

বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে
চাই না, যা মানুষের সাধ্যের বাইরে। বিএনপি সব সময় বিশ্বাস করে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’
তারেক
রহমান বলেন, এই ১২ তারিখের নির্বাচন হতে হবে দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন, মানুষের ভাগ্য
পরিবর্তনের নির্বাচন।
আজ
রোববার ঢাকায় নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকা-১৫ আসনে মিরপুর
১০ গোলচত্বর সংলগ্ন সেনপাড়া-পর্বতা এলাকায় আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক পথসভায় বিএনপি
চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। এই আসনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর
আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বিএনপির
ঘোষিত নির্বাচনী পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আমরা আমাদের ম্যানিফেস্টোতে
উল্লেখ করেছি— আমরা এই দেশের নারী বা মা-বোনদের জন্য কী করতে চাই, ছাত্র
সমাজের জন্য কী করতে চাই, লক্ষ-কোটি বেকার মানুষের কর্মসংস্থান কীভাবে করব এবং কীভাবে
স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেব।
নারী
ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া
যতবার দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছেন, তিনি চেষ্টা করেছেন দেশের নারীদের শিক্ষা ব্যবস্থা
ফ্রি করে দিতে। যার ফলে আজ বাংলাদেশের মেয়েরা ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত
বিনামূল্যে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন,
বিএনপি সরকার গঠন করলে আমরা নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চাই। এজন্য
প্রতিটি ঘরে গৃহিণীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে, যার মাধ্যমে সরকারের পক্ষ
থেকে সহযোগিতা করা হবে।
কর্মসংস্থান
প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় অন্তত একটি করে ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট
গড়ে তোলা হবে, যেখানে ভাষা শিক্ষা ও বিভিন্ন কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণরা নিজেরা
ব্যবসা করতে পারবে অথবা বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। বিদেশগামী শ্রমিকদের প্রসঙ্গে
তিনি বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি— যারা চাকরি নিয়ে বিদেশে যাবে, তাদের
যেন জমি বিক্রি করতে না হয়। এজন্য স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা করা হবে।
কৃষকের
বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশও ভালো থাকবে। এজন্য কৃষকদের
জন্য কৃষি কার্ড চালু করা হবে এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে।
স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, গ্রামে গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা
পৌঁছে দিতে হেলথ কেয়ার কর্মী নিয়োগ করা হবে। ঢাকা-১৫ এলাকার মানুষের চিকিৎসা সুবিধার
জন্য এখানে হাসপাতাল স্থাপন করা হবে এবং দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা ১০০ ফিট রাস্তার কাজ দ্রুত
শুরু করা হবে।
দেশ
পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, কথা একটাই, কাজ একটাই—
দেশকে পুনর্গঠন করতে হবে। আমাদের সকলের প্রথম এবং শেষ ঠিকানা এই বাংলাদেশ। তিনি আরো
বলেন, যারা জুলাই আন্দোলনে আহত হয়েছেন এবং যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি
সম্মান জানিয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
এরপর
ঢাকা-১৪ আসনে মিরপুর মডেল থানার বিপরীতে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, ঢাকা-১৩
আসনে শ্যামলী ক্লাব মাঠে এবং ঢাকা-১১ আসনে বাড্ডার সাতারকুলে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য
রাখবেন তারেক রহমান। এর আগে নিজ সংসদীয় আসন ঢাকা-১৭ এলাকার ইসিবি চত্বর থেকে পথসভা
শুরু করেন তারেক রহমান। এরপর তিনি পল্লবীতে ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হকের
সমর্থনে আয়োজিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
সভায়
প্রার্থী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল, ছাত্রদলের
সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ।
মন্তব্য করুন


প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ
ইউনূস বলেছেন, নারীদের সম্ভাবনা ও কর্মদক্ষতাকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করে উন্নত
বাংলাদেশ গড়ার অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ
করে যাচ্ছে।
উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন
করতে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের নারীরা- এ কথা উল্লেখ করে
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের নারী সমাজের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে এটাই
হোক আমাদের অঙ্গীকার।’
‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’ উপলক্ষ্যে
আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘৮ মার্চ, আন্তর্জাতিক
নারী দিবস। ১৯৭৫ সালে ৮ মার্চকে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান
করে। নারী অধিকার রক্ষায় এই দিনটি বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও প্রতি বছর
উদযাপিত হয়। এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়:‘অধিকার, সমতা, ক্ষমতায়ন-নারী ও কন্যার
উন্নয়ন’। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের আকাঙ্ক্ষায় ছাত্র-শ্রমিক-জনতা যে গণ-অভ্যুত্থান
সংগঠিত করেছিল গত জুলাই-আগস্টে তার সম্মুখ সারিতে ছিল নারী। লক্ষ লক্ষ ছাত্রী বিভিন্ন
ক্যাম্পাসে দমন নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর হয়েছে। একাধিক নারী এই গণ-অভ্যুত্থানে
শাহাদত বরণ করেছেন। আমি এই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারীদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি
এবং জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।’ দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। তারা
এগিয়ে যাচ্ছে সর্বক্ষেত্রে। নারীদের অধিকার ও ক্ষমতায়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক
উন্নয়নসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে মহিলা
ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। নির্যাতিত, দুস্থ ও অসহায়
নারীদের জন্য শেল্টার হোম, আইনি সহায়তা দিতে
‘মহিলা সহায়তা কেন্দ্র’, কর্মজীবী মহিলাদের আবাসন ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থান
সৃষ্টির লক্ষ্যে সহায়তা ও ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম নারীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে
ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অদম্য মেয়েরা
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্বমহিমায় এগিয়ে যাচ্ছে। নারীর অর্জনকে স্বীকৃতি
দিতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার’ ও ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদানসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা
হয়েছে।
মন্তব্য করুন


অন্তর্বর্তীকালীন
সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে যুক্ত হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক সি আর আবরার
(চৌধুরী রফিকুল আবরার)।
তিনি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছেন ।
মঙ্গলবার
(৪ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান প্রধান
উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
অধ্যাপক
সিআর আবরার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক নামকরা শিক্ষক ছিলেন উল্লেখ করে শফিকুল আলম বলেন,
কাল (বুধবার) উনি শপথ নেবেন। প্রফেসর ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ অনেক দিন ধরেই বলছিলেন, উনি
একসঙ্গে দুটি মন্ত্রণালয় কাজ করতে পারছেন না। যেহেতু উনি অ্যাডভান্সড স্টেজে, প্ল্যানিং
মিনিস্ট্রিতে অনেক বড় দায়িত্ব ওনার। এজন্য অধ্যাপক সি আর আবরার যুক্ত হচ্ছে উপদেষ্টা
পরিষদে।
প্রসঙ্গত,
বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ এই মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি পরিকল্পনা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করে আসছেন।
তবে
নতুন কতজন উপদেষ্টা শপথ নেবেন সেটি তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
শফিকুল আলম বলেন, উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন
মাহমুদ অনেকদিন যাবত বলে আসছিলেন, তার পক্ষে একই সঙ্গে পরিকল্পনা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে তার বদলে অধ্যাপক আবরারকে সম্ভবত শিক্ষা
মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ৬৪৮ বোতল ফেন্সিডিল আটক করেছে ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি)।
অদ্য ০৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর অধীনস্থ লক্ষীপুর পোষ্ট এর টহলদল মাদক ও চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।
উক্ত অভিযানে বিজিবি টহলদল কর্তৃক সীমান্ত পিলার ২০৮৫/১০-এস হতে ৬০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মান্দারি নামক স্থান হতে ৬৪৮ বোতল ফেন্সিডিল আটক করে।
আটককৃত ফেন্সিডিল এর আনুমানিক মূল্য ২,৫৯,২০০/- (দুই লক্ষ ঊনষাট হাজার দুইশত) টাকা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লায় ৭৬ কেজি গাঁজা’সহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
মঙ্গলবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানাধীন বাগরা এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
অভিযানে আসামী ১। মোঃ রাশেদ মিয়া (২৪) ও ২। সাইফুল আব্বাস (২২) নামক ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র্যাব। এ সময় আসামীদ্বয়ের কাছ থেকে ৭৬ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ০১ টি কাভার্ড ভ্যান উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলো: সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারা বাজার থানার আলমখালী গ্রামের মৃত মনির হোসেন এর ছেলে মোঃ রাশেদ মিয়া (২৪) এবং চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী জেলার দুহিনকুল গ্রামের আলী আব্বাস টিটু এর ছেলে সাইফুল আব্বাস (২২)।
আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে জব্দকৃত কাভার্ড ভ্যান ব্যবহার করে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা হতে মাদক দ্রব্য গাঁজা সংগ্রহ করে সুনামগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের নিকট পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।
র্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে উক্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধির বিরুদ্ধে র্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
মন্তব্য করুন


বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি আজ (২৪ সেপ্টেম্বর) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও চট্টগ্রাম এরিয়া পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান চট্টগ্রাম সেনানিবাসে কর্মরত সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে দরবার নেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। অতঃপর তিনি আর্মি মেডিকেল কলেজের একটি বহুতল ভবনের নির্মাণকাজের অগ্রগতি পরিদর্শনসহ বৃক্ষরোপণ করেন। পরে তিনি সকল পদবির সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে 'অফিসার্স অ্যাড্রেস' গ্রহণ করেন। এসময় তিনি তাঁর মূল্যবান বক্তব্যের শুরুতেই শহিদ লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন এর মৃত্যুতে মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি বলেন, দেশমাতৃকার সেবায় তরুণ সাহসী এই সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তাঁর জন্য গর্বিত। এরপর সকলের উদ্দেশ্যে দেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির উপর আলোকপাত করে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি বলেন, দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন এবং যৌথ বাহিনীর অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমের পাশাপাশি বিচার বহির্ভূত কর্মকাণ্ড রোধ ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশ ও জনগণের আস্থার প্রতীক। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান বিভিন্ন গুজব সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি সততা, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সাথে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি রিজিয়নের নানিয়ারচর জোন সদর পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে সেনাবাহিনী প্রধান স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, সাধারণ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা প্রদানসহ দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা প্রদান করেন। দুর্গম পাহাড়ি সেনা ক্যাম্পে সেনাবাহিনী প্রধানের আগমন পার্বত্য চট্টগ্রামে মোতায়েনরত সেনাসদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মনোবল উঁচু করেছে। এছাড়াও তিনি পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের পদস্থ অসামরিক কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময় জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ২৪ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার চট্টগ্রাম এরিয়া, সেনাসদরের চিফ কনসালটেন্ট জেনারেল, অ্যাডহক সিএসসি'সহ সেনাসদর ও চট্টগ্রাম এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাগণ, জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার ও অন্যান্য পদবির সৈনিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য করুন


বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ১০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ডাকটিকিট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। একটি বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করা হয় দিবসটি উপলক্ষে।
বুধবার (৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অফিস কক্ষে উপদেষ্টা স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন।
দিবসটি উপলক্ষে এক বিবৃতিতে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
অনুষ্ঠানে ডাক বিভাগের দুর্লভ ডাকটিকিটের ছবি সংবলিত বিশেষ অ্যালবাম ‘ন্যাচারাল বিউটি অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ অব বাংলাদেশ পোস্টেজ স্টাম্পাস’র মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ড. মো. মুশফিকুর রহমান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম শাহাব উদ্দীনসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মন্তব্য করুন


কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন এলাকা হতে ৪৬ কেজি গাঁজা ও ২ বোতল বিদেশী মদ’সহ ২জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১, সিপিসি-২।
নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ১০ নভেম্বর সকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন জোড়কানন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে ৪৬ কেজি গাঁজা ও ০২ বোতল বিদেশী মদ’সহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলো: রাজশাহী জেলার তানোর থানার মুন্ডুমালা গ্রামের মৃত নাইমুল হক এর ছেলে মোঃ শরীফুল ইসলাম (২৭) এবং একই জেলার চন্দ্রিমা থানার পূর্বপাড়া ছোট বনগ্রাম গ্রামের মৃত সেরাজুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ জহুরুল ইসলাম (২৭)। এসময় মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত একটি মিনি পিকআপ জব্দ করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত মিনি পিকআপ ব্যবহার করে রাজশাহী, কুমিল্লা’সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা, বিদেশী মদ’সহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন


বিএনপি
চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ড সবুজ সংকেত দিলেই
ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবে কাতারের রয়েল এয়ার অ্যাম্বুলেন্স।
বিএনপি
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে
কাতারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনিই এই বিষয়ে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করছেন।
এনামুল
হক চৌধুরী বলেন, ‘ম্যডামের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে কাতারের রয়েল অ্যাম্বুলেন্স
বাংলাদেশ আসবে। তারা এখন সেইভাবে প্রস্তুত আছেন। মেডিকেল বোর্ড যখনই সিদ্ধান্ত জানাবে
তখনই এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবে এবং বেগম জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার
জন্য লন্ডন নিয়ে যাবে। সবকিছুই কাতার কর্তৃপক্ষ অ্যারেজমন্ট করেছে।’
জার্মানি
থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আনার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা নই, কাতার
কর্তৃপক্ষই জার্মানি থেকে একটি অত্যাধুনিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের অ্যারেজমেন্ট করে দিচ্ছে।
এনামুল
হক জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য রয়েল কর্তৃপক্ষের
তত্ত্বাবধায়নে সবকিছু করা হচ্ছে। এখানে আমাদের কিছু নেই।
বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থা আগের মতই আছে। মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা ক্রিটিক্যাল
কেয়ার ইউনিটে বেগম খালেদা জিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
একাধিক
চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন এখনও ফ্লাই করার সক্ষমতা অর্জন
করেননি। সেজন্য লন্ডন যাত্রা বিলম্ব হচ্ছে।
তারা
আরও জানান, গত দু’দিনে মেডিকেল বোর্ড কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা
করেছে। সেগুলোর প্রতিবেদনও তারা পর্যালোচনা করছেন। গতকাল (শুক্রবার) দু’দফা
মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক হয়। প্রতিদিনই বোর্ডের সভায় খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার নিয়মিত
প্রতিবেদনগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গত
২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চকিৎসাধীন আছেন বেগম খালেদা জিয়া।
অধ্যাপক
শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একদল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড তাঁর
চিকিৎসা দিচ্ছে। তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানও সেই বোর্ডের সদস্য।
বেগম
খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নিয়ে যেতে শুক্রবার ডা. জুবাইদা ঢাকায় এসে
পৌঁছান।
মন্তব্য করুন


স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, অবৈধভাবে বিদেশিদের বাংলাদেশে থাকতে দেওয়া হবে না।
রোববার (৮ ডিসেম্বর) বড়দিন ও থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম এ কথা জানান।
এর আগে সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে অনেক ভিনদেশি নাগরিক অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন এবং অবৈধভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। যারা অবৈধভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন বা কর্মরত আছেন, তাদের অবিলম্বে বাংলাদেশে অবস্থানের বা কর্মরত থাকার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বৈধতা অর্জনের জন্য অনুরোধ করা হলো। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে।
মন্তব্য করুন


দেশের
গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
(বিএনপি)’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আজ দ্বিতীয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
পালিত হচ্ছে।
গতকাল
বুধবার থেকে সারাদেশে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন শুরু হয়। গতকাল ৩১ ডিসেম্বর থেকে
শুরু হওয়া এই শোক চলবে আগামীকাল ২ জানুয়ারি, ২০২৬ (শুক্রবার) পর্যন্ত।
রাষ্ট্রীয়
শোকের দ্বিতীয় দিনে দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ
সকল সরকারি-বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা
হয়েছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শোক কর্মসূচির
ঘোষণা দেওয়া হয়।
সেখানে
বলা হয়, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে
সরকার গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর মৃত্যুতে বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ হতে শুক্রবার, ২ জানুয়ারি
২০২৬ পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে।
বেগম
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাতের জন্য আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দেশের সকল মসজিদে
বিশেষ দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন করা হবে। এর আগে,
গতকাল জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বিশেষ ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক
ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও গতকাল বুধবার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেন।
বিরল
রাষ্ট্রীয় সম্মান ও মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের
কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে মরহুমের ছেলে তারেক রহমান মাকে
কবরে শায়িত করেন। রাষ্ট্রীয় সম্মানের অংশ হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব
অনার প্রদান করা হয় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি।
দাফনের
আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, মানিক মিয়া এভিনিউ ও আশপাশের কয়েক কিলোমিটার এলাকা
জুড়ে অনুষ্ঠিত হয় বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক জানাজা। তাঁর এই জানাজায় লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। শোক আর শ্রদ্ধায় আপসহীন এই নেত্রীকে
শেষ বিদায় জানান কোটি মানুষ।
এই
জানাজাকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ জানাজা বলে উল্লেখ করছেন অনেকেই।
বেগম
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার
মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন। ঐতিহাসিক এ জানাজায় বিশ্বের
বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ ও কুটনৈতিকগণ অংশ নেন।
মন্তব্য করুন