এগুলো যথেষ্ট না।
তিনি
আরও বলেন, সৌদি আরবের সাথে
প্রথমবারের মত বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক
চুক্তি করেছে। চুক্তি করার সাথে সাথে
ওদের ইম্প্যাক্ট বোঝা যায় না,
কিন্তু একটা ভালো ইম্প্যাক্ট
অবশ্যই আসবে। সৌদি মিনিস্টার আমাকে
বলেছেন, তোমাদের অনেক সরকার অনেক
চেষ্টা করেছে, এটা হয়নি। আমাদেরকে
বাংলাদেশি মিশনের মানুষজন বলেছেন পাকিস্তান বা ইন্ডিয়ার সাথে
ওই ধরনের কোনো চুক্তি হয়নি।
বাংলাদেশের সাথে হয়েছে।
তিনি
বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে
সিন্ডিকেট নিয়ে অনেক অভিযোগ
শোনা যায়। মালয়েশিয়ার সিন্ডিকেটকে আমরা সম্পূর্ণ ডিলিস্টিং
করেছি। আমরা স্ট্রংলি বলেছি,
আমরা সিন্ডিকেট হতে দিব না।
এখানে প্রবাসী শ্রমিকদের থেকে অবৈধভাবে অনিয়ন্ত্রিত
মুনাফা অর্জনকরে যে সিন্ডিকেট হয়েছিল,
সেটা ভাঙার চেষ্টা করেছি। অন্তত হতে দেইনি এখনো।
আমাদের মনে হয়, আমাদের
আরো অনেক কিছু করার
আছে।
তিনি
আরো বলেন, আমাদের পরবর্তী যে সরকার থাকবেন,
তাদের যদি বাংলাদেশের মানুষের
প্রতি মিনিমাম ভালোবাসা থাকে, নিজের মধ্যে যদি মিনিমাম ঈমান
থাকে, যদি তাদের মধ্যে
সত্যি মিনিমাম কৃতজ্ঞতাবোধ থাকে, আমরা যতটুকু কাজ
করেছি সেগুলো এগিয়ে নিবেই। তারা আমাদের চেয়ে
অনেক বেশি সময় পাবেন।
প্রবাসীদের কল্যাণের জন্য আরো অনেক
বেশি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন


ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, এখন থেকে সব মসজিদের সভাপতি হবেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। ইমামদের নিয়োগ বা বরখাস্ত হতে হবে সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী।
আজ
শুক্রবার (১৮ জুলাই) দুপুরে খুলনার বয়রা এলাকার মেট্রোপলিটন মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ ছাড়াও তিনি বলেন, ইমামদের জনবান্ধব হতে হবে। বাস্তবভিত্তিক ওয়াজ-নসিহত করতে হবে, যাতে মানুষ সচেতন হয়। ‘মব’ তৈরির সংস্কৃতি সমাজের জন্য কতটা ভয়ংকর, তা মসজিদে আলোচনা করা দরকার। মসজিদভিত্তিক শিক্ষাকেও নিতে হবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে। যেসব কেন্দ্রে প্রকৃতপক্ষে পাঠদান হচ্ছে না কিংবা ভুয়া কেন্দ্র দেখিয়ে অথবা স্কুল ও মসজিদে একই ব্যক্তি একযোগে শিক্ষকতা করছেন—এমন প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
ধর্ম
উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশে অপরাধের মাত্রা কমছে না, অপরাধের এত প্রবণতা পৃথিবীর আর কোনো দেশে নেই। সমাজে অপরাধ রোধে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতা চর্চার বিকল্প নেই। যদি সমাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে অপরাধপ্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
তিনি জানান, সব জায়গা জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনে ফিরে এসেছে শৃঙ্খলা।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আ. সালাম খান, বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা ।
মন্তব্য করুন


রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বসবাসরত সকল নাগরিককে শান্ত থাকার আহবান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
আজ শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে। আইন কেউ নিজের হাতে তুলে নিবেন না।
মন্তব্য করুন


স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব
ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া পোস্টে বলেন, বিগত সময়ে বাজেট বরাদ্দে অসম
বণ্টন হতো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের মতো অঞ্চলগুলো বারবার
বঞ্চিত হতো। এখন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় সুষম বাজেট বণ্টনের মাধ্যমে সেই বৈষম্য দূর
করেছে। বঞ্চিত এলাকাগুলোর দীর্ঘদিনের সমস্যা নিরসনে সুষম ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন
বরাদ্দ অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন


কক্সবাজারের রামুতে সহোদর দুই শিশুকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে ০৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ০৩ নারীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক ওসমান গণি এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মীর মোশারফ হোসেন টিটু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—গর্জনিয়া বড়বিল এলাকার জাহাঙ্গীর আলম, আবদু শুক্কুর, আলমগীর হোসেন প্রকাশ বুলু, মিজানুর রহমান ও মো. শহীদুল্লাহ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—একই এলাকার আবদুল মজিদ বদাইয়া, ফাতেমা খাতুন, রাশেদা খাতুন ও লায়লা বেগম।
রায় ঘোষণাকালে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অন্যরা সবাই পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার দোকান কর্মচারী মো. ফোরকানের দুই ছেলে হাসান শাকিল (১০) ও হোসেন কাজল (৮) বাড়ির অদূরে খেলছিল। পাখির ছানা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে জাহাঙ্গীর আলমসহ একটি চক্র তাদের অপহরণ করে।
আরও জানা গেছে, অপহরণের পর ওই দিন রাতে মুঠোফোনের মাধ্যমে পরিবারের কাছ থেকে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী চক্র। এরপর পুলিশ ও স্থানীয়রা মিলে স্থানীয় পাহাড়ি এলাকাসহ অপহরণকারীদের আস্তানায় তল্লাশি চালায়। অপহরণের দুদিন পর ১৯ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে স্থানীয় জালালের ফলের বাগান সংলগ্ন একটি খালের পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় অপহৃত দুই শিশুর মরদেহ পাওয়ায় যায়। নিহত শিশুদের বাবা ফোরকান বাদী হয়ে রামু থানায় আটজনের নাম উল্লেখ ও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করা করেন। ঘটনার পরপরই ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী “ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ” বলেন, প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম জবানবন্দিতে স্বীকার করেছেন, মুক্তিপণ না দিয়ে পুলিশকে ঘটনা জানানোয় ক্ষুব্ধ হয়ে দুই শিশুকে হত্যা করা হয়। একটি বাড়িতে হত্যা করে মরদেহ প্রথমে ড্রামে ভরে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে স্থানীয় খালের পাড়ে ফেল দেয় আসামিরা। তার নেতৃত্বে এ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে এবং সঙ্গে কয়েকজন ছিল।
আইনজীবী “মীর মোশারফ হোসেন টিটু ” বলেন, ৯ বছর ধরে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম চলে। এ সময় সাক্ষী-প্রমাণসহ পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। তাই আদালত আইনের বিধি মোতাবেক সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং চার আসামিকে যাবজ্জীবন দিয়েছেন। এ ছাড়া তাদের জরিমানা করেছেন আদালত।
মন্তব্য করুন


নেকবর হোসেন, কুমিল্লা প্রতিনিধি:
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত নয়টি কলেজের কোন পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। নয় কলেজে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৩ জন। নয় কলেজের মধ্যে আটটিই স্কুল ও কলেজ। অর্থাৎ স্কুল থেকে কলেজ হয়েছে। দক্ষ শিক্ষক না থাকার কারণে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। পাসের হার শূন্য নয় কলেজের।
কলেজ গুলো হল- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর সদর উপজেলার কেমব্রীজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ ইউনিয়ন হাইস্কুল ও কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ষাইটশালা আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লালমাই উপজেলা সূর্য মেমোরিয়াল হাইস্কুল ও কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চাঁনপুর আদর্শ হাইস্কুল ও কলেজ, লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার সেবাগরাম ফজলুর রহমান স্কুল ও কলেজ, চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার জীবগাঁও জেনারেল হক হাইস্কুল ও কলেজ।এর মধ্যে জিনোদপুরে ৩ জন, তোরাবগঞ্জে ৪ জন, কেমব্রীজে ৪ জন, নিদারাবাদে ৬ জন, ষাইটশালাতে ৬ জন, সূর্যতে ৬ জন, চাঁনপুরে ১১ জন, সেবাগরামে ১২ জন ও জীবগাঁওয়ে ১৯ জন করে পরীক্ষার্থী ছিল।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক রুনা নাছরীন বলেন, এই নয়টি কলেজের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে।
মন্তব্য করুন


বর্তমান
সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৩ দিনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে
বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ রবিবার (১ মার্চ) দুপুরে স্বরাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ যত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী
আছে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুতই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন-শৃঙ্খলা
পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভালো, আরো উন্নতির চেষ্টা করা হচ্ছে।’
তিনি
বলেন, ‘সীমান্ত নিরাপত্তা, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ নিযুক্ত
হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে যাতে আর কোনো বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা করা
না হয় সে বিষয় তাদের বলা হয়েছে।’
সালাহউদ্দিন
আহমদ বলেন, ‘সশস্ত্র বাহিনী কবে ব্যারাকে ফিরে যাবে সে ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে
সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখেই এ সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।’
চট্টগ্রামে
ব্যবসায়ের বাসায় গুলি বর্ষণের ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসীদের আইনের
আওতায় আনতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
লাইসেন্সকৃত
যেসব অস্ত্র এখনো জমা হয়নি সে ব্যাপারে একটি আইনি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে জানিয়ে
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক বিবেচনায় কোনো লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল কি না তা নিশ্চিত
করতে একটি কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।’
মন্তব্য করুন